স্বপ্নরাজ্য এ্যাগ্রো ফিসারিজ এ্যান্ড নাসার্রী ইউনিট

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • স্বপ্নরাজ্য এ্যাগ্রো ফিসারিজ এ্যান্ড নাসার্রী ইউনিট

স্বপ্নরাজ্য এ্যাগ্রো ফিসারিজ এ্যান্ড নাসার্রী ইউনিট ধলা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ মাছের পোনার দাম মাছ প্রজাতি, সাইজ, আপনি কি পরিমাণে নিবেন তার উপর নির্ভর করবে। ধন্যবাদ

কাতল মাছ (ইংরেজি:Catla, বৈজ্ঞানিক নাম:Catla catla) বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে প্রচুর পাওয়া যায়। এটি নদী, পুকুর, ...
26/07/2025

কাতল মাছ (ইংরেজি:Catla, বৈজ্ঞানিক নাম:Catla catla) বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে প্রচুর পাওয়া যায়।

এটি নদী, পুকুর, বিল, হাওর, বাওর ইত্যাদি জলাশয়ের উপরিস্তরে বসবাসকারী মিষ্টি জলের মাছ।

এটি কার্প পরিবারের (Cyprinidae) একটি জনপ্রিয় মিঠাপানির মাছ। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের স্থানীয় মাছ।

শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
এই মাছের মাথা দেহের অনুপাতে বড় এবং দেহ দৈর্ঘ্যের অনুপাতে বেশ চওড়া এবং দুই পাশ চ্যাপ্টা। আঁশ তুলনামূলকভাবে বড়। মাথা ও পৃষ্ঠ ধূসর, দেহের পাশে রুপালি এবং পেট সাদা।

প্রাকৃতিক আবাসে এরা ১.৮০ মিটার লম্বা এবং ওজন ৪৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

খাদ্যাভ্যাস:
প্রধান খাবার প্লাংকটন(Phytoplankton & Zooplankton)।

বানিজ্যিক চাষে রেডি পিলেট বা হাতে বানানো খাবার।

রোগবালাই:
বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর আক্রামণে কাতল মাছের ক্ষতরোগ দেখা দেয়। আবার পরজীবিতে আক্রান্ত হয়ে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হয়ে থাকে।এছাড়াও ফুলকা ও পাখনা পচা রোগ দেখা যায়।

প্রজনন মৌসুম:
বর্ষাকাল (জুন–আগস্ট)।
ডিম ছাড়ে: স্বাদু পানিতে, বিশেষ করে নদীর উজানে বা বন্যায় ডুবে যাওয়া অঞ্চলে।

দুই বছরেই এরা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে। বর্ষাকালে প্লাবিত নদীতে (বিশেষত জলজ উদ্ভিদময় স্থানে) প্রজনন করে থাকে।
এক প্রজনন ঋতুতে একটি মা মাছ প্রায় পনের থেকে ছাব্বিশ লক্ষ ডিম দিয়ে থাকে যা মাছের বয়স, দৈর্ঘ্য ও ওজনের এবং ডিম্বাশয়ের দৈর্ঘ্য ও ওজনের উপর নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে।

বর্তমানে এদের কৃত্রিম পদ্ধতিতে হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদন করা হয়।

কাতল মাছ পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই চাষ ও প্রাকৃতিক উৎস রক্ষা করা জরুরি।

লেখা :-
মৎস্যবিদ মাসুম বিল্লাহ (তমাল)
মৎস্য চাষ বিষয়ক পরামর্শক।

12/07/2025

দেশি মাগুর মাছের পোনা বিক্রি চলছে.... সাইজ কেজিতে ৫০০-৫৫০ পিছ।

মোবাইল :- 01918-543955

ভারী বৃষ্টিপাতে মাছচাষে মাছচাষীদের করণীয়ঃ
09/07/2025

ভারী বৃষ্টিপাতে মাছচাষে মাছচাষীদের করণীয়ঃ

পুকুরে জোকের সমস্যা ?করণীয় :- -- পানি ৬ ফুট হলে শতাংশে ৩০০ গ্রাম করে চুন এবং ৩০০ গ্রাম করে লবন দিন। -- পুকুরে অন্যান্য ঘ...
08/07/2025

