EcofyZen

EcofyZen Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from EcofyZen, Food Wholesaler, Chittagong.

আমরা কৃষিকে দেখি শুধু উৎপাদন নয়, বরং দায়িত্বের জায়গা থেকে।
বিজ্ঞানভিত্তিক, নিরাপদ ও বাস্তবসম্মত চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে কৃষকের জীবনে আনি টেকসই পরিবর্তন।
প্রকৃতি, প্রযুক্তি আর পেশাদারিত্ব এই তিনে গড়ে উঠছে ভবিষ্যতের কৃষি।

09/03/2026

আজকে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আছে!!

খুলনা রাজশাহী রংপুর বরিশাল ঢাকা ময়মনসিংহ চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছুকিছু স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে সকাল থেকে রাতের মধ্যে। তবে দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের দিকে প্রভাব বেশি থাকতে পারে।

সূত্র
BWOT

★ সকাল যে সন্ধ্যা হচ্ছে এখনো সূর্যের দেখা নেই ইরানে।★ গতকালকের হা*মলা এতোটাই তীব্র ছিল😢★ আজ অ্যা*সিড বৃষ্টি'র শঙ্কা জানা...
08/03/2026

★ সকাল যে সন্ধ্যা হচ্ছে এখনো সূর্যের দেখা নেই ইরানে।
★ গতকালকের হা*মলা এতোটাই তীব্র ছিল😢
★ আজ অ্যা*সিড বৃষ্টি'র শঙ্কা জানাচ্ছে দেশটির রেড ক্রিসেন্ট ||
★ আল্লাহ ইরানকে তুমি হেফাজতে রেখো,আমিন।
★ জনগণ কি খাচ্ছে না খাচ্ছে আল্লাহ তুমিই ভালো
জানো😢 একমাত্র তুমিই রক্ষা করতা, রিজিক দাতা🤲

অবশেষে দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ঝড়বৃষ্টি!!!আজকে মাঝরাত থেকেই দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের দিকে বৃষ্টির জন্য পরিবেশ অনুকূল হতে ...
08/03/2026

অবশেষে দেশের দরজায় কড়া নাড়ছে ঝড়বৃষ্টি!!!

আজকে মাঝরাত থেকেই দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের দিকে বৃষ্টির জন্য পরিবেশ অনুকূল হতে শুরু করতে পারে। প্রথম দিকে একটু ছড়িয়ে ছিটিয়ে বৃষ্টি শুরু হলেও পরে ১২ তারিখের মধ্যে দেশের বেশকিছু স্থানেই বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবৃষ্টি হতেপারে।

বৃষ্টির জন্য বেশি অনুকূল পরিবেশ থাকবে ১০-১১ তারিখে। এই ২ দিন দেশের প্রায় ৮ বিভাগেই বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে ৯ আর ১২ তারিখে বৃষ্টির স্থান ও পরিমান কম থাকতে পারে।

সূত্র
Bangladesh weather observation team Ltd

05/03/2026

গরম/ভ্যাপসা গরমের বিশেষ আপডেট!!

কিছুদিন পরেই দেশের বেশকিছু স্থানে বজ্রবৃষ্টি ও দমকা হাওয়া এবং কালবৈশাখীর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে তার আগে আগামী প্রায় ১২/১৩ তারিখ পর্যন্ত দেশের দক্ষিনাঞ্চল পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের বেশকিছু স্থানে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেশ বৃদ্ধি পেতে পারে।

এসময় খুলনা এবং রাজশাহী বিভাগের দুএক জায়গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৭° থেকে ৩৮° সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। এছাড়া বরিশাল, ঢাকা বিভাগের দুএক জায়গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৬° থেকে ৩৭° সেলসিয়াসের আশেপাশে।

এরফলে উল্লেখিত বিভাগের বেশকিছু স্থানেই বেশ গরম অনুভব হতেপারে। বিশেষ করে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট,নড়াইল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, ঢাকা,মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, ও এর আশেপাশের কিছু স্থানে। এছাড়া পর্যাপ্ত অনুকুল পরিবেশ পেলে উল্লেখিত জেলাগুলোর মধ্যে দু-এক জায়গায় খুবই অল্প সময়ের জন্য তাপমাত্রা ৩৮°সেলসিয়াস পার করতে পারে।

