কাজীপুরের নাসিম

  • Home
  • কাজীপুরের নাসিম

কাজীপুরের নাসিম welcom my page..🇧🇩🇺🇸

ছোলা এর পুষ্টিগুণছোলা আমাদের দেশের অতিপরিচিত একটি ডাল। শুধুমাত্র রোজাই নয়, আজকাল আমরা সব সময় ছোলা খাই। ছোলায় অনেক পুষ্টি...
30/06/2024

ছোলা এর পুষ্টিগুণ

ছোলা আমাদের দেশের অতিপরিচিত একটি ডাল। শুধুমাত্র রোজাই নয়, আজকাল আমরা সব সময় ছোলা খাই। ছোলায় অনেক পুষ্টি রয়েছে। এটা প্রোটিন গ্রুপের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত এবং সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন হিসেবে পরিচিত। ছোলা শরীরের বেশ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে থাকে।

এই ডালে রয়েছে উচ্চ আঁশ; তাই এটি ডাল হিসেবে অনেক উন্নত। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ছোলা খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা খুব ধীরে ধীরে বাড়লে এবং ছোলার আঁশ রক্তে উপস্থিত গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সেই জন্য ডায়াবেটিক রোগীর ক্ষেত্রে ছোলার কোনো জুরি নেই।

তবে যাঁদের কিডনির সমস্যা রয়েছে তাঁরা ছোলা একেবারেই খাবেন না।

শুধুমাত্র কার্বোহাইড্রেট, আঁশ বা প্রোটিন হিসেবে নয়, বেশ কিছু ভিটামিন এবং মিনারেল হিসেবে ছোলার কোনো জুড়ি নেই। এটি পরিপূর্ণ খাবার হিসেবেও খেতে পারেন। ছোলা থেকে বড় এবং ছোট সব পুষ্টিই পাওয়া যায়।

তবে অনেককেই দেখা যায় ছোলা না ভিজিয়ে দ্রুত সিদ্ধ করে খেতে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মনে রাখবেন, ছোলাকে অবশ্যই সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হয়। অথবা সেটি সম্ভব না হলে অন্তত ছয় ঘণ্টা ছোলা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে ছোলার বাহ্যিক কেমিকেল এবং ফাইটিংসগুলো চলে যাবে।

রোজা ছাড়াও যাঁরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাঁরা ছোলাটা একটি মিল হিসেবে রাখতে পারেন। বিশেষ করে ছোলার সঙ্গে যদি টক দই মিলিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে ফাস্ট ক্লাস এবং সেকেন্ড ক্লাস দুটো প্রোটিনই পেয়ে যাবেন।

এ ছাড়া যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের ছোলা, টক দই, সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকের ডায়েটেশিয়ানরা। কেননা ছোলার আঁশ শরীরে ওজন কমাতে সাহায্য করে।

প্রোটিনের চাহিদা পূরণে আমাদের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল সবই খেতে হয়। যার মধ্যে প্রাণিজ প্রোটিন ফার্স্ট ক্লাস আর সেকেন্ড ক্লাস প্রোটিন হিসেবে আমরা ডাল ও বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, তাঁদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা বাদ দেওয়া যাবে না। সেই জন্য মাছ, মাংস কমিয়ে প্রোটিনের সেই চাহিদা যদি ছোলা থেকে পূরণ করা যায় তবে সহসাই রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারবেন।

এ ছাড়া ছোলা আমাদের দেশে সাধারণত দুভাবে খাওয়া হয়। একটি হচ্ছে আস্ত ছোলা, যেটাকে আমরা অনেক সময় ভেজে খাই বা সিদ্ধ করে খাই। আরেকটি হচ্ছে ছোলার ছাতু। আমাদের গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় ছোলাকে গুঁড়ো করে এই ছাতু ব্যবহার করা হয়। যাঁদের ওজন বাড়ানো প্রয়োজন হয়, তাঁদের ক্ষেত্রে এবং বাচ্চাদের খাবারে এই ছোলার ছাতু ব্যবহার হয়ে থাকে।

