08/03/2022
🟢 সয়াবিন তেল সম্পর্কে
ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির বলেনঃ-
💠 প্রথমে তেল রিফাইন করার জন্য ৫০০/৬০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় হিট দেয়া হয়। তাই এটা এক রকম পোড়া কালো মোবিলে পরিনত হয়। ২য় ধাপে এটাকে ব্লিচ করে ক্লিন করা হয়। ৩য় ধাপে আরটিফিসিয়াল কালার এড করা হয় তাই দেখতে এরকম চকচকে দেখায়। তারপর আরটিফিসিয়াল ভিটামিন A B C D যা ইচ্ছা মিক্সড করা হয় যেই ভিটামিন হিউম্যান বডি কখনোই রিকগনাইজ করতে পারেনা। অবশেষে বাজারজাত করা হয় সুদর্শন মোড়কে।
🔴 ক্ষতিকারক দিকঃ-
(১) রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা বৃদ্ধি
(২) ডায়াবেটিস
(৩) গ্যাসট্রিক / আলসার
(৪) কিডনির কার্যকারিতা নষ্ট করা
(৫) স্কিন ডিজিজ
(৬) হাই প্রেশার
(৭) হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি বাড়ায়।
আসুন সয়াবিন তেল সামাজিকভাবে বর্জন করার আন্দোলন গড়ে তুলি সরিষার তেল খাওয়ার অভ্যাস করি।
📌 সংক্ষেপে জেনে নেইঃ- কাঠের ঘানি ভাঙা সরিষার তেলে কি কি রোগ থেকে সেরে ওঠা সহজ হবে ইনশাআল্লাহ
✅ হার্টের কোন তো ক্ষতি হয়ই না, বরং হার্ট রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও কমায়।
✅ গ্লকোসুনোলেট এবং মিরোসিনেস নামে দুটি উপাদান শরীরে ক্যান্সার সেলের বৃদ্ধি আটকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
✅ শ্বাসকষ্ট কমাতে সরিষার তেলের কোনও বিকল্প হয় না।
✅ আর্থ্রাইটিস রোগের কষ্ট কমায়, মানে যাঁরা হাড়ের রোগ ভুগছেন, তাদের প্রতিদিন সরিষার তেলের রান্না খাওয়া উচিত।
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বাড়ায়।
✅ মাইগ্রেনের কষ্ট কমায়।
✅ হজম শক্তি বাড়ানো সহ পেটের বিভিন্ন রোগ থেকে দূরে রাখে।
✅ উচ্চ রক্তচাপ মানে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
✅ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গ্যাসট্রিক সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যায়
Send a message to learn more