minhaj juice & coffee bar

minhaj juice & coffee bar minhaj juice coffee bar

,শীত এলে হাঁস বেশি খাওয়া হয়। কারণ, শীতকালে হাঁসের মাংসের স্বাদই আলাদা। কনকনে শীতে হাঁসের মাংস আর গরম ভাত হলে আর কি চাই। ...
13/10/2023

,শীত এলে হাঁস বেশি খাওয়া হয়। কারণ, শীতকালে হাঁসের মাংসের স্বাদই আলাদা। কনকনে শীতে হাঁসের মাংস আর গরম ভাত হলে আর কি চাই। কিন্তু অনেকে মনে করেন বাড়িতে হাঁসের মাংস বানানো বেশ কঠিন বা ঝামেলা মনে করেন তাদের পদার্পণের অপেক্ষায়,,,,,,, #মিনহাজ হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট,,,,,, যশাই মোড় মন্মথপুর, পার্বতীপুর, দিনাজপুর,,,,, Minhaj juice & coffee bar
01741-657740
https://maps.app.goo.gl/4kZ5Mgj34wAPp8vD7

ফালুদা লাভারদের আমন্ত্রণ রইলো  #মিনহাজ জুস অ্যান্ড কফি বারের  শ্রেষ্ঠ ফালুদার জন্য,  এখন থেকে মাত্র ১০০/- টাকায়  ফালুদা ...
11/06/2023

ফালুদা লাভারদের আমন্ত্রণ রইলো #মিনহাজ জুস অ্যান্ড কফি বারের শ্রেষ্ঠ ফালুদার জন্য, এখন থেকে মাত্র ১০০/- টাকায় ফালুদা পাওয়া যাচ্ছে।

#ফালুদা

🌹সুখবর📢 সুখবর📢 সুখবর📢 "সাপাহারের  সেরা আম "আবারো ব্যাক করেছে  বছর পর।আবারও   এখন থেকে আম কিনবেন  নির্ভয়ে। আমরা ১০০ % গ্...
05/06/2023

🌹সুখবর📢 সুখবর📢 সুখবর📢 "সাপাহারের সেরা আম "আবারো ব্যাক করেছে বছর পর।আবারও এখন থেকে আম কিনবেন নির্ভয়ে। আমরা ১০০ % গ্যারান্টি দিচ্ছি ঘর ঘরে পৌঁছে দেব ফরমালিনমুক্ত মুক্ত আম। আমরা বাগান থেকে থেকে সরাসরি আম সংগ্রহ করে আপনাদের কাছে পৌঁছে দেব ঘরে ঘরে ইনশাল্লাহ এ প্রতীজ্ঞায় আপনাদের পাশে আছি "সাপারের সেরা আম"

আমাদের ঠিকানা: মিনহাজ জুস অ্যান্ড কফি বারে(যশাই মোড়, পার্বতীপুর দিনাজপুর) 01741657740

প্রতিদিন পিচ খাওয়ার ৫ উপকারিতাপিচ দেখতে যেমন সুন্দর, শরীরের পক্ষেও তেমনই উপকারী। আবার রূপচর্চায় পিচের গুণের কথাও কারও অজ...
07/09/2022

প্রতিদিন পিচ খাওয়ার ৫ উপকারিতা
পিচ দেখতে যেমন সুন্দর, শরীরের পক্ষেও তেমনই উপকারী। আবার রূপচর্চায় পিচের গুণের কথাও কারও অজানা নয়। এই অ্যালবাম থেকে জেনে নিন পিচের ৫ গুণ।

চোখ : পিচ বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর। এই বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখার অন্যতম উপাদান।১/৫
চোখ : পিচ বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর। এই বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখার অন্যতম উপাদান।
ওজন : একটা পিচের মধ্যে ৬৮ ক্যালরি থাকার পাশাপাশি ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। তাই প্রতিদিন ডায়েটে পিচ রাখলে তা ওজন কমাতেও সাহায্য করে।২/৫
ওজন : একটা পিচের মধ্যে ৬৮ ক্যালরি থাকার পাশাপাশি ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। তাই প্রতিদিন ডায়েটে পিচ রাখলে তা ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
ক্যানসার : প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে অনেক ক্রনিক সমস্যা ও ক্যানসারের প্রকোপ দূরে রাখতে পারে পিচ।৩/৫
ক্যানসার : প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে অনেক ক্রনিক সমস্যা ও ক্যানসারের প্রকোপ দূরে রাখতে পারে পিচ।
কিডনি : পিচের মধ্যে থাকা পটাশিয়াম কিডনি ও ব্লাডার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।৪/৫
কিডনি : পিচের মধ্যে থাকা পটাশিয়াম কিডনি ও ব্লাডার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক : প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকার কারণে ত্বকের ডার্ক সার্কল ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে পিচ। অনেক কসমেটিকসেও পিচ ব্যবহার করা হয়।৫/৫
ত্বক : প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকার কারণে ত্বকের ডার্ক সার্কল ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে পিচ। অনেক কসমেটিকসেও পিচ ব্যবহার করা হয়।

প্যাশন ফল পরিচিতিপ্যাশন ফল একটি স্বল্প পরিচিত প্রবর্তনযোগ্য ফল। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে এই ফলের বেশ কিছু গাছ থাকলেও এখন...
07/09/2022

প্যাশন ফল পরিচিতি

প্যাশন ফল একটি স্বল্প পরিচিত প্রবর্তনযোগ্য ফল। বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে এই ফলের বেশ কিছু গাছ থাকলেও এখনো এদেশের মানুষের কাছে এখনো এটি অপরিচিত একটি ফল। এটিকে অনেকে ট্যাং ফলও বলে থাকে। খুব সুস্বাদু ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটির উৎপত্তিস্থান সুদূর ব্রাজিলে। হাওয়াই, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়ায় একে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।

