18/02/2025
"অপারেশন ডেভিল হান্ট" ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার পর সরকারের লক্ষ্য ছিল দেশব্যাপী অস্থিরতা সৃষ্টিকারী এবং তাদের সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা। প্রথম দিকে কিছু উন্নতি দেখা গেলেও, অভিযানে মূলত স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের গ্রেপ্তার করা হয়, এর মধ্যে অনেকেই বৃদ্ধ ও অসুস্থ ছিলেন। বিশেষত, ৯ দিনে ৪ হাজার ৭৯০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ের সদস্য। তবে, প্রাক্তন মন্ত্রী, এমপি বা কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
অপারেশনটি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, যেমন বিএনপির মির্জা আব্বাস সতর্ক করেছেন যে এই অভিযানে ভালো লোকদের ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, "এবি পার্টি" এর চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এই অভিযানের ফলাফল নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া, মানবাধিকার লঙ্ঘনের সম্ভাবনা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঢালাও গ্রেপ্তার ও এর ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে, যা অতীতে পরিচালিত "অপারেশন ক্লিনহার্ট" এবং মাদকবিরোধী অভিযানের মতো অভিযানে দেখা গিয়েছিল। তাই, অপারেশন ডেভিল হান্টের পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।