Revenue Analytics

Revenue Analytics This platform will help you to flourish legal knowledge regarding Revenue,Finance, VAT, Tax,Customs

বিড়ি খাতে শিশু শ্রমিকদের ব্যাবহার করা হচ্ছে। সরকারের এ বিষয় নিয়ে ভাবনা কি?
12/06/2026

বিড়ি খাতে শিশু শ্রমিকদের ব্যাবহার করা হচ্ছে। সরকারের এ বিষয় নিয়ে ভাবনা কি?

১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে টিআইএন বাধ্যতামূলক২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনের ...
12/06/2026

১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনে টিআইএন বাধ্যতামূলক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৩.৭ শতাংশ। এটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।

আগামী অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় বাড়িয়ে এবং পরিচালন ব্যয় তুলনামূলক কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি ব্যয়ের কাঠামোয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য ৩ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে পরিচালন ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।

সরকার ধীরে ধীরে বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করছে। সে অনুযায়ী আগামী অর্থবছরে উন্নয়ন ব্যয় ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ২৭.২৭ শতাংশ। একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয়ের অংশ কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট ব্যয়ের ৭২.৭৩ শতাংশ পরিচালন খাতে ব্যয় হলেও আগামী অর্থবছরে তা কমিয়ে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একাধিক গাড়ি থাকলে দিতে হবে পরিবেশ সারচার্জকোনো ব্যক্তির নামে একাধিক গাড়ি বা মোটরযান থাকলে অতিরিক্ত সারচার্জ দিতে হবে, যা...
12/06/2026

একাধিক গাড়ি থাকলে দিতে হবে পরিবেশ সারচার্জ

কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক গাড়ি বা মোটরযান থাকলে অতিরিক্ত সারচার্জ দিতে হবে, যা পরিবেশ সারচার্জ হিসেবে পরিচিত। আগের মতোই একাধিক গাড়ির ক্ষেত্রে বিভিন্ন হারে এই পরিবেশ সারচার্জ আরোপের বিধান রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক মোটরগাড়ি থাকলে প্রত্যেকটি গাড়ির জন্য সারচার্জ দিতে হবে। ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য পরিবেশ সারচার্জের হার ২৫ হাজার টাকা, ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ২০০০ সিসি বা ১০০ কিলোওয়াটের অধিক নয় এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য ৫০ হাজার, ২০০০ সিসি বা ১০০ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ২৫০০ সিসি বা ১২৫ কিলোওয়াটের অধিক নয় এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য ৭৫ হাজার, ২৫০০ সিসি বা ১২৫ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ৩০০০ সিসি বা ১৫০ কিলোওয়াটের অধিক নয়, এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য দেড় লাখ টাকা, ৩০০০ সিসি বা ১৫০ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ৩৫০০ সিসি বা ১৭৫ কিলোওয়াটের অধিক নয় এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য দুই লাখ টাকা এবং এর চেয়েও বেশি সিসি বা কিলোওয়াট হলে অর্থাৎ সাড়ে তিন হাজার সিসি বা ১৭৫ কিলোওয়াটের অধিক প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা সারচার্জ দিতে হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, একাধিক গাড়ির ক্ষেত্রে যে গাড়ির ওপর সর্বনিম্ন হারে পরিবেশ সারচার্জ আরোপিত হবে ওই গাড়ি ব্যতীত অন্যান্য গাড়ির বিপরীতে পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হবে। পরিবেশ সারচার্জ গাড়ির নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নকালে নিবন্ধন বা ফিটনেস নবায়নকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উৎসে সংগৃহীত হবে।

‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয়-ব্যয়ের ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল বাজেট ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা নিয়েছে।

12/06/2026

বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে ৮৫০০ কোটি নেওয়ার লক্ষ্য

সঞ্চয়পত্রে বিক্রির তুলনায় ভাঙানোর পরিমাণ বেশি থাকায় টানা চার অর্থবছর ধরে সরকারের ক্ষেত্রে নতুন ঋণ নেওয়ার চেয়ে বেশি পরিশোধ করতে হচ্ছে। এরপরও প্রতিবছরের বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে নির্দিষ্ট ঋণ লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়। এবার বাজেট ঘাটতি পূরণে সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংক খাত থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। সেখানে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস থেকে নেওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হবে। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে ব্যাংক থেকে এক লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নেওয়ার লক্ষ্য ছিল। সংশোধিত বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা করা হয়।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে সঞ্চয়পত্র থেকে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকায় নামানো হয়। মূলত বাজেটের হিসাব মিলানোর প্রয়োজনেই এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা যায়। মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে সঞ্চয়পত্রে সরকারের ঋণ কমেছে ২ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা। এর আগে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে কমেছিল ৬ হাজার ৬৩ কোটি টাকা, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ২১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা এবং ২০২২–২৩ অর্থবছরে ৩ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ২০২১–২২ অর্থবছরের শেষে সঞ্চয়পত্রে সরকারের ঋণ স্থিতি ছিল তিন লাখ ৬৪ হাজার ১০ কোটি টাকা, যা বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৩৯ হাজার ৮০৪ কোটি টাকায়।

