sonia's Logbook

sonia's Logbook This page is cooking,organising, vlog related

05/09/2025
ননস্টিক/মেলামাইন/প্লাস্টিকের ব্যবহার এবং রোগব্যাধি"এখানে প্লাস্টিকের জিনিস ব্যবহারের ফলে কি কি অসুখ বাসা বাঁধতে পারে অথব...
22/05/2025

ননস্টিক/মেলামাইন/প্লাস্টিকের ব্যবহার এবং রোগব্যাধি"

এখানে প্লাস্টিকের জিনিস ব্যবহারের ফলে কি কি অসুখ বাসা বাঁধতে পারে অথবা গরম জিনিস প্লাস্টিকের পাত্রে রাখলে তা গলে আমাদের পেটে গিয়ে কি ক্ষতি করে তা বলবো না। আপনারা প্লিজ ইন্টারনেট থেকে জেনে নেবেন।

কয়েকমাস আগে চেয়েছিলাম আমি আমার রান্নাঘর এবং খাবারের তৈজসপত্র প্লাস্টিক মুক্ত করবো এবং আমি তা পেরেছি। দুইদিনে সব চেঞ্জ করে ফেলবো এতো পয়সাওয়ালা আমি হইনি। প্লাস্টিকের স্থানে ধীরে ধীরে ভালো মানের স্টেইনলেস স্টিল এবং কাচ-কড়ির জিনিস আমি কিনেছি। আরো ব্যবহার করি বাঁশ, বেত বা কাঠের জিনিস। রান্নায় ব্যবহৃত সকল ধরনের আল্যুমিনিয়াম, ননস্টিক বদলে স্টেইনলেস স্টিল এবং অরিজিনাল মার্বেলের হাড়িপাতিল কিনেছি। সামনে কিছু কাঁসার জিনিস কেনার ইচ্ছে আছে।
একদিনে পরিবর্তন তো সম্ভব নয়, আপনারাও চাইলে পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন। আগের দিনের মানুষ স্টিল বা কাসা বেশি ব্যবহার করতো। এই প্লাস্টিক আর মেলামাইন এসে সব চেঞ্জ করে দিসে।
স্টিল দেখতে গরিবানা লাগে অনেকের। লাগুক গা🥱আমার ঘরে বাচ্চা আছে, আমাকে বুঝে শুনে কাচকড়ি ইউজ করতে হবে। যদিও রোগব্যাধি আল্লাহর দান, তবুও সতর্ক থাকতে তো আর ক্ষতি নেই।

"সুস্থ থাকুন
সুস্থ বাঁচুন"

বাচ্চা বাচ্চার মতো থাকবে। আমি যা বলবো শুনবে ....ভালো করে পড়াশোনা করবে ,যখন পড়তে বসতে বলবো চুপচাপ পড়তে বসে যাবে ...ভাল...
13/05/2025

বাচ্চা বাচ্চার মতো থাকবে। আমি যা বলবো শুনবে ....ভালো করে পড়াশোনা করবে ,যখন পড়তে বসতে বলবো চুপচাপ পড়তে বসে যাবে ...ভালো মার্কস আনবে ....এইটুকু হলেই আপনি খুশি তাই তো?

জেনে রাখুন আপনি ভুল রাস্তায় হাঁটছেন। আপনি যা যা চাইছেন ঠিক সেইগুলোই যদি আপনার বাচ্চা করে তাহলে আপনি একটা মেরুদণ্ডহীন কেরানী তৈরি করছেন ...এর বেশি কিছু না।

কথাটা আপনার গায়ে লাগতে পারে কিন্তু আপনারাই আপনার বাচ্চার আত্মবিশ্বাস ধ্বংস করে দিচ্ছেন। কীভাবে করছেন জানবেন? তাহলে পড়তে থাকুন।

একদম ছোটো থেকেই শুরু করা যাক।

ধরুন একটা বাচ্চা সবে হাঁটতে শিখছে ... তো নতুন হাঁটতে শিখলেই ধুপ ধাপ পড়বে ...স্বাভাবিক.. খুবই স্বাভাবিক..

বাবা মা হিসাবে আপনার কী করা উচিত?

