Rizq Delights

  • Home
  • Rizq Delights

Rizq Delights Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rizq Delights, Food & Drink, Dhaka, .

05/02/2026

দুনিয়ার কোন পরিক্ষার ব্যাপারে কাঁদা কিংবা ভেঙে পড়া কি সবরের বিপরীত?
সবর মানে এমনটি নয় বান্দা কাঁদবেনা। দুঃখ প্রকাশ করবেনা!

ইয়াকুব আঃ যে সময় ইউসুফ আঃ কে হারালেন তার আগেই তিনি ধারণা করতে পেরেছিলেন যে ইউসুফ আঃ তার ভাইদের কাছে নিরাপদ না। ভাইরা যখন দাবী করেন ইউসুফ আঃ কে নেকড়ে খেয়ে ফেলেছে, সেটাও তিনি বিশ্বাস করেন নি!
তিনি বলেছিলেন, “সাবরুন জামিলই উত্তম। তোমরা যা বলছো, সে বিষয়ে আল্লাহই সাহায্যকারী।”

তিনি বললেন সর্বোত্তম সবরের কথা, অথচ ইয়াকুব আঃ ইউসুফ আঃ এর বিরহে এত কেঁদেছিলেন এত কেঁদেছিলেন যে তার চোখ অন্ধ হয়ে গিয়েছিলো।
বিরহ ঠিক কতটা কষ্টদায়ক হলে তিনি কাঁদতে কাঁদতে চোখের দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেন?

যেসময় সকলে বলেছিলেন, ইউসুফ আর ফিরে আসবেনা, তিনি অটুট বিশ্বাসে বলেছিলেন ইউসুফ ফিরবে। ফিরবে জেনেও তিনি কেঁদেছেন।

তিনি আল্লাহর নবি ছিলেন,আল্লাহর সাহায্য ছিল তার সাথে। তবুও তিনি পুত্র শোকে কাতর হয়েছিলেন!

তিনি কেঁদেছেন সাথেই বলেছেন আল্লাহু মুস্তাআন(আল্লাহ ই সাহায্যকারী)।
কান্না মানে সবরের খেলাফি না,
ভেঙে যাওয়া মানেই তাওয়াক্কুল এর কমতি না,
দুনিয়ার প্রতি মায়া অনুভব না করা মানে এই না যে আল্লাহর রহমতের ব্যাপারে হতাশ!

বরং সবর তো এটাই যে সকল দুঃখ কষ্টে ভেঙে গিয়েও আমি আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর অটল থাকবো। হৃদয় ভেঙে গেলেও,আল্লাহ যা করবেন তাই মাথা পেতে নিবো!

আমি দুঃখ করি,আমি ভেঙে পরি,আমি দুনিয়ার প্রতি মায়া অনুভব করিনা,
তাই বলে কি আমি নিরাশ?
নাহ! এসবের সাথেই আমি তাওয়াক্কুল করি,আমি সবরও করি!

Tasnime momo

পৃথিবীতে অনেক পরিক্ষা রব্বানা রেখেছেন।শারীরিক সমস্যা,মানসিক সমস্যা, আত্নিক অশান্তি, ফিনানশিয়াল সমস্যা কত কত ভাগে সমস্যাগ...
02/02/2026

পৃথিবীতে অনেক পরিক্ষা রব্বানা রেখেছেন।
শারীরিক সমস্যা,মানসিক সমস্যা, আত্নিক অশান্তি, ফিনানশিয়াল সমস্যা
কত কত ভাগে সমস্যাগুলোকে বিভক্ত করা যায় তাই না?

আমরাও প্রত্যেকেই কোন না কোন সমস্যাই থাকি,পরিক্ষায় থাকি।
এক পরিক্ষার পর আরেক পরিক্ষা আসে পরিক্ষার ধরণ পরিবর্তন হয়,তা আগের থেকে আরো কঠিন হয়।
আবার অনেকের জীবনে এক পরিক্ষাই লম্বা সময় ধরে থাকে।
দুনিয়ার জীবন টাই এমন।
জান্নাতের প্রত্যাশি সকলের জন্য এ জীবন ধকলের!
যার পরিক্ষা বেশি তার জান্নাত তত কাছে!

