South Bengal Dairy & Cattle Farm

South Bengal Dairy & Cattle Farm Something Best For Your Health. বরিশাল মহানগর।
২৬ নং ওয়ার্ড।
হরিণাফুলিয়া।
নতুন হাট।
ঈদগাঁও ময়দান।
(1)

24/04/2026

জানতেও জানাতে আমাদের পেজটিকে ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন

🐐🔥 ছাগল পালনে সবচেয়ে বড় ভুলটা কী জানেন?👉 অনেকেই এখনও মাটিতে ছাগল পালন করেন… আর তারপরই শুরু হয় সমস্যা!❌ রোগ❌ দুর্গন্ধ❌ বে...
23/04/2026

🐐🔥 ছাগল পালনে সবচেয়ে বড় ভুলটা কী জানেন?

👉 অনেকেই এখনও মাটিতে ছাগল পালন করেন… আর তারপরই শুরু হয় সমস্যা!

❌ রোগ
❌ দুর্গন্ধ
❌ বেশি মৃত্যু
❌ লসের পর লস

💥 কিন্তু সমাধান একটাই — মাচা পদ্ধতি!

🌿 কেন সবাই এখন মাচা পদ্ধতিতে যাচ্ছে?

✅ ছাগল থাকে মাটি থেকে উঁচুতে
➡️ ময়লা, আর্দ্রতা, জীবাণু থেকে নিরাপদ

✅ রোগ কমে যায় ৫০–৭০% পর্যন্ত 🔥

✅ খামার পরিষ্কার রাখা একদম সহজ

✅ ছাগলের বৃদ্ধি দ্রুত হয় 📈

⚠️ একটা বাস্তব কথা:
খামারে একবার রোগ ঢুকলে…
👉 পুরো খামার শেষ হয়ে যেতে পারে!

💰 খরচ নিয়ে ভয় পাচ্ছেন?
অনেকে ভাবেন মাচা পদ্ধতি মানেই বেশি খরচ…

👉 কিন্তু সত্যি হলো:
✔ একবার খরচ
✔ দীর্ঘদিন লাভ

📈 মাচা পদ্ধতির আসল লাভ:
✔ সুস্থ ছাগল 🐐
✔ কম চিকিৎসা খরচ 💊
✔ দ্রুত ওজন বৃদ্ধি ⚡
✔ বেশি প্রফিট 💰

🚀 নতুন খামারিদের জন্য পরামর্শ:
👉 শুরু থেকেই মাচা পদ্ধতি নিন
👉 পরে আফসোস করতে হবে না!

💬 আপনি কি মাচা পদ্ধতিতে ছাগল পালন করছেন?

আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানান 👇

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন — অন্য খামারিরাও উপকৃত হোক!

#ছাগল #ছাগল_পালন #মাচা_পদ্ধতি

🐐 ছাগলের খামারের জন্য মাচা তৈরির সঠিক পদ্ধতি – সফল খামারের প্রথম ধাপ!আপনি যদি ছাগল পালন শুরু করতে চান, তাহলে মাচা (উঁচু ...
22/04/2026

🐐 ছাগলের খামারের জন্য মাচা তৈরির সঠিক পদ্ধতি – সফল খামারের প্রথম ধাপ!

আপনি যদি ছাগল পালন শুরু করতে চান, তাহলে মাচা (উঁচু ঘর) তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক মাচা ছাগলকে সুস্থ রাখে, রোগ কমায় এবং খামারকে পরিষ্কার রাখে।

✅ কীভাবে মাচা তৈরি করবেন?

🔸 বাঁশ নির্বাচন:
মাচা তৈরির জন্য সবুজ কাঁচা বাঁশ ব্যবহার করুন। এই বাঁশ নমনীয় হলেও বেশ টেকসই, ফলে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।

🔸 মজবুত কাঠামো:
মনে রাখবেন, একসাথে অনেক ছাগল এই মাচার উপর থাকবে। তাই অবশ্যই মোটা ও শক্ত বাঁশ ব্যবহার করতে হবে, যেন ভেঙে পড়ার ঝুঁকি না থাকে।

🔸 উচ্চতা ঠিক রাখা:
মাটি থেকে মাচার উচ্চতা কমপক্ষে ১ হাত থেকে দেড় ফুট রাখুন। এতে নিচে ময়লা জমলেও ছাগল পরিষ্কার জায়গায় থাকবে।

🔸 ফাঁকা রাখা জরুরি:
মাচার ফাঁকের মাধ্যমে ছাগলের মল-মূত্র নিচে পড়ে যাবে এবং বাতাস চলাচল ঠিক থাকবে। এতে রোগের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

🔸 টেকসই করার উপায়:
নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও যত্ন নিলে বাঁশের মাচা অনেক বছর ভালো থাকবে।

💡 গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
মাচা তৈরি করা খুব কঠিন নয়। অভিজ্ঞ বাঁশ মিস্ত্রি থাকলে সহজেই একটি মজবুত ও ভালো মানের মাচা তৈরি করা সম্ভব।

📌 সঠিকভাবে মাচা তৈরি করলে আপনার খামার হবে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর এবং লাভজনক।

👉 আপনার খামারে কি মাচা পদ্ধতি ব্যবহার করছেন? কমেন্টে জানান!

#ছাগল_পালন #খামার_ব্যবস্থা #মাচা_পদ্ধতি #গোট_ফার্মিং #গ্রামীণ_উদ্যোগ

সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা ...
18/04/2026

সারাদেশের গরুর হাটের তালিকা ----

গরু বেচাকেনার জন্য হাটের কোন বিকল্প নাই। হাটের ঠিকানা এবং কোথায় কেমন গরু পাওয়া যায়, এটা নিয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্য এই লেখাটি উপকারে আসবে . . .

