Plaboni's Kitchen

Plaboni's Kitchen Hi, l am Plaboni. l love cooking. Here l'm sharing my cooking experience. Hope you will like it. Like my page Please.
(3)

শাপলার ডাটার পাতুরি পাতায় মুড়ে রান্না করা হয় বলে এর নাম পাতুরি। বহু পুরোনো রান্না তবে অনেক কিছুর মত এটাও ইদানিং বাঙালীর ...
10/07/2026

শাপলার ডাটার পাতুরি
পাতায় মুড়ে রান্না করা হয় বলে এর নাম পাতুরি। বহু পুরোনো রান্না তবে অনেক কিছুর মত এটাও ইদানিং বাঙালীর রান্নাঘরে ফিরে এসেছে।তার থেকেও বড় কথা বাঙালী অনুষ্ঠান বাড়িতে এখন পাতুরির জয়জয়কার। একটু কম বাজেট থাকলে রুই কি কাতলা মাছের পাতুরি, মাঝারি বাজেট হলে ভেটকি আর পয়সার অভাব না থাকলে ইলিশ বা গলদা চিংড়ির পাতুরি আজকাল বিয়ে, অন্নপ্রাশন, জন্মদিন, পৈতে এমনকি শ্রাদ্ধবাড়িতেও দেখা যাচ্ছে। এককথায় পাতুরি এখন আভিজাত্যের প্রতীক।রুই কাতলার কালিয়া এখন পিছনের সারীতে পাতুরির দাপটে।আভিজাত্যের প্রতীক এই পাতুরির জন্মবৃত্তান্ত সঠিকভাবে জানা না গেলেও পুরোনো মানুষদের কাছে এর জন্ম নিয়ে দুরকম মতবাদ পেয়েছি।

প্রথমত - কলাপাতায় মুড়ে রান্না বাঙালী বহুদিন ধরেই করে অভ্যস্ত। পিঠে, ডালসেদ্ধ আরও কয়েকরকম রান্না পাতায় মুড়ে করা হত। এবার কেউ যদি পরীক্ষানিরিক্ষা করার জন্য মাছকে মশলা মাখিয়ে পাতায় মুড়ে রান্না করতে চেয়েছেন ও সেই রান্নাটা বহুজনের ভালও লেগেছে, তবে নতুন রান্না হিসেবে পাতুরিকে মেনে নিতে আর আপত্তি ওঠার কথা নয়।
দ্বিতীয়ত - অভাবের সংসারে যেখানে নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যায় সেখানে প্রতিদিন মাছভেজে রান্না করাটা বিলাসিতা মনে হয়েছে হয়তো কারুর। তেলের ব্যবহার কমানোর জন্য পাতায় অল্প তেল মাখিয়ে তার ভেতরে মশলাসমেত মাছটাকে দিয়ে একটা নতুন রান্নাও হয়েছে আবার তেলেরও সাশ্রয় হয়েছে।

তবে যেভাবেই হোকনা কেন একবার শুরু হওয়ার পর পাতুরিকে আর কোনদিন ফিরে তাকাতে হয়নি, এটা নিশ্চিত। দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়েছে পাতুরির সাম্রাজ্য।
আজও ছড়াচ্ছে দেশ থেকে বিদেশে।তা যেভাবেই হোক, পাতুরি বলতেই জিভে জল আসে অধিকাংশ বাঙালীর। মূলত কলাপাতায় মোড়া পাতুরি দেখতেই আমরা অভ্যস্ত। তবে কচি লাউ, কুমড়ো বা চালকুমড়ো পাতা দিয়েও পাতুরি বানানো যায়।তবে, আমি আজ শাপলা পাতুরি রেসিপি আপনাদের শেয়ার করবো।শাপলার পরিবার বা গোত্র হল Nymphaea। এটি একটি গ্রিক শব্দের অনুবাদ।গ্রীক দার্শনিক প্লেটো ও এরিস্টটল এর এক শিষ্য থিউফ্রাস্টাস বলেছেন, এই উদ্ভিদ প্রায় ৩০০ খৃস্টপূর্ব পুরানো। তিনি আরো বলেছেন প্রাচীন গ্রীকে জল দেবীদের এই ফুল উৎসর্গ করে উপাসনা করার রীতি ছিল।শাপলা প্রাচীন যুগ থেকেই বিভিন্ন জাতীর প্রার্থনা বা বাগান সাজানোর পাশাপাশি খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যেমন: মিশর, চীন, জাপান ও এশিয়ার বিভিন্ন এলাকা শাপলার কান্ড বা ডাটা বা পুস্পদন্ড সবজী হিসেবে খাওয়া হয়।পূর্ণবিকশিত শাপলা ফুলের গর্ভাশয়ে গুড়ি গুড়ি বীজ থাকে। আঠালো এই বীজ বাংলাদেশের গ্রামের মানুষদের খেতে দেখা যায়। এই বীজ ভেজে একধরনের খাবার খৈ তৈরি হয় যার নাম “ঢ্যাপের খৈ”। উদ্ভিদটির গোড়ায় থাকে আলুর মত এক ধরনের কন্দ যার নাম শালুক, অনেকে এটি সব্জি হিসেবে খেয়ে থাকে।নীল শাপলা ফুল ও লাল শাপলা ফুল ঘর সাজাতে ব্যবহৃত হয়। এটি বাগানের জলাধারে লাগানো বা অ্যাকোয়ারিয়ামে রাখার জন্য খুব জনপ্রিয় একটি উদ্ভিদ। কখনো কখনো এই উদ্ভিদ তাদের ফুলের জন্য বেড়ে উঠে।

