24/09/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আহারে মধ্যবিত্ত হলো কোনমতে সাথে, ধনী হলেও কোনমতে সাড়ে , কিন্তু গরিব ভালো কারো চোখেরও পড়ে না কারো নজরে আসে না। এমন একটা গরিব ঘরের জন্ম আমার বিয়ে হয়েছে কোন মতে চলার ,ধরতে গেলে আমাদের চেয়েও আরো খারাপ কারণ ওরা আমাদের বাবার বাড়ির জিনিস নিয়ে বসে থাকে, কোন একদিন ওই ঘরে যখন আসলাম তখন মনে মনে বলতাম আল্লাহ হয়তো বা বিয়ের পরে আল্লাহকে বেশি ডাকা যাবে ইবাদত বেশি করা যাবে কেননা আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন মাওলানা পরিবার, কেমন মাওলানা সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না,
আসি মুল কথায় শ্বশুর বাড়িতে যখন আসলাম সাতদিন কোনমতে কেটে গেল যখন বাবার বাড়িতে আসলাম এতে শুরু হলো যন্ত্রনা আহারে মনে করছিলাম বিয়ের পরে মনে হয় সুখ এখন দেখতেছি আমি নিজেই পাল্টায়ে যাচ্ছি বিয়ের পরে ননদের এক কথা শশুরের আরেক কথা দেবরের আরেক কথা এদিকে যাকে নিয়ে সংসার করবো তার তো কথার কোন শেষই নেই,
আল্লাহ মেয়েদের জীবন কেমনে কেন এমন দিলে, আহারে দেখতে দেখতে আমার একটা মেয়ে হল সবার আগে নিজের জামাই বলল মেয়ে তো জন্ম দিছে, এরপরে আমার শাশুড়ি এবং পরিবারের কেউ কিছু বলে নাই যখন মেয়ে আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলো সংসারের কাজও তেমন আমার ঘাড়ের উপর চাপতে লাগলো, জামাই এর কোন খবর নাই, বউয়ের কিছু লাগবেকি নাবা বাচ্চার কিছু লাগবে কিনা , যাক আলহামদুলিল্লাহ তারপরও কোন দোষ দিচ্ছি না, এরকম করতে করতে সাত বছর পরে আর একটা ছেলে হলে তারপর কোন মতে আমার মনটা শান্তি হলো আমাকে পড়ালেখা করাইছে আসা যাওয়ার খরচ ২০ টাকা বাঁচলেও ওটাও নিয়ে ফেলতো,
আমাকে বলে তুমি চাকরি করো আমি বসে বসে খাব ,বাচ্চাদের তো সংসার সামলাবো এদিকে পড়ালেখা করার সময় সংসারে ফ্যামিলির সময় কোন একটা কাজের হাতেও দেয়নি, হাই আমার বর্ষা লাগে না ওকে আমার সংসারের আদৌ আমাকে হেল্প করবে।
আমি কি করবো এজন্য আমি চাকরিও করিনি ঘরে আছি তারপরে প্রতিদিন ঝগড়া করতো, চাকরি করতো, বাসায় বাজার করত না অনেক কষ্ট হতো বাচ্চা নিয়ে চলতে তারপরও মনকে বোঝালাম, আরো দিন দিন খারাপ যাচ্ছে।
আমি কিছু বললে দোষ ওর ওরটা সব ভালো।
আল্লাহ বলে আল্লাহ আমাকে ধৈর্য দাও সংসারে শান্তি দাও।