রোজার সময় প্রচুর তেল দিয়ে ছোলাকে ভুনে খাওয়া হয়। যেকোনো খাবারে অনেক পুষ্টি রয়েছে। আর এই পুষ্টি পাবেন আপনি রান্নার ওপর। তাই খুব বেশি তেল দিয়ে ছোলা ভুনে এর পুষ্টিগুণ নষ্ট করবেন না। বরং ছোলা সিদ্ধ করে তার সঙ্গে টমেটো, শসা, কাঁচামরিচ, তার সঙ্গে একটু অলিভঅয়েল বা সরিষার তেল মিশিয়ে নিলে সেটাই স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হবে।

নারকেল এর ঔষধি গুণাগুণ নারিকেল একটি সুস্বাদু ফল। এর ইংরেজি নাম Coconut বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cocos nucifera. নারিকেল বাংলা...
29/06/2024

নারকেল এর ঔষধি গুণাগুণ

নারিকেল একটি সুস্বাদু ফল। এর ইংরেজি নাম Coconut বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cocos nucifera. নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতম একটি অর্থকরী ফসল। কাঁচা অবস্থায় একে ডাব বলা হয় যার পানি অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। পাকার পর এটাকে ঝুনা নারিকেল বলা হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নারিকেল খাওয়ার প্রচলন আছে। বাংলাদেশের সর্বত্রই নারিকেল গাছ জন্মায়। তবে উপকূলীয় জেলাসমূহে বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, ভোলা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও যশোর জেলায় নারিকেলের উৎপাদন বেশি হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম নারকেলে আছে ৩৫৪ ক্যালরী, ৩৩ গ্রাম ফ্যাট, ২০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৫৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৩.৩ গ্রাম প্রোটিন আছে। এছাড়াও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২ আছে।
এবার তাহলে নারিকেলের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো জেনে নেয়া যাক।
গবেষণায় দেখা গেছে যে পলিনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কায় যেখানে প্রধান খাবার হলো নারিকেল সেখানেকার মানুষের কোলেস্টেরল বা হার্টের সমস্যা অনেক কম। এর কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে নারিকেলে যে ফ্যাটি এসিডের চেইন গুলো আছে সেগুলো কোলেস্টেরল বাড়ায় না বরং আথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে। এমনকি কিছু কিছু নারিকেলে লরিক এসিড পাওয়া গেছে যা মায়ের দুধে থাকে।

নারিকেল বিশেষ কিছু ভাইরাস ধ্বংস করে। যে সব ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, মামস ইত্যাদি রোগ জন্ম দেয়, নারিকেল সেসব ভাইরাস গুলোকে নষ্ট করে ফেলে। ফলে এধরণের অসুখ-বিসুখ থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়।
আলসার, গলার ইনফেকশন, ইউরিন ইনফেকশন, মাড়ির রোগ, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করতেও নারিকেলের ভূমিকা অপরিসীম।
নারিকেল শরীরের শক্তি বাড়িয়ে দেয় এবং কর্ম উদ্দিপনা জাগাতে সহায়তা করে।
হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও এমিনো এসিট শোষন করে নিতে সহায়তা করে।
নারিকেল রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং ডায়াবেটিস জনিত কারণে শরীরের ক্ষতি রোধ করে।
নারিকেল শরীরে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং দাঁত ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে।
গলব্লাডারকে বিভিন্ন ধরণের অসুখ থেকে রক্ষা করতে নারিকেলের ভূমিকা অনেক।
নিয়মিত নারিকেল খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও অন্যানো আরো কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায় অনেকখানি।
নারিকেল দাঁতের ক্ষয় রোধে সহায়তা করে।
নারিকেল প্রস্টেট গ্ল্যান্ড বড় হয়ে যাওয়া রোধ করতে ভূমিকা রাখে।
কিডনীতে পাথর আছে যাদের তাঁরা নিয়মিত খাবার তালিকায় নারিকেল রাখলে ধীরে ধীরে পাথর মিলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
নারিকেল থাইরয়েড হরমোনের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বক কোমল ও সুন্দর হয়। এছাড়াও নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বকে সহজে বয়স জনিত বলিরেখা পড়ে না।
নারিকেল অতিরিক্ত ওজন কমাকে সহায়তা করে। নারিকেল খুব অল্প ক্যালোরিতেই মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে অল্পক্ষণের মধ্যেই শরীরে শক্তি যোগায়। নারিকেল খেলে সহসা ক্ষুধাও লাগে না। তাই গবেষনায় দেখা গেছে যে যারা নিয়মিত নারিকেল খাওয়া শুরু করে তাদের বেশ খানিকটা ওজন হ্রাস পায়।