শাপলা বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার জাতীয় ফুল।ভারতে আম্বাল নামের আয়ুর্বেদিক ঔষুধ বানাতে শাপলাকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই ঔষধ অপরিপাকজনিত রোগের পথ্য হিসেবে কাজ করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় পাওয়া গেছে এই উদ্ভিদে ডায়াবেটিক রোগের জন্য প্রয়োজনীয় ঔষুধি গুণাগুন রয়েছে।এই উদ্ভিদ পানি থেকে তুলে রোদে শুঁকিয়ে গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।বাংলায় বলা হয় শাপলা। ইংরেজিতে শাপলাকে বলা হয় “Water Lily”, White Water Lily, White Lotus. অন্যান্য ভাষায়: থারো আংগৌবা (মনিপুরী), ভেলাম্বাল (তামিল), कुमुद কুমুদ (সংস্কৃত), শালুক (বাংলা), নিরাম্ব(মালয়ালম ভাষা), কান্নাইদিলি (কান্নাদা), নাল (আসামি ভাষা)। বাংলায় নীল শাপলা ফুলকে শালুক বা নীলকমল, লাল শাপলা ফুলকে রক্তকমল বলা হয়। চট্টগ্রাম এ এই ফুল কে অঁলাফুল বলা হয়।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া, টুঙ্গিপাড়া, কাশিয়ানী, মুকসুদপুর ও সদর উপজেলা বিল অধ্যুষিত। এসব খাল-বিল ও জলাশয় প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় শাপলা ফুল। খাল-বিল ও জলাশয় থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় অর্ধলাখ মানুষ।শাপলা শুধু জাতীয় ফুলই নয়, নানা অঞ্চলের মানুষের কাছে সবজি হিসেবেও বেশ জনপ্রিয়। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এ শাপলা একদিকে যেমন সবজির চাহিদা মেটাচ্ছে, তেমনি বেকার মানুষের আয়ের পথ তৈরি করেছে।আজ আমি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জ জেলার একটি জনপ্রিয় রেসিপি শেয়ার করবো আপনাদের সঙ্গে। তাহলে আর দেরি কিসের, চটপট দেখে নেই এই অসাধারণ রেসিপি টা।

উপকরনঃ
শাপলাডাটা ১কাপ
সরষে বাটা ১ টেবিল চামচ
পোস্ত বাটা ১ /২ টেবিল চামচ
নারকোল বাটা ১/৪ কাপ
সাদা তিল বাটা ১/২ টেবিল চামচ
কাচা মরিচ বাটা ৪ টি
টক দই ১ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণ মতন
চিনি ১/২ চা চামচ
সরষের তেল পরিমাণ মতো
কলাপাতা
চালের গুড়ো ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুড়ো ১/২ চা চামচ

প্রণালী:
প্রথমে শাপলাডাটা গরম পানিতে এক মিনিটের জন্য ভাপিয়ে নিতে হবে। তারপর একটি পাত্রে সব উপকরণ এক সাথে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ১০ মিনিট ম্যারিনেটেড করে রেখে দিন শাপলাডাটাকে।

সেই ফাঁকে কলাপাতা প্রস্তুত করে নিন।চাইলে একটি বড় কলাপাতায় সমস্ত উপকরণ দিয়ে নিতে পারেন। আবার চাইলে ছোটো ছোটো করে আলাদা আলাদা ভাবেও পাতুরি করতে পারেন।কলাপাতা ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নেবেন।কলাপাতাগুলি মোটামুটি মাঝারি সাইজের টুকরো করে নিন। শুকনো কলাপাতার টুকরোর দুই পিঠে সর্ষের তেল মাখিয়ে নিন। প্রতিটি টুকরো এপিঠ ওপিঠ করে আগুনে হালকা করে সেঁকে নিন।

এবার প্রতিটি কলাপাতার মধ্যে ম্যারিনেট করা শাপলাডাটা খানিকটা অংশ ভরে সুতো দিয়ে ভালো মতো বেঁধে দিন।শাপলাডাটার অংশ যাতে বেরিয়ে না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।এবার চাইলে কলাপাতা সুদ্ধ মাছ মাইক্রোওভেনে বেক করে নিতে পারেন। আবার ফ্রাইং প্যান গরম করে তাতে দুই পিঠে সেঁকেও নিতে পারেন। প্রতিটি পিঠের জন্য অন্তত পাঁচ মিনিট সময় দিতে হবে। অনেকে আবার সেঁকার সময় সামান্য তেলও দিয়ে থাকেন।তবে আমি সেঁকার সময় সামান্য সরিষার তেলে আস্ত জিরার ফোড়ন দিয়ে, তারপর মৃদু আচে পাতুরি গুলো সেঁকে নেই।গরম ভাত,পোলাও এর সাথে পরিবেশন করুন।

পটলের দোলমা  এই দোলমা আসলে Stuffed Vegetable Dish হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য এবং এর আশে-পাশের অনেক অঞ্চল যেমন বলকান, ককেশিয়া, রা...
10/07/2026

পটলের দোলমা

এই দোলমা আসলে Stuffed Vegetable Dish হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য এবং এর আশে-পাশের অনেক অঞ্চল যেমন বলকান, ককেশিয়া, রাশিয়া, মধ্য এশিয়ায় জনপ্রিয়। এমনকি সাইপ্রাসেও প্রায় একই রকম করেই দোলমা তৈরি করা হয়। এসব অঞ্চলে সাধারনত দোলমা রেসিপিতে স্টাফ করার জন্য টমেটো, বিভিন্ন ধরনের মরিচ, পেঁয়াজ, স্কয়াশ, বেগুন এবং রসুন সহ নানা সবজি ব্যবহার করা হয়। কোথাও আবার স্টাফ করার জন্য মাংসও ব্যবহার করে, বাংলাদেশে যেমন মাছ ব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশে এবং বাঙ্গালির ঘরে ঘরে মাছ পটলের দোলমা বহুদিন ধরেই খুব আদরণীয় একটি রান্না। পটল দিয়ে মাছের দোলমা খেতেও খুব সুস্বাদু। তৈরি করাও সহজ। আমার মনে হয় পটলের সঙ্গে মাছের প্রেমটা বেশ ভালই। এখন অবশ্য পটলের দোলমা মানেই মাছের পুর ভরা এই ধারনা থেকে অনেকেই বেরিয়ে এসে বিভিন্ন সবজি দিয়ে নিরামিষ পটলের দোলমাও করছেন।

