A-Z বিক্রি A-Z Bikri

  • Home
  • A-Z বিক্রি A-Z Bikri

A-Z বিক্রি A-Z Bikri নিজের থেকে অন্য কাউকে বেশি গুরুত্ব দিলে, পরবর্তীতে তার থেকে অবহেলা ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া হয় না।
(5)

10/04/2026

Reactive 🙃

02/03/2026

Closed💔

🔥 “বৃষ্টির রাতে”✍️ লেখক: T.C Bhaiবৃষ্টি হচ্ছিল ঝড়ের মতো।বিদ্যুৎ মাঝে মাঝে কাঁপছিল।রুমের আলো আধো অন্ধকার।ইরা জানালার পাশে...
01/03/2026

🔥 “বৃষ্টির রাতে”
✍️ লেখক: T.C Bhai

বৃষ্টি হচ্ছিল ঝড়ের মতো।
বিদ্যুৎ মাঝে মাঝে কাঁপছিল।
রুমের আলো আধো অন্ধকার।
ইরা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল।
পাতলা কালো শাড়ি, ভেজা চুল কাঁধে লেগে আছে।
তার চোখে অদ্ভুত এক আগুন।
পেছন থেকে রাহাত ধীরে বলল—
“তুমি জানো তুমি এখন বিপজ্জনক দেখাচ্ছো?”
ইরা ঘুরে তাকাল।
“কেন?”
রাহাত এগিয়ে এল।
তাদের মাঝে এখন মাত্র এক হাত দূরত্ব।
“কারণ তুমি আমাকে একদম পাগল করে দিচ্ছো।”
বাইরে বজ্রপাত।
ভেতরে নিঃশ্বাস ভারী।
ইরা ফিসফিস করে বলল—
“তাহলে থামাও আমাকে।”
রাহাত তার গালের পাশ দিয়ে আঙুল নামাল।
ধীরে।
সাবধানে।
তারপর কানের কাছে ঝুঁকে—
“আমি থামাতে আসিনি।”
ইরার শরীর কেঁপে উঠল।
রাহাত তার কোমর ধরে কাছে টানল।
তাদের মাঝের দূরত্ব মিলিয়ে গেল।
প্রথম স্পর্শটা ছিল ধীর।
কাঁধ থেকে আঙুল নেমে এলো বাহুতে।
ইরার নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল।
সে রাহাতের শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে বলল—
“আজ কোনো তাড়াহুড়ো না।”
রাহাত হাসল।
“আজ শুধু অনুভব করব।”
বৃষ্টির শব্দ যেন তালে তালে বাজছে।
ঠোঁট ছুঁল ঠোঁট।
নরম।
তারপর ধীরে ধীরে গভীর।
হাতের চাপ বাড়ছে।
শরীরের উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ছে।
ইরা তার আঙুল দিয়ে রাহাতের ঘাড় চেপে ধরল।
“আরও কাছে আসো…”
রাহাত তাকে তুলে নিয়ে বিছানার দিকে এগোল।
প্রতিটা মুহূর্ত দীর্ঘ।
প্রতিটা স্পর্শ ধীর, ইচ্ছাকৃত।
তাদের মাঝে আর কোনো শব্দ নেই—
শুধু শ্বাসের উষ্ণতা আর বৃষ্টির শব্দ।
অনেকক্ষণ পর…
ইরা রাহাতের বুকের ওপর মাথা রেখে শুয়ে।
তার চুল এলোমেলো।
চোখ আধো বন্ধ।
রাহাত তার কপালে চুমু দিয়ে বলল—
“এই আগুনটা থাকবে তো?”
ইরা মৃদু হাসল।
“যতদিন তুমি আমাকে এভাবে ছুঁবে…”
বাইরে বৃষ্টি থামছে।
ভেতরে এখনও উষ্ণতা।

সমাপ্তি 🔥

🩸 পৈশাচিক পূর্ণতা(পর্ব – ১)লেখক: T.C Bhaiরাত ২টা ১৭ মিনিট।ঘড়ির কাঁটা ঠিক তখনই থেমে যায়।মেহরাব হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে বসে।তার ...
01/03/2026