তবে বৃষ্টিপাতের সময় এগিয়ে আসে বা আকাশ মেঘলা থাকলে তাপমাত্রা ৩৮° সেলসিয়াসের উপরে উঠার সম্ভাবনা কম থাকবে।

এছাড়া দেশের বাকি জেলাগুলোতে এ সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩° থেকে ৩৬° সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে এই সময়ের মধ্যে। তবে সিলেট বিভাগ সহ উত্তরাঞ্চলে আগে বৃষ্টি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সেখানে তাপমাত্রা বেশি বৃদ্ধি পাবেনা।

সূত্র:
BWOT Ltd

চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোকোপিট এবং মাটি, দুটোই জনপ্রিয় মাধ্যম। কোনটি সেরা উপায়, তা নির্ভর করে আপনার নির্দিষ্ট প্রয়োজন...
28/06/2025

চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোকোপিট এবং মাটি, দুটোই জনপ্রিয় মাধ্যম। কোনটি সেরা উপায়, তা নির্ভর করে আপনার নির্দিষ্ট প্রয়োজন, সুবিধা এবং সীমাবদ্ধতার ওপর। চলুন, কোকোপিট ও মাটির মধ্যে একটি তুলনা করে দেখা যাক, যাতে আপনি নিজের জন্য সেরা উপায়টি বেছে নিতে পারেন।

→ কোকোপিটে চারা উৎপাদন: সুবিধা ও অসুবিধা

কোকোপিট হলো নারকেলের ছোবড়ার গুঁড়ো, যা আজকাল চারা উৎপাদনে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

~ সুবিধা:

১. পানি ধারণ ক্ষমতা: কোকোপিটের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর চমৎকার পানি ধারণ ক্ষমতা। এটি নিজের ওজনের প্রায় ৮-১০ গুণ পানি ধরে রাখতে পারে, যা চারাকে দীর্ঘ সময় আর্দ্র রাখে। ফলে বারবার পানি দেওয়ার ঝামেলা কমে।

২. বায়ু চলাচল: কোকোপিটের গঠন এমন যে এতে বাতাসের চলাচল খুব ভালো হয়। এটি চারার শিকড়কে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পেতে সাহায্য করে, যা শিকড়ের দ্রুত বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর চারা উৎপাদনে সহায়ক।

৩. হালকা ও পরিষ্কার : কোকোপিট খুব হালকা, তাই এটি ব্যবহার করা এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানো সহজ। এটি মাটি বা বালির মতো নোংরা হয় না, যা ছাদ বাগান বা ইনডোর প্ল্যান্টের জন্য আদর্শ।

৪. রোগমুক্ত: সাধারণত কোকোপিট জীবাণুমুক্ত থাকে, তাই মাটিবাহিত রোগ বা পোকার আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

৫. pH : কোকোপিটের pH মাত্রা প্রায় নিরপেক্ষ (৫.৫ থেকে ৬.৫), যা বেশিরভাগ গাছের বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত।

~ অসুবিধা:

১. পুষ্টি উপাদান কম: কোকোপিটে প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান প্রায় নেই বললেই চলে। তাই চারা উৎপাদনের সময় বা পরে আলাদাভাবে পুষ্টি যোগান দিতে হয়। এর জন্য তরল সার ব্যবহার করা জরুরি।

২. দাম: মাটির তুলনায় কোকোপিটের দাম কিছুটা বেশি হতে পারে, বিশেষ করে বড় পরিসরে ব্যবহার করলে।

৩. লবণাক্ততা: কিছু ক্ষেত্রে কোকোপিটে প্রাকৃতিক লবণাক্ততা থাকতে পারে, যা ব্যবহারের আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

→ মাটিতে চারা উৎপাদন: সুবিধা ও অসুবিধা

ঐতিহ্যগতভাবে, কৃষকরা মাটি ব্যবহার করেই চারা উৎপাদন করে আসছেন।

~ সুবিধা:

১. প্রাকৃতিক পুষ্টি: মাটির প্রধান সুবিধা হলো এতে গাছের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান থাকে। সঠিক মাটিতে অতিরিক্ত সার দেওয়ার প্রয়োজন নাও হতে পারে।