তবে এই সব পরিক্ষার মাঝে সবথেকে কঠিন পরিক্ষা পারিবারিক যেকোন বড় পরিক্ষা, যার সমাধান চাইলেও করা সম্ভব হয়না। এর পরিক্ষার ফলাফল হিসেবে মানসিক ও আত্নিক অশান্তি জড়িয়ে যায় সাথী হিসেবে। জীবনে সুকুন বলতেও কিছু ছিল তার কমতি অনুভব হয়!

তাই দু'আর ক্ষেত্রে উত্তম পরিবার,পরিবারের শান্তি চাওয়ায় কৃপণতা করা যাবেনা কখনোই। এত এত বেশি চাইতে হবে যেন আল্লাহ করুণা করে দিয়ে দেন!
আকুতি যেন ফেলতে না পারেন!

আর যদি পরিক্ষা হিসেবে চলেই আসে তবে?
তবে আল্লাহু মুস্তা'আন!

তবে পরিক্ষা যে কষ্ট দিচ্ছে তার সাথে সুসংবাদ ও দিচ্ছে,
হাদিস থেকে জানি-

মুসআব ইবনু সা’দ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে,
তিনি (সাদ) বলেন, আমি প্রশ্ন করলাম,
হে আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم মানুষের মাঝে কার বিপদের পরীক্ষা সবচেয়ে কঠিন হয়?
তিনি বললেনঃ নবীদের বিপদের পরীক্ষা, তারপর যারা নেককার তাদের, এরপর যারা নেককার তাদের বিপদের পরীক্ষা। মানুষকে তার ধর্মানুরাগের অনুপাত অনুসারে পরীক্ষা করা হয়। তুলনামূলকভাবে যে লোক বেশি ধাৰ্মিক তার পরীক্ষাও সে অনুপাতে কঠিন হয়ে থাকে। আর যদি কেউ তার দ্বীনের ক্ষেত্রে শিথিল হয়ে থাকে তাহলে তাকে সে মোতাবিক পরীক্ষা করা হয়। অতএব, বান্দার উপর বিপদাপদ লেগেই থাকে, অবশেষে তা তাকে এমন অবস্থায় ছেড়ে দেয় যে, সে যমীনে চলাফেরা করে অথচ তার কোন গুনাহই থাকে না।

(সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৪০২৩)

momo

রমাদানের বিশেষ ৪টি আমলনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা রামাদানে ৪টি কাজ বেশি বেশি করো। এগুলোর মধ্যে দুটি...
01/02/2026

রমাদানের বিশেষ ৪টি আমল
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা রামাদানে ৪টি কাজ বেশি বেশি করো। এগুলোর মধ্যে দুটি কাজ দ্বারা তোমাদের রবকে সন্তুষ্ট করো এবং অপর দুটি কাজ এমন, যা না করে উপায় নেই। যে দুটি কাজ দ্বারা তোমাদের রবকে খুশি করবে, তা হলো: এই সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই (অর্থাৎ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলা) ও তাঁর কাছে ইস্তিগফার পাঠ করবে। আর যে দুটি কাজ অবশ্যই করবে, তা হলো: তোমরা আল্লাহর নিকট জান্নাত চাইবে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি কামনা করবে।’’ [ইমাম ইবনু খুযাইমা, আস-সহিহ: ১৮৮৭; হাদিসটির সনদে দুর্বলতা থাকলেও এটি নিঃসন্দেহে আমলযোগ্য]

ইস্তিগফারের সীমাহীন উপকারিতা সম্পর্কেজানলে আমরা এই আমলটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতাম। আসুন, আজ বিস্তারিত জেনে নিই।(১) ইস্তি...
31/01/2026