প্যাশন ফল ঝুমকো লতার নিকটাত্মীয়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Parsiflora edulis sims. এটি দুটি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। প্রথমোক্ত গোত্রের ফল বেগুনী ও অপর গোত্রের ফল হলুদ। বেগুনী ফল থেকে মিউটেশনের মাধ্যমে হলুদ ফলের উদ্ভব।

প্যাশন ফলের গাছ দীর্ঘপ্রসারী কাষ্ঠল লতা, পাতা ১০-১৫x১২-১৫ সেন্টিমিটার। বৃহদাকার ফুল বেশ সুগন্ধযুক্ত ও পাতার কক্ষে উৎপন্ন হয়, ফল গোলাকার ও মসৃণ, ব্যাসে ৪-৮ সেন্টিমিটার, হলুদ জাতের ফল বেগুনী জাত অপেক্ষা বেশ বড়।

প্যাশন ফলের ভেতরের গাত্রে হলুদাভ রসপূর্ণ থলে থাকে, এগুলিই ভক্ষণযোগ্য অংশ। একটি ৬০ গ্রাম ফল থেকে ৩০ গ্রাম রস পাওয়া যায়। এর বীজকে আবৃত করে থাকা হলুদ, জিলাটিনাস, সুগন্ধিযুক্ত পাল্পকে পানিতে মিশিয়ে খুবই সুস্বাদু রস তৈরি করা যায়। এটিকে অন্যান্য জুসের সাথেও মিশ্রিত করে খাওয়া যায়। পাল্পকে প্রক্রিয়াজাতকরণ করে আইসক্রীম, জুস, স্কোয়াশ, জ্যাম ও জেলি প্রস্তত করা যায়। বীজ ও খোসা হতে পেকটিন ও উচ্চ মাত্রার লিনোলিক এসিড সমৃদ্ধ তেল আহরণ করা সম্ভব।

প্যাশন ফলের উপাদান
ফলের মোট ওজনের ৩০-৪০% রস। রসে ৮৫% পানি, ০.৫% আমিষ, ১৩.৫% শ্বেতসার, ০.১৫% স্নেহ, ৩.৪% এসিড আছে। এসিডের ৮৫ ভাগ সাইট্রিক ও বাকিটা ম্যালিক এসিড। রসের প্রতি ১০০ গ্রামে ৫২ ক্যালোরি, ৭০০-২০০০ এ ইউ ক্যারোটিন, ২০-৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ৩.৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ০.৩ মিলিগ্রাম লৌহ বিদ্যমান।

ডুরিয়ান ফলের উপকারিতা #ডুরিয়ান এর সুবিধা কি?এর উৎপত্তি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে   ফল, গন্ধ এবং বেনিফিট। ...
07/09/2022

ডুরিয়ান ফলের উপকারিতা

#ডুরিয়ান এর সুবিধা কি?
এর উৎপত্তি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামে ফল, গন্ধ এবং বেনিফিট। তবে এটি খুব খারাপ গন্ধের জন্য পরিচিত।


এই ফলের একটি অংশ দৈহিক কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজনীয়তার প্রায়% 20 কভার করে। এটি ডাইটার এবং ক্রীড়াগুলির জন্য শক্তির উত্স।
ডুরিয়ান ফলের অন্যতম উপকারিতা হ'ল এর উচ্চ ফাইবার সামগ্রী। প্রতিটি পরিবেশনাই প্রতিদিনের ফাইবারের প্রয়োজনীয়তার 37% কভার করে।
ডুরিয়ান ফলের একক অংশটি এক্সএনএমএক্সএক্স ক্যালোরির চেয়ে বেশি, তবে আপনি বেশি পরিমাণে গ্রহণ না করলে সমস্যা দেখা দেয় না।

ডুরিয়ান ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
ক্ষত নিরাময়ে উপকারী
দেরিতে বয়স বাড়ছে
হৃদরোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা সরবরাহ করে
ফ্রি র‌্যাডিক্যালসের বিরুদ্ধে লড়াই
ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায়
সেরোটোনিনের স্তর উন্নত করতে, মেজাজ উন্নত করতে এবং হতাশা হ্রাস করতে সহায়তা করে।
এটি আয়রন এবং তামা সমৃদ্ধ। তামা এবং আয়রন সুস্থ লাল রক্ত ​​কোষ গঠন এবং গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে।


ডুরিয়ানে ম্যাঙ্গানিজও রয়েছে যা হাড় এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

পটাসিয়াম সমৃদ্ধ
সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পটাসিয়াম প্রয়োজনীয়,
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট যা রক্তচাপ ভারসাম্য বজায় রাখে এবং হার্টের হারকে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে
মৃগী রোগের জন্য কার্যকর
পেশী এবং স্নায়ু স্বাস্থ্যের উপর কার্যকর
ডুরিয়ান ফলের একটি অংশে প্রতিদিনের ফলিক অ্যাসিডের প্রয়োজনের প্রায় 20 থাকে।
কলা, অ্যাভোকাডোস এবং অন্যান্য গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফলের মতো ডুরিয়ান শক্তি, খনিজ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ। এক্সএনএমএক্সএক্স গ্রামে তাজা দুরিয়াডা 100 ক্যালোরি রয়েছে।

ফলটি খাওয়া হলে শক্তি পুনরুত্থিত হয় এবং তাত্ক্ষণিকভাবে দেহকে পুনরজ্জীবিত করে। সহজে হজমযোগ্য; নরম মাংসে স্যাচুরেটেড ফ্যাট
এবং কোলেস্টেরল থাকে না।

ডায়েটের জন্য একটি আদর্শ ফল। কারণ এটি প্রচুর পরিমাণে ফাইবারযুক্ত। সমৃদ্ধ ফাইবারের উপাদানগুলি অন্ত্রের টক্সিনের থাকার সময়কে হ্রাস করে কোলন শ্লৈষ্মিক ঝিল্লিকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করে এবং পাচনতন্ত্রকে ত্বরান্বিত করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাগুলির জন্যও এক রেচক প্রভাব ফেলে।
অন্যান্য নিবন্ধ; মেনেনজিç (পিস্তাসিয়া টের্বিন্থ) কফির উপকারিতা