29/06/2024
জাম্বুরা এর ঔষধি গুণাগুণটক-মিষ্টি জাম্বুরা লবণ-মরিচ দিয়ে মাখিয়ে খেতে ভীষণভালো লাগে! এর সালাদ বা জুস বানিয়েও খাওয়া হয...
29/06/2024

জাম্বুরা এর ঔষধি গুণাগুণ

টক-মিষ্টি জাম্বুরা লবণ-মরিচ দিয়ে মাখিয়ে খেতে ভীষণ
ভালো লাগে! এর সালাদ বা জুস বানিয়েও খাওয়া হয়।
এটি লেবু গোত্রের ফল হলেও এর স্বাদ অনেকটা আঙুরের
মতো!
জাম্বুরা ফল হিসেবে যেমন চমত্কার তেমনি এর পুষ্টিগুণও
ব্যাপক! জাম্বুরার প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য
অংশে রয়েছে –
খাদ্যশক্তি- ৩৮ কিলোক্যালরি
শর্করা- ৯.৬ গ্রাম
খাদ্যআঁশ- ১ গ্রাম
চর্বি- ০.০ গ্রাম
আমিষ- ০.৭ গ্রাম
থায়ামিন- ০.০৩৪ মিলিগ্রাম
রিবোফ্লেভিন- ০.০২৭ মিলিগ্রাম
নিয়াসিন- .২২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি৬- ০.০৩৬ মিলিগ্রাম
ভিটামিন সি- ৬১ মিলিগ্রাম
আয়রন- ০.১১ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম- ৬ মিলিগ্রাম
ম্যাংগানিজ- ০.০১৭ মিলিগ্রাম
ফসফরাস- ১৭ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম- ২১৬ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম- ১ মিলিগ্রাম
জিংক- ০.০৮ মিলিগ্রাম
রক্তনালির প্রদাহ কমাতে জাম্বুরার জুড়ি নেই!
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। যা হৃদরোগ ও
স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
এর ভিটামিন সি ও বি দাঁত, ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বজায়
রাখতে সাহায্য করে।
জ্বর, মুখের ঘা ইত্যাদি সারাতে জাম্বুরা সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও পাকস্থলীর রোগ
প্রতিরোধে জাম্বুরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

নারকেল এর ঔষধি গুণাগুণ 🌴🌴🌴নারিকেল একটি সুস্বাদু ফল। এর ইংরেজি নাম Coconut বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cocos nucifera. নারিকেল বা...
29/06/2024

নারকেল এর ঔষধি গুণাগুণ 🌴🌴🌴

নারিকেল একটি সুস্বাদু ফল। এর ইংরেজি নাম Coconut বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cocos nucifera. নারিকেল বাংলাদেশের অন্যতম একটি অর্থকরী ফসল। কাঁচা অবস্থায় একে ডাব বলা হয় যার পানি অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর। পাকার পর এটাকে ঝুনা নারিকেল বলা হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নারিকেল খাওয়ার প্রচলন আছে। বাংলাদেশের সর্বত্রই নারিকেল গাছ জন্মায়। তবে উপকূলীয় জেলাসমূহে বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, ভোলা, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর ও যশোর জেলায় নারিকেলের উৎপাদন বেশি হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম নারকেলে আছে ৩৫৪ ক্যালরী, ৩৩ গ্রাম ফ্যাট, ২০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৫৬ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ও ৩.৩ গ্রাম প্রোটিন আছে। এছাড়াও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি-৬ ও বি-১২ আছে।
এবার তাহলে নারিকেলের স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো জেনে নেয়া যাক।
গবেষণায় দেখা গেছে যে পলিনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কায় যেখানে প্রধান খাবার হলো নারিকেল সেখানেকার মানুষের কোলেস্টেরল বা হার্টের সমস্যা অনেক কম। এর কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে নারিকেলে যে ফ্যাটি এসিডের চেইন গুলো আছে সেগুলো কোলেস্টেরল বাড়ায় না বরং আথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে। এমনকি কিছু কিছু নারিকেলে লরিক এসিড পাওয়া গেছে যা মায়ের দুধে থাকে।