আপনার উচিত একটা এমন জায়গায় বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া যেখানে পড়ে গেলেও বাচ্চার খুব একটা জোরালো বা গুরুতর আঘাত লাগবে না ...যেমন ধরুন ঘাস আছে এমন মাঠ বা মাঠ না থাকলে বাড়িরই কোনো একটা ফাঁকা জায়গা যেখানে কোনো ধারালো কোন নেই ,সেখানে ফোম এর ম্যাট পেতে দিলেন...

বাচ্চা এরকম জায়গায় নিজে থেকে হামাগুড়ি দেবে .. তারপর একদিন হামাগুড়ি দিতে দিতেই সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়বে , তারপর ধরাম করে সামনে বা পিছনের দিকে উল্টে যাবে... আবার উঠবে আবার পড়বে ....এইরকম পড়তে পড়তেই একদিন এক পা দু পা এগিয়ে যাবে ....

চাইল্ড সাইকোলজি নিয়ে যদি একটু নাড়াঘাটা করেন জানতে পারবেন এই কাজটাই যদি আপনার বাচ্চা নিজে নিজে করে , এর মধ্যে দিয়েই বাচ্চার মনে "আত্মবিশ্বাস" নামক বীজটা অঙ্কুরিত হয়।

কিন্তু না ....আজকের দিনের মডার্ন বাবা মা কী করে... বেবী ওয়াকার কিনে তাতে বাচ্চাকে চাপিয়ে দেয়.... বাচ্চা পড়লো না ঠিকই ....কিন্তু সাথে ওই প্রথম "আত্মবিশ্বাস" নামক বীজটাও মাটির অনেক নীচে চলে গেলো।

এই যে শুরু হলো বাবা মা এর বাচ্চাকে প্রোটেক্ট করা ....এটা চলতেই থাকলো ।

বাচ্চা একবছর হয়ে গেলে তাকে নিজেকে খেতে দেওয়া উচিত ... নিজে খেলে হ্যান্ড আই ব্রেন কোঅর্ডিনসন হয় ...তার থেকেও বড়ো কথা বাচ্চা নিজের পেট শরীর বুঝে খেতে শেখে ।

কিন্তু না ... কিছু মা নিজের চার বছরের বাচ্চাকেও নিজে থেকে খেতে দিতে নারাজ ! সেই মেখে চটকে ছেলের মুখে গুজে দেবে। বাচ্চা নিজের শরীরটাকেই বুঝতে শিখবে না ।

একটা সহজ কথা মাথায় ঢুকিয়ে রাখুন ... দুনিয়ায় এমন কোনো প্রাণী নেই যার খিদে পেয়েছে সামনে খাবার আছে তাও খাচ্ছে না ! বাচ্চার সামনে খাবার রেখে চলে যান...খিদে পেলে ঠিক খাবে।
সকালে না খেলে বিকালে পেট চুই চুঁই করলে বিকালে খাবে ...বিকালেও না খেলে রাত্রে ঠিকই খাবে। একদিন আপনার বাচ্চাকে এটা করে দেখুন ...... সারা বছরের ওই খাবার নিয়ে অশান্তি আপনার চলে যাবে।

তারপর এটা করবি না ...ওটা করবি না ....সারাদিন ধরে বাচ্চার পিছনে টিকটিক টিকটিক টিকটিক... চিৎকার ...কোনো প্রয়োজন নেই।

বাচ্চা হয়তো খেলতে চাইছে ...বাবা মা হুকুম চালাচ্ছে "এক্ষুনি পড়তে বোস" ... বাচ্চা হয়তো বেড়াতে যেতে চাইছে ....বাবা মার হুকুম " এক্ষুনি ঘুমা "

বাচ্চাকে শাসন করার দরকার আছে ....কিন্তু কতটুকু করবেন সেই বোধটা অনেক বাবা মা এর নেই .....যখন শাসন এর দরকার তখন চুপ করে আছে , যখন শাসন করার কোনো প্রয়োজন নেই ,দিচ্ছে চটাস করে ধরিয়ে ...