আসুন জেনে নেই কি করে কিমা-পটলের দোলমা তৈরি করা যায়।

পটলের দোলমা

উপকরণ:
কিমা রান্নার লাগবে,
মুরগি/গরুর কিমা ২ কাপ(৫০০গ্রাম)
পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ
আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ করে
হলুদ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া ১চা চামচ
জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া ১/২ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া ১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
দারুচিনি,এলাচ,তেজপাতা,লং ২-৩ টি করে
লবণ স্বাদমতো
তেল ১/৪ কাপ
ধনেপাতা কুচি সামান্য।

পটল রান্নায় যা যা লাগবে,
বড় সাইজের পটল ১০-১২ টি
পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ
আদা-রসুন বাটা ১ চা চামচ করে
হলুদ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
ধনে গুঁড়া ১/২ চা চামচ
গরম মসলা গুঁড়া ১/২ চা চামচ
টমেটো কুচি ১/৪ কাপ
টক দই ১/৪ কাপ
চিনি ১/২ চা চামচ
লবণ স্বাদমতো
তেল ১/২ কাপ
কাঁচামরিচ ৬-৭ টি
ধনেপাতা কুচি পছন্দমতো

প্রনালী:
প্রথমে পটল গুলো ভালো করে ধুয়ে নিয়ে একটি ছুড়ির সাহায্যে চেছে নিতে হবে।তারপর পটলের দু'পাশের মুখ অল্প করে কেটে নিয়ে, এক পাশ থেকে চামচের পেছনের অংশের সাহায্যে পটলের ভিতরের বিচি গুলো বের করে নিয়ে আসতে হবে।তবে লক্ষ রাখতে হবে অপর পাশ কোন ভাবে যেন ফুটা না হয়।

একটি প্যানে তেল গরম করে গরম মসলা গুলো দিয়ে ভেজে নিতে হবে।তারপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভেজে নিতে হবে নরম হয়ে আসা পর্যন্ত।এবার এর সাথে আদা-রসুন বাটা,সব গুঁড়া মসলা ও সামান্য পানি দিয়ে মসলা ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে।মসলা থেকে তেল আলাদা হয়ে আসলে তখন মাংসের কিমা ও লবন দিয়ে ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিতে হবে।কিমা রান্না হয়ে গেলে ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে দিয়ে তুলে নিতে হবে।

এখন একটি প্যানে সামান্য তেল গরম করে নিয়ে পটল গুলো দিয়ে হালকা ভাবে ঝলসে নিতে পারেন তবে একেবারে সিদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।অথবা সরাসরি পটল গুলোর ভেতরে কিমার পুর ঢুকিয়ে দিতে পারেন তারপর পটলের মুখের যে অংশটি কেটে রাখা হয়েছিল সে অংশটি টুথপিকের সাহায্যে গেথে দিয়ে পটলের মুখ বন্ধ করে দিতে হবে ,যেন রান্না করার সময় ভেতর থেকে পটলের কিমা বের হয়ে না আসে।

এবার একটি প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি ভেজে নিতে হবে হালকা বাদামি কালার আসা পর্যন্ত তারপর আদা-রসুন বাটা ও গুঁড়া মসলা গুলো সামান্য একটু পানি ও লবন দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে।কষানো হয়ে গেলে তার সাথে টমেটো কুচি ও টক দই দিয়ে আরেকবার রান্না করে নিতে হবে।এবার পুর ভরা পটল গুলো দিয়ে ৫-৬ মিনিট কষিয়ে নিয়ে আধা কাপ পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত।সবশেষে কাঁচামরিচ,সামান্য চিনি,ধনেপাতা কুচি ও গরম মসলা গুঁড়া দিয়ে নেড়ে-চেড়ে তুলে নিতে হবে।

নোট:
👉🏼চাইলে পটলের বিচি গুলো ব্লেড করে পুর তৈরীতে ব্যবহার করা যেতে পারে অর্থাৎ কিমা রান্না করার সময়,কিমার সাথে ব্লেন্ড করা বিচিগুলো দিয়ে রান্না করে নিতে পারেন।

ঘরে তৈরি আদা-রসুন পেস্ট (Homemade Ginger Garlic Paste)​আদা-রসুন পেস্ট ভারতীয় এবং বাঙালি রান্নার একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উ...
01/07/2026

