24/01/2026
এক ব্যক্তি স্বপ্নে খলিফা হারুনুর রশিদের স্ত্রী রাণী জুবাইদা (রহ.)-কে অত্যন্ত চমৎকার ও মর্যাদাপূর্ণ একটি সিংহাসনে উপবিষ্ট অবস্থায় দেখলেন।
সেই ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, "আল্লাহ তা’আলা আপনাকে এই সুউচ্চ মাকাম ও মর্যাদা কিসের বিনিময়ে দান করেছেন?"
রাণী জুবাইদা উত্তর দিলেন, "একদিন আমি আমার সখী এবং প্রতিবেশী নারীদের সঙ্গে বসে গল্পগুজব করছিলাম। এমন সময় আমি মুয়াজ্জিনের আযানের আওয়াজ শুনতে পেলাম। মুয়াজ্জিন যখনই 'আল্লাহু আকবার' ধ্বনি দিলেন, আমি মহান আল্লাহর নামের প্রতি সম্মানের খাতিরে উপস্থিত সকল নারীকে চুপ করিয়ে দিলাম। মুয়াজ্জিন আজান শেষ না করা পর্যন্ত আমরা সবাই নীরবতা পালন করলাম। আমার এই আমলটিই আল্লাহ তাআলা কবুল করে নিয়েছেন এবং এর বিনিময়েই তিনি আমাকে আজ এই সুউচ্চ মর্যাদা ও নেয়ামত দান করেছেন যা তুমি দেখতে পাচ্ছ।"
(সূত্র: আল-ইশারাত ফি ইলমিল ইবারাত)
কোনো নেক কাজকেই ছোট মনে করা উচিত নয়। একটি ছোট আমলও পরকালে মুক্তি পাওয়ার মাধ্যম হতে পারে। আযানের সময় কথাবার্তা বন্ধ রাখা এবং আযানের উত্তর দেওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। দুনিয়াবি গুরুত্বপূর্ণ কাজের চেয়েও আল্লাহর নিদর্শনাবলির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করাই ঈমানদারের আসল পরিচয়।