বাচ্চা পুরোপুরি কনফিউস ! বাচ্চার ভালো মন্দ জ্ঞান , উচিত অনুচিত এর জ্ঞান কিন্তু আপনার শাসন করার ধরন থেকেই আসবে ।

যেমন ধরুন একদিন বাচ্চার পড়তে মন নাই হতে পারে ...পড়তে বসলো না , দিলেন চটাস করে লাগিয়ে ....এদিকে বাচ্চা স্কুল থেকে এসে নোংরা জামা কাপড় মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলে রাখছে ....কোনো শাসন নেই! বাচ্চা ভেবে নিচ্ছে নোংরা জামাকাপড় মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলাটা এমন কোনো অপরাধ না।

অনেক বাবা মা কেই দেখি প্রায় প্রতিদিন অল্পসল্প করে ঠুকঠাক ধরিয়েই যাচ্ছে ....খুব ভুল পদ্ধতি । মাসে ঊনত্রিশ দিন ভালো মুখে বোঝান ....এক দিন দোষ করলে আচ্ছাসে পলিশ করুন ....

রোজ মারলে বাচ্চা রেকলেস হয়ে যাবে...এরকম অনেক বাচ্চাকে হতে দেখেছি । মারুন কম , কিন্তু যেদিন মারবেন সেদিনের শাসনটা যেনো অন্তত তিনমাস বাচ্চার মনে থাকে। আর প্লীজ ...কোনটা ঠিক অভ্যাস আর কোনটা খারাপ অভ্যাস এটা আগে নিজেরা ভালো করে বুঝুন। আপনি অফিস থেকে ফিরে নোংরা জামা কাপড় মেঝেতে ছুঁড়ে ফেলে রাখলে আপনার বাচ্চাও তাই করবে।

এখন আবার একটা মারাত্মক ট্রেন্ড দেখছি । বাচ্চার হোমওয়ার্ক কী আছে , এক্সাম এর সিলেবাস কী আছে ...বাচ্চার হুস নেই , এদিকে মা এর সব মুখস্ত !

বাচ্চার স্কুল প্রজেক্ট বাবা মা সুন্দর করে বানিয়ে দিচ্ছে যাতে নাম্বার ঠিকঠাক আসে!

জেনে রাখুন , লাইফের সবথেকে বড়ো ভুল করছেন। বাচ্চা ভাবছে এরকম চিটিং করাটাই বোধহয় নিয়ম !

একটা ছোটো ঘটনা বলি । আমি নিজে তখন ক্লাস সিক্সে পড়ি। এনুয়াল পরীক্ষার বাংলা পেপারটা দিতে গিয়ে দেখি অংকের প্রশ্নপত্র। বাড়ি ফিরতেই জানতে পারলাম আগের দিন আমাকে বাঙলা পড়তে দেখেও কিচ্ছুটি বলেনি ... একবারও মনে করিয়ে দেয়নি যে কালকে বাংলা না অঙ্ক পরীক্ষা !

অম্ল্যানবদনে বলে দিয়েছিল ..." তোর পরীক্ষা , হুস টা তোর থাকা দরকার । "

সেদিন কান্না পেয়েছিল, কিন্তু আজ বুঝি এই শিক্ষাটার দাম। একটা ক্লাসের একটা পরীক্ষায় হয়তো কিছুটা কম নাম্বার পেয়েছিলাম , কিন্তু নিজের কাজের রেসপনসিবিলিটি যে নিজেকেই নিতে হবে এই অসামান্য শিক্ষাটা আজও কাজে দেয়।

সামান্য এক দুটো পরীক্ষায় নাম্বার কম পেলে আপনার বাচ্চার কিচ্ছু এসে যাবে না । কিন্তু প্লীজ প্লীজ ওদের রেসপনসিবিলিটি নিতে শেখান .... ওদের হয়ে কোনো কাজ করে দেবেন না ....ওদের হোমওয়ার্ক কী আছে সেটা ওদেরকেই দেখতে বলুন ...ওদের স্কুল প্রজেক্ট ওদেরকেই করতে বলুন ....

রেসপনসিবিলিটি নিতে না শেখাটা আজকের দিনে প্রায় মহামারীর মতো হয়ে গেছে।

আপনার বাচ্চাকে রেসপনসিবিলিটি নিতে না শেখালে ...বা এর থেকেও বলা ভালো যে রেসপনসিবিলিটি নিতে না দিলে ....এরা কোনোদিনই রেসপনসিবল হবে না

.....মিলিয়ে নেবেন .. বুড়ো বাপ মা এর রেসপনসিবিলিটিও এরা নেবে না। তখন আর কাউকে দোষ দেবেন না , নিজেকেই দোষ দেবেন ।

আসলে "শিক্ষা" জিনিসটাকেই আমরা বড্ড সংকীর্ণ ভাবে নিয়ে নিয়েছি। শুধু কয়েকটা সাবজেক্ট পড়ে পরীক্ষায় ভালো নাম্বার পাওয়াটাকেই "শিক্ষা" বলে ধরে নিয়েছি।

