03/06/2026
চুলকানি ও খোসপাঁচড়া নিয়ে ভুগছেন? মুক্তি পান চিরতরে! অসহ্য চুলকানি, খোসপাঁচড়া বা স্ক্যাবিস আপনার দৈনন্দিন জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে? রাতের বেলা কি চুলকানির তীব্রতা আরও বেড়ে যায়? এই সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে ব্যবহার করুন স্ক্যাবি লোশন।
এটি ত্বকের গভীরে থাকা চুলকানির পরজীবী বা জীবাণু (Mites) এবং তাদের ডিম সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে আপনাকে দেয় চুলকানি-মুক্ত সুস্থ ত্বক।
স্ক্যাবি লোশন-এর প্রধান উপকারিতা
১। জীবাণু ধ্বংস করে: এটি স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়ার মূল কারণ 'সারকোপটিস স্ক্যাবিয়াই' নামক ক্ষতিকারক পরজীবী দ্রুত দূর করে।
২। তীব্র চুলকানি কমায়: ব্যবহারের পর থেকেই ত্বকের লালচে ভাব, র্যাশ এবং রাতে অতিরিক্ত চুলকানোর সমস্যা কমে আসে।
৩। সংক্রমণ ছড়ানো রোধ করে: পরিবারের একজন থেকে অন্যজনের শরীরে স্ক্যাবিস ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধ করে।
ব্যবহার বিধি:
স্ক্যাবিস একটি ছোঁয়াচে রোগ, তাই সঠিক নিয়মে ওষুধ ব্যবহার না করলে এটি বারবার ফিরে আসতে পারে। নিচে লোশন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম দেওয়া হলো:
১। শরীর পরিষ্কার করা: প্রথমে কুসুম গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে স্ক্যাবি সাবান দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নিন এবং সুতি তোয়ালে দিয়ে শরীর একদম শুকিয়ে ফেলুন।
২। লোশন লাগানো: ঘাড় থেকে শুরু করে পায়ের আঙুলের ডগা পর্যন্ত পুরো শরীরের ত্বকে (মুখমণ্ডল এবং মাথার ত্বক বাদে) লোশনটি আলতোভাবে লাগান। আঙুলের ফাঁক, বগল, কুঁচকি এবং নখের চারপাশের জায়গায় একটু ভালো করে লাগাতে হবে।
৩। সময়কাল: লোশনটি শরীরে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা (সাধারণত সারারাত) লাগিয়ে রাখতে হবে। এই সময়ের মধ্যে হাত ধুয়ে ফেললে সেই স্থানে আবার লোশন লাগাতে হবে।
৪। ধুয়ে ফেলা: নির্দিষ্ট সময় পর (পরদিন সকালে) কুসুম গরম পানি ও স্ক্যাবি সাবান দিয়ে ভালো করে গোসল করে শরীর ধুয়ে ফেলুন।
সর্তকতা: যেহেতু স্ক্যাবিস খুব দ্রুত ছড়ায়, তাই পরিবারের একজনের হলে লক্ষণ থাকুক বা না থাকুক, পরিবারের বাকি সদস্যদেরও একই সাথে এই লোশন ব্যবহার করা উচিত।
কাপড় ধোয়া: ব্যবহারের পর রোগীর ব্যবহৃত বিছানার চাদর, তোয়ালে এবং পরিধানের কাপড় গরম পানি ও সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে হবে অথবা আয়রন করে নিতে হবে।
সুস্থ থাকুন, পরিচ্ছন্ন থাকুন!