পুকুরে জোকের সমস্যা ?
করণীয় :-
-- পানি ৬ ফুট হলে শতাংশে ৩০০ গ্রাম করে চুন এবং ৩০০ গ্রাম করে লবন দিন।
-- পুকুরে অন্যান্য ঘাস কিংবা পানা থাকলে সাফ করে ফেলুন।
-- পুকুরের পানি সংলগ্ন পাড়ের ১"- ১.৫" ফুট দিয়েও এই চুন এবং লবন ছিটাবেন।

11/05/2025

নতুন বছর ২০২৫ সালের থাই-পাঙ্গাসের পোনা বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

মোবাইল :- 01918-543955
ঠিকানা :- ময়মনসিংহ।

🐟🦐 মাছ ও চিংড়ী চাষে চুন এর ব্যবহার 🐟🦐“মাছ চাষে চুন-যেমন তরকারির সাথে নুন” এই কথাটি দীর্ঘদিন যাবত আমাদের দেশে মাছ চাষীদের...
27/04/2025

🐟🦐 মাছ ও চিংড়ী চাষে চুন এর ব্যবহার 🐟🦐

“মাছ চাষে চুন-যেমন তরকারির সাথে নুন” এই কথাটি দীর্ঘদিন যাবত আমাদের দেশে মাছ চাষীদের কাছে একটি প্রচলিত ডায়ালগ, মাছ ও চিংড়ি চাষে চুন একটি অপরিহার্য রাসায়নিক উপাদান যা পুকুরের পরিবেশ উন্নত করে এবং উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। নিচে মাছ ও চিংড়ী চাষে চুন সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

🐟🦐 ব্যবহৃত চুনের প্রকারভেদ ও ডোজ:
১. কৃষি চুন (Agricultural Lime/Calcium Carbonate - CaCO₃):
• ডোজ:
o পুকুর প্রস্তুতির সময়: ২০০–৫০০ কেজি/হেক্টর (মাটির অম্লতা ও পানির pH অনুযায়ী)।
o রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ: মাসে ৫০–১০০ কেজি/হেক্টর।
• বিবরণ ও ব্যবহারের কারন: : মাটির অম্লতা কমায় ও pH স্থিতিশীল করে।

২) সাধারণ চুন / পাথর চুন (Lime Stone / Agricultural Lime - CaCO₃):
• ডোজঃ
• ৪০০-৮০০ কেজি/ হেক্টর
• ব্যবহারের কারনঃ কম সক্রিয়, ধীরে কাজ করে, জলাশয়ের পিএইচ উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়, এটি সবচেয়ে সহজলভ্য এবং বহুল ব্যবহৃত চুন। ধীরে ধীরে পানিতে মিশে এটি পুকুরের pH ধীরে ধীরে বাড়াতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।

৩) পোড়া চুন বা কুইক লাইম (Quick Lime/Calcium Oxide - CaO):
• ডোজ: ১০০–২০০ কেজি/হেক্টর (শুধু পুকুর শুকনো অবস্থায় প্রয়োগ)।
• বিবরণ ও ব্যবহারের কারন: এটি পাথুরে চুনকে উত্তপ্ত করে তৈরি করা হয়। এটি খুব দ্রুত পানিতে মিশে এবং তীব্র ক্ষারীয় ভাব তৈরি করে। তাই এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সাধারণত পুকুর শুকিয়ে জীবাণুনাশ করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় এমনকি পুকুরের তলার জীবাণু নাশক হিসেবেও কাজ করে এবং pH দ্রুত বাড়ায়।

৪) কলিচুন বা স্লেকড লাইম (Hydrated Lime/Calcium Hydroxide - Ca(OH)₂):
• ডোজ: ১০০–২০০ কেজি/হেক্টর।
• বিবরণ ও ব্যবহারের কারন: পোড়া চুনের সাথে পানি মিশিয়ে কলিচুন তৈরি করা হয়। এটি পোড়া চুনের তুলনায় কম তীব্র এবং পানিতে মেশাতে কিছুটা সময় লাগে। চাষ চলাকালীন সময়ে pH দ্রুত নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। পানির pH সামঞ্জস্য করে এবং রোগজীবাণু নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।

৫) ডলোমাইট চুন (Dolomite Lime - CaMg(CO₃)₂):
• ডোজ: ৩০০–৮০০ কেজি/হেক্টর।
বিবরণ ও ব্যবহারের কারন: ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের উৎস, মাটির পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখে, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে, বিশেষত চিংড়ির খোলস গঠনে সাহায্য করে।

