R K FOOD

R K FOOD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from R K FOOD, Food & Drink, Dhaka.

বিভিন্ন মসলার উপকারিতা   মৌরি বীজমৌরি এমন একটি মশলা উপাদান যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি এটি আলসার ও হ...
02/06/2025

বিভিন্ন মসলার উপকারিতা


মৌরি বীজ

মৌরি এমন একটি মশলা উপাদান যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। পাশাপাশি এটি আলসার ও হজমজনিত যেকোন সমস্যা সমাধান করে। এতে রয়েছে ভিটামিন, লোহা, পটাসিয়াম, তামার মতন গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান। একই সাথে এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও চমৎকার কাজ করে। বলা হয়ে থাকে দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য মৌরি বীজ ভীষণ উপকারী।



তেজপাতা

সারা বিশ্বে এটি খুব জনপ্রিয় মশলা। এই মশলাটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এতে ক্যান্সার প্রতিরোধ করার ক্ষমতাও রয়েছে। পাশাপাশি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা নিরসনে এবং কিডনির পাথর প্রতিহত করতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে এই মশলাটি। তাছাড়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি চমৎকার কাজ করে।



গোল মরিচ

ছোট কালো রঙের গোলাকার এই মশলাটি বহুল ব্যবহৃত একটি মশলা। এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণাবলি। প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলে। গোল মরিচ কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে ভূমিকা রাখে।



এলাচ

হালকা মিষ্টি স্বাদের সুগন্ধি এই মশলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লামেটরি গুণাগুণ বিশিষ্ট। এটি আলসার প্রতিহত করা সহ হজমজনিত সমস্যা সমাধানে বেশ ভালো কাজ করে। পাশাপাশি রক্তচাপ কমানো, রক্তের শর্করা মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। একই সাথে এটি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং দাঁত ক্ষয় রোধ করে।


দারুচিনি

দারুচিনি মূলত দারুচিনি গাছের বাকল। হালকা মিষ্টি ও ঝাঁঝালো স্বাদ যুক্ত এই মশলা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত। প্রদাহ কমাতে, ব্যথা ও সংক্রমণ দূর করা, অতিরিক্ত গ্যাস কমাতে দারুচিনি খুবই কার্যকর। এটি বুদ্ধির বিকাশ, হাড় গঠন, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং চোখের ও ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করে।



লবঙ্গ

এই মশলাটি আমরা বিভিন্ন খাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করে থাকি। এই মশলাতে রয়েছে নানা গুনাগুন। লবঙ্গ ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং হাড়ের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য ভাল। এছাড়া সর্দি কাশি উপশমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।



জিরা

জিরা একটি অত্যন্ত উপকারী মশলা উপাদান। এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি গুণাগুণ। এটি হজম উন্নতিতে সাহায্য করার পাশাপাশি শুক্রানু বৃদ্ধি, হাড় মজবুত করতে, দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা করে। জিরার একটি অন্যতম উপকারিতা হলো এটি নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে। এছাড়াও জিরা রক্তের কোষ বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।


মেথি বীজ

মেথি এশিয়া মহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় মশলা। এটি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। দুগ্ধদানকারী মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এছাড়া মেথি হজমশক্তি উন্নতি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতেও সহায়তা করে।



রসুন

রসুন একটি বহুগুণ বিশিষ্ট মশলার নাম। খাবারের অনন্য স্বাদ যোগ করার জন্য ব্যবহৃত একটি চমৎকার মশলা। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে। সাধারণ ঠান্ডা এবং কাশি দূর করতেও সাহায্য করে।



আদা

আদা সাধারণত হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করার জন্য বেশি পরিচিত। আদা একটি মশলা যা ক্যান্সার প্রতিরোধ, ক্ষুধা বৃদ্ধি, এবং শ্বাস প্রশ্বাসের অবস্থার উন্নতিসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রদান করে।