ডুরিয়ান হ'ল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই ফলটি মানব শরীরকে সংক্রামক রোগের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে এবং দেহের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া এবং জীবাণুগুলি অপসারণে সহায়তা করে।

ডুরিয়ান ভিটামিন বি জটিল গ্রুপগুলির একটি দুর্দান্ত উত্স। কারণ নিয়াসিন, রাইবোফ্ল্যাভিন, পেন্টোথেনিক অ্যাসিড (ভিটামিন বিএক্সএনইউএমএক্স), পাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি-এক্সএনএমএক্স) এবং থায়ামিন (ভিটামিন বি-এক্সএনএমএমএক্স) খুব সমৃদ্ধ। এই ভিটামিনগুলি শরীরের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়।

এটিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ যেমন ম্যাঙ্গানিজ, তামা, আয়রন এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। ম্যাঙ্গানিজ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য সহ এনজাইমগুলিতে সুপার অক্সাইড বরখাস্ত করার জন্য সহ-গুণক হিসাবে দেহ দ্বারা ব্যবহৃত হয়। লোহিত রক্তকণিকা উত্পাদন এবং আয়রন লোহিত রক্তকণিকা গঠনের জন্য কপার

প্রয়োজনীয়।
টেজ ডুরিয়ান ফলপটাসিয়াম একটি খুব সমৃদ্ধ উত্স। পটাসিয়াম কোষ এবং শরীরের তরলগুলির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রোলাইট যা হার্টের হার এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
একই সাথে "প্রকৃতির ঘুমের বড়ি" হিসাবে উল্লেখ করা। ডুরিয়ানে উচ্চ মাত্রার অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা এক ধরণের ট্রিপটোফেন। এটি মানব দেহের সেরোটোনিন (সুখের হরমোন) এবং মেলাটোনিনকে সিক্রেট করতে সহায়তা করে (এক্সএনএমএক্স: এক্সএনএমএক্স-এক্সএনএমএক্স: এক্সএনএমএক্সের মধ্যে লুকিয়ে থাকা গ্রোথ হরমোন)। অতএব, এটি ঘুমের সমস্যা এবং মৃগী ঘটনাগুলি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পুষ্টির মান

#ডুরিয়ান
ডুরিয়ান
পরিবেশন পরিমাণ:
100 গ্রাম
ক্যালোরি (কেসিএল) 147


মোট ফ্যাট 5 গ্রাম
কলেস্টেরল 0 মিলিগ্রাম
সোডিয়াম 2 মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম 436 মিলিগ্রাম
শালিজাতীয় পদার্থ 27 গ্রাম
ডায়েট ফাইবার 3,8 গ্রাম
প্রোটিন 1,5 গ্রাম
ভিটামিন এ 44 IU ভিটামিন সি 19,7 মিলিগ্রাম
ক্যালসিয়াম 6 মিলিগ্রাম লোহা 0,4 মিলিগ্রাম
ভিটামিন বিএক্সএনইউএমএক্স 0,3 মিলিগ্রাম cobalamin 0 μg
ম্যাগ্নেজিঅ্যাম্ 30 মিলিগ্রাম।

পা‌র্সিমন। ইং‌রে‌জি‌তে Persimmon আর এর বৈজ্ঞা‌নিক নাম Diospyros Kaki. এ‌টি প্রধানত এ‌শিয়া মহা‌দে‌শের ফল। জাপানে এর নাম ...
07/09/2022

পা‌র্সিমন।
ইং‌রে‌জি‌তে Persimmon আর এর বৈজ্ঞা‌নিক নাম Diospyros Kaki. এ‌টি প্রধানত এ‌শিয়া মহা‌দে‌শের ফল। জাপানে এর নাম Hoshigaki, চী‌নে Shibing, কো‌রিয়ায় Gotgam কিংবা Hangul এবং ভি‌য়েতনা‌মে Hong kho না‌মে প‌রি‌চিত। ইসরাই‌লে এ ফল‌টি‌কে বলা হয় Sharon fruits. এ‌টি সুস্বাদু , সু‌মিষ্ট, সুদৃশ্য এবং লোভনীয় এক‌টি ফল। ফ্রি‌জে রে‌খে খে‌লে এর মিষ্টতা আরও বে‌ড়ে যায়।

ফল‌টি দেখ‌তে অ‌বিকল আমাদের দেশের পাকা গা‌বের ম‌তো। কোনটা আবার পাকা ট‌মে‌টোর ম‌তো হ‌য়ে থা‌কে। অত্যন্ত সুস্বাদু ও সু‌মিষ্ট এ ফল‌টি পাক‌লে সবুজাভ হলুদ রঙ ধারণ ক‌রে। প্রজা‌তি‌ভে‌দে হলুদ, কমলা, লাল, বাদামী এমন‌কি কাল‌চে র‌ঙের পা‌র্সিমনও দেখা যায়।

পা‌র্সিমন এক‌টি চির সবুজ গাছ। প্রজা‌তি‌ভে‌দে এ গা‌ছের উচ্চতা ১৫ থে‌কে ৫০ ফুট পর্যন্ত হয়। আর ফ‌লের ডায়া‌মিটার হয় ০.৫৯” থে‌কে ৩.৫৪” পর্যন্ত। পুরুষ ফুল এবং স্ত্রী ফুল আলাদা গা‌ছে হয়। আবার কিছু প্রজাতির গাছ আ‌ছে যা‌তে একই সা‌থে পুরুষ ও স্ত্রীফুল ফো‌টে।