ঘরে তৈরি আদা-রসুন পেস্ট (Homemade Ginger Garlic Paste)
​আদা-রসুন পেস্ট ভারতীয় এবং বাঙালি রান্নার একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। বাজারে কেনা পেস্টের চেয়ে ঘরে তৈরি তাজা পেস্ট ব্যবহার করলে তরকারির স্বাদ ও সুগন্ধ অনেক গুণ বেড়ে যায়। রান্নার সময় বাঁচানোর জন্য একবারে কিছুটা বেশি পরিমাণে বানিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখলে প্রতিদিনের রান্না অনেক সহজ হয়ে যায়।
​প্রয়োজনীয় উপকরণ
​আদা: ২ কাপ (খোসা ছাড়ানো ও কুচানো)
​রসুন: ২ কাপ (খোসা ছাড়ানো কোয়া)
​লবণ: ১/৪ চা চামচ (ক্রিস্টাল লবণ বা সাধারণ লবণ)
​তেল: ১/৪ কাপ (ব্লেন্ডার সচল রাখতে এবং সংরক্ষণের সুবিধার্থে)
​হলুদ গুঁড়ো (ঐচ্ছিক): ১/৪ চা চামচ (এটি প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ বা সংরক্ষণকারী হিসেবে কাজ করে)
​প্রস্তুত প্রণালী
​১. উপকরণ প্রস্তুত করা: ভালো মানের তাজা আদা ও রসুন বেছে নিন। রসুনের কোয়াগুলো খোসা ছাড়িয়ে পরিষ্কার করে রাখুন। আদা ভালো করে ধুয়ে বাতাসে শুকিয়ে নিন (যেন কোনো পানি না থাকে), তারপর খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।
২. ব্লেন্ড করা: একটি ছোট ব্লেন্ডার জারে কাটা আদা, রসুনের কোয়া, লবণ এবং তেল একসাথে নিন।
৩. মিহি পেস্ট তৈরি: কোনো প্রকার পানি না দিয়ে মসৃণ বা মিহি পেস্ট তৈরি করে নিন। যদি ব্লেন্ডার চালাতে সমস্যা হয়, তবে সামান্য অতিরিক্ত তেল যোগ করতে পারেন, কিন্তু পানি একদমই দেবেন না।
৪. সংরক্ষণ: একটি পরিষ্কার ও শুকনো চামচ দিয়ে পেস্টটি তুলে বাতাস ঢুকতে পারে না এমন একটি পরিষ্কার কাঁচের বয়ামে (Air-tight glass jar) রাখুন।
​কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস (Notes)
​পানি বর্জনীয়: এই রেসিপিতে এক ফোঁটা পানিও ব্যবহার করা যাবে না। পানি দিলে পেস্ট দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। বড় ব্লেন্ডার ব্যবহার করলে অনেক সময় বেশি পরিমাণের কারণে পানি লাগতে পারে, তাই ছোট ব্লেন্ডার জার ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
​প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ: ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং লবণ প্রাকৃতিক সংরক্ষণকারী হিসেবে কাজ করে। এগুলো পেস্টকে দীর্ঘদিনের জন্য ভালো রাখে এবং এর রঙ নষ্ট হতে দেয় না।
​অনুপাত: সাধারণত আদা ও রসুনের অনুপাত সমান (১:১) রাখা হয়। তবে আপনি চাইলে আপনার পছন্দমতো কম-বেশি করতে পারেন। রসুনের পরিমাণ বেশি হলে পেস্টটি নরম, হালকা রঙের এবং ক্রিমি টেক্সচারের হয়। আর আদার পরিমাণ বেশি হলে এটি মাংসের রান্নায় দারুণ ঝাঁঝালো স্বাদ এনে দেয়।
​সংরক্ষণকাল: সাধারণ রেফ্রিজারেটরে (নরমাল ফ্রিজে) এই পেস্ট ২ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। আর যদি আরও দীর্ঘ সময় (কয়েক মাস) সংরক্ষণ করতে চান, তবে আইস কিউব ট্রে-তে জমিয়ে অথবা ছোট জিপলক ব্যাগে ভরে ডিপ ফ্রিজে (Freezer) রেখে দিতে পারেন।
​সতর্কতা: পেস্টটি ব্যবহারের সময় সবসময় সম্পূর্ণ শুকনো এবং পরিষ্কার চামচ ব্যবহার করুন। ব্যবহারের পর পেস্টের বয়ামটি ঘরের তাপমাত্রায় বেশিক্ষণ বাইরে ফেলে না রেখে সাথে সাথে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখুন।

Cooking Measurement Conversions.
29/06/2026

Cooking Measurement Conversions.

🍮 পারফেক্ট ক্যারামেল পুডিং রেসিপি​একটি মসৃণ, মোলায়েম এবং পারফেক্ট টেক্সচারের ক্যারামেল পুডিং তৈরির জন্য উপকরণ এবং কিছু ব...
22/06/2026

🍮 পারফেক্ট ক্যারামেল পুডিং রেসিপি
​একটি মসৃণ, মোলায়েম এবং পারফেক্ট টেক্সচারের ক্যারামেল পুডিং তৈরির জন্য উপকরণ এবং কিছু বিশেষ টেকনিক নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো:

​🛒 প্রয়োজনীয় উপকরণ
​ডিম: ৩টি আস্ত ডিম + ২টি ডিমের কুসুম
​ইভ্যাপোরেটেড মিল্ক: ১ কাপ (এটি কন্ডেন্সড মিল্কের মতো ক্যানে পাওয়া যায়, তবে এটি মিষ্টি ছাড়া খুব ঘন দুধ)
​কন্ডেন্সড মিল্ক: ১ কাপ
​হাফ এন হাফ: ১ কাপ (হাফ হেভি ক্রিম এবং হাফ ফুল ফ্যাট দুধের মিশ্রণ; দেশের সুপারমার্কেটগুলোতে পাওয়া যায়)
​ভ্যানিলা এসেন্স: ১ চা চামচ

