Fahad Fisheries Project

Fahad Fisheries Project Alhamdulillah, we are starting our journey to provides best qualityful fishes! here you will get 100% healthy and fresh deshi fishes for your satisfying taste!

06/10/2023

খুলে দিতে পারে লক্ষ্য বেকারের আশার দুয়ার!

21/09/2023

মাছের মজুদ ঘনত্ব নির্ণয়
আমাদের দেশে নব্বইয়ের দশকের পরে বানিজ্যিক মাছ চাষের গোড়াপত্তন হয়।
তখন তেলাপিয়া, পাঙাশ ও কার্পজাতীয় মাছ চাষ হতো।
বিংশ শতাব্দীতে এসে ক্যাটফিস (শিং,মাগুর,পাবদা,টেংরা, গুলশা,কৈ) জাতীয় মাছের হ্যাচারীতে কৃত্রিম ভাবে পোনা উৎপাদন করে বানিজ্যিক মাছ চাষ শুরু হয়।

বানিজ্যিক মাছ চাষ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিউটের পাশাপাশি বেসরকারি মৎস্য হ্যাচারী গুলোর অবদান কেউ অস্বীকার করতে পারবেনা।
প্রতিটি জাত বানিজ্যিক মাছ চাষের জন্য অবমুক্ত করার আগে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাগণ কয়েক ধাপে চাষ পদ্ধতি, মজুদ ঘনত্ব, খাবার ও পরিচর্যা নিয়ে বিশেষ গবেষণা পরিচালনা করেন।
তারপর প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে চাষিদের পুকুরে সহনশীল গাইডলাইন প্রদান করেন।
এসব গাইডলাইনে চাষ পদ্ধতি কি হবে, প্রতি শতাংশে মজুদ ঘনত্ব কত হবে, পানির গভীরতা কত ফুট রাখতে হবে, পুকুরের সাইজ কত হবে, কি কি খাবার দিতে হবে এবং কি কি পরিচর্যা নিতে হবে ইত্যাদি বিস্তারিত তথ্য দেয়া রয়েছে।
কিন্তু আমাদের চাষি ভাইয়েরা সে গাইডলাইন অনুসরণ না করে কিছু অসাধু পোনা বিক্রেতা, খাবার ও ঔষধ কোম্পানির প্ররোচনায় পড়ে অধিক ঘনত্বে পোনা মজুদ করেন।
তাতে করে পোনা ব্যবসায়ী অধিক পোনা বিক্রি করে লাভবান হন।
বেশি মাছের জন্য বেশি খাবার লাগে, প্রাকৃতিক খাবারের কোন সাপোর্ট পাওয়া যায় না, ফলে ফিড ব্যবসায়ীরা বেশি পরিমাণে ফিড বিক্রি করতে পারে।
অধিক ঘনত্বে মাছ চাষ করা হয় বলে, মাছের রোগ-বালাই বেশি হয়।
ফলে ঔষধ কোম্পানি গুলো বেশি পরিমাণে ঔষধপত্র বিক্রি করতে পারে।
তাছাড়া অধিক ঘনত্বে মাছ চাষের কারণে রাতের বেলায় পুকুরের সমস্ত মাছ ভেসে উঠে।
ফলে ইদানিং এয়ারেটর ব্যবসায়ীরাও রমরমা ব্যবসা করছেন।
একজন চাষি কে টার্গেট করে চার পাঁচজন ব্যবসায়ী লাভবান হচ্ছেন।
দুঃখের বিষয় এসব ব্যবসায়ীর ফাঁদে পড়ে মূল উদ্যোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন!!
তাহলে কেন এমনটা হলো??
এসব মাছ চাষের আবিষ্কার কি চাষিকে স্বর্বশান্ত করার উদ্দেশ্যেই আবিষ্কৃত হয়েছিল??
অবশ্যই না, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিউটের উদ্দেশ্য ছিল মাছ চাষে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে, বিলুপ্ত হওয়া মাছ আবারও ফিরে আসবে, পরিত্যক্ত জলাশয় ও পুকুরে মাছ চাষ করে দেশের মানুষ স্বাবলম্বী হবে।
কিন্তু গুটিকয়েক স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে মাছ চাষিরা আজ স্বর্বশান্ত।
এর জন্য দায়ী কিছু পোনা, খাবার, ঔষধ বিক্রেতা ও অসাধু ইউটিউবার।
তাছাড়া আমাদের কিছু অতি লোভী চাষিও সম্পৃক্ত।
মাছ চাষে লচ করার অন্যতম কয়েকটি কারণের মূল কারণ হলো অধিক ঘনত্বে মাছ চাষ।
আগামী পর্বে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিউট কতৃক নির্দেশিত এবং আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে শতাংশে কোন্ মাছ কত পিচ করে চাষে দেয়া যাবে, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।।

