16/06/2026
#জান - পাখি- তুই -শুধু- একান্তই - আমার
#লেখিকা- নীলা- চৌধুরী- কেয়া
# পর্ব - ৭
,,কপি করা সম্পুর্ন ভাবে নিষিদ্ধ,,
ক্যাটাগোরীঃ কাজিন রিলেটেড +রোমান্টিক +থ্রিলার সাসপেন্স+মজা আনন্দ +ডার্ক সাইট
--------------------
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
অনেক সময় ধরে ওরা ভিজলো,,, মারিয়া আম গাছের ওদিক গেলো,, আর এইদিকে আরিয়ান কিয়ান থাকলো,, আরিশান বলে ভাইয়া তোমার ঠান্ডা লাগবে চলো উঠে পরি,, কিয়া মুখ টা বেঁকে বলে জিহ না তোর ঠান্ডা লাগবে তুই যা,,,, আরিয়ান বলে মারিয়া কই,,? কিয়ান এইদিক ওইদিক তাকিয়ে উওর দিলো ওই দেখ আমার মহারানী ওই দিকে আছে,, আম দেখছে যা আম পেরে দে কয়টা আজকে একটু টক আম খাবো খুব ইচ্ছে করছে আমার জন্য ও আনিস ১ টা,, আজকে অনেক আনন্দ হচ্ছে সবাই একসাথে বিজলাম কিন্তু সবাই ছাদে আমার তিন টা প্রেণী বাদে আচ্ছা রাস্তা অনেক নিরব,, দেখে শান্তি লাগছে তাই না আরিয়ান,, । আরিয়ান ও সাথে সাথে উওর দিলো হুম ভাইয়া অনেক মজা ও হলো আজ অনেক বছর ধরে এমন কিছুই হয় না,, কিন্তু এখন হলো,, বেশ ভালোই লাগছে এক কাপ চা হলে বিষয় টা মন্দ হবে না ভাইয়া,, আমি আম নিয়ে আসি থাকো তুমি এখানে,,, কিয়ান বলে বেশ ভালো হবে আচ্ছা চা আনছি তুই যা, আরিয়ান চলে গেলো,, কিয়ান এখানে একাই আছে,,, সে ভাব তাছে তার সুইটহার্টের কথা,,, কল্পনায় চলে যায়,, আর মুখে মুখে বলে,,
কিয়ান: ইস তুমি আর আমি যদি একসাথে ভিজতে পারতাম একসাথে সময়ের ঘরির সাথে তাল মিলাতে পারতাম,, তোমাকে দেখবো শুধু দুই নয়ন আকুল হয়ে যাচ্ছে তোমাকে এক নজর দেখার জন্য নাবিলা,,Where are you my crash,,,? I think i am a love with you,, baby,, আমরা একসাথে কি বৃষ্টিবিলাস করতে পারবো না,,
আমার খুব ইচ্ছে জীবনের প্রথম তোমাকে দেখে এতো কিছু আমি ভাবতাছি কোনো মেয়ে কে এতো ভালো লাগে না কিন্তু কিন্তু তোমাকে এক নজর দেখে আমি শেষ দিশেহারা রব তোমাকে কি দিয়ে বানাইছে গো,,, এইসব কল্পনার মাঝে হানা দেয় আরিয়ান,,
আরিয়ান: ভাইয়া ওওও ভাইয়া কি গো কই হারাইয়া গেলা,, কি ভাবি কই তার কথা চিন্তা করছো সপ্নে বাহ ভালোই তো দেও একটা ভাবি এনে,, প্লিজ give a future partner তোমার আর আমরা জন্য ভাবি প্লিজ প্লিজ,, আর তোমার পর আমার টা ও হয়ে যাবে,,
কিয়ান: তোর সপ্ন সে গুরে বালি,, ধরে দিবো একটা মার সর তো আমি কিছুই ভাবতাছি না ওকে,, তুই একটা পাগল চুপ কর এতো সহজে আমি বিয়ে করছি না,, শোন আমার সপ্নের রাণী কে পাই তারপর করবো,, দে আম দে আর যা চা আন,,
আরিয়ান: আচ্ছা,,, মনে অনেক প্রশ্ন জাগলো,, সেটাই শুদালো,, কিন্তু মনে মনে,,
ভালোই কিন্তু রাণী কি রাজার দেখা পাইছে নাকি রাজা রাণীর দেখা পাইছে নাকি,, এই দুইটার কোনো টাও হয় নাই,, সব মিলে ঘেটে ঘ হয়ে আছি কিন্তু ভাইয়া কে বলা যাবে না এটা মারিয়া আর আমি বসবো পরে এখন যাই নাইলে কপালে দুঃখ নাচতাছে,,। আরিয়ান চলে যায়
মারিয়ার কথা মনে আসলো,,
কিয়ান : মারিয়া কে আসতে দেখছে না তাই চিন্তা হচ্ছে অনেক তো ভিজলো এখন বাসায় পাঠাবো কিন্তু কই,,?