​💡 পুডিং পারফেক্ট করার দারুণ কিছু টিপস ও ট্রিকস
​১. উপাদানের তাপমাত্রা ও মিশ্রণ
​রুম টেম্পারেচার: পুডিং তৈরিতে ব্যবহৃত ডিম যেন অবশ্যই রুম টেম্পারেচারের (স্বাভাবিক তাপমাত্রার) হয়। এতে ডিমের ভলিউম অনেক ভালো হয়।
​ব্লেন্ডার ব্যবহার না করা: পুডিংয়ের উপকরণগুলো ভুলেও ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করবেন না। ব্লেন্ড করলে মিশ্রণে বুদবুদ তৈরি হয়, যা থেকে পুডিংয়ের ভেতর পানি বের হয়ে ফুটো ফুটো হয়ে যায়। হালকা হাতে মিশিয়ে নেওয়াই ভালো।
​ছেঁকে নেওয়া: মিশ্রণটি পাত্রে ঢালার আগে অবশ্যই একটি ছাকনি দিয়ে ভালো করে ছেঁকে নিন। এতে পুডিংয়ের টেক্সচার অসম্ভব স্মুদ বা মসৃণ হবে।
​২. স্টিমিং বা বেকিং টেকনিক
​স্টিমারের ব্যবহার: পুডিং সরাসরি পানিতে রেখে স্টিম করার চেয়ে স্টিমারে স্টিম করলে চারপাশটা দারুণ মসৃণ থাকে এবং ফুটো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে।

​তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রণ: খুব বেশি আঁচে বা অনেক সময় ধরে পুডিং স্টিম করবেন না। পানি যেন কখনোই টগবগ করে না ফোটে। অতিরিক্ত তাপে পুডিংয়ের গায়ে বিশ্রী ফুটো তৈরি হয়, যা দেখতে খারাপ লাগে এবং পুডিং মোলায়েম হয় না।

​আদর্শ সময়: চাইনিজ ব্যাম্বু স্টিমারে ২৫ মিনিট স্টিম করার পর চুলা বন্ধ করে দিন। এরপর আরও ১০ মিনিট ওভাবেই ঢাকনা বন্ধ অবস্থায় রেখে দিন। তারপর পুডিংটি বের করুন।

​৩. আনমোল্ড ও পরিবেশন
​ভাঙন রোধে ব্রেড ক্রাম্ব: পরিবেশনের পাত্রে উল্টানোর সময় পুডিং ভেঙে যাওয়া রোধ করতে মিশ্রণটিতে ১ টেবিল চামচ ব্রেড ক্রাম্ব মিশিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া পুডিং কিছুটা ঠান্ডা করে উল্টালে ভাঙার ভয় থাকে না।
​ক্যারামেল ফেটে যাওয়া রোধ করতে: পুডিং আনমোল্ড না করে ফ্রিজে রাখলে ক্যারামেল শক্ত হয়ে আটকে গিয়ে ফেটে যেতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে আনমোল্ড করার ১০ মিনিট আগে পুডিংয়ের পাত্রটি হালকা গরম পানিতে (ফুটন্ত নয়) কিছুক্ষণের জন্য বসিয়ে রাখুন। এতে ক্যারামেল গলে সুন্দরভাবে ছেড়ে আসবে।

​পরামর্শ: এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার পুডিং হবে একদম দোকানের মতোই সিল্কি, মসৃণ এবং সুস্বাদু!

20/06/2026

পৃথিবীর সকল বাবা ভালো থাকুন—যাঁরা তাঁদের অদম্য ভালোবাসা, আত্মত্যাগ আর অতুলনীয় স্নেহ দিয়ে প্রতিটি পরিবারকে আগলে রেখেছেন।
Happy Father's Day.

মাটির হাঁড়িতে ঠান্ডাই মালাই সন্দেশমধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছ...
20/06/2026

মাটির হাঁড়িতে ঠান্ডাই মালাই সন্দেশ

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য কৃত্তিবাসী রামায়ণ এবং চৈতন্যের কবিতায় সন্দেশের উল্লেখ রয়েছে৷ যদিও উল্লেখিত মিষ্টান্নটির মূল উপাদান অজানা৷এই সন্দেশ তৈরি করতে ক্ষীর ব্যবহার করা হতো৷ এটি অনুমান করা কঠিন যে ঠিক কখন হতে ক্ষীর সমৃদ্ধ সন্দেশের পরিবর্তে ছানা সমৃদ্ধ সন্দেশ তৈরি শুরু হয়৷ কিন্তু এটা জানা যায় যে, ১৯ শতকের শেষাংশ হতে সাধারনভাবে সন্দেশ বোঝাতে ছানার সন্দেশকেই বোঝানো হয়৷
আগে সন্দেশ তৈরি হতো বেসন, নারকেল ও মুগ ডালের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে। নীহাররঞ্জন রায় তার 'বাঙালির ইতিহাস' বইয়ে বাঙালির মিষ্টিজাতীয় যে খাদ্যের বিবরণ দিয়েছেন, তাতে সঙ্গত কারণেই ছানার কোনো মিষ্টির উল্লেখ নেই। সন্দেশের উল্লেখ আছে, তবে সেই সন্দেশ ছানার নয়।

ছানা ও পনির তৈরির কাজ বাঙালিদের শিখিয়েছে পর্তুগিজরা। সন্দেশ তৈরি হতো বেসন, নারকেল, মুগ ডালের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে। ছানা তৈরির কাজ শেখার পরই এতে চিনি ব্যবহার করে তৈরি বাঙালির মস্তিষ্কপ্রসূত 'ছানার সন্দেশ'।বাঙালী শুধুমাত্র মিষ্টি খেয়ে তৃপ্ত নয়,খাইয়েও তৃপ্ত। সেকারণে বাঙালীর ঘরে অতিথি হয়ে এসে মিষ্টির বৈচিত্র আর স্বাদ নিয়ে প্রশংসায় গদগদ হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। অনেক নামজাদা বিদেশি ও সময়ে সময়ে বাঙালীর মিষ্টি খেয়ে শেষমেশ মিষ্টি- প্রেমে আকুল হয়েছেন।এমন অনেক ঘটনাও ঘটেছে ভূরি ভূরি।

বাঙালির উৎসব-আনন্দের মুহূর্ত বা উদযাপনের উপলক্ষ আরও বর্ণিল হয়ে ওঠে মিষ্টিমুখের।

মাটির হাঁড়িতে ঠান্ডাই মালাই সন্দেশ

উপকরণ :

