Pure Bangla 24

Pure Bangla 24 The Fastest Growing Bangla News Portal Titled Pure Bangla 24 Offers To Know Latest National And Local Stories.

স্বামীর বদলে শাশুড়ির প্রতি পুত্রবধূর আকর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বৃদ্ধা!ভারতের উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে পারিবারিক...
10/05/2026

স্বামীর বদলে শাশুড়ির প্রতি পুত্রবধূর আকর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বৃদ্ধা!

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে পারিবারিক সম্পর্ক ঘিরে অস্বাভাবিক এক অভিযোগ সামনে এসেছে। পুত্রবধূর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন এক বৃদ্ধা।

অভিযোগ, পুত্রবধূ তার স্বামীর প্রতি স্বাভাবিক দাম্পত্য সম্পর্কের পরিবর্তে শাশুড়ির প্রতি বিশেষ ধরনের আকর্ষণ দেখাচ্ছেন এবং সেই অনুযায়ী আচরণ করছেন। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যেও তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।

বৃদ্ধার দাবি, তিনি পুত্রবধূকে নিজের সন্তানের মতোই দেখেন। তাই তাদের সম্পর্কের ধরন নিয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তিনি মানসিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন এবং বিষয়টির সমাধান চান।

পরিবারের পক্ষ থেকেও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরিবারের সদস্যরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

ঘটনাটি ঘিরে পুলিশের কাছেও অভিযোগ পৌঁছেছে। তবে অভিযোগের প্রকৃত ঘটনা ও পারিবারিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তদন্তের পরই বিস্তারিতভাবে জানা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: উত্তরপ্রদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও প্রকাশিত পুলিশ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন

জি বাংলার জনপ্রিয় গানের রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সংগীতশিল্পী গৌরব সরকারকে ঘিরে সম্প্রতি ...
10/05/2026

জি বাংলার জনপ্রিয় গানের রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-এর মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সংগীতশিল্পী গৌরব সরকারকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।
গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গায়িকা শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায় তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে কিছু দাবি ও বক্তব্য প্রকাশ করেছেন। তার বক্তব্যে সম্পর্ক, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বিচ্ছেদসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে।
অন্যদিকে গৌরব সরকার এসব দাবির সঙ্গে একমত নন। গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অনেক তথ্য তার মতে সঠিক নয়।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এটি মূলত ব্যক্তিগত বিষয় এবং উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট সব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই না করে কোনো পক্ষের দাবি চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
📌 উল্লেখ্য, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য ও ব্যক্তিগত দাবিগুলোর সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ভিন্ন হতে পারে। তাই বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

অন্যদিকে গৌরব সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকা

স্ত্রীর সাথে আন্তরিক সর্ম্পক থাকলে বাড়বে আয়ু— বলছে গবেষণা😊 স্ত্রীর সাথে আন্তরিক, শান্তিপূর্ণ ও ভালোবাসাপূর্ণ সম্পর্ক থ...
10/05/2026