#কোথায়_কোন_গরু : ---

(১) আপনার বাজেট যদি ৩৫-৪০ হাজার টাকার মধ্যে হয় তাহলে আপনি কুড়িগ্রামের ভুরুংগামারী, নাগেশ্বরী, যাত্রাপুরা, লালমনিরহাটের বড়বাড়ী হাট থেকে নিতে পারেন। এখানকার বেশীরভাগ বাছুর লাল খুব সুন্দর কিন্তু ১২ থেকে ১৮ মাস মেয়াদী প্রজেক্ট হলে ওখান থেকে বাছুর কিনা ভাল।

(২) আপনি যদি ৫০-৫৫ হাজার টাকার মধ্যে শাহীওয়াল ষাড় কিনতে চান তাহলে বগুড়ার বুড়িগন্জ, ঘোড়াধাপ, মহাস্থান, ডাকুমারা, জয়পুরহাট, পাবনার চতুর্বাজার।

(৩) বাজেট যদি ৫৫ হাজার টাকার উপরে হয়, তাহলে অবশ্যই চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গার, বালিয়াপাড়া হাট।

(৪) শুধু গাভীন গাভী কিনতে চাইলে বগুড়ার দুপচাচিয়া থানার ধাপের হাট উত্তম।প্র‌তি র‌বিবার ও বৃহঃস্প‌তি বার।

(৫) শুধু ইন্ডিয়ান বলদ ও নেপালী বড় বড় গরু কিনতে চাইলে অবশ্যই বেনাপোলের পুটখালী এবং সাতক্ষীরার বৈখালী যেতে হবে।

(৬) যদি দেশী লাল বলদ গরু কিনতে চান তাহলে প্রতি শনিবার জয়পুরহাট।

(৭) যদি শুধু দেশী বাছুর কিনতে চান তাহলে যেতে হবে চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী ও তর্তিপুর হাট।

(৮) মহিষ কিনতে হলে চুয়াডাংগার আলমডাঙ্গা এবং চাঁপাই এর সোনাইচন্ডী হাট এবং মৌলভিবাজারের হাট সমুহ৷

(৯) যদি শুধু অষ্টেলিয়ান এবং ক্রস বাছুর কিনতে চান তাহলে পাবনার ঈশ্বরদীর অরনখোলার হাট। পুরা হাট ভরা শুধু ক্রস বাছুর।

(১০) ইন্ডিয়ান বলদ এবং বড় ষাড় গরুর জন্য রাজশাহীর সিটি হাট। যশোরের সাতমাইল ভাল গরু আগে উঠত কিন্তু এখন আগের রমরমা অবস্থা নাই।

(১১) কেউ যদি দেশী জাতের খাটো বুট্টী টাইপের গরু কিনতে চান তাহলে অবশ্যই দিনাজপুর এবং রংপুর এর হাট গুলো থেকে সংগ্রহ করতে হবে। এই জাতের গরুর খামার খুব লাভবান কারন ২-৩ মাসের মধ্যে গরু বিক্রয় উপযোগী হয়ে যায়, খাবার কম লাগে, তাদের মুখে অনেক রুচি, রোগবালাই হয় না বললেই চলে, মধ্যবিও যারা একা কোরবানী দেয় তাদের জন্য। আমি প্রতি বৎসর ঈদের ২-৩ মাস আগে ১ গাড়ী নিয়ে আসি অল্প লাভ। কিন্তু ৩ মাসের বেশী পুষলে লস কারন এগুলো সাইজে খুব বেশি বড় হয় না।

(১২) RCC Cow কিনতে হলে যেতে হবে চট্টগ্রাম এর সাতকানিয়া, আনোয়ারা উপজেলায়। এই জাতটা দীর্ঘমেয়াদের জন্যে ভাল।

#হাটের_তালিকা :-------

#বৃহত্তর_চট্টগ্রাম :---

১. বিবিরহাট, শনি ও মঙ্গলবার।
২. সাগরিকা, বৃহস্পতি ও সোমবার।
৩. হাটহাজারী স্টেশন বাজার, বৃহস্পতিবার।
৪. মিরসরাই মিঠাচরা বাজার, বৃহস্পতিবার।
৫. সীতাকুণ্ড থানার ফকির হাঠ, বুধবার।
৬. রাংগুনিয়া রানীর হাট, শনি মংগল।
৭. রাংগুনিয়া রোয়াজার হাট, সোম শুক্রবার।
৮. রাংগুনিয়া পদুয়া বাজার, প্রতি বৃহস্পতিবার।
৯. বাগিচাহাট,চন্দনাইশ, সোমবার ও শুক্রবার।
১০. থানা হাট, পটিয়া, সোমবার ও শুক্রবার।
১১. কেরানিহাট, রবিবার ও বুধবার।
১২. আনোয়ারা সরকার হাট, সোম শুক্রবার।
১৩. কক্সবাজারের চকরিয়ার ইলিশিয়া হাট, প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৪. রামদাশ মুন্সির হাট বাঁশখালি, রবি ও বৃহস্পতিবার।
১৫. রাংগুনিয়া রাণি হাট, শনি ও মঙ্গলবার।
১৬. কাওখালি বাজার, বৃহস্পতিবার ও সোমবার (সকাল বেলা)।
১৭. খিরাম বাজার ফটিকছড়ি, রবি ও বৃহস্পতিবার।(ভোর থেকে ১১/১২ টা পর্যন্ত।
১৮. নাজিরহাট বাজার, শনিবার ও মঙ্গলবার।
১৯. মাইনি বাজার রাংগামাটি, শনিবার ভোর বেলা।
২০. শুভলং বাজার রাংগামাটি, শনিবার।
২১. রামগড় বাগান বাজার, শুক্রবার।
২২. গুইমারা বাজার, মঙ্গলবার।
চিকনছড়া বাজার, মঙ্গলবার।
২৩. বান্দরবান লামা বাজার, মঙ্গলবার ও শনিবার।
২৪. চন্দনাইশের বৈলতলী, খোদার হাট, রবিবার ও বুধবার।
( সৌজন্যে : খামারী শাতিল রহমান)

#সারা_দেশ:-----

১. টাঙ্গাইলের মির্জাপুর দেওহাটায় প্রতি মঙ্গলবারে বড় গরুর হাট বসে। উন্নত জাতের গাভী এবং বাছুর পাওয়া যায় এই হাটে ।