জয়ত্রী

জয়ত্রী দেহের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। এটি বিষণ্ণতা হ্রাস, যৌন কামনা বৃদ্ধি, হজম করা, অতিরিক্ত গ্যাস এবং অনিদ্রা কমাতে ভূমিকা রাখে। এটি ত্বককে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করে। শরীরের সমস্ত অংশে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।


সরিষা বীজ

এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের একটি চমৎকার উৎস, যা অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয়।



জায়ফল

জায়ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এবং স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজের উৎস। এটি ফাঙ্গাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। একই সাথে হজম শক্তি বৃদ্ধিতে, অতিরিক্ত গ্যাস কমাতে, চুল এবং ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করতে ভূমিকা রাখে। এটি ম্যাকুলার ডিজেনেরেশন প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং ক্যান্সার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।


জাফরান

জাফরানের রয়েছে ক্যারোটিনয়েড। জাফরান বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ, নিদ্রাহীনতা, রক্তের কোষ গঠনে সহায়তা করে। হরমোনের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং জাফরান রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে।



হলুদ

মশলার মধ্যে সব থেকে সাধারণ এবং বেশি ব্যবহৃত মসলার নাম হলুদ। হলুদ সাধারণত অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি গুণাবলির জন্য সুপরিচিত। এটি ত্বকের যত্নে সহায়তা করে এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এটি ঋতুস্রাব স্বাভাবিক ও সহজ করে দেয় এবং দেহকে সক্রিয় করে তোলে।



‌‌কালিজিরা

কালিজিরাতে রয়েছে বিভিন্ন গুণের সংমিশ্রণ। হৃদরোগের জন্য কালিজিরা অত্যন্ত উপকারী। আমরা বিভিন্ন রান্নায় কালিজিরা ব্যবহার করে থাকি। এটি আমাদের হৃদরোগ ভালো করতে সাহায্য করে এবং আমাদের হার্টকে বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও কালিজিরা চুলের উপকারিতার জন্য ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। এটি চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোতে বেশ কার্যকর।


মশলার গুণাগুণ তো জানা হলো, কিন্তু সব মশলা থেকেই এই উপকারিতা মিলবে ভাবছেন না তো? মশলা থেকে এইসব উপকারিতা পেতে চাই খাঁটি মশলা। তাই ক্রয় করার পূর্বে এর গুণগত মান সম্পর্কে অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে তবেই কিনবেন যেনো।

কালোজিরা (Kalijira) একটি ছোট কালো রঙের বীজ যা Nigella sativa নামক উদ্ভিদের ফল। এটি বহু বছর ধরে মশলা এবং ভেষজ ঔষধ হিসেবে ...
17/05/2025

কালোজিরা (Kalijira) একটি ছোট কালো রঙের বীজ যা Nigella sativa নামক উদ্ভিদের ফল। এটি বহু বছর ধরে মশলা এবং ভেষজ ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কালোজিরায় প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান এবং ঔষধি গুণ বিদ্যমান। বাংলায় কালোজিরার কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা নিচে উল্লেখ করা হলো:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: কালোজিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ থাকায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে ঠান্ডা, কাশি ও জ্বরের মতো সাধারণ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
হজমক্ষমতা বাড়ায়: কালোজিরায় থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক। এটি পেটের গ্যাস ও আলসার প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে কালোজিরা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়াতেও সহায়ক হতে পারে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: কালোজিরায় ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায় এটি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কিছুটা কমে।
ত্বকের যত্নে: কালোজিরার তেল ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন দাগ ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতেও সহায়ক।
চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে: কালোজিরার তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া কমে এবং চুলের বৃদ্ধি ভালো হয়। এটি চুলকে মজবুত ও चमकदार করতে সাহায্য করে।
ব্যথানাশক: কালোজিরায় ব্যথানাশক উপাদান রয়েছে যা শরীরের বিভিন্ন ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
শ্বাসকষ্ট কমায়: কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যায় উপকার দিতে পারে। এর তেল বুকে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।
স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: কালোজিরা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে স্মৃতিশক্তি এবং মনোযোগ বৃদ্ধি পেতে পারে।
ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে: কিছু গবেষণায় কালোজিরার অ্যান্টি-টিউমার বৈশিষ্ট্য দেখা গেছে, যা ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে বাধা দিতে পারে।
ব্যবহারের নিয়ম:
* কালোজিরা বীজ ভেজে বা কাঁচাও খাওয়া যেতে পারে।
* অনেকে মধু বা অন্যান্য খাবারের সাথে মিশিয়ে কালোজিরা খান।
* কালোজিরার তেল বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা যায়, যেমন ত্বকে বা চুলে মালিশ করে।
* কালোজিরা গুঁড়ো করে পানিতে মিশিয়েও পান করা যায়।
সতর্কতা:
* গর্ভবতী মহিলাদের কালোজিরা খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
* অতিরিক্ত পরিমাণে কালোজিরা খাওয়া উচিত নয়, কারণ এটি পেটে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে।
কালোজিরা একটি মূল্যবান প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে। তবে, কোনো রোগ নিরাময়ের জন্য এটি ব্যবহারের পূর্বে একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াalways উচিত।