২০ টি পেস্তাবাদাম
২০ টি আমন্ড বাদাম
২০ টি কাজুবাদাম
১ টেবিল চামচ পোস্ত দানা
১ টেবিল চামচ তরমুজের বিচি
২ চা চামচ মৌরি
৭-৭ টি এলাচ
১০ টি গোলমরিচ

উপরে সব উপকরণ এক সঙ্গে ধুয়ে ১ কাপ গরম পানিতে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

১ লিটার দুধ
সামান্য এক চিমটি লবণ
সামান্য এক চিমটি হলুদ
১ টেবিল চামচ গোলাপ জল
তালমিশ্রী বা চিনি পরিমাণ মতন তবে তালমিশ্রী দিয়ে বানালে দারুণ হয়।

প্রস্তুত প্রণালী:
ভিজিয়ে রাখা সব উপকরণ গুলো, ব্লেন্ডারের ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তারপর একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিয়ে নিবেন,দুধে ভালো করে জ্বাল উঠলে, সামান্য এক চিমটি হলুদ দিয়ে জ্বাল করতে থাকবেন।পাঁচ মিনিট পরে ব্লেন্ড করা সব উপকরণ গুলো দুধের মধ্যে দিয়ে, ভালো করে মিশিয়ে নিবেন। এসময় চুলার জ্বাল কমিয়ে ঘনো ঘনো নাড়তে থাকবেন, যা তে পাত্রের নিচে লেগে না যায়।
যখন সন্দেশ হালকা গাঢ় হয়ে আসবে, তখন তালমিশ্রী অথবা চিনি, সামান্য এক চিমটি লবণ দিয়ে দিবেন। যখন সন্দেশ গাঢ় হয়ে আসবে, নামানোর আগে ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে নামিয়ে নিয়ে,মাটির হাঁড়িতে ঢেলে নিয়ে কিসমিস, আপনার পছন্দের বাদাম দিয়ে সাজিয়ে নিন।

এবার ছয় ঘন্টার জন্য নরমাল ফ্রিজে সেট করতে দিন।তারপর পরিবেশন করুন ঠান্ডা মালাই সন্দেশ।

লিচুর সন্দেশ উপকরণ:• পাকা লিচু – ১২টি• ছানা বা পনির – ১০০ গ্রাম• খোয়া ক্ষীর – ১০০ গ্রাম• রোজ সিরাপ – ২ টেবিল চামচ• গুঁড...
19/06/2026

লিচুর সন্দেশ

উপকরণ:

• পাকা লিচু – ১২টি
• ছানা বা পনির – ১০০ গ্রাম
• খোয়া ক্ষীর – ১০০ গ্রাম
• রোজ সিরাপ – ২ টেবিল চামচ
• গুঁড়ো চিনি – ২ টেবিল চামচ
• এলাচ গুঁড়ো – ½ চা চামচ
• কুচানো পেস্তা, শুকনো গোলাপের পাপড়ি ও রুপোর তবক – সাজানোর জন্য

প্রণালী:

১. লিচুগুলোর খোসা ছাড়িয়ে মাথার দিক থেকে সামান্য অংশ কেটে নিন এবং সাবধানে বিচি বের করে নিন। খেয়াল রাখবেন, যেন লিচুর আকৃতি নষ্ট না হয়।

২. ছানা (বা পনির) ও খোয়া একসঙ্গে ভালো করে কুরিয়ে নিয়ে মসৃণভাবে মেখে নিন।

৩. এবার এর মধ্যে রোজ সিরাপ, গুঁড়ো চিনি ও এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে দিন।

৪. মিশ্রণটি বেশ নরম থাকবে, তাই কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে সেট হতে দিন।

৫. সেট হয়ে গেলে প্রতিটি লিচুর ভেতরে গোলাপ-সুগন্ধি মিশ্রণটি ভরে দিন। উপরের দিকে সামান্য অংশ দৃশ্যমান রাখুন।

৬. স্টাফ করা লিচুগুলো কুচানো পেস্তা ও শুকনো গোলাপের পাপড়িতে গড়িয়ে নিন। এরপর রুপোর তবক দিয়ে সাজিয়ে দিন।

৭. পরিবেশনের আগে আবার প্রায় ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন।

🧊 সংরক্ষণ:

ফ্রিজে রেখে এই সন্দেশ প্রায় ১ দিন ভালো থাকে। ঠান্ডা অবস্থায় পরিবেশন করলে এর স্বাদ সবচেয়ে ভালো লাগে।

💡 টিপস:

• লিচু অবশ্যই পাকা ও রসালো হওয়া উচিত।
• খুব নরম লিচু ব্যবহার করবেন না, কারণ স্টাফ করার সময় আকৃতি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
• টাটকা ছানা বা বাড়িতে তৈরি পনির ব্যবহার করলে স্বাদ আরও ভালো হবে।
• রোজ সিরাপ ব্যবহার করলে সাধারণত অতিরিক্ত বেশি চিনি দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।

🔥 ৪টি দারুণ পান রেসিপি যা আপনার অতিথিদের মুগ্ধ করবে!​═══════════════════════🌿 ১. মিষ্টি পান (Meetha Paan)═══════════════...
16/06/2026

