16/07/2025
গবাদিপশুর সব চিকিৎসকই ভেট না আবার সব ভেট চিকিৎসক না।
গবাদিপশুর চিকিৎসকঃ
১। যিনি গবাদি প্রাণী চিকিৎসা করেন, ডিভিএম গ্রাজুয়েট এবং বিভিসি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত। যাকে সহজ ভাবে ভেট/ ভেটেরিনারি চিকিৎসক/ ভেট ডাক্তার/ রেজিস্ট্রাড ভেট/ ভিএস/ভেটেরিনারি সার্জন/ ভেটেরিনারি কনসালটেন্ট/ পাশকরা ডাক্তার/ গরুর এমবিবিএস/ ইত্যাদি বলাহয়।
২। যিনি চিকিৎসা পশু চিকিৎসা করেন এবং পশু পালন গ্রাজুয়েট বলা হয় এনিমেল হাজবেড্রেইয়ান বা পশুপালক। খামারিরা তেমন ভাবে এনাদের চেনা বড় বড় কর্পোরেট হাউজের মালিকেরা চিনে। প্রান্তিক খামারিদের কাছে অত পরিচিত না।
৩। পশু চিকিৎসা করেন মূলত এ আই কর্মী সরাকারি সিমেনের অথবা কোম্পানি সিমেনের, যুব উন্নয়ন খামারি প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অথবা কোন ভেট চিকিৎসক এর সাথে থেকে থেকে অভিজ্ঞ ( বিশেষ প্রশিক্ষণ আছে কৃত্রিম প্রজনন করার) ইনারা মূলত প্রজনন কর্মী/ কৃত্রিম প্রজনন কর্মী/ বীজ দেওয়া ডাক্তার নামে পরিচিত ।
৪। পশু চিকিৎসা করেন যুব উন্নয়ন অথবা লোকাল ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অথবা কোন কৃত্রিম প্রজনন কর্মী অথবা হাসপাতালের ড্রেসার, কোম্পাউন্ডার অথবা ভেটেরিনারি ফিল্ড এসিন্টেন্ট গণের সাথে থেকে ঘুরে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এলাকার মানুষের কাছে প্রকৃত পশু ডাক্তার হিসেবে ইনারাই পরিচিত।
কেউ কেউ আছে সুযোগ সময়ে কৃত্রিম প্রজননও করেন তবে এজন্য কোন প্রাতিষ্ঠানিক স্বকৃতি নেই।
৫। পশু ও খামারে চিকিৎসা করেন মূলত মেডিস কোম্পানির চাকুরীজীবী কোম্পানির ডাক্তার সেমিনার ইন হাউজ ট্রেনিং, মার্কেটিক, সুযোগ পেলে নিজের কোম্পানির ঔষধের পরীক্ষার মাধ্যমে অভিজ্ঞতা অর্জন করে সাধারণত খামারিরা কোম্পানিতে যে সব ভেট চিকিৎসক চাকুরী করেন তাদের সাথে গুলিয়ে ফেলেন।
৬। সকল পশুর চিকিৎসা করেন সাহস করে, মন চাইলে অথবা নিজের স্টোকে না থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া ঔষধ ও পরিবর্তন করেন কোন প্রকার দিধা ছাড়াই, এতে মিল থাক আর না থাক, ঠিক ধরেছে উনারা ভ্যাটেনারী ঔষধের দোকানদার, কোম্পানির লোকজন , কোম্পানির ডাক্তার, বিভিন্ন চিকিৎসকের প্রস্ক্রিপশন দেখে দেখে মহা অভিজ্ঞতা অর্জন করে উনাদের চিকিৎসা চালান।
৭। হাঁস মুরগির চিকিৎসা করেন কত হাজারে কত টাকার ঔষধ যাবে এই হিসেবে, যে কোম্পানি বেশি বোনাস সেই কোম্পানির ঔষধে চলবে চিকিৎসা যে হেতু ফিড বাচ্চা বাকি খামারি এই স্পেশাল ডাক্তার ছাড়া কোথা ইচ্ছে থাকলেও যতেপারেনা যদিও যাওয়া সুযোগ দেয় একদম শেষ কালে তারা হলেন ডিলার ডাক্তার, কোন প্রকার প্রশিক্ষিণ থাকেনা ঔষধ বেচতে বেচতে অভিজ্ঞ হয়ে যায়।
৮। কিছু ভেট আছেন ডিভিএম গ্রাজুয়েট এমনকি রেঃ প্রাপ্তও কাজ করেন ব্যাংক বিমা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রাজুয়েশন হবার পরে এনাদের মাঠের সাথে কোন সম্পৃক্ততা থাকেনা তাই ভেট হয়েও এই শ্রেণীর মানুষ ভেটেরিনারি চিকিৎসক হিসেবে সাধারণ খামারিদের কাছে পরিচিত হয় না।
এই ছিল বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পশুর চিকিৎসা , এর মাঝে কিছু ছাড়া পড়িলে কমেন্ট এ জানাবেন
আলোচনাটি লিখেছেন
সুডেন থেকে
গাজী রুহুল ভাবী ( প্রচন্ড প্রাণী প্রেমী)