স্ত্রীর সাথে আন্তরিক সর্ম্পক থাকলে বাড়বে আয়ু— বলছে গবেষণা
😊 স্ত্রীর সাথে আন্তরিক, শান্তিপূর্ণ ও ভালোবাসাপূর্ণ সম্পর্ক থাকলে জীবনের অর্ধেক সমস্যা নিজের থেকেই সমাধান হয়ে যায়। যে পরিবারে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থির থাকে, সেখানে মানসিক চাপ কম থাকে, মন থাকে হালকা। আর মানসিক চাপ কম থাকলে শরীর কম অসুস্থ হয়, হার্টকে আলাদা করে বাড়তি চাপ নিতে হয় না, ব্রেনও অতিরিক্ত স্ট্রেসে ভেঙে পড়ে না। ফল— মানুষ দীর্ঘ জীবন পায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, সুখী বৈবাহিক সম্পর্ক শুধু মানসিক শান্তিই দেয় না; বরং দীর্ঘায়ুর অন্যতম শক্তিশালী উপাদান। আর ইসলামে দাম্পত্য জীবনের শান্তি, সদ্ভাব, সহমর্মিতা ও ভালো আচরণকে বরকত, স্বাস্থ্য ও সুখের উৎস বলা হয়েছে। তাই ভালো সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়; এটি সুস্থ জীবনযাপন ও স্থায়ী সুখের বৈজ্ঞানিক গ্যারান্টি।
স্ত্রীর সাথে আন্তরিক সম্পর্কের বিজ্ঞান 📚
১. মানসিক চাপ কমে যায়
হাভার্ড মেডিকেল স্কুলের একটি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় দেখা গেছে, সুখী দাম্পত্য জীবন মানসিক চাপ ৩০–৪০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। কম স্ট্রেস মানে কম কর্টিসল, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
২. হার্টের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ❤️
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, যাদের বিবাহিত জীবনে সন্তুষ্টি বেশি, তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ২০–২৫% কম। কারণ শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখে।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে 🛡️
ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষণায় দেখা গেছে, দম্পতির মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক শরীরে প্রদাহ কমায় এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। সুখী দাম্পত্য সম্পর্ক রোগ-ব্যাধি প্রতিরোধে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
৪. মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয় 🧠
স্ত্রীর সাথে আন্তরিকতা, হাসি-আনন্দ, পারস্পরিক সম্মান— এগুলো ব্রেনের “ডোপামিন” ও “অক্সিটোসিন” বাড়ায়। এগুলো সুখ, নির্ভরতা, নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে। ফলে উদ্বেগ, বিষণ্নতা ও একাকিত্ব কমে যায়।
৫. দীর্ঘায়ু বৃদ্ধি 🕊️
ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান ৩০ বছরের একটি গবেষণায় দেখেছে, যারা বিবাহিত জীবনে সুখী, তারা অন্যদের তুলনায় গড়ে ১০–১২ বছর বেশি বাঁচে। এর মূল কারণ ছিল মানসিক স্থিরতা ও শারীরিক রোগের ঝুঁকি কম থাকা।

উত্তম আচরণ মানে ভালোবাসা, সহযোগিতা, দায়িত্ববোধ— যা মানসিক স্থিরতা এনে দেয় এবং অসুস্থতা কমায়।
দাম্পত্য শান্তি = জীবনে বরকত
স্ত্রীর সাথে আন্তরিক সম্পর্ক রাখলে জীবনে যা বাড়ে ✨
মন থাকে হালকা
কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে
স্ট্রেস কমে
রাগ, অস্থিরতা কম হয়
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে
রাতে ঘুম ভালো হয়
শরীরে প্রদাহ কম থাকে
সুখ-শান্তি জীবনের মান বাড়ায়
এগুলো সবকিছু মিলিয়ে মানুষ দীর্ঘ জীবন লাভ করে— এটি এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।
🌿 স্ত্রীর সাথে আন্তরিক ও সম্মানজনক সম্পর্ক শুধু একটি আবেগময় বন্ধন নয়— এটি একটি বৈজ্ঞানিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি। এই সম্পর্ক যত দৃঢ় হয়, জীবনের সমস্যা তত কম হয়, মানসিক চাপ কমে, শরীর সুস্থ থাকে, হৃদয়-মন ভারসাম্য পায়। ফলে আয়ু বাড়ে, জীবন হয় শান্তিময়।

তথ্যসূত্র
১. Harvard Study of Adult Development, Harvard Medical School
২. American Heart Association Research Summary on Marital Quality

UPSC-তে AIR 533, স্বপ্নের পথে পূর্বা চৌধুরী—কঠোর পরিশ্রমের অনুপ্রেরণামূলক গল্পস্বপ্ন ছিল বড়, পথ ছিল কঠিন। আর সেই পথ পের...
10/05/2026

UPSC-তে AIR 533, স্বপ্নের পথে পূর্বা চৌধুরী—কঠোর পরিশ্রমের অনুপ্রেরণামূলক গল্প

স্বপ্ন ছিল বড়, পথ ছিল কঠিন। আর সেই পথ পেরিয়ে UPSC Civil Services Examination-এ অল ইন্ডিয়া ৫৩৩তম স্থান অর্জন করেছেন পূর্বা চৌধুরী।