🩸 পৈশাচিক পূর্ণতা
(পর্ব – ১)
লেখক: T.C Bhai

রাত ২টা ১৭ মিনিট।
ঘড়ির কাঁটা ঠিক তখনই থেমে যায়।
মেহরাব হঠাৎ ঘুম ভেঙে উঠে বসে।
তার বুক ধড়ফড় করছে।
ঘাম ভেজা শরীর।
কিন্তু ঘরে এসি চলছে।
কিছু একটা ভুল।
সে নিশ্চিত—
এই শব্দটা সে কল্পনা করেনি।
টান…
ধীরে…
মেঝের ওপর কিছু ঘষার শব্দ।
তার বাসায় সে একা থাকে।
তৃতীয় তলা।
দরজা ভেতর থেকে লক।
তাহলে?
সে ধীরে বিছানা থেকে নামল।
ড্রয়িংরুম অন্ধকার।
কিন্তু রান্নাঘরের দিক থেকে ক্ষীণ আলো আসছে।
হৃদস্পন্দন বাড়ছে।
“হ্যালো?” — তার কণ্ঠ শুকনো।
কোনো উত্তর নেই।
হঠাৎ—
দেয়ালে ঝোলানো আয়নায় সে কিছু দেখল।
পেছনে দাঁড়িয়ে আছে একটা ছায়া।
মেহরাব ঘুরে দাঁড়াল।
কেউ নেই।
আবার আয়নায় তাকাল—
ছায়াটা এবার আরও কাছে।
তার কানে ফিসফিস—
“পূর্ণতা চাইলে মূল্য দিতে হয়…”
মেহরাব হঠাৎ চিৎকার করে উঠল।
লাইট জ্বলে উঠল।
ঘর ফাঁকা।
কিন্তু টেবিলের ওপর একটা জিনিস পড়ে আছে।
একটা পুরোনো ছবি।
ছবিতে—
তার ছোটবেলার বন্ধু আরিশা।
যে পাঁচ বছর আগে নিখোঁজ হয়েছিল।
আর ছবির পেছনে লাল কালি দিয়ে লেখা—
“তুমি জানো সে কোথায়।”
মেহরাবের হাত কাঁপতে শুরু করল।
কারণ সে সত্যিই জানে।
কিন্তু সেই সত্যিটা কেউ জানার কথা না।
আর ঠিক তখনই—
তার ফোনে অজানা নম্বর থেকে একটা ভিডিও এলো।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে—
একটা মেয়ের হাত বাঁধা।
ক্যামেরা ধীরে মুখের দিকে উঠছে।
মেহরাবের শ্বাস বন্ধ হয়ে গেল।
কারণ মুখটা—
আরিশার।
আর সে ফিসফিস করে বলছে—
“মেহরাব… তুমি তো বলেছিলে এটা গোপন থাকবে…”
স্ক্রিন ব্ল্যাক।

চলবে… 🔥

🌑 “নিষিদ্ধ তোমার ছায়া”✍️ লেখক: T.C Bhai(পর্ব – ৩)হাসপাতালের করিডোরে সাদা আলো।সবকিছু অস্বাভাবিক পরিষ্কার।তবুও শ্বাস নিতে ...
01/03/2026

🌑 “নিষিদ্ধ তোমার ছায়া”

✍️ লেখক: T.C Bhai
(পর্ব – ৩)

হাসপাতালের করিডোরে সাদা আলো।
সবকিছু অস্বাভাবিক পরিষ্কার।
তবুও শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল আরিবার।
রুদ্র পাশে দাঁড়িয়ে।
কিন্তু তাদের মাঝের দূরত্ব এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি।
একজন নার্স এগিয়ে এল।
“আপনারা রায়ানের পরিবার?”
আরিবার ঠোঁট শুকিয়ে গেছে।
সে শুধু মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল।
“অপারেশন চলছে।”
এই দুইটা শব্দ যেন সময়কে থামিয়ে দিল।
দুর্ঘটনাটা হয়েছিল বাসা থেকে বের হওয়ার আধঘণ্টা পর।
ব্রিজের উপর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারায়।
লোকজন বলছে—গাড়ির গতি অস্বাভাবিক ছিল।
কেউ বলছে—
সে নিজেই যেন ধাক্কা খুঁজছিল।
অপারেশন থিয়েটারের লাল বাতি জ্বলছে।
আরিবা দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তার কানে বারবার বাজছে—
“তুমি কি তাকে এখনো ভালোবাসো?”
সে “হ্যাঁ” বলেছিল।
এই “হ্যাঁ” কি রায়ানকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিল?
রুদ্র ধীরে বলল,
“এটা আমাদের দোষ না…”
কিন্তু কথাটা বাতাসেই ভেঙে গেল।
কারণ অপরাধবোধ যুক্তি মানে না।
দুই ঘণ্টা পর দরজা খুলল।
ডাক্তার বের হলেন।
তার মুখে ক্লান্তি।
“রোগী এখনো বেঁচে আছেন।”
শব্দটা যেন হঠাৎ বাতাস এনে দিল ফুসফুসে।
কিন্তু ডাক্তার থামলেন না।
“তবে মাথায় আঘাত গুরুতর।
পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আর… একটা ব্যাপার আছে।”
আরিবার বুক কেঁপে উঠল।
“সম্ভবত স্মৃতিতে আঘাত লেগেছে।”
আইসিইউর ভেতরে রায়ান নিথর।
মেশিনের শব্দ।
ব্যান্ডেজে ঢাকা কপাল।
আরিবা ধীরে কাছে গেল।
তার চোখ ভিজে।
কিন্তু কান্না যেন বের হতে ভয় পাচ্ছে।
হঠাৎ—
রায়ানের আঙুল সামান্য নড়ল।
মনিটরের শব্দ বদলে গেল।
ধীরে ধীরে তার চোখ খুলল।
অস্পষ্ট দৃষ্টি।
নার্স ডাকল ডাক্তারকে।
রায়ানের চোখ ঘুরে এসে থামল আরিবার মুখে।
কয়েক সেকেন্ড।
নীরবতা।
তার ঠোঁট কাঁপল।
“আপনি… কে?”
শব্দটা এতটাই ধীরে,
কিন্তু আঘাতটা বজ্রপাতের মতো।
আরিবা জমে গেল।
ডাক্তার নিচু গলায় বললেন,
“আংশিক স্মৃতিভ্রংশ। হয়তো সাময়িক… হয়তো না।”
রায়ান আবার তাকাল।
তার চোখে কোনো সন্দেহ নেই।
কোনো রাগ নেই।
কোনো ইতিহাস নেই।
শুধু শূন্যতা।
হাসপাতালের বাইরে রাত নেমেছে।
রুদ্র দূর থেকে সব দেখছিল।
এখন তাদের সামনে নতুন এক প্রশ্ন—
যদি রায়ান সব ভুলে যায়,
তাহলে কি তারা নতুন করে জীবন শুরু করতে পারবে?
নাকি এই স্মৃতিভ্রংশই হবে আরও বড় শাস্তি?
আর ঠিক তখনই—
একজন অচেনা লোক করিডোরে দাঁড়িয়ে ফোনে বলল,
“হ্যাঁ, কাজ হয়েছে।
সে এখন কিছুই মনে করতে পারবে না…”
আর তার দৃষ্টি ছিল সোজা—
রুদ্রের দিকে।

