Umme's world

Umme's world Hi. This is Umme's world.I'm a vloger. All time I give many cooking videos, and other videos.so every time watch my videos.I hope everyone can enjoy every time.
(2)

Permanently closed.
কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে—ঠিক যেন সাদা ক্যানভাসে হঠাৎ এক ফোঁটা রং। তাদের আসা আমাদের জীবনটাকে বদলে দেয়, অথচ আমরা বুঝতেই...
16/08/2026

কিছু মানুষ আমাদের জীবনে আসে—ঠিক যেন সাদা ক্যানভাসে হঠাৎ এক ফোঁটা রং। তাদের আসা আমাদের জীবনটাকে বদলে দেয়, অথচ আমরা বুঝতেই পারি না কখন সেই মানুষটা আমাদের গল্পের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হয়ে গেছে।
মায়া এমনই একজনকে ভালোবেসেছিল।
তার চাওয়া খুব বেশি ছিল না। দামি উপহার নয়, বড় কোনো প্রতিশ্রুতিও নয়। শুধু চেয়েছিল—দিনের শেষে কেউ একজন বলুক, “আজ কেমন ছিল তোমার দিন?”
আর রায়ানের চাওয়াও ছিল খুব ছোট। সে চেয়েছিল, মায়া যেন তার নীরবতাগুলোও বুঝতে শেখে।
তাদের ভালোবাসায় হাসি ছিল, অভিমান ছিল, অপেক্ষা ছিল। কখনো দুজন পাশাপাশি থেকেও কথা বলত না, আবার কখনো রাত পেরিয়ে ভোর হয়ে যেত গল্প করতে করতে।
কিন্তু জীবনের ক্যানভাসে সব রং তো এক থাকে না।
একদিন রায়ানকে দূরে চলে যেতে হলো। যাওয়ার আগে মায়ার হাতটা ধরে সে বলেছিল, “আমি ফিরে আসব।”
মায়া মৃদু হেসে বলেছিল, “আমি অপেক্ষা করব।”
তারপর কেটে গেল অনেকগুলো ঋতু।
মায়া প্রতিদিন জানালার পাশে বসে থাকত। বৃষ্টি হলে মনে হতো—রায়ান বুঝি এই বৃষ্টির পথ ধরে ফিরে আসবে। শরতের সাদা কাশফুল দেখলে মনে হতো—ওর দেওয়া সেই সাদা শাড়িটা পরে একদিন রায়ানের সামনে দাঁড়াবে।
অপেক্ষা ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে গেল।
একদিন হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ হলো।
মায়া দরজা খুলে থমকে গেল।
সামনে রায়ান।
চোখে আগের সেই মায়া, হাতে ছোট্ট একটা বাক্স।
রায়ান বাক্সটা খুলে বলল, “তোমার জন্য কিছু এনেছি।”
ভেতরে ছিল একটা সাদা ক্যানভাস আর রংতুলি।
মায়ার চোখ ভিজে উঠল।
রায়ান বলল, “জীবন আমাদের অনেক রং দিয়েছে—কখনো আনন্দের, কখনো কষ্টের। এবার চলো, বাকি রংগুলো আমরা নিজেরাই আঁকি।”
মায়া কিছু বলল না। শুধু চোখের জল মুছে রায়ানের হাতটা শক্ত করে ধরে বলল,
“আমি এতদিন শুধু তোমার অপেক্ষা এঁকেছি… আজ থেকে আমাদের ভবিষ্যৎ আঁকব।”
সেদিন তাদের ক্যানভাসে প্রথম যে রংটা উঠেছিল, তার নাম ছিল—ভালোবাসা।
তার পাশে ছিল—অপেক্ষা, অভিমান, চাওয়া, পাওয়া আর অগণিত অনুভূতি।
কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো নিখুঁত ছবি নয়।

12/08/2026

#আকাশের গভীরতা বুঝতে আকাশের মত মন লাগে।যেটা সবার হয় না।


প্রতিদিন বিকেলে মেয়েটি একই জায়গায় এসে বসত।পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে, হাতে এক কাপ চা আর চোখজোড়া দূরের রাস্তায়।কেউ তাকে...
11/08/2026

