ANK Nila Talukder Sumu Keya

ANK  Nila Talukder Sumu Keya উপন্যাস ভালোবাসি

 #জান - পাখি- তুই -শুধু- একান্তই - আমার #লেখিকা- নীলা- চৌধুরী-  কেয়া # পর্ব - ৭ ,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,ক্যাটাগ...
16/06/2026

#জান - পাখি- তুই -শুধু- একান্তই - আমার
#লেখিকা- নীলা- চৌধুরী- কেয়া
# পর্ব - ৭

,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,
ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেটেড +রোমান্টিক +থ্রিলার সাসপেন্স+মজা আনন্দ +ডার্ক সাইট
--------------------
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★

অনেক সময় ধরে ওরা ভিজলো,,, মারিয়া আম গাছের ওদিক গেলো,, আর এইদিকে আরিয়ান কিয়ান থাকলো,, আরিশান বলে ভাইয়া তোমার ঠান্ডা লাগবে চলো উঠে পরি,, কিয়া মুখ টা বেঁকে বলে জিহ না তোর ঠান্ডা লাগবে তুই যা,,,, আরিয়ান বলে মারিয়া কই,,? কিয়ান এইদিক ওইদিক তাকিয়ে উওর দিলো ওই দেখ আমার মহারানী ওই দিকে আছে,, আম দেখছে যা আম পেরে দে কয়টা আজকে একটু টক আম খাবো খুব ইচ্ছে করছে আমার জন্য ও আনিস ১ টা,, আজকে অনেক আনন্দ হচ্ছে সবাই একসাথে বিজলাম কিন্তু সবাই ছাদে আমার তিন টা প্রেণী বাদে আচ্ছা রাস্তা অনেক নিরব,, দেখে শান্তি লাগছে তাই না আরিয়ান,, । আরিয়ান ও সাথে সাথে উওর দিলো হুম ভাইয়া অনেক মজা ও হলো আজ অনেক বছর ধরে এমন কিছুই হয় না,, কিন্তু এখন হলো,, বেশ ভালোই লাগছে এক কাপ চা হলে বিষয় টা মন্দ হবে না ভাইয়া,, আমি আম নিয়ে আসি থাকো তুমি এখানে,,, কিয়ান বলে বেশ ভালো হবে আচ্ছা চা আনছি তুই যা, আরিয়ান চলে গেলো,, কিয়ান এখানে একাই আছে,,, সে ভাব তাছে তার সুইটহার্টের কথা,,, কল্পনায় চলে যায়,, আর মুখে মুখে বলে,,
কিয়ান: ইস তুমি আর আমি যদি একসাথে ভিজতে পারতাম একসাথে সময়ের ঘরির সাথে তাল মিলাতে পারতাম,, তোমাকে দেখবো শুধু দুই নয়ন আকুল হয়ে যাচ্ছে তোমাকে এক নজর দেখার জন্য নাবিলা,,Where are you my crash,,,? I think i am a love with you,, baby,, আমরা একসাথে কি বৃষ্টিবিলাস করতে পারবো না,,
আমার খুব ইচ্ছে জীবনের প্রথম তোমাকে দেখে এতো কিছু আমি ভাবতাছি কোনো মেয়ে কে এতো ভালো লাগে না কিন্তু কিন্তু তোমাকে এক নজর দেখে আমি শেষ দিশেহারা রব তোমাকে কি দিয়ে বানাইছে গো,,, এইসব কল্পনার মাঝে হানা দেয় আরিয়ান,,
আরিয়ান: ভাইয়া ওওও ভাইয়া কি গো কই হারাইয়া গেলা,, কি ভাবি কই তার কথা চিন্তা করছো সপ্নে বাহ ভালোই তো দেও একটা ভাবি এনে,, প্লিজ give a future partner তোমার আর আমরা জন্য ভাবি প্লিজ প্লিজ,, আর তোমার পর আমার টা ও হয়ে যাবে,,
কিয়ান: তোর সপ্ন সে গুরে বালি,, ধরে দিবো একটা মার সর তো আমি কিছুই ভাবতাছি না ওকে,, তুই একটা পাগল চুপ কর এতো সহজে আমি বিয়ে করছি না,, শোন আমার সপ্নের রাণী কে পাই তারপর করবো,, দে আম দে আর যা চা আন,,
আরিয়ান: আচ্ছা,,, মনে অনেক প্রশ্ন জাগলো,, সেটাই শুদালো,, কিন্তু মনে মনে,,

ভালোই কিন্তু রাণী কি রাজার দেখা পাইছে নাকি রাজা রাণীর দেখা পাইছে নাকি,, এই দুইটার কোনো টাও হয় নাই,, সব মিলে ঘেটে ঘ হয়ে আছি কিন্তু ভাইয়া কে বলা যাবে না এটা মারিয়া আর আমি বসবো পরে এখন যাই নাইলে কপালে দুঃখ নাচতাছে,,। আরিয়ান চলে যায়
মারিয়ার কথা মনে আসলো,,
কিয়ান : মারিয়া কে আসতে দেখছে না তাই চিন্তা হচ্ছে অনেক তো ভিজলো এখন বাসায় পাঠাবো কিন্তু কই,,?
মারিয়া মারিয়া আমার ছোট মহারানী কই তুমি,,?
মারিয়া: জিহ ভাইয়া আমি এখানে দেখো কত ফুল আমার ভালো লাগছে তাই এখানে ভিজতাছি,, আচ্ছা চলো
কিয়ান বলে এখন চলে যাই অনেক তো বিজলাম এখন ঠান্ডা লেগে যাবে আচ্ছা তুমি যাও আমি একটা খবর নিয়ে আসতাছি,,
কিয়ান: এখন না পরে সব পরে,, আচ্ছা আর একটু ভিজো তাইলে আমি ও আছি এখানে,,
মারিয়া: আচ্ছা,,,
ওইদিকে সব ভিজে বাড়ির দিকে হাঁটা শুরু করলো,,
আহির আর আয়ান চলে গেলো,,,
নাবু আর আহনা,, একসাথে চৌধুরী বাড়ির সামনে দিয়ে আসতাছে,,, তখন হঠাৎ নাবুর মনে হলো ওরে কেউ ডাকতাছে কিন্তু কে,,? সব দিকে তাকালো,, কিন্তু দেখলো না,, তারপর সামনে একজন দৌড়ে আসলো বড় বড় শ্বাস ফেলতাছে দেখে মনে হচ্ছে অনেক দূর থেকে দৌড়ে আসছে,, পরে বলে,,,
নাবু : শান্ত হও কি হয়েছে মারু বলো আমাকে এতো দৌড়ে কই যাইতাছো,,, আসো আমাদের বাড়িতে,,
মারু: না না আপু,, তুমি তো আজ সকালে পড়ালে না তাই আর বলতে আসলাম আমার বাড়িতে পরাবে নাকি,,, রাতে ৮ টার সময়,, আমি পরবো তো
নাবু: আরে পাগলী এটার জন্য এমন করছো আমি তোমাকে কল করে বলতাম কিন্তু একটু চাপের জন্য ভুলে গেছি,, না না তুমি ৮ টায় না ৯ টায় আমি যাইয়া পরাবোনি,, আচ্ছা আর সকালে একটু পেরায় ছিলাম আমি দুজন কে পরাইয়া আমি কোচিং করতে গেছিলাম আর এখন class করে আসলাম,,
মারু: আচ্ছা নাবু আপু,, আরে আহনা আপু কেমন,,? আসো ভিজে তো গেছো আমাদের সাথে একটু ভিজো নাবু আপু তুমি আসো
আহনা: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি তুমি,,
মারু: আলহামদুলিল্লাহ,, পরে বলে,,
নাবু আহনা একসাথে বলো আচ্ছা আমি এই নোট বই সব রেখে আসতাছি,,
মারু : আচ্ছা দাও আমাকে,, মারু জর করে সব নিয়ে নিলো আর ওদের হাত টেনে বাড়ির সামনে বাগানে নিয়ে আসলো,,,