২. কুমিল্লার চান্দিনা হাট। শনি ও মঙ্গালবার হাট বসে। ষাঁড় গরু বেশী উঠে।

৩. লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ হাট। সোনাপুর হাট। অনেক দেশী গরু পাওয়া যায়।

৪. মিটাপুকুর থানা, জেলা রংপুর, বৈরাতি হাট, বিশাল গরুর হাট। হাটবার শনিবার মঙ্গলবার, বেশীরভাগ দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫. চাপারহাট। প্রতি সোম এবং শুক্রবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

৬. গাজীপুর কাপাসিয়া থানা আমরাইদ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে।

৭. রাজবাড়ী জেলা প্রতি রবি ও বৃহঃস্প‌তি বার বিশাল গরুর হাট।

৮. গোবিন্দগঞ্জ (গোলাপবাগ) হাট প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার হাট। দেশি বিদেশি গরু পাওয়া যায়।

৯. ঢাকার আশুলিয়া হাট। প্রতি বুধবার বসে। ভালো দেশী ও ক্রস ষাড় পাওয়া যায়।

১০. নাটুয়ারপাড়া হাট। হাটবার প্রতি সপ্তাহের শনিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১. ঝিনাইদহ জেলার ভাটই বাজার, প্রতি রবিবার বসে। দেশি গরু পাওয়া যায়।

১২. নেত্রকোনার সিধলি বাজার, শুধুমাত্র সোমবার , অনেক দেশি গরু পাওয়া যায় ৷

১৩. সুনামগঞ্জ জেলার ধরমপাশায় বিশাল হাট। হাটবার প্রতি বৃহস্পতিবার। নেত্রকোনা থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে।

১৪. হবিগঞ্জের মাধবপুরের কেশবপুরবহাট। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৫. জংলী শীবপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জিলা। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৬. বেলাবো হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি শুক্রবার বসে। মুলত দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৭. নারায়নপুর হাট, বেলাবো, নরসিংদী। প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসলেও গরুর হাট কেবল মঙ্গল বার বসে।

১৮. পোড়াদিয়া হাট, বেলাবো, নরসিংদী জেলা। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৯. শ্রীরামপুর হাট, রায়পুরা, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

২০. কুষ্টিয়ার ভাদালিয়া হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২১. সিরাজগঞ্জের শালুয়াভিটা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২২. চান্দাইকোনা হাট, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ জিলা। প্রতি শনি ও মংগলবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৩. জয়পুরহাট জিলা হাট। প্রতি শনিবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৪. গোবিন্দাসী হাট, টাঙ্গাইল। যমুনা ব্রিজের কাছে। দেশী ও শাহিওয়াল পাওয়া যায়।

২৫. পাচবিবি হাট, জয়পুরহাট জেলা। প্রতি মংগলবার বসে। দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

২৬. হাতিরদিয়া হাট, নরসিংদী। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

২৭. সিরাজগঞ্জের রতন কান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু, ছাগল, ভেড়া পাওয়া যায়।

২৮. বনানী হাট, বগুড়া। সোমবার ও
শুক্রবার বসে। দেশী ও বর্ডার ক্রস গরু পাওয়া যায়।

২৯. সিরাজগঞ্জের পাংগাসির হাট। প্রতি শনিবার বসে। ক্রস ও দেশী গরু, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যায়।

৩০. গাইবান্ধা গরুর হাট, গাইবান্ধা বাজার, ইসলামপুর, জামালপুর জিলা। সোম ও শুক্রবার। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩১. গজারিয়া হাট, মুন্সিগঞ্জ জিলা। শুধুমাত্র মঙ্গলবার হাট বসে। দেশী ও মিরকাদিম জাতের গরু পাওয়া যায়।

৩২. নওগাঁ হাট,তাড়াশ, সিরাজগঞ্জ। বৃহস্পতিবারে হাট বসে। ক্রস ও দেশী গরু পাওয়া যায়।

৩৩. এনায়েত পুর, সিরাজগঞ্জ। শুক্রবার হাট বসে, দেশি গরু বেশি পাওয়া যায়। কিছু ইন্ডিয়ান এবং নেপালি গরু ও পাওয়া যায়।

৩৪. ডাকুমারা হাট, শিবগঞ্জ উপজিলা, নওয়াবগঞ্জ জিলা। প্রতি (রবিবার)।

৩৫. মহাস্তান হাট, বগুড়া। প্রতি বুধবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৬. ধাপের হাট, দুপচাচিয়া, বগুড়া। হাটবার প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার। উত্তরাঞ্চলের নামকরা বড় হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৩৭. মহিমাগঞ্জ হাট, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্দা। প্রতি শনিবার ও মংগলবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৩৮. ভরতখালী হাট, সাঘাটা, গাইবান্ধা। শনিবার আর মঙ্গলবার। দেশি গাভি, লাল বাসুর ইত্যাদি পাওয়া যায়।

৩৯. আরিচা হাট প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার। আরিচা হাট থেকে গরু ক্রয় করার কিছু সুবিধা আছে। এই গরুগুলো বেশিরভাগ আসে চর এলাকা হতে। গরুগুলো শুধুমাত্র চরের ঘাস খাওয়ায় অভ্যাস্ত। চরের এই গরুগুলো মোটাতাজা করন প্রকল্পের জন্য বেশ সুবিধাজনক।

৪০. ছনকা বাজার, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ। শুক্রবার। চরাঞ্চলের গরু পাওয়া যায়।

৪১. চতুরহাট,বেড়া,সি এন্ড বি বাজার,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। সাহিওয়াল আর পাবনার লাল গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪২. বনগাওহাট ,পাবনা জিলা।প্রতি মঙ্গলবার বসে। ক্রস গরু বেশী পাওয়া যায়।

