নরসিংদী গাভী ও ষাড় গরু ক্রয় বিক্রয় ও চিকিৎসা সেবা অনলাইন গ্রুপ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • নরসিংদী গাভী ও ষাড় গরু ক্রয় বিক্রয় ও চিকিৎসা সেবা অনলাইন গ্রুপ

নরসিংদী গাভী ও ষাড় গরু ক্রয় বিক্রয় ও চিকিৎসা সেবা অনলাইন গ্রুপ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from নরসিংদী গাভী ও ষাড় গরু ক্রয় বিক্রয় ও চিকিৎসা সেবা অনলাইন গ্রুপ, Farm, Cahr Narandi, Narandi,Monohardi, Narsingdi, Dhaka.

আমরা চাই খামারিদের গাভী ও ষাড় গরুর সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে, যেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। গাভী ষাড় গরু লালন পালন করে নিজে লাভবান হতে পারে এবং দেশকে সমৃদ্ধ করতে পারে। দেশের মানুষের আমিষ তথা দুধ ও মাংসের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হয়।

16/06/2025

L*D রোগে আতংকিত হয়ে ইনজেকশন দিয়ে গরু মারবেন না!

1) গরুর L*D রোগে প্রথম সপ্তাহে বেশী ঔষধ ব্যবহার করবেন না, এ সময় গরুর নিজের রোগ দমন সক্ষমতা দিয়ে রোগকে মোকাবেলায় সুযোগ দিতে হবে।কতটুকু মোকাবেলা করতে পারছে, এটা খেয়াল করে সাপোর্ট চিকিৎসা দিতে হবে। ভয়ে অগ্রীম চিকিৎসা করতে গিয়ে পিছিয়ে যাবেন।
2) এই সময়/ প্রথম দুই সপ্তাহ কোন প্রকার এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না, কারন এটা ভাইরাস ঘটিত রোগ, ব্যকটেরিয়া ঘটিত রোগ না।
3) প্রথম সপ্তাহে যত বেশী ঔষধ খাওয়াবেন, এই রোগ ভাল হতে তত বেশী সময় লাগবে; ক্ষতি বেশী হবে, শেষে চিকিৎসা ব্যয় বাড়বে, তথাপি ও গরু-বাছুর বাঁচানো কঠিন হবে।
4) এ সময় আপনার প্রধান কাজ হল একটি থার্মোমিটার হাতের কাছে রাখা, জ্বর মাপা ও জ্বর নিয়ন্ত্রনে রাখা, ফাষ্টভেট/পাইরালজিন এসব ট্যবলেট খাওয়ান প্রতি আট ঘন্টা পরপর দিনে তিনবার। কম করে হলে দিনে 2-3 বার গোসল করাবেন, শরীর মুছে দিতে হবে, জ্বর 104 থেকে নীচে রাখতে চেষ্টা করুন।
5) এই সময় খাবার সোডা বড় গরুর জন্য 40 গ্রাম,বাছুর হলে 20-25 গ্রাম, নিমপাতা পরিমান মত,জিংক সিরাপ বাছুর 30 মিলি, বড় গরুর 40-50 মিলি 15 দিন খাওয়াতে থাকুন। এতে এই রোগের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কম হবে।
6) গোটা গুলো মোটামুটি দৃশ্যমান হতে সুযোগ দিতে হবে, এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এ সময় গরুর রোগ প্রতিরোধশক্তি এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে ফাইট করছে এটা জোর করে বন্ধ করতে না যেয়ে একটু সময় দিন ও পরে নন স্টেয়রয়েড এন্টিহিস্টামিন ইনজেকশন দিতে পারেন। এসময় এষ্টাভেট/রেনাসিন ইনজেকশন 100 কেজি বডি ওয়েটের জন্য 8-10 সিসি পরপর তিন দিন/ এক দিন পরপর তিন বার দিতে পারেন। এ সময় রেজিঃ ভেটের পরামর্শ নিবেন।
7) এ সময় খাবার স্বাভাবিক রাখুন,ইলেকট্রোলাইটস/ডেক্সড্রোজ ও মিনারেলস সাপোর্ট দিতে পারেন। ওর স্যালাইন,লেবুর রস, ক্যালসিয়াম, এমাইনোভেট প্লাস সিরাপ এসব দিয়ে এনার্জি ও পুষ্ঠি সাপোর্ট দিতে হবে। এতে গরুর রোগ প্রতিরক্ষা তৈরীতে সহায়তা হবে।
8) এ সময় No lumpy, Lumpy cure, FRA C12 এসব পাউডার খাওয়াতে পারেন। এতে ভাইরাস ভেতর থেকে দূর্বল হয়ে যাবে।
9) নিমপাতা সিদ্ধ পানি, পটাশের পানি, স্যাম্পু, টিমসেন/ GPC8 /FAM 30 এসব দিয়ে গোসল করাতে হবে।
10) গরুর শরীরে ঘা ফেটে গেলে বা পোকা দেখা দিলে এ-মেক্টিন প্লাস ইনজেকশন দিবেন।

উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলি প্রিয় গরু পালনকারী ভাই ও বোনেরা সঠিক ভাবে পালন করলে L*D রোগ থেকে আপনার গরু দ্রুত সু

11/06/2025

^★★গাভী গর্ভকালীন সময় যা যা করণীয় ★★^

১.গাভীর গর্ভের সময়কার সাত মাসের বেশী হলে এ সময় বেশী করে প্রোটিন যুক্ত কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে,যে কোন ঘাস হলেই হবে না।ঘাসের ক্রুড প্রোটিন ও মিনারেলস ও হার্বাল উপাদান প্রসব সহায়তা করে।

২.শেষের দুইমাস দানাদার কমিয়ে আনতে হবে;এসময় গাভীর খাদ্য গ্রহনের জন্য পেটে জায়গা অনেক কমে যায়।যা খাবার দিবেন,যথেষ্ট পুষ্টিকর হতে হবে।ছোলা,মশুরী ও সয়াবিন,সরিষার খৈল উপকারী।অনেকে প্রিমাফ্যাট,হাই ফ্যাট/পাম ওয়েল ফ্যাট খাওয়ানোতে ও বেশ উপকার পাচ্ছেন।

৩.এ সময় মিনারেলস এর পরিমান বাড়াতে হবে,সাধারন লবনের/NaCl খাওয়ানো একদম কমাতে হবে,বা বাধ দিতে হবে।সাধারন লবনের পরিমান বেশী হলে ওলানে ও নাভিতে পানি চলে আসবে ও যে কোন সময় পেটফাঁপা/ Acodisis হতে পারে.

