Humayra jannta Himi - হুমায়রা জান্নাত হিমি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Humayra jannta Himi - হুমায়রা জান্নাত হিমি

Humayra jannta Himi - হুমায়রা জান্নাত হিমি ••তোমাকে নিয়ে আমার লেখা
হাজার ও কবিতার কাঁটা - ছেঁড়ার মাঝে
সবচেয়ে সুন্দর তম লাইন
আমি তোমাকে ভালোবাসি ••🫶

06/10/2026

🎀🫶👀

06/10/2026

🗣️লে জাওড়া তাসিফ.....😁

04/10/2026

He is ' Arbon Vai ' 🫶👀

তুশিতার জীবনে কি অতীত লুকিয়ে আছে....?আর অর্নবেই বা তা জানতে পারলে কি করবে ....?      মেনে নিবে .... নাকি সব ছেড়ে দূরে ...
21/09/2026

তুশিতার জীবনে কি অতীত লুকিয়ে আছে....?
আর অর্নবেই বা তা জানতে পারলে কি করবে ....?
মেনে নিবে .... নাকি সব ছেড়ে দূরে কোথাও চলে যাবে....?

তোমাদের কি মনে হয় ..??
কমেন্ট করে জানাও।।।

The next chapter awaits… Tomorrow, exactly at 11 PM. 🌙✨
Stay tuned. ❤️‍🩹

 #সে আমার চিরস্নিগ্ধা  #হুমায়রা জান্নাত হিমি  # পর্ব:২১সময় চলে যাচ্ছে আপন গতিতে। এখন বাজে দুপুর ২:৪৫ । দীর্ঘ ৪৫ মিনিট ...
20/09/2026

#সে আমার চিরস্নিগ্ধা
#হুমায়রা জান্নাত হিমি
# পর্ব:২১

সময় চলে যাচ্ছে আপন গতিতে। এখন বাজে দুপুর ২:৪৫ । দীর্ঘ ৪৫ মিনিট ধরে তুশিতা এখানে দাঁড়িয়ে আছে।অথচ তাসিফের আসার কোনো নাম নেই। এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে তুশিতা এবার বেজায় বিরক্ত।
তাই সে একাই চলে যাবার জন্য রিকশা খুঁজলো। কিন্তু ভাগ্য যেনো ওর উল্টো দিকে। একটা রিকশা ও চোখে পড়ছে না। রিকশার জন্য আরো ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলো । কিন্তু না পেলো রিকশা আর না এলো তাসিফ বা অর্নব। তাসিফ না আসতে পারলে অর্নব এসে নিয়ে যায়।সেই গুনধর ব্যাক্তি ও আজ আসছে না। তাই উপায় না পেয়ে তুশিতা হাঁটা শুরু করলো। সাথে তাসিফ আর অর্নবকে গালাগালি তো ফ্রী।

কিছু দূর যাবার পর হুট করে পিছন থেকে একটা ছেলে বলে উঠলো ----
---- একা নাকি সুইটহার্ট ..?
তুশিতা থমকে গেল। বুকের ভিতর ধুকধুক শুরু হলো।হাত পা কাঁপতে শুরু করেছে ইতিমধ্যে। মাথার ভিতর চাড়া দিয়ে উঠেছে পুরোনো এক তিক্ত অতীত। তুশিতা দরদরিয়ে ঘামছে। তারপর মনে একটু সাহস জুগিয়ে আবার হাঁটা ধরলো।
তা দেখে ফের ছেলেটা বলে উঠলো----

---- আরে আরে চলে যাচ্ছো যে। দাঁড়াও ডার্লিং,,, তোমার মতো রুপসিকে একটু ছুঁয়ে দেখার সুযোগ তো দেও ।

বলেই একটা ছেলে ওর হাত চেপে ধরলো। তুশিতার পুরো শরীর ঘৃণার রি রি করে উঠলো। ওর সামনে দাঁড়িয়ে আছে দুইটা ছেলে । দুইটার মুখেই পৈচাশিক হাসি। তারা যে তুশিতার পুরো শরীরে বাজে দৃষ্টি বুলাছে তা বুঝতে বাকি নেই। তুশিতা কি করবে বুঝতে পারছে না। হাত ছাড়ানোর জন্য মুছরা মুছরি করছে।

----
---আহা এইভাবে পালাতে চাচ্ছো কেন বেব। তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে শরীরের এখনো কোনো পুরুষের হাত পড়ে নি । কেউ এখনো তার আদরের হাত তোমার শরীরের বুলিয়ে দেয় নি। তবে আমি আছি তো ।আমি দিবো । অনেক যত্ন সহকারে।
বলেই হাসা শুরু করলো।

