Haatkhola

Haatkhola আপনাদের বিশ্বাস
আমাদের দায়িত্ব

চলনবিলের খাঁটি খেজুর গুড়।
11/12/2024

চলনবিলের খাঁটি খেজুর গুড়।

শীতের ঐতিহ্য উত্তর বঙ্গের তৈরি সুস্বাদু কুমড়ো বড়ি
11/12/2024

শীতের ঐতিহ্য উত্তর বঙ্গের তৈরি সুস্বাদু কুমড়ো বড়ি

11/12/2024

শুভ সকাল
সকল জীবের কল্যান হোক

মাথায় চুল গজাতে কালোজিরা ব্যবহার করবেন যেভাবেযাদের মাথায় চুল কম; তারাই বুঝতে পারেন চুল না থাকার কতটা কষ্ট !চুল ছাড়া চেহা...
10/12/2024

মাথায় চুল গজাতে কালোজিরা ব্যবহার করবেন যেভাবে
যাদের মাথায় চুল কম; তারাই বুঝতে পারেন চুল না থাকার কতটা কষ্ট !চুল ছাড়া চেহারার সৌন্দর্য অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়। তাই অনেকেই এখন হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা উইগ ব্যবহার করে টাক ঢেকে রাখেন।

যদিও এসব উপায় বেশ ব্যয়বহুল এবং ঝামেলারও বটে। তার চেয়ে যদি প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পড়া কমিয়ে মাথা টাক হওয়া থেকে ঠেকানো যায়, তাহলে কেমন হয়? অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, এটা-সেটা তো কতই ব্যবহার করলাম; তবুও মাথায় চুল গজালো না মাথায়!
আসলে সবটাই ধৈর্যের বিষয়। নিয়মিত চুল ও স্ক্যাল্পের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ডায়েট ও ঘুম সবই প্রয়োজন রয়েছে চুল গজানোর ক্ষেত্রে। যখন কারো মাথার চুল পড়তে পড়তে টাক হওয়া শুরু হয়; তখনই তার উচিত জীবনযাত্রা পরিবর্তন করা।
শারীরিক বিভিন্ন রোগের কারণে চুল দ্রুত পড়তে থাকে। তাই নতুন চুল গজাতে ও চুল পড়া কমাতে ব্যবহার করা উচিত ভেষজ উপকরণ। তেমনই এক উপাদান হলো কালোজিরা।

মহৌষধ বলা হয়ে থাকে কালোজিরাকে। এর পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সবারই কমবেশি জানা আছে। জেনে নিন কীভাবে কালোজিরা ব্যবহার করবেন চুলের বৃদ্ধিতে-

কালোজিরার তেল: কালোজিরার তেল ব্যবহারে নতুন চুল গজায়। চুলের ফলিকগুলো শক্তিশালী করে। এই তেল প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। এ ছাড়াও মাথার ত্বকের শুষ্কতা কমায়, যার ফলে দ্রুত চুল পড়া বন্ধ হয়।

ব্যবহারের জন্য কালোজিরা তেল এক হাতের তালুতে নিন। এবার আরেক হাতের আঙুলের সাহায্যে মাথার চুল কম আছে এমন অংশে অথবা টাক স্থানে ১৫ মিনিট রেখে ম্যাসেজ করুন। আধা ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন।
আপেল সিডার ভিনেগার এবং কালোজিরার তেল: চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে ও খুশকিমুক্ত করতে আপেল সিডার ভিনেগারের তুলনা নেই। যদি আপনি এটি কালোজিরা সঙ্গে ব্যবহার করেন; তাহলে এর পুষ্টিগুণ আরও বেড়ে যাবে। চুলের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এ মিশ্রণটি।
এজন্য আস্ত কালোজিরা পানিতে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে ছেঁকে নিন পানিটুকু। এরপর এতে ভিনেগার মিশিয়ে চুলে ও স্ক্যাল্পে ব্যবহার করুন। কয়েক ঘণ্টা রেখে বা পরের দিন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন ২ মাস।

জলপাই এবং কালোজিরা তেল: এ দুই তেলে পাওয়া অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল যৌগ। যা চুল পড়া রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ব্যবহারের জন্য একটি পাত্রে জলপাই এবং কালোজিরার তেল মিশিয়ে নিন।

এবার মাথার টাক বা কম চুল রয়েছে এমন স্থানে লাগিয়ে ম্যাসেজ করুন। এ তেলের মিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে চুল পড়ার সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মেহেদি ও কালোজিরার প্যাক: চুলের ক্ষেত্রে মেহেদির উপকারিতা সবারই কমবেশি জানা। কালোজিরা প্রদাহনাশক হিসেবে কাজ করে। এজন্য মাথার ত্বকের ব্যাধি এবং চুলের গোড়া শক্তিশালী করে এ প্যাক।
ব্যবহারের জন্য মেহেদি গুঁড়ো এবং কালোজিরার গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ব্যবহার করুন। আধা ঘণ্টা রেখে দিন এবং পরে শাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন।
নারকেল তেল এবং কালোজিরা: নারকেল তেলে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। যা মাথার ত্বকের বিভিন্ন ছত্রাকের বিরুদ্ধে লড়াই করে। যদি কোনো চর্মরোগের কারণে আপনার চুল পড়তে থাকে; তাহলে কালোজিরার সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

