20/08/2025
✅ জমির দলিলে ভুল দাগ বা খতিয়ান নম্বর? চিন্তার কোনো কারণ নেই!
আমাদের দেশে জমির দলিল রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রায়ই দেখা যায় ছোটখাটো ভুল হয়।
যেমন –
➡️ জমির দাগ নাম্বার ৫৬ এর জায়গায় ৪৬ লিখা হয়ে গেছে।
➡️ খতিয়ান নাম্বার ৫১২ এর বদলে ৫১১ লিখা হয়ে গেছে।
এই ধরনের ভুলের কারণে অনেকেই নামজারি করতে পারেন না, ফলে জমির খাজনা দিতে বা জমি হস্তান্তরের সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
📌 কিন্তু সুখবর হলো—
এমন ছোটখাটো ভুল, যেটা দলিলের মূল বিষয়বস্তুতে কোনো পরিবর্তন আনে না, তা এখন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসেই একদিনে ঠিক করে নেওয়া যায়।
---
📝 ভ্রম সংশোধন দলিল করতে যা যা লাগবে:
✔️ ভুল যেই মূল দলিল, সেটা সাথে আনতে হবে।
✔️ ভ্রম সংশোধন দলিল করতে হবে (এটা মূল দলিলের সহায়ক/সাপোর্টিং দলিল হিসেবে গণ্য হবে)।
✔️ ২০ টাকার কোর্ট ফি সহযোগে সাব-রেজিস্ট্রারের কাছে স্ট্যাম্প শুল্ক মওকুফের আবেদন করতে হবে।
📖 আইনগত ভিত্তি:
নিবন্ধন বিধিমালা ২০১৪ এর বিধি ৭৪(১) ও ৭৪(২) অনুযায়ী ভ্রম সংশোধন দলিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
---
💰 খরচের হিসাব:
1️⃣ স্ট্যাম্প শুল্ক – ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে দলিল লিখতে হবে।
2️⃣ রেজিস্ট্রেশন ফি – ১০০ টাকা।
3️⃣ হলফনামা – ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে প্রিন্ট করতে হবে।
4️⃣ এন ফি – ২৪০ টাকা।
5️⃣ এনএন ফি – ৩৬০ টাকা।
6️⃣ ই ফি – ১০০ টাকা।
👉 সব ফি রেজিস্ট্রি অফিসে নগদে জমা দিতে হবে।
---
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
বিক্রয় কবলা, বন্ধকী ও নিরূপণ দলিল ছাড়া অন্য দলিলে শুল্ক মওকুফ হবে না।
দাতা (যিনি জমি দিয়েছেন) যদি সংশোধনে রাজি না থাকেন, তাহলে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল সংশোধন করা যাবে না। সেই ক্ষেত্রে কোর্টে মামলা করতে হবে এবং দাতাকে বিবাদী করতে হবে।
---
🌟 তাই ভুল দাগ বা খতিয়ান নম্বরের কারণে আর দুশ্চিন্তায় ভুগবেন না।
আজই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করে একদিনেই সমস্যার সমাধান করে ফেলুন।
🙏 সবাইকে ধন্যবাদ।
---
📢 শেয়ার করে সবাইকে জানাতে ভুলবেন না
কারণ অনেকেই এ বিষয়ে না জানার কারণে বছরের পর বছর ভোগান্তিতে ভুগছেন।
#জমি #দলিল #খতিয়ান #দাগনম্বর #ভ্রমসংশোধন #সাবরেজিস্ট্রি #রেজিস্ট্রি_অফিস #নামজারি #ভূমি