প্রতিদিন বিকেলে মেয়েটি একই জায়গায় এসে বসত।
পুরোনো কৃষ্ণচূড়া গাছটার নিচে, হাতে এক কাপ চা আর চোখজোড়া দূরের রাস্তায়।
কেউ তাকে জিজ্ঞেস করলে বলত,
“কারও জন্য অপেক্ষা করছি।”
কত বছর হয়ে গেল—সে নিজেও আর হিসাব রাখে না।
যে মানুষটি একদিন বলেছিল,
“আমি ফিরে আসব, শুধু একটু অপেক্ষা করো।”
সেই কথাটাকে সত্যি ভেবে মেয়েটি নিজের জীবনের অনেকগুলো বসন্ত পার করে দিল।
একদিন হঠাৎ তার মনে হলো—
হয়তো মানুষটা আর ফিরবে না।
তবুও সেদিনও সে কৃষ্ণচূড়ার নিচে বসে রইল।
সূর্য ডুবে যাচ্ছিল।
চায়ের কাপটা ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল।
মেয়েটি ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়িয়ে বলল,
“আজ থেকে আর কারও জন্য নয়… এবার নিজের জন্য অপেক্ষা করব।”
তার চোখে পানি ছিল, কিন্তু মুখে ছিল অদ্ভুত এক শান্তি।
সেদিন সে বুঝেছিল—
কিছু অপেক্ষার শেষ হয় প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে, আর কিছু অপেক্ষার শেষ হয় নিজেকে ফিরে পাওয়ার মাধ্যমে।
আর নিজের কাছে ফিরে আসাটাই হয়তো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ফিরে আসা। ❤️

06/08/2026

#বৃষ্টিতে রাস্তা ঘাট টইটুম্বুর।।


শহরে চাকরি করতে করতে প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে রাফির। ব্যস্ততার অজুহাতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়াই যেন ভুলে গিয়েছিল। একদিন হঠাৎ ...
05/08/2026

শহরে চাকরি করতে করতে প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে রাফির। ব্যস্ততার অজুহাতে গ্রামের বাড়িতে যাওয়াই যেন ভুলে গিয়েছিল। একদিন হঠাৎ মায়ের ফোন এলো—
— "বাবা, কবে আসবি? তোর জন্য গরুর মাংস রান্না করব।"
রাফি শুধু হেসে বলেছিল, "শিগগিরই আসব, মা।"
অবশেষে এক শুক্রবার সে বাড়ি ফিরল। দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা মায়ের চোখে তখন আনন্দের জল। ঘরে ঢুকতেই ভেসে এলো গরম ভাত আর ধোঁয়া ওঠা গরুর মাংসের সেই চেনা ঘ্রাণ।
খেতে বসে প্রথম লোকমা মুখে দিতেই রাফির মনে হলো—এ তো শুধু গরুর মাংস নয়, এতে মিশে আছে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের অগাধ ভালোবাসা আর অপেক্ষার দীর্ঘ নিঃশ্বাস।
রাফি মাকে বলল, — "মা, এত ভালো রান্না শহরের কোনো রেস্টুরেন্টেও পাইনি।"
মা মৃদু হেসে উত্তর দিলেন, — "রান্নার স্বাদ মসলায় নয় বাবা, যার জন্য রান্না করা হয়, তার প্রতি ভালোবাসাতেই থাকে।"
সেদিন রাফি বুঝেছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে দামি খাবার সেইটিই, যেখানে ভালোবাসা মিশে থাকে। গরুর মাংসের সেই সাধারণ দুপুরের খাবার তার জীবনের সবচেয়ে অসাধারণ স্মৃতি হয়ে রইল।

শেষ বিকেলের সোনালি আলো জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকছিল। মেঘলা চুপচাপ বারান্দায় বসে ছিল। হাতে একটি পুরোনো চিঠি—যেটা সে কখন...
01/08/2026

