11/06/2025
🗣️শিশুদের মধ্যে স্ক্যাবিস নামক পরজীবীজনিত অত্যন্ত ছোঁয়াচে চর্মরোগ মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়ছে।সাবধান ‼️
✅ কিভাবে ছড়ায়?
স্ক্যাবিস আক্রান্ত কারো সরাসরি সংস্পর্শ, সংক্রমিত ব্যক্তির জামা-কাপড়, বিছানা, তোয়ালেসহ ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমে স্ক্যাবিসের পরজীবী ছড়ায়।
পরিবার, হোস্টেল, মেসে কেউ একজন আক্রান্ত হলে বাকি সদস্যরাও আক্রান্তের ঝুঁকিতে থাকেন। অপরিচ্ছন্ন ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ, হোস্টেল, মাদ্রাসা, মেস যেখানে অনেকে একসঙ্গে থাকেন সেখানে স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া খুব দ্রুত ছড়ায়।
✅ লক্ষণগুলো কি?
▪️শরীরে তীব্র চুলকানি ও চামড়ায় প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
▪️সারা শরীর বিশেষ করে আঙুলের ফাঁকে, কবজি, কনুই, বুকের নিচে, বগলের নিচে, পেটে, নাভির চারপাশে, পায়ের দুই পাশে চুলকানি বেশি অনুভূত হয়।
▪️চুলকানি রাতে বেশি হয়।
▪️আক্রান্ত স্থানে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র র্যাশ বা ফুসকুঁড়ি হয়। সঠিক চিকিৎসা না হলে এগুলো ঘা দেখা যায়।
🚩জটিলতা
🔺সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে স্ক্যাবিসের কারণে বাচ্চাদের কিডনিতে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
🔺অনুজীব সংক্রমণের ফলে শরীরে ব্যাথা, জ্বর অনূভুত হতে পারে। আক্রান্ত স্থানে ঘা হয়ে যায়।
✅ প্রতিরোধ
🔸পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে। নিয়মিত গোসল করতে হবে।
🔸স্ক্যাবিস আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকতে হবে। সংক্রমিত ব্যক্তির বিছানা, তোয়ালে, পোশাক ও ব্যবহৃত যে কোন জিনিস ব্যবহার করা যাবে না। স্ক্যাবিস আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা করে দিতে হবে।
🔸ঘনবসতিপূর্ণ, সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় বাড়তি সতর্কতা মেনে চলতে এবং প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
🔸পরিবারের কেউ সংক্রমিত হলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা নিতে হবে। একইসাথে লক্ষণ না থাকলেও পরিবারের বাকি সবার চিকিৎসা নিতে হবে।
✅ চিকিৎসাঃ
লক্ষণ ও আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থাভেদে স্ক্যাবিসের নানা ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। সাধারণত গায়ে মাখা ক্রিম, লোশন এবং খাবার ঔষধ দেয়া হয়ে থাকে।
এটির চিকিৎসা খুব সহজ হলেও নিরাময় পেতে চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করে সঠিকভাবে চিকিৎসা গ্রহণ করার বিকল্প নেই। সঠিক নিয়মে ও নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চিকিৎসা না নিলে রোগ পুনরায় ফিরে আসতে পারে।
আপনার আদরের সন্তান বা পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
©