চলবে… 🔥 02/03/26

🌑 “নিষিদ্ধ তোমার ছায়া”✍️ লেখক: T.C Bhai(পর্ব – ২)দরজার ফাঁকে দাঁড়িয়ে রায়ান।বৃষ্টির পানি তার কাঁধ বেয়ে পড়ছে।কিন্তু তার চো...
01/03/2026

🌑 “নিষিদ্ধ তোমার ছায়া”

✍️ লেখক: T.C Bhai
(পর্ব – ২)

দরজার ফাঁকে দাঁড়িয়ে রায়ান।
বৃষ্টির পানি তার কাঁধ বেয়ে পড়ছে।
কিন্তু তার চোখের ভেতরটা ছিল আগুনের মতো শুকনো।
ঘর নিস্তব্ধ।
শুধু তিনটা মানুষের ভারী শ্বাসের শব্দ।
রুদ্র ধীরে ধীরে হাত সরিয়ে নিল।
আরিবা যেন নিজের হাতটাই চিনতে পারছিল না—
কেন সে সরেনি আগে?
রায়ান ভেতরে ঢুকল।
দরজা বন্ধ করল।
কোনো কথা নেই।
“আমি কি কোনো দৃশ্যের মাঝখানে ঢুকে পড়লাম?” — তার কণ্ঠ শান্ত।
অস্বাভাবিক শান্ত।
এই শান্তিই ভয়ংকর।
আরিবা ঠোঁট ভেজাল।
কথা বের হলো না।
রুদ্র এগিয়ে এল, “রায়ান, ব্যাপারটা—”
“তোমাকে আমি কিছু জিজ্ঞেস করিনি।”
রায়ানের কণ্ঠ এবার একটু শক্ত।
বজ্রপাত হলো বাইরে।
ঘরের অন্ধকার আরও গাঢ় হয়ে উঠল।
রায়ান ধীরে ধীরে সোফায় বসে পড়ল।
তার চোখ একবারও আরিবার মুখ ছাড়ছে না।
“তুমি সুখী?” — সে হঠাৎ প্রশ্ন করল।
একই প্রশ্ন।
যেটা কিছুক্ষণ আগে রুদ্র করেছিল।
আরিবার বুকের ভেতরটা ধপ করে উঠল।
“আমি চেষ্টা করি…” — সে ফিসফিস করল।
রায়ান হেসে উঠল।
তবে সেই হাসিতে কোনো উষ্ণতা নেই।
“চেষ্টা?”
“সংসার কি পরীক্ষার খাতা, আরিবা?”
রুদ্র চুপ।
কিন্তু তার চোখে অপরাধবোধ আর অসহায়তা।
রায়ান উঠে দাঁড়াল।
ধীরে ধীরে এগিয়ে এল।
“তোমাদের চোখ আমি অনেকদিন ধরেই পড়ছি।”
“আমি অন্ধ না।”
এই কথায় ঘরটা যেন আরও সংকুচিত হয়ে গেল।
আরিবার হাত কাঁপছে।
“কিছু হয়নি…” — সে বলল, কিন্তু নিজের কণ্ঠেই বিশ্বাস নেই।
রায়ান হঠাৎ টেবিলের ওপর রাখা একটা খাম তুলে ধরল।
“তাহলে এটা কী?”
খামটা খুলে ভেতর থেকে একটা পুরোনো ছবি বের করল সে।
কলেজ ক্যাম্পাস।
আরিবা আর রুদ্র পাশাপাশি দাঁড়িয়ে।
হাসছে।
ছবিটা কয়েকদিন আগে আলমারির ভেতর থেকে পেয়েছিল রায়ান।
আর সেদিন থেকেই তার সন্দেহের শুরু।
“পুরোনো প্রেম?” — তার কণ্ঠে ঠান্ডা বিদ্রুপ।
আরিবা এবার আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না।
সে বসে পড়ল।
“আমি ভুলে গিয়েছিলাম…” — তার কণ্ঠ ভাঙা।
“কিন্তু সে তো ভুলেনি।” — রায়ানের দৃষ্টি এবার রুদ্রের দিকে।
নীরবতা।
বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে।
কিন্তু ভেতরে ঝড় শুরু।
হঠাৎ রায়ান খুব ধীরে বলল—
“তুমি কি তাকে এখনো ভালোবাসো?”
এই প্রশ্নটাই ছিল আসল।
এই একটিমাত্র উত্তরের ওপর দাঁড়িয়ে আছে তিনটা জীবন।
আরিবা চোখ বন্ধ করল।
মনে পড়ছে—
কলেজের দিনগুলো।
অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি।
হঠাৎ বিয়ে।
নিঃশব্দ রাতগুলো।
তারপর সে চোখ খুলল।
এক ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে।
“হ্যাঁ।”
একটা মাত্র শব্দ।
কিন্তু সেই শব্দ যেন দেয়াল ভেঙে ফেলল।
রায়ান স্থির দাঁড়িয়ে রইল।
তার মুখে কোনো চিৎকার নেই।
কোনো ভাঙচুর নেই।
শুধু নিঃশ্বাস ভারী।
রুদ্র এগিয়ে এল, “সব দোষ আমার—”
“চুপ!” — এবার রায়ানের কণ্ঠ ফেটে গেল।
সে আরিবার দিকে তাকিয়ে বলল—
“তাহলে এতদিন আমি কী ছিলাম?”
আরিবার কোনো উত্তর নেই।
কারণ কখনো কখনো সত্যি মানেই নিষ্ঠুরতা।
রায়ান ধীরে দরজার দিকে হাঁটতে লাগল।
দরজা খুলে থেমে গেল এক মুহূর্ত।
“আজ থেকে তোমরা স্বাধীন।”
“কিন্তু মনে রেখো—সমাজ কাউকে স্বাধীন করে না।”
দরজা বন্ধ।
শব্দটা যেন একটা অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়—
বরং যুদ্ধের শুরু।
ঘরে এখন শুধু দু’জন।
কিন্তু তাদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে—
অপরাধবোধ, ভয়, আর এক অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।
রুদ্র ধীরে বলল,
“এখন কী হবে?”
আরিবা জানালার দিকে তাকাল।
দূরে রাস্তার মোড়ে কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে।
তাদের বাড়ির দিকে তাকিয়ে।
গুজব আগেই ছড়িয়ে গেছে।
আরিবা খুব ধীরে বলল—
“আমরা দেরি করে ফেলেছি, রুদ্র…”
ঠিক তখনই তার ফোন বেজে উঠল।
স্ক্রিনে একটা অজানা নম্বর।
সে রিসিভ করল।
ওপাশ থেকে শুধু একটা বাক্য—
“আপনার স্বামী রায়ান… একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে।”
ফোনটা তার হাত থেকে পড়ে গেল।

