11/02/2026
গল্পটা আমার। বিয়ের পর খুব কষ্ট করে এগার মাসের মেয়েকে নিয়ে ইন্টার পাশ করেছি শুধু প্রাইমারি স্কুলের টিচার হওয়ার জন্য কিন্তু ভালো রেজাল্ট নিয়ে পাশ করার পর যখন প্রাইমারিতে এপ্লাই করলাম তখন হতাশ হতে হলো আমার কাছে তিন লাখ টাকা ছিল না। তবে আমি হতাশ হইনি, ডিগ্রিতে ভর্তি হয়ে পড়া শুরু করি, আরও একটা মেয়ে হয় তবু থেমে যাইনি, এরপর ছয় মাসের ছেলেকে নিয়ে ফাইনাল পরীক্ষা দেই আশা ছিল নাটোরের সুগার মিলে চাকরি নিব। কিন্তু এবারও হতাশ হতে হলো কারন আমার কাছে ৬ লাখ টাকা ছিল না। আর থাকলেও আমি টাকা দিয়ে চাকরি নেয়ার চেষ্টা করতাম না। একবার সুযোগ হয়েছিল ভোট দেয়ার। ভোট দেইনি মনের কষ্টে, মনে হতো আমি আ্যমাজান জঙ্গলের বাসিন্দা। তবুও দমে যাইনি, ব্যবসাকে বেছে নিয়েছি। এ বছরই আমার অনলাইনে প্রথম যাত্রা, আর আমার প্রোডাক্টগুলো কিনে গাও-গেরামের খানাপিনার আসল স্বাদটা পরখ করে দেখবেন।
আশা করি সবাই ভোট দিবেন গভীর পর্যবেক্ষণ করে। যেন আমাদের ও আমাদের সন্তানদের জীবন চলার পথটা সহজ হয়।