03/02/2026
শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও ইবাদতের রাত। এ রাতে আল্লাহ তাআলা বান্দার প্রতি বিশেষ রহমত নাজিল করেন, ভাগ্য নির্ধারণ করেন এবং অগণিত গুনাহগারকে ক্ষমা করে দেন [১, ৩, ৬]। এই রাতে নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির ও কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ক্ষমা ও কল্যাণ কামনা করা সুন্নাত [২, ৪]।
শবে বরাতের প্রধান ফজিলত ও আমলসমূহ:
বিপুল ক্ষমা: এ রাতে আল্লাহ তাআলা মুশরিক ও হিংসুক ব্যতীত অন্য সব মুসলমানকে ক্ষমা করে দেন [৭, ১২]।
ভাগ্য নির্ধারণ: হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহ এই রাতে আগামী এক বছরের জন্য বান্দার রিজিক, হায়াত ও ভাগ্য লিখে রাখেন [৩]।
ইবাদত: এই রাতটি জেগে নফল নামাজ, জিকির, তাসবিহ ও দোয়ার মাধ্যমে কাটানো উত্তম [১০, ১৩]।
কবর জিয়ারত: রাসূলুল্লাহ (সা.) এই রাতে কবরস্থানে গিয়ে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তেগফার করেছেন [২]।
রোজা রাখা: শবে বরাতের পরের দিন (১৫ শাবান) রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ [১৩, ১৫]।
বর্জনীয়: এ রাতে কোনো ধরনের আতশবাজি, আলোকসজ্জা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা সম্পূর্ণ নিষেধ [২]।