ভারতের অন্যতম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমন সাফল্যের পেছনে থাকে দীর্ঘ প্রস্তুতি, নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা এবং বারবার নিজের সীমাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা। পূর্বার এই সাফল্যও সেই অধ্যবসায়েরই প্রতিফলন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

UPSC Civil Services Examination 2024-এর ফলাফলে AIR 533 অর্জন করে তিনি আলোচনায় আসেন। একটি র‍্যাঙ্কের পেছনে যে দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি এবং আত্মত্যাগ থাকে, পূর্বার যাত্রা তারই একটি উদাহরণ।

UPSC-র মতো কঠিন পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়ার জন্য শুধু মেধা থাকলেই হয় না—প্রয়োজন ধারাবাহিকতা, ধৈর্য এবং নিজের লক্ষ্যের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস। পূর্বার সাফল্যের গল্পেও সেই বিষয়গুলোই সামনে আসে।

বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে তাঁর পথচলা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে—লক্ষ্য নির্দিষ্ট থাকলে এবং সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য নিয়মিত পরিশ্রম করা গেলে কঠিন পথও একদিন সহজ হয়ে আসে।

একটি পরীক্ষার র‍্যাঙ্কই অবশ্য কোনো মানুষের সম্পূর্ণ পরিচয় নয়। তবে কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

পূর্বা চৌধুরীর এই সাফল্য তাই শুধু একটি সংখ্যার গল্প নয়; এটি দীর্ঘ প্রস্তুতি, আত্মবিশ্বাস এবং নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টার গল্প।

স্বপ্ন যত বড়ই হোক, তার পথে প্রতিদিনের ছোট ছোট পরিশ্রমই একদিন বড় সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: Union Public Service Commission (UPSC), UPSC Civil Services Examination 2024-এর ফলাফল ও প্রকাশিত প্রতিবেদন

ঠাকুরপুকুর দুর্ঘটনা: প্রথম ধাক্কার পর গাড়ি থামাতে অনুরোধ করেছিলেন সঙ্গীরা, বয়ানে উঠে এলো দাবিকয়েক সপ্তাহ আগে কলকাতার ...
10/05/2026

ঠাকুরপুকুর দুর্ঘটনা: প্রথম ধাক্কার পর গাড়ি থামাতে অনুরোধ করেছিলেন সঙ্গীরা, বয়ানে উঠে এলো দাবি

কয়েক সপ্তাহ আগে কলকাতার ঠাকুরপুকুরে ঘটে যাওয়া একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘিরে এখনও তদন্ত চলছে। ওই ঘটনায় একজনের প্রাণহানি এবং কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর সামনে এসেছিল। ঘটনার পর ছোটপর্দার পরিচালক সিদ্ধান্ত দাস ভিক্টোকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত এখনও চলমান। এর মধ্যেই ঘটনার সময় গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তি ঋ সেন ও শ্রিয়া পুলিশকে দেওয়া বয়ানে কী জানিয়েছিলেন, তা নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁদের দাবি—গাড়িটি প্রথমবার ধাক্কা দেওয়ার পরই তাঁরা চালক ভিক্টোকে গাড়ি থামানোর অনুরোধ করেছিলেন।

ঋ সেনের বয়ান অনুযায়ী, পরিস্থিতিতে তিনি আতঙ্কিত হয়ে বারবার গাড়ি থামাতে বলেছিলেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, “আর গাড়ি চালিও না, এখানেই থামিয়ে দাও।”

তাঁদের বয়ান অনুযায়ী, বাজারের ব্যস্ত এলাকায় গাড়ি না চালানোর জন্যও একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। তবে তাঁদের দাবি, এরপরও গাড়িটি চলতে থাকে।