আরিয়ান মারু কে বলো নাবিলা আপু আর আহনা এখানে কেমনে কি বড়লোক গরিবের ঘরের সামনে আগে কত আসতো এখন তো আসেই না আমাদের সাথে কথাই বলে না,,
নাবু: আরে না আরিয়ান তুমি ভুল বুঝলে তোমরা কেউ নাই আর মারিয়ার সাথে কথা হয় তোমরা নাই তাই দেখো না আর এখন তেমন সময় ও পাই না আসার তাই আর কি,,
আরিয়ান: ওওও আচ্ছা তুমি তো আর বড় ভাইরের কথা জানো না কিন্তু শুনেছো,,
নাবু: হুম শুনছি কিন্তু দেখিনি জানি ও না আচ্ছা এইসব বাদ দেও সে কে আমার জেনে কিও লাভ,,
আরিয়ান : আচ্ছা,, তাও ঠিক,, তারপর
মারিয়া আরিয়ান কে বলতে লাগলো,,
মারু: আমি জর করে নিয়ে আসলাম ভাইয়া,,
আরিয়ান : ভালো করসোত এই নে চা গরম খাও সবাই,,,
আর এটা ভাইয়া কে দিয়ে আসি আমি,,, আরিয়ান চলে যায়,,
আহনা: মারু তোমার বড় ভাই আইছে এখন এখানে থাকে নাকি,,??
মারু: হুম,, আহনা আপু,,
তখননি আহনা তারা দেয় নাবু কে এই নাবু চল এখান থেকে নাইলে সর্বনাশ হয়ে যাবে পরে সব বলোবোনি প্লিজ চল চল,,,
নাবু: আরে,, কেন কি হয়েছে এখনে বল আ,, চুপ কর চা খা তুই,,,
আহনা: না না৷ আমি এখানে আর থাকবো না আমি চলে যাবো,, তখনি মারিয়া বলে তোমরা দুজন কি বলছো কানাকানি করে আমাকে ও বলো,,
নাবু: আরে কিছু না সমস্যা নাই আসো তুমি কি বলবে বলো,, মারিয়া বলে,,,
মারু: চলো আম্মু কাছে যাই,, নাবু বলে আরে না পাগলী এখন না পরে কোনো একদিন সময় করে যাবো এখন বিজে অবস্থা যাবো না।
নাবু: আচ্ছা ৫ টা বেজে গেলো আমি আবার Cafe যাবো আর না ভিজি এখন চলে যাই,,
আহনা বলে,, হুম চল আল্লাহ বেচে গেলাম আমি নাবু চালু চল প্লিজ,,
নাবু আর কিছু বলো না,, চুপ করে ওরে দেখলো আর মনে হলো কিছু একটা নিয়ে ভয়ে আছে আহনা,, আচ্ছা পরে বাসায় গিযে বলবোনি কি করছে আবার আকাম,,,
মারু: একটু মন খারাও করে বলে আচ্ছা যাও তাইলে,, আবার আইসো,, আর আম্মু বলছে যে আমের আচার আমের চাটনি বানাইয়ে দিতে বলছে তোমাকো,, জলপাই আচার এইসব কিছু,,
নাবু: আচ্ছা আমি সময় করে আসবোনি এখন যাই টাটা আল্লাহ হাফেজ,,
মারু: আল্লাহ হাফেজ,,
আহনা: আল্লাহ মাবুদ বাচাইলা আমাকে এখন,, চলো,,
নাবুরা চলে যায়,,, বাগান থেকে,, হঠাৎ গেটের সামনে যেতেই ধাকা খেলো কিয়ান আর নাবু,, দু'জন আবাক,, একসাথে বলে,, আপনি এখানে,, দুইজনের চোখে চোখ পরলো কিছুহ্মন যাবোত তাকিয়ে রুইলো পরে আহনা গলা ছেড়ে কাশি দিলো,, দুইজন হুস ফিরলো,,আর কিয়ান বলতে লাগলো যে,,,
কিয়ান: তুমি এখানে কি করছো রাগীনি,, আর সাথে চুন্নি ও আছে দেখছি বাহ ভালোই তো ,, বাহ বাহ নাইস, জুটি,, একজন চুন্নি আরেক জন রাগীনি,,
নাবু: এই আপনি চুন্নি কাকে বলছেন আর আমি মোটেও রাগীনি না এটা বলবেন না আর সেইদিনের থাপ্পড় টা মনে নেই আজ আরেক টা দেবো এখানে কেনো আপনি,,?

কিয়ান: তোমার পাশের জন কে বলছি চুন্নি,, আরে আমার বাসা আর আমাকে বলে এখানে কেনো আপনি,, বাহ
আহনা: আপনার বাসা বলেই হলো তাই না,, মাহাবুব আংকেল আপনার বাবা হয় ঢং কি ভুল পরিচয় দিলেই হয় তাই না,, আপনি সয়তান বেডা,, সেই দিন আ আআ,, আর বলো না,, চুপ করে রুইলো
নাবু: কিরে তুই আ আ বলে আর বলি না কে কি বলতে চাইলি বল আমাকে কি করছোস আর ওনাকে তুই চিনোস কিভাবে হুম,,
আহনা: আরে না কিছু না বাদ দে ও নাবু,, আসো বাসায় যাই,,
কিয়ান: তোমার কি হয় তা জানি না কিন্তু ভয় পাইছে আর আমাকে চিনে সেটা বাদ দেও,, আর আমি মাহাবুবের বড় ছেলে সাওন চৌধুরী কিয়ান,,
আর আমার ছোট ভাই,, আরিয়ান চৌধুরী,, তার ছোট একটা বোন মারিয়া চৌধুরী আমার ছোট মহারানী,, বুঝলেন,,
নাবু: ওওও আচ্ছা এখন বুঝলাম আপনি সেই মারু একটু আগেই বলছে বিদেশ থেকে আসেছেন আর আসবো না এখানে যেই কয়দিন আপনি আছেন,,
এই চল আহনা আজ কে দিন টাই খারাপ,,
ওরা চলে যায়,,
কিয়ান ওদের যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকে,, আর বলে বাহ বাহ,, আমার ঘর ওয়ালি দেখে আমার বাসায় বাহ শান্তি,,
তারপর গান গাইতে গাইতে চলে যায় ঘরের ভিতরে,,
কিয়ান : দেখে সবাই fresh হয়ে নিচে বসলো,,, তখন করিম চাচা বলে,,
করিম: আরে তুই এখনো এই অবস্থায় যা চালু উপরে রেডি হয়ে আয় আজকে সন্ধ্যা ঝমে যাবে,, আড্ডায়,, সাথে আছে,, পুরি,, বেগুনি,, সিঙ্গারা,, গরম চা,, আহা হাহাহ
করিম বউ,, তোমার তো এইসব হলেই শান্তি,,
আখি বলে,, আহাহা তুমি এমন কর কেনো থাক ওরাই সবাই আজ একসাথে হয়েছে বাদ দেও আরো আমরা রাতের খারার টা তৈরি করি খিচুড়ি খেতে পছন্দ করে,, আরিয়ান,, মাছ ভাজি খিচুরি বেগুনি,, চলে যাবে রাত টা,,
তখনি করিমের বউ হুম চলো চলো,,
কিয়ান,,, কিছুহ্মন পর আসলো তৈরি হয়ে,,, বসলো আর আড্ডা দিলো,, সবাই আছে,, দাদির পাশে গিয়ে বসলো,, কিয়ান আর বলো,, ওও Girl friend গো তোমার একটা সতিন আনবো ভাবতাছি,,
রেখা: দাদু ভাই তুমি আনো সমস্যা নাই কিন্তু ভালো বাসবা আমাকে বেশি তাই হবে,, তা দাদু ভাই কাউকে পছন্দ হয়েছে বলোনা,,
কিয়ান: হুম হয়েছে কিন্তু এখন আগে একটু প্রেম করি তারপর,, রেখা চৌধুরী আজকে একটু বেশি খুশি কিয়ানের মুখে এইসব কথা শুনে,, তখনি হঠাৎ করিম বলে,, কিগো তোমরা দুইজন কি কথা বলো হুম শুনি,, আমরাও,,,
তারপর কিয়ান বলে সময় হক সবি বলবোনি আচ্ছা আড্ডা দেও ওরা অনেক কথা বলো গান গাইলো মজা করলো,,

চলবে,,,

 #জান - পাখি- তুই -শুধু- একান্তই - আমার #লেখিকা- নীলা- চৌধুরী-  কেয়া # পর্ব - ৭ ,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,ক্যাটাগ...
05/06/2026

#জান - পাখি- তুই -শুধু- একান্তই - আমার
#লেখিকা- নীলা- চৌধুরী- কেয়া
# পর্ব - ৭

,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,
ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেটেড +রোমান্টিক +থ্রিলার সাসপেন্স+মজা আনন্দ +ডার্ক সাইট
--------------------
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★

এর পর কিয়ান রুমে চলে যায়।
আজকে সকাল থেকে আকাশ টা নরম,, সূর্যের কোনো তাপ নেই মেঘ গুলো আকাশ বেয়ে যায়,,
কিয়ান রুম গিয়ে বেলকনির কাছে দোলনায় বসে,,,
ফোন দেখে,, তখন ঘড়ির কাটা আছে সকাল ৯ টা ২৫ মিনিট,,,
কিয়ানের বেলকনিতে বসলে তাদের বাগান টা সুন্দর দেখা যায়,, ভালো ভাবে,, ওইসব দেখছেন আর বাতাস টা তার ভালো লাগছে,,,