অথচ আত্মবিশ্বাস , দায়িত্ব নিতে ভয় না পাওয়া .... অসহায়কে যতোটা পারা যায় সাহায্য করা .....এগুলোও কিন্তু শিক্ষার অঙ্গ! শুধু বই পড়া শিক্ষা হাত পা মুন্ডু বিহীন স্কন্ধকাটার মতো ....আসল রূপটা যেদিন উপলব্ধি করবেন বা চোখের সামনে দেখবেন সত্যি ভয় পেয়ে যাবেন । কিন্তু সেদিন আর কিছু করার থাকবে না ।

বাচ্চা বেলায় ভালো ফুটবল খেলতাম বলে পাড়ার ফুটবল টিমের ক্যাপ্টেন করে দিয়েছিল আমাকে .... নেতৃত্বের স্বাদ যে কী জিনিস সেই প্রথম বুঝেছিলাম । এগারো জন সমবয়সী ছেলে আমার কথা মেনে চলছে .... খুব ছোটো বয়সেই বুঝে গিয়েছিলাম কোনো জিনিসে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে সন্মান পাওয়া যায়!

মজার ব্যাপারটা দেখুন...এই জিনিস আপনি হাজার বার আপনার বাচ্চাকে মুখে বলবেন বাচ্চা বুঝবে না ....মাঠে খেলতে পাঠান খুব সহজেই বুঝে যাবে ।

খেলা মানে কিন্তু সময় নষ্ট না ....এটা আজকের দিনের বাবা মাকে বলে বলেও বোঝাতে পারবেন না। মাথায় গেঁথে নিন খেলতে গিয়েই বাচ্চা অনেক কিছু শেখে ...

খেলতে গিয়ে ডিসিপ্লিন শেখে....অন্যকে বল পাস দিতে শেখে ... অন্যে গোল দিলে সেই আনন্দে লাফাতে শেখে ..... নেতৃত্ব দিতে শেখে ....

এগুলো যদি "শিক্ষা" না হয় তাহলে কোনটা আসল শিক্ষা? আজ থেকে কুড়ি বছর পরে আপনার বাচ্চা যখন জীবনসংগ্রামে বেরোবে এইগুলোই কিন্তু কাজে আসবে ...ক্লাস সিক্সে ইতিহাসে কতো নাম্বার পেয়েছিল কারো কোনো কাজে আসবে না।

ফর গড সেক.... বাচ্চাকে খেলতে দিন।

এটাকেও অনেকে ভুল বুঝবে । খেলা মানে ক্রিকেট কোচিং সেন্টার বুঝে নেবে.... পাতি পড়ার আরো পাঁচটা ছেলে পুলের সাথে খেলার কথা আমি বলছি , অন্য কিছু না ।

আসলে সমস্যাটা অন্য । আমরা যখন বড়ো হয়েছিলাম আমাদের সত্যি সেইভাবে দেখার কেউ ছিলো না । অনেকটা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম .... সারাদিন আমাদের পিছনে কেউ টিকটিক টিকটিক করে বেড়াতো না ...

আজকের দিনের বাচ্চারা সত্যি খাঁচায় বন্দী পাখির মতো ...এদের কোনো স্বাধীনতা নেই। স্বাধীনতা ছাড়া কোনো ভাবেই আপনার বাচ্চার আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে না....লিখে রাখতে পারেন।

ফর গড সেক বাচ্চাকে ভুল করতে দিন .....

জীবনের প্রথম বছরগুলোতে যতো পারেক ভুল করুক । ভুল থেকে শিখলে শেখাটা জম্পেশ হবে। ভুল করে শিখলে আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে ।

আপনার বাচ্চাকে আজ ভুল করতে না দিলে বড়ো হয়ে ভুল করবে ....সেদিন হয়তো আপনি এই পৃথিবীতেই থাকবেন না । তাই আপনি যতোদিন আছেন , বাচ্চাকে ভুল করা থেকে আটকাবেন না।

বাচ্চা যেনো প্রশ্ন করতে ভয় না পায়...বাচ্চা যেনো "না" বলতে ভয় না পায়। আত্মবিশ্বাসী বাচ্চারা খানিকটা অবাধ্য হবে ... স্বাধীনচেতা হবে ....এই লক্ষণগুলো দেখলে আনন্দিত হন যে মেন্টালি স্ট্রং বাচ্চা তৈরি করতে পারছেন ।

একটা quote আমার খুব প্রিয়... রোজ সকালে উঠে একবার এটা নিজেই নিজেকে বলি...নিজেকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।

"If YOU do TOO much for your children you are increasing your self esteem by STEALING theirs!"