৪৩. পুষ্পপাড়াহাট ,পাবনা। প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৪. হাজিরহাট,পাবনা জিলা। প্রতি মঙ্গল ও শুক্রবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৫. আওতাপাড় হাট, পাবনা জিলা। প্রতি রবি ও বুধবার। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৪৬.পাবনা জেলার চাটমোহর উপজিলার রেলবাজার হাট। প্রতি রবিবার বসে। গাভীর জন্য বিখ্যাত।

৪৭. অরোনকুলা হাট, ইশ্বরদী ,পাবনা। প্রতি মঙ্গলবার বসে। ফ্রিজিয়ান ও ক্রস গরুর জন্য বিখ্যাত।

৪৮. সখিপুর হাট, সখিপুর উপজিলা শরিয়তপুর জিলা।প্রতি বুধ ও শুক্রবার৷ বসে। সখিপুরের হাটটি খাশি এবং ষাড় গরুর জন্যে ভাল।

৪৯. ঘরিষার হাট, নড়িয়া উপজিলা, শরিয়তপুর জিলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

৫০. ভোজেশ্বর হাট, প্রতি শুক্রবার (নড়িয়া থানা, শরিয়তপুর জেলা) ভোজেশ্বর হাটটি খাশি এবং গরুর জন্যে মোটামুটি ভাল।

৫১. লাউখোলা হাট, প্রতি বৃহস্পতি বার (জাজিরা থানা, শরিয়তপুর জেলা) লাউখোলার হাটটি দুধের
গরুর জন্যে নামকরা তবে বুঝে শুনে না কিনলে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

৫২. মনোরা হাট, হাটবার সোমবার (পালং থানা, শরিয়তপুর জেলা) মনোরার হাটটি শুনেছি দুধের গরুর জন্যে খুবই ভাল তবে তথ্য দাতা এখনো হাটে যাননি।

৫৩. হযরতপুর হাটবার। প্রতি শনিবার ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৪. পাড়াগ্রাম বা পারাগাও হাট। (সেরুমিয়া) হাটবার প্রতি বুধবার। ঢাকার কাছের হাট। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। ষাড় ও কসাই গরুর জন্য নামকরা হাট।

৫৫. চালাকচর হাট, মনোহরদ, নরসিংদী জেলা। প্রতি সোমবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৫৬. মনোহরদী হাট, নরসিংদী জেলা। প্রতি বুধবার বসে। দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৫৭. নেত্রকোনা জেলা শহরের রাজুরবাজার নামক স্থানে প্রতি শনিবার বিশাল গরুর হাট বসে।

৫৮. রাজশাহী সিটি হাট। হাটবার রবিবার ও বুধবার। বড় সাইজের ইন্ডিয়ান ও দেশী ষাড় গরুর জন্য নামকরা। তবে দালালের আধিক্য বেশী।

৫৯. আজমীরিগন্জ, হবিগন্জ জেলা। প্রতি রবিবার। ৯৫%দেশি গরুর সমাহার।

৬০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গল বার বসে দেশী গরুর জন্য ভালো ও বড় হাট।

৬১. তেবাড়িয়া হাট, নাটোর সদর। প্রতি রবিবার বসে। দেশি ও ইন্ডিয়ান গরুর বড় হাট। ক্রস গরুও পাওয়া যায়।

৬২. মৌখাড়ার হাট, বড়াইগ্রাম, নাটোর। প্রতি শুক্রবার বসে। দেশি জাতের গরুর জন্য ভালো।

৬৩. হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর, হাটবার শুক্রবার। এখানে নাকি সারা রাত ক্রয়-বিক্রয় হয়।

৬৪. বৈরাতি হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। হাটবার শনিবার ও মঙ্গলবার। দেশী ষাড়, গাভী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৬৫. চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মল্লিকপুর হাট। প্রতি শনিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৬. দিনাজপুর জেলা চিরিরবন্দর থানা, রানিরবন্দরের বিশাল গরুর হাট, হাটবার সোমবার ও বৃহস্পতিবার।

৬৭. রংপুর জেলা বদরগঞ্জ থানা হাট। সোমবার ও বৃহস্পতিবার। দেশী ষাড় ও গাভী বেশী পাওয়া যায়।

৬৮. পাবনা জেলার হাজীর হাট নামকরা হাট। শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। দেশী, শাহিওয়াল, ক্রস, পাবনা ব্রীড সহ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৬৯. সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর শুক্রবার এবং বেলকুচি বুধবারে বিশাল হাট।

৭০. গাজীপুর, শ্রীপুর, মাওনা। হাটবার বৃহস্পতিবার। মূলত দেশী ও ক্রস গরু পাওয়া যায়।

৭১. টাংগাইল জেলার মির্জাপুর উপজিলার কাইতলা হাট, প্রতি শনিবার। দেশী ও শাহীওয়াল বেশী পাওয়া যায়। ফ্রিজিয়ান ক্রস ও পাওয়া যায়।

৭২. শিমুলিয়া হাট, পুর্বাচল, ঢাকা। প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। তবে ষাড় বেশী পাওয়া যায়।

৭৩. সারুলিয়া হাট, ডেমরা, ঢাকা। প্রতি বৃহস্পতিবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৪. বালুরমাঠ হাট, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। প্রতি মংগলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৭৫. উদয়পুর হাট, মোল্লাহাট উপজিলা, বাগেরহাট জেলা। অনেক পুরানো এবং ঐতিহ্যবাহী হাট। প্রতি রবিবার বসে। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়৷

৭৬. শৈলদাহ হাট। চিতলমারী থানা, বাগেরহাট জেলা। আর হাট বসে সোম ও শুক্রবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৭৭. ঝিনাইদহের খালিশপুর হাট, শুক্র ও সোমবার বসে। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া সব কিছুই পাওয়া যায়।

৭৮. ঝিনাইদহের পুরাপারা হাট। প্রতি রবি ও বুধবার। বলদ গরু ও বেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

৭৯. চন্দ্রপুর হাট (পালং থানা,জেলা শরিয়তপুর) প্রতি মঙ্গলবার দুধের গরু বাদে মোটামুটি সব গরুই পাওয়া যায়।