🔥 ৪টি দারুণ পান রেসিপি যা আপনার অতিথিদের মুগ্ধ করবে!
​═══════════════════════
🌿 ১. মিষ্টি পান (Meetha Paan)
═══════════════════════
​উপকরণ
​পান পাতা – ৪টি
​গুলকান্দ (Gulkand) – ৪ চা চামচ
​মৌরি – ২ চা চামচ
​টুটি ফ্রুটি (Tutti Frutti) – ২ টেবিল চামচ
​নারকেল কোড়া (শুকনো) – ২ টেবিল চামচ
​খেজুর কুচি – ২ টেবিল চামচ
​চেরি ফল – ৪টি
​প্রস্তুত প্রণালী
​১. পান পাতাগুলো ভালো করে ধুয়ে মুছে শুকিয়ে নিন।
২. পাতার মোটা বোঁটা বা শিরা কেটে ফেলে দিন।
৩. পাতার ওপর সমানভাবে গুলকান্দ ছড়িয়ে দিন।
৪. এরপর একে একে বাকি সব উপকরণ (মৌরি, টুটি ফ্রুটি, নারকেল, খেজুর) দিন।
৫. পাতাটি সুন্দর করে তিনকোনা (ত্রিকোণ) আকৃতিতে ভাঁজ করুন।
৬. একটি টুথপিক দিয়ে ভাঁজটি আটকে দিন এবং ওপরে একটি চেরি গেঁথে দিন।
৭. ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।
​═══════════════════════
🍫 ২. চকলেট পান (Chocolate Paan)
═══════════════════════
​উপকরণ
​পান পাতা – ৪টি
​চকলেট স্প্রেড (যেমন- নুটেলা) – ৪ চা চামচ
​গুলকান্দ – ২ চা চামচ
​চকলেট চিপস – ২ টেবিল চামচ
​বাদাম কুচি – ২ টেবিল চামচ
​নারকেল কোড়া (শুকনো) – ১ টেবিল চামচ
​প্রস্তুত প্রণালী
​১. পান পাতার ওপর ভালো করে চকলেট স্প্রেড মেখে নিন।
২. এরপর গুলকান্দ এবং বাদাম কুচি যোগ করুন।
৩. ওপর থেকে চকলেট চিপস ও নারকেল কোড়া ছড়িয়ে দিন।
৪. পানটি নিখুঁতভাবে ভাঁজ করে নিন।
৫. ফ্রিজে ১৫ মিনিটের জন্য রেখে দিন।
৬. পুরোপুরি ঠান্ডা হলে পরিবেশন করুন।
​═══════════════════════
🥭 ৩. আম পান (Mango Paan)
═══════════════════════
​উপকরণ
​পান পাতা – ৪টি
​ঘন আমের পাল্প বা পিউরি – ৪ টেবিল চামচ
​গুলকান্দ – ২ চা চামচ
​মৌরি – ২ চা চামচ
​নারকেল কুচি/ফ্লেকস – ২ টেবিল চামচ
​শুকনো ফল (ড্রাই ফ্রুটস) কুচি – ২ টেবিল চামচ
​প্রস্তুত প্রণালী
​১. পান পাতার ওপর আমের পাল্প বা পিউরি ভালোভাবে লেপে দিন।
২. এবার বাকি সব উপকরণ ওপরে সাজিয়ে দিন।
৩. পানের চেনা আকৃতিতে সুন্দর করে ভাঁজ করুন।
৪. ১০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করুন।
৫. ফ্রেশ ও ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।
​═══════════════════════
👑 ৪. রাজকীয় ড্রাই ফ্রুট পান (Royal Dry Fruit Paan)
═══════════════════════
​উপকরণ
​পান পাতা – ৪টি
​গুলকান্দ – ৪ চা চামচ
​কাজুবাদাম কুচি – ২ টেবিল চামচ
​কাঠবাদাম (অ্যালমন্ড) কুচি – ২ টেবিল চামচ
​পেস্তাবাদাম কুচি – ২ টেবিল চামচ
​কিসমিস – ২ টেবিল চামচ
​রুপোলি তবক (Silver Leaf) – ৪টি (ঐচ্ছিক)
​প্রস্তুত প্রণালী
​১. পান পাতার ওপর জাঁকজমকভাবে গুলকান্দ ছড়িয়ে দিন।
২. এবার সব রকমের কুচানো ড্রাই ফ্রুটস বা বাদামগুলো দিন।
৩. পানটি শক্ত ও টানটান করে ভাঁজ করুন।
৪. ভাঁজ করা পানের ওপর রাজকীয় লুক দিতে রুপোলি তবক জড়িয়ে দিন।
৫. পরিবেশনের আগে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন।
৬. শেষ পাতে একটি রাজকীয় ডেজার্ট হিসেবে পরিবেশন করুন।
​পরিবেশন: ৪ জনের জন্য
​প্রস্তুত সময়: ১৫ মিনিট
​═══════════════════════




🍔 ক্লাসিক বার্গার সস (Classic Burger Sauce)​উপকরণ:​½ কাপ মেয়োনিজ​২ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ​১ টেবিল চামচ ইয়োলো মাস্টার্ড (...
14/06/2026