চলবে… 🔥 02/03/26

🌑 “নিষিদ্ধ তোমার ছায়া”✍️ লেখক: T.C Bhai(পর্ব – ১)শহরটা খুব ছোট।এখানে কারো চোখ এড়িয়ে কিছুই ঘটে না।বাতাসেও খবর উড়ে বেড়ায়।আ...
01/03/2026

🌑 “নিষিদ্ধ তোমার ছায়া”
✍️ লেখক: T.C Bhai
(পর্ব – ১)

শহরটা খুব ছোট।
এখানে কারো চোখ এড়িয়ে কিছুই ঘটে না।
বাতাসেও খবর উড়ে বেড়ায়।
আরিবা জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। বিকেলের আলো তার মুখে পড়ে তাকে আরও নিঃসঙ্গ করে তুলেছিল। তার বিয়ের বয়স তিন বছর। সংসার আছে, স্বামী আছে, ঘর আছে—কিন্তু ভালোবাসা নেই।
তার স্বামী রায়ান ভালো মানুষ। দায়িত্বশীল। কিন্তু সম্পর্কটা যেন একটা চুক্তি—কোনো উষ্ণতা নেই, কোনো অপেক্ষা নেই।
সেই দিন বিকেলে প্রথম তাকে আবার দেখেছিল সে।
রুদ্র।
চার বছর পর।
হঠাৎ।
অপ্রস্তুতভাবে।
রায়ানের অফিসের কাজের সূত্রে বাসায় এসেছিল সে।
দরজা খুলতেই আরিবার বুক কেঁপে উঠেছিল।
চোখ দুটো ঠিক আগের মতোই গভীর।
কিন্তু ভেতরে যেন জমে আছে অগণিত না বলা কথা।
“ভালো আছো?” — রুদ্র খুব স্বাভাবিক গলায় জিজ্ঞেস করেছিল।
আরিবা শুধু মাথা নেড়েছিল।
কারণ তার কণ্ঠস্বর তাকে বিশ্বাসঘাতকতা করত।
কলেজ জীবনে তারা একে অপরের সব ছিল।
কিন্তু ধর্ম, পরিবার আর সামাজিক অমিল—সবকিছু তাদের আলাদা করে দিয়েছিল।
আরিবা বিয়ে করেছিল পরিবারের চাপে।
রুদ্র শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিল।
ভেবেছিল সব শেষ।
কিন্তু কিছু গল্প শেষ হয় না।
শুধু থেমে থাকে।
এরপর থেকে রুদ্র মাঝেমধ্যে বাসায় আসতে শুরু করল।
সবসময় রায়ানের উপস্থিতিতে।
কিন্তু তাদের চোখের ভাষা কেউ বুঝত না।
একদিন বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টি নেমেছিল।
রায়ান বাসায় ছিল না।
রুদ্র দরজার সামনে দাঁড়িয়ে—ভিজে।
“আমি আশ্রয় নিতে পারি?” — সে বলেছিল।
এই একটা প্রশ্ন যেন আরিবার ভেতরের সব বাঁধ ভেঙে দিয়েছিল।
বৃষ্টি বাইরে পড়ছিল।
আর ভেতরে পড়ছিল আরেক ধরনের ঝড়।
কথা হচ্ছিল সাধারণ বিষয় নিয়ে—
কিন্তু নীরবতাই ছিল আসল কথা।
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল।
ঘর অন্ধকার।
শুধু জানালা দিয়ে আসা ম্লান আলো।
রুদ্র খুব কাছে দাঁড়িয়ে ছিল।
এত কাছে যে তার নিঃশ্বাস স্পষ্ট অনুভব করা যাচ্ছিল।
“তুমি সুখী?” — রুদ্র ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল।
এই প্রশ্নটাই আরিবার সমস্ত শক্তি কেড়ে নিল।
সে উত্তর দিল না।
কিন্তু তার চোখ ভিজে উঠেছিল।
রুদ্র হাত বাড়াল।
এক মুহূর্ত।
মাত্র এক মুহূর্ত।
আরিবা জানত—
এই স্পর্শ মানেই পাপ।
এই স্পর্শ মানেই আগুন।
এই স্পর্শ মানেই এমন এক পথ, যেখান থেকে ফেরার উপায় নেই।
তবুও সে সরে যায়নি।
রুদ্রের আঙুল তার কাঁপা হাত ছুঁয়ে গেল।
সময় থেমে গেল।
হৃদস্পন্দন অসংলগ্ন।
বাইরে বজ্রপাত হলো।
ঠিক তখনই—
দরজার বাইরে কারো পায়ের শব্দ।
ধীরে।
ভারী।
পরিচিত।
দরজার হাতল নড়ল।
আরিবা জমে গেল।
রুদ্রও।
দরজা খুলল।
এবং দরজার ফাঁকে দাঁড়িয়ে—
রায়ান।
তার চোখে এমন এক দৃষ্টি,
যা ভালোবাসা নয়,
রাগও নয়—
বরং সন্দেহ।
আর তার দৃষ্টি সরাসরি গিয়ে থামল—
রুদ্রের হাতে,
যেখানে এখনো আরিবার আঙুল আটকে আছে।