সমগ্র পৃ‌থিবী‌তে বর্তমা‌নে প্রায় ৩৬ লক্ষ মে.টন পা‌র্সিমন উৎপা‌দিত হয় তন্ম‌ধ্যে চীন একাই ক‌রে ৫৫% বা ২০ লক্ষ মে.টন। এরপর দ.‌কো‌রিয়ায় ৩ লক্ষ মে.টন, জাপা‌নে ২লক্ষ ৬০ হাজার মে.টন, ব্রা‌জিলে ১লক্ষ ২০ হাজার‌ মে.টন পা‌র্সিমন উৎপাদিত হয়। এছাড়া USA, ইউরো‌পের দ‌ক্ষিণাঞ্চল, মিয়ানমার, ভারত, নেপাল, ইসরাইল, আজারবাইজান, ভি‌য়েতনাম প্রভৃ‌তি দে‌শে পা‌র্সিমন উৎপা‌দিত হয়।

সাধারণত পাকা ফ‌লের পাতলা খোসা ছু‌রি দি‌য়ে ছা‌ড়ি‌য়ে নি‌য়ে ভিতরের শাঁস স্লাইস ক‌রে সরাস‌রি খাওয়া হয়। কো‌নো কো‌নো দে‌শে রান্না ক‌রে বি‌ভিন্ন ধর‌নের খাবার প্রস্তুত ক‌রেও খাওয়া হ‌য়। এছাড়া পাকা কিংবা আধা পাকা ফল শু‌কি‌য়ে টিনজাত ক‌রে রাখা হয়। জাপা‌নে এ গা‌ছের পাতার রস জ্বাল দি‌য়ে চা‌য়ের ম‌তো পান করা হয়, যার নাম kaki no ha chu. এর ফল থে‌কে ভি‌নেগারও প্রস্তুত করা হয়।

পা‌র্সিমন উচ্চ পু‌ষ্টিমান সমৃদ্ধ এক‌টি ফল। প্রজা‌তি‌ভে‌দে শর্করার প‌রিমাণ থা‌কে ১৯-৩৩%, হজম‌যোগ্য আঁশ থা‌কে ৪% এছাড়া পর্যাপ্ত প‌রিমা‌ণে বি‌ভিন্ন ধর‌নের ভিটা‌মিন এবং খ‌নিজ পদার্থ বিদ্যমান থাকায় এ‌টি অ‌নেক ধর‌নের রোগ প্রতি‌রোধ এবং নিরাম‌য়ে সহায়তা ক‌রে।

কোষ্ঠকা‌ঠিন্য ও অর্শ রোগ প্র‌তি‌রো‌ধে পা‌র্সিমন ফল খাওয়া হয়। রান্না করা ফল ডায়‌রিয়া ও আমাশয় রে‌া‌গে ব্যবহার করা হয়। মাদকাসক্ত রোগীর চি‌কিৎসায় এফল ব্যবহার করা হয়। হু‌পিং কা‌শি রো‌গের প্র‌তি‌রো‌ধে এবং সা‌পের কাম‌ড়ের প্র‌তি‌ষেধক হি‌সে‌বে এ ফল ব্যবহার করা হয়। ব্যাক‌টে‌রিয়াজ‌নিত বিষাক্ততার বিরু‌দ্ধেও কার্যকর ভূ‌মিকা রা‌খে।

সমগ্র পৃ‌থিবী‌তে ৭৫০ প্রজা‌তির পা‌র্সিমন উৎপা‌দিত হয়। অ‌ধিকাংশই বীজশূণ্য। ত‌বে কিছু প্রজা‌তি র‌য়ে‌ছে যেগু‌লো বীজযুক্ত। কিছু প্রজা‌তির শাঁস আঁশ বিহীন আবার কিছু আ‌ছে আঁশযুক্ত। পা‌র্সিমন গা‌ছের শক্ত কাঠ দ্বারা জাপান, কো‌রিয়া ও চী‌নে বি‌ভিন্ন ধর‌নের আসবাবপত্র প্রস্তুত করা হয়। পা‌র্সিম‌নের উন্নত জাতগু‌লো হ‌লো- Diospyros kaki (জাপা‌নিজ), Diospyros virginiana (আ‌মে‌রিকান), Diospyros digyna (কা‌লো রঙ- মে‌ক্সিকান),
Diospyros peregrina( ই‌ন্ডিয়ান) ইত্যা‌দি।

বাংলা‌দেশ কৃ‌ষি বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের জার্মপ্লাজম সেন্টা‌রে এ ফ‌লের পরীক্ষামূলক উৎপাদন সফল হ‌য়ে‌ছে। এছাড়া ব্য‌ক্তি উ‌দ্যো‌গে বড় বড় নার্সা‌রি গু‌লো‌তে চাষাবাদ শুরু হ‌য়ে‌ছে। তারা এখন এর চারাগাছ বি‌ক্রি কর‌ছেন। যে‌হেতু আমা‌দের প্র‌তি‌বেশী দেশ ভারত, নেপাল, মিয়ানমার ও থাইল্যা‌ন্ডে এ ফ‌লের চাষ হয় সেজন্য আম‌দের দে‌শেও এ ফল উৎপাদ‌নের উজ্জল সম্ভাবনা র‌য়ে‌ছে।

“পা‌র্সিমন ফলের উপকারিতা ও পু‌ষ্টিমান”

পা‌র্সিমন ফলে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। প্রতি ১০০ গ্রাম তাজা পা‌র্সিমন ফলে ২৯৩ কিলো জুল বা ৭০ ক্যালরি খাদ্য শক্তি পাওয়া যায়। এর হলুদ রঙের কোষ হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’ সমদ্ধ। পা‌র্সিমন আমাদের দেহের ভিটামিন ‘এ’ এর চাহিদা পূরণ করে। সেজন্য এই ফল অপুষ্টিজনিত সমস্যা, রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য খুবই উপযোগী ফল।