শেষ বিকেলের সোনালি আলো জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরে ঢুকছিল। মেঘলা চুপচাপ বারান্দায় বসে ছিল। হাতে একটি পুরোনো চিঠি—যেটা সে কখনো কাউকে দেখায়নি।
চিঠিটা লিখেছিল আরিয়ান, দশ বছর আগে।
সেখানে মাত্র একটি লাইন লেখা ছিল—
"যদি কোনোদিন আমি তোমার পাশে না-ও থাকি, তবুও বিশ্বাস রেখো, পৃথিবীর কোথাও একজন মানুষ তোমার হাসির জন্য প্রতিদিন প্রার্থনা করবে।"
সময়ের সঙ্গে মানুষ বদলে যায়, ঠিকানাও বদলে যায়। কিন্তু কিছু অনুভূতি কখনো পুরোনো হয় না।
সেদিন হঠাৎ বৃষ্টি নামল। মেঘলা চিঠিটা বুকে জড়িয়ে চোখ বন্ধ করল। মনে হলো, বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন হারিয়ে যাওয়া স্মৃতিগুলোকে আবার জীবন্ত করে তুলছে।
ঠিক তখনই দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ।
দরজা খুলে সে দেখল—একজন বৃদ্ধ ডাকপিয়ন দাঁড়িয়ে আছেন। হাতে একটি ছোট্ট খাম।
খামের ভেতরে ছিল আরেকটি চিঠি।
লেখা ছিল—
"জানি, এত দিনে হয়তো তুমি আমাকে ভুলে গেছ। কিন্তু আমি তোমাকে ভুলিনি। যদি কখনো এই চিঠি তোমার হাতে পৌঁছায়, তবে জেনে নিও—ভালোবাসা সব সময় একসাথে থাকা নয়। কখনো কখনো দূরে থেকেও কারও সুখের জন্য নিঃশব্দে অপেক্ষা করে যাওয়ার নামই ভালোবাসা।"
মেঘলার চোখ বেয়ে নীরব অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। সে বুঝল, কিছু মানুষ জীবনে ফিরে আসে না—তবু তারা হৃদয়ের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গায় সারাজীবন থেকে যায়।
সেদিনের শেষ বিকেলের সূর্য অস্ত যাচ্ছিল, কিন্তু মেঘলার মনে যেন নতুন একটি ভোরের জন্ম হলো।
কারণ, সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো হারিয়ে যায় না। সেটা মানুষের পাশে না থাকলেও, মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকে।

29/07/2026

#🐟 সরষে পাবদা মাছের ঝোল—গ্রামের ঐতিহ্যবাহী স্বাদ, ঘরোয়া রান্নার সহজ রেসিপি। সরষের ঝাঁজ আর নরম পাবদা মাছের এই ঝোল গরম ভাতের সঙ্গে হলে এক প্লেট ভাত কখন শেষ হয়ে যায় বুঝতেই পারবেন না। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করতে ভুলবেন না। ❤️🍚
#সরষেপাবদা

28/07/2026



শেষ বিকেলের নরম রোদটা ধানক্ষেতের ওপর পড়ে যেন সোনালি চাদর বিছিয়ে দিয়েছিল। গ্রামের ছোট্ট পথ ধরে হাঁটছিল মেঘলা। তার হাতে...
28/07/2026