৪.এ সময় কি কি বেশী দরকার?ক্যালসিয়াম,আয়রন,জিংক,ফসফেট,সেলেনিয়াম,
কোবাল্ট,ভিটামিন AD3E সমৃদ্ধ খাবার বাড়াতে হবে।মনে রাখবে এই পয়েন্ট টি হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ জাতীয় খাবার কি কি এটা বুঝতে অনেক জ্ঞানের প্রয়োজন তাই এটা না জানলে বাজার থেকে এসব উপাদান পরিপূরক ঔষধ/খাবার দিতে হবে।
যেমন ,
DCP Powder,Calcium Syrup/
Renasol Vitamin AD3E Syrup,
Andox D,এমাইনোভিট প্লাস সিরাপ,আয়রন সিরাপ!
এ সব ঔষধ কি পরিমান খাওয়াবেন এটা উপজেলা ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শে করবেন।
প্রসবের 21 দিন আগে থেকে Calcium Syrup বন্ধ করে বা একদম কমিয়ে দিবেন, এসময় তিন দিন পর একটু সিরাপ বা 50 গ্রাম ডিসিপি দিবেন!ডিবি পাউডার ও জিংক সিরাপ চলবে। প্রসবের পর জিংক সিরাপ বন্ধ থাকবে।
৫.প্রসবের 21 দিন আগে থেকে DCAD Minus নামক পাউডার খাওয়াতে হবে সকাল বিকাল! এটি না পাওয়া গেলে আয়ুমিন প্লাস লবন, আপেল সাইডার ভিনেগার,লেবুর রস, ম্যাগনেসিয়াম ট্যাবলেট /এপসম লবন লবন উপকারী। NaCl লবন বন্ধ করুন। কারন DCAD এ সব সব রকম দরকারী উপাদান আছে।
৬.বাসস্থান শোয়ার জায়গা নরম আরামদায়ক /মেট/বালু/জীবানুমুক্ত /মশামাছি মুক্ত/Disinfectant Chemical GPC8,FAM 30, ব্লিচিং,পটাশ,ফিটকিরি,ফিনাইল,গুড়া সাবান দিয়ে 100% পরিস্কার ও শুকনো রাখুন।এ সময় গাভী দিনে 18 ঘন্টার মত শুয়ে থাকবে;যদি এর চেয়ে কম শুয়ে থাকে তা হলে চিন্তা করুন এবং কারন/গাভীর অসুবিধা হচ্ছে কিনা খোঁজে বের করে এটা সমাধানের চেষ্টা করুন।সারাক্ষন বেধে রাখবেন না,এ সময় তাকে মুক্ত থাকেত দিলে সর্বাধিক উপকার পাবেন।

৭.প্রতিদিন কিছু পাকা কলা খেতে দিতে পারেন!!
এছাড়াও কিছু লাল শাক,পুইশাক,কলমিশাক,
অংকুরিত ছোলা বুট,লেবু,সজিনা পাতা,কাঁঠাল পাতা,ইপিল ইপিল,মিস্টি কুমড়া খেতে দিতে হবে।এতে প্রসব জটিলতা সহজে দূর হয়!

এ ভাবে আপনি কোন প্রকার অক্সিটোনিন হরমোন ব্যবহার না করেই সহজে গর্ভফুল বের হবে ইনশাআল্লাহ।
এ ভাবে চললে বাছুর প্রসবে কোন জটিলতা হবেনা এটা 100% নিশ্চিত থাকেন।
এমন ও হতে পারে কোন একদিন সকাল বেলা যেয়ে দেখবেন গাভীর পাশে বাছুর রাতে ভূমিস্ট হয়ে গাভীর দুধ খাচ্ছে নিজে নিজেই।

গরুর খামারের এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী...!! খামার করে কস্টিং খরচ যতো কমিয়ে রাখতে পারবেন ততটাই কিন্তু লাভ...
18/02/2025

গরুর খামারের এই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী...!!
খামার করে কস্টিং খরচ যতো কমিয়ে রাখতে পারবেন ততটাই কিন্তু লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
তার জন্য কিছু কিছু দিক আমাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে😃😃

১.গরুর চোখের ভাষা বুঝতে হবে, নিয়মিত খাবার খাচ্ছে কিনা, জাবর কাটা ও শারীরিক কোন সমস্যা আছে কিনা এরপরে প্রতি মাসে কতটুকু মাংস বৃদ্ধি পাচ্ছে সেটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

২.ফার্মে অবশ্যই থার্মোমিটারের ব্যবস্থা রাখতে হবে, যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আগে জ্বর সাধারণত ১০৪°/১০৮° পর্যন্ত হয়ে থাকে।

