21/07/2025
মানবিকতা দেখানো বা প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে একটি মহৎ গুণ।তবে তা সঠিক সময়ে বিবেককে কাজে লাগিয়ে দেখানো হলে আজকের এই পরিস্থিতি না ও হতে পারতো।
অসম্ভব কঠিন ধাপ পার হওয়ার পর তৈরী হয় একজন বিমানবাহিনীর অফিসার । যারা সবাই দেশের রত্ন ।
অথচ,তাদের জীবনের মুল্য এদেশে কতো কম। পুরানো বিমান দিয়ে চলছে প্রশিক্ষণ । নাই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা।
প্রায়ই শোনা যায়,প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত।
এই প্রাণহানির ১০০ ভাগ দায় রাষ্ট্রের। যাদের কাছে দীর্ঘ ১৫ বছর রাষ্ট্রের ভার ছিল। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম যে এমন দীর্ঘ সময় ধরে কোন দলের কাছে দেশের ভার ছিল। এমন দীর্ঘ সময় বাংলাদেশকে প্রতিটি সেক্টরেকে অত্যাধিক উন্নত মানের করা যেতো। উন্নত হয়নি এমন না হয়েছে তবে তা পরিমাণের থেকে সীমিত কিন্তু অর্থের পরিমাণ দেখানো হয়েছে অনেক।
এসব আবোল তাবোল বিমান দুনিয়ার আর কোন দেশে চলে না।
যুদ্ধ করার জন্য কেনা বিমানের এমনই হাল যে নিজের দেশের মানুষের উপরই ভাইঙ্গা পড়ে।
এটাই তো প্রথম না।
এর আগেও এই মডেলের বিমানে ট্রেনিং করতে যাইয়া দুইজন পাইলট নিহত হইসিল।
সেইদিন যদি এই দুইজন পাইলটের জীবনের দাম দেওয়া হত, তাহলে হয়তো আজ এই বাচ্চাগুলোরে মরতে হত না।
বাট দেওয়া হয় নাই। বরং তথাকথিত উন্নয়নের নামে দেশ থেকে প্রচুর টাকা কয় এক বিলিয়ন টাকা পাচার করা হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার এক বিবৃতি থেকে পাওয়া যায় তার বাড়ির পিয়োনই ছিল ৪০০ কোটি টাকার মালিক। সেখানে একজন পিয়োনের সারাজীবনের ইনকাম সর্বোচ্চ ১ কোটি ও হওয়ার কথা নাহ। তত্কালীন সময়ে যে পরিমাণের টাকা দুর্নীতি করে পাচার করা হয়েছে তা দিয়ে অনায়াসে উন্নত মানের যুদ্ধ বিমান বানানো যাইতো।যা দিয়ে ট্রেনিং এর সময় এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়তো না।
আমার আপনার টাকা দিয়ে ভাঙারি কিনে হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি করা হতো /হবে।
দুর্নীতিবাজদের ছেলে মেয়েরা আমার আপনার টাকা নিয়ে কানাডা পড়তে যাবে।
আর সেই ভাঙারি বিমান স্কুলের উপর পইড়া আমাদের সন্তানরা পুড়ে যাবে, মরে যাবে।
কারো কিচ্ছু যাবে আসবে না।
দুনিয়ায় বাকি দেশগুলো অন্তত নিজের মানুষকে বাঁচতে দেয়।
আর আমরা এমন একটা দেশে জন্মাইছি, যেই দেশ আমাদের এমনকি স্কুলেও মাইরা ফালানোর যোগাড় যন্ত্র করে রাখে।
অথচ এই দেশের মানুষের রাষ্ট্রের কাছে খুব বেশি কিছু চাওয়া ছিল না।
**কিছু মানুষ এসে বলবে অন্তবর্তীকালীন সরকার কি করছে তাদেরর উদ্দেশ্যে একটা কথা যেখানে দীর্ঘ ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও এই জিনিস গুলো পরিবর্তন করতে পারেনি উল্টো বলেছে দেশ উন্নত করছে উন্নত করছে সেই উন্নতর নমুনা আজকের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। সেখানে কেউ এখনো একবছর হয়নি সে এসে এগুলো করবে তা ভাবাটা নিছকই বোকামি।এক বছর এর কম সময় সে যথা সাধ্য উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছেন অনেক বিষয়ে।
তাই বিবেকটাকে সেই সময় কাজে লাগলে আজ দেশের এমন পরিস্থিতি হয়তো না আর না হয় বাবা মায়ের কোল খালি না আর না ভবিষ্যতের উজ্জ্বল নক্ষত্র গুলো নিভে যেত এমন ভাবে।
- Afifa Jahan (Mim)
-Daily Afifa
Awami League
উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ভবনে বিমান বিধ্বস্ত ঘটনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার শোক, সমবেদনা, সার্বিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান
———
আজ আকস্মিকভাবে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ভবনের উপর বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। আজ এক বিবৃতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় সংঘটিত হতাহতের পরিপ্রেক্ষিতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্তদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। একইসাথে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিমান বিধ্বস্তের এই ঘটনায় সংলগ্ন এলাকা ও তার আশেপাশে মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। আমি মানবিক সংকটকালে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা কর্মীকে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক কর্মচারী এবং এলাকাবাসীকে সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিচ্ছি। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মধ্য দিয়ে উদ্ধার কাজ, চিকিৎসা, রক্তদান সহ সব ধরনের সহযোগিতা করবার জন্য আমাদের সকল নেতাকর্মী আহত নিহত এবং তাদের পরিবারের পাশে থাকবে সেই আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি, আহতদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে রক্তদান ও চিকিৎসা সেবা সুগম করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানাই।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শোক সবাই কাটিয়ে উঠুক। পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তা শোকসন্তপ্ত সবাইকে সেই শক্তি দান করুক এই প্রত্যাশা করি।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।