SkySpy PIGEONs'

SkySpy PIGEONs' এটি একটি কৃষিভিত্তিক পেজ যেখানে কবুতর এবং পাখি লালন পালন করা হয়

26/02/2026

মুন্ডিয়ান কবুতর একটি উন্নত অত্যন্ত সুন্দর জাতের কবুতর কিন্তু দুঃখজনক বিষয়টি উড়তে পারে না
26/02/2026

মুন্ডিয়ান কবুতর একটি উন্নত অত্যন্ত সুন্দর জাতের কবুতর কিন্তু দুঃখজনক বিষয়টি উড়তে পারে না

25/02/2026

মুন্ডিয়ান (ফরাসি নাম: Mondain) হলো একটি উন্নত জাতের শৌখিন কবুতর, যা প্রধানত এর বিশাল আকার এবং শান্ত স্বভাবের জন্য পরিচি...
25/02/2026

মুন্ডিয়ান (ফরাসি নাম: Mondain) হলো একটি উন্নত জাতের শৌখিন কবুতর, যা প্রধানত এর বিশাল আকার এবং শান্ত স্বভাবের জন্য পরিচিত।
নিচে মুন্ডিয়ান কবুতরের বৈশিষ্ট্য এবং উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
উৎপত্তিস্থল
এই জাতের কবুতরের আদি উৎপত্তিস্থল হলো ফ্রান্স। এটি মূলত মাংস উৎপাদনের জন্য একটি 'ইউটিলিটি ব্রিড' হিসেবে দীর্ঘদিনের নির্বাচনী প্রজননের (Selective Breeding) মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে এটি আমেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
মুন্ডিয়ান কবুতর তার শরীরের গঠনের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
বিশাল আকার ও ওজন: এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম কবুতরের জাত। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ কবুতরের ওজন সাধারণত ১ কেজি বা তার বেশি হয় এবং মাদি কবুতরের ওজন প্রায় ৯০০ গ্রামের মতো হয়ে থাকে।
শরীরের গঠন: এদের শরীর বেশ চওড়া, ভারী এবং গোলাকার। বুক চওড়া ও সামনের দিকে সামান্য প্রসারিত থাকে। শরীরের তুলনায় মাথা ছোট এবং গোলাকার হয়।
উচ্চতা ও দৈর্ঘ্য: এদের গড় উচ্চতা প্রায় ৪০ সেন্টিমিটার এবং দৈর্ঘ্য ৩৮ থেকে ৪৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
মাটির কাছাকাছি থাকা: 'Mondain' শব্দটি ফরাসি শব্দ 'Monde' (যার অর্থ পৃথিবী বা মাটি) থেকে এসেছে। এর কারণ হলো এই জাতের কবুতর ওড়ার চেয়ে মাটিতে হেঁটে বেড়াতে বেশি পছন্দ করে।
রঙ: এগুলি বিভিন্ন রঙের হতে পারে, যেমন—সাদা, লাল, হলুদ, কালো, ধূসর বা নীল রঙের ডোরাকাটা (Barred)।
স্বভাব: এরা অত্যন্ত শান্ত এবং সহজেই পোষ মানে। এদের উর্বরতা বেশ ভালো এবং বছরে প্রায় ১০ জোড়া পর্যন্ত বাচ্চা দিতে সক্ষম।
বর্তমানে এটি প্রদর্শনী (Show Purpose) এবং শৌখিন পালনের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।

গোল্লা কবুতর (যা অনেক সময় 'গোলা' বা 'গোরা' নামেও পরিচিত) দক্ষিণ এশিয়ার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রাচীন কবুতরের জাত নিচে...
25/02/2026