শেষ বিকেলের নরম রোদটা ধানক্ষেতের ওপর পড়ে যেন সোনালি চাদর বিছিয়ে দিয়েছিল। গ্রামের ছোট্ট পথ ধরে হাঁটছিল মেঘলা। তার হাতে ছিল একটি পুরোনো চিঠি—যেটি সে গত পাঁচ বছর ধরে বুকের ভেতর লুকিয়ে রেখেছে।
চিঠিটা লিখেছিল আরিফ। বিদায়ের দিন সে শুধু বলেছিল, "যদি কোনোদিন ফিরে আসি, তাহলে এই শেষ বিকেলের আলোতেই তোমার সঙ্গে দেখা করব।"
সময় থেমে থাকেনি। ঋতু বদলেছে, গাছের পাতা ঝরেছে, আবার নতুন কুঁড়ি ফুটেছে। কিন্তু মেঘলার অপেক্ষা বদলায়নি। গ্রামের সবাই বলত, "এত বছর পরে কেউ কি আর ফিরে আসে?"
মেঘলা শুধু মৃদু হেসে বলত, "কিছু মানুষ ফিরে আসে না, কিন্তু তাদের দেওয়া আশা ফিরে আসে প্রতিটি সূর্যাস্তে।"
সেদিনও ঠিক অন্য দিনের মতোই শেষ বিকেল নেমেছিল। হঠাৎ দূরে কাঁচা রাস্তার ধুলো উড়ে উঠল। ধীরে ধীরে একজন মানুষ এগিয়ে আসছে। মুখটা স্পষ্ট হওয়ার আগেই মেঘলার চোখ ভিজে উঠল। কারণ মানুষকে চেনার আগে, সে চিনে ফেলেছিল সেই পরিচিত হাঁটার ভঙ্গি।
আরিফ সামনে এসে দাঁড়াল। কোনো বড় কথা নয়, কোনো নাটকীয়তা নয়। শুধু শান্ত কণ্ঠে বলল,
"আমি ফিরতে দেরি করেছি, কিন্তু তোমাকে ভুলতে একদিনও পারিনি।"
মেঘলা চোখের জল মুছে হাসল।
"অপেক্ষা যদি সত্যি হয়, তাহলে সময়ও একদিন হার মেনে যায়।"
সেদিন সূর্য ডুবে গিয়েছিল, কিন্তু তাদের জীবনে নতুন এক ভোরের শুরু হয়েছিল। কারণ ভালোবাসা কখনো শুধু কাছে থাকার নাম নয়—ভালোবাসা হলো সেই বিশ্বাস, যা হাজার দিনের দূরত্বও ভাঙতে পারে না।

বৃষ্টিভেজা এক বিকেলে নীলা বাসস্ট্যান্ডে একা দাঁড়িয়ে ছিল। হাতে একটি পুরোনো ডায়েরি। ডায়েরির পাতাগুলো ভিজে যাচ্ছিল বৃষ্...
27/07/2026

বৃষ্টিভেজা এক বিকেলে নীলা বাসস্ট্যান্ডে একা দাঁড়িয়ে ছিল। হাতে একটি পুরোনো ডায়েরি। ডায়েরির পাতাগুলো ভিজে যাচ্ছিল বৃষ্টিতে, তবু সে তা বন্ধ করেনি। কারণ সেই পাতায় লেখা ছিল এমন একজন মানুষের কথা, যে কোনোদিন তাকে "ভালোবাসি" বলেনি, অথচ প্রতিটি কাজে ভালোবাসা রেখে গিয়েছিল।
আরিফ কখনো দামি উপহার দেয়নি। শুধু নীলার ক্লান্ত দিনে এক কাপ চা এগিয়ে দিয়ে বলত, — "আজ একটু বিশ্রাম নাও।"
কখনো বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয়নি। শুধু বলেছিল, — "তুমি হাসলে পৃথিবীটা একটু সুন্দর লাগে।"
একদিন হঠাৎ আরিফ চলে গেল—দূর শহরে, নিজের স্বপ্নের পেছনে। যাওয়ার আগে শুধু একটি চিঠি রেখে গিয়েছিল।
চিঠিতে লেখা ছিল—
"যদি কোনোদিন মনে হয় আমি তোমাকে ভুলে গেছি, তবে আকাশের দিকে তাকিয়ো। মানুষ দূরে যেতে পারে, কিন্তু সত্যিকারের অনুভূতি কখনো দূরে যায় না।"
বহু বছর পরও নীলা সেই চিঠি আগলে রেখেছে। কারণ সে বুঝেছে, ভালোবাসা সব সময় কাছে থাকার নাম নয়। কখনো কখনো ভালোবাসা মানে দূরে থেকেও কারও সুখের জন্য নীরবে প্রার্থনা করা।
সেদিন বৃষ্টি থেমে গেলে নীলা আকাশের দিকে তাকিয়ে মৃদু হেসেছিল। তার চোখে জল ছিল, কিন্তু সেই জলে আর কষ্ট ছিল না—ছিল কৃতজ্ঞতা।
কারণ কিছু মানুষ জীবনে থেকে যায় না, কিন্তু অনুভূতিতে আজীবন বেঁচে থাকে। ❤️

Address

Narayanganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Umme's world posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share