এজন্য ১ টেবিল চামচ কালোজিরার গুঁড়ো বা তেলের সঙ্গে ১ চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে নিন। আপনি চাইলে মধুও যোগ করতে পারেন। এ মিশ্রণটি টাকের স্থানে অথবা চুলের গোড়া থেকেআগা পর্যন্ত ব্যবহার করুন।

এরপর হালকা গরম তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন প্রায় ২০ মিনিট। সপ্তাহে কমপক্ষে একবার এ প্যাকটি ব্যবহার করুন।

কালোজিরার তেল এবং লেবুর রস: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস স্বাস্থ্য-ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। কালোজিরা তেলের সঙ্গে যদি আপনি লেবুর রস মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করেন; তবে দ্রুত চুল পড়া বন্ধ হয়ে নতুন চুল গজাবে।
কালোজিরায় থাকা অক্সিডেন্ট চুল পড়া রোধ করে। চুলের বৃদ্ধি বাড়ায় এবং চুল পড়া নিরাময় করে। এজন্য মাথার যেসব অংশে চুল কম, সেখানে এ মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এরপর চুল শুকিয়ে গেলে স্ক্যাল্পে কালোজিরার তেল ব্যবহার করুন।

কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগজনিত সমস্যার আশঙ্কা কমায়, ত্বকের সু...
10/12/2024

কালিজিরার তেলের উপকার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগজনিত সমস্যার আশঙ্কা কমায়, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, আর্থাইটিস ও মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী। কালিজিরা শরীরের জন্য খুব জরুরি। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু ও গ্যাস দূর করে। কালিজিরা কৃমি দূর করার জন্য কাজ করে। কালিজিরার যথাযথ ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবনে বাড়তি শক্তি অজির্ত হয়। এর তেল ব্যবহারে রাতভর অনিদ্রা দূর করে প্রশান্তির নিদ্রা হয়। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালিজিরা। শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা কমায়। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে যেসব সমস্যা হয় সেসবের যন্ত্রণাকর উপসর্গের তীব্রতা কমাতে পারে কালিজিরা। রিউমেটিক ফিভার পিঠে ব্যথা কমাতে কাজ করে। হাঁটুর/বাতের ব্যথা, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি ও উন্নয়ন; মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর মাধ্যমে স্মরণশক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। দেহের সাধারণ উন্নতি; চেহারার কমনীয়তা ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে টনিকের মতো কাজ করে।

বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে; শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে; স্বাস্থ্য ভালো রাখতে; হজম সমস্যা দূরীকরণে; লিভারের সুরক্ষায়; দেহের সাধারণ উন্নতি; রুচি বাড়াতে, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, যকৃতের বিষক্রিয়ানাশক, প্রতিরোধক। টিউমার এবং ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবে কালিজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি, মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়াতেও কালিজিরা অব্যর্থ উপযোগী দাওয়াই। পেটের যাবতীয় রোগ-জীবাণু এবং দেহের কাটা-ছেড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। এছাড়া শরীরে সহজে ঘা, ফোঁড়া, সংক্রামক রোগ বা ছোঁয়াচে রোগ হয় না। কিডনির পাথর দূর করতে ও ব্লাডার সুরক্ষায়। তারুণ্য ধরে রাখতে মধ্যপ্রাচ্যে কালিজিরা খাওয়াটা দীর্ঘদিনের রীতি। কাজ করার শক্তিকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে কালিজিরা।

কালিজিরার তেলে রয়েছে খিদে বাড়ানোর উপাদান। অন্ত্রের জীবাণুকে নাশ করে শরীরের জমে থাকা গ্যাসকেও দূর করতে কালিজিরার বিকল্প নেই। যারা মোটা হতে চান, তাদের জন্য কালিজিরা একটা ভালো পথ্য। আবার যারা চিকন হতে চান তারাও নিয়ম করে কালিজিরা খেলে কাজ হয়। বয়স হলে হাত পা ফুলে যাওয়াটা একটা বড় সমস্যা। কালিজিরা এ সমস্যা সমাধান দেয়। কালিজিরা শিশুদের ক্ষেত্রে মেধার বিকাশ ঘটে। অ্যান্টিসেপটিক বলেও অনেক ভেষজবিদ মনে করেন। দেহের কাটা-ছেড়া শুকানোর জন্য কাজ করে। কালোজিরায় রয়েছে শরীরের রোগজীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এ উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোঁড়া, সংক্রামক রোগ বা ছোঁয়াচে রোগ হয় না।

শীতে নিয়মিত মধু খেলে যে ৬ রকম উপকার