৮০. শিমুলিয়া বাজার, কিশোরগঞ্জ জেলা। প্রতি সোমবার। সব ধরণের গরু পাওয়া যায়।

৮১. আজমেরীগঞ্জ গরুর হাট, আজমেরীগঞ্জ উপজিলা, হবিগঞ্জ জিলা। অনেক বড় হাট। গরু মহিষ ছাগল সবই পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার।

৮২. চৌমুহনী বাজার, প্রতি রবিবার, কুটি, কসবা, বিবাড়িয়া।
সাধারণত সব গরুই পাওয়া যায়। দাম ও ৪০-৫৫ হাজারে ছোট ষাড়, গাভি, আবাল উঠে।

৮৩. বাইশমৌজা বাজার, প্রতি মঙ্লবার বসে। আশুগঞ্জ, বিবাড়িয়া।
বলা হয় অত্র অঞ্চলের সবচেয়ে কম দামে গরু পাওয়া যায় এখানে।

৮৪. ময়নামতি বাজার, প্রতি শুক্রবার বসে। কুমিল্লা। ভারতীয় গরুর আধিক্য বেশি।

৮৫. হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর এর মনতলা পার হয়ে চেঙার বাজার হাট। এটা মাধবপুর এর সবচেয়ে বড় হাট।সপ্তাহে রবি ও বুধবার বসে।সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৮৬. সিরাজগঞ্জ জিলার উল্লাপাড়া উপজিলার বোয়ালিয়া হাট। অনেক বড় হাট, বিশেষ করে গাভীর জন্য। প্রতি রবিবার।

৮৭. সিরাজগঞ্জের কালিয়াকান্দাপাড়া হাট, প্রতি বৃহস্পতিবার। শাহিওয়াল, ফ্রিজিয়ান দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

৮৮. সিরাজগঞ্জের নলকা হাট , প্রতি বুধবার। ফ্রিজিয়ান ও পাবনা ব্রীডের জন্য নামকরা।

৮৯. সিরাজগঞ্জের চন্ডিদাস গাতী হাট, প্রতি শুক্রবার। ফ্রিজিয়ান, গাভী, শাহিওয়াল বকনা গাভী, পাবনা ব্রীড ভালো পাওয়া যায়।

৯০. শিয়ালমারী, উথলী, জীবননগর, চুয়াডাঙ্গা। বাংলাদেশের অন্যতম বড় একটি গরুর হাট। বিশেষ করে ষাড় গরুর জন্য। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

৯১. মিরশান্নি বাজার, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। প্রতি বুধবারে বসে। মোটামুটি সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯২. নীলফামারী জিলার বাসুনিয়া হাট। সব ধরনের গরু উঠে দাম ও কম। শুক্রবার সারাদিন।

৯৩. লালমনিরহাট জিলার পাট গ্রাম হাটে ইন্ডিয়ান গরু বেশি পাওয়া জায়। দাম মোটামুটি৷ রবিবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ৫.৩০ টা - ১১ টা।

৯৪. চাঁদপুর জেলার বড় হাট, সফরমালি হাট। হাট বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

৯৫. মনিপুরা বাজার, রায়পুরা নরসিংদী। প্রতি বৃহস্পতিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৬. মৌলভীবাজার জিলার জুড়ী গরুর হাট বৃহস্পতিবার ও সোমবার। বাওরের দেশী পাওয়া যায়।

৯৭. মৌলভিবাজার জেলার ফুলতলা হাট। বসে প্রতি শনিবার। প্রধানত দেশী গরু পাওয়া যায়।

৯৮. আমবারি হাট, দিনাজপুর প্রতি শুক্র বার ও সোম বার বসে,, শাহিওয়াল বাছুর থেকে ভাল মানের গাভি ও ষাড় পাওয়া যায়।

৯৯. জিনাইদহ জিলার মংবার বইডাংগা বাজার। প্রতি মংগলবার বসে। অনেক ভাল জাতের গরু পাওয়া যায়।

১০০. চুয়াডাংগার ডুগডুগি হাট। বড় সাইজের গরুর জন্য বিখ্যাত। ক্রস ও দেশী ষাড় ও বলদ ভালো পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে।

১০১. চুয়াডাংগার শিয়ালমারি হাটে ক্রস, ইন্ডিয়ান ও বলদ গরু পাওয়া যায়। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে।

১০২. মৌলভিবাজারের মুন্সিবাজার হাটে প্রায় ৯০% দেশী গরু পাওয়া যায়। হাটবার প্রতি বুধবার।

১০৩. মৌলভিবাজারের রাজনগর উপজিলার টেংরা বাজার। দেশি, শাহীওয়াল, ক্রস, ফ্রিজিয়ান, গাভী সহ বাচ্চা পাওয়া যায়। প্রতি রবিবার বসে হাট।

১০৪. সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ বাজারে ও সব ধরনের গরু পাবেন। হাটবার প্রতি শনিবার বসে।

১০৫. মৌলভিবাজারের কুলাউড়ায় ব্রাম্মন বাজার হাটে সব ধরনের গরুর পাশাপাশি মহিষ ও পাওয়া যায়। প্রতি সোমবার বসে এই হাট।

১০৬. সিলেটের জৈন্তাপুর গরুর হাট বর্ডার সাইটে থাকায় ইন্ডিয়ান ষাড় ও বলদ পাওয়া বেশি। দেশি গাভী সহ বাচ্চা ও বিক্রি হয় এই হাটে। ইন্ডিয়ান গরুর একটা বড় হাট।

১০৭. সাতক্ষীরার পারুলিয়া হাট। প্রতি রবিবার। প্রধানত দেশী ষাড় ও গাভী পাওয়া যায়।

১০৮. পিংনা হাট, সরিষাবাড়ি, জামালপুর। শুক্রবার বসে। দেশী, শাহীওয়াল ফ্রিজিয়ান জাতের ছোট বড় মাঝারি সকল ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১০৯. কুমিল্লা জেলার হোমনা ঘারমোড়া বাজার বসে প্রতি সোমবার। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১০. কুমিল্লা জিলার তিতাস উপজিলার বাতাকান্দি হাট। প্রতি বুধবার বসে৷ সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১১. যশোরের চৌগাছা হাট। প্রতি সোমবার ও বুধবার বসে। দেশী গরু, গাভী, কসাইয়ের গরু এবং ছোট গরু বেশী পাওয়া যায়।