নির্ভেজাল, প্রিজারভেটিভ মুক্ত, বিশুদ্ধ সরিষার তেল  অর্ডার করতে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন ০১৬৭৭৫৫ ৯৫৩৯  (নাম, ঠিকানা, মোবাই...
15/05/2025

নির্ভেজাল, প্রিজারভেটিভ মুক্ত, বিশুদ্ধ সরিষার তেল অর্ডার করতে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন ০১৬৭৭৫৫ ৯৫৩৯ (নাম, ঠিকানা, মোবাইল নাম্বার)
হাফ কেজি -১৬০ টাকা, ১ কেজি -৩০০ টাকা, ৫ কেজি -১৪০০ টাকা। ডেলিভারি চার্জ- ঢাকার মধ্যে ৭০ টাকা -,ঢাকার বাইরে ১২০ টাকা।

Mustard Oil on Hair: মাথার চুলে সরষের তেলের ব্যবহার করলে চুল মজবুত থাকে।
ত্বকের মতো চুল ভাল অবস্থায় রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর চুলের যত্ন (Hair Care) নেওয়ার সময় বাইরের যত্নের পাশাপাশি সুষম খাদ্যের মাধ্যমে ভিতরের যত্নও সমান জরুরি। তার সঙ্গে চুলের ধরন বুঝে সঠিক প্রোডাক্টও (Hair Care Products) ব্যবহার করতে হবে। চুলের যত্নে নারকেল তেল অনেক উপকারী। তবে জানেন কি শুধু নারকেল তেল নয়, চুলের যত্ন নিতে সরিষার তেলও (Mustard Oil) সমানভাবে উপকারী।

তবে অনেকেই সরিষার তেল চুলে ব্যবহারে ভয় পান, যদি চুলের কোনো ক্ষতি হবে এই ভেবে। জানলে অবাক হবেন, সরিষার তেলে আছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, মিনারেল, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, ডি, কে ও ই। সরিষার তেল চুল পড়া রোধ করে। এতে আরও থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন, সেলেনিয়াম ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা চুল বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী যে ১০ মসলা খাবারের মসলা যে কেবল স্বাদ আর রঙের জন্য তা নয়, বরং মসলার রয়েছে হরেক রকমের গুণও!চলুন জ...
15/05/2025

স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী যে ১০ মসলা

খাবারের মসলা যে কেবল স্বাদ আর রঙের জন্য তা নয়, বরং মসলার রয়েছে হরেক রকমের গুণও!