---- কি কি চাই ,,, ছাড়ুন আমাকে।
--- তোমাকে চাই বাবু । ওহ না সরি তোমার শরীর কে চাই।

তুশিতার পুরো শরীর ঘেমে গেছে। কি করবে ভেবে পাচ্ছে না। আশেপাশে কেউ নেই। তবে ওকে বাচতে হবে যে করেই হোক। এদের কাছে হেরে গেলে চলবে না। তুশিতা ছেলেটাকে হুট করে জোরে ধাক্কা মারে। যার ফলে ছেলেটা ওর হাত ছেড়ে দিয়ে একটু দূরে সরে যায়। সেই সুযোগেই তুশিতা দৌড় লাগায় বাড়ির পথে।

ছেলেটা ওকে দৌড়তে দেখে বলে

---- ধর মা**রে। পালিয়ে যাচ্ছে।

তুশিতা প্রান পনে দৌড়াচ্ছে। ছেলেগুলো ও ওর পেছনে আসছে। দৌড়তে দৌড়তে হঠাৎ তুশিতা একটা শক্ত পোক্ত বুকের সাথে ধাক্কা খেলো। উপরের দিকে তাকিয়ে তুশিতা অর্নব কে দেখতে পেলো। অর্নব কে দেখে তুশি জোরে জোরে শ্বাস নিতে লাগলো।
অর্নব তুশিকে এইভাবে দেখে অবাক হয়ে গেল। বুকের বাঁ পাশে চিনচিন ব্যাথা অনুভব করছে। অর্নব তুশিতার দুই গালে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করলো

--- কি হয়েছে তুশি? তুই এমন করছিস কেন বল আমাকে।
তুশি কথা বলতে পারছে না। শুধু শ্বাস নিচ্ছে জোরে জোরে।

--- এই বল তোর কি হয়েছে। এমন করছিস কেন?

তুশি হুট করে অর্নব কে জরিয়ে ধরলো । শব্দ করে কান্না করছে তুশি।

---- এই ফুল বল কি হয়েছে তোর। প্লিজ বল ,,, দেখ আমার কিন্তু বুকে ব্যাথা করছে একদম কাঁদবি না বলে দিলাম কি হয়েছে বল।

অর্নব সামনে তাকিয়ে দেখলো দু'টো ছেলে দৌড়ে আসছে। ওদের দেখে অর্নব কিছু একটা আন্দাজ করলো। সাথে সাথে ওর শরীর রক্ত গরম হয়ে উঠলো। হাতের সকল পেশি গুলো ফুলে উঠেছে।
তখনি তুশিতা অর্নব কে বলে উঠলো----
--- ওরা ওরা আমাকে ধরতে আসছে অর্নব ভাই। ওরা আমাকে নিয়ে যাবে । বাজে ভাবে ছু ছুঁয়ে দিবে। প্লিজ বাঁচান আমায়।
--- কিছু হবে না ফুল। দেখ আমি এসে গেছি। শান্ত হ প্লিজ ফুল একটু শান্ত হ।
তুশি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে যাচ্ছে। অর্নব ওকে গাড়িতে বসিয়ে দরজা লক করে দিলো। তারপর ছেলে দুটোর দিকে এগিয়ে গেল।
একটা ছেলে বলে উঠলো ----

---- কি ও ভাই তুই দেখি আমাদের মাল নিজের গাড়িতে ঢুকিয়ে দিলি। দেখ ভাই আমাদের জিনিস আমাদের ফিরিয়ে দে।

---- মালহহহ

--- হ্যাঁ।
অর্নব ছেলেটার নাক বড়াবড় একটা ঘুষি মারলো। ছেলেটা রাস্তার মাঝে পড়ে গেল। অর্নব ওকে তুলে ওর গলা ধরে বলে উঠলো

---- এতো সাহস তোর আমার জিনিস এর দিকে নজর দিস। হ্যাঁ,,, মাল বলে সম্বোধন করিস। আজ তোকে দেখাবো আমার জিনিসে স্পর্শ করার কি পরিনাম হতে পারে। তোর জিভ আমি টেনে ছিঁড়ে ফেলবো জানোয়ারের বাচ্চা। তোর হাত আমি কুঁচি কুঁচি করে কাটবো। এহসান অর্নব তালুকদারের কলিজায় হাত দেওয়ার ফল তুই পাবি।
বলেই ছেলেটাকে মারতে শুরু করে । তা দেখে সাথের ছেলেটা পালিয়ে গেলো। ছেলেটা কে মারতে মারতে আধ মারা করে ফেলেছে। নাক কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে।
অতঃপর ছেলেটা সেন্সলেস হয়ে গেল। তা দেখে অর্নব ওকে লাথি মেরে রাস্তার পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে দিলো। রাগে পুরো মাথা ঘুরছে।