আর আন্যদিকে,,,,,,,
নাবিলাদের বাড়িতে,,, ঠিক আগের মতো হুড়াহুড়ি,, লেগে থাকে,,, সেইটাই হচ্ছে,,
আজ নাবু সকালে বেরিয়ে গেছে,,,
আহনা: আম্মু আম্মু নাবু কই কয়টা বাজে এতো সকাল কই গেছে,,,
আম্মু : নাবু আজকে চালু গেলো আর তোকে বলে দিতে বলো যে তুই আর আয়ান একসাথে যাবি,, নাবুর বলে দরকারি কাজ আছে সেখানে গেছে,,, আয়ান ও জানে না,,
আহনা: আচ্ছা আমি রেডি হই লেট হয়ছে আজকে খাওয়ার সময় নেই,,, ১০ টা ১৫ তে কোচিং শুরু হবে,,,
আম্মু : আচ্ছা চালু যা কখন থেকে ডাকতাছি উঠিস না কেনো,,, ?
তোর এটাই সমস্যা সারা রাত বই পরবি আর সকালে ঘুম থেকে দেরি করে উঠবি,,, ( একটু রেগে বললো,,)
আহনা: আচ্ছা গেলাম থাকো,,
ঘরির কাটা ৯ টা ৪০ বাজে আয়ান আসতাছে না তাই আহনা বেরিয়ে যায়,,।
মেঘ কালো হয়েছে মনে হচ্ছে এখনি বৃষ্টি পরবে,,
আহনা চালু যাওয়ার জন্য কিয়ানদের বাড়ি সামনে দিয়ে গেলো
আহনা: আজকে চৌধুরী বাড়ি সামনে দিয়ে যাই,,, চালু হবে,,, আয়ান মরাডা চলে গেছে মনে হয় দেখা হক খবর আছে বিটকেল কোথা কার,,
সামনে যেতে দেখে কাচা আম গাছের মধ্যে কত সুন্দর হয়ে ধরছে আহনা লোভ সামলাতে না পেরে আম গুলো ছিড়তে ধরলো তাও আবার চৌধুরীর বাড়ির গাছ থেকে,,
আহনা মনে মনে বলে বাহ বাহ আহনা তোর কি সাহস চৌধুরীর বাড়ির গাছের আম আজকে ফাকা করে দিবি গরমের দিন কচি কাচা আম না খেলে গরমের দিন মনে হবে না। ( হেসে হেসে,, বলছে,,)
৫ টা ছিড়লো,,, যখন ৬ নাম্বার টা ছিড়তে ধরলো তখনি ওপাশ থেকে শব্দ এলো,,, এই কে রে আম চুরি করছে হুম কার এতো সাহস,,,
কিয়ান : আমি কিন্তু দেখছি এই ভিডিও করেছি কে এই মেয়েটি যে সব আম ছিড়ে ফেলছে,,, হুম
আহনা : আল্লাহ দেখে ফেলছে আহনা ফালা ফালা,,, আআআআ

দৌড় দিলো কিন্তু ধরা পরে গেলো কিয়ানের কাছে
কিয়ান সামনে এসে দাড়ালো আর বলো
কিয়ান: এই মেয়ে না বলে কিছু খাওয়া পাপ জানো না হুম চুরি করছো,,, তোমাকে আমি জেলে দেবো কই যাবে হুম এতো সাহস তোমার
আহনা: মুখ ভেঙচি দিয়ে বলো আম গাছে ধরছে আম কার আল্লাহ আমি খাওয়া জিনিস তাই নিয়েছি আপনার কি হুম পতাকা ভাইয়া আপনার সমস্যা কি খিটকেল কোথাকার,,,
কিয়ান: এই মেয়ে কি বললে তুমি আসো তোমাকে জেলে নিয়ে যাবো।
আহনা বলে খিটকেল মশাই এখন সময় নেই হাতে পরে কোনো একদিন ধরে জেলে দিয়েন এখন থাকেন আমি ফালাই
দৌড় দিয়ে জরে বলে গেছে,,
কিয়ান বলে কোথাকার পাগল রে,, বাবা,,,
৯ টা ৫৫ বাজে,,, কলেজের সামনে আসে আহনা তখন দেখা হয় আহিরের সাথে আর ওর পাশে আয়ান ও ছিলো,, আহনা আয়ান কে দেখে মারতে ধরে আর বলে কুত্তা চলে গেছিস তাহলে আমি অপেক্ষা করেছি কেনো বলতো তুই বলে দিলে পারতি তুই চলে যাবি একা তাহলে আমি আর তোর জন্য অপেক্ষা করতাম না,,
,,,
তখন আহির চোখ যায় আমের দিকে বলে এই আহনা তুই এতো গুলো আম কই পাইলি হুম বল তো
আহনা: সে অনেক কথা এখন বল নাবু কই গেছে তুই জানি,,?
আহির : হুম আমি জানি নাবু পড়াইতে গেছে,,,
আহনা: ওও আচ্ছা,, ১০ টা বাজে এখন আসবে চল
class room ওরা চলে যায়,,,

নাবু আসে,, ১০ টা ১০ সে
ওরা আম খাচ্ছে,, নাবু দেখলো আর বলো যে,,,
নাবু: কিরে আম পাইলি কই আমার টা কই আমাকে দে
আয়ান পকেটে থেকে বের করে এই যে নেও তুমকো লিয়ে এই দুটা রাখ দিয়া,,
নাবু: বলে তোর হিন্দি ভাষা কবে যে ঠিক হবে আল্লাহ চুপ কর আর বাংলায় বল,,
আম খাওয়া শেষ হয় আর ওরা class করে,,,
১ টা বাজে খুব জরে বৃষ্টি পরছে ঝম ঝম করে নাবু বারেন্ডাতে যায় একলা আর কোনো স্যার আসছে না তাই class ও হচ্ছে না,,, তারপর break time,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

১ টা ৩০ মিনিটে,,,
ওরা সবাই কেন্টিনে খেতে যায়,,, জুই বলে কিরে তোরা আজ কি খাবি বল আমি খাওয়াবো আজ
ওয়া সবাই চিল্লা পাল্লা করে বলে কেনো রে আআআ কি আজ special কিছু আছে নাকি,,,
জুই: আজকে আমার জন্ম দিন তাই
আহনা,, আয়ান,, আহির,,, নাবু,, সবাই বলে শুভ জন্ম দিন,,,
তারপর ওরা খাওয়া দাওয়া করে কেক কাটে,,, অনেক মজা করে তারপর ২ টা ১৫ তে আবার কোচিং শুরু হবে,,,
অন্য দিকে,,,,
কিয়ান রুমে চলে যায় আর একটু ঘুমায়,,, ,,
ঘুম থেকে উঠে ২ টায়
freshe হয়ে নিচে যায় খাবার টেবিলে,,,
সবাই খাওয়া জন বসে,,,, কিয়ান আসে নিজের চেয়ারে বসে,,, কিয়ানের চাচা বলে,,
রেখা চৌধুরী কে,,
করিম: আম্মা জান,, আজকে অনেক বৃষ্টি পরছে গরম গরম খিচুড়ি রান্না হয়েছে আজ আড্ডা টা ভালো হবে খুব মজা হবে আজকে,,
মারু: কিরে ভাইয়া তুমি কথা বলো না কেনো তুমি কি চিন্তা করছো,,?
কিয়ান: নারে ছোট মহারানী এমনি কিছু না,,, আচ্ছা তোমাদের আজ একটা সারপ্রাইজ দিবো সবাই এক সাথে আসো এখানে সবাই
তারপর সবাই আসে,, আর
তখনি হঠাৎ করে ডোর বেল বাজে,,,
নূরের মা,,, দরজা খুলে তখন দৌড়ে আসে আরিয়ান,,,
আরিয়ান কে দেখে সবাই অবাক হয়ে যায়,,,
সবাই আরিয়ান কে না মনে হয় ভুত দেখছে,,,
আখি আরিয়ানের কাছে যায় আর বলে,,
আখি: বাবা তুমি কেমন আছো,,? আসো আসো ভিতরে আসো ,,, কিয়ান কে বলো বাবা আমি অনেক খুশি হয়েছি,,
কিয়ান: মা তুমি খুশি হলে আমি খুশি,,, ,, তোমাকে সেইদিন আমি দেখেছি ওর জন্য মন খারাপ করতে তাই আনছি ওরে বলে ১ মাস থেকে আবার চলে যাবে,,,
আরিয়ান সবাই কে সালাম দেয় কথা বলে তারপর রুমে গিয়ে freshe হয়ে খেতে বসে,,।
তখন মাহাবুব আসে আর বলে আরে আরিয়ান তুমি কেমন আছো,,,
আরিয়ান: আসলামুআলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ,, বাবা আলহামদুলিল্লাহ ভালো আপনি কেমন আছে,,,
মাহাবুব : ওয়ালাইকুম সালাম,, আলহামদুলিল্লাহ,,, আসো,,, এখানে পাশে নিয়ে বসে মাহাবুব,, আরিয়ান কিয়ান মারিয়া এক সাথে একি চেয়ারে বসে,,, খাওয়া দাওয়া শুরু হয় অনেক মজা করে আড্ডা দেয়।
তারপর যে যার মতো চলে যায় ,, বাড়ির বউরা কাজ করতে থাকে ,,, রেখা চৌধুরী খাওয়া শেষ করে ঔষধ খায়,, পরে ঘুম দেয়,,, একটু,,,
আর অন্য দিকে

'
'
'
'
'
'
কলেজ ছুটি হয় ৩ ৪৫ মিনিটে সবাই বের হয়,,,
যে যার মতো বাসায় যেতে থাকে,,,
আয়ান আহনা আহির নাবু,, একসাথে হাটে ওদের বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে হয়,,,
নাবু: আজ আকাশ অনেক কান্না করছে যে ২ টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে এখনো কমছে না,,,, চল ভিজি আজকে বৃষ্টিবিশাল করি আজ,, আয় সব
আহনা: হুম নাবু চল,, কিন্তু জুই কে রেখে দিলে ভালো হতো,, ওয় চলে গেলো,,,
আয়ান: আচ্ছা সমস্যা নাই আমরাই ভিজি হাত ধরে,,,
তারপর সবাই ভিজে,,, অনেক মজা করতে থাকে লাফালাফি করে,, রাস্তার জমানো পানি তে,,,
৪ টা ২৫ বাজে,,, চৌধুরী,, বাড়ির সামনে দিয়ে যায় তখন রাস্তা কিয়ান আরিয়ান আর মারিয়া,,, আদি,, বাড়ির ছেলেরা রাস্তায় ভিজে,, আর ছাদে মেয়েরা,, আফছানা,,, হুমাইরা,, হালিমা,, এরা ভিজে,, কিন্তু মারিয়া ওদের সাথে ভিজবে না,,,
সবাই বৃষ্টি বিলাস করতে বিজি,,,,,