চলবে… 🔥 02/03/26

 #সৈকত_নিশি✍️ লেখক: T.C Bhai নিশির জীবনের সবচেয়ে প্রিয় জায়গাটা ছিল তাদের ছোট্ট শহরের এক কোচিং সেন্টার। সেখানেই প্রথম দেখ...
01/03/2026

#সৈকত_নিশি
✍️ লেখক: T.C Bhai


নিশির জীবনের সবচেয়ে প্রিয় জায়গাটা ছিল তাদের ছোট্ট শহরের এক কোচিং সেন্টার। সেখানেই প্রথম দেখেছিল সে
Sykat Roy–কে।

স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন, পাশাপাশি কোচিংয়ে ইংরেজি আর সাহিত্য পড়াতেন। বয়সে খুব বেশি বড় নন, কিন্তু ব্যক্তিত্বে যেন অনেক দূরের মানুষ। ক্লাসে ঢুকেই বলতেন,
“স্বপ্ন বড় রাখবে। ছোট শহরে জন্ম মানেই ছোট স্বপ্ন না।”
নিশি সেদিন প্রথম বুঝেছিল—শুধু বই নয়, মানুষও পড়ানো যায়।
আর সেই মানুষটাই হয়ে উঠলেন তার পৃথিবী।
Nishi Islam ছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। শান্ত, চুপচাপ। বাসা থেকে কোচিং, কোচিং থেকে বাসা—এই ছিল তার জীবন। কিন্তু কোচিং শুরু হওয়ার পর তার দিনগুলোর মানে বদলে গেল।
প্রথম কয়েকদিন সে শুধু স্যারকে শ্রদ্ধা করত।
স্যার যখন বোর্ডে লিখতেন, তাঁর হাতের শিরাগুলো দেখা যেত।
যখন হাসতেন, চোখের কোণে ছোট ভাঁজ পড়ত।
যখন রাগ করতেন, কণ্ঠ শক্ত হয়ে যেত—তবুও অদ্ভুত মায়া থাকত।
নিশি জানত না কখন শ্রদ্ধাটা অন্য কিছুর রূপ নিল।
একদিন স্যার তাকে দাঁড় করিয়ে বললেন,
“নিশি, তুমি খুব ভালো লেখো। চালিয়ে যাও।”
এই ছোট্ট প্রশংসা তার বুকের ভেতর ঝড় তুলেছিল।
সেই রাতেই ডায়েরিতে লিখেছিল—
“আজ স্যার আমার নামটা আলাদা করে বললেন।”
ভালোবাসা কখনও হুট করে আসে না।
ধীরে ধীরে, অজান্তে, অস্বীকার করতে না পারার মতো করে আসে।
নিশি প্রতিদিন কোচিংয়ে যেত স্যারের এক ঝলক দেখার জন্য।
স্যার অসুস্থ হলে সে সারা রাত ঘুমাতে পারত না।
স্যার অন্য কোনো মেয়ের খাতা বেশি সময় ধরে দেখলে তার বুক হাহাকার করত।
কিন্তু সে জানত—
এই ভালোবাসা বলা যাবে না।
কারণ তিনি তার শিক্ষক।
তার সম্মান।
তার স্বপ্নের পথপ্রদর্শক।
একদিন কোচিং শেষে বৃষ্টি নামল। সবাই চলে গেল।
নিশি ছাতা আনেনি।
স্যার দরজার সামনে দাঁড়িয়ে বললেন,
“এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে তো ভিজে যাবে। চলো, আমি রিকশা ঠিক করে দিচ্ছি।”
রিকশায় ওঠার আগে স্যার বললেন,
“পড়াশোনায় মন দিও। জীবনটা অনেক বড়।”
সেই ‘জীবনটা অনেক বড়’ কথাটা নিশির কাছে হয়ে গেল সবচেয়ে ছোট বাক্য।
কারণ তার জীবন তো শুধু এক মানুষকে ঘিরেই।
কয়েক মাস পর কোচিংয়ে খবর এল—
স্যার বিদেশে স্কলারশিপ পেয়েছেন। কয়েক মাসের মধ্যেই চলে যাবেন।
সবাই খুশি। গর্বিত।
নিশিও হাসল।
কিন্তু বাসায় ফিরে দরজা বন্ধ করে প্রথমবার ভেঙে পড়ল।
সে বুঝল—
এটা শুধু দূরত্ব না, এটা চিরবিদায়।
শেষ ক্লাসের দিন স্যার বললেন,
“তোমরা সবাই ভালো থেকো। বড় কিছু করো। আমার থেকে বড়।”
