17/11/2023
এই ছুটির দিনে সবাই বাদাম মিক্স ছাতু খেয়েছেন তো?যদি না খেয়ে থাকেন তাহলে এখনি অর্ডার করুন।
মিক্সড ছাতুর উপকারীতা👇👇
💥বাচ্চাদের পুষ্টি, মেধাবিকাশে আমাদের মিক্সড ছাতু। আপনার বাড়ন্ত শিশু এবং কর্মব্যস্ত সকালের কথা চিন্তা করে আমরা তৈরি করেছি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি নির্ভেজাল মিক্সড ছাতু। ইদানিং অনেক বাচ্চাই খেতে চায় না তাদের জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু আমাদের মিক্সড ছাতু। আমাদের ছাতু সম্পূর্ণ রেডি, কোনরকম ঝামেলা ছাড়া একটু পানি মিশিয়ে মিষ্টি খেতে চাইলে চিনি দিয়ে এক মিনিটের মধ্যে খেয়ে নিতে পারবেন আপনার সকালের।
এছাড়াও আজকাল অনেক নারীরাই কর্মজীবী। সকালে ঘুম থেকে তাড়াহুড়া বেধে যায় সকালের নাস্তা তৈরি করতে। তাই এমন একটি চট জলদি নাস্তা যদি ঘরে থাকে যেটা ছোট, বড় সবাই মজা করে খেতে পারবে আর সেটা যদি হয় পুষ্টিকর স্বাস্থ্যসম্মত? তেমনি এক খাবার আমাদের মিক্সড ছাতু।
যেসব উপকরণ দিয়ে আমাদের এই মজাদার সুস্বাদু ছাতু তৈরি করা হয়েছে।👇
১)গম
২)ভুট্টা
৩)চাল
৪)কাঠ বাদাম
৫)কাজু বাদাম
৬)বাদাম
৭)মুগ ডাল
৮)মসুর ডাল
৯)তিল
১০) ছোলা বুট
✅মিক্সড ছাতুর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ
ছাতুতে অনেক পুষ্টিগুণ বিদ্যমান থাকে।
১০০গ্রাম ছাতুতে ২০.৬শতাংশ প্রোটিন থাকে, ১.৩৫শতাংশ ফাইবার থাকে,৬৫.২শতাংশ কার্বোহাইড্রেট, ৭.২শতাংশ ফ্যাট এবং ৪০৬ ক্যালোরির শক্তি পাওয়া যায়। তাই বলা যায় ছাতু একটি পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার।
✅ছাতুর উপকারিতাঃ
শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেমকে বাড়িয়ে শরীরকে করে তুলে অধিক শক্তিশালী।
✅ইমিউন সিস্টেমকে ঠিক রাখে।
✅ত্বক ও চুলের জন্যেও ভাল কারন এটি খাওয়ার ফলে অক্সিজেনের পরিমান বেড়ে শরীরে এন্টিঅক্সিডেন্ট উৎপন্ন হয়।
✅এটি সহজেই হজম হয়,শক্তি ও পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
✅মেয়েদের পিরিয়ডের সময় অনেকের শরীরে পুষ্টিকর ঘাটতি হয় ছাতু খেতে পারলে পুষ্টির অভাব দূর হয় কারন ছাতুতে প্রচুর পরিমানে খনিজ, ভিটামিন ও অন্যান্য উপাদান থাকে।
✅ছাতু খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে, শরীরের জালা-পোড়া কমায়, ক্লান্তিভাব দূর করে, প্রচুর শক্তি পাওয়া যায় এবং শরীরের সাথে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
✅মিক্সড ছাতু খাওয়ার উপায়ঃ
প্রয়োজন মতো ছাতু বাটিতে নিয়ে পরিমানমত দুধ, চিনি/ গুঁড় বা যে কোন মৌসুমী ফল যেমন আম, কাঠাল, কলা মিশিয়ে খেতে পারেন। অথবা এক গ্লাস দুধের সাথে বা পানি নিয়ে তাতে সামান্য চিনি অথবা বিট লবন দিয়ে শরবত বানিয়ে পান করতে পারেন। ঝুঁকি কমিয়ে হৃদপিণ্ড সুস্থ ।