১১২. নিলফামারী সদর হাট। বুধবার এবং রবিবার বসে। সব ধরনের দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১১৩. ঠাকুরগাও জেলার যাদুরানী হাট। প্রতি মজ্ঞলবার বসে। সকল প্রকার দেশী গরু পাওয়া যায়।

১১৪. বরিশালের গৌরনদী থানার পাশেই কসবার হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১১৫. নাকালিয়া বাজার হাট, বেশি বড় না, চড় অঞ্চলের গরু বেশি পাওয়া যায়, প্রতি রবিবার, উপজেলা বেড়া, জেলা পাবনা। যুমুনা নদীর পাড়ে।

১১৬. সিলেট এর হরিপুর বাজার।প্রতিদিন হাট বসে। এখানে ইন্ডিয়ান সব গরু পাওয়া যায়।এই বাজার মুলত মাংসের বাজার।

১১৭. দারিয়াপুর হাট, গাইবান্ধা সদর থেকে আট কিলো মিটার উত্তরে অবস্থিত।এখানে সাধারনত তিস্তা ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের দেশি গরু পাওয়া যায়। মংগলবার ও শুক্রবার বসে।

১১৮. ইখড়ি হাট, তেরখাদা, রূপসা ,খুলনা । প্রতি শুক্রবার। মূলত স্থানীয় ও দেশী জাতের গরু পাওয়া যায়।

১১৯. শরীয়তপুরের সবচেয়ে বড় গরুর হাট হলো কাজির হাট, জাজিরা, শরীয়তপুর। হাট বসে বৃহস্পতিবার ও রবিবার। দেশী গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২০. ফরিদপুর টেপাখোলা হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী ষাড় গরুর জন্য ভালো হাট।

১২১. মাদারিপুর হাট। মাদারিপুর সদরে। প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু খুব পাওয়া যায়।

১২২. মাদারিপুর জেলায় টেকের হাট গরুর হাট। ব্রীজের কাছে৷ প্রতি বুধবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৩. লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট। প্রতি বুধবারে হাট বসে। অনেক দেশী ও ইন্ডিয়ান গরু পাওয়া যায়।

১২৪. ময়মনসিংহ জেলার লক্ষীগঞ্জ হাট। প্রতি মঙ্গলবার বসে। দেশী গরুর আধিক্য দেখা যায় এই হাটে।

১২৫.ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা হাট। হাট প্রতি বুধবার বসে। দেশি ও ফ্রিজিয়ান গরু বেশী পাওয়া যায়।

১২৬. হবিগঞ্জের মাধবপুরের ফান্দাগের হাট। প্রতি বৃহস্পতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১২৭. শেরপুরের পাঠাকাটা হাট। প্রতি রবিবার বসে। মুলত দেশী গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১২৮. শেরপুরের নকলা হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ও ছাগল ভালো পাওয়া যায়।

১২৯. শেরপুরের নালিতাবাড়ী হাট। প্ররি মংগলবার বসে। দেশী গরু পাওয়া যায়।

১৩০. ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট হাট। প্রতি বৃহসপতিবার বসে। দেশী গরু ভালো পাওয়া যায়।

১৩১. চাপাইনবাবগঞ্জ সদরে বটতলা হাট। প্রতি শুক্রবারে বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩২. চাপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জের তত্তিপুর হাট। প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৩. চাপাইনবাবগঞ্জের কআনসাটের খাসের হাট। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার বসে। প্রায় সব ধরনের গরুই পাওয়া যায়।

১৩৪. ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজিলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদগাজী হাট। প্রতি সোমবার ও বৃহসপতিবার বসে। সব ধরনের গরু ছাগল পাওয়া যায়।

১৩৫. ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার মুন্সিরহাট। প্রতি শুক্রবার ও মঙ্গলবার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৬. কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীর বাজার।রবীবার ও বৃহস্পতিবার বাজার বসে। সব ধরনের গরু পাওয়া যায়।

১৩৭. যশোর জেলার মনিরামপুর (থানা) গরুর হাট। হাটের দিনঃ শনিবার ও মঙ্গলবার। ছোট বড় সব ধরনের গরু ছাগলের হাট। ঢাকা থেকে মনিরামপুরের যে কোন গাড়ীতে উঠে সরাসরি হাটের সামনে নামতে পারবেন।

১৩৮. ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় বাটাজোর বাজারে সব ধরনের গরু বেচা কেনা হয়,। হাট বসে শুক্রবার ও মঙ্গলবার।

১৩৯. ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীর বাজারে প্রতি সোমবার গরু ছাগলের হাট বসে।

১৪০. শঠিবাড়ী হাট, মিঠাপুকুর, রংপুর। প্রতি রবিবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। বিশাল গরুর হাট ।

১৪১. সাতক্ষীরার সাবেক বৈকারী হাট। ত‌বে ওখা‌নে এখন হাট হয় না। হাট হয় আবা‌দেরহাট শ‌নি ও মঙ্গল বার। ইন্ডিয়ান বলদ বেশি পাওয়া যায়।

১৪২. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজিলার চৌমুহনী বাজার। দেশি, ইন্ডিয়ান ক্রস ফ্রিজিয়ান সব ধরনের গরু পাওয়া যায়। বাজারের আয়তন ১৯০ শতক। হাট বসে রবিবার সকাল ৮.০০ টা থেকে। হাসিল মাত্র ৩০০ টাকা।

১৪৩. বর্তমানে নোয়াখালী তে সোনাইমুড়ি উপজেলার আমকি বাজার সবচেয়ে বিখ্যাত। ক্রস, শাহিওয়াল, দেশি বাচ্চা গরু প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। দেশি গাভিও ওঠে। প্রতি সপ্তাহে একদিন সোমবার।