18/09/2023

খাওয়া যাচ্ছে সাকার মাছ!

22/11/2022
আপনি যখন নিজ শহরের স্থানীয় বাজার থেকে একটি ইলিশ কিনবেন, সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল যে সেই মাছটি হবে নারী ইলিশ, যার পেটভর্তি ...
25/10/2022

আপনি যখন নিজ শহরের স্থানীয় বাজার থেকে একটি ইলিশ কিনবেন, সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল যে সেই মাছটি হবে নারী ইলিশ, যার পেটভর্তি ডিম। ইলিশের মৌসুমে আক্ষরিক অর্থেই দেশের কোণে কোণে প্রতিটি বাজার উপচে পড়ে নারী ইলিশে। অথচ পুরুষ ইলিশ যেন অমাবস্যার চাঁদের মতোই দুর্লভ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অক্টোবর মাসে যখন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম চলে, তখন প্রায় সমপরিমাণ নারী ও পুরুষ ইলিশই নদীর উজান পেরিয়ে আসে মিঠাপানিতে। তাহলে এই পুরুষ ইলিশরা সব যায় কই? কীভাবে তারা লোকচক্ষুর অন্তরালে স্রেফ উধাও হয়ে যায়?

মধ্য-সেপ্টেম্বরে আমি যখন চাঁদপুরে দেশের সর্ববৃহৎ ইলিশের পাইকারি বাজারে হাজির হলাম, আমি এ ব্যাপারটা দেখে খুবই অবাক হলাম যে মাটিতে সারি বেঁধে থাকা সকল ইলিশই নারী ইলিশ।

যে প্রশ্নটিকে সামনে রেখে আমি আমার যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেটিই ছুড়ে দিতে থাকলাম সকল ব্যবসায়ীর সামনে : সব পুরুষ ইলিশ কোথায় গেছে?

কিন্তু এত বড় বাজারের একটি লোকও আমাকে এই রহস্যের মীমাংসা সম্ভব এমন কোনো বিশ্বাসযোগ্য জবাব দিতে পারল না।

'আমরা পুরুষ ইলিশ নিয়ে মাথা ঘামাই না। আমরা এতেই খুশি যে সবগুলো মাছই নারী ইলিশ, আর তাদের পেটভর্তি ডিম। ক্রেতারাও এমন ইলিশই চায়, তাই এগুলোই বিক্রি হয়,' বলেন মাছ ব্যবসায়ী মিরাজ আহমেদ। হাজী সিরাজ এন্টারপ্রাইজ নামে তার একটি ট্রেডিং হাউজ আছে।

এদিকে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করে ওয়ার্ল্ডফিশ নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। সেখানকার ইলিশ বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল ওয়াহাব বলেন, 'ইকোফিশ প্রকল্প থেকে পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রজনন মৌসুমে একটি ইলিশের ঝাঁকে নারী পুরুষের অনুপাত থাকে ৫৫:৪৫।'