মারিয়া মারিয়া আমার ছোট মহারানী কই তুমি,,?
মারিয়া: জিহ ভাইয়া আমি এখানে দেখো কত ফুল আমার ভালো লাগছে তাই এখানে ভিজতাছি,, আচ্ছা চলো
কিয়ান বলে এখন চলে যাই অনেক তো বিজলাম এখন ঠান্ডা লেগে যাবে আচ্ছা তুমি যাও আমি একটা খবর নিয়ে আসতাছি,,
কিয়ান: এখন না পরে সব পরে,, আচ্ছা আর একটু ভিজো তাইলে আমি ও আছি এখানে,,
মারিয়া: আচ্ছা,,,
ওইদিকে সব ভিজে বাড়ির দিকে হাঁটা শুরু করলো,,
আহির আর আয়ান চলে গেলো,,,
নাবু আর আহনা,, একসাথে চৌধুরী বাড়ির সামনে দিয়ে আসতাছে,,, তখন হঠাৎ নাবুর মনে হলো ওরে কেউ ডাকতাছে কিন্তু কে,,? সব দিকে তাকালো,, কিন্তু দেখলো না,, তারপর সামনে একজন দৌড়ে আসলো বড় বড় শ্বাস ফেলতাছে দেখে মনে হচ্ছে অনেক দূর থেকে দৌড়ে আসছে,, পরে বলে,,,
নাবু : শান্ত হও কি হয়েছে মারু বলো আমাকে এতো দৌড়ে কই যাইতাছো,,, আসো আমাদের বাড়িতে,,
মারু: না না আপু,, তুমি তো আজ সকালে পড়ালে না তাই আর বলতে আসলাম আমার বাড়িতে পরাবে নাকি,,, রাতে ৮ টার সময়,, আমি পরবো তো
নাবু: আরে পাগলী এটার জন্য এমন করছো আমি তোমাকে কল করে বলতাম কিন্তু একটু চাপের জন্য ভুলে গেছি,, না না তুমি ৮ টায় না ৯ টায় আমি যাইয়া পরাবোনি,, আচ্ছা আর সকালে একটু পেরায় ছিলাম আমি দুজন কে পরাইয়া আমি কোচিং করতে গেছিলাম আর এখন class করে আসলাম,,
মারু: আচ্ছা নাবু আপু,, আরে আহনা আপু কেমন,,? আসো ভিজে তো গেছো আমাদের সাথে একটু ভিজো নাবু আপু তুমি আসো
আহনা: আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি তুমি,,
মারু: আলহামদুলিল্লাহ,, পরে বলে,,
নাবু আহনা একসাথে বলো আচ্ছা আমি এই নোট বই সব রেখে আসতাছি,,
মারু : আচ্ছা দাও আমাকে,, মারু জর করে সব নিয়ে নিলো আর ওদের হাত টেনে বাড়ির সামনে বাগানে নিয়ে আসলো,,,
আরিয়ান মারু কে বলো নাবিলা আপু আর আহনা এখানে কেমনে কি বড়লোক গরিবের ঘরের সামনে আগে কত আসতো এখন তো আসেই না আমাদের সাথে কথাই বলে না,,
নাবু: আরে না আরিয়ান তুমি ভুল বুঝলে তোমরা কেউ নাই আর মারিয়ার সাথে কথা হয় তোমরা নাই তাই দেখো না আর এখন তেমন সময় ও পাই না আসার তাই আর কি,,
আরিয়ান: ওওও আচ্ছা তুমি তো আর বড় ভাইরের কথা জানো না কিন্তু শুনেছো,,
নাবু: হুম শুনছি কিন্তু দেখিনি জানি ও না আচ্ছা এইসব বাদ দেও সে কে আমার জেনে কিও লাভ,,
আরিয়ান : আচ্ছা,, তাও ঠিক,, তারপর
মারিয়া আরিয়ান কে বলতে লাগলো,,
মারু: আমি জর করে নিয়ে আসলাম ভাইয়া,,
আরিয়ান : ভালো করসোত এই নে চা গরম খাও সবাই,,,
আর এটা ভাইয়া কে দিয়ে আসি আমি,,, আরিয়ান চলে যায়,,
আহনা: মারু তোমার বড় ভাই আইছে এখন এখানে থাকে নাকি,,??
