28/05/2026
#গাজায় আজও #হাজারো #পরিবার প্রতিদিন লড়াই করছে বেঁচে থাকার জন্য।
যুদ্ধের ভয়াবহতায় অসংখ্য মানুষ হারিয়েছে তাদের স্বজন, ঘরবাড়ি এবং স্বাভাবিক জীবন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসার সংকটে সেখানে প্রতিটি দিনই হয়ে উঠেছে কঠিন সংগ্রামের আরেকটি অধ্যায়।
এমন বাস্তবতায় ঈদের আনন্দ তাদের কাছে অনেক দূরের অনুভূতি।
এই সময় কুরবানির গোশত শুধু একটি খাবার নয়-এটি হতে পারে একটি অসহায় পরিবারের জন্য স্বস্তি, সহমর্মিতা এবং মানবতার বার্তা।
রাসূলুল্লাহ বলেছেন:
"আল্লাহর কাছে কুরবানির পশুর গোশত বা রক্ত পৌঁছায় না, বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।" (সহিহ মুসলিম)
"আল্লাহর কাছে কুরবানির পশুর রক্ত বা গোশত পৌঁছায় না, বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া।" (সহিহ মুসলিম) এই শিক্ষা মনে করিয়ে দেয়-কুরবানির আসল অর্থ ত্যাগ, সহমর্মিতা আর মানুষের পাশে দাঁড়ানো। চাইলে আপনি আপনার কুরবানির অংশ থেকে গাজা ও অন্যান্য অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারেন। আগে থেকে পরিকল্পনা করলে সহায়তাটা আরও গুছিয়ে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
আপনি যেভাবে যুক্ত হতে পারেন:
১ বাটি রান্না গোশত – ১,৫০০/-
১ টি পরিবারের জন্য কুরবানীর গোশত – ৫,০০০/-
কুরবানির খাদ্যসামগ্রী - ৩,০০০/-
কুরবানী শেয়ার (১/৭ অংশ) ৩০,০০০/-
১ টি দুম্বা ৬০,০০০/-১ টি গরু (৭ অংশ) – ২,১০,০০০/-
অথবা আপনার সাধ্য অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ অনুদান
* অনুদান দিন
১ টি গরু (৭ অংশ) – ২,১০,০০০/-
অথবা আপনার সাধ্য অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ অনুদান
* অনুদান দিন
নগদ (পেমেন্ট)( সেন্ড মানি) – 01978849687
অনলাইনে বিকাশঃhttps://donation.bkash.com/en/mastul/donate
ওয়েবসাইটঃ https://www.mastul.net/donate/আসন্ন কুরবানিতে মাস্তুল ফাউন্ডেশন ৫০ হাজার পরিবারের মাঝে গোশত বিতরণ করবে। আপনার ছোট্ট অংশগ্রহণই একটি পরিবারের ঈদের আনন্দ হয়ে উঠতে পারে।
যোগাযোগ: 01321146612 অথবা ফেসবুক পেইজে মেসেজ দিন।
গত বছর গাজাসহ বিভিন্ন সংকটাপন্ন অঞ্চলে আমরা কুরবানির গোশত পৌঁছে দিয়েছি। এ বছরও সেই মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর SRO অনুযায়ী মাস্তুল ফাউন্ডেশনে প্রদত্ত যাকাত, দান বা সাদাকা আয়করমুক্ত এবং কর রেয়াতযোগ্য।
এই কুরবানিতে যুক্ত হোন-শুধু দান না, কারও ঈদের অংশ হয়ে উঠুন