ইস্তিগফারের সীমাহীন উপকারিতা সম্পর্কে
জানলে আমরা এই আমলটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতাম। আসুন, আজ বিস্তারিত জেনে নিই।
(১) ইস্তিগফার আজাব-গজব থেকে সুরক্ষা:
আল্লাহ তা‘আলা কুরআন কারিমে বলেন, ‘‘আল্লাহ কখনই তাদের উপর আজাব দেবেন না, যতক্ষণ আপনি (নবিজি) তাদের মাঝে অবস্থান করছেন এবং তারা ইস্তিগফার করা অবস্থায়ও তাদের উপর আজাব অবতীর্ণ করবেন না।’’ [সুরা আনফাল, আয়াত: ৩৩]
আজাব আসার প্রতিবন্ধক ছিলেন নবিজি। তিনি চলে গেছেন। এখন বাকি আছে ইস্তিগফার। সুতরাং এর গুরুত্ব কত বেশি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
(২) উপভোগ্য জীবনের নিশ্চয়তা:
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আর, তোমরা তোমাদের রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, অতঃপর তাঁর দিকে ফিরে আসো। তাহলে, তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় (মৃত্যু) পর্যন্ত (দুনিয়াতে) উৎকৃষ্ট ভোগ-উপকরণ উপভোগ করাবেন এবং প্রত্যেক (আমলকারী) মর্যাদাশীলকে (আখিরাতে) প্রাপ্য মর্যাদা দেবেন। আর যদি তোমরা বিমুখ হয়ে থাকো, তবে আমি তোমাদের উপর এক মহা-দিবসের শাস্তির আশঙ্কা করছি।’’ [সুরা হুদ, আয়াত: ০৩; ব্রাকেটে উল্লেখিত ব্যাখ্যা তাফসিরে ইবনে কাসির: ২/৪৩৬ ও তাফসিরে আদওয়াউল বায়ান হতে]
(৩) ইস্তিগফার করলে গুনাহ মাফ হয় এবং আল্লাহর রহমতপ্রাপ্ত হওয়া যায়:
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন, ‘‘যে গুনাহ করবে অথবা নিজের উপর জুলুম করবে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করবে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, দয়াময় পাবে।’’ [সুরা নিসা, আয়াত: ১১০]
(৪) ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি বৃদ্ধি এবং উত্তম জীবনের নিয়ামত লাভের উপায় ইস্তিগফার:
কুরআন কারিমে এসেছে, ‘‘(নুহ আ. বললেন) অতঃপর আমি বললাম, তোমরা তোমাদের রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি দেবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্য বাগ-বাগিচা স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’’ [সুরা নুহ, আয়াত: ১০–১২]
(৫) শয়তানকে পরাজিত করার শক্তিশালী এক হাতিয়ার হলো ইস্তিগফার:
হাদিসে কুদসিতে এসেছে, “ইবলিস তার রবকে বললো, আপনার সম্মানের শপথ! আমি আদম-সন্তানকে পথভ্রষ্ট করতেই থাকবো, যতক্ষণ তাদের মধ্যে রূহ থাকে। আল্লাহ বলেন, আমার সম্মান, আমার বড়ত্ব ও আমার উচ্চ অবস্থানের শপথ! আমিও তাদের ক্ষমা করতেই থাকবো, যতক্ষণ তারা আমার নিকট ইস্তিগফার করবে।” [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১১২৩৭; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৬১৭; হাদিসটি হাসান]
(৬) ইসতিগফার অন্তরের বক্রতা ও সংকীর্ণতা দূর করে এবং অন্তরকে আল্লাহমুখী করে:
রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আমার অন্তর (আল্লাহর স্মরণ হতে) বাধাপ্রাপ্ত হয়, (তাই) আমি দিনে শতবার ইস্তিগফার করি।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৭৫১]