Note: ডোজ নির্ভর করে পুকুরের মাটি ও পানির পিএইচ স্তরের উপর। মাটির পিএইচ ৬.৫ এর নিচে হলে চুনের পরিমাণ বেশি দিতে হয়।
🐟🦐 সংক্ষেপে চুন ব্যবহারের কারন:
চুন = ✅ পুকুর প্রস্তুতি , ✅ পানি মান উন্নতি, ✅ মাছের রোগ প্রতিরোধ , ✅ প্রাকৃতিক খাদ্য বৃদ্ধির সহায়ক

🐟🦐 প্রয়োগ পদ্ধতি:
• পুকুর প্রস্তুতিকালে: শুকনো পুকুরের তলায় সমানভাবে ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়।
• পানির সাথে মিশ্রণ: চুন পানিতে গুলে সমস্ত পুকুরে ছিটানো হয়।
• রক্ষণাবেক্ষণ: মাসে ১–২ বার পানির pH পরীক্ষা করে প্রয়োজন অনুযায়ী ডোজ প্রয়োগ।

🐟🦐 চুনের উপকারিতা:
১) পানির pH নিয়ন্ত্রণ: অম্লীয় পানি ক্ষারীয় করে মাছ ও চিংড়ির জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে (pH ৭.৫–৮.৫)।

২) পুকুরের মাটি জীবাণুমুক্ত করা: পুকুর শুকানোর পর চুন ছিটিয়ে মাটি জীবাণুমুক্ত করা যায়।

৩) রোগ প্রতিরোধ: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবী ধ্বংস করে।

৪) পুষ্টি সরবরাহ: ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম চিংড়ির খোলস ও মাছের হাড় গঠনে সাহায্য
করে।

৫) জৈব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: পুকুরের তলার বিষাক্ত গ্যাস (অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন সালফাইড) নিষ্ক্রিয় করে।

৬) প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদন: প্ল্যাঙ্কটন ও শৈবালের উৎপাদন বাড়ে।

৭) সার ও খাবারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: মাটির গঠন উন্নত করে সার ও খাবার দ্রুত শোষণ করতে সাহায্য করে।

৮) পানির স্বচ্ছতা বৃদ্ধি: চুন প্রয়োগের ফলে পুকুরের ঘোলাটে ভাব কমে এবং পানির স্বচ্ছতা বাড়ে, যা অক্সিজেন চলাচল এবং সূর্যালোক প্রবেশে সাহায্য করে। এর ফলে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যা মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য।

৯) ক্যালসিয়ামের সরবরাহ: চুন মাছ এবং চিংড়ির শরীর গঠনে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের সরবরাহ নিশ্চিত করে।

🐟🦐 সতর্কতা:
• চুন প্রয়োগের ৩–৫ দিন পর পুকুরে পোনা ছাড়ুন।
• অতিরিক্ত চুন ব্যবহারে পানির pH বিপজ্জনক মাত্রায় উঠতে পারে।
• দ্রুত চুন /পোড়া চুন(CaO) ব্যবহারের সময় সুরক্ষা গিয়ার পরিধান করুন, কারণ এটি ত্বকে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে।
• পোড়া চুন সরাসরি পানিতে না ছিটিয়ে পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা উচিত।
• চুন ব্যবহারের পর ১–২ দিন মাছের খাবার কম দিতে হয় যাতে মাছ অতিরিক্ত স্ট্রেস না পায়।

🐟🦐 শেষ কথা/উপসংহারঃ
মোটকথা, মাছ ও চিংড়ি চাষে সঠিক পরিমাণে ও সঠিক ধরনের চুন ব্যবহার করে পুকুরের পরিবেশকে মাছ চাষের জন্য অনুকূল রাখা যায় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
পরিশেষে বলা যায়, মাছ চাষে চুনের সঠিক ব্যবহার একটি সুস্থ ও উৎপাদনশীল মৎস্য খামার গড়ে তোলার জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সঠিক সময়ে মাছ ও চিংড়ি চাষে সঠিক চুনের ব্যবহার উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি রোগমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে! 🐟🦐