১৪৪. পুটিয়া হাট, শিবপুরি থানা, নরসিংদী জেলা। এখানে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়া, ঘোড়া, সবই আসে। নরসিংদী জেলা সবচেয়ে বড় হাট, প্রতি শনিবার হাট বসে।

১৪৫. চুয়াডাংগা জেলার আলমডাঙ্গা হাট। এই এলাকার আশপাশে সর্ব বৃহৎ হাট। প্রতি বুধবার হয় এই হাট।

- সংগৃহীত

07/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ্।
মাশাআল্লাহ।
জানতেও জানাতে আমাদের পেজটিকে ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন

আজ সুস্থ, কাল অসুস্থ—আপনার পশুর এমন কেন হচ্ছে? 🐄⚠️অনেক খামারি মনে করেন, যতক্ষণ পশু হাঁটছে আর খাচ্ছে—সব ঠিক আছে। কিন্তু হ...
07/04/2026

আজ সুস্থ, কাল অসুস্থ—আপনার পশুর এমন কেন হচ্ছে? 🐄⚠️

অনেক খামারি মনে করেন, যতক্ষণ পশু হাঁটছে আর খাচ্ছে—সব ঠিক আছে। কিন্তু হঠাৎ পরের দিনই সেই পশু অসুস্থ হয়ে যায়, আর শুরু হয় দুশ্চিন্তা। এটা কোনো জাদু না—এটা সাধারণত খারাপ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ফল।

কিছু পশু যেন “আজ শক্তিশালী, কাল দুর্বল” টাইপের হয়ে যায়। সঠিক যত্ন, বিশেষ করে নিয়মিত টিকা না দিলে, তারা বারবার অসুস্থ-সুস্থ হতে থাকে। **Peste des petits ruminants (PPR)**-এর মতো রোগ অনেক সময় শুরুতে বোঝা যায় না, কিন্তু একবার আঘাত করলে মারাত্মক ক্ষতি করে।

মজার ব্যাপার হলো—চিকিৎসার পর পশু ভালো হয়ে গেলে অনেক খামারি আর টিকা দেন না, ভাবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। পরে আবার সমস্যা দেখা দিলে বলেন:

👉 “এই জাত আমাদের এলাকায় ভালো না!”
👉 “এই গরু/ছাগল এখানে টিকে না!”

কিন্তু প্রশ্ন হলো—পশু যখন সুস্থ ও স্থিতিশীল ছিল, তখন কি টিকা দেওয়া হয়েছিল? 🤔
পশু সাধারণত ৩–৫ মাস ভালো থাকে—এই সময়টাই টিকা দেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। অসুস্থ হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া মানে হলো, পশু পালিয়ে যাওয়ার পর দরজা বন্ধ করা!

❌ টিকা না দিলে যা হয়:

* সহজে অসুস্থ হয়ে পড়ে
* বৃদ্ধি ধীর হয়ে যায় (ফ্যাটেনিং “স্লো মোশন”)
* শরীরের কন্ডিশন খারাপ হয়
* বাজার মূল্য কমে যায়
* প্রজননে দুর্বল বাচ্চা, ছোট বাচ্চা বা গর্ভপাত হতে পারে

✔️ টিকা শুধু মৃত্যুরোধের জন্য না—
এটা আপনার পশুকে শক্তিশালী, সুস্থ ও উৎপাদনশীল রাখে, এবং দ্রুত ভালো ফলাফল পেতে সাহায্য করে।

👉 স্ট্রেস পছন্দ হলে টিকা বাদ দিন 😅
👉 লাভ পছন্দ হলে—সঠিক কাজটা করুন 💉✅

🔥 “মাংসের জন্য ছাগল পালন করছেন? তাহলে এই খাবারের ভুল করলে লাভ কমে যাবে!”🐐 মাংসের জন্য ছাগল পালনের মূল লক্ষ্য হলো কম চর্ব...
29/03/2026

🔥 “মাংসের জন্য ছাগল পালন করছেন? তাহলে এই খাবারের ভুল করলে লাভ কমে যাবে!”
🐐 মাংসের জন্য ছাগল পালনের মূল লক্ষ্য হলো কম চর্বি, বেশি মাংস (Lean Meat) উৎপাদন করা। তাই এলোমেলো খাবার নয়, দিতে হবে সুষম ও পরিকল্পিত খাদ্য।
✅ কি খাওয়াবেন?
🌿 উন্নত মানের ঘাস:
বারমুডা বা আলফালফা ঘাস → প্রোটিন + ফাইবারের দারুণ উৎস
🌾 দানাদার খাবার (Concentrate):
ভুট্টা ভাঙা, খৈল, ভুসি → দ্রুত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে
🥛 দুধ ছাড়ানোর পর বিশেষ যত্ন:
এই সময় সঠিক খাবার দিলে দ্রুত পেশি গঠন হয়
🏷️ রেডিমেড ফিড (যদি ব্যবহার করেন):
Purina, Show-Rite, ADM, Mormans-এর মতো কোম্পানির ছাগলের ফিড বাজারে পাওয়া যায়
📊 প্রতিদিন কত খাবার দিবেন?
👉 প্রতিটি ছাগলের জন্য দৈনিক প্রায় ২–৪ পাউন্ড (প্রায় ১–২ কেজি) খাবার প্রয়োজন (ওজন ও মান অনুযায়ী পরিবর্তন হয়)
⏰ খাওয়ানোর সঠিক সময়:
✔️ সকাল একবার
✔️ সন্ধ্যায় একবার
💡 মনে রাখবেন:
প্রোটিন ঠিক থাকলে 👉 মাংস ভালো হবে
না হলে 👉 শুধু চর্বি বাড়বে, লাভ কমবে ❌
📘 নতুন খামারিদের জন্য দরকারি গাইড:
👉 “ছাগলকে কী খাওয়াবেন – সম্পূর্ণ পুষ্টি নির্দেশিকা” (ফ্রি জানতে ইনবক্স করুন।

ফিতা দিয়ে পশুর ওজন মাপার জাদুকরী সূত্র! 📏চোখের আন্দাজে ওজন নির্ধারণ করলে বেশিরভাগ সময়ই পশুর ওজন আসল ওজনের চেয়ে কম ধরা হয়...
29/03/2026

ফিতা দিয়ে পশুর ওজন মাপার জাদুকরী সূত্র! 📏

চোখের আন্দাজে ওজন নির্ধারণ করলে বেশিরভাগ সময়ই পশুর ওজন আসল ওজনের চেয়ে কম ধরা হয়। ফলে কৃমি পুরোপুরি মরে না। সাধারণ ফিতা দিয়েই মাত্র ২ মিনিটে পশুর ওজন মাপা সম্ভব!

