Tajreen's Kitchen

Tajreen's Kitchen Welcome to my page. I have to try to share with you some simple & delicious food recipes. Thank you

21/02/2023
দারুচিনি শুধু মসলা নয়দারুচিনি হলো এই গ্রহের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভেষজ। চলুন জেনে নিই দারুচিনি আমাদের শর...
25/01/2023

দারুচিনি শুধু মসলা নয়

দারুচিনি হলো এই গ্রহের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ভেষজ। চলুন জেনে নিই দারুচিনি আমাদের শরীরের কী কী উপকারিতা সাধন করে থাকে।

গাঁটের ব্যথায়

অনেকেই গাঁটের সমস্যায় ভুগছেন। এ ক্ষেত্রে দারুচিনিকে জয়েন্টের ব্যথা কমানোর ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। উষ্ণ গরম পানির মধ্যে এক চামচ মধু আর দারুচিনিগুঁড়া ভালোভাবে মিশিয়ে নিন, এরপর শরীরের ব্যথা স্থানে আস্তে আস্তে মালিশ করুন। ২-৩ দিন ভালোভাবে মালিশ করুন। কিছুদিন পর দেখবেন ব্যথা কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

পেটের সমস্যায়

দারুচিনি পেটের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি অ্যাসিডিটির সমস্যা দূর করে ও পেটের ব্যথা উপশম করে। পেট পরিষ্কার করতে রাতে শোবার আগে দারুচিনির সঙ্গে হরীতকীর গুঁড়া মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। অ্যাসিডিটি রোধ করতে মধুর সঙ্গে দারুচিনি মিশিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ভালো হয়ে যায়।

রক্তে এলডিএল হ্রাসে

প্রতিদিন আধা চা–চামচ দারুচিনির গুঁড়া রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএলের মাত্রা কমায়। প্রতিদিন ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে সেই পানি গরম–গরম চায়ের মতো করে দিনে তিন বার পান করলে কোলেস্টেরলের সমস্যা সমাধান হয়ে যায়, ডায়াবেটিস না থাকলে দারুচিনির পানিতে এক চা–চামচ মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

টাইপ-২ ডায়াবেটিসে

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিদিন ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে গরম–গরম চায়ের মতো করে দিনে তিনবার খেলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য অনেক উপকারী, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাবে, এটা স্বাভাবিক নিয়ম। নিয়মিত প্রতিদিন একবেলা ২ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি দুই কাপ পানিতে জ্বাল দিয়ে সেই পানি এক কাপে নিয়ে এসে গরম–গরম চায়ের মতো করে পান করলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস হওয়ার প্রবণতা কমে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। এটা শিশুদের বেলায় প্রযোজ্য নয়।

সারা দিনে ২ চা–চামচের বেশি দারুচিনি খাওয়া যাবে না, দারুচিনি খাওয়ার কারণে ডায়রিয়া ও মাথা ধরার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যাঁদের এমন উপসর্গ দেখা দেবে, তাঁদের দারুচিনি না খাওয়াই উত্তম। বাজারে দারুচিনির নামে অনেক ধরনের গাছের ছাল দারুচিনি বলে বিক্রি হয়ে থাকে, কেনার আগে গন্ধ এবং একটু ভেঙে মুখে দিয়ে দেখুন ঝাঁজালো স্বাদ কি না। নিশ্চিত হলেই নেবেন। প্যাকেটজাত দারুচিনি পরিহার করুন
সংগ্রিহীত
#

তেজপাতার অজানা যত গুণমশলা নিয়ে আমাদের জানা অজানা কিছু গুরুত্তপুর্ন উপকারিতা নিয়ে ধারাভাহীক পোস্টের প্রথম পোস্ট।পোস্ট_১১....
24/01/2023

তেজপাতার অজানা যত গুণ

মশলা নিয়ে আমাদের জানা অজানা কিছু গুরুত্তপুর্ন উপকারিতা নিয়ে ধারাভাহীক পোস্টের প্রথম পোস্ট।

পোস্ট_১

১. সারা বিশ্বে এটি খুব জনপ্রিয় মশলা। এই মশলাটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এতে ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও রয়েছে। পাশাপাশি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নিরসনে এবং কিডনির পাথর প্রতিহত করতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে এই মশলাটি। তাছাড়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি চমৎকার কাজ করে।

২. তেজপাতায় বেশকিছু জীবাণুনাশক উপাদান রয়েছে। এতে করে তেজপাতা বাতাসে পোড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াদের মেরে ফেলে। তেজপাতা পোড়ানোর পাশাপাশি রান্নায় নিয়মিত খেলেও এই উপকার পাওয়া যায়।

৩. তেজপাতায় থাকা পিনাইন, সিনেওল ও এলিমেসিন উপাদানগুলো মানসিক ক্লান্তি দূর করে কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ফলে শরীর আর মন উভয়কে সতেজ করে তুলতে নিয়মিত তেজপাতা রান্নার সঙ্গে বা চায়ের সঙ্গে খেতে পারেন।

৪. যাদের ঠাণ্ডার সমস্যা আছে তাদের জন্য তেজপাতার সিনেওল উপাদানটি খুবই কার্যকর। এই উপাদানটি ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা কমিয়ে ফুসফুসকে তাজা রাখতে সাহায্য করে।

৫. তেজপাতার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান শরীরের ক্ষত ও প্রদাহ কমায়। চর্ম রোগ হলে তেজ পাতা থেতো করে ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে সকাল ও বিকেলে খেতে হবে ৪-৫ সপ্তাহ। এতেই চুলকানি বা দাদ জাতীয় ত্বকের সমস্যা চলে যাবে।

৬. কোনো ব্যথা, যন্ত্রণা বা প্রদাহ কমাতে তেজপাতার ইগুয়েনাল উপাদানটি বেশ কার্যকর। এই উপাদানটি একদম ভেতর থেকে ধীরে ধীরে যেকোনো যন্ত্রণা কমিয়ে দিতে পারে। এজন্য নিয়মিত তেজপাতা খেতে শুরু করুন।

৭. তেজপাতার এলিমিসিন উপাদানটি আমাদের মনঃসংযোগ বাড়াতে পারে। মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর করতেও সাহায্য করে। আমরা যারা বিভিন্ন মানসিক অবসাদ বা হতাশায় ভুগি তারা নিয়মিত তেজপাতা খেতে পারেন।

৮. আমাদের অনেকেরই মুখে রূচি থাকে না। খাওয়াদাওয়া করতে ভালো লাগে না। সেই ক্ষেত্রে তেজপাতা সেদ্ধ করে ছেঁকে ওই পানি কুলকুচি করলে মুখের অরুচি চলে যায়।

৯. ধরুন শরীরের কোথাও ফোঁড়া হলো। খুব যন্ত্রণা হচ্ছে, খুব শক্ত হয়ে গেছে ফোঁড়াটি। এই অবস্থায় তেজপাতা কাজে লাগাতে পারেন। তেজপাতা বেটে ২-৩ বার সেটার প্রলেপ দিলে যন্ত্রণা কমে যাবে

পরবর্তী পোস্ট পেতে পেজটি লাইক এবং ফলো দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।
ধন্যবাদ



23/01/2023

Hello Everyone, Welcome to my page. Please follow this page and get the best delicious Food recipes.
Thank You


Address

Gazipur
Dhaka
1740

Telephone

+8801310852601

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tajreen's Kitchen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tajreen's Kitchen:

Share