লেখক :-

Salah Uddin Sarker Tapan ভাই

✊২০২০ সালে এই মডেল দিয়েছিলাম এখন কিছুটা পরিমার্জিত করা হয়েছে। #কার্প_ফ্যাটেনিং_বা_কার্প(রুই,কাতল,মৃগেল, কালিবাউশ,সিলভার,...
17/04/2025

✊২০২০ সালে এই মডেল দিয়েছিলাম এখন কিছুটা পরিমার্জিত করা হয়েছে।
#কার্প_ফ্যাটেনিং_বা_কার্প(রুই,কাতল,মৃগেল, কালিবাউশ,সিলভার,ঘার্স কার্প,কার্পিও) মোটাতাজাকরন চাষ পদ্ধতি”

👉কার্প ফ্যাটেনিং কিঃ
সহজভাবে কার্প জাতীয় মাছকে নির্দিষ্ট ঘনত্বে,পানির গুণাগুণ রক্ষা করে এবং সুষম খাবার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে দ্রুত বড় করার পদ্ধতিকেই কার্প ফ্যাটেনিং বলা হয়।

👉কার্প ফ্যাটেনিং পদ্ধতিতে মাছ চাষ এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যঃ
• এ পদ্ধতিতে পোনা নির্ধারণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
• পুকুরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন নিশ্চিত করা(সম্ভব হলে এরেটর ব্যবহার করা)।
• প্রাকৃতিক খাবারের পর্যাপ্ত জোগান নিশ্চিত করা।
• ৮-১২ মাস বয়সি একই সাইজ/ওজনের পোনা নিশ্চিত করা এবং পোনাগুলি অবশ্যই ৫০০গ্রাম-১ কেজি ওজনের হওয়া জরুরি।
• ২৬-২৮% (২২-২৫%)প্রোটিন যুক্ত সুষম খাবার নিশ্চিত করা।
• নিয়ম মাফিক চুন,লবন(৪৫ দিনে একবার), জীবানুনাশক প্রয়োগ এবং এমোনিয়া পরিমাপ করে এমোনিয়া নাশক প্রয়োগ করা।
• প্রতি ৪৫ দিনে পরজীবি নাশক প্রয়োগ করা।
• ভাল মানের প্রোবায়োটিক(সয়েল এবং ওয়াটার) এবং চিটাগুড় এর ব্যবহার(১৫-২১ দিন পরপর) নিশ্চিত করা।

👉পুকুরের আয়তন এবং গভীরতাঃ
এক্ষেত্রে আমি মনে করি পুকুরের আয়তন ১০০ শতাংশ/১ একর থেকে ৫ একর পর্যন্ত হওয়া আদর্শ। পুকুরের পানির গভীরতা ৬-৮ ফুট থাকা সবচেয়ে ভাল ।

👉পুকুর প্রস্তুতিঃ
অন্যান্য চাষের ন্যায় একইভাবে পুকুর প্রস্তুত করতে হবে।

👉মজুদকালীন সময়ঃ
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মজুদকালীন সময়। অভিজ্ঞতায় বলে এপ্রিলে মাঝামাঝি সময়ে পোনা মজুদ করতে পারলে ডিসেম্বর এর আগেই মাছ কাঙ্খিত(রুই ২-২.৫ কেজি,কাতল ৪ কেজির, সিলভার,বিগহেড, ৪.৫-৫ কেজির উপর,মৃগেল, কালিবাউশ ১.৫-১.৮ কেজি) গ্রোথে চলে আসে।

👉মজুদ ঘনত্বঃ
ফ্যাটেনিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এ মজুদ ঘনত্ব। আমি আমার অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি শতাংশে ১৪-১৭ টি বা একরে ১৪০০-১৭০০ টি করে তিন স্তরের মাছ মজুদ করাই কার্প ফ্যাটেনিং এর জন্য সবচেয়ে আদর্শ মজুদ ঘনত্ব। মজুদকালীন মাছের ওজন ৫০০ গ্রাম – ১ কেজির মধ্যে হতে হবে।

তিন স্তরের মাছের মধ্যে-

উপরের স্তরের জন্যঃ
কাতল=২ টি/শতাংশ, সিলভার=১ টি/শতাংশ এবং বিগহেড/ঘার্স কার্প=১ টি/শতাংশ