তবে পুলিশি বয়ানে উঠে আসা এসব বক্তব্য এখনও তদন্তের অংশ এবং ঘটনার সম্পূর্ণ সত্যতা নির্ধারণের জন্য তদন্তকারীরা অন্যান্য তথ্য-প্রমাণও খতিয়ে দেখছেন।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার আগে ও পরের ঘটনাক্রম বোঝার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে বলে জানা গেছে। তবে মামলায় কার কী ভূমিকা ছিল এবং আইনের চোখে কার কতটা দায় রয়েছে, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তদন্ত ও আদালতের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।

ঠাকুরপুকুরের এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, ব্যস্ত সড়ক ও জনবহুল এলাকায় গাড়ি চালানোর সময় সামান্য অসতর্কতাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন, পুলিশ সূত্রে প্রকাশিত তথ্য

৪ বার ব্যর্থ, চাকরি ছেড়ে পঞ্চম চেষ্টায় UPSC-তে সাফল্য—সঞ্জিতার অনুপ্রেরণার গল্পএকদিকে ভালো চাকরি, অন্যদিকে আইএএস হওয়া...
10/05/2026

৪ বার ব্যর্থ, চাকরি ছেড়ে পঞ্চম চেষ্টায় UPSC-তে সাফল্য—সঞ্জিতার অনুপ্রেরণার গল্প

একদিকে ভালো চাকরি, অন্যদিকে আইএএস হওয়ার স্বপ্ন। নিরাপদ ক্যারিয়ার ছেড়ে নিজের লক্ষ্যের পেছনে ছুটেছিলেন তিনি। কিন্তু সাফল্য আসেনি একবারে—পরপর চারবার ব্যর্থ হতে হয়েছিল। তবুও থামেননি।

তিনি সঞ্জিতা মহাপাত্র। ওডিশার রাউরকেলার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে UPSC পরীক্ষায় সফল হন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সঞ্জিতার পড়াশোনার পথও ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরি পান Steel Authority of India Limited (SAIL)-এ।

কিন্তু তাঁর লক্ষ্য ছিল আরও বড়—ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করা। সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য শেষ পর্যন্ত ভালো চাকরিটিও ছেড়ে দেন তিনি এবং UPSC প্রস্তুতিতে পুরোপুরি মনোনিবেশ করেন।

তবে এরপরও পথটা সহজ ছিল না।

পরপর চারবার UPSC পরীক্ষায় ব্যর্থ হন সঞ্জিতা। দীর্ঘ প্রস্তুতির পরও যখন প্রত্যাশিত ফল আসছিল না, তখনও তিনি নিজের লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়াননি।

এই সময়ের মধ্যেই তাঁর বিয়েও হয়। সংসার ও পড়াশোনার দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে হয়েছে তাঁকে। তবে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সমর্থন তাঁর পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর কোচিংয়ের ওপর নির্ভর না করে নিজের মতো করে পড়াশোনা চালিয়ে যান সঞ্জিতা। অবশেষে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

পঞ্চম প্রচেষ্টায় UPSC পরীক্ষায় অল ইন্ডিয়া ১০ম স্থান অর্জন করে আইএএস হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করেন তিনি।

বর্তমানে সঞ্জিতা মহাপাত্র মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলা পরিষদের CEO হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি নারী স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা SHG-এর মাধ্যমে মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলা এবং গ্রামাঞ্চলে শিক্ষার মানোন্নয়নের কাজেও তিনি যুক্ত রয়েছেন।

সঞ্জিতার গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়তো এখানেই—চারবার ব্যর্থতা মানেই পথ শেষ নয়। কখনও কখনও সাফল্যের আগে বারবার চেষ্টা করাটাই সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

ভালো চাকরি ছেড়ে স্বপ্নের পথে হাঁটা, চারবার ব্যর্থ হয়েও ফিরে আসা এবং পঞ্চম প্রচেষ্টায় দেশের অন্যতম কঠিন পরীক্ষায় সাফল্য—সঞ্জিতা মহাপাত্রের পথচলা তাই অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার গল্প হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: UPSC, Steel Authority of India Limited (SAIL), প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন

এক ঘণ্টার আলিঙ্গন, পারিশ্রমিক ১১ হাজার টাকা! অভিনব পেশায় ব্রিস্টলের ড্রুকেউ জড়িয়ে ধরাকে ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে দেখেন...
10/05/2026

এক ঘণ্টার আলিঙ্গন, পারিশ্রমিক ১১ হাজার টাকা! অভিনব পেশায় ব্রিস্টলের ড্রু

কেউ জড়িয়ে ধরাকে ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে দেখেন, কেউ আবার মনে করেন, প্রিয়জনের একটি আলিঙ্গন মানসিক স্বস্তি দিতে পারে। কিন্তু এই সাধারণ মানবিক স্পর্শকেই পেশাদার সেবায় পরিণত করার ঘটনা সত্যিই ব্যতিক্রমী।

ছবিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ব্রিস্টলের বাসিন্দা ড্রু হুটন পেশাদারভাবে মানুষকে আলিঙ্গনের সেবা দিয়ে থাকেন। অর্থাৎ, কেউ যদি কিছু সময়ের জন্য সঙ্গ, কাছাকাছি থাকা কিংবা একটি আলিঙ্গনের মতো মানবিক স্পর্শ চান, নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকের বিনিময়ে সেই সময়টুকু দেওয়াই তাঁর কাজ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে এই সেবার পারিশ্রমিক। ছবিতে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এক ঘণ্টার জন্য প্রায় ১১ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। তবে ড্রু হুটনের বর্তমান রেট বা সেবার বিস্তারিত শর্ত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ‘Professional Cuddling’ বা পেশাদার আলিঙ্গন সেবার কথা সামনে এসেছে। এর মূল ধারণা হলো—কথাবার্তা, বন্ধুত্বপূর্ণ উপস্থিতি কিংবা সম্মতিপূর্ণ আলিঙ্গনের মাধ্যমে কাউকে কিছুটা স্বস্তিদায়ক সময় দেওয়া।

তবে এ ধরনের সেবার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সীমারেখা, সম্মতি এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। এটি কোনো চিকিৎসা বা মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসার বিকল্পও নয়।

একটি সাধারণ আলিঙ্গনকে ঘিরে এমন পেশার ধারণা অনেকের কাছেই অবাক করার মতো হতে পারে। আবার কারও কাছে এটি একাকীত্বের সময়ে সামাজিক সংযোগ ও মানবিক উপস্থিতির একটি ভিন্ন ধরনের পরিষেবা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

তবে ড্রু হুটনের ক্ষেত্রে এক ঘণ্টায় প্রায় ১১ হাজার টাকা পারিশ্রমিকের তথ্যটি ছবিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে; বর্তমান মূল্য বা বিস্তারিত সেবা-শর্ত নিশ্চিতভাবে যাচাই করা যায়নি।

তথ্যসূত্র: ছবিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন; Professional Cuddling সম্পর্কিত প্রকাশিত তথ্য

ভিক্ষা করে আয়, সেই টাকা সুদে! তদন্তে সামনে এলো তিন বাড়ি ও গাড়ির তথ্যপ্রতিদিন মানুষের কাছ থেকে সহায়তা হিসেবে পাওয়া অ...
10/05/2026

ভিক্ষা করে আয়, সেই টাকা সুদে! তদন্তে সামনে এলো তিন বাড়ি ও গাড়ির তথ্য

প্রতিদিন মানুষের কাছ থেকে সহায়তা হিসেবে পাওয়া অর্থ দিয়ে চলতেন—এমনটাই মনে করতেন স্থানীয়রা। কিন্তু তদন্তে উঠে এসেছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক তথ্য। ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের এক ব্যক্তিকে ঘিরে এমন ঘটনাই এখন আলোচনায়।

মঙ্গিলাল নামের ওই শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ইন্দোরের ব্যস্ত শরাফা বাজার এলাকায় লোহার একটি ছোট গাড়িতে বসে থাকতেন। কাঁধে ব্যাগ, হাতে জুতা—তাঁকে দেখে অনেকেই সহায়তার জন্য নিজেরাই অর্থ দিতেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি সাধারণত সরাসরি কারও কাছে অর্থ চাইতেন না।