৩.নিজেকে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসা গুলো জানতে হবে, আর কোনগরু আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা রাখতে হবে।
৪.আমরা অনেকেই কৃমির ডোজ সম্পন্ন করতে অনিহা প্রকাশ করি, অবশ্যই গবাদিপশুর গোবর পরীক্ষা করে নিয়মিত ৩/৪ মাস পর পর ক্রিমির ডোজ সম্পন্ন করতে হবে।
৫.ফার্মের রোগ ছড়িয়ে পড়ার আগেই অবশ্যই ভ্যাকসিন করতে হবে। টিকার ডোজ সম্পূর্ণ করা থাকলে ফার্মে অনেক রোগ বালাই কম হয়।

৬.মোটাতাজাকরণ আর গাভী গরু হোক পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচা ঘাস খাওয়াতে হবে, এতে আপনার দানাদার খাবার খরচ অনেক কম হবে।

৭.১২ থেকে ১৫ টি গরুর নিচে রাখাল রাখা যাবে না, পাঁচটি গাভির জন্য একটি রাখাল তা না হলে আপনার ফার্মের কস্টিং খরচ অনেক বেড়ে যেতে পারে।

৮.ফার্ম নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এবং গরুকে ১০ ঘণ্টা খাবার দিতে হবে এবং ১৪ ঘন্টা রেস্ট করতে দিতে হবে তাহলে পর্যাপ্ত পরিমাণ জাবর কাটবে এবং হজম শক্তি ভালো হবে এবং গরুকে ভয় দেখানো যাবেনা।

৯.জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ফার্মে বাহিরে লোক প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না বিশেষ করে যাদের গরু আছে, কারণ ব্যক্তির মাধ্যমে রোগ জীবাণু ছড়াতে পারে।

১০.নিয়মিত দুই থেকে তিন বেলা গরুর জন্য সাদা ফ্রেশ পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে কারণ গবাদিপশু সুস্থ রাখতে রাখতে পানির কোন বিকল্প নাই।
১১.রাত দশটার পর অবশ্যই ফার্মের প্রত্যেকটা গরু জাবর কাটছে কিনা,নাকের সামনের মাসলটা ভিজা কিনা, শরীরের লোম দাঁড়ানো কিনা, পেটের মধ্যে গ্যাস হয়েছে কিনা এই সমস্ত বিষয় কিন্তু অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

সাধারণত এই বিষয়গুলো খেয়াল করলে আমাদের ফার্ম অনেকটাই নিরাপদ এবং গবাদীপশু সুস্থ রাখতে পারব ইনশাআল্লাহ।
ধন্যবাদ সবাইকে, প্রয়োজনের শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।

গাভী বা বকনা কে বার বার বীজ দেওয়ার পরও গরম হওয়ার কারণ ও তার প্রতিরোধ সম্পর্কে লিখা।অনেকের এই প্রশ্ন আমার গাভী বা বকনা কে...
20/01/2025

গাভী বা বকনা কে বার বার বীজ দেওয়ার পর
ও গরম হওয়ার কারণ ও তার প্রতিরোধ সম্পর্কে লিখা।

অনেকের এই প্রশ্ন আমার গাভী বা বকনা কে ২/৩/৪/৫ ও ৬ বার পর্যন্ত ও বীজ/ পাল দিয়েছে,
কিম্তু তা এক্সপেক্ট করে না........,

➤বার বার গাভী /বকনা গরম হওয়ার কারণঃ
_______________________________________
_______________________________________

১।কৃমিমুক্ত না থাকলে এবং কৃমিনাশক ডোজ পরিমাণ মতো না খাওয়ালে অনেক সময় বীজ কনসেপ্ট করে না।

২।শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকলে ভিটামিন, জিংক,ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি থাকলে ও কনসেপ্ট করে না অনেক সময় দেখা যায়।

৩।পুষ্টিসৃমদ্ধ খাদ্যের অভাবে ও হয়ে থাকে।

৪।ভূল সময়ে প্রজনের কারণে ও হয়ে থাকে।

৫।জরায়ুতে কোন প্রকার জটিলতা বা ইনফেকশন থাকার কারণে।
জরায়ুর পরিবেশ ভালো না থাকার কারণে।