কীভাবে মাপবেন?

দৈর্ঘ্য (Length): পশুর কাঁধের হাড়ের জয়েন্ট (Point of shoulder) (A চিহ্নিত অংশ) থেকে পেছনের লেজের গোড়ার হাড় (Pin bone বা B চিহ্নিত অংশ ) পর্যন্ত ফিতা দিয়ে ইঞ্চিতে মাপুন।

বুকের বেড় (Girth): সামনের দুই পায়ের ঠিক পেছন দিয়ে বুকের চারপাশ ঘুরিয়ে ফিতা দিয়ে ইঞ্চিতে মাপুন।

ওজন বের করার সহজ সূত্র: পশুর ওজন (কেজি) = (দৈর্ঘ্য × বুকের বেড় × বুকের বেড়) ÷ ৬৬০

📌 একটি উদাহরণ: ধরি, আপনার গরুর দৈর্ঘ্য ৬০ ইঞ্চি এবং বুকের বেড় ৬৫ ইঞ্চি। ওজন = (৬০ × ৬৫ × ৬৫) ÷ ৬৬০= ৩৮৪ কেজি! এবার এই ৩৮৪ কেজি ওজনের জন্য প্যাকেটের গায়ে লেখা নির্দেশিকা অনুযায়ী সঠিক ডোজের ওষুধ দিন। কৃমি নির্মূল হবে ১০০%।
#খামারস্কুল #গরুর_খামার #গরু

🐄 গরুর খামার ঘর তৈরির সঠিক নিয়মঃ— লাভজনক পশুপালনের প্রথম ধাপ শুরু হোক পরিকল্পিত সেড ডিজাইন দিয়ে!📌 মূল বিষয়সমূহ:✅ আরামদায়...
18/03/2026

🐄 গরুর খামার ঘর তৈরির সঠিক নিয়মঃ

— লাভজনক পশুপালনের প্রথম ধাপ শুরু হোক পরিকল্পিত সেড ডিজাইন দিয়ে!

📌 মূল বিষয়সমূহ:

✅ আরামদায়ক ঘর গরুর উৎপাদন বাড়ায়।

✅ বাজেট ও জায়গা অনুযায়ী সেরা ডিজাইন বেছে নিন।

✅ এক সারি বা দুই সারি উভয় ডিজাইনেই কার্যকরী পরিকল্পনা করতে হবে।

📏 ঘরের আকার ও মাপ:

📐 মাথা থেকে পেছন: ৭ ফুট

🍽️ সামনে খাবার পাত্র: ২.৫ ফুট

🚿 পেছনে ড্রেন: ০.৫ ফুট

👉 এক সারির মোট চওড়া: ১০ ফুট

👉 দুই সারির মোট চওড়া: ২৪ ফুট (২০ + ৪ ফুট রাস্তা)

📏 প্রতি গরুর জন্য লম্বায়: ৪ ফুট

🐄 ৫ গরুর জন্য: ২০ + ৪ = ২৪ ফুট

↔️ দাঁড়ানোর ধরণ:

1️⃣ হেড টু হেড (মুখোমুখি)

✅ খাবার দেওয়া সহজ

✅ গ্যাস ও গুতোর সমস্যা কম

❗ গোবর বাইরে পড়ে

2️⃣ টেল টু টেল (পেছনে পেছনে)

✅ পরিষ্কার করা সহজ

✅ শ্বাসজনিত রোগ কম

✅ দুধ দোয়ানো ও গোসল সহজ

⭐ আধুনিক খামারে এই সিস্টেম জনপ্রিয়

🧱 ঘরের মেঝে:

🧹 পরিষ্কারযোগ্য ও আরামদায়ক

🧱 ইটের সলিং – মজবুত কিন্তু খরচ একটু বেশি

🧱 সিমেন্ট – পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা

⬇️ ঢালু মেঝে:

গাভির জন্য: প্রতি ফুটে ০.২৫ ইঞ্চি

ষাঁড়ের জন্য: ০.৫ ইঞ্চি

🍽️ খাবার ও পানি হাউস:

📉 নিচু করে রাখতে হবে, কারণ গরু নিচু থেকে খায়

📏 প্রতি গরুর জন্য সামনে: ৪ ফুট

💧 উচ্চতা: ১২-১৮ ইঞ্চি

🚰 পানি ও খাবার আলাদা বা একসাথে রাখা যায়

🏠 ছাদ (চাল) নির্বাচন:

🧱 ঢালাই – খরচ বেশি, গরম কম

🪙 টিন – খরচ কম, গরম বেশি

🪵 প্লাস্টিক – মরিচাবিহীন, আলো প্রবাহমান

❄️ টিনের নিচে ইনসুলেশন = গরম কমায়

🧱 দেয়াল ও নিরাপত্তা:

🚧 সাধারণত ২.৫–৩ ফুট দেয়াল

🔐 উপরে নেট বা টিন নিরাপত্তার জন্য

🌬️ পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল জরুরি

👉 স্মার্ট খামার, সফল খামার – পরিকল্পিত সেড ডিজাইনের মাধ্যমেই সম্ভব।

17/03/2026

রোজা কিন্তু ২৫টা চইল্লা গেছে, এখনো কারো কাছ থেকে কোন আওয়াজ পাচ্ছি না, আফসোস!🤔

Address

Barisal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when South Bengal Dairy & Cattle Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share