অর্নব তাড়াতাড়ি তুশির পাশে গেল । গিয়ে দেখে তুশি সিটের উপর পা তুলে বসে হাঁটুতে মুখ গুঁজে রেখে কি জেনো বিরবির করছে। অর্নব তুশি কে ওর দিকে ফিরালো।

--- দেখ ফুল কিছু হয়নি । কিচ্ছু না। প্লিজ শান্ত হ প্লিজ ফুল।

---- ওরা আসবে। আবার সেই রকম হবে । আমি এইবার আর মানতে পারবো না। ওকে চলে যেতে বলো । ছুঁতে মানা করো প্লিজ।

---- কেউ ছুবে না তোকে । দেখ তুই আমি আছি তো।

অর্নব তুশিতার মাথা ওর বুকের সাথে চেপে ধরলো। শক্ত করে জরিয়ে নিলো নিজের সাথে।

---- আমাকে নিয়ে চলো বাবুই। আমি বাড়ি যাব।

অর্নব পুরো স্তব্ধ হয়ে গেল। দীর্ঘ ৭ বছর পর তুশি অর্নব কে এই নামে ডাকলো । ছোট বেলায় তুশি অর্নব কে বাবুই পাখি বলে ডাকতো। অর্নব কে নাকি ওর বাবুই পাখির মতো লাগতো তাই ওকে এই নামে ডাকতো।তবে এই ৭ বছর একবারের জন্যও তুশির মুখ থেকে ও এই নাম শুনেনি। আজকে এতো দিন পর আবার এই নামে ডাকলো।

---- কিছু হবে না ফুল। তোর বাবুই আছে তো ।

বলে তুশিকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। ওর মাথায় ছোট একটা চুমু খেলো।

--- সব ভুলে যা ফুল। চল বাসায় যাই‌।

বলেই তুশি কে এক হাতে জড়িয়ে ধরে আরেক হাত দিয়ে গাড়ি চালানো শুরু করলো।

অন্য দিকে রিফার বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে আছে আশিক। আশিক এসেছে রিয়াদ এর সাথে দেখা করতে । রিয়াদ গোসলে গেছে তাই সে ছাদে এসে দাঁড়িয়েছে।আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। তখনি কফি নিয়ে এলো রিফা।

---- আপনার কফি।
আশিক পিছনে ঘুরে তাকায়। রিফার পরনে কালো রং এর একটা সুতি থ্রী পিস। কালো রং এ রিফা কে বেশ মানিয়েছে। আশিক মুচকি হেসে বলল

--- Thanks , মিষ্টি মেয়ে।
--- হুম।
বলেই পিছন ঘুরে হাঁটা ধরলো।

---- শুনো মিষ্টি মেয়ে......।
রিফা থমকে দাঁড়ালো। এই ডাক,,,,, এই ডাক টাই সে ভুলতে পারে না ।

--- জি

--- এতো কিসের অভিমান তোমার ।

--- অভিমান শুধু আপন মানুষ গুলোর সাথেই মানায়। যারা পর তাদের সাথে না।

--- তাহলে আমি কি আপন নাকি পর ।

--- জানি না।
--- তাহলে অভিমান করে আছো যে।

--- কে বললো অভিমান করছি।

--- শোন মিষ্টি মেয়ে। আমাদের অবাধ্য কিছু চাইতে নেই। সব কিছু চাইলেই পাওয়া যায় না। কিছু জিনিস মনে থেকে যাওয়াই ভালো। পেয়ে গেলে না পাওয়ার যন্ত্রণা কে পাবে শুনি।

--- এখন তো আর পেতে চাই না । ছেড়ে দিয়েছি নিজের জীবন আল্লাহর হাতে। এখন আর কিছু চাই না আমার। শুধু চাই আল্লাহ আমাকে তাড়াতাড়ি নিয়ে যাক তার কাছে। না পাওয়ার যন্ত্রণা সহ্য করার শক্তি আমার নেই ।

বলেই রিফা চলে গেল। আশিক সেই দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো----

---- আমার সব হায়াত তোমার নামে লিখে দিতিম মিষ্টি মেয়ে। যদি একজনের হায়াত আরেকজনকে দেওয়া যেত । তবে আমি চাই তুমি ভালো থাকো। না পাওয়ার যন্ত্রণা টা না হয় আমি এই সহ্য করে নিলাম । তবু ও তুমি ভালো থেকো ।