৬।যদি ডিম দেরিতে নিঃসরিত হয় এবং প্রজননের সময় বীজের গুনগত মান ভালো না হয়।

৭।অদক্ষ প্রজননকারী দিয়ে বীজ দেওয়ার কারণে ও হয়ে থাকে।

৮।কাঁচা ঘাসের অভাবে ও হয়ে থাকে।

➤এই সমস্যার প্রতিরোধঃ
______________________
______________________

১। নতুন বকনা হলে ১ম হিটে বীজ/পাল দিবেন না, ১৮-২১ দিনে মধ্যে বা পরে আবার ২য় বার হিটে আসবে তখন বীজ দিবেন।

২।কখন হিটে আসল বা গরম হলো তা নির্ণয় করতে হবে।

৩।সঠিক সময়ে প্রজনন করতে হবে,গরম হওয়ার ১২থেকে ১৮ ঘন্টার মধ্য।

৪।পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়াতে হবে এবং খাদ্যের তালিকায় ঘাস রাখতে হবে।

৫।কৃমিনাশক আড়াই থেকে ৩ মাস পর পর খাওয়াতে হবে, ডোজ হতে হবে পরিমান মতো।

৬।প্রয়োজন অণুসারে টনিক,জিংক,ক্যালসিয়াম খাওয়াতে হবে এবং সু স্বাস্থ্য যাতে তৈরি হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

৭।প্রয়োজনে ভেটেরিনারি সার্জনের সাথে যোগাযোগ করে☞ গরম হলে বীজ দেওয়ার ২/৩ ঘন্টা আগে ফার্টিলোন ইনঃ মাংশে দিয়ে পরে প্রজনন করান।

৮।দক্ষ প্রজননকারীর দ্বারা প্রজনন করাতে হবে।

৯।সিমেনের গুনগত মান ভালো হতে হবে।

একটি গাভী বা বকনা বার বার হিটে আসলে তাতে খামারীর অনেক লস হয় এবং হতাশা সৃষ্টি হয়।
সুতরাং, বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন আপনার খামারটি কে বাঁচিয়ে রাখুন।
★তবেই বেচে থাকবে খামারীদের স্বপ্ন★

অন্য খামারীর উপকারের স্বার্থে পোস্ট টি শেয়ার করুন।
অনুগ্রহ পূর্বক কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিয়ে খামারীদের মাঝে বিবৃান্তি সৃষ্টি করবেন না।
কারণ আমার লেখা কারো চুলকানির জন্য নয়।
ভালো লাগলে শেয়ার করবেন,নয়তো এড়িয়ে যাবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে

কোনো রকম ওষুধ ছাড়াই গোরুর দুধ বাড়ানোর প্রাকৃতিক কৌশল শিখে নিনপ্রসবের দুই মাস আগে গাভীর দুধ দোহন অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হ...
04/01/2025

কোনো রকম ওষুধ ছাড়াই গোরুর দুধ বাড়ানোর প্রাকৃতিক কৌশল শিখে নিন

প্রসবের দুই মাস আগে গাভীর দুধ দোহন অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হবে। মোট দুধ উৎপাদনের ৪০% ওলানের সামনের অংশের বাঁট এবং ৩০% পেছনের অংশের বাঁট থেকে পাওয়া যায়।

গরুর দুধ বাড়ানোর উপায় আমাদের দেশের মধ্যে একটি কথা প্রচলিত আছে আর তা হলো গবাদি পশুদের বাটে দুধ নেই। দুধ মেলে তার মুখে। অর্থাৎ ভালোভাবে খেতে দিলেই বেশি পরিমাণ দুধ পাওয়া যাবে।
দুধের উৎপাদন বাড়াবেন যেভাবে