মারু: হুম,, আহনা আপু,,
তখননি আহনা তারা দেয় নাবু কে এই নাবু চল এখান থেকে নাইলে সর্বনাশ হয়ে যাবে পরে সব বলোবোনি প্লিজ চল চল,,,
নাবু: আরে,, কেন কি হয়েছে এখনে বল আ,, চুপ কর চা খা তুই,,,
আহনা: না না৷ আমি এখানে আর থাকবো না আমি চলে যাবো,, তখনি মারিয়া বলে তোমরা দুজন কি বলছো কানাকানি করে আমাকে ও বলো,,
নাবু: আরে কিছু না সমস্যা নাই আসো তুমি কি বলবে বলো,, মারিয়া বলে,,,
মারু: চলো আম্মু কাছে যাই,, নাবু বলে আরে না পাগলী এখন না পরে কোনো একদিন সময় করে যাবো এখন বিজে অবস্থা যাবো না।
নাবু: আচ্ছা ৫ টা বেজে গেলো আমি আবার Cafe যাবো আর না ভিজি এখন চলে যাই,,
আহনা বলে,, হুম চল আল্লাহ বেচে গেলাম আমি নাবু চালু চল প্লিজ,,
নাবু আর কিছু বলো না,, চুপ করে ওরে দেখলো আর মনে হলো কিছু একটা নিয়ে ভয়ে আছে আহনা,, আচ্ছা পরে বাসায় গিযে বলবোনি কি করছে আবার আকাম,,,
মারু: একটু মন খারাও করে বলে আচ্ছা যাও তাইলে,, আবার আইসো,, আর আম্মু বলছে যে আমের আচার আমের চাটনি বানাইয়ে দিতে বলছে তোমাকো,, জলপাই আচার এইসব কিছু,,
নাবু: আচ্ছা আমি সময় করে আসবোনি এখন যাই টাটা আল্লাহ হাফেজ,,
মারু: আল্লাহ হাফেজ,,
আহনা: আল্লাহ মাবুদ বাচাইলা আমাকে এখন,, চলো,,
নাবুরা চলে যায়,,, বাগান থেকে,, হঠাৎ গেটের সামনে যেতেই ধাকা খেলো কিয়ান আর নাবু,, দু'জন আবাক,, একসাথে বলে,, আপনি এখানে,, দুইজনের চোখে চোখ পরলো কিছুহ্মন যাবোত তাকিয়ে রুইলো পরে আহনা গলা ছেড়ে কাশি দিলো,, দুইজন হুস ফিরলো,,আর কিয়ান বলতে লাগলো যে,,,
কিয়ান: তুমি এখানে কি করছো রাগীনি,, আর সাথে চুন্নি ও আছে দেখছি বাহ ভালোই তো ,, বাহ বাহ নাইস, জুটি,, একজন চুন্নি আরেক জন রাগীনি,,
নাবু: এই আপনি চুন্নি কাকে বলছেন আর আমি মোটেও রাগীনি না এটা বলবেন না আর সেইদিনের থাপ্পড় টা মনে নেই আজ আরেক টা দেবো এখানে কেনো আপনি,,?