(৭) জান্নাতের নিশ্চয়তা: সাইয়িদুল ইস্তিগফার (ইসতিগফারের শ্রেষ্ঠ দু‘আ); দু‘আটি মুখস্থ করে নিতে হবে। সামনে দু‘আটির বিবরণ আসবে, ইনশাআল্লাহ।
হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি দিনের বেলায় এ দু‘আটি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়বে, অতঃপর সেদিন সন্ধ্যা হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এটি পড়বে, অতঃপর সকাল হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতিদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৬]
(৮) শেষ রাতে যারা ইস্তিগফার করেন। তাঁদের ব্যাপারে আল্লাহর প্রশংসা:
আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন কারিমে বলেন, ‘‘আর, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি (সু)দৃষ্টি রাখেন, যারা বলে, ‘হে আমাদের রব! আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের মাফ করে দাও এবং জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করো।’ ’’ [সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৫-১৬]
তাঁদের প্রশংসায় আল্লাহ বলেন, ‘‘তারা সবরকারী, সত্যবাদী, অনুগত, (সৎপথে) ব্যয়কারী এবং শেষ রাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।’’ [সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৭]
(৯) দুনিয়ার সংকীর্ণতা, কষ্ট ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির উপায় হলো ইস্তিগফার:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তিগফার করবে, আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।” [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৫১৮; ইমাম হাকিম, আল-মুসতাদরাক: ৭৬৭৭; হাদিসটির একজন বর্ণনাকারীর পরিচয় অজানা, তাই মুহাদ্দিসগণের মাঝে এর বিশুদ্ধতা নিয়ে মতভেদ আছে, তবে কাছাকাছি অর্থে বিভিন্ন আয়াত ও সহিহ হাদিস রয়েছে]
(১০) নারীদের জাহান্নাম থেকে মুক্তির অন্যতম দুই উপায় হলো সাদাকাহ ও ইস্তিগফার:
একদিন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নারীদের সম্বোধন করে) বললেন, ‘‘হে নারীরা! তোমরা সাদাকাহ করতে থাকো এবং অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার করো। কারণ আমি তোমাদেরকে জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসীরূপে দেখলাম।...(হাদিসটি দীর্ঘ)’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৪৪]
ইস্তিগফার হলো: নবিদের সুন্নাহ (অভ্যাস) এবং মুত্তাকিদের সিফাত (গুণ)। এটি গুনাহের ময়লা দূর করে ঈমানি মিষ্টতা আনে; মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করে অন্তরে প্রশান্তি আনে। ইস্তিগফার আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত করে, যেকোনো বিপদ দূর করে এবং ডিপ্রেশন থেকে রক্ষা করে।
মহান রব আমাদেরকে ইস্তিগফারের সাথে সর্বদা লেগে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