নিশির মনে হচ্ছিল, চিৎকার করে বলুক—
“স্যার, আমি আপনাকে ভালোবাসি।”
কিন্তু সে শুধু বলল,
“ভালো থাকবেন।”
স্যার হয়তো কখনও বুঝতেই পারেননি—
একজন ছাত্রী নীরবে তাঁর জন্য পৃথিবীর সব স্বপ্ন ত্যাগ করতে রাজি ছিল।
(শেষের ভয়ংকর কষ্ট)
স্যার চলে যাওয়ার এক মাস পর নিশি বদলে যেতে শুরু করল।
খাওয়া কমে গেল। কথা বলা কমে গেল।
রাতে ঘুম আসত না। ফোনে স্যারের পুরনো নোট, পুরনো মেসেজ, পুরনো ক্লাসের অডিও শুনত।
এক রাতে সে ছাদে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল—
“আপনি তো বলেছিলেন জীবনটা বড়… কিন্তু আমারটা তো এখানেই শেষ।”
পরদিন সকালে তার মা দরজা খুলে দেখলেন—
নিশি বিছানায় নিশ্চুপ।
পাশে একটা চিঠি।
চিঠিতে লেখা—
“স্যার, আমি কখনও আপনার জীবনে অসম্মান হতে চাইনি। তাই কিছু বলিনি। শুধু চেয়েছি আপনি সুখে থাকুন। আমার ভালোবাসা যদি পাপ হয়, তাহলে এই পাপ নিয়ে আমি চলে গেলাম।”
কয়েক সপ্তাহ পর বিদেশে বসে
Sykat Roy খবরটা পেলেন।
তিনি স্তব্ধ।
বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।
নিশির বাড়ি থেকে তার লেখা চিঠির কপি পাঠানো হয়েছিল।
চিঠির শেষ লাইনে লেখা ছিল—
“আপনি জানবেন না, তবুও আপনি ছিলেন আমার পুরো পৃথিবী।”
সেদিন প্রথমবার স্যার কেঁদেছিলেন।
নিজের অজান্তে কারও জীবন হয়ে ওঠার অপরাধবোধে।
শেষ দৃশ্য
বহু বছর পরও স্যার যখন নতুন ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তিনি মাঝে মাঝে থেমে যান।
কারও চোখে যদি অতিরিক্ত নীরবতা দেখেন, তিনি জিজ্ঞেস করেন—
“সব ঠিক তো?”
কারণ তিনি জানেন—
নীরব ভালোবাসা সবচেয়ে ভয়ংকর।
নিশি চেয়েছিল স্যার সুখে থাকুক।
কিন্তু তার চলে যাওয়া স্যারের জীবনে এমন এক ক্ষত তৈরি করল,
যেটা সময়ও সারাতে পারল না।
ভালোবাসা কখনও কখনও সুন্দর নয়—
কখনও কখনও তা নিঃশব্দ মৃত্যু।

সৈকত নিশি One Sided Love
✍️ লেখক: T.C Bhai
© Copyright 2026 by T.C Bhai
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
এই গ্রন্থের কোনো অংশ লেখকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকারে — ইলেকট্রনিক, মুদ্রিত, ফটোকপি, রেকর্ডিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে — পুনঃপ্রকাশ, সংরক্ষণ বা প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই উপন্যাস সম্পূর্ণরূপে মৌলিক ও কল্পনাপ্রসূত। বাস্তব ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনার সাথে কোনো মিল কাকতালীয়।
প্রথম প্রকাশ: ২০২৬
ভাষা: বাংলা
ধরন: রোমান্টিক / আবেগঘন ধারাবাহিক উপন্যাস
প্রকাশনা ও স্বত্বাধিকার:
T.C Bhai & TOXIC PAGE https://www.facebook.com/share/1DxkREAfkC/

“অপূর্ণ আকাশের নিচে”✍️ লেখক: T.C Bhaiপর্ব শেষ এরপরের কয়েক সপ্তাহে বৃষ্টি যেন অজুহাত হয়ে উঠল।স্টেশনে দেখা, দু’একটা কথা, ত...
01/03/2026