গোল্লা কবুতর (যা অনেক সময় 'গোলা' বা 'গোরা' নামেও পরিচিত) দক্ষিণ এশিয়ার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং প্রাচীন কবুতরের জাত নিচে এর প্রধান বৈশিষ্ট্য, ওড়ার ক্ষমতা এবং উৎপত্তিস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
উৎপত্তিস্থল
গোল্লা কবুতরের আদি উৎপত্তিস্থল হলো ভারত এটি ভারতের মধ্যাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলের বুনো কবুতর থেকে গৃহপালিত জাতে রূপান্তরিত হয়েছে। পরবর্তীতে এটি বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং বর্তমানে এটি বাংলাদেশের একটি স্থানীয় বা 'নেটিভ' জাত হিসেবে পরিচিত
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
শারীরিক গঠন: এরা সাধারণত মাঝারি আকারের এবং বেশ শক্তিশালী হয় এদের মাথা গোলাকার এবং ঘাড় ছোট হয়
রঙ: এদের পালকের রঙে বৈচিত্র্য দেখা যায়। সাধারণত লাল, কালো, নীল এবং খাকি রঙের গোল্লা কবুতর বেশি দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে মিশ্র রঙের গোল্লা কবুতরও পাওয়া যায়।
মাথা ও পা: এদের মাথা সাধারণত সমতল (Plain-headed) হয়, তবে কোনো কোনোটিতে ঝুঁটি (Crest) দেখা যায় এদের পায়ে সাধারণত কোনো পালক বা 'মোজা' থাকে না (Clean-legged)
চোখ: এদের চোখের রঙ সাধারণত কালো বা লালচে হয়ে থাকে
স্বভাব: এরা খুব চঞ্চল এবং কর্মঠ হয়। এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যান্য শৌখিন কবুতরের তুলনায় অনেক বেশি
ওড়ার ক্ষমতা
গোল্লা কবুতর তাদের সহনশীলতা এবং গতিশীল ওড়ার ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত:
গতি: এরা গড়ে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ মাইল বেগে উড়তে পারে
সময়কাল: প্রশিক্ষিত গোল্লা কবুতর একটানা প্রায় ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম
দিকনির্ণয় ক্ষমতা (Homing Instinct): এদের দিকনির্ণয় করার ক্ষমতা বা নিজের বাসায় ফিরে আসার সহজাত প্রবৃত্তি অত্যন্ত প্রবল এই ক্ষমতার কারণে প্রাচীনকালে এদের বার্তাবাহক হিসেবেও ব্যবহার করা হতো।

জালালী কবুতর (বৈজ্ঞানিক নাম: Columba livia) হলো বন্য পাথুরে কবুতরের একটি বংশধর, যা ঐতিহাসিকভাবে হযরত শাহজালাল (র.)-এর সা...
24/02/2026

জালালী কবুতর (বৈজ্ঞানিক নাম: Columba livia) হলো বন্য পাথুরে কবুতরের একটি বংশধর, যা ঐতিহাসিকভাবে হযরত শাহজালাল (র.)-এর সাথে সম্পর্কিত বলে পরিচিত। নিচে এর ওড়ার ক্ষমতা এবং শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা করা হলো:
ওড়ার ক্ষমতা
উচ্চ গতি: জালালী কবুতর বা বন্য কবুতর সাধারণত ঘণ্টায় গড়ে ৫০-৬০ মাইল (৮০-৯৭ কিমি) বেগে উড়তে পারে তবে বিশেষ ক্ষেত্রে এদের গতি ঘণ্টায় ৯২-১০০ মাইল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে
দূরপাল্লা: এরা দিনে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ মাইল পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষমতা রাখে
উচ্চতা: এই কবুতর প্রায় ৬,০০০ ফুট বা তার বেশি উচ্চতায় উড়তে সক্ষম
দিকনির্ণয় ক্ষমতা (Homing Ability): এদের মধ্যে প্রখর 'হোমিং' প্রবৃত্তি রয়েছে, যার ফলে শত মাইল দূর থেকে বা চোখ বেঁধে ছেড়ে দিলেও তারা নিজেদের বাসস্থানে ফিরে আসতে পারে। এরা মূলত পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র এবং সূর্যের অবস্থান ব্যবহার করে পথ চেনে
শারীরিক ও সাধারণ বৈশিষ্ট্য
রঙ ও গঠন: জালালী কবুতর সাধারণত ধূসর বা ছাই রঙের হয়। এদের ডানায় দুটি কালচে রঙের দাগ বা 'ব্লু বার' থাকে এদের দেহ মাঝারি গড়নের এবং চোখ লালচে-কমলা বর্ণের হয়ে থাকে
শারীরিক পরিমাপ: একটি পূর্ণবয়স্ক জালালী কবুতরের দেহের গড় দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩-৩৪ সেমি এবং ডানার প্রসার (Wing span) প্রায় ৬৪-৬৫ সেমি হয়ে থাকে
বুদ্ধিমত্তা: এরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং আয়নায় নিজেদের চিনতে পারে। এমনকি তারা বর্ণমালার অক্ষরও শনাক্ত করতে সক্ষম বলে মনে করা হয়
দৃষ্টিশক্তি: এদের দৃষ্টিশক্তি মানুষের চেয়ে অনেক বেশি তীক্ষ্ণ এবং এরা অতিবেগুনি রশ্মিও দেখতে পায়
স্বভাব: জালালী কবুতর যুগলদের মধ্যকার বন্ধন অত্যন্ত দৃঢ় এবং তারা আমৃত্যু একসাথে থাকে তারা সাধারণত উঁচু ভবন বা পুরাতন স্থাপনায় দলবদ্ধভাবে বাস করে

Address

হাজির বাজার ভালুকা
Mymensingh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SkySpy PIGEONs' posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category