তাহলে আমরা চারদিকে কেবল নারী ইলিশই দেখি কেন? কয়েক বছর আগে একই প্রশ্ন তাড়া করে বেড়ায় আব্দুল কাইয়ুম নামের আরেক সাংবাদিক ও পপুলার সায়েন্সের লেখককেও। তিনি চেষ্টা করেন রহস্যভেদের।

কাইয়ুম বলেন, 'বেশ কয়েকজন জেলে ও বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে আমি জানতে পারি, পুরুষ ইলিশ আসলে আমরা যতটা ভাবি ততটা বিরল নয়। জেলেরা তাদের জালে পুরুষ মাছও ধরে, কিন্তু কোন মাছটি পুরুষ আর কোনটি নারী, তা তারা আলাদা করতে পারে না, কেননা পুরুষ ইলিশের কোনো জননাঙ্গ নেই।'

ড. ওয়াহাব বলেন, 'নারী ইলিশরা যেভাবে পানিতে তাদের ডিম ছাড়ে, পুরুষ ইলিশরা পানি ঠিক সেভাবেই ছাড়ে তাদের বীর্য। আর এই দুটি জিনিস প্রায় একই রকম দেখতে। শুধু এটুকুই ব্যতিক্রম যে, পুরুষ ইলিশদের ভেতরে ডিম থাকে না, কিন্তু সে কথা ডিম ছাড়া নারী ইলিশদের বেলায়ও প্রযোজ্য।'


তাই কেবল একজন বিশেষজ্ঞের চোখই বলতে পারে কোন ইলিশ পুরুষ। ঠিক তেমনই একজন বিশেষজ্ঞ হলেন ইকোফিশের চাঁদপুরভিত্তিক গবেষণা সহযোগী কিঙ্কর সাহা।

কিঙ্কর বলেন, 'বেশ কয়েক বছর আগে একটি গবেষণার কাজে আমি ছিলাম চর ভৈরবের একটি মাছধরা নৌকায়। পানি থেকে জাল গোটানোর পর জেলেরা সবাই খুব মর্মাহত হয়ে পড়েন। জালে আটকা পড়া মাছগুলো ছিল আকারে ছোট এবং এরা দেখতেও ছিল তুলনামূলকভাবে দুর্বল, ক্ষীণকায় ও অনাকর্ষণীয়। একটু ভালোভাবে খেয়াল করতেই আমি বুঝলাম, সেখানকার প্রায় ৬২ শতাংশ মাছই ছিল পুরুষ। এটি ছিল প্রধানত একটি পুরুষ ইলিশের ঝাঁক, যা বেশ বিরল একটি ব্যাপার, কেননা একটি মাছের ঝাঁকে সাধারণত ৪০-৪৫ শতাংশ ইলিশ পুরুষ হয়ে থাকে।'

চাঁদপুরের মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ড. আনিসুর রহমান বলেন, 'নারী ইলিশের মাঝে যে দীপ্তি দেখা যায়, পুরুষ ইলিশের ভেতর তা অনুপস্থিত। তারা দেখতে কদাকার না হলেও কিছুটা অনাকর্ষণীয় তো বটেই।'

গতানুগতিক মাছের বাজারে তাই আর এসব পুরুষ ইলিশের ঠাঁই হয় না। জেলেরা সেগুলোকে আলাদা করেন এবং পাঠিয়ে দেন লবণ মাখিয়ে শুকানোর জন্য। স্থানীয় কৌশলে সংরক্ষিত এসব ইলিশকে বলা হয় 'নোনা ইলিশ'।

ড. ওয়াহাব এভাবে ব্যাখ্যা করেন, স্যামন, স্মেল্ট, হিকরি শ্যাড, ল্যাম্প্রে এবং গালফ স্টার্জনের মতো ইলিশও একটি অ্যানাড্রোমাস মাছ, যারা একটি বিশেষ ধরনের জীবনচক্র অনুসরণ করে থাকে। তাদের জন্ম হয় মিঠাপানিতে। এরপর অভিবাসিত হয়ে আট মাস তারা সমুদ্রে চলে যায় এবং সেখানেই কৈশোর পেরিয়ে পরিণত মাছ হয়ে ওঠে। তারপর তারা আবার মিঠাপানিতে ফিরে আসে প্রজননের উদ্দেশ্যে।