বাজেট ঘাটতি বেড়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে ব্যাপকভাবে ঋণ বেড়েছে। এতে ঋণ পরিশোধ ও সুদ পরিশোধে ব্যয় অত্যধিক বেড়েছে। যে কারণে বাজেট ঘাটতিও বেড়েছে। এর আগে বিএনপি সরকারের সর্বশেষ ২০০৫-০৬ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতি ছিল জিডিপির ২ দশমিক ১ শতাংশ। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হারানোর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ঘাটতি বেড়ে জিডিপির ৪ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ হয়। তিনি বলেন, ‘এ অবস্থা থেকে উত্তরণে আমরা ঋণ ব্যবস্থাপনা সংস্কার, উচ্চ রিটার্ন সমৃদ্ধ খাতে সরকারি বিনিয়োগ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কাঠামো আধুনিকায়ন করছি। এর মাধ্যমে বিনিয়োগের গুণগত মান নিশ্চিত হবে। অর্থ প্রবাহ বাড়বে এবং এর মাল্টিপ্লায়ার প্রভাবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অধিকতর গতিশীল হবে।’

11/06/2026
বাড়ছে সিগারেটের দামআগামী অর্থবছর থেকে সিগারেটের সব ধরনের স্তরে দাম বাড়ছে। সিগারেটের নিম্নস্তরের দশ শলাকার মূল্যস্তর ৬২ ট...
09/06/2026

বাড়ছে সিগারেটের দাম

আগামী অর্থবছর থেকে সিগারেটের সব ধরনের স্তরে দাম বাড়ছে। সিগারেটের নিম্নস্তরের দশ শলাকার মূল্যস্তর ৬২ টাকা ও তদুর্ধ্ব, মধ্যম স্তরের দশ শলাকার মূল্যস্তর ৯২ টাকা ও তদুর্ধ্ব, উচ্চ স্তরের দশ শলাকার মূল্যস্তর ১৬০ টাকা ও তদুর্ধ্ব, অতি-উচ্চ স্তরের দশ শলাকার মূল্যস্তর ২১০ টাকা ও তদুর্ধ্ব নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রতি দশ গ্রাম নিকোটিন পাউচের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৫০০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৪০ শতাংশ এবং প্রতি দশ শলাকা হিট টোব্যাকোর সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২১০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৬৭ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিকোটিন পাউচ ও হিটেড টোব্যাকোর ওপর ১ শতাংশ স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া কোনো প্রসেসিং ইউনিট থেকে পণ্যের বিনিময়ে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করা অপ্রক্রিয়াজাত তামাকের (রপ্তানি ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রসেসিং কার্যক্রমের ক্ষেত্র ব্যতীত) উৎপাদন পর্যায়ে মূসক অব্যাহতি সুবিধা প্রত্যাহার করে প্রতি কেজি ৫০ টাকা হারে সুনির্দিষ্ট কর আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

04/06/2026

প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেই আগামীর বাজেট: অর্থমন্ত্রী

দেশের প্রতিটি মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং বাজেটের সুফল সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই আগামী জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো হবে। বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেই আগামীর বাজেট দেওয়া হচ্ছে। বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায় সরকার। একই সঙ্গে বাজেটের সুফল যাতে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে চায়, যেখানে উন্নয়নের সুফল শুধু নির্দিষ্ট একটি শ্রেণির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং সমাজের সব স্তরের মানুষ তার সুবিধা ভোগ করতে পারবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বাজেটে বিভিন্ন খাতের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও প্রণোদনার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, অতীতে দেশকে যে ঋণনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে নেওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে উৎপাদন, কর্মসংস্থান এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে কেন্দ্র করে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে হবে। অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে দেশকে যে ঋণনির্ভর অর্থনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে এখন বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। টেকসই ও শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলতে উৎপাদনশীল খাতের বিস্তার এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি অপরিহার্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়। এ কারণে নতুন বাজেটে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সরকার এমন একটি অনুকূল পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যাতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আস্থার সঙ্গে বিনিয়োগ করতে পারেন। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতের অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে, যার প্রভাব এখনও বিভিন্ন খাতে বিদ্যমান। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও নতুন বাজেটের মাধ্যমে ইতিবাচক সূচনা হবে বলে তিনি আশাবাদী। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য পুনর্ব্যক্ত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সেই লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে গতি সঞ্চার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বাজেট বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের অর্থনীতিকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নেবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরির বিষয়টিও নতুন বাজেটে গুরুত্ব পাবে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং অর্থনীতিকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Address

Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Revenue Analytics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category