“অপূর্ণ আকাশের নিচে”

✍️ লেখক: T.C Bhai

পর্ব শেষ

এরপরের কয়েক সপ্তাহে বৃষ্টি যেন অজুহাত হয়ে উঠল।
স্টেশনে দেখা, দু’একটা কথা, তারপর একসাথে হেঁটে যাওয়া।
মেহরিন লক্ষ্য করল—আরিশ খুব বেশি প্রশ্ন করে না।
শুধু পাশে থাকে।
একদিন সে হঠাৎ বলল,
“আপনার চোখে সবসময় একটু কষ্ট দেখি।”
মেহরিন থমকে গেল।
“সবাই নিজের মতো বাঁচে,” সে বলল।
আরিশ উত্তর দিল,
“কিন্তু কেউ যদি পাশে হাঁটতে চায়, তাকে কি সবসময় একা থাকতে হয়?”
সেদিন প্রথমবার মেহরিন তার অতীতের কথা একটু বলেছিল।
আরিশ শুধু শুনেছিল।শরতের আকাশ পরিষ্কার।
বৃষ্টি নেই, কিন্তু দেখা আছে।
স্টেশনের চায়ের দোকানে বসে দু’জনের প্রথম নির্ভার হাসি।
আরিশ ইচ্ছে করে বাজে গল্প বলছিল।
মেহরিন হেসে ফেলল।
আরিশ তাকিয়ে রইল।
“এই হাসিটা সবসময় রাখবেন।”
মেহরিন চোখ নামিয়ে বলল,
“সবকিছু থাকে না।”
আরিশ শান্ত স্বরে বলল,
“আমি থাকবো।”এক সন্ধ্যায় নদীর ধারে।
সূর্য ডুবে যাচ্ছে।
আরিশ বলল,
“আমি আপনার সাথে সময় কাটানোর অজুহাত খুঁজি।”
মেহরিন চুপ।
“আমি হয়তো আপনার প্রেমে পড়ে যাচ্ছি।”
দীর্ঘ নীরবতা।
তারপর মেহরিনের কাঁপা গলা—
“আমাকে হারানোর ভয় আছে আপনার?”
“আপনাকে পাওয়ার পর থেকেই আছে।”
সেদিন তারা হাত ধরেছিল।
প্রথমবার স্বেচ্ছায়।তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলতে শুরু করল।
ছোট একটা বাসা। জানালার পাশে বইয়ের তাক।
বৃষ্টির দিনে চা।
মেহরিন বিশ্বাস করতে শিখছিল।
আরিশ বলেছিল,
“আপনাকে কখনও একা হতে দেব না।”
আকাশ সেদিন পূর্ণ ছিল।হঠাৎ করেই আরিশ বদলে যেতে লাগল।
ফোন কম, দেখা কম।
মেহরিন জিজ্ঞেস করলে সে বলত,
“কাজের চাপ।”
কিন্তু তার চোখে অদ্ভুত অস্থিরতা।
একদিন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থেকেও আরিশ এল না।
সেদিন আকাশ পরিষ্কার ছিল।
তবু মেহরিনের ভেতরে ঝড়।একটা ছোট মেসেজ—
“আমাকে কিছুদিন সময় দাও।”
তারপর আর কিছু না।
দিন পেরিয়ে সপ্তাহ।
ফোন বন্ধ।
মেহরিন আবার শিখল—
কেউ থাকে না।অনেক মাস পর হঠাৎ খবর পেল—
আরিশ শহর ছেড়ে গিয়েছিল বাবার অসুস্থতার কারণে।
পরিবারের দায়িত্ব, আর্থিক চাপ।
কিন্তু সে কেন বলেনি?
এই প্রশ্নটাই কষ্টের চেয়েও গভীর।একদিন হঠাৎ কল।
“আমি ফিরে এসেছি।”
মেহরিনের কণ্ঠ ঠান্ডা—
“কেন?”
“কারণ অসমাপ্ত কথা বুকে নিয়ে বাঁচা যায় না।”নদীর ধারের সেই জায়গা।
আরিশ বলল,
“আমি ভেবেছিলাম তোমাকে দূরে রাখলে নিরাপদ থাকবে। আমার জীবনে তখন ভাঙন ছিল।”
মেহরিন চোখ ভিজে বলল,
“সিদ্ধান্তটা একা নিলে কেন? আমি কি এতটাই পর ছিলাম?”
আরিশ চুপ।
“আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম। দয়া নয়, অংশীদারিত্ব চাইছিলাম।”
বাতাস ভারী।সূর্য ডুবে যাচ্ছে।
আরিশ বলল,
“একটা সুযোগ দেবে?”
মেহরিন আকাশের দিকে তাকাল।
আজ আকাশ অর্ধেক মেঘলা, অর্ধেক পরিষ্কার।
“আমি এখনও তোমাকে ভালোবাসি,” সে স্বীকার করল।
“কিন্তু আগের মতো বিশ্বাস করতে সময় লাগবে।”
আরিশ ধীরে তার হাত ধরল—
এবার জোর করে নয়, অনুমতি নিয়ে।
আকাশ পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি।
কিন্তু বৃষ্টি নামেনি।
অপূর্ণতা রয়ে গেল।
তবু তারা পাশাপাশি দাঁড়াল।
কারণ সব গল্প পূর্ণতায় শেষ হয় না—
কিছু গল্প অপূর্ণ আকাশের নিচেই বাঁচতে শেখে।