কী রূঢ় সত্যি কথা... বার বার পড়ুন ...একদম হৃদয় দিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন ....বুঝতে পারলে মনে হবে কেউ যেন মুখের সামনে একটা আয়না ধরে দাঁড়িয়ে আছে।

লেখাটা পড়তে পড়তে আপনার কান মাথা গরম হয়ে গেলে মাফ করবেন । জোরে আঘাতটা না দিলে আপনার মনের গভীরে ঢুকবে না । নিজের বাচ্চা যদি মানুষের মতো মানুষ না হয় সত্যি বলছি যতই নিজে সফল হন না কেনো , জীবনের শেষ দিনে নিজেকে ব্যর্থ মনে হবে।

আলোচনা হোক ...আপনার মতামত কমেন্টে জানান। লোকজনের সাথে শেয়ার করুন । সবার বাচ্চা ভালোভাবে মানুষ হোক 🙏

-collected

নো প্রাইভেসি ★আজ থেকে আর মাত্র ১০ বছর পর আপনার প্রাইভেসি বলতে কিছুই থাকবে না। কিছুই ফাঁকি দিতে পারবেন না। যেমন আপনি পিৎজ...
11/05/2025

নো প্রাইভেসি ★
আজ থেকে আর মাত্র ১০ বছর পর আপনার প্রাইভেসি বলতে কিছুই থাকবে না। কিছুই ফাঁকি দিতে পারবেন না। যেমন আপনি পিৎজা কিনতে চাইলে যা হবে —

হ্যালো, এটা কি পিৎজা হাট ?

না স্যার, এটা গুগল'স পিৎজা।

আমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?

না স্যার, গুগল দোকানটা কিনে নিয়েছে।

ওকে, আমি কি পিৎজার অর্ডার দিতে পারি?

স্যার, আপনি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেন আজকেও কি ওটাই দেবেন?

আমি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দিয়ে থাকি সেটা আপনি কিভাবে জানলেন?

আপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী, আপনি শেষ ১৫ বার ডাবল চিজ বারো স্লাইস সসেজ+পেপারনী পিজা অর্ডার দিয়ে ছিলেন।

আমি এবারও ওটাই চাই।

কিন্তু স্যার আপনার কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি।

আমার কলেস্টেরল হাই এটা আপনি কিভাবে জানলেন?

কাস্টমার গাইড থেকে। আমাদের কাছে আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে।

আমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দিন। কলেস্টেরলের জন্য আমি ঔষধ খাই।

কিন্তু আপনিতো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০টা ট্যাবলেটের একটা পাতা কিনেছিলেন।

আমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকিগুলো কিনেছি।

কিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না।

আমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি।

কিন্তু আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি তোলেননি।

আমার অন্য আয়ের উৎস আছে।

আপনার ট্যাক্স ফর্মে সে তথ্যের কোন উল্লেখ তো চোখে পড়ছে না।

ধুর শালা,, আপনার পিজার গুষ্টির পিন্ডি চটকাই। পিৎজাই খাবো না। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, সেলফোন, ইন্টারনেট নেই এমন একটা দ্বীপে চলে যাবো যেখানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করতে পারবে না।

হ‍্যাঁ স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে, আমাদের কাছে তথ্য আছে ৫ সপ্তাহ আগে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
মাহমুদা খাতুন।
৮/৫/২৫

একটি খোলা চিঠি—সব বাঙালি মা-বাবার প্রতি১। প্রিয় মায়েরা, ছেলেকে বিয়ে দেবেন না, বরং তাকে বিয়ে করার সুযোগ দিন। যেন সে ন...
10/05/2025

একটি খোলা চিঠি—সব বাঙালি মা-বাবার প্রতি

১। প্রিয় মায়েরা, ছেলেকে বিয়ে দেবেন না, বরং তাকে বিয়ে করার সুযোগ দিন। যেন সে নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে জীবনসঙ্গী বেছে নিতে পারে, সংসার শুরু করতে পারে, পূর্ণ একজন মানুষ হয়ে উঠতে পারে।

২। আপনি ত্রিশ বছর সন্তানকে নিজের আদর্শে মানুষ করেছেন। যদি সে বিয়ের পর মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করে, তবে ভাবার সময় এসেছে—আপনার শিক্ষায়, আচরণে বা মূল্যবোধে কোথাও ভুল ছিল। নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোথায় শেখাতে ভুল হয়েছিল?