চিরুনী পিঠা🥟
30/01/2026

চিরুনী পিঠা🥟

29/01/2026

লাইলাতুল কদরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহজ আমলগুলো একসাথে দেওয়া হলো। আশা করি, এই আমলগুলো করলে আমরা দারুণ সৌভাগ্য হাসিল করতে পারবো, ইনশাআল্লাহ।
▬▬▬▬▬▬▬◖❂◗▬▬▬▬▬▬▬
যেহেতু কুরআনের ভাষায় ‘‘কদরের রাতটি হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ’’ তাই এই রাতে একটি নেক আমল করা মানে হাজার মাস যাবত এই নেক আমলটি করা। রামাদানের শেষ দশ দিনে নবিজি কদর তালাশ করতে বলেছেন। তাই, আমরা শেষ দশ দিন নিচের এই আমলগুলো করতে পারি।
(১) তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা:
লাইলাতুল কদরের প্রধান আমল হলো, কিয়াম তথা নামাজে দণ্ডায়মান হওয়া। রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে, সওয়াবের আশায় কদরের রাতে (ইবাদতের জন্য) দণ্ডায়মান হবে, তার পূর্বের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ২০১৪]
সম্ভব হলে ৮/১০ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়বো। এরপর আন্তরিকতার সাথে দু‘আ করবো। সাধারণ নফলের মতো ২ রাকাত করে পড়তে থাকবো। বিশেষ কোনো নিয়ম নেই।
(২) যত বেশি সম্ভব কুরআন পাঠ করা:
[ক] আমরা শেষ দশকের প্রতিটি রাতে ২০/৩০ বার বা আরও বেশি সুরা ইখলাস পড়তে পারি।
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিঃসন্দেহে এটি (সুরা ইখলাস) কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৫০১৩]
[খ] এছাড়াও আমরা যা পড়বো:
আয়াতুল কুরসি, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত, সুরা মুলক ও বাকি তিন কুল (সুরা কাফিরুন, সুরা ফালাক ও সুরা নাস)।
যারা আরও বেশি সময় তিলাওয়াত করবো, তারা সুরা যুমার, সুরা সাজদাহ ও মুসাব্বিহাত (সুরা হাদিদ, হাশর, সফ, জুমু‘আ, তাগাবুন) সুরাগুলো পড়তে পারি, যেহেতু এগুলো সারা বছর রাতের বেলা পড়ার ব্যাপারে হাদিস আছে। অথবা চাইলে কুরআন থেকে অন্যান্য সুরাও পড়তে পারি।
(৩) কদরের রাতের দু‘আটি বেশি বেশি পড়বো। বিশেষত রামাদানের শেষ দশকের প্রতিটি রাতে প্রচুর পরিমাণে পড়তে চেষ্টা করবো।
আয়িশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি জানতে পারি, কোনটি কদরের রাত, তাহলে ওই রাতে কী বলবো?’ নবিজি বলেন, তুমি বলো—
اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ
[আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউ-উন, তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা’ফু ‘আন্নি]
অর্থ: হে আল্লাহ্! আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। অতএব, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। [ইমাম ইবনু মাজাহ, আস-সুনান: ৩৮৫০; হাদিসটি সহিহ]
(৪) দু‘আয় মনোনিবেশ করা:
এই রাতে দু‘আ কবুল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। দু‘আ কোনো সাধারণ বিষয় নয়। হাদিসে এসেছে, ‘‘দু‘আ হলো ইবাদত।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৭৯; হাদিসটি সহিহ]
দু‘আর আদব ও নিয়মগুলো অনুসরণ করে দু‘আ করলেই যথেষ্ট হবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো।’’ [সুরা মুমিন, আয়াত: ৬০]
[ক] ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ বারবার পড়া:
উদাহরণস্বরূপ এই দু‘আটি লক্ষ করুন।
​​​​​​​اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
[আল্লা-হুম্মা ইন্নি আসআলুকাল ‘আ-ফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাহ]
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের আফিয়াত (নিরাপত্তা, সুস্থতা) প্রার্থনা করছি। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ৫০৭৪; হাদিসটি সহিহ]
[খ] জীবিত ও মৃত সকল ঈমানদারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং ভালো দু‘আ করা:
নবি ইবরাহিম (আ.)-এর দু‘আটি দ্বারা সবার জন্য ইস্তিগফার কামনা করা যায়।
رَبَّنَا اغْفِرْ لِيْ وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ
‘‘হে আমাদের রর! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিয়েন।’’ [সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১]
হাদিসে এসেছে, কেউ অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দু‘আ করলে, ফেরেশতারা বলেন, ‘‘তোমার জন্যও অনুরূপ হোক!’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৮২০]
[গ] দ্বীনের উপর অটল থাকার দু‘আ করা:
উম্মু সালামাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দু‘আটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন, তা হলো–
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلٰي دِيْنِكَ
[ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলু-ব, সাব্বিত ক্বলবি ‘আলা দি-নিকা]
অর্থ: হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের (ইসলামের) উপর অটল রাখুন।
[ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫২২; হাদিসটি সহিহ]