শিশু, কিশোর, কিশোরী এবং পূর্ণ বয়সী নারী-পুরুষ সব শ্রেণীর জন্যই পা‌র্সিমন খুবই উপকারী ফল। গর্ভবতী এবং যে মা বুকের দুধ খাওয়ান তাদের জন্য পা‌র্সিমন দরকারি ফল। শরীরে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব দেখা দিলে ত্বক খসখসে হয়ে যায় এবং শরীরের লাবণ্যতা হারিয়ে ফেলে। পা‌র্সিমন এ ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। এ ছাড়া পা‌র্সিমনে প্রচুর পরিমাণে শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানব দেহের জন্য বিশেষ উপকারী।

১০০গ্রাম পা‌র্সিমনে ০.৫৮ গ্রাম আমিষ ও ১৮.৫৯ গ্রাম শর্করা আছে। চিনির পরিমাণ ১২.৫৩ গ্রাম। পা‌র্সিমনে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম মাত্র ০.১৯ গ্রাম। এজন্য এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশংকা কম। পা‌র্সিমন পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে পা‌র্সিমন খেলে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়।

পা‌র্সিমন অন্যতম উপযোগিতা হল ভিটামিন ‘সি’। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন “সি” তৈরি হয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে ভিটামিন “সি”। পা‌র্সিমনে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সহায়তা করে।

পা‌র্সিমনে প্রচুর পরিমাণে শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানব দেহের জন্য বিশেষ উপকারী। এতে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির‌্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে পা‌র্সিমন ভালো কাজ করে। এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা ও ভিটামিন থাকায় তা মানব দেহের জন্য বিশেষ কার্যকরী। পা‌র্সিমনে থাকে খাদ্য আঁশ ৩.৬০ গ্রাম, এই ফল আঁশালো বিধায় কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে। পা‌র্সিমনে রয়েছে খনিজ উপাদান আয়রন যা দেহের রক্তাল্পতা দূর করে।

রুহ আফজার স্বাস্থ্য সুবিধা কী কী?এই প্রচণ্ড গ্রীষ্মে খুব ভাল কুলিং এজেন্ট হওয়া ছাড়াও এটি স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভাল। এটি এ...
07/09/2022

রুহ আফজার স্বাস্থ্য সুবিধা কী কী?

এই প্রচণ্ড গ্রীষ্মে খুব ভাল কুলিং এজেন্ট হওয়া ছাড়াও এটি স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভাল। এটি এতগুলি প্রাকৃতিক এবং স্বাস্থ্যকর জিনিস দ্বারা তৈরি যা এটি যা করে তা ভাল। এটি শরীরের তাপমাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে।

রুহ আফজা কী দিয়ে তৈরি?

রুহ আফজা গুল্ম, ফল, ফুল, শিকড়, পুদিনা, গাজর, পালং শাক, লেবু, গোলাপ, কমলা এবং আরও অনেক কিছু থেকে তৈরি|

বাচ্চাদের জন্য কি রূহ আফজা নিরাপদ?

বাচ্চাদের জন্য পানীয় হিসাবে রুহ আপজা একদম নিরাপদ|

গর্ভাবস্থায় রুহ আফজা এর কোন প্রভাব আছে কি?

রুহ আফজা গর্ভবতী মহিলাদের খাওয়া নিরাপদ।

রুহ আফজাতে কি চিনি রয়েছে?

রুহ আফজায় চিনি রয়েছে।

রুহ আফজা কি স্বাস্থ্যকর পানীয়?

সংযমে খাওয়া হলে রুহ আফজা একটি স্বাস্থ্যকর পানীয়|

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি...
07/09/2022

পুষ্টিগুণ ও উপাদেয়তার দিকটি বিবেচনা করে যদি আমরা খাবারের একটি তালিকা করি, সে তালিকার প্রথম সারিতেই থাকবে ‘মধু’র নাম। এটি শরীরের জন্য উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়। এটি বৈজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত।

মধুর উপাদান
মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

মধুর উপকারিতা

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।

হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।

অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।

পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।

ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।

হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।

গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।

তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।

হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।

রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে।

হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।

রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে।

রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে।

হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

বর্ষাকালের একটি মুখরোচক ফল-ডাউয়া।কিছুকিছু ফল আছে যেগুলোর খুব একটা পরিচিতি না থাকলেও তাদের রয়েছে অসাধারণ ভেষজ  পুষ্টিগুণ।...
07/09/2022

বর্ষাকালের একটি মুখরোচক ফল-ডাউয়া।
কিছুকিছু ফল আছে যেগুলোর খুব একটা পরিচিতি না থাকলেও তাদের রয়েছে অসাধারণ ভেষজ পুষ্টিগুণ। ডেউফল বা ডেউয়া হলো তাদের মধ্যে অন্যতম। অঞ্চলভেদে এই ফল মানুষের কাছে বিভিন্ন নামে পরিচিত। ঢেউয়া, ডেলোমাদার, ডেউফল ইত্যাদিও বলা হয়ে থাকে। গ্রামাঞ্চলে এটি অত্যন্ত পরিচিত একটি ফল হলেও শহরাঞ্চলে এটি একটি অপ্রচলিত ফল। আগে গ্রামে এ ফলের চাষ করা হত। তবে বর্তমানে এই ফলের চাষ খুব একটা দেখা যায় না।

বিশাল আকৃতির ডেউয়া গাছ চিরসবুজ বৃক্ষ। পাতাগুলো বড় এবং খসখসে, অনেকটা ডুমুরের পাতার মতো। এক একটি গাছ ২০-২৫ ফুট উঁচু হয়। এর কাঠ বেশ উন্নত মানের, বড় বড় জিনিসের কাঠামো তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গাছে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ফুল আসে এবং জুন মাসের দিকে ফল পাকতে শুরু করে।