২. সহজলভ্যতা ও খরচ কম: মাটি সহজে পাওয়া যায় এবং এর খরচ কোকোপিটের তুলনায় অনেক কম।

৩. সহজ ব্যবহার: মাটি ব্যবহার করে চারা উৎপাদন পদ্ধতি অনেক পুরনো এবং বেশিরভাগ মানুষের কাছে পরিচিত ও সহজ।

~ অসুবিধা:

১. কম্প্যাকশন (জমে যাওয়া): মাটি সময়ের সাথে সাথে শক্ত হয়ে যেতে পারে, যার ফলে পানি নিষ্কাশন এবং বায়ু চলাচল ব্যাহত হয়। এটি চারার শিকড় বৃদ্ধিতে বাধা দিতে পারে।

২. রোগ ও পোকা: মাটিতে বিভিন্ন রোগজীবাণু, ছত্রাক এবং পোকার লার্ভা থাকতে পারে, যা চারার ক্ষতির কারণ হতে পারে।

৩. ভারী: মাটি কোকোপিটের চেয়ে অনেক ভারী, যা বড় আকারের চারা টব বা ট্রে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অসুবিধা তৈরি করতে পারে।

৪. গুণমানের ভিন্নতা: সব মাটির গুণাগুণ একরকম হয় না। ভালো মানের উর্বর মাটি খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে এবং এর জন্য প্রস্তুতির (যেমনঃ চালুন করা বা মিশ্রণ তৈরি করা) প্রয়োজন হতে পারে।

→ তাহলে সেরা উপায় কোনটা?

সত্যি বলতে, কোনো একটি পদ্ধতিকে একতরফাভাবে সেরা বলা কঠিন। এটি আপনার লক্ষ্য, বাজেট এর উপর নির্ভরশীল।

★ যদি আপনি কম জায়গায় (যেমন: ছাদ বাগান, বারান্দা) সীমিত সংখ্যক চারা উৎপাদন করতে চান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দ্রুত বৃদ্ধি আপনার অগ্রাধিকার হয়, তাহলে কোকোপিট একটি চমৎকার বিকল্প। এক্ষেত্রে শুধু মনে রাখবেন, আপনাকে নিয়মিত তরল সার প্রয়োগ করতে হবে।

★ যদি আপনার প্রচুর মাটি থাক্ব, খরচ কমানো আপনার মূল লক্ষ্য হয় এবং আপনি প্রাকৃতিক উপায়ে চারা উৎপাদনে অভ্যস্ত হন, তাহলে মাটি আপনার জন্য সেরা বিকল্প। তবে মাটির প্রস্তুতি এবং রোগবালাই নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দিতে হবে।

নোটঃ অনেক সময়, ভালো ফলনের জন্য কোকোপিট এবং মাটির মিশ্রণও (যেমন – ৫০% কোকোপিট, ৩০% মাটি, ২০% কম্পোস্ট/গোবর সার) ব্যবহার করা হয়। এই মিশ্রণ উভয় মাধ্যমের সেরা গুণাবলী ধারণ করে – কোকোপিটের হালকা ভাব ও পানি ধারণ ক্ষমতা এবং মাটির পুষ্টি উপাদান।

আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক মাধ্যম নির্বাচন করে আপনিও আপনার কাঙ্ক্ষিত চারা উৎপাদন করতে পারবেন।

#কৃষি #স্মার্ট_কৃষি #চারা #চারা_উৎপাদন #ভাইরাস #কোকোপিট #মাটি_শোধন #এগ্রিকালচার #চাষ #এগ্রো #ইকোফাইজেন

আমন ধানের বীজতলায় সুস্থ চারা উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃআমন ধানের ভালো ফলন পেতে হলে সুস্থ ও সবল চারার কোনো বিকল্...
22/06/2025

আমন ধানের বীজতলায় সুস্থ চারা উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃ

আমন ধানের ভালো ফলন পেতে হলে সুস্থ ও সবল চারার কোনো বিকল্প নেই। আর সুস্থ চারা উৎপাদনের প্রথম ধাপ হলো বীজতলায় সঠিক পরিচর্যা, যার মধ্যে বীজ শোধন একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি তাদের বীজ শোধনের জন্য বিভিন্ন পণ্য বাজারে এনেছে, যার মধ্যে সিনজেনটা কোম্পানির ক্রুজার (Cruiser 70 WS) উল্লেখযোগ্য। যার সক্রিয় উপাদান হলো থায়ামেথোক্সাম। এর স্পর্শিয়া, পাকস্থলী ও প্রবাহমান গুণাগুণ থাকায় এটি পোকা দমনে বেশ কার্যকর।

→ ক্রুজার ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধা সমূহ:

১. পোকা দমন: ক্রুজার বীজতলায় ঘাসফড়িং এবং সবুজ পাতা ফড়িং এর মতো চুষে ও চিবিয়ে খাওয়া পোকা দমনে সহায়তা করে। এর ফলে মূল জমিতে পোকার আক্রমণ কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা থাকে।

২. চারার বৃদ্ধি ও সজীবতা: এটি চারার সুস্থ বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে, যার ফলে চারাগুলো গাঢ় সবুজ ও স্বাস্থ্যবান দেখায়। শিকড় ভালোভাবে গঠিত হওয়ায় চারা মূল জমিতে রোপণের পর দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে এবং পুষ্টি গ্রহণে সক্ষম হয়।

৩. সময় ও খরচ সাশ্রয়: বীজতলায় চারা সুরক্ষিত থাকার কারণে মূল জমিতে চারা রোপণের জন্য প্রস্তুত হতে কম সময় লাগতে পারে, যা ফলন কিছুটা এগিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে। বীজের অপচয়ও কম হতে পারে।

→ ব্যবহার বিধি:

সাধারণত, ধানের ক্ষেত্রে প্রতি কেজি বীজে ২ গ্রাম ক্রুজার ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়। অর্থাৎ প্রতি ১০ কেজি বীজের জন্য ২০ গ্রাম বা ১ প্যাকেট ক্রুজার, DAP সারের সাথে মিশিয়ে বীজতলায় ছিটিয়ে দিতে হবে।

আশা করি এই পরামর্শ আপনাদের আমন ধানের ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। আপনাদের যেকোনো কৃষি বিষয়ক জিজ্ঞাসায় আমরা পাশে আছি।

#কৃষি #আমন #বীজতলা #জালা #কৃষি_তথ্য #বালাইনাশক #কীটনাশক #ফসলেরযত্ন #আধুনিককৃষি #

ফসল ও ফল গাছের চোষক পোকা: ক্ষয়ক্ষতি ও দমন পদ্ধতি:ফসলের এবং ফল গাছের চোষক পোকা খুবই ক্ষতিকর। এরা গাছের পাতা, কচি ডগা, ফুল...
14/06/2025

ফসল ও ফল গাছের চোষক পোকা:

ক্ষয়ক্ষতি ও দমন পদ্ধতি:

ফসলের এবং ফল গাছের চোষক পোকা খুবই ক্ষতিকর। এরা গাছের পাতা, কচি ডগা, ফুল ও ফল থেকে রস চুষে খায়, যার ফলে গাছ দুর্বল হয়ে যায়, বৃদ্ধি কমে যায় এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যায়। কিছু চোষক পোকা ভাইরাস রোগের বাহক হিসেবেও কাজ করে।

→ প্রধান চোষক পোকাগুলো কি কি?

কিছু পরিচিত চোষক পোকা হলো:
১. জাব পোকা (Aphids): কচি পাতা ও ডগার রস চুষে খায়।
২. সাদামাছি (Whiteflies): পাতার নিচের দিকে থাকে এবং ভাইরাস ছড়ায়।
৩. থ্রিপস (Thrips): ছোট আকারের পোকা, পাতা ও ফুল বিকৃত করে।
৪. মিলিবাগ (Mealybugs): তুলোর মতো আবরণে ঢাকা, গাছের কাণ্ডে বা ফলের সংযোগস্থলে থাকে।
৫. হপার (Hopper): ধানের বাদামী চোষক পোকা (BPH) বা আমের শোষক পোকা নামে পরিচিত।
৬. মাকড় (Mites): পোকা না হলেও চোষক পোকার মতো ক্ষতি করে, পাতা বিবর্ণ করে।

→ চোষক পোকা দমনে জরুরি পদক্ষেপ:

চোষক পোকা দমনের জন্য সমন্বিত বালাই দমন (IPM) পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।

১. পরিচর্যা করুন নিয়মিত:
* জমির পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। আগাছা ও ফসলের অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করুন।
* সুষম সার ব্যবহার করুন, অতিরিক্ত নাইট্রোজেন পরিহার করুন।
* আক্রান্ত পাতা বা ডগা হাত দিয়ে তুলে ধ্বংস করুন।
* হলুদ বা নীল আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করুন (প্রতি ১০ শতাংশে ১০-১২টি ফাঁদ)।

২. জৈবিক দমন:
* নিম তেল স্প্রে ব্যবহার করুন।
মাত্রা: ২-৫ মিলি নিম তেল প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন। স্প্রে করার সময় সাবান বা ডিটারজেন্ট (১-২ চা চামচ প্রতি ১০ লিটার পানিতে) মিশিয়ে নিন।

৩. রাসায়নিক দমন:
যখন অন্য পদ্ধতিগুলো কাজ না করে বা আক্রমণ মারাত্মক হয়, তখন অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। কীটনাশক ব্যবহারের আগে অবশ্যই বোতলের গায়ে লেখা নির্দেশনা, মাত্রা এবং সতর্কতা ভালোভাবে পড়ুন ও মেনে চলুন।

কিছু কার্যকর কীটনাশক :
১. ইমিডাক্লোপ্রিড (Imidacloprid): (যেমন: কনফিডর, ইমিটাফ)। সাধারণ মাত্রা: ০.৫ মিলি - ১ মিলি প্রতি লিটার পানিতে (ফসলের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে)। ধানের বাদামী চোষক পোকার জন্য প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৫ মিলি (৫০ শতক জমির জন্য)।

২. ডাইমিথোয়েট (Dimethoate): (যেমন: রগর, টাফগর)। সাধারণ মাত্রা: ১ মিলি - ২ মিলি প্রতি লিটার পানিতে।

৩. থায়ামেথক্সাম (Thiamethoxam): (যেমন: একতারা)। সাধারণ মাত্রা: ০.২ গ্রাম - ০.৫ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে।

★ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। তাই ব্যাবস্থা নিতে হবে আগে ভাগে। একবার ক্ষতি হয়ে গেলে সেই ক্ষতি থেকে রিকোভার করা অনেক কষ্টসাধ্য এবং ব্যায়সাপেক্ষ।
সকল প্রকার কৃষি পরামর্শ পেতে ফলো করুন আমাদের পেইজ।

কলা গাছের পানি পচা রোগ এর কার্যকরী সমাধান ✅✅

#ফসলেরযত্ন #বালাইনাশক #আধুনিককৃষি #কৃষি #কৃষি_তথ্য #চোষক_পোকা #ভাইরাস #মোজাইক_ভাইরাস #কীটনাশক #বালাইনাশক।

ঈদ-উল-আযহা আমাদের শেখায়, প্রকৃত ত্যাগ শুধু প্রাণ বা সম্পদের নয়, বরং আত্মনিয়ন্ত্রণ, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের।এই প...
06/06/2025

ঈদ-উল-আযহা আমাদের শেখায়, প্রকৃত ত্যাগ শুধু প্রাণ বা সম্পদের নয়, বরং আত্মনিয়ন্ত্রণ, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধের।

এই পবিত্র দিনে, আসুন আমরা একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হই, পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে ন্যায়, সততা ও সহমর্মিতা চর্চা করি।

EcofyZen পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদ-উল-আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা।
আপনার আত্মত্যাগ হোক সার্থক, আপনার উদ্যোগ হোক মানবিকতাপূর্ণ।

ঈদ মোবারক ❤️

পেপে গাছ বাচাতে দেড়ি না করে দ্রুত এই কীটনাশক গুলো প্রয়োগ করুন।গাছের পাতা হলুদ হওয়ার সাথে যদি গাছ কে দূর্বল দেখা যায় কিংব...
05/06/2025

পেপে গাছ বাচাতে দেড়ি না করে দ্রুত এই কীটনাশক গুলো প্রয়োগ করুন।

গাছের পাতা হলুদ হওয়ার সাথে যদি গাছ কে দূর্বল দেখা যায় কিংবা মারা যাবার লক্ষন দেখা যায় তাহলে দেরি না করে নিচের দেওয়া বালাইনাশক গুলো দ্রুত স্প্রে করে দিন।