চলুন জেনে নেওয়া যাক রান্নাঘরে না রাখলেই নয়, এমন মসলাগুলোর কোনটির কী গুণ রয়েছে।

হলুদ: কারকিউমিন নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে হলুদে। এ উপাদানটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রকৃতির উপাদান, তাই শরীরে ইনফ্লেমেটরি এনজাইমের মাত্রা কম রাখতে সাহায্য করে এটি।

হলুদে আরও আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া এটি ফাংগাস প্রতিরোধী, অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল, ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল। এর ফলে শরীরে যেকোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে হলুদ।

জিরা: জিরাতে আয়রন বা লৌহ রয়েছে। এ উপাদানটি শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহে সহায়তা করে। এছাড়া দেহের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদনেও লৌহর প্রয়োজন হয়। এসব ছাড়াও শরীরের বিপাকক্রিয়া ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে লৌহ।

গোল মরিচ: গোল মরিচ বা ব্ল্যাক পেপারে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, ভিটামিন সি ইত্যাদি। এছাড়া এটি একটি কার্যকরী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে।

লবঙ্গ: শ্বাসনালীর সংক্রমণ প্রতিরোধে লবঙ্গ ভীষণ কার্যকরী। গলা ও অন্ননালীর শ্লেষ্মা দূর করে লবঙ্গ।

জোয়ান: ক্যারম সিড বা জোয়ান নাকের যে কোনো প্রতিবন্ধকতা, সর্দি, ফ্লু ইত্যাদি দূর করতে সহায়তা করে। শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা সারানোর ক্ষেত্রেও জোয়ানের বীজ কার্যকরী।

তিল: তিলের মধ্যে লিগনানস নামের একটি উপাদান থাকে যা যকৃৎ এনজাইমের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে। তিলের ভেতর আরও থাকা বিভিন্ন ফ্যাটি এসিড ও প্রোটিন শরীরের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

মৌরি: মৌরি হজমে সহায়তা করে ও পেট-ফাঁপা কমায়। রক্তের অতিরিক্ত ইউরিক এসিড বের করে দিতে সহায়তা করে এটি। এছাড়া চর্বির হজমেও সহায়তা করে মৌরি।

কালোজিরা: কালোজিরায় থাইমোকিনোন নামের একটি উপাদান থাকে। এটি ফুসফুসের প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

দারুচিনি: দারুচিনি ডালচিনি নামেও পরিচিত। এটি শরীরের বিভিন্ন এনজাইম নিঃসরণ করতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও উপকারী দারুচিনি। এছাড়া সর্দি, ফ্লু, ও হজমের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সহায়ক এ মসলাটি।

মেথি: ইনসুলিন রেসপন্স কমানোর মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীর শরীরের ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে মেথি। পরিপাকনালীতে গ্লুকোজের বিপাক নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে এটি।

Best product at a best rate                         Delivery charge  within Dhaka 70tk & outside Dhaka 120tkইসবগুল সাধার...
12/05/2025

Best product at a best rate
Delivery charge
within Dhaka 70tk & outside Dhaka 120tk

ইসবগুল সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ব্যবহৃত হয়। ইসবগুল একধরনের ডায়েটারি ফাইবার, যার কিছু পানিতে দ্রবীভূত হয়, কিছু হয় না। অন্ত্রের ভেতরে থাকাকালে ইসবগুলের ভুসি প্রচুর পানি শোষণ করে। কোনো কিছুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে বিষক্রিয়া তৈরি করে না। যেহেতু এটা কার্যকারিতার জন্য অন্ত্র থেকে পানি শোষণ করে, তাই দুই চা-চামচ ভুসি, পানি বা দুধে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই খেয়ে ফেলা ভালো। দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে এটা বাইরে থেকেই পানি শোষণ করে নেবে, অতএব কার্যকারিতাও কমে যাবে। তবে ইসবগুল খাওয়ার পদ্ধতির ভিন্নতার ওপর ভিত্তি করে উপকারিতা নির্ভর করে, চলুন এ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে ইসবগুল

• ১-২ চামচ ইসবগুল ২৪০ মিলিলিটার পানিতে মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেতে হবে।
• ইসবগুল পায়খানায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে পায়খানা নরম করে এবং সহজে বের হতে সাহায্য করে।
• ইসবগুল কতটুকু খেতে হবে, তা বয়স, ওজন, শারীরিক অন্যান্য অসুস্থতার ওপর নির্ভর করে।