ইলিশ যৌনকর্মে লিপ্ত হয় না। পুরুষ মাছ পানিতে তাদের ফোমের মতো শুক্রাণু ছেড়ে দেয় এবং নারী মাছ ওই ফোম-সদৃশ ব্রথের ওপর তাদের ডিম্বাণু ছেড়ে সেগুলোকে নিষিক্ত করে।

অক্লান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গবেষকেরা অবশেষে ইলিশের প্রজনন মৌসুমের দিনক্ষণ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। বাংলা আশ্বিন মাসের প্রথম চাঁদের আগে-পরে মেঘনা নদীসহ এর অসংখ্য শাখা-প্রশাখা ধরে ইলিশ মাছ উজান বেয়ে মিঠাপানিতে আসতে থাকে।

'নদীর শক্তিশালী স্রোতের ফলে নারী ও পুরুষ উভয় ইলিশের শিরদাঁড়া বেয়েই শিহরণ বয়ে যায়।' ড. আব্দুল ওয়াহাব ব্যাখ্যা করেন, 'এতে তারা তীব্র যৌন উদ্দীপনা অনুভব করে, ফলে তুমুল বেগে উজান বেয়ে সাঁতরাতে থাকে।'

ইলিশের বিচরণ কেবল মেঘনার অববাহিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা মিয়ানমারের ইরাবতী নদী এবং পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী-হুগলী নদীতে প্রবেশ করে। তা ছাড়া ইলিশের উপস্থিতি রয়েছে আরও সুদূরে। পূর্বের মেকং বদ্বীপ থেকে শুরু করে পশ্চিমের পারস্য উপসাগরেও দেখা মেলে তাদের। এমনকি ইউফ্রেটিস নদীতেও খুঁজে পাওয়া যেতে পারে ইলিশকে।

'কিন্তু মেঘনার মোহনায় যে পরিমাণ ইলিশ দেখা যায়, আর কোথাও এই মাছকে এত বেশি দেখা যায় না,' বলেন ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ প্রকল্পের প্রধান ড. ওয়াহাব।

'তা ছাড়া সব ইলিশের পেটভর্তিও ডিম থাকে না,' যোগ
ড. আনিসুর রহমান বলেন, 'আমরা বাজারে ডিমহীন নারী ইলিশও পাব। ডিম ছাড়ার পর ফিরতি যাত্রায় নারী মাছদের খুব ক্লান্ত দেখায়। তখন তাদেরকে পুরুষ ইলিশের মতোই অনাকর্ষণীয় দেখায়। ফলে একজন সাধারণ জেলের পক্ষে একটি ইলিশ নারী না পুরুষ, তা শনাক্ত করা আরও দুরূহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয় ভাষায় জেলেরা তাদের ডাকে "পাইক মাছ" বলে।'

মেঘনার এক জেলে মানিক দেওয়ান বলেন, 'আমরা জানি এবং শুনেছিও আমাদের ধরা মাছের মধ্যে পুরুষ ইলিশ আছে। কিন্তু আমরা তাদের শনাক্ত করার ব্যাপারে মাথা ঘামাই না। আমাদের একমাত্র চিন্তার বিষয়- মাছের আকার ও চেহারা। আমাদের জন্য মাছ দুরকম, ভালো মাছ ও পাইক মাছ।'

হাইমচরের কাছাকাছি মেঘনার মোহনা ইলিশ ধরার জন্য খুবই বিখ্যাত এলাকা। সেখানে ঘুরতে ঘুরতে আমি একটি গুজব শুনতে পাই। পানিতে বীর্য ছাড়া এবং বাহ্যিকভাবে ডিম নিষিক্ত করার পর পুরুষ ইলিশ একধরনের লিঙ্গ রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যায়। তারা পরিণত হয় নারী ইলিশে।

ড. ওয়াহাব বলেন, 'আমাদের কাছে এমন কোনো প্রমাণ নেই। এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণাই আমাদেরকে এ ধরনের মেটামরফোসিসের ইঙ্গিত দেয়নি।'

আহোরিত ছোট মাছ !
14/10/2022

আহোরিত ছোট মাছ !