সম্প্রতি ইন্দোরের নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের ভিক্ষাবৃত্তিবিরোধী অভিযানের সময় মঙ্গিলালকে উদ্ধার করা হলে তাঁর আর্থিক অবস্থা নিয়ে নানা তথ্য সামনে আসে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গিলাল প্রতিদিন ভিক্ষা করে আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ রুপি পেতেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই অর্থ নিজের দৈনন্দিন খরচে ব্যবহার না করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের স্বল্পমেয়াদি ঋণ দেওয়ার কাজে ব্যবহার করতেন বলে কর্মকর্তারা জানান।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক দিন বা এক সপ্তাহের জন্য ব্যবসায়ীদের টাকা ধার দিতেন তিনি এবং এর বিপরীতে সুদ নিতেন। কর্মকর্তাদের হিসাবে, তাঁর দেওয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ রুপি হতে পারে। সেখান থেকে প্রতিদিন সুদসহ প্রায় ১ থেকে ২ হাজার রুপি আয় হতো বলে তদন্তকারীদের দাবি।

তদন্তে আরও জানা যায়, মঙ্গিলালের নামে রয়েছে তিনটি বাড়ি, যার মধ্যে একটি তিনতলা ভবন। পাশাপাশি রয়েছে তিনটি অটোরিকশা এবং একটি মারুতি সুজুকি ডিজায়ার গাড়ি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব যানবাহনের কিছু ভাড়ায়ও দেওয়া হতো।

আরও একটি বিষয় সামনে এসেছে সরকারি আবাসন প্রকল্পকে ঘিরে। শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে মঙ্গিলাল প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় একটি বাড়ি পেয়েছিলেন বলে কর্মকর্তারা জানান। সেই বাড়িতে শোবার ঘর, বসার ঘর ও রান্নাঘর রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগের কর্মকর্তা দিনেশ মিশ্র জানান, মঙ্গিলালকে বর্তমানে উজ্জয়নের সেবাধাম আশ্রমে রাখা হয়েছে। তাঁর ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি নিয়ে তদন্ত চলছে। তাঁর কাছ থেকে ঋণ নেওয়া স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গিলাল ২০২১-২২ সাল থেকে ভিক্ষা করছিলেন। এখন তাঁর আর্থিক সম্পদ ও ভিক্ষা থেকে পাওয়া অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইন্দোরে ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ ও পুনর্বাসনের উদ্যোগের মধ্যেই ঘটনাটি সামনে এসেছে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শহরে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ জন ভিক্ষুক চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে অনেকে কাউন্সেলিংয়ের পর ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়েছেন এবং আরও অনেকে পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—শহরের ভিক্ষাবৃত্তি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি যারা ভিক্ষা থেকে পাওয়া অর্থ অন্য কাজে বিনিয়োগ করছেন বলে অভিযোগ উঠছে, তাঁদের আর্থিক কর্মকাণ্ডও কীভাবে নজরদারির আওতায় আনা যায়।

তথ্যসূত্র: NDTV, গণকণ্ঠ

ছেলের গেমিং আসক্তি বুঝতে গিয়ে নিজেই গেমার! ৬০ বছর বয়সে মায়ের নতুন পরিচয়ছেলের গেম খেলার অভ্যাস বুঝতে চেয়েছিলেন। কিন্...
10/05/2026

ছেলের গেমিং আসক্তি বুঝতে গিয়ে নিজেই গেমার! ৬০ বছর বয়সে মায়ের নতুন পরিচয়

ছেলের গেম খেলার অভ্যাস বুঝতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই কৌতূহলই একসময় তাঁকে নিয়ে গেল ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। আর সেখানে গিয়েই ৬০ বছর বয়সে নিজেই হয়ে উঠলেন পরিচিত গেমার!

