30/07/2026
আমার শ্বশুর বাড়ির সবার ডিমময় জীবন।
সকালে জন প্রতি ১টা করে ডিম ফিক্সড আর
রাতে ১-২ টা ডিম ভাজি করতেই হবে।
যেদিন দুপুরে সবজি, ডাল থাকবে সেদিনও ২-৩ টা ডিম ভাজি করতে হবে। ইহা ত্রিশ দিনের রুটিন।
এর মাঝেও দুপুরে সপ্তাহে অন্তত ১ দিন আলু দিয়ে ডিম করতে হবে।
সংসারে ৫ জনই এডাল্ট পারসন তাহলে গড়ে প্রতিদিন অন্তত ৬-৭টা ডিম লাগবেই, কোন কোন দিন এর চেয়ে বেশি লাগে।
এখন কথা হলো এই যে নিজেদের কথা জাহির করলাম তার কারন কয়েকদিন আগে এক আপুর পোস্ট দেখলাম ওনার যৌথ পরিবার প্রতিদিন ১৭-১৮ (ফিক্সড সংখ্যা মনে নাই তবে এর আশেপাশে ছিল) টা ডিম লাগে আর এমন কথা শুনে কিছু আপু এমন রিঅ্যাক্ট করছেন যেন উনি বাড়িয়ে বাড়িয়ে বলছেন।
আসলে কি জানেন এতে ঐ আপুদেরও দোষের কিছু নেই কারন যারা ডিম পছন্দ করে না তাদের কাছে বেশি মনে হবেই,আমি নিজেও একসময় ডিম প্রতিদিন খেতে পারতাম না,যারা খেত তাদের দেখে ভাবতাম এত ডিম খায় ক্যামনে🙄অথচ এখন সেই আমিই চুপটি করে সব বেলায় ডিম গিলে ফেলছি😄
আসলে কি জানেন আপুরা, বাড়িতে যদি মানুষ বেশি থাকে আর সবাই ডিম পছন্দ করে এবং ছোট ছোট বাচ্চা থাকে তবে লাগা টাই স্বাভাবিক। যেমন আমার ভাসুরের ২ টা ছেলে। তাদের সকালে ৪ টা ডিম আর রাতে বড় ভাতিজাকে ডিম দিতেই হবে এবং ছোট ছেলেটাকেও দুই একদিন পর পর রাতে দিতে হয় তাহলে তাদের দিন ৫-৬ টা ডিম লাগে আর আমরা যদি সবাই একসঙ্গে খাবার খেতাম অর্থাৎ যৌথপরিবার থাকতাম তাহলে আমাদের কমপক্ষে ডিম লাগতো ৭+৫=১২টা
আর আমার বাবু যদি বড় হয়ে ডিম পছন্দ করে আর
এবং বলে আমি ৩ বেলাতেই ডিম ভাত খাব তাহলে তো হয়েই গেল😄 অনেক বাচ্চারাই আছে কিচ্ছু খাবেনা শুধু ৩ বেলা ডিম দিয়ে ভাত খাবে আর বাড়িতে বাচ্চা যদি বেশি থাকে তাহলে এমনিতেই ডিম বেশি লাগবে এটাই স্বাভাবিক। এখানে অবাক হবার কিছু নেই বরং নিজের ভাবনাকে সংকীর্ণ না করে অন্যের কথা কে সম্মান দিতে শিখুন।