ডেউয়া কাঁঠালের মতো গুচ্ছফল। বাইরের অংশটি থাকে অসমান। ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকলে হলুদ হয়। ফলের কাঁঠালের মতো ছোট ছোট কোষ থাকে। পাকা ফলের কোষের রং হয় লালচে হলুদ বা লালচে কালো। এই ফল পুরোপুরি গোলাকার হয় না। ফলটির গায়ে উঁচু-নিচু হয়। কাঁচা টক টক স্বাদ। কিন্তু পাকলে সেটা তখন অন্য স্বাদ। সেটা টকও নয়, আবার মিষ্টিও নয়। এই ফলটি অনেক উপকারী। যা অনেকেরই অজানা।

বর্তমানে মেদভুঁড়ি বৃদ্ধি একটা সাধারণ সমস্যা। যার কারনে আমরা অন্যান্য অসুখ বাঁধিয়ে ফেলছি প্রতিনিয়ত। এ জন্য যারা এ সমস্যায় ভুগছেন তারা ডেউয়া ফলের রস এক থেকে দেড় চামচ ঠাণ্ডা পানিতে মিশিয়ে রোজ একবার করে এক মাস খেলে উপকার পাবেন। তবে ১২ মাস তো এ ফল পাওয়া যায় না, এ জন্য যখন পাওয়া যাবে তখন কেটে রোদে শুকিয়ে রাখতে হয়।

এছাড়া পেটে বায়ু জমলে পাকা ডেউয়ার রস দেড় চামচ আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে অল্প চিনি নিয়ে প্রতিদিন একবার এক সপ্তাহ খেলে উপকার হবে। অনেকের অসুস্থতার কারণে মুখে রুচি থাকে না, তারা উপকার পাবেন। দু-তিন চামচ ডেউয়ার রস ও সাথে একটু লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া মিশিয়ে দুপুরবেলা ভাত খাওয়ার আগে খেতে হবে। এক সপ্তাহ খেলেই মুখে রুচি আসবে।

আবার অনেকের বিভিন্ন প্রকার খাবার খেলেও পেট পরিষ্কার হয় না। অস্বস্তিতে ভোগে। তারা কাঁচা ডেউয়া কেটে ৮-১০ গ্রামের মতো বেটে গরম পানিতে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ওই পানি খেলে পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে। যা সকালে বাসি পেটে খেতে হবে।

ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়ামের আধার বলা হয় ডেউয়া ফলকে। এগুলো ছাড়াও ডেউয়া ফলে রয়েছে অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। ডেউয়া ফলের খাদ্যযোগ্য প্রতি ১০০ গ্রাম অংশে রয়েছে –

খনিজ- ০.৮ গ্রাম, খাদ্যশক্তি- ৬৬ কিলোক্যালরি, আমিষ- ০.৭ গ্রাম, শর্করা- ১৩.৩ গ্রাম, ক্যালসিয়াম- ৫০ মিলিগ্রাম, লৌহ- ০.৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১- ০.০২ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি২- ০.১৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি- ১৩৫ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম- ৩৪৮.৩৩ মিলিগ্রাম।

দেখতে অদ্ভুত এবং ভিন্ন স্বাদের ডেউয়া ফল মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। পাশাপাশি এর রয়েছে বেশ কিছু ভেষজ গুণও। নিচে কয়েকটি উল্লেখ করা হল-

১।যকৃতের নানা অসুখ নিরাময়ে সাহায্য করে ডেউয়া।

২।কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের কারণে পেটব্যথা কমাতে সহায়তা করে ফলটি।

৩।পেট পরিষ্কার করতে কাঁচা ডেউয়া ৮-১০ গ্রাম বেটে নিয়ে গরম পানিতে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।

৪।গাছের ছালের গুঁড়ো ত্বকের রুক্ষতা দূর করে এবং ব্রণের দুষিত পুঁজ বের করে দেয়।

৫।ডেউয়ার ভিটামিন সি ত্বক, চুল, নখ, দাঁত ও মাঢ়ির নানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

৬।এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা দাঁত ও হাড়ের ক্ষয়রোগ প্রতিরোধ করে।

৭।ডেউয়াতে বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্ত চলাচলে সহায়তা করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

এমন আরো অপরিচিত ও অচেনা ভেষজ ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ফল গুলো হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের মাঝ থেকে। যার সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা খুব প্রয়োজন।

শৈশবের এক টুকরো আনন্দ ‘হাওয়াই মিঠাই’🙋‍♂️🙋‍♂️🙋‍♂️🌺💐ঘোরলাগা শৈশবের অলস দুপুরে কান পাতলেই দূর থেকে শোনা যেত, ‘মিঠাই লাগবে, ...
07/09/2022

শৈশবের এক টুকরো আনন্দ ‘হাওয়াই মিঠাই’🙋‍♂️

🙋‍♂️🙋‍♂️🌺💐ঘোরলাগা শৈশবের অলস দুপুরে কান পাতলেই দূর থেকে শোনা যেত, ‘মিঠাই লাগবে, হাওয়াই মিঠাই!’ হয়তো কোনও মাঝ বয়সী বা বৃদ্ধ ফেরিওয়ালা টিনের বাক্সে (চারপাশে স্বচ্ছ কাচের দেয়াল দেওয়া) গোল গোল গোলাপি-সাদা রঙয়ের হাওয়াই মিঠাই নিয়ে হাক ডাক দিতে দিতে এসে হাজির হতো। এযেন এক টুকরো স্বপ্নের মতো বিষয় ছিল। পুরনো প্লাস্টিক, কাচের বোতল, লোহার জিনিসপত্র বা এক টাকা দিলেই পাওয়া যেত কয়েক টুকরো হাওয়াই মিঠাই। মুখে পুরে দিতেই এক অপূর্ব মিষ্টি স্বাদের স্বপ্নিল ছোঁয়া দিয়ে নিমিষেই মিলিয়ে যেত। এজন্যই এর নাম হাওয়াই মিঠাই। অনেকে মজা করে হাওয়াই মিঠাইকে বুড়ির মাথার পাকা চুলও বলেন। ইংরেজিতে রয়েছে এর কিছু মজাদার নাম; যেমন কটন ক্যান্ডি, ফেয়ারি ফ্লস, ক্যান্ডি ফ্লস কিংবা স্পুন সুগার।