চীনের মেইঝৌ শহরের ঝং জুয়ানজুয়ানকে ঘিরে এমনই এক ব্যতিক্রমী গল্প সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে।

প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই দশক আগে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় তাঁর ছেলে গেমিংয়ের প্রতি গভীরভাবে আগ্রহী হয়ে ওঠে। ছেলের এই আকর্ষণ আসলে কী, সেটি কাছ থেকে বোঝার আগ্রহ তৈরি হয় মায়ের মধ্যে।

সেই আগ্রহ থেকেই ২০২০ সালে নিজেই গেম খেলা শুরু করেন ঝং।

শুরুটা অবশ্য একেবারেই সহজ ছিল না। গেমের চরিত্র নিয়ন্ত্রণ করা, দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানো কিংবা ভার্চুয়াল জগতের নানা বিষয় বুঝতে তাঁর বেশ সময় লেগেছিল। তবে বয়সকে বাধা হিসেবে না দেখে নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যান তিনি।

ধীরে ধীরে গেমিংয়ে দক্ষতা বাড়তে থাকে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় গেম খেলেছেন তিনি।

এরপর ২০২২ সাল থেকে নিজের গেম খেলার মুহূর্তগুলো লাইভস্ট্রিম করাও শুরু করেন ঝং। তাঁর বয়স এবং গেমিংয়ের প্রতি আগ্রহ—এই দুইয়ের অদ্ভুত সমন্বয়ই দর্শকদের নজর কাড়ে।

সময়ের সঙ্গে তাঁর অনলাইন পরিচিতিও বাড়তে থাকে। সম্প্রতি একটি বড় অনলাইন প্রদর্শনী ম্যাচে অংশ নেওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি।

সবচেয়ে মজার বিষয়, যে গেমিং জগতকে বুঝতে একসময় ছেলের পেছনে পেছনে তাকাতে শুরু করেছিলেন, সেই জগতেই আজ নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন মা।

ঝং জুয়ানজুয়ানের গল্প তাই শুধু গেম খেলার গল্প নয়। বরং এটি মনে করিয়ে দেয়—নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে বয়স সবসময় বাধা নয়। আগ্রহ, অনুশীলন আর শেখার মানসিকতা থাকলে জীবনের যেকোনো পর্যায়েই নতুন কিছু শুরু করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: South China Morning Post, Oddity Central

‘৬টা নয়, ৬০০ প্রেম করেছি!’—প্রেম নিয়ে স্বস্তিকার অকপট মন্তব্যে ফের চর্চায় অভিনেত্রীঅভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি নিজের...
10/05/2026

‘৬টা নয়, ৬০০ প্রেম করেছি!’—প্রেম নিয়ে স্বস্তিকার অকপট মন্তব্যে ফের চর্চায় অভিনেত্রী

অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বরাবরই খোলামেলা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রেম ও সম্পর্ক নিয়ে তাঁর মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা জানান, জীবনে তিনি ছয়টি সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে রসিকতার সুরে অভিনেত্রী বলেন, “ছয়টা নয়, ৬০০ প্রেম করেছি, আরও একটা শূন্য যোগ করতে চাই।”

তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে অনলাইনে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সমালোচনাকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে চান না স্বস্তিকা। তাঁর বক্তব্য, ব্যক্তিগত জীবনে কে কতটা সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন, তা নিয়ে বাইরের মানুষের অতিরিক্ত বিচার-বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।

নারী ও পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমাজের দ্বৈত মানসিকতার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। স্বস্তিকার মতে, একজন পুরুষের একাধিক সম্পর্ককে সমাজ যে দৃষ্টিতে দেখে, একজন নারীর ক্ষেত্রে একই বিষয়কে অনেক বেশি কঠোরভাবে বিচার করা হয়। তাঁর মতে, এই পার্থক্যই সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির বৈষম্যকে সামনে আনে।

স্বস্তিকার কাছে ভালোবাসা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত ভালোবাসতে এবং ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে চান বলেও জানান তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক চাপের বদলে নিজের মতো করে বাঁচার এই বার্তাই যেন ফের আলোচনায় নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা

Address

Baridhara
Fort Morgan, CO
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Bangla 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share