07/03/2026
লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশির ওপর অমানবিক নি*র্যা*তন — মানবপাচার চ*ক্রে*র মূলহোতা কুমিল্লার আশরাফ ও তাঁর ভাই বাহার।
লিবিয়ায় চার শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিকের ওপর অমানবিক নি*র্যাত*নের ঘটনা বিশ্ব মানবাধিকারের জন্য গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ভ*য়া*বহ মানবপাচার ও নি*র্যাতন*চ*ক্রের মূলহোতা হিসেবে উঠে এসেছে কুমিল্লার আশরাফ ও তার ভাই বাহার—যারা দীর্ঘদিন ধরে সংগঠিতভাবে বাংলাদেশ থেকে মানুষ পা*চার করে লিবিয়ায় পাঠিয়ে আসছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, আশরাফ ও বাহারের নেতৃত্বে গঠিত একটি দা*লাল চ*ক্র বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অসহায় তরুণদের বিদেশে পা"চার করছে। এই চ*ক্রের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আশরাফের দুই স্ত্রী—মাদারীপুরের রুনা ও বরিশালের সিমু। এরা লিবিয়ায় অবস্থান করে মহিলা দালালের ভূমিকায় থেকে নতুন শি*কার সংগ্রহে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, এই দা*লাল চ*ক্র প্রথমে বাংলাদেশ থেকে প্রবাসের স্বপ্ন দেখিয়ে কয়েকটি দেশ ঘুরিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয় এবং ‘গেম ঘর’ নামে পরিচিত নি*র্যা"তন কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। এরপর মুক্তিপণের জন্য পরিবারের কাছে ফোন করে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ওপর চালানো হয় অকথ্য শারীরিক ও মানসিক নি*র্যা*তন।
একাধিক ভু*ক্তভো*গী জানিয়েছেন, আশরাফ ও বাহারের নির্দেশে এই নি*র্যা"তন চলে, আর নারী সদস্য রুনা ও সিমু বাংলাদেশে থেকে নতুন প্রবাসপ্রত্যাশীদের প্রলুব্ধ করে পাচা*রের কাজে যুক্ত করেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, লিবিয়ায় বাংলাদেশিদের এই দুঃসহ পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের জন্য সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, এই “মা*ফি"য়া আশরাফ-বাহার চ*ক্র” বহু বছর ধরে গোপনে সক্রিয় এবং আন্তর্জাতিক মা*নবপা*চার নেটওয়ার্কের সঙ্গেও তাদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।
©