হাওয়াই মিঠাই খাওয়ার চাইতেও এর দেখার আকর্ষণটা কোনও অংশে কম নয়। পেজা তুলোর মতো তুলতুলে ও গোলাপি-সাদা রঙয়ের এই ঐতিহ্যবাহী হাওয়াই মিঠাই দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয়। কালের পরিক্রমায় আজ সেই ছোট ছোট গোলাকার হাওয়াই মিঠাই আকারে ফুলে ফেঁপে বেশ বড় হয়েছে। কাঠিতে পেঁচিয়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় এখন সব জায়গায় পাওয়া যায়।

ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশে বিভিন্ন মেলা এবং গ্রামের পথে ঘাটে বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে দেখা পাওয়া যায় হাওয়াই মিঠাই ফেরিওয়ালাদের। পিতল বা কাঁসার ঘন্টায় টিং টিং শব্দ তুলে শিশু-কিশোরদের দৃষ্টি কাড়ে তারা। হুমড়ি খেয়ে পড়ে তাদের ঘিরে ধরে শিশু কিশোরের দল।

বৈশাখ মাসের শুরুতেই পহেলা বৈশাখ, চৈত্র সংক্রান্তি, বিজু, সাংগ্রাই, বৈসাবিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মেলাতে দেখা যায় ছোট্ট একটি ঘরে হাওয়াই মিঠাই বানানোর ব্যস্ততা। কারিগরদের হাত চলছে সমানে। কেউ ঘোরাচ্ছেন হাওয়াই মেশিনের চাকা, কেউ প্যাকেট করছেন, কেউ মেশিন থেকে নামানো মিঠাইকে গোলাকৃতির রূপ দিচ্ছেন। এরপর পলিথিনে প্যাক করে সাজিয়ে ভরে রাখছেন কাচের বাক্সে।
হাওয়াই মিঠাই বানাতে খুব বেশি কিছু লাগে না। একটি মেশিন, আর উপকরণ হিসেবে স্পিরিট, চিনি, তেল আর হালকা ভোজনযোগ্য রঙ। চলন্ত মেশিনের উপরিভাগের থালার মতো জায়গার মধ্যে ছিদ্রতে দেওয়া হয় এই উপকরণ। মেশিনের ঘূর্ণিতে যে তাপ উৎপাদন হয় তা থেকে রূপ নেয় হাওয়াই মিঠাই। এক কেজি চিনি দিয়ে প্রায় ৫৫০ থেকে ৭০০ হাওয়াই মিঠাই বানানো যায়। বলছে উইকিপিডিয়া।
চৌদ্দ শতকে ইটালিতে চিনি দিয়ে তৈরি এই মজার খাবারটি প্রচলন শুরু হয়। সেই সময় ঘরোয়াভাবেই সামান্য চিনির ঘন রস বিশেষ পদ্ধতিতে সুতোর মতো তৈরি করে বানানো হতো হাওয়াই মিঠাই। আঠারো শতক পর্যন্ত এভাবে তৈরি হয়েছে। ১৮৯৭ সালে মার্কিন উইলিয়ম মরিসন ও জন সি. ওয়ারটন হাওয়াই মিঠাই তৈরির জন্য প্রথম মেশিন আবিষ্কার করেন। এই মেশিনের সাহায্যে চিনির যে সুতো তৈরি হতে লাগল, সেগুলো আরও সূক্ষ্ম আর বাতাস লাগার সঙ্গে সঙ্গেই শক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে তাড়াতাড়ি এটি তৈরি হয়ে যেত। তবে মেশিনে তৈরি হাওয়াই মিঠাই তখন তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি। ব্যাপকভাবে এর প্রসার বাড়ে ১৯০৪ সালে। সে বছর মরিসন এবং ওয়ারটন তাদের মেশিনে তৈরি হাওয়াই মিঠাই নিয়ে হাজির হলেন, সেন্ট লুইসের বিশ্ব মেলায়। অবাক হওয়ার বিষয়, মেলার প্রথম দিনই ২৫ সেন্ট করে ৬৮ হাজার ৬৫৫ বাক্স হাওয়াই মিঠাই বিক্রি হয়েছিল, যা ছিল সে সময়ের হিসাবে অনেক বড় একটা অঙ্ক! ক্রমেই বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় খাবারটি। চাহিদা ও জনপ্রিয়তার জন্য একাধিক কোম্পানি এগিয়ে এল এই মজাদার খাবারটি উৎপাদন ও বিপণনে। টটসি রোল অফ কানাডা লিমিটেড বিশ্বের সর্বাধিক হাওয়াই মিঠাই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
দেখতে অনেকটা তুলার মতো বলে ১৯২০ সালে মার্কিনরা এই মিঠায়ের নাম দিয়েছে ‘কটন ক্যান্ডি।’ তারা এই হাওয়াই মিঠায়ের এতই ভক্ত যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭ ডিসেম্বর দিনটি ‘জাতীয় কটন ক্যান্ডি ডে’ হিসাবে পালন করা হয়।
চিরায়ত বাংলার এই হাওয়াই মিঠাইয়ের ঐতিহ্য শৈশবের মতোই জ্বলজ্বল করে বেচে থাক।

চালতা গাছ দেখতে বেশ সুন্দর। এর দীর্ঘাকৃতির গাঢ় সবুজ পাতার কিনার থাকে খাঁজকাটা। ফলে তা দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনে হয়। ...
06/09/2022

চালতা গাছ দেখতে বেশ সুন্দর। এর দীর্ঘাকৃতির গাঢ় সবুজ পাতার কিনার থাকে খাঁজকাটা। ফলে তা দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনে হয়। দেখতে সুন্দর বলে শোভাবর্ধক তরু হিসেবে চালতা গাছ পার্ক, উদ্যান, বাগানেও লাগানো হয়।