(৫) সাধ্যানুসারে কিছু দান-সাদাকাহ করা।
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “প্রত্যেক ব্যক্তি (হাশরের মাঠে) তার সাদাকার ছায়াতলে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত লোকদের মাঝে ফয়সালা শেষ না হবে।” [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১৭৩৩৩; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ৮৭২; হাদিসটি সহিহ]
যদি সম্ভব হয়, তবে রাতেই সাদাকাহ করুন। এটিই নিয়ম। এক টাকা দান করলে হাজার মাস (৮৩ বছর) ধরে এক টাকা দান করার নেকি পাবেন। এই রাতের প্রতিটি আমল এভাবেই বৃদ্ধি পাবে। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘কদরের রাতটি (মর্যাদার দিক থেকে) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।’’ [সুরা ক্বাদর, আয়াত: ০৩]
যদি রাতে দিতে না পারেন, তবে রাতেই কিছু টাকা সাদাকাহ করার জন্য আলাদা করে রেখে দিন। এগুলো দিনের বেলা গরিবদের দিয়ে দিন। আল্লাহ চাইলে এটিকে কদরের রাতের দান হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
(৬) তাওবাহ-ইস্তিগফারে লেগে থাকা:
[ক] ইস্তিগফার—০১:
ইবনু মাস‘উদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি এটি পড়বে, তার গুনাহ্ ক্ষমা করে দেওয়া হবে—যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলায়নকারী হয়।’’
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠّٰﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱْ ﻻَ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮْﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
[আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযি লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ু-মু ওয়া আতু-বু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই—তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী—এবং আমি তাঁর নিকট তাওবাহ করছি। [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৫১৭; হাদিসটি সহিহ]
[খ] ইস্তিগফার—০২:
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুর আগে এই ইস্তিগফারটি খুব বেশি পড়তেন—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
[সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়া বি‘হামদিহি, আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতু-বু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর প্রশংসাসহ পবিত্রতা ঘোষণা করছি। আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নিকট তাওবাহ করছি। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৯৭৫]
[গ] ইস্তিগফার—০৩: সায়্যিদুল ইস্তিগফার
বেশি বেশি পড়া উচিত। হাদিসের ভাষায় এটি হলো শ্রেষ্ঠ ইস্তিগফার, ইস্তিগফারের নেতা। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৬]
এর পাশাপাশি তাওবাহর শর্তগুলো পূরণ করে অবশ্যই নিজের সমস্ত গুনাহ থেকে তাওবাহ্ করা উচিত। তাওবাহর তিনটি শর্ত হলো: কৃত গুনাহ স্বীকার করে সেসব আগে ছেড়ে দেওয়া, নিজ অপরাধের জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হওয়া এবং ভবিষ্যতে এসব গুনাহ আর না করার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করা। [ইমাম নববি, রিয়াদুস সলিহিন]
(৭) কিছু যিকর ও তাসবিহ পাঠ করা:
[ক] সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ এবং আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে মোট ৪০০ বার পড়া।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু হানি (রা.)-কে বলেন—
◉ তুমি ১০০ বার তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে ইসমাইল (আ.)-এর বংশের ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সমতুল্য হবে;
◉ তুমি ১০০ বার আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা (আলহামদুলিল্লাহ) বলবে, এটি তোমার পক্ষে আল্লাহর রাস্তায় যু[দ্ধে]র জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মু[জা]হিদ প্রেরণের সমতুল্য হবে;
◉ তুমি ১০০ বার তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলবে, এটি তোমার পক্ষ থেকে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সমতুল্য হবে;
◉ তুমি ১০০ বার তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) বলবে, এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও যমিন পূর্ণ হয়ে যাবে। [ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২৬৯১১; শায়খ আলবানি, সহিহুত তারগিব: ১৫৫৩; হাদিসটি হাসান]
[খ] একটি ফজিলতপূর্ণ তাসবিহ কমপক্ষে ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করবো।
لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ
[লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু লা শারি-কা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদি-র]