13/10/2022

পুকুরে জাল টানা হচ্ছে ছোট মাছের জন্য !

গতকাল হাওড়ে ধরাপরা গার -এলিগেটর নামক আমেরিকার ভয়ংকর মাছটি মৎস্য ও জীব বৈচিএ্য  রক্ষাকারীদের গালে চপোটাঘাত।শেষ রক্ষা হবেক...
13/09/2022

গতকাল হাওড়ে ধরাপরা গার -এলিগেটর নামক আমেরিকার ভয়ংকর মাছটি মৎস্য ও জীব বৈচিএ্য রক্ষাকারীদের গালে চপোটাঘাত।শেষ রক্ষা হবেকি?
====================================
তবে কি অচিরেই বিলুপ্ত হতে চলছে আমাদের মিঠা পানির মাছ?ভয়ংকর দিকে চলছে দেশের মৎস্যশিল্প

একবার কল্পনা করুনতো আমাদের বিল ঝিল হাওরে যদি পিরানহা,এলিগেটর গার,টাইগার ফিসের মত ভয়ংকর মাছের বিচরন ক্ষেএ হয় তবে কেমন হবে?কোথায় যাবে আমাদের দেশজ মাছের জীব বৈচিত্র্য।
গত ২ দিন আগে বাজারে যে এলিগেটর গার মাছটি জীবন্ত দেখা গেছে তাও আবার রাজধানীতে তা রিতিমত আতংকের বিষয়।এই মাছ একমাএ উওর আমেরিকায় পাওয়ার যায় আমেরিকা এদের আদি নিবাস।এই মাছ কোনো ভাবেই প্রাকৃতিক ভাবে আমাদের দেশে আসা সম্ভব নয়।আপনি কল্পনা করতে পারবেন না এটা কত ভয়ংকর মাছ।এটা যে জলাশয়ে বাস করে সেখানে সাধারন মাছ বলে কিছু থাকেনা সব সাবাড় করে দেয়।এমন একটি মাছ ৩ বছরে ১৪০ কেজি অবধি ওজন হয়।এই সময়ে সে ১ টন মাছ সে খেতে পারে।একটা বিল উজার করতে মাএ ৫টি মাছ যথেষ্ট। এখন কথা হইতেছে এই মাছ আমাদের জলাশয়ে আসলো কেমনে?কে তাদের সুদুর আমেরিকা হতে আনলো আর তা এনে আমাদের হাওরে ছেড়ে দিলো।জেলেদের জালে ১টি ধরা পরেছে তার প্রকৃত সংখ্যা কত।এক সাকার ফিস যদিও মাংশাসী নয় তবু ও আমাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছে।তার উপর এই ভয়ংকর গার এলিগেটর কি পরিনতি আনতে পারে তা কল্পনা করা জায়?অনুসন্ধান করে এরপ্রকৃত কারন ও নিধন না করলে দেশের নিজস্ব জলজ প্রকৃতি ও মাছের পরিবেশ ধংশ অনিবার্য।

16/08/2022

মাশাল্লাহ- আলহামদুলিল্লাহ ❤

আমাদের যাত্রার শুরুর দিকের কিছু দৃশ্য!

লক্ষ্য থাকবে সততা ধরে রেখে, গুনগত মানের খাদ্য নিশ্চিত করে মানুষের কাছে পৌছে দেয়া ফ্রেশ, টাটকা সাস্থ্যস্মত মাছ।

Address

Chouddogram
Cumilla
3500

Telephone

+8801628497532

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fahad Fisheries Project posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fahad Fisheries Project:

Share

Category