চালতা সবার কাছেই বেশ পরিচিত। যদিও কেউ কেউ অবহেলার চোখে দেখে থাকেন এই ফলটি। তবে গুণের দিক থেকে চালতা মোটেই হেলা করার মতো নয়। চালতা দিয়ে প্রধানত মজার সব আচার করা হয়। চালতা পুষ্টিগুণেও সেরা এবং
রূপচর্চার উপাদান হিসেবেও রয়েছে এর ব্যবহার।

চালতা গাছ:
চালতা গাছ দেখতে বেশ সুন্দর। এর দীর্ঘাকৃতির গাঢ় সবুজ পাতার কিনার থাকে খাঁজকাটা। ফলে তা দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় মনে হয়। দেখতে সুন্দর বলে শোভাবর্ধক তরু হিসেবে চালতা গাছ পার্ক, উদ্যান, বাগানেও লাগানো হয়।

চালতার বৈজ্ঞানিক নাম Dillenia indica। এটি উচ্চতায় ১৫ থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। একটি গাছে বছরে ৬০-১০০ কেজি চালতার ফলন হয়। চালতাগাছ সাধারণত ৫০ বছর পর্য
ন্ত বাঁচে।

চালতার ফুল ও ফল:
চালতা গাছের মূল আকর্ষণ হলো এর ফুল। এর সাদা রঙের ফুল খুবই মনোলোভা। ফুল বেশ বড় হয়, প্রায় পাঁচ ইঞ্চির ব্যাসের। সুগন্ধীযুক্ত এই ফুলে মোট পাঁচটি পাপড়ি থাকে। এই পাপড়িগুলোকে আঁকড়ে ধরে রাখে ফুলের বৃতি এবং এই বৃতিই মূলত ফলে রূপান্তরিত হয়।

চালতা ফলের আকৃতি প্রায় গোলাকার, রঙ সবুজ এবং স্বাদ টকমিষ্টি। ফলের ব্যাস ১০-১২ সেন্টিমিটার হয়। সাধারণত বর্ষার প্রথম ভাগে ফুল ফোটে ও শরৎ-হেমন্তে ফল পাকে।

চালতার গুণাগুণ:
খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম চালতায় আছে আমিষ ০.৮ গ্রাম, শ্বেতসার ১৩.৪ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম ও খাদ্যশক্তি ৫৯ কিলো ক্যালরি।
কচি চালতার রস চিনি ও পানিসহ শরবত করে খেলে জ্বরের প্রকোপ কমে এবং কাশির উপশম হয়।চালতার শরবত সুস্বাদু।
চালতার আচার, চাটনি, জেলি খুবই মুখরোচক। বিভিন্ন প্রকার ব্যঞ্জনে বিশেষত চিংড়ি সহযোগে টক রন্ধনের জন্য চালতা বেশ উপযোগী।
এ ছাড়া ফল শুষ্ক ও গুঁড়ো করে অন্যান্য খাদ্যদ্রব্যে মসলা হিসেবে ও স্বাদবর্ধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
চালতা ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ভিটামিন 'এ', 'বি' ও 'সি'-এর ভালো উত্‍স। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' থাকায় এই ফল স্কার্ভি ও লিভারের রোগ প্রতিরোধ করে।
চালতায় রয়েছে বিশেষ ধরনের কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা জরায়ু ও স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
চালতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। চালতা পেটের নানা অসুখ প্রতিরোধে সহায়তা করে। ডায়রিয়া সারাতে কাঁচা চালতার রসের তুলনা নেই।
চালতায় উপস্থিত আয়রন রক্তের লোহিতকণিকার কার্যক্রমে সহায়তা করে। রক্তের সংবহন ঠিক রাখে।
রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে চালতা।
কিডনীর নানা রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে চালতা। চালতার বিভিন্ন উপাদান হার্টের নানা রোগ প্রতিরোধেও সহায়তা করে।
অন্ত্রে বাসা বাঁধা কৃমির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চালতা অসাধারণ ক্ষমতা রাখে।
পাকস্থলীতে যাদের আলসার আছে, তাদের জন্য উপযুক্ত ওষুধ হতে পারে চালতা।
কুসুম গরম পানিতে চালতার রস আর সামান্য চিনি মিশিয়ে খেয়ে খেলে রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করবে।
শুধু ফল নয়, চালতার মূল ও পাতারও রয়েছে ঔষধীগুণ। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে সেখানে চালতা গাছের মূল ও পাতা পিষে প্রলেপ দিলে ব্যথা কমে যায়।
রূপচর্চায় চালতা:
কাঁচা চালতা পানিতে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় নিয়মিত লাগালে চুল পড়া কমে যায়।
কাঁচা চালতার রসের সাথে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে সপ্তাহে দুবার চুলের গোড়ায় লাগালে খুশকি দূর হয়ে যাবে।
চালতার রসের সাথে চালের গুঁড়া মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করলে মরা কোষ পরিষ্কারের পাশাপাশি ত্বক হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও কোমল।
চালতার রস টোনার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। চালতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে তাতে তুলো ভিজিয়ে ত্বকে লাগান। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে বলিরেখা পড়া বিলম্বিত করে এই টোনার।
চালতার রসের সাথে চিনির গুঁড়া মিশিয়ে ত্বকের কালো অংশগুলোতে লাগান। আঙুল দিয়ে হালকা মাসাজ করুন দশ-পনেরো মিনিট। এরপর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

Address

MR6R+774, Joshaimor, Parbatipur
Dinajpur
MR6R+774

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:30
Tuesday 08:30 - 23:30
Wednesday 08:00 - 23:30
Thursday 08:30 - 23:30
Friday 14:00 - 23:30
Saturday 08:00 - 23:30
Sunday 08:00 - 23:30

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when minhaj juice & coffee bar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to minhaj juice & coffee bar:

Share