 #সে আমার চিরস্নিগ্ধা  #হুমায়রা জান্নাত হিমি # পর্ব:২০তুশিতারা গ্রাম থেকে এসেছে আজ ৭ দিন হলো। অথচ এই ৭ দিনে একবারের জন্...
19/09/2026

#সে আমার চিরস্নিগ্ধা
#হুমায়রা জান্নাত হিমি
# পর্ব:২০

তুশিতারা গ্রাম থেকে এসেছে আজ ৭ দিন হলো। অথচ এই ৭ দিনে একবারের জন্যও অর্ণবের সাথে কথা হয়নি তুশিতার। হয়নি বললে ভুল হবে তুশিতা ইচ্ছে করেই অর্ণবের সাথে কথা বলছে না। যথেষ্ট ignore করে চলছে। সেদিনের ওই ঘটনার পর তুশিতা এখনও স্বাভাবিক হতে পারে নি। গ্রাম থেকে ফিরার পর অর্নব অফিসের কাজে অনেক ব্যস্ত হয়ে গেছে। তাই সেও আর তুশিতার সাথে কথা বলতে পারে নি।তবে একটু আধটু চেষ্টা করেছে কথা বলার but পারে নি।

তুশিতারা বসে আছে ভার্সিটির চত্বরে। আলিশা,,তুশিতা,,রিফা ছাড়াও ওদের আরও দুই টা ফ্রেন্ড আজকে ওদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। তাদের নাম হলো মেঘা আর মিলন। মেঘা আর মিলন যমজ ভাই বোন।সবাই খাবার আর আড্ডায় মেতে আছে। তুশিতা হঠাৎ করে লক্ষ্য করলো রিফা কথা বলছে না। শুধু চুপচাপ বসে ওদের কথা শুনছে। তুশিতা এই বিষয়টা লক্ষ্য করেছে গ্রাম থেকে ফিরার পর। কিন্তু এতো দিন কিছু জিজ্ঞেস করে নি। কিন্তু এখন তুশিতার মনে হচ্ছে ওকে জিজ্ঞাসা করতেই হবে যে ওর হয়েছে টা কি ।তাই তুশিতা হঠাৎ বললো ------

------ মিলন,,মেঘা তোরা বস। আমরা একটু আসছি।
বলেই রিফা আর আলিশা কে নিয়ে হাঁটা শুরু করলো।
তারপর ওরা গিয়ে বসলো একটা বেঞ্চে। তুশিতা রিফার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো ---

--- কি হয়েছে তোর?
--- আমার আবার কি হবে।
---উহু , কিছু তো একটা হয়েছে তোর । তাড়াতাড়ি বল ।
--- আরে আমার কিছু হয়নি।

আলিশা বললো ---
---- মিথ্যা বলবি না রিফা । গ্রাম থেকে ফিরার পর থেকে দেখছি তুই যেনো কেমন হয়ে গেছিস।বল কি হয়েছে?
--- হুম, তাড়াতাড়ি বল।( তুশিতা)
--- আসলে গ্রাম থেকে ফিরার পর আমার সেই ডাইরি টা খুঁজে পাচ্ছি না,,তাই একটু মন খারাপ।

আসলে রিফার একটা ডাইরি আছে। যাতে ও ওর জীবনের সব সুন্দর ঘটনাগুলো লিখে রাখা। তবে সেটা হারিয়ে যায় নি । ওদের হাত থেকে বাঁচার জন্য এই মিথ্যা কথা টা বললো।

--- পাগল নাকি তুই। এই সামান্য বিষয়ের জন্য তুই মন খারাপ করে বসে আছিস।( আলিশা)
---- থাক মন খারাপ করিস না। যা হবার তা হয়ে গেছে।( তুশিতা)

--- হুম।
----- চল এইবার যাই।
--- হুম।

এখন বাজে বিকাল সাড়ে চারটা। চৌকিদার বাড়িতে বসে আছে চৌকিদার বাড়ির বড় কর্তা তৌফিক চৌকিদার,,, তারেক চৌকিদার,,, আলতাফ আকন আর আসলাম তালুকদার।
তারা মূলত মিটিং বসিয়েছে তানজিম আর রিয়াদের বিয়ের ডেট ঠিক করার জন্য। অতঃপর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো সামনের মাসের ৫ তারিখ তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান করা হবে। এবং ৪ তারিখ গায়ে হলুদ আর ৬ তারিখে রিসেপশন।