চলবে,,,

( আনুগহ করে কেউ কপি করবে না,,)

আসলামুআলাইকুম সবাইকে আজকে থেকে শুরু করবো গল্প দেওয়া আর সরি তোমাদের কে এতো দিন অপেক্ষা করার জন্য কারণ আমার এসএসসি পরীক্ষা...
22/05/2026

আসলামুআলাইকুম সবাইকে আজকে থেকে শুরু করবো গল্প দেওয়া আর সরি তোমাদের কে এতো দিন অপেক্ষা করার জন্য কারণ আমার এসএসসি পরীক্ষা ছিলো তাই দিতে পারি নাই ইনশাআল্লাহ এখন থেকে শুরু করবো দেওয়া যতটুকু পারি। 😫🙃😘
আর তোমরা প্লিজ comment কর,, ভালো হলো নাকি খারাপ,, প্লিজ আর তোমরা যদি চাও তাহলে গল্প আমি দিবো আর না চাইলে দিবো না সব তোমাদের উপরে,,,
আমার সোনা মানা পাঠিকারা,,🤐🤧
আচ্ছা অনেক কথা বলছি,, 🔪🐸

 #জান_ পাখি _তুই _শুধু_ একান্তই_ আমার #লেখিকা_নীলাচৌধুরীকেয়া_ #৬ ষ্ঠ _পর্ব,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,ক্যাটাগোরীঃ ক...
18/04/2026

#জান_ পাখি _তুই _শুধু_ একান্তই_ আমার
#লেখিকা_নীলাচৌধুরীকেয়া_
#৬ ষ্ঠ _পর্ব
,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,
ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেটেড +রোমান্টিক +থ্রিলার সাসপেন্স+মজা আনন্দ +ডার্ক সাইট
--------------------
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
এরপর কলেজ শেষ করে সবাই বাড়ির উদ্দেশ্য রওন হয়।
নাবু: এই আয়ান,, আহির আহনা কই তোরা? চালু চল আমি বাসায় যাবো।
আয়ান : ওই তো ওরা ওখানে,,
নাবু: ওও আচ্ছা,, আয় চালু বাসায় যাবো,,
আহনা: আমার কিছু কেনার আছে,,
আহির: কি কিনাবা তুমি??
আহনা: আমি বই কিনবো পরিজান হুমায়ুন আহমেদর বই,, এক সমুদ্র প্রেম,, আর কিছু খাবার,,
আহির : জেনারেল বই তো পড় না,, কি উপন্যাস বই পর গো,,
আহনা: তোর সমস্যা কি??
আহির : আমার কিছুই না,, ঢং আজাইরা,,
আহনা: তুই,,
আর বলতে পারলো না নাবু চুপ করিয়ে দিলো,,
এবং বলো যে,,
নাবু: তোরা কি সাপ বেজির মতো ঝগড়া করবি নাকি যাবি বল তো চুপ একদম চুপ সবাই,,চুপ কর, তোদের ঝগড়া আর ভালো লাগছে না,, (,,রাগান্বিত ভাবে বললো,,)
আয়ান : আরে চালু আয়তো,, নাবু বলছে সবাই কে চুপ মানে চুপ কর,, আহনা তুই ও চুপ আহির তুই ও চুপ,,নাবু রেগে গেছে,,
নাবুর দিকে তাকিয়ে সবাই চুপ হলো একটা শব্দ করতে পারলো না,,
তারা নাবু কে একটু ভয় পায় বিশেষ করে,, আহনা আর আায়ান,, বেশি ভয় পায় আহির কম পায় ভয় তবে পায়,,
জুই : আমি যাই তোরা থাক,, কাল ৯ টাই আসবি তোরা সবাই আমি একটা জিনিস আনবো,, আর ঝগড়া না করে বাড়ি যাহ
নাবু" ওকে থাক বায় সাবধানে যাস,,
জুই : আচ্ছা
এরপর জুই চলে যায় এবং ওরাও যাই কলেজ থেকে বের হয় আহনা বই কিনেহ,, সবাই বাড়িতে যায়,,, যে যার মতো চলে যায়,,
নাবু: বাসায় ডুকে কলিং বেল বাজায়,, নাবুর মা দরজার খুলে,,,
আম্মু : এতো দেরি কেন ৩টা ৩০ মিনিটে জুটি হয় এখন বাজে ৪ টা ৩০ মিনিট কি করলি দুইটায় বল তো,
নাবু: আহনা বই কিনছে,,, খাবার কিনছে তাই লেট হয়ছে,,
আম্মু : ওওও আচ্ছা আয়,, fresh হয় গা যাহ আহনা তুই ও যাহ,,, আমার রুমে যাইয়া গোসল কর গা তুই অসল শুয়ে পরলে আর করবি না,, যাহ চালু
আহনা: আচ্ছা যাইতাছি আজকে অসল গিরি করলে পিঠে মার পরবে,, নাবু তুই বের হবি আজকে Cafe যাবি? কয়টায়,,
নাবু: হুম যাবো ৫ টায়,,
আহনা : আচ্ছা আয়ান আসবে নাকি একা যাবি,,
নাবু : আসবে মেসেজ দিলো WhatsApp আসবে বলে
আচ্ছা যাই রেডি হই,,
আহনা: ওকে যাহ,,
পরে আহনা নাবু fresh হয়ে খেতে বসে নাবু খাওয়া শেষ করে,, চলে যায়
আহনা খেয়ে ঘুম দেই,,
৪ টা ৩০ মিনিটে,,,
মরিয়ম স্কুল থেকে আসে,,
মরিয়ম : আম্মু কই তুমি দরজা খুলো আমি আইছি,,
আম্মু : আয় চালু,, আয়,,,
মরিয়ম : আপু কই? হুম আইছি তো খেতে দাও,,
আম্মু : তোর আপু চলে গেছে,, গোসল করে খেতে বস,, আজকে আমার বন্ধ তাই এতো কাজ করতে হবে,, আর পারি না,,
মরিয়ম : ওকে, বাসায় থাকো কাজ করতে হবে না থাকলে তো আপু করে তাও তো কিছিটা করে গেছে,,
আম্মু : গেছে তো কাজ করে,
অন্য দিকে,,,
কিয়ান: secret house,, যায় গোসল করে,, বিছানায় শুয়ে পরে কেন জানি মনে হচ্ছে চোখের পাতা গুলো বুঝে যাবে খুব ঘুম পেলো,, এবং ঘুমিয়ে গেলো,,
হঠাৎ ফোনের আওয়াজে ঘুম টা ভেঙে যায় ।
ফোনে তাকিয়ে দেখে কল ভেসে ওঠে,, ৪ থেকে ৫ টা কল,,

লাফিয়ে উঠলো আর দেখলো,, আর বলে
কিয়ান: কোন শালা ফোন দিছে এতো,, দেখে বলে ওও রাকিব আর তাওহীদ,, omg কি হয়েছে এতো কল কেনো আবার কিয়ান কল দেয়,,
রিঙ হচ্ছে,, ওপাশ থেকে আওয়াজ এলো কিরে শালা মরে গেলি নাকি,,
কিয়ান: আরে ঘুমাইয়া গেছি চোখ দুটো লেগে গেছিলো কি বলবি বল কি খবর ওইদিকের
রাকিব : ওইদিকের খবর খুব ভালো,, শোন
কিয়ান : এখন শোনবো না বাসায় তারপর শোনবো,, আমার বাসায় আয়,,
রাকিব : কোনটায়,,
কিয়ান:secret house, পিছনের গেট দিয়ে আয়,,
রাকিব : ওকে,, মামা,,
তার কয়েক মিনিট পর,,
বাসায় আসলো ওরা দুইটায়,, বসে কথা বলা শুরু করলো
কিয়ান : এখন বল মেয়েটার খবর কি?,,
রাকিব : মেয়েটির নাম সারি ইসলাম নাবিলা,,,
বয়স ১৯,,
একক পরিবার বাবা মা ছোট বোন নাবিলা,,
nickname নাবু,,
বাবা দেশে নেই,,
মা একটা company তে কাজ করে,,
নাবু বলে সবাই চিনেহ,, দেখতে ভালো সুইট সুন্দর রাগি ভয় কম,,সাহস বেশি,, মুখের উপরে উচিত কথা বলতে পারে,,, আর একটা best আছে নাম আহনা,, ওর বাসায় থাকে ,, ওর বাবা মা মারা গেছে নাবুর খালা তো বোন লাগে,, তাই আহনা কে তার খালা লালন পালন করছে,, আর নাবিলা ভাবি সে একটা কাজ করে,, Cafe তে,, তার শখ,, কালেক্টর হওয়া,, রিলেশন করতে ইচ্ছুক না,, এতটুকু,, জানছি,,, আর বিয়ে করতে চায় না এখন,,
কিয়ান: ওই তুই ভাবি বলিল কেন?? আমি কি বিয়ে করেছি হও তো পছন্দ হয়েছে এখন,, তাই ভাবি বলবি শালা,,
তাওহীদ,,, আচ্ছা কিয়ান তুই কি সত্যি নাবিলা ভাবির প্রেমে পরছোত,,
রাকিব : আরে বেডা না পরলে এই রকম খোজ নিতে বলে হুম,,
কিয়ান: হয় তো বা পরেছি আমি তার প্রেমে ঠিক জানি না আমি কিন্তু বেবিডল একটা ভুল করছে সে আমাকে থাপ্পর দিছে তার শাস্তি পেতে হবে ,,
তারপর দেখা যাক মনের খাচায় তাকে বন্দি করি কি না,,,
তাওহীদ : ওওও আচ্ছা,, ভালো ডুবে ডুবে মাছ খাবে,, প্রকাশ করলে আমরা খারাপ হবো,,
করতে পারবি চিন্তা করিস না,,
কিয়ান: সর তো সালা তোরা যাহ এখন,, ( একটু রেগে বলে)