৩। সন্তানকে বিয়ে দেওয়ার পর তার জীবনের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিন। শাসন আর অধিকারের বেড়াজাল থেকে তাকে মুক্ত করুন।

৪। মনে রাখবেন, আপনি বাবা-মা হয়েছেন আপনার নিজের সিদ্ধান্তে। সন্তান সেই সিদ্ধান্তে কোনো অংশগ্রহণ করেনি। তাই তার প্রতি দায়িত্ব আপনারই। অধিকার নয়, দায়িত্ব—এই জায়গা থেকেই সম্পর্ক গড়ে তুলুন।

৫। সন্তানদের লালন-পালনে যে কষ্ট, সেটা বাবা-মায়েরা ভালোই জানেন। তবে সেই কষ্টের গল্প সন্তানকে বারবার শোনাবেন না। তারা নিজের সন্তানদের জন্য এই কষ্টের পুনরাবৃত্তি করবে—এটাই জীবনচক্র।

৬। দাম্পত্য জীবনের কষ্ট যদি স্বামী না বোঝেন, তাহলে বাইরের কেউ কখনও বুঝবে না। সেই কষ্টগুলো লেখে রাখুন। কিছু পুরুষ বাইরে সাময়িক আনন্দ খোঁজে, ঘরে ফিরে আসে। কিন্তু গৃহিণীরা সংসারে থেকে থেকে একসময় "বোঝা" হয়ে যান। বিশেষত পঞ্চাশের পর নারীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষ যত্ন দাবি করে। এই সময়ে মানসিক চাপ বেড়ে গেলে, দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

৭। আমার এক খালা একদিন বলেছিলেন, “জানিস, সাহিন যখন বউ নিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে, আমার বুকটা ফেটে যায়।” মা হয়ে এভাবে সন্তানের চোখে হারানো ঠিক নয়। সন্তানকে তার নিজের মতো করে জীবন কাটাতে দিন।

৮। সন্তান বিয়ের পর তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকলে, একদিন আলাদা করে তার সঙ্গে শান্তভাবে কথা বলুন। আলাপ করুন, কিন্তু নিজের মত চাপিয়ে দিয়ে সমাধান করতে যাবেন না।

৯। চল্লিশের পর নারী ও পুরুষ—উভয়েই শরীর ও মনকে নতুন করে যত্ন দিন। নিজেকে ভালোবাসুন।

১০। প্রিয় পুরুষেরা, স্ত্রী সন্তান জন্ম দিয়েছেন, সংসার সামলেছেন—তার সৌন্দর্য আগের মতো থাকবে না। তার পরিবর্তিত দেহের প্রশংসা করুন। কিংবা তাকে ফিট থাকতে সহায়তা করুন, জিমে ভর্তি করে দিন, উৎসাহ দিন। তাকে বলুন, “তোমায় এখনো দেখলেই মুগ্ধ হই।” এতে স্ত্রী মানসিক শান্তি পাবে, আর সংসারেও শান্তি আসবে।

১১। ছেলে-বউয়ের ঘরের দরজায় কান পাতবেন না। ওদের স্বাধীনভাবে বাঁচতে দিন।

১২। যদি সন্তানের কাছে কোনো কিছু প্রয়োজন হয়, অল্প কথায় বলুন, বোঝান। অধিকার ফলাতে যাবেন না।

১৩। সন্তানকে মানুষ করতে যেমন বাবা-মার কষ্ট হয়, সন্তানকেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে ততটাই পরিশ্রম করতে হয়। তাদের স্বপ্নে সহায় হোন।

১৪। নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন, স্বার্থ সন্তানের ঘাড়ে চাপাবেন না। তারা মানুষ, মেশিন নয়।