শেষটা কেমন ছিলো Comnt Plz🙏

অপূর্ণ আকাশের নিচে
✍️ লেখক: T.C Bhai
© Copyright 2026 by T.C Bhai
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
এই গ্রন্থের কোনো অংশ লেখকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকারে — ইলেকট্রনিক, মুদ্রিত, ফটোকপি, রেকর্ডিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে — পুনঃপ্রকাশ, সংরক্ষণ বা প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই উপন্যাস সম্পূর্ণরূপে মৌলিক ও কল্পনাপ্রসূত। বাস্তব ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনার সাথে কোনো মিল কাকতালীয়।
প্রথম প্রকাশ: ২০২৬
ভাষা: বাংলা
ধরন: রোমান্টিক / আবেগঘন ধারাবাহিক উপন্যাস
প্রকাশনা ও স্বত্বাধিকার:
T.C Bhai & TOXIC PAGE

“অপূর্ণ আকাশের নিচে”✍️ লেখক: T.C Bhai(মেহরিন–আরিশ গল্প)পর্ব ২: বৃষ্টির ভেতর প্রথম পথচলাবৃষ্টি থামেনি। প্ল্যাটফর্ম প্রায় ...
01/03/2026

“অপূর্ণ আকাশের নিচে”

✍️ লেখক: T.C Bhai
(মেহরিন–আরিশ গল্প)
পর্ব ২: বৃষ্টির ভেতর প্রথম পথচলা

বৃষ্টি থামেনি। প্ল্যাটফর্ম প্রায় ফাঁকা।
মেহরিন ছাতার ভাঙা কাঁটাগুলো ঠিক করার চেষ্টা করছিল। আরিশ ছাতাটা ধরে দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু জোর করছে না। শুধু অপেক্ষা করছে।
“আপনার বাড়ি দূরে?” সে নরম গলায় জিজ্ঞেস করল।
“হাঁটা পথ,” সংক্ষিপ্ত উত্তর।
“তাহলে আজ হাঁটাটা একা না হোক।”
মেহরিন বিরক্ত হলো না। অদ্ভুতভাবে ছেলেটার উপস্থিতি বিরক্তিকর লাগছিল না।
এটা তার জন্য নতুন অনুভূতি।
স্টেশন থেকে বেরোতেই কাদামাখা রাস্তা। বাতাসে কাঁচা মাটির গন্ধ। ছাতার নিচে দু’জন মানুষ, কিন্তু মাঝখানে অদৃশ্য দূরত্ব।
“আপনি সবসময় এত চুপচাপ?” আরিশ আবার জিজ্ঞেস করল।
“সবাই সব কথা বলার মতো না,” মেহরিন উত্তর দিল।
আরিশ একটু চুপ থেকে বলল,
“তাহলে আমি অপেক্ষা করবো, যতদিন না আপনি মনে করেন আমি বলার মতো মানুষ।”
কথাটা খুব সাধারণ ছিল।
কিন্তু মেহরিনের বুকের ভেতর যেন হালকা একটা শব্দ হলো—অচেনা, নরম।
রাস্তার এক জায়গায় জমে থাকা পানিতে পা পিছলে গেল মেহরিনের।
আরিশ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তার হাত ধরে ফেলল।
এক মুহূর্ত।
সময় থেমে গেল।
মেহরিন দ্রুত হাত সরিয়ে নিল।
কিন্তু সেই স্পর্শ যেন হাত ছাড়িয়ে মনেও লেগে রইল।
বাড়ির সামনে এসে সে থামল।
“ধন্যবাদ,” সে বলল।
“আজ আমাকে পরিচিত হতে দিলেন?” আরিশ হালকা হাসল।
মেহরিন কিছু বলল না।
কিন্তু প্রথমবারের মতো তার ঠোঁটের কোণে খুব সূক্ষ্ম এক হাসি ফুটে উঠল।
বৃষ্টি তখনও পড়ছে।
আর কোথাও একটা অচেনা ব্যথা ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে—
যার নাম তখনও কেউ জানে না।
দূরে আকাশে মেঘ জমে আছে।
অপূর্ণ।
ঠিক তাদের গল্পের মতো।
(চলবে….......

অপূর্ণ আকাশের নিচে
✍️ লেখক: T.C Bhai
© Copyright 2026 by T.C Bhai
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
এই গ্রন্থের কোনো অংশ লেখকের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকারে — ইলেকট্রনিক, মুদ্রিত, ফটোকপি, রেকর্ডিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে — পুনঃপ্রকাশ, সংরক্ষণ বা প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই উপন্যাস সম্পূর্ণরূপে মৌলিক ও কল্পনাপ্রসূত। বাস্তব ব্যক্তি, স্থান বা ঘটনার সাথে কোনো মিল কাকতালীয়।
প্রথম প্রকাশ: ২০২৬
ভাষা: বাংলা
ধরন: রোমান্টিক / আবেগঘন ধারাবাহিক উপন্যাস
প্রকাশনা ও স্বত্বাধিকার:
T.C Bhai ID ' Ew'r Tonmy Chowdhury & Page TO𝙓I𝘾 ツ

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A-Z বিক্রি A-Z Bikri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed food & beverage service?

Share