তারপর ওরা চলে যায়,,
বাইকের সামনে এসে বলে,, আল্লাহ এটা কি হলো,,
রাকিব: ভাই তাওহীদ আমরা তো মেন কথা তো বলিনি,, যে নাবিলা ভাবির যে ছেলে বন্ধু আছে দুইটা,, আহির আয়ান,,,, আর আয়ান তো নাবিলা ভাবির প্রেমে পরে হাবুডুব খাচ্ছে,,
তাওহীদ : এখন শুনলে তো শেষ করবে আমাদের,,চলএখন যাই বলে আসি,,
রাকিব : হুম এখন গেলে ,, মাথায় দানা ঢেলে দিবো গুলি খেতে না চাইলে পালা,, এখন আর দেখ ওর ঘরের লাইট অফ,,
তাওহীদ : পরে জানলেও তো খাবো,, ওকে চল পরে মনে করে বলবোনি,, সমস্যা নাই,,
তারপর চলে গেলো ওখান থেকে,,,
অন্য দিকে,,
নাবিলা আর আায়ান কাজ শেষ করে,, ৮ টা ৪৫ মিনিটে বাড়িতে গেলো,,
আয়ান নাবিলার ঘরে থেকে খাওয়া দাওয়া শেষ করলো,, এবং আহিরর জন্য কিছু খাবার নিয়ে গেলো নাবিলার আম্মু দিয়া দিছে,,
আয়ান চলে গেলো,,
নাবিলা ঘরে যায় আহনা বই পরছে,, গল্পের বই
নাবু: কিরে এখন বই পরতাছোত ফোন রাখ,, দেখ তো কয়টা বাজে,,,, ৯,, টা ৫৫,,, ১০ টাই বাজে প্রায়,,,,
আহনা: আরেক টু প্লিজ,,
নাবু: আহনা লাইট অফ কর আমি ঘুমাবো আমার ঘুম ধরছে,,
আহনা নাবু একটু ঝগড়া করে লাইট অফ করা নিয়ে,,
পরে লাইট অফ করে ঘুমিয়ে যায়,, ,, ওরা ও,,
☞~
|
|
|
|
|
|
|
|
মধ্যে রাতে কিয়ানের ঘুম ভেঙে যায়,,
কিয়ান নাবু কে মনে করছে,,
ইস তোমার চোখ আর গোলাপের পাপড়ির মতো ঠোট দিয়া আমাকে কি বলা আমি বুঝিনি,, হায় আমি তোমার প্রেমে পরেছি,,
তোমার মায়া পরেছি,, জান পাখি তুই শুধু একান্তই আমার,,, তোমাকে আমার ঘরের ঘরওয়ালি বানাবোই তুমি যতই বলো না কেনো?
প্রথম তোমার দিকি তাকিয়ে আমি এক পৃথিবীর সুখ পেয়েছি জান পাখি মনে খাচায় রাখবো যন্তে,,
(,,,তোমার প্রেমে পরেছি বেচে থেকেও মরেছি তোমার নামে বাজি ধরেছি ধরছি,,) গান বলে আর নাবিলার কথা ভাব তে ভাবতে ঘুমাইয়া পরে,,,
সকাল বেলা,,,
ঘুম থেকে উঠে কিয়ান,,, উঠে,, ফ্রেস হয় বাড়িতে যায়নি তার জন্য কথা শুনছে
মাহাবুব : কি হলো তুমি কই ছিলা,, সারা রাত,, এখন সকালে বাড়িতে পিরছো,, হুম,
কিয়ান: আমি ছিলাম রাকিবের বাড়িতে,, তা কি হয়েছে আসিনি তো বাড়িতে,,
আখি: বলে বাবা তুমি কই ছিলা রাতে একটু বলে দিতেও পারতা,,, আমরা তো চিন্তা করেছি,, আচ্ছা আসো বাবা খেতে বসো,,
তারপর সবাই খেতে বসে,,
করিম : কিরে রাতে কই ছিলি?
কিয়ান : একটু কাজে ছিলাম বাবা তো জানে না রাগারাগি করলো,,
করিম : ওও আচ্ছা থাক সমস্যা নাই তুই চুপ করে থাক,,
রেখা: কি গো দাদু ভাই খাও না কেনো খাও এইটা নাও সব তোমার পছন্দের খাবার,,
এখন কি আর বের হবে তুমি,,
কিয়ান: না গো দাদি এখন রুমে যাবো
তারপর খাওয়া শেষ করে,,,
চলবে,,
(অনুগ্রহ করে কেউ কপি করবেনা।)
(ভুল টুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

 #জান_ পাখি _তুই _শুধু_ একান্তই_ আমার  #লেখিকা_নীলাচৌধুরীকেয়া_ #৫ ম _পর্ব,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,ক্যাটাগোরীঃ কা...
13/04/2026

#জান_ পাখি _তুই _শুধু_ একান্তই_ আমার
#লেখিকা_নীলাচৌধুরীকেয়া_

#৫ ম _পর্ব

,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,
ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেটেড +রোমান্টিক +থ্রিলার সাসপেন্স+মজা আনন্দ +ডার্ক সাইট
--------------------
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
মধ্যে রাতে কিয়ানের হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায়,,,
রাত,,, বাজে,, ৩ টা ৫৫ মিনিট,,
কিয়ান: আহা এতো রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলো আর কেন ঘুম ধরছে না oh Got,, তারপর ফোনটার দিকে নজর গেলো ফোন টা তুলো কিন্তু ভালো লাগলো না পরে দেখে আজ ওর company এর পাঁচ বছর হবে। ওর চোখে একটু খুশি মনে হালকা অনুভূতি হাসির। আদি কিয়ান কে congrats জানিয়েছে ফোনে ভেসে উঠেছে।
কিয়ান দেখতে পেয়ে,,, Thanks my Dear brother লেখলো,,
পরে দেখে রাকিব এবং তাওহীদ ও বলেছে ওদের ধন্যবাদ দিয়ে আরো কিছু কথা বলা শুরু করলো,,
যে তোরা না থাকলে আমি এতো উন্নত করতে পারতাম না। তোদের জন্য পেরেছি কিন্তু বাড়ির কেউ জানে না আমি যে কি করি আমি রাজনৈতিক দলের ও আছি আবার শিক্ষা সব জায়গায় আছি এবং আমি একটা গুরুপে আছি একটা চেনেলের মালিক,,,

