Sadi agro fisheries

Sadi agro fisheries hafej sadi bin taimur

06/08/2026
19/05/2026

ইনশাআল্লাহ ১৯।৫।২৬
চাষে দিলাম

15/05/2026

পোনার জন্য রেডি

10/05/2026

০.২ গ্রাম থেকে ৫০ গ্রাম ওজন পর্যন্ত তেলাপিয়া পোনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে সঠিক প্রোটিন, সঠিক ফিড সাইজ এবং নিয়মিত খাবার না দিলে বৃদ্ধি কমে যায়, FCR খারাপ হয় এবং রোগপ্রবণতা বাড়ে। নিচে ধাপে ধাপে একটি ব্যবহারিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা দেওয়া হলো।

✊ তেলাপিয়ার ০.২–৫০ গ্রাম পর্যন্ত খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
 মাছের ওজন ০.২–১ গ্রাম – হ্যাচারি খাদ্য (পাওডার) – প্রোটিন মান (৩৫-৪০)% - প্রয়োগ মাত্রা: মাছের মোট দৈহিক ওজনের (২৫-৩০)% - দিনে ৪-৫ বার প্রয়োগ।

 মাছের ওজন ১- ২ গ্রাম – নার্সারি ফিড (ডায়া সাইজ ০.৮ মি.লি) - প্রোটিন মান (৩২-৩৫)% - প্রয়োগ মাত্রা: মাছের মোট দৈহিক ওজনের (১৫-২০)% - দিনে ৩-৪ বার প্রয়োগ।

 মাছের ওজন ২-৮ গ্রাম – নার্সারি ফিড (ডায়া সাইজ ১.২ মি.লি) – প্রয়োগ মাত্রা: মাছের মোট দৈহিক ওজনের (১০-১৫)% - দিনে ৩ বার)।

 মাছের ওজন: ৮ – ৪০ গ্রাম – প্রি স্টার্টার ফিড (১.৫ মি.লি) – প্রয়োগ মাত্রা: মাছের মোট দৈহিক ওজনের (৬-১০)% - দিনে ২-৩ বার।

✊ খাদ্য ব্যবস্থাপনার মূলনীতি:
১. অল্প অল্প করে বারবার খাবার:
• ছোট তেলাপিয়ার পাকস্থলী ছোট হওয়ায় একবারে বেশি খাবার খেতে পারে না। তাই ১–৫ গ্রাম পর্যন্ত দিনে ৪–৫ বার, ১৫ গ্রামের পর ৩ বার, ৩০ গ্রামের পর ২–৩ বার যথেষ্ট।

২. প্রোটিন ধীরে ধীরে কমানো:
• ছোট মাছের বৃদ্ধি দ্রুত হয়, তাই বেশি প্রোটিন দরকার। মাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে প্রোটিনের চাহিদা কমে যায়।

৩. ফিড সাইজ ধীরে বাড়ানো:
• খাবার মুখের আকার অনুযায়ী হতে হবে। অতিরিক্ত বড় ফিড দিলে খাবার নষ্ট হয়, বৃদ্ধি কমে, পানির গুণাগুণ খারাপ হয়।

✊ ভালো খাদ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষণ:
• মাছ সক্রিয়ভাবে খাবার খায়, ১৫–২০ মিনিটে খাবার শেষ হয়।
• মাছের পেট অতিরিক্ত ফুলে যায় না।
• নিয়মিত ওজন বৃদ্ধি হয়।

✊ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
১. পানির গুণাগুণ: খাদ্য ব্যবস্থাপনা পানির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
• DO কম হলে খাবার কমাতে হবে
• অতিরিক্ত অ্যামোনিয়া থাকলে খাদ্য প্রয়োগ কমাতে হবে বা প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে।
• সকালে দ্রবীভূত অক্সিজেন কম থাকলে খাবার দেওয়ার সময় কিছুটা পিছয়ে নিতে হবে(যেমন: সকাল ৯ টার পরিবর্তে ১০.৩০ বা ১১ টায়)।

২. প্লাংকটনের ভূমিকা: তেলাপিয়া প্রাকৃতিক খাদ্যও খায় তাই পর্যাপ্ত পরিমানে ফাইটোপ্লাংকটন, জুপ্লাংকটন রাখতে পারলে উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হতে সাহায্য করে।

✊ খাদ্য প্রয়োগে সাধারণত যে ভুল গুলো হয়ে থাকে:
• চাহিদার অতিরিক্ত খাদ্য প্রয়োগ করা।
• হঠাৎ খাদ্যের ডায়া সাইজের পরিবর্তন(যার ফলে মাছের ড্রপসি দেখা দেয়)।
• ছোট মাছকে বড় ডায়া সাইজের খাবার দেওয়া ( যার ফলে মাছের খুদা মন্দা দেখা দেয়)।
• অসুস্থ মাছকে সুস্থ মাছের ন্যায় খাদ্য দেওয়া(যার ফলে ফিডের অপচয় ঘটে এবং পানির গুণগত মান নষ্ট হয়)।
• বৃষ্টির পরে একই হারে ফিড প্রয়োগ করা (বৃষ্টির পর পিএইচ মানের তারতম্য ঘটে ফলে মাছ নাজুক অবস্থায় থাকে, তখন স্বাভাবিক খাবার দিলে য়ার রোগাক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়)।

বি. দ্র.: এই ব্যবস্থাপনা একান্ত আমার নিজস্ব মতামত, আমি দীর্ঘদিন যাবত তেলাপিয়া নিয়ে কাজ করার ফলে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে আমি এই এই গাইডলাইন তৈরী করেছি।

মৎস্যবিদ মাসুম বিল্লাহ (তমাল)
মৎস্য চাষ বিষয়ক পরামর্শক।
゚viralシfypシ゚

Address

Kulaura
Kulaura
3230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sadi agro fisheries posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category