কিয়ান: তোমার পাশের জন কে বলছি চুন্নি,, আরে আমার বাসা আর আমাকে বলে এখানে কেনো আপনি,, বাহ
আহনা: আপনার বাসা বলেই হলো তাই না,, মাহাবুব আংকেল আপনার বাবা হয় ঢং কি ভুল পরিচয় দিলেই হয় তাই না,, আপনি সয়তান বেডা,, সেই দিন আ আআ,, আর বলো না,, চুপ করে রুইলো
নাবু: কিরে তুই আ আ বলে আর বলি না কে কি বলতে চাইলি বল আমাকে কি করছোস আর ওনাকে তুই চিনোস কিভাবে হুম,,
আহনা: আরে না কিছু না বাদ দে ও নাবু,, আসো বাসায় যাই,,
কিয়ান: তোমার কি হয় তা জানি না কিন্তু ভয় পাইছে আর আমাকে চিনে সেটা বাদ দেও,, আর আমি মাহাবুবের বড় ছেলে সাওন চৌধুরী কিয়ান,,
আর আমার ছোট ভাই,, আরিয়ান চৌধুরী,, তার ছোট একটা বোন মারিয়া চৌধুরী আমার ছোট মহারানী,, বুঝলেন,,
নাবু: ওওও আচ্ছা এখন বুঝলাম আপনি সেই মারু একটু আগেই বলছে বিদেশ থেকে আসেছেন আর আসবো না এখানে যেই কয়দিন আপনি আছেন,,
এই চল আহনা আজ কে দিন টাই খারাপ,,
ওরা চলে যায়,,
কিয়ান ওদের যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকে,, আর বলে বাহ বাহ,, আমার ঘর ওয়ালি দেখে আমার বাসায় বাহ শান্তি,,
তারপর গান গাইতে গাইতে চলে যায় ঘরের ভিতরে,,
কিয়ান : দেখে সবাই fresh হয়ে নিচে বসলো,,, তখন করিম চাচা বলে,,
করিম: আরে তুই এখনো এই অবস্থায় যা চালু উপরে রেডি হয়ে আয় আজকে সন্ধ্যা ঝমে যাবে,, আড্ডায়,, সাথে আছে,, পুরি,, বেগুনি,, সিঙ্গারা,, গরম চা,, আহা হাহাহ
করিম বউ,, তোমার তো এইসব হলেই শান্তি,,
আখি বলে,, আহাহা তুমি এমন কর কেনো থাক ওরাই সবাই আজ একসাথে হয়েছে বাদ দেও আরো আমরা রাতের খারার টা তৈরি করি খিচুড়ি খেতে পছন্দ করে,, আরিয়ান,, মাছ ভাজি খিচুরি বেগুনি,, চলে যাবে রাত টা,,
তখনি করিমের বউ হুম চলো চলো,,
কিয়ান,,, কিছুহ্মন পর আসলো তৈরি হয়ে,,, বসলো আর আড্ডা দিলো,, সবাই আছে,, দাদির পাশে গিয়ে বসলো,, কিয়ান আর বলো,, ওও Girl friend গো তোমার একটা সতিন আনবো ভাবতাছি,,
রেখা: দাদু ভাই তুমি আনো সমস্যা নাই কিন্তু ভালো বাসবা আমাকে বেশি তাই হবে,, তা দাদু ভাই কাউকে পছন্দ হয়েছে বলোনা,,
কিয়ান: হুম হয়েছে কিন্তু এখন আগে একটু প্রেম করি তারপর,, রেখা চৌধুরী আজকে একটু বেশি খুশি কিয়ানের মুখে এইসব কথা শুনে,, তখনি হঠাৎ করিম বলে,, কিগো তোমরা দুইজন কি কথা বলো হুম শুনি,, আমরাও,,,
তারপর কিয়ান বলে সময় হক সবি বলবোনি আচ্ছা আড্ডা দেও ওরা অনেক কথা বলো গান গাইলো মজা করলো,,
চলবে,,,