20/09/2021
"""সুস্থভাবে আর বাঁচার আশা নাই""
জেনে নিই বাজারজাত কোন খাদ্যে কি মেশানো হচ্ছে-
* বিষাক্ত কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয় ফলমূল।
* মাছ, মাংস, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল পচনের হাত থেকে রক্ষার্থে ব্যবহৃত হয় ফরমালিন।
* জিলাপি, চানাচুরে মেশানো হয় মবিল।
* বিস্কুট, সেমাই, নুডলস, পাউরুটিতে টেক্সটাইল-লেদারের রং মেশানো হয়।
* মুড়িতে চলছে ইউরিয়া-হাইড্রোজের অবাধ ব্যবহার।
* দুধে ফরমালিন, স্টার্চ ও মেলামাইন মেশানো হয়।
* মুরগি ও মাছের খাদ্যে ক্রোমিয়াম, বিষাক্ত রাসায়নিক যুক্ত ট্যানারি বর্জ্য ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।
* সয়াবিন তেলে ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় মাত্রাতিরিক্ত এসিটিক এসিড।
* চিনিতে মেশানো হয় চক পাউডার ও ইউরিয়া সার।
* আটা ও ময়দাতে মেশানো হয় বিষাক্ত চক পাউডার।
* মাখন ও ঘিতে ক্ষতিকর মার্জারিন ও পশুর চর্বি মেশানো হয়।
* তরমুজ বিষাক্ত রঙের ইনজেকশন দিয়ে লাল করা হয়।
* মিষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে স্যাকারিন, ময়দা, চালের গুঁড়া ও টিস্যু পেপার।
* ঝাঁজ ও গন্ধ বজায় রাখতে সরিষার তেলে মেশানো হয় অ্যালাইল আইসো-থায়োসায়ানাইড।
* সরিষার তেলে রেড়ির তেল, পাম তেল, পোড়া মবিল, পশুর চর্বি, মরিচের গুঁড়া, খনিজও ব্যবহার করা হয়।
* সয়াবিন তেলে মেশানো হয় পাম অয়েল ও ন্যাপথলিন।
* গুড়ে ফিটকিরি, ডালডা, আটা ও বিষাক্ত টেক্সটাইল রং মেশানো হয়।
* ঘাসের বীজ বা ছোট কাওনের (পাখির খাবার) সঙ্গে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে তৈরি হয় গুঁড়া মসলা।
* নিষিদ্ধ মোম, নিম্নমানের রং, ট্যালকাম পাউডার ও ঘন চিনি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে চকোলেট।
* মোড়কজাত ফলের রসে (জুস) বিষাক্ত রং ও কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে।
* বিষাক্ত পাউডার ও রং দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিদেশি ব্র্যান্ডের চকোলেট ও আইসক্রিম।
* কেক, জেলি ও সসে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম গন্ধ, রাসায়নিক ও বিষাক্ত রং।
* এনার্জি ড্রিংকে ব্যবহার করা হয় ক্যাফেইন ও যৌন উত্তেজক পদার্থ সিলডেনাফিল সাইট্রেট।
এখনই আমাদের সচেতন হতে হবে না হলে ভবিষ্যৎ খুব ভয়াবহ।