অর্থ: আল্লাহ্ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি এক; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা কেবল তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার এটি পড়বে—
◉ সে ১০টি গোলাম মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
◉ তার জন্য ১০০ সওয়াব লেখা হবে;
◉ তার ১০০ গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে;
◉ ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে এবং (সন্ধ্যায় বা রাতে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে)
◉ ওই দিনের হিসেবে কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে বেশি পড়বে।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৩২৯৩; ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ৫০৭৭]
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি এগুলোর প্রত্যেকটি ১০ বার করে বলবে, সে ইসমাঈল (আ.)-এর বংশের চারজন ক্রীতদাস মুক্ত করে দেওয়ার নেকি পাবে।’’ [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ৬৭৩৭]
[গ] জান্নাতের রত্নভাণ্ডার যে যিকর:
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করবো না?” আমি বললাম, নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসুল! তিনি বলেন, “তুমি বলো—
لَا ﺣَﻮْﻝَ ﻭَﻻَ ﻗُﻮَّﺓَ ﺇِﻻَّ ﺑِﺎﻟﻠَّﻪِ
(লা ‘হাউলা ওয়ালা ক্বুও-ওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ)
অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই।’’ [ইমাম বুখারি আস-সহিহ: ৬৩৮৪]
[ঘ] ফজিলতপূর্ণ একটি বাক্য ১০০ বার পড়বো।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা উচ্চারণে সহজ, আমলের পাল্লায় অনেক ভারী এবং আল্লাহর কাছে অতি প্রিয়। তা হলো—
سُبْحَانَ اللّٰهِ وبِحَمْدِهِ سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيمِ
(সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়া বি‘হামদিহি সুব‘হা-নাল্লা-হিল ‘আযি-ম)
অর্থ: আল্লাহ পবিত্র, প্রশংসা কেবল তাঁরই; মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত। [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৬৮২]
[ঙ] আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যিকর: (১০০ বার)
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি—
سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وبِحَمْدِهِ
(সুব‘হা-নাল্লাহিল আযি-মি ওয়া বি‘হামদিহি—অর্থ: মহান আল্লাহ ত্রুটিমুক্ত; প্রশংসা কেবল তাঁরই) পাঠ করে, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুরগাছ রোপণ করা হয়।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৪৬৪; হাদিসটি সহিহ]
(৮) নবিজির উপর দরুদ পাঠ করা:
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার প্রতি ১০ বার রহমত বর্ষণ করবেন, ১০ টি গুনাহ মোচন করবেন এবং তার জন্য ১০ টি (মর্যাদার) স্তর উন্নীত করবেন।’’ [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯৭; ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৯০৪; হাদিসটি সহিহ]
সহজ দরুদ হিসেবে নিচের দরুদটি ১০০ বার পড়া যায়। দরুদে ইবরাহিমি বা নামাজের শেষ বৈঠকে পঠিত দরুদটি পড়তে পারলে আরও ভালো। কারণ এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ দরুদ।
اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلٰى مُحَمَّدٍ، وَعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ
[আল্লা-হুম্মা সল্লি ‘আলা মু‘হাম্মাদ, ওয়া ‘আলা আ-লি মু‘হাম্মাদ]
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ এবং মুহাম্মাদের পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন। [ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১২৯১; হাদিসটি সহিহ]
■ বেশি আমল করতে গিয়ে কোয়ালিটির প্রতি উদাসীন হওয়া যাবে না। আল্লাহর কাছে আন্তরিকতাপূর্ণ আমলের মূল্য অনেক বেশি।
■ উপরে উল্লিখিত আমলগুলোর মাঝে একটি বাদে কোনোটিকেই ‘‘শবে কদরের আমল’’ হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়নি কুরআন-হাদিসে। বরং এগুলো সবসময়ের আমল। লাইলাতুল কদরের জন্য নির্ধারিত বা নির্দিষ্ট বিশেষ পদ্ধতির কোনো নামাজ বা ইবাদতের কথা সহিহ বর্ণনা থেকে জানা যায় না, কেবল আয়িশা (রা.)-কে শেখানো দু‘আটি ব্যতীত, যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই, সব ধরনের নেক আমলই সাধ্যানুযায়ী কদরের রাতে করা উচিত, যেহেতু রাতটি মর্যাদাপূর্ণ।
আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
#কদরের_রাত

ডিম পিঠা🥟
29/01/2026

ডিম পিঠা🥟

শীম ফুল পিঠা🍁
28/01/2026

শীম ফুল পিঠা🍁

ক্যারামেল পুডিং🥳
06/01/2026

ক্যারামেল পুডিং🥳

Address

Dhaka

1214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rizq Delights posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Food & Beverage Service?

Share