নারিকেল বিশেষ কিছু ভাইরাস ধ্বংস করে। যে সব ভাইরাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, মামস ইত্যাদি রোগ জন্ম দেয়, নারিকেল সেসব ভাইরাস গুলোকে নষ্ট করে ফেলে। ফলে এধরণের অসুখ-বিসুখ থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যায়।
আলসার, গলার ইনফেকশন, ইউরিন ইনফেকশন, মাড়ির রোগ, গনোরিয়া ইত্যাদি রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করতেও নারিকেলের ভূমিকা অপরিসীম।
নারিকেল শরীরের শক্তি বাড়িয়ে দেয় এবং কর্ম উদ্দিপনা জাগাতে সহায়তা করে।
হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও এমিনো এসিট শোষন করে নিতে সহায়তা করে।
নারিকেল রক্তের ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখে এবং ডায়াবেটিস জনিত কারণে শরীরের ক্ষতি রোধ করে।
নারিকেল শরীরে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং দাঁত ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে।
গলব্লাডারকে বিভিন্ন ধরণের অসুখ থেকে রক্ষা করতে নারিকেলের ভূমিকা অনেক।
নিয়মিত নারিকেল খেলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও অন্যানো আরো কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায় অনেকখানি।
নারিকেল দাঁতের ক্ষয় রোধে সহায়তা করে।
নারিকেল প্রস্টেট গ্ল্যান্ড বড় হয়ে যাওয়া রোধ করতে ভূমিকা রাখে।
কিডনীতে পাথর আছে যাদের তাঁরা নিয়মিত খাবার তালিকায় নারিকেল রাখলে ধীরে ধীরে পাথর মিলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
নারিকেল থাইরয়েড হরমোনের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।
নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বক কোমল ও সুন্দর হয়। এছাড়াও নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বকে সহজে বয়স জনিত বলিরেখা পড়ে না।
নারিকেল অতিরিক্ত ওজন কমাকে সহায়তা করে। নারিকেল খুব অল্প ক্যালোরিতেই মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে অল্পক্ষণের মধ্যেই শরীরে শক্তি যোগায়। নারিকেল খেলে সহসা ক্ষুধাও লাগে না। তাই গবেষনায় দেখা গেছে যে যারা নিয়মিত নারিকেল খাওয়া শুরু করে তাদের বেশ খানিকটা ওজন হ্রাস পায়।

🍂🍂🍂🍂🍂
28/06/2024

🍂🍂🍂🍂🍂

শতমূলী গাছ 🍂🍂🍂🍂🍂শতমূলী একটি বহুবর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ।  এটা কোন গাছ কে আশ্রয় করে বেচে থাকে ও বেড়ে উঠে।  এই গাছের লতাতে বা...
28/06/2024

শতমূলী গাছ 🍂🍂🍂🍂🍂

শতমূলী একটি বহুবর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ। এটা কোন গাছ কে আশ্রয় করে বেচে থাকে ও বেড়ে উঠে। এই গাছের লতাতে বাকানো কাটা থাকে। এই গাছের পাতা গুলো দেখতে সুতার মত। শরৎ কালে ফুল ও ফল হয়। ফুলে এক থেকে দের ইন্চি লম্বা সরু দন্ডের মতো মন্জুরী থাকে। এই গাছ অনেক দিন বাচে। পুরাতন একটি গাছে ১০-১২ কেজির মত মূল পাওয়া যায়।

এই গাছের মূল ও পাতা ভেষজ হিসেবে ব্যবহার হয়। রসবহ ও রক্তবহ স্রোতে চমৎকার কাজ করে।

রক্ত আমাশয় রোগে শতমূলী ব্যবহার করে অশ্বফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে শতমূল বেটে ৪ চামচ রসের সঙ্গে ৭-৮ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে সকাল বিকাল খাওয়াতে হবে। এতে দুইদিনই রোগটা সেরে যাবে।

শরীরের রক্ত নানা কারনে দূষিত হয়ে নানা রোগে সৃষ্টি হয়ে থাকে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো --- দাদঁ, চুলকানি, ফোঁড়া, খোস-পাচড়া, বহুমূত্র, শুক্রধাতু তরল হওয়া, বাতব্যাধি, ব্রণ ইত্যাদি কাজে শতমূলী গুড়া দুই থেকে তিন চামচ সকালে এক গ্রাস ঠান্ডা পানির সাথে খেলে অতি তারাতারি রোগ ভালো হয়ে যায়।

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কাজীপুরের নাসিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Food & Beverage Service?

Share