মধ্যম স্তরের জন্যঃ
রুই= ৬-৭ টি/শতাংশ

নিচের স্তরের জন্যঃ
মৃগেল= ২-৪ টি/শতাংশ, কালিবাউশ= ২-৩ টি/শতাংশ

এছাড়া সাথি ফসল হিসেবে কার্পিও/মাগুর বা শোল মাছ অল্প পরিমাণে মজুদ করা যেতে পারে।

👉সুষম খাবারঃ
এ ক্ষেত্রে কার্প অথবা তেলাপিয়ার জন্য তৈরী ২৪-২৬% প্রোটিন যুক্ত ডুবন্ত বা ভাসমান(এ খাদ্য ব্যবহার করলে সাথে মৃগেল ও কালিবাউশ এর জন্য ডুবন্ত খাদ্য ব্যবহার করতে হবে) সুষম পিলেট খাবারের ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরী।

⚠️বর্তমান তাপমাত্রায় ২২-২৫% প্রোটিন যুক্ত খাবার ব্যবহার করলেও ভাল ফলাফল পাওয়া যায়/রোগবালাই কম হয়, কারন অতিরিক্ত তাপের কারনে কার্প মাছ তার হজম শক্তি অনেকাংশে হারিয়ে ফেলে ফলশ্রুতিতে রোগাক্রান্ত হয়।

*** চাইলে শুধুমাত্র ডুবন্ত/ভাসমান খাদ্যের অভ্যস্ত করাতে পারেন।
মজুদকালীন সময় থেকে বিক্রি পর্যন্ত মাছের খাবারের চাহিদা অনুযায়ী খাবার প্রয়োগ করা সবচেয়ে ভাল তবে তাদের দৈহিক ওজনের ২.৫-৪% খাদ্য দৈনিক দু – বেলা করে প্রয়োগ করলেও কাংখিত ফলাফল আশা করা যায়।

**প্রতি ১৫ দিন পরপর খাবারের সাথে গাট প্রোবায়োটিক(৩-৪গ্রাম/কেজি খাদ্য) বা এনজাইম(৩-৪ গ্রাম/কেজি খাদ্য) বা চিটাগুড়(১০-১৫গ্রাম/কেজি খাদ্য)।

*** কার্প ফ্যাটেনিং কোন আহামরি পদ্ধতির মাছ চাষ নয়,যে কেও সহজেই এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করতে পারবেন। এ পদ্ধতিতে মাচ চাষে গতানুগতিক এর চেয়ে মাছের দৈহিক বৃদ্ধি দ্রুত হয় এবং বাজারে বড় মাছের চাহিদা ও দামের জন্য অধিক মুনাফা অর্জন করা যায়।

**** মনে রাখা ভাল চাষ ব্যাবস্থাপনায় চাষির দক্ষতার গুরুত্ব অপরিসীম, মাটি-পানি এবং আবহাওয়ার তারতম্যের সাথে রেজাল্টের পরিবর্তন হওয়াটাও স্বাভাবিক।

লেখক :- মৎস্যবিদ মাসুম বিল্লাহ (তমাল)

ঈদ মুবারাক 🌙 তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
31/03/2025

ঈদ মুবারাক 🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!

29/03/2025

সকল প্রবাসী ভাইদের জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক 🌙

ভিয়েতনাম কৈ মাছের পোনা। প্রয়োজনে... 01918543955
24/03/2025

ভিয়েতনাম কৈ মাছের পোনা।

প্রয়োজনে... 01918543955

শিং মাছের পোনা বিক্রি হবে। প্রয়োজনে... 01918543955
21/03/2025

শিং মাছের পোনা বিক্রি হবে।

প্রয়োজনে... 01918543955

গ্রাসকার্প মাছের পোনা কেজিতে ৩-৪ হাজার পিছ। প্রয়োজনে... 01918-543955
15/03/2025

গ্রাসকার্প মাছের পোনা কেজিতে ৩-৪ হাজার পিছ।

প্রয়োজনে... 01918-543955

Address

ধলা মধ্য পাড়া চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন, ধলা, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
Mymensingh
Z3033

Telephone

01628980056

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নরাজ্য এ্যাগ্রো ফিসারিজ এ্যান্ড নাসার্রী ইউনিট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to স্বপ্নরাজ্য এ্যাগ্রো ফিসারিজ এ্যান্ড নাসার্রী ইউনিট:

Shortcuts

Share

Category