আমি ভালো মানুষের কাছে একজন ভালো ছেলে আর খারাপ মানুষের কাছে আমি খুব খারাপ।
তা পরে রাকিব মেসেজে উত্তর পাঠায় যে আমারাও তো আমাদের ভবিষ্যৎ দেখতে পেরেছি তোকে সাহায্য করে।
হুম এখন যা ঘুমা কাল আসবি কিন্তু আনন্দ করবো অনেক আর তোর চাচুরা কি জানে এইসব??
কিয়ান: না আজকে জানাবো,,
রাকিব: ওকে। bayyy
কিয়ান: হুম
|
|
|
|
|
|
|
|
পরে ঘুমিয়ে পরে। সকালে উঠতে দেরি হয় তা জন্য সকাল বাজে ৮ টা ঘুম থেকে উঠে fresh হয়ে নিচে নামে। সবাই গল্প করছে।
পরে রায়হান চাচু বলে কিরে এতো কি ঘুম গেলি এখনো উঠতে পারোস না খেতে হবে না। পরে কিয়ান বলে তোমরা এখনো যাওনি
পরে বলে না। কিয়ান বলে তোমাদের একটা কথা জানাবো কিন্তু বাবা কই?
করিম : তোর বাবা চলে গেছে আজকে boat meeting আছে তাই
কিয়ান : ওও আচ্ছা এখন শোনো আমার চৌধুরী বিল্ডার্সে ৫ বছর compete হয়েছে।
দুজন পুরো অবাক দৃষ্টি নিক্ষেপ করছে।
করিম : কি তোর business আছে? কিন্তু আমাদের জানাস নি কেনো? This not done,, this too much,, ( একটু রাগ করে)
আর রায়হান বলে,, যে আমাদের বলে কি ক্ষতি হতো নাকি যে বলিসনি আমরাও সাহয্য করতাম
কিয়ান: তাই তো বলিনি আর এইজন্য ২ বছর আমি কিছু করতে চাই নাএখন।
তবে যাই বলো বাবার সাথে শত্রুামি করতে ভালো লাগছে,, আমি নিজে নিজের company সাথে হাত ধুয়ে লেগে পরেছি,, আমি আর আমার বাবা ,, বাবা ব্যবসা আলাদা আমার আলাদা মজার বিষয় ,,কিন্তু তবে,,,বাবার আমার শৈশব নষ্ট করেছে তাই রাগে বলিনি সরি রাগ করো না।
তারপর ওরে বলে congratulation বলে জীবনে অনেক দূরে এগিয়ে যাও। আমরা অনেক খুশি হয়েছি,, হুম কথা টা ঠিক ইতিহাস হয়ে গেলো বাবা vs ছেলে,, (হাহাহহা) কিন্তু দুইজনের একি পরিবার সব এক,, কিন্তু ব্যবসার জন্য তোরা আলাদা,,
রায়হান : কোনো দিন দেখছো জীবনে বাবা ছেলে ব্যবসা করতে করতে শত্রু হবে,,,
করিম মজা করে বলে
করিম: তুই তো আমাদের শত্রু তোর সাথে বন্ধু হওয়া যাবে না,, এবং বলে,,
ভাইজান ভালো করেছে তোমার খারাপ করেনি।
কিয়ান: ওকে আসো খেতে dining table সবাই বসে খাওয়া দাওয়া শেষ করলো।
কিয়ান একটু বেশি খুশি ছিলো। সবাই কে বলে বের হলো তবে কাল রাতে একটা post দেখে রেগে যায় তাই ওর মনে রাগ টা ওর একজন কে মারার আছে তা মনে রেগে বের হলো,,, বাইক নিয়ে সকাল ৯ টা ২৫ মিনিট তারপর কলেজের সামনের রাস্তায় কিয়ান রাকিব তাওহীদ ধরে মারছে অনেক,, রাস্তার সামনে মানুষ জরো হয়ে গেছে। কেউ যেতে পারছে না। সবাই দাড়িয়ে দেখছে,,
কিয়ান: কি তুই আমার সব ধ্বংস করবি এতো সাহস তোর অনেক মার দেই,, আজকে আমি successful businessman আমার পরিবার এবং আমার ক্ষতি করতে পারবি না। mind date,, আমার নামে উল্টা পাল্ট খবর দেওয়া বন্ধ কর।
হঠাৎ একটি মেয়ে এসে গালে জরে থাপ্পর দিলো কসে কিয়ানের গালে ( ঠাস)
কিয়ান : গালে হাত দিয়ে বলে কার এতো বড় সাহস আমার গালে চর দিলো মুখে শব্দ আনতে পারলো না বাক্যহীন হয়ে গেলো চেখের দিকে তাকালো মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে রইলো। অবাক হলো কিছুই বলতে পারছে না।
রাকিব ও তাওহীদ অবাক হলো।
মেয়েটি পরা ছিলো সাদা গোল জামা কানে টপ ছোট চুলগুলো মাঝাবরাবর,, বেনি করা,, চোখ দুটো হরিণের চোখ,, ঠোঁট জোড়া গোলাপের পাপরির মতো গোলাপি,, ইসস,, কিয়ান মনে ভাবছে,,

মেয়ে : আহা করে তাকিয়ে আছেন কেনো?? আজব তো, দেখে তো মনে হয় অনেক বড়লোক তাহলো রাস্তা মারামারি করেন কেনো??
নিজের বাগানে করতে পারেন নাহ অনেক বড় তো বাগান আছে হয়তো বা। আর এরকম জানোয়ারের মতো কেন ছেলেটা কে মারছেন ফালতু লোক,, মানুষ নামে তো পশু আপনি
আর তোমাকে বলি ছেলে,, তোমাকে কি তোমার মা বাব ভাত খাওয়ায় না তোমার শরীরে জর নাই নাকি মারতে পারো না আর এমন মার খাওয়ার কাজ কর কেনো?
ছেলে টাকে ধরে তুলো আর বলো চলে যাও এখন থেকে
কিয়ান: বলে মেয়েটি কে রে ভাই
তখন ডাক আসে ওপাশ থেকে নাবু চলে আয় সময় নেই কলেজের প্রথম বেল দিয়ে দিছে নাবু দৌড়ে চলে যায়,,,
চলুন গল্পের নাইকার বিষয়ে কিছু জেনেনি
নাম : সারি ইসলাম নাবিলা,
নিকনেম,, নাবু
Class,, Honours 2nd year
Age,, 19
sweet,, attitude,, দুষ্টুমেয়ে,,এবং রাগান্বিত,,
তার best friend,,
আয়ান ইসলাম জামাল,,
সায়ন চৌধুরী আহির,,
সুমাইয়া খান অহনা,,,
তার,, মাতা,,, খাদিজা খাতুন,,, একটু ছোট কোম্পানিতে কাজ করে,,
বাবা,,, বিলাল হোসেন,,
বাহিরে,, থাকে,, প্রবাসী
একটা ছোট বোন আছে নাম,,
জয়া ইসলাম মরিয়ম,,
আহনা নাবুদের বাড়িতে থাকে আহনার বাবা মা বেচে নেই,,
তার ইচ্ছে উপন্যাস পড়া এবং একটা উপন্যাস লাইব্রেরি তৈরি করা,,,
আয়ান আহির একসাথে থাকে,, আায়নের পরিবার এখানে নেই বিদেশে আছে কিন্তু আয়ান এখানে থেকে পড়ালেখা শেষ করবে,,
আর আহিরের পরিবার village থাকে শহর খুব একটা পছন্দ না,,
এখন চলুন গল্পে বেরা যাক,,
ওরা চলে যায় ওখান থেকে,, তারপর
কিয়ান : এই মেয়েটি কে?? ওর biodata বের করে আমাকে দিবি ২৪ ঘন্টায়
রাকিব এবং তাওহীদ বলে ওকে,,
রাকিব: আচ্ছা মেয়েটি কে কি তোর পছন্দ হয়েছে হুম বল,,
কিয়ান : পাগল নাকি মেয়েটির সাহস কত খানি আমাকে মারে তার শাস্তি আমি দেবো তাই বলেছি,,
তাওহীদ : তাহলে ওর দিকে এমন করে তাকালি কেন??
কিয়ান : তাই তো কথা আমি জানি না হয় তো আমি অবাক হয়েছি। মেয়েটির চোখে অদ্ভুত মায়া আছে,, কিন্তু,, সাহস ও আছে বলতে হবে
ওকে চল এখন ভালো লাগছে না খুব রাগ হচ্ছে,,
তাওহীদ রাকিব,, ওকে চল
ওপাশে কলেজে,,,
আহনা: কিরে নাবু এখানে দাড়িয়ে আছোস কেন? আর যখন তখন রাগ উঠা তো অভ্যাস হয়ে উঠেছে তুই জানোস ছেলেটি কে তুই যে মারলি হুম,,
নাবু: কে সে হুম আজাইরা,, ফালতু লোক রাস্তায়,মারামারি করে,,
আহনা: ছেলেটি হলো কিয়ান ফুল নাম সাওন চৌধুরী কিয়ান,, বড় business man,, রাজনৈতিক দলের প্রধান,,,
নাবু : যাই হক আমার কোনো ইচ্ছে নাই,, জানার,, আচ্ছা এখান থেকে চল,, আচ্ছা আয়ান আর আহির কই??
আহনা: হয়তো বাহিরে আছে,,,
নাবু আর আহনা যখন যেতে ধরবে ঠিক তখনি আহির আর আয়ান আসে,,,
নাবু আহনা একসাথে বলে কোথায় ছিলি,,
দুজন বলে কই কোথায় না,, বাথরুমে গেছি,,
ওওও আচ্ছা হেসে বলে নাবু ,, ওরা যেতে যেতে কথা বলে আরো কিছু কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করলো,নাবু,,, দৌড়ে গেলো,,, তার পিছনে বাকি তিনজন ও ছুটলো,,
আহনা : কি রে তুই আবার কই ছুটলি কি হয়েছে বোন Hart attack উঠে যাবে আমার বোন দাড়া,,,
নাবু : ওই দিকে দেখ একটি মেয়ে কে বিরক্ত করছে,, কয়টা বখাট ছেলে,,
আয়ান: বলে হুম ওইযে চল চালু যাই দেখি কি হয়েছে, ,,
আহনা: আইছে যা মনে হয় করুক তোর কি আরেকটায় পাগলের সাথে তাল মিলায় যাহ তোরা ৪ তালা থেকে নেমে আমি শেষ আমি আর পারবো না,,
আহির : তুমি সবসময় হাপাইয়া য়াও গল্পের বই পরতে পরতে হাপাইয়ে উঠো না,,
আহনা: তোর কি আমার ইচ্ছে একটু রেগে বলে
আহির : আচ্ছা থাকো গেলাম,,
নাবু আয়ান আহির যায়,, ওখানে
নাবু,, একটা ঢাঠিয়ে একটা থাপ্পড় দেয়,,
ছেলে টি ছিলো আর কেউ না,,রাকিব,
আর ওর কিছু বন্ধু রাকিব খায় থাপ্পড় টা,, গালে হাত দিয়ে বলে আপনি,, আবার
নাবু : আপনাকে তো দেইনি হাত টা খুব চুলকায় তাই আপনাকে ও দিলাম,, মেয়েদের বিরক্ত করেন কেন?
লজ্জা লাগে না বোন দের বিরক্ত করতে,,
রাকিব : আপনার সমস্যা কি? আমি যা মনে হবে তাই করবো,,
নাবু: আরেক টা দিবো,, আপনি বেয়াদব ছেলে ফালতুর বন্ধু ও ফালতু,, অসম্ভব,,,
রাকিব:আপনি এতো কিছু বলছেন কেন ওকে,, না না সরি আর হবে না,, সরি,,মনে মনে বলে কি মেয়েরে বাবা কথায় কথায় মারে এ মনে হয় মারের জন্য ফেমাস,, কলেজে,
ওখান থেকে চলে যায়,,,
পরে নাবু বলে,, তোমার নাম কি,,
মেয়ে: জান্নতুল ইসলাম জুই আমি এখানে নিউ,,
নাবএ: ওও আচ্ছা কোন class?
জুই: ,, Honours 2nd year
আয়ান : ওও সেম চলো যাওয়া যাক বন্ধু হলাম,, নতুন তাই বিরক্ত করেছে আর হবে না,,
নাবু : হুম চল এখন সব তুমি ও চলো
জুই : হুম চলো,,,
চলবে,,
(অনুগ্রহ করে কেউ কপি করবেনা।)
(ভুল টুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