ইসবগুলছবি: সংগৃহীত
ডায়রিয়া চিকিৎসায় ইসবগুল

• খাওয়ার পর ২ চামচ ইসবগুল ৩ চামচ দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।
• প্রতিদিন এই নিয়মে ইসবগুল সেবনে পায়খানা নরম হওয়ার বদলে শক্ত হবে। দই এ ক্ষেত্রে প্রোবায়োটিক হিসেবে কাজ করবে।
• ইসবগুল যে কারণে ডায়রিয়া হয়েছে, যেমন ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস খাদ্যনালির যে ক্ষতি সাধন করে, তা সারিয়ে তোলে।

দীর্ঘদিন হজমের সমস্যায় ইসবগুলের ব্যবহার

• প্রতিদিন ২ চামচ ইসবগুল ২৪০ মিলিলিটার পানিতে মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেতে হবে।
• ইসবগুল পাকস্থলী পরিষ্কার করে।
• খাদ্যনালি রাখে টক্সিনমুক্ত, যা ক্ষতিকর পদার্থ সহজে শরীর থেকে বের করে দেয়।
অর্শ্বরোগ নিরাময়ে ইসবগুল
• ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেতে হবে।
• এটি পায়খানায় পানির পরিমাণ বাড়ায় ও নরম করে, ফলে ব্যথা লাগে না।
• পায়খানা নরমের ফলে বৃহদন্ত্রে কম চাপ পড়ে এবং কম রক্ত যায়।

বুক জ্বালাপোড়া বা গ্যাসের সমস্যায় ইসবগুল

• ২ চামচ ইসবগুল ১/২-১ চামচ ঠান্ডা দুধে মিশিয়ে খাবার পর সেবন করলে অ্যাসিডের সমস্যা দূর হয়।
• দুধ ও ইসবগুল অ্যাসিড প্রশমিত করে।
• ইসবগুল পাকস্থলী ও খাদ্যনালির ভেতরে আলাদা একটি পর্দা তৈরি করে, যা অ্যাসিড থেকে খাদ্যনালীর পর্দাকে রক্ষা করে বুক জ্বালাপোড়া কমায়।
• পাকস্থলী থেকে সঠিক পরিমাণ অ্যাসিড নিঃসৃত করে।

ওজন কমাতে ইসবগুলের ভূমিকা

• ওজন কমানোর জন্য ২ চামচ ইসবগুল ২৪০ মিলিলিটার পানি ও ১-২ চামচ লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে। এর ফলে বেশ খানিকক্ষণ পেট ভরা থাকে।
• ইসবগুল খাদ্যনালি পরিষ্কার করে ও শরীরে চর্বি কমায়।
হৃদ্‌রোগ নিরাময়ে ইসবগুল
• প্রতিদিন খাবারের পর ইসবগুল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।
ডায়াবেটিস চিকিৎসায় ইসবগুল
• ১-২ চামচ ইসবগুল ২৪০ মিলি পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়। এ জন্য ডায়াবেটিস রোগীদের ইসবগুল সেবনের সময় সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে।
• ডায়াবেটিস রোগীরা দইয়ের সঙ্গে ইসবগুল সেবন থেকে দূরে থাকবেন।

ইসবগুল সেবনে সতর্কতা

• অতিরিক্ত ইসবগুল সেবনের ফলে ক্ষুধামান্দ্য, ডায়রিয়া হতে পারে।
• ইসবগুল বিভিন্ন ওষুধের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলে। তাই ওষুধ সেবনের ২ ঘণ্টা আগে অথবা ২ ঘণ্টা পর সেবন করতে হবে।
• ইসবগুল দীর্ঘক্ষণ ভিজিয়ে রাখলে পানি শোষণ করে এটি ফুলে যায়। ফলে কার্যকারিতা কমে যায় এবং গলায় আটকে মারাত্মক বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।
ইসবগুল খাওয়ার পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এর কার্যকারিতা নির্ভর করে। তাই সঠিক নিয়ম-পদ্ধতি জেনে সে অনুযায়ী ইসবগুল সেবনে সচেতন হতে হবে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R K FOOD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category