১. প্রথম দিন:
প্রতি লিটার পানিতে এমিস্টার টপ ১ মিলি এবং অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউ ডি জি (কার্বেনডাজিম ৫০%) ১ গ্রাম মিশিয়ে গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করুন।
উল্লেখ্য, অটোস্টিন একটি অন্তর্বাহী ছত্রাকনাশক, যা গাছের শিকড় ও সবুজ অংশ দ্বারা শোষিত হয়ে কোষ রসের মাধ্যমে সমস্ত অংশে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে ছত্রাকজনিত রোগ কার্যকরভাবে দমন হয়।

২. দ্বিতীয় দিন:
প্রতি লিটার পানিতে ভারটিমেক (অ্যাবামেকটিন) ১ মিলি এবং অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউ ডি জি ১ গ্রাম মিশিয়ে গাছের গোড়া ও পাতায় স্প্রে করুন।
ভারটিমেক একটি স্পর্শক্রিয় ও পাকস্থলি গুণসম্পন্ন কীটনাশক, যা মাকড় ও শোষক পোকা দমনে অত্যন্ত কার্যকর।

৩. তৃতীয় দিন:
আবার প্রথম দিনের মতো এমিস্টার টপ ১ মিলি এবং অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউ ডি জি ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করুন।

ইনশাআল্লাহ, আপনার গাছ আবার সতেজতা ফিরে পাবে।
সকল প্রকার কৃষি পরামর্শ বিনামূল্যে পেতে ফলো করে রাখুন আমাদের।

#পেপে_চাষ #পেপে_চাষের_পরামর্শ #পেপে #পেঁপে #বালাইনাশক #কৃষি #পচন #রেড_লেডি #আধুনিককৃষি #ফসলেরযত্ন #পেঁপেচাষ #পেপে_গাছের_রোগ

রেড লেডি পেপে চাষে সবাই সফল হন না কেন?একজন কৃষি পরামর্শকের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলা…১. “ভাবনা থেকেই ভুল শুরু”,  প্রস্তুত...
03/06/2025

রেড লেডি পেপে চাষে সবাই সফল হন না কেন?

একজন কৃষি পরামর্শকের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলা…

১. “ভাবনা থেকেই ভুল শুরু”, প্রস্তুতি ছাড়া শুরু করা:

পেঁপে চাষ করতে আসা নতুন চাষিরা বলেন,
“ভাই, পাশের গ্রামে একজন পেপে লাগিয়ে ভালো লাভ করছে, আমিও শুরু করলাম।”

কিন্তু প্রশ্ন হলো, আপনি কি জানেন সে জমি কোথায় ছিল? কী পরিচর্যা করেছে? কোন রোগ হয়েছিল?
এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই নেই।
সত্য কথা হলো, রেড লেডি পেপে চাষে লাভ করতে হলে প্রথমে মাথায় রাখতে হবে এটি একটি ‘জীবন্ত প্রজেক্ট’। শুধু জমি থাকলেই হবে না, চাই সঠিক পরিকল্পনা।

২. জমি নির্বাচনই ভবিষ্যতের ৫০% সাফল্য নির্ধারণ করে:

অনেকে ভুল করে নিচু জমিতে পেপে লাগিয়ে দেন।
পানি জমে থাকলে পচন হয়, শিকড় নষ্ট হয়ে যায়।
একজন চাষি একবার বলেছিলেন,
“স্যার, গাছ তো লাগাইছি ঠিকভাবে, কিন্তু হঠাৎ সব মরে গেল।”

জমি দেখে বুঝলাম, জমিতে পানি দাঁড়িয়ে থাকে।
রেড লেডি কেন, কোনো ধরনের পেপেই নিম্ন জমির ফসল নয়।
উঁচু, হালকা ঢালু এবং পানি নিষ্কাশনযোগ্য জমি না হলে এ ফসল শুরু করাই উচিত নয়।

৩. চারা: রোগমুক্ত না হলে সব পরিশ্রম বৃথা:

রেড লেডি পেপে একধরনের স্পর্শকাতর গাছ। বর্তমানে বাংলাদেশ এ রেড লেডি পেপে কে বানিজ্যিক ভাবে চাষ করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে না।

চারা যদি ভাইরাসবাহী হয় (বিশেষ করে রিং স্পট ভাইরাস), তাহলে আপনি যতই সার দেন, যত যত্ন করেন ফল আসবে না।

অনেকেই হাট থেকে চারা কেনেন, কিন্তু
চারা কিনতে হয় বিশ্বাসযোগ্য নার্সারি থেকে। যেখানে রক্ষণাবেক্ষণ, ট্রিটমেন্ট ঠিকভাবে করা হয়।

৪. মাটি জীবাণুমুক্ত না করলে “আস্তে আস্তে মৃত্যু” শুরু হয়:

মাটি শুধু “মাটিই” না, এটা হলো জীবাণুর ঘর।
যদি আপনি ট্রাইকোডারমা ব্যবহার না করেন, যদি প্রাথমিকভাবে জৈবসার না মেশান,
তাহলে শিকড় পচে, গাছ দুর্বল হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
অনেকে বলেন,

“স্যার, গাছ তো ছোটবেলায় ভালোই ছিল, মাঝখানে এসে শক্তি হারিয়ে ফেলল।”
তখনই বুঝতে হয় মাটির প্রস্তুতি সঠিক ছিল না।

৫. পুষ্টি ব্যবস্থাপনায় গড়বড়, গাছ বাঁচে, ফল দেয় না:

পেপে চাষিকে সপ্তাহে কমপক্ষে ১ বার গাছ পরিদর্শন করতে হয় পাতা দেখুন, ফলের গড়ন দেখুন, আগাছা আছে কিনা দেখুন। আগাছা আর পেপে গাছ কোনোদিনও একসাথে থাকবে না।
তারপর সবকিছু দেখে বুঝে সার দিতে হয়।

অনেক চাষি বলেন,
“আমি তো ইউরিয়া-টিএসপি দিয়েছি একবারে।”

কিন্তু পেপে গাছ চায় ধাপে ধাপে সুষম ও সময়োপযোগী পুষ্টি।
একবারে বেশি সার দিলে গাছ বড় হবে ঠিক, কিন্তু ফলন কমে যাবে বা ফুল ঝরে যাবে।

৬. পানি ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি:

বর্ষায় যদি গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকে, ক্ষতি নিশ্চিত।
আর গ্রীষ্মকালে যদি গোড়ায় শুকনো মাটি থাকে, গাছ শুকিয়ে যাবে, পাতার ডগা পুড়ে যাবে।
পানির এই ওঠানামায় গাছ কষ্ট পায় অনেক সময় স্টেম রট রোগ হয়, পুরো গাছ কাটা পড়ে।

৭. পোকা-মাকড় ও ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে অলসতা:

অনেকে ভাবেন,
“এখন তো পোকা নেই, স্প্রে না করলেও চলবে।”
কিন্তু ভাইরাস ছড়ায় থ্রিপস, সাদা মাছি ও এফিড এর মাধ্যমে।
ভাইরাস হলে প্রতিকার নেই, কেবল প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। তাই প্রতিরোধ হিসেবে আগে ভাগে ব্যাবস্থা নিতেই হবে।
রোগমুক্ত চারা, সপ্তাহে অন্তত একবার পোকা পর্যবেক্ষণ, বায়োনেম বা অর্গানিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা অবলম্বন করতেই হবে।

★ রেড লেডি পেপে চাষে সফলতা পেতে চাইলে আপনি শুধু চাষি নন, একজন ম্যানেজার, একজন পর্যবেক্ষক, একজন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী হতে হবে।
এই গাছের চোখে চোখ রাখলেই সে বলে দেয়, কী চাই তার।

ভালোবাসা, দায়িত্ব, পর্যবেক্ষণ। এই তিনে রেড লেডি আপনার হাতেই সোনা ফলাবে।

#রেড_লেডি #পেপে #পেঁপে #কৃষি #পেপে_চাষের_পরামর্শ #পেপে_চাষ #বালাইনাশক #পচন #পেঁপেচাষ #আধুনিককৃষি #ফসলেরযত্ন

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EcofyZen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share