জান-পাখি-তুই-শুধু-একান্তই--আমার   #লেখিকা_নীলাচৌধুরীকেয়া_ ্ব "কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ "★★★ ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেট...
10/04/2026

জান-পাখি-তুই-শুধু-একান্তই--আমার
#লেখিকা_নীলাচৌধুরীকেয়া_

্ব

"কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ "

★★★ ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেটেড +রোমান্টিক +থ্রিলার সাসপেন্স+মজা আনন্দ + Dark সাইট★★★

**************************************

কিয়ান বাসা বের হয়ে Bike নিয়ে বেড়িয়ে পরে তার নিজের কাছের বন্ধুদের সাথে দেখা করতে। প্রায় ২০ মিনিট পর কিয়ান একটা জঙ্গলের পাশে ফাঁকা রাস্তার সামনে থাকা Mentione টির ভিতরে চলে যায়। এবং গিয়ে দেখে কিয়ানের বন্ধু সাফওয়ান আহমেদ রাকিব, ও আফওয়ান আহমেদ তাওহীদ মিলে কিছু একটা নিয়ে ঝগড়া করেছে। তখন কিয়ান পাশ থেকে বলে ওঠে,,
কিয়ান : তোরা কি রে যখনি দেখি তোরা দুই ভাই সাপ
বা বেজি নেউলের মতো ঝগড়া করিস। {বলদ}।
বলে চুপ হয়।
তখন পিছন থেকে কারো কন্ঠর সর শুনতে পেয়ে রাকিব ও তাওহীদ পিছনে তাকায়।
রাকিব : Bro I Miss you ( কিয়ান কে জরিয়ে ধরে বলে)।

কিয়ান : আরে আরে ছাড় আমায় কি করছিস হ্যা আর আমি কি তোর বউ লাগি যে তুই সালা আমায় মিস করবি। (একটু রেগে বলে)
রাকিব : তুই আমার বউ কেনো হতে যাবি তুই আমার কলিজার বন্ধু । কি ভাই ঠিক বলেছি না ( তাওহীদ কে উদ্দেশ্য করে বলে)
তাওহীদ : হ্যা হ্যা কেনো নয় কিছু দিন পর লিভার কিতনি আরও সব হবে। ( একটু হেঁসে বলে)
কিয়ান ও তাওহীদের সাথে সাথে হেসে দেয়। রাবিক এটা দেখে বলে,,
রাকিব : Bro Really 𝕚 Miss you,,, এই প্রথম তোকে ছাড়া এই Mention থেকেছি। (একটু সেড হয়ে)।
কিয়ান : হুম জানি কিন্তু এখন থেকে তোদের এখানেই থাকতে হবে।
তাওহীদ : হুম ঠিক বলেছিস।
রাকিব : হুম।
কিয়ান : শোন আমার খুব খিদে পেয়েছে কিছু থাকলে খেতে দে না,,,
রাকিব ও তাওহীদ কিয়ানের কথা শুনে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে কিয়ানের দিকে।
তাওহীদ : কেনো তুই সকালে কিছু খেয়ে আসিস নি।
কিয়ান : না রে,,,
রাকিব : কেনো কিছু হয়েছে,,,
কিয়ান : কিছু হয় নি বললাম তো তেমন কিছু না,, কিছু থাকলে দে না হলে আমি বাহিরে থেকে কিছু খেয়ে নেবো।
তাওহীদ : কি বলছিস তুই,, তুই আমাদের বন্ধু আমরা থাকতে বাহিরে খাবি তুই থাক আমি কিছু নিয়ে আশি। বলে তাওহীদ চলে যায়, কিছু খন পরে তাওহীদ কিছু খাবার নিয়ে আসে। কিয়ান কিছু না বলে সেগুলো খেয়ে নেয়,, তারপর কিয়ান ও রাকিব, তাওহীদ মিলে সারাদিন মজা আনন্দ করে সময় কাটায়।
রাত ৮ বেজে ৩০ মিনিট ওরা সবাই আড্ডা দিচ্ছে তখনি কিয়ানের ফোনে কল আসে। কিয়ান কল রিসিভ করে,,,,
Calling,,
কিয়ান : hello ,,
করিম চৌধুরী : কিয়ান তুমি কোথায় আছো, তাড়াতাড়ি বাসায় এসো সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
কিয়ান : আচ্ছা ভালো চাচ্চু আসতাছি।
Call cut,,
রাকির : কিরে চলে যাবি এখন?
কিয়ান: হুম ভালো চাচ্চু বাসায় যেতে বলছে আজ আসি কাল দেখা হবে।
রাকির : Ok Bro,, Bye,,
তাওহিদ : Bye Bro,, see you tomorrow,,
কিয়ান :Ok Bye,,,