🍔 ক্লাসিক বার্গার সস (Classic Burger Sauce)
​উপকরণ:
​½ কাপ মেয়োনিজ
​২ টেবিল চামচ টমেটো কেচাপ
​১ টেবিল চামচ ইয়োলো মাস্টার্ড (হলুদ সরিষা বাটা/সস)
​১ টেবিল চামচ সুইট রেলিশ (মিষ্টি আচার বা কুচানো শসা)
​½ চা চামচ রসুন গুঁড়ো
​½ চা চামচ পেঁয়াজ গুঁড়ো
​¼ চা চামচ পাপরিকা গুঁড়ো
​স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো
​প্রস্তুতপ্রণালী:
​১. একটি ছোট বাটিতে সব উপকরণ একসাথে নিন।
২. একটি হুইস্ক (whisk) দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে মসৃণভাবে মিশিয়ে নিন।
৩. চেকে দেখুন এবং প্রয়োজন হলে মসলা বা লবণ বাড়িয়ে নিন।
৪. পরিবেশন করার আগে অন্তত ১৫ মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন।
​🧄 গার্লিক আইওলি (Garlic Aioli)
​উপকরণ:
​¾ কাপ মেয়োনিজ
​৩ কোয়া রসুন (মিহি কুচানো বা বাটা)
​১ টেবিল চামচ লেবুর রস
​১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল (জলপাই তেল)
​¼ চা চামচ লবণ
​¼ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো
​প্রস্তুতপ্রণালী:
​১. একটি বাটিতে মেয়োনিজ, রসুন, লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল একসাথে মেশান।
২. মিশ্রণটি মসৃণ ও ক্রিমের মতো না হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন।
৩. লবণ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে স্বাদ ঠিক করে নিন।
৪. সসের স্বাদ পুরোপুরি চড়ানোর জন্য ২০-৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে দিন।
​🌶️ স্পাইসি চিপোটলে মেয়ো (Spicy Chipotle Mayo)
​উপকরণ:
​½ কাপ মেয়োনিজ
​১-২ চা চামচ চিপোটলে চিলি ইন অ্যাডোবো সস (মিহি কুচানো)
​১ চা চামচ লেবুর রস (Lime juice)
​½ চা চামচ স্মোকড পাপরিকা গুঁড়ো
​¼ চা চামচ রসুন গুঁড়ো
​স্বাদমতো লবণ
​প্রস্তুতপ্রণালী:
​১. একটি বাটিতে সব উপকরণ একসাথে মেলাবেন।
২. চিপোটলে মরিচ যেন সব জায়গায় সমানভাবে মিশে যায়, সেভাবে ভালো করে নাড়ুন।
৩. ঝাল বেশি চাইলে আপনার পছন্দমতো আরও একটু চিপোটলে যোগ করতে পারেন।
৪. পরিবেশনের আগে ১৫ মিনিট ফ্রিজে রাখুন।
​🍯 হানি মাস্টার্ড সস (Honey Mustard Sauce)
​উপকরণ:
​½ কাপ মেয়োনিজ
​২ টেবিল চামচ মধু
​২ টেবিল চামচ ডিজন মাস্টার্ড (Dijon mustard)
​১ চা চামচ ইয়োলো মাস্টার্ড
​১ চা চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার
​স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো
​প্রস্তুতপ্রণালী:
​১. একটি মিক্সিং বাটিতে সব উপকরণ একসাথে নিন।
২. মিশ্রণটি মসৃণ ও ক্রিমের মতো হওয়া পর্যন্ত ভালো করে ফেটিয়ে নিন।
৩. চেকে দেখে আপনার পছন্দ অনুযায়ী মিষ্টি বা টক ভাব (মধু বা ভিনেগার) বাড়িয়ে নিতে পারেন।
৪. সাথে সাথেই পরিবেশন করতে পারেন অথবা ব্যবহারের আগ পর্যন্ত ফ্রিজে রাখতে পারেন।
​🥑 অ্যাভোকাডো র‍্যাঞ্চ সস (Avocado Ranch Sauce)
​উপকরণ:
​½টি অ্যাভোকাডো
​½ কাপ মেয়োনিজ
​¼ কাপ টক দই বা সাওয়ার ক্রিম (Sour cream)
​১ টেবিল চামচ লেবুর রস
​১ টেবিল চামচ কুচানো ধনেপাতা
​½ চা চামচ রসুন গুঁড়ো
​স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো
​প্রস্তুতপ্রণালী:
​১. অ্যাভোকাডো ভালো করে চটকে (Mash) একদম মসৃণ করে নিন।
২. এর মধ্যে মেয়োনিজ, সাওয়ার ক্রিম, লেবুর রস, ধনেপাতা এবং রসুন গুঁড়ো দিন।
৩. ব্লেন্ডার দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন অথবা হুইস্ক দিয়ে ভালো করে ক্রিমের মতো করে মিশিয়ে নিন।
৪. লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে স্বাদ ঠিক করুন।
৫. পরিবেশনের আগে ১৫-২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন।
​bacon 🥓 বেকন আইওলি (Bacon Aioli)
​উপকরণ:
​¾ কাপ মেয়োনিজ
​৩ পিস বেকন (মুচমুচে করে ভাজা এবং গুঁড়ো করা)
​১ কোয়া রসুন (মিহি কুচানো বা বাটা)
​১ চা চামচ লেবুর রস
​¼ চা চামচ স্মোকড পাপরিকা গুঁড়ো
​স্বাদমতো লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো
​প্রস্তুতপ্রণালী:
​১. বেকন মুচমুচে করে ভেজে নিন এবং ঠাণ্ডা হতে দিন।
২. একটি বাটিতে মেয়োনিজ, রসুন, লেবুর রস এবং স্মোকড পাপরিকা একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩. এবার ভেজে রাখা বেকনের গুঁড়োগুলো আলতো করে মিশ্রণে মিশিয়ে দিন (Fold)।
৪. স্বাদমতো লবণ এবং গোলমরিচ গুঁড়ো দিন।
৫. ফ্রিজে ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।
​📦 সংরক্ষণ পদ্ধতি (Storage)
​সব সস একটি এয়ারটাইট (বাতাস ঢুকতে পারে না এমন) পাত্রে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।
​ফ্রিজে রেখে ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
​তবে অ্যাভোকাডো র‍্যাঞ্চ সসটি সেরা স্বাদ এবং সতেজ রঙের জন্য ২ দিনের মধ্যেই শেষ করে ফেলুন।
​💡 পরামর্শ: এই সসগুলো বার্গার, স্যান্ডউইচ, র‍্যাপ, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, গ্রিলড চিকেন কিংবা যেকোনো স্ন্যাক্সের ডিপ হিসেবে চমৎকার জমে যায়! 🍔🥪🍟

Address

Gopalganj
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Plaboni's Kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Plaboni's Kitchen:

Shortcuts

Share