তুশিতারা তো খুশিতে শেষ। আবার বাড়িতে অনুষ্ঠান হবে ‌। কতো মজা হবে ।

রাতের খাবার খেয়ে তুশিতা গেছে ছাদে। তুশিতার আবার ভয় কম । তাই রাতে একাই ছাদে যায়। এটা ও মাঝে মাঝেই করে । তুশিতা ছাদের রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছে। আকাশের দিকে তাকিয়ে গুন গুন করছে।
তখনি পেছন থেকে কেউ বলে উঠলো----

--- আরেকটু জোরে গা । ঠিক মতো শুনতে পাচ্ছি না।

তুশিতা পেছনে তাকিয়ে দেখে অর্নব দুই হাত পকেটে গুজে দাঁড়িয়ে আছে। তুশিতা ওকে দেখে ভুত দেখার মতো চমকে উঠলো।

--- কিরে এই ভাবে হা করে তাকিয়ে আছিস কেন?
--- আ আপনি এখানে....?
---- কেন আমার কি এখানে আসা নিষিদ্ধ।
--- না মানে
---- মানে.......
---- কিছু না।
বলে তুলিতা হাঁটা শুরু করলো নিচের উদ্দেশ্য । ঠিক তখনি অর্নব তুশিতার এক হাতের কব্জি ধরে টেনে নিজের কাছে নিয়ে আসলো।

---- পালিয়ে বেড়াচ্ছিস কেন আমার থেকে?
---- পালাবো কেন।
----- তা হলে কি করছিস।
--- কিছু না,, ছাড়েন নিচে যাবো।
--- ছাড়বো না। পারলে ছাড়িয়ে নে।
--- দেখেন তেড়্যামো করবেন নাহ ।
---- তেড়্যামোর দেখেছিস কি । লিসেন,,, আমাকে আরেক বার ignore করার চেষ্টা করলে এমন কিছু করবো যাতে .......
--- যাতে ?.
--- সেটা না হয় ignore করলেই বুঝতে পারবি। So, be careful. যাহ।

তুশিতা অর্নবের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে।তা দেখে অর্নব বললো
---- এভাবে হাঁ করে তাকিয়ে আছিস কেন? আমার থেকে কিছুমিছু চাই বুঝি। চাইলে বলতে পাড়িস আমার আবার মন বড় । কি লাগবে নাকি?

--- আপনি বড্ড নির্লজ্জ অর্নব ভাই।

বলেই তুশিতা নিচে যাওয়া ধরলো। আর মনে মনে বললো
--- ইস কি ঢং । নিজে যাতা করবে আবার ignore করলে হুমকি দিবে। হু

তুশিতার যাবার পানে তাকিয়ে থেকে অর্নব বললো

---- আমি নির্লজ্জ,, বেহায়া,,, উন্মুক্ত,,, বড়াডবড়ি তোর জন্য। আমার সমস্ত কিছুতে শুধু তোর অধিকার। শুধু তোর।

তারপর অর্নব তাসিফ কে নিয়ে বেড়িয়ে গেল। আর তারপর ঠিক কত রাতে তারা বাড়ি ফিরলো তার কোনো ঠিক নেই। ওরা মাঝে মাঝেই এমন করে । অর্নব,,তাসিফ,, রিয়াদ আর আশিক মিলে কথায় যায় । তা কেউ জানে না।

চলবে.........

( যেহেতু আমি অনেক দিন গল্প দেই নি। সেহেতু টাইমিং টা অনেক এলোমেলো হয়ে গেছে। সবাই প্লিজ একটু মানিয়ে নিন। আর হ্যাঁ প্লিজ বেশি বেশি ভালোবাসা চাই। ) .......💝❤️‍🩹

19/09/2026

Allah akta "Abir Vai" Dan koro 🤲😵‍💫

16/09/2026

অনেক সমস্যার কারণে গল্প দিতে পারি ।
কিন্তু এখন থেকে প্রতিদিন গল্প দিবো,,,
ইনশাআল্লাহ .......🤲❤️‍🩹

With D R M Shohag – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
18/05/2026

With D R M Shohag – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

Happy birthday vaiya 🎂🎉 দোয়া করি সব সময় সুস্থ থাকেন , ভালো থাকেন।আল্লাহ যেন আপনার সকল ইচ্ছে পূরণ করে।আর এইভাবেই আমাদের...
05/05/2026

Happy birthday vaiya 🎂🎉
দোয়া করি সব সময় সুস্থ থাকেন , ভালো থাকেন।
আল্লাহ যেন আপনার সকল ইচ্ছে পূরণ করে।
আর এইভাবেই আমাদেরকে ভালো ভালো উপন্যাস উপহার দিন।🤗💙
And again Happy Birthday to you vaiyaaa......💙🤍

Address

Shariatpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Humayra jannta Himi - হুমায়রা জান্নাত হিমি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category