কিয়ান রাকিব ও তাওহীদকে বিদায় জানিয়ে বাসার উদ্দেশ্য বিড়িয়ে পরে। প্রায় ২০ মিনিট পর কিয়ান বাসায় আছে দেখে drawing room সবাই বসে আছে। সাথে মাহাবুব চৌধুরী ও এটা কিয়ান লক্ষ্য করে তারপর কাউকে কিছু না বলে নিজের রুমে চলে যায় fresh হতে। কিছুখন পর কিয়ান নিচে আসে এবং দেখে মাহাবুব চৌধুরী ও বাড়ির সবাই dining table বসে পরেছে ।
মাহাবুব চৌধুরী ছেলের দিকে তাকিয়ে আবারও বলে ওঠে,,
মাহাবুব চৌধুরী : এখন ও সময় আছে তুমি চৌধুরী company join করো তোমার পক্ষে ভালো হবে।
কিয়ান :আমি তখন ও বলেছি এখনও বলবো আমি এইসব কাজ করতে পারবো না।
মাহাবুব চৌধুরী : কেনো তুমি পারবে না আদি তোমার ছোট্ট ও company সামলাচ্ছে তুমি কেনো পারবে না।
( একটু রেগে বলে)..
কিয়ান : কারণ আমি এখন কিছু করতে চাই না আর আমার ইচ্ছে ২ বছর কিছু করবো না। মানে করবো না এটাই আমার শেষ কথা,, সবসময় একি কথা বলো কেনো মুড নষ্ট না করলে ভালো লাগে না নাকি।(একটু রেগে বলে)
মাহাবুব চৌধুরী : ওও তাহলে এটাই তোমার শেষ কথা তো তাহলে শোনো আমি তোমাকে এই দুই বছর বসে বসে খাওয়াতে পারবো না।
আখি : কি বলছেন আপনি এইসব,, ছেলেটা বাসায় আসলে এইসব বলতে হয় আসছে কয়েকটা দিন যাবে তারপর দেখা যাবে পারোও তুমি বটে।।( বিরক্ত সহকারে বললো),,
মাহাবুব চৌধুরী : ঠিকই তো বলছি এত বড় ছেলে বসে বসে খাবে নাকি।
আখি: তুমি চুপ করো ও এখন খেতে বসেছো খাওয়া শুরু কর।
কিয়ান এই কথা শুনে কিছু বলে না।
কিছু খন পর তার বাবার দিকে তাকিয়ে বলে ওঠে,,
কিয়ান : আমি বসে বসে খাবো নাকি শুয়ে শুয়ে খাবো সেটা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে।
কিয়ানের মা: চুপ কর আর কথা বলিস না।
তখন করিম চাচা বলে উঠে,,
|
|
|
|
|
|
|
করিম চৌধুরী : হ্যা কিয়ান ঠিকই বলেছে ভাইজান তুমি খাওয়াতে না পারলে আমরা খাওয়াবে। কি ছোট্ট পারবিনা।
রায়হান চৌধুরী ও আদিকে উদ্দেশ্য করে বলে।তখনি রায়হান চৌধুরী ও আদি বলে,,
রায়হান চৌধুরী : পারবো না মানে আলবাদ পারবো,,
আদি : হ্যা বাবা পারবো,,
তারপর সবাই রাতের খাওয়া শেষ করে,,
মাহাবুব চৌধুরী বাদে সবাই drawing room বসে আড্ডা দিচ্ছে। করিম চৌধুরী মজার ছলে কিয়ানকে বলে,,,
করিম চৌধুরী : কিয়ান যেহেতু তুমি এখন কিছু করতে চাইছো না,, তাই আমি ভাবছি যে তোমাকে একটা বিয়ে করায় তারপর তোমাকে আর তোমার বউকে খাওয়াবো। ( কিছু টা মজা করে বলে)
কিয়ান : ভালো চাচ্চু তুমিও না তুমি তো জানো আমি এখন এসব বিয়ে শাদী করতে চাই না please তাই এসব কথা বলো না। বাবার ওই তেতো কথাটা তার মধ্যে ঠিকি ছিলো।।
hello
ফজিলা চৌধুরী : তোমার ভালো চাচ্চু ঠিকই বলেছে এবার একটা বিয়ে করো আর আমাদের মুক্তির দাও। কি বলো চাচি,,,
রাফিয়া চৌধুরী : হ্যাঁ ঠিকই তো সেই যে বিয়ের পর থেকে আমরাই সবকিছু করে যাচ্ছি রান্না থেকে শুরু করে বাড়ির সব কাজ। এখন নতুন যদি কোন সদস্য আসে তাহলে সেও আমাদের সাথে একটু আরেটু কাজ করে। নতুন সদস্যর হাতের মজার মজার রান্না খাবো,,
কিয়ান : উমম আইছে আমার বউকে দিয়ে কাজ করাবে,, বিয়ের পরে না বউকে কখনো কাজবাজ করতে দেবো না সব সময় ঘরে বসিয়ে রাখবো। ( মজা করে বলে)
ফজিলা চৌধুরী : ও আচ্ছা তাই বুঝি তাহলে একটা কাজ করো ঘরে না আলমারিতে সাজিয়ে রেখো। (মজা করে বলে)
কিয়ান : উফ চাচি তোমরা ও শুরু করে দিলে ভালো চাচ্চুর মতো আমার না এই সব আর ভালো লাগছে না তোমরাই থাকো আমি যাচ্ছি।
আঁখি চৌধুরী : আহা তোমরা সবাই চুপ করো তো আমার ছেলেকে এভাবে বলো না তোমরা। কিয়ান বাবা একটু বস আমাদের সাথে,,
রায়হান চৌধুরী : আরে কিয়ান তুমি যাচ্ছো কোথায় ভাইজান আর ভাবি তো মজা করে বলেছে তুমি seriously নিচ্ছ কেন।
রেখা চৌধুরী : হ্যা দাদু ভাই তুমি রাগ করো না।
এইসব নিয়ে ওরা আরো কিছুক্ষণ মজা করতে থাকে তখনই কিয়ানের ফোনে কারো call আসে,,
Calling,,,
কিয়ান : hello,,
~~
ভাইয়া তুমি কেমন আছো,?
কিয়ান : আরে তুই কি খবর তোর ?
এইতো ভাইয়া ভালো তা তোমার কি খবর?
কিয়ান : I am also fine. So, what brings you here today,,
What's the metre?
এইতো ভাইয়া এমনি তোমাদের কথা মনে পড়ছিল,, ভাইয়া আমি না কাল বাসায় আসছি।
কিয়ান : সত্যি বলছিস?
|
|
|
|
|
হুম ভাইয়া সত্যি আর কাউকে কিছু বলো না please।
কিয়ান : আচ্ছা ঠিক আছে কাউকে বলবো না।
আচ্ছা ভাইয়া বাসায় কি কারো বিয়ের কথা হচ্ছে নাকি।
কিয়ান : হুম হচ্ছে তো কেনো?
তুই জানলি কেমনে?? How is it possible ?
আরিয়ান: না এমনি আর কি মারিয়ার সাথে sms কথা হচ্ছে তাই শুনলাম, তা কার বিয়ে তোমার বুঝি?
কিয়ান : পিচ্চি টা বলে দিছে বাহ মজার বিষয় তো আমার কেনো হতে যাবে তোর বিয়ের কথা হচ্ছে (খানিক টা রেগে বলে)
আরিয়ান :আরে এতো রেগে গেছো কেনো।আহা বুঝতে পেরেছি নিশ্চয়ই তোমার বিয়ের কথা হচ্ছে তাই তো ,, তা ভাইয়া বিয়ে কবে করছো ( হেসে বলে)
কিয়ান : কেনো আমার পরে কি তুই বিয়ে করবি?
আরিয়ান: হ্যা করতেই পারি বয়স তো আর কম হলো না তুমি বিয়েটা করে নাও তারপর না হয় আমি করবো।
কিয়ান : আরিয়ানের বাচ্চা তুই থামবি,,
আরিয়ান : আরে আরে ভাইয়া রেগে কেনো যাচ্ছো আমি তো মজা করছিলাম।
কিয়ান : hmmm.
আরিয়ান : ok vaiya bye,,
কিয়ান ok bye,,
Call cut,,
কিয়ান মারিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলে এই পিচ্চি তোর কি আমার কোনো কথা হজম হয় না হুম আমার সব কথা তুই সবাই কে বলিস কেন হুম বল চকলেট চাইস আর দিমুনি (একটু রাগার ভাব ধরে বলে কিন্তু মনে মনে হাসে)
আর তখনি বলে,,,
মারিয়া: ভাইয়া আমি আরিয়ান ভাইয়া কে তোমার কথা কিছু নাহ বলেল আমার ভাত হজম হয় না।।
আর কি চকলেট দিবা না ওকে তোমার বউ নিয়ে যানো আমি দেবো না।
তোমার সাথে তোমার বউয়ের কোনো কথাই করাবো না আমি দেখো।
কিয়ান আচ্ছা চুপ কর পাগলি।।
নাক টা চেপে বলে
চলো,,,, ⇨
ফোনে যার সাথে কথা বলছিলো তার সম্পর্কে কিছু জেনে নেই,,
নাম : আরিয়ান চৌধুরী,
বয়স : ২৩ বছর,
nature : sweet and kind hearted.
আরিয়ান কিয়ানের ছোট আদরের ভাই, কিয়ান আরিয়ানকে অনেক ভালোবাসে এবং আরিয়ানও কিয়ানকে অনেক ভালোবাসে । আরিয়ান একটা হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছে আর কেন করছে সেটা গল্পে পড়ে জানাবো।
|
|
|
|
|
রায়হান চৌধুরী : কিয়ান কার ফোন ছিলো,,
কিয়ান : ভালো চাচ্ছু আমার এক friend ফোন করেছিল।
রাবিক চৌধুরী : ওও আচ্ছা,,
কিয়ান : hmmm,,
মারিয়া আর কিয়ানের মাঝে কি কথা হচ্ছিল তা ওরা দেখেনি কারণ ওরা sms কথা বলছিলো তাই,,
কিয়ান ফোনে কিছু করছিলে তখনি মারিয়া, আফছানা, হুমায়রা, হালিমা, মিম, ছামিয়া ও আদি সবাই কিয়ানের সামনে এসে কোমরে হাত দিয়ে দাড়ায়। কিয়ান দেখে বলে,,
কিয়ান : এভাবে দাড়িয়ে আছিস কেনো,,
মারিয়া : ভাইয়া বলো না,, (আদিকে ধাক্কা
লে উঠে )
আদি: বলছি তো দাড়া,,
কিয়ান : কিছু বলবি,,
আদি : হ্যা তো,, বলছি তুই তো দুদিন হলো এসেছি তা আমাদের gift কোথায়?
কিয়ান : ওও আচ্ছা এই ব্যাপার gift কালকে সবাইকে দিবো আজ অনেক রাত হয়েছে। এখন যার যার room গিয়ে ঘুমায় সবাই,,
কিয়ান: বলে মজা করে মারু কে দেবো না।
আদি: বলে এই বেজি তুই পাবি না ভাইয়া তোকে দেবে না।
মারু : মুখ ফুলিয়ে বলে কেন?
তখন বলে একটু আগে আমাকে কি বলিল হুম
তখন আদি আর সবাই বলে ভাইয়া কি বলেছে মারু
কিয়ান: বলে তেমন কিছু না আমার বউ দেবো না বলে,, আমি বিয়ে করবো কষ্ট করে আমার বউ আমাকে ই দেবে না বাহ।। কি আশ্চর্য
মারু,,, সরি কাদো কাদো মুখ নিয়ে বলে।
তখন সবাই হেসে দেয়।
কিয়ান: হেসে বলে মজা করছি আচ্ছা যা এখন না পরে দিবো সবাই কে।
মারু: মুখে হাসি জুয়ার,,
আর সবাই মারামারি কথার তর্ক করতে করতে যে যার ঘরে যায়।

তারপর সবাই যে যার room চলে যায়,, ধীরে ধীরে বাড়ির বড় রাও যে যার যার room চলে যায়। তারপর কিয়ান ও তার room যায় এবং ঘুমিয়ে পরে,,

চলবে...

(অনুগ্রহপূর্বক কেউ কপি করবেন না)

(ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে

Address

Barenda
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ANK Nila Talukder Sumu Keya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category