প্রসবকালে গাভীর সুস্বাস্থ্য আশানুরূপ দুধ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাভী থেকে বেশি দুধ পেতে হলে গর্ভকালে সুষ্ঠু পরিচর্যা ও সুষম খাদ্য দেওয়া প্রয়োজন। প্রসবের দুই মাস আগে গাভীর দুধ দোহন অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হবে। মোট দুধ উৎপাদনের ৪০% ওলানের সামনের অংশের বাঁট এবং ৩০% পেছনের অংশের বাঁট থেকে পাওয়া যায়। গাভীর ওলানের বাঁট অবশ্যই সুস্থ থাকতে হবে।

ড্রাই পিরিয়ড

ড্রাই পিরিয়ড বলতে সেই সময়কে বোঝায় যখন গাভীর বাছুর বড় হওয়ার পর থেকে পুনরায় গর্ভবর্তী হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়কে। এ সময় সাধারণত ৫০-৬০ দিন হলে ভালো হয়। এ সময়ে গাভীর তার দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং পরবর্তী বাছুরের জন্য নিজের দেহকে সুষ্ঠুভাবে তৈরি করতে পারবে। আজ এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ড্রাই পিরিয়ড বৃদ্ধি পেলে দুধ উৎপাদন বাড়ে।

প্রাকৃতিক উপায়ে গরুর দুধ বৃদ্ধির কৌশল আমাদের অনেকেরই জানা নেই। গরু পালনে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে দুধ উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গরুর দুধ উৎপাদনের ওপর অনেক ক্ষেত্রেই লাভবান হওয়া নির্ভর করে। তবে অনেকেই প্রাকৃতিক উপায়ে গরুর দুধ বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে জানেন না। আসুন জেনে নেই প্রাকৃতিক উপায়ে গরুর দুধ বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে-

প্রাকৃতিক উপায়ে গরুর দুধ বৃদ্ধির কৌশল

খাদ্য তৈরির শুরুতেই কড়াই বসিয়ে তাতে ২৫০ গ্রাম সরিষার তেল ভালো করে গরম করে নিতে হবে।এরপর তেল গরম হয়ে এলে তাতে হলুদ ভালো করে ভেজে নিতে হবে যাতে খয়েরী বা কালচে হলুদ রঙ ধারণ করে।এরপর তেল ঝড়িয়ে হলুদ গুলি একটু ঝরঝরে করে নিতে হবে। এবার হলুদগুলি হামান দিস্তার সাহায্যে ভালো করে গুঁড়া করে নিতে হবে।এরপর একটা পাত্র নিয়ে হলুদের গুঁড়া এতে রেখে লাল চিনি বা আখের গুড় এবং বাকী ৭৫০ মি.লি সরিষার তেল ও যেই তেলে হলুদগুলি ভাঁজা হয়েছিল সেই অবশিষ্ট তেলসহ সব উপাদান গুলি খুব ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। হবে। এবার এটা ঠান্ডা ও শুক্না জায়গায় কিংবা বয়্যাম বা পাত্রে ৭ দিন রেখে দিতে হবে। আর এভাবেই তৈরি হল গরুর দুধ বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক উপায়ে খাদ্য ।

প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এই খাদ্যটিকে ৭ দিন পর সকালে গাভীকে ১০০ গ্রাম করে খাওয়াতে হবে। গাভী এই খাদ্যটি বেশ যত্ন সহকারেই খাবে। এই খাদ্য নিয়মিত খাওয়ালে গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে অনেকগুনে।

এছাড়াও গাভীকে নিয়মিত পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরি। বাছুর প্রসবের পর গাভীকে সঠিকভাবে গোসল করাতে/ পরিষ্কার করতে হবে। শীতের দিন হলে হালকা গরম পানি দিয়ে হলেও তা পরিষ্কার করতে হবে। যা দেহের বহিঃপরজীবী দূর করতে এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। আর তাপমাত্রার সাথে দুধ উৎপাদন এর একটা সম্পর্ক রয়েছে।

উন্নত জাতের গাভী চেনার উপায়!দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে গাভী পালন। উন্নত জাতের গাভী পালন করে বেশ লাভবান হওয়া যায়...
23/12/2024

উন্নত জাতের গাভী চেনার উপায়!

দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বাণিজ্যিকভাবে গাভী পালন। উন্নত জাতের গাভী পালন করে বেশ লাভবান হওয়া যায়। অনেকে উন্নত জাতের গাভী চিনতে না পেরে ক্ষতির মুখে পড়েন। উন্নত জাতের গাভীর কিছুর সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট আছে যা দেখে সহজেই জানা যাবে এটি উন্নত জাতের। এজন্য কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।গাভি কেনার আগে অবশ্যই ভালো দুধ দেওয়ার লক্ষণবিশিষ্ট গাভীটিই নির্বাচন করতে হবে। সুষম খাবার, উন্নত বাসস্থান, সঠিক পরিচর্যাসহ আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে লালন-পালন করার পরও শুধু গাভি নির্বাচনে ভুল করলে প্রত্যাশিত মাত্রায় দুধ উৎপাদন সম্ভব হবে না।

উন্নত জাতের দেহের আকার বড় হবে, পেট থাকবে ঢিলাঢালা, পা শিথিল, চওড়া কপাল ও মাথা ছোট একটি উৎকৃষ্ট দুগ্ধবতী গাভীর বৈশিষ্ট্য। ভালো জাতের গাভির শরীরের চামড়া থাকবে পাতলা, নরম ও আলগা থাকে। দুধেল গাভির ত্বকে থাকে চাকচিক্য। বুক বেশ গভীর ও প্রশস্ত। সামনের ও পেছনের পা দুটির মধ্যে যথেষ্ট ফাঁক থাকবে।

এছাড়াও উন্নত জাতের গাভীর পেছনের পা সামনের পায়ের চেয়ে বড় হয়। গাভির মুখগহ্বর ও নাসিকা প্রশস্ত হবে। উৎকৃষ্ট গাভীর চোখ সব সময় উজ্জ্বল হবে। দেহ তেমন চর্বিবহুল হবে না। দুগ্ধবতী গাভির শরীর সাধারণত অপ্রয়োজনীয় পেশীমুক্ত থাকে।

ভালো জাতের গাভীর পেছনের দিক সামনের দিক অপেক্ষা প্রশস্ত হবে। তাই উন্নত দুগ্ধবতী গাভিকে পেছনের দিক থেকে গোঁজাকৃতি দেখায়। প্রশস্ত চওড়া পাছা ও পেছনের পা দুটির মধ্যে যথেষ্ট ফাঁক উন্নত গাভির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পেছনের পা দুটির মধ্যে পর্যাপ্ত ফাঁক থাকলে ওলান বড় হওয়ার সুযোগ থাকে।

ভালো গাভীর ওলান বেশ বড়, চওড়া, মেদহীন এবং কক্ষগুলো সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। ওলান সামনে ও পেছনে সমভাবে প্রসারিত থাকে। ওলানের পেছন দিক সুডৌল ও প্রশস্ত হয়। পাশ থেকে ওলানের তলদেশ সমতল দেখায়। দুগ্ধবতী গাভির ওলান স্পঞ্জের ন্যায় নরম থাকে যা দুধ দোহনের পূর্বে বড় দেখায় এবং পরে সংকুচিত হয়ে ঝুলে থাকে। অধিক মাংসল ও চর্বিযুক্ত ওলান ভালো নয়। এ ধরনের ওলানে দুধ ধারণের জায়গা কম থাকে।

Address

Cahr Narandi, Narandi,Monohardi, Narsingdi
Dhaka
1651

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নরসিংদী গাভী ও ষাড় গরু ক্রয় বিক্রয় ও চিকিৎসা সেবা অনলাইন গ্রুপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category