১৫। অনেক কিছুই আছে—ছেড়ে দিন। সন্তান যদি ভালোবাসে, সে নিজের দায়িত্ব ঠিকই পালন করবে। ভালোবাসার বিনিময়ে কিছু পাওয়ার আশা করবেন না। আর যদি আপনি সামর্থ্যবান হন, তাহলে তো একদমই নয়।

এই পৃথিবীর সব মানুষ যেন সম্মান ও ভালোবাসায় বাঁচতে পারে। মৃত্যুর পর শুধু কবরে ফুল নয়—জীবন থাকতেই ভালোবাসা হোক শ্রেষ্ঠ উপহার।

বি.দ্র.: এএসপি পলাশ সাহার অপমৃত্যু আমাদের পরিবারগুলোর ভাবনার ধরণকে নতুন করে গড়ে তুলবে বলে আশা করি।

☀️ সকালের শুরু যেমন, দিনটাও তেমন! ☀️আমার সকালের কিছু ছোট্ট কিন্তু কাজের টিপস শেয়ার করছি আজ:1. ঘুম থেকে উঠে ১ গ্লাস গরম প...
05/05/2025

☀️ সকালের শুরু যেমন, দিনটাও তেমন! ☀️

আমার সকালের কিছু ছোট্ট কিন্তু কাজের টিপস শেয়ার করছি আজ:

1. ঘুম থেকে উঠে ১ গ্লাস গরম পানি খাওয়া – শরীর ডিটক্স হয় আর মন সতেজ থাকে।

2. নামাজ পড়লে পুরো দিনটা এনার্জিতে ভরপুর থাকে।

3. To-Do লিস্ট বানানো – দিনের কাজগুলো গুছিয়ে নিতে সাহায্য করে।

4.১০ মিনিট স্ট্রেচিং বা হালকা ব্যায়াম – ও এক কাপ চা সময় নিয়ে খাওয়া – নিজের জন্য একটু সময় রাখা খুব দরকার।

এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলো দিনের গতি বদলে দিতে পারে!

আপনার সকালের রুটিনে কী কী থাকে? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না!

🌿 ঘরোয়া টিপস: সহজ ও কার্যকরী! 🌿হ্যালো সবাই! 😊আজ আমি শেয়ার করতে যাচ্ছি কিছু সহজ ঘরোয়া টিপস যা আপনার দৈনন্দিন জীবনকে আরও...
04/05/2025

🌿 ঘরোয়া টিপস: সহজ ও কার্যকরী! 🌿

হ্যালো সবাই! 😊

আজ আমি শেয়ার করতে যাচ্ছি কিছু সহজ ঘরোয়া টিপস যা আপনার দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ এবং ঝামেলামুক্ত করে তুলবে! 🏡

1. অল্প সময়ে রান্না: যদি সময় কম থাকে, তবে একটি প্যানের মধ্যে সবজি ও ডাল মিশিয়ে তাড়াতাড়ি রান্না করে ফেলুন। কিছু মশলা আর তেল দিয়ে তৈরি হবে দারুণ স্বাস্থ্যকর খাবার! 🍲

2. বিলম্বিত কাপড় মেলানো: যখন কাপড় মেলাতে সময় লাগে, একটা বড় টব বা বালতি নিয়ে তার মধ্যে জল এবং এক চামচ লবণ দিয়ে কাপড় কয়েক মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে কাপড়ের তাজা রং ধরে থাকবে এবং মলিন হবে না! 👚

3. রান্নাঘরের অর্ডার: রান্নাঘরকে একদম পরিষ্কার রাখতে, প্রতিবার রান্নার পর সবকিছু মুছে ফেলুন। ছোট্ট কাজগুলো নিয়মিত করলে পরে আর বেশি সময় দিতে হবে না। 🍽️

4. স্টোরেজ আইডিয়া: ছোট ঘরে স্টোরেজ সমস্যা? বেডের নিচে ড্রয়ার বা র্যাক ব্যবহার করে অতিরিক্ত জিনিস রেখে ফেলুন, জায়গা বাঁচবে এবং অগোছালো হবে না! 🏠

এগুলো সবকিছুই ছোট, সহজ টিপস যা দৈনন্দিন জীবনে অনেক সহায়তা করতে পারে। আপনি যদি এই ধরনের আরও টিপস চান, তবে অবশ্যই জানাবেন! 😄

Address

Ramarbag
Dhaka
1350

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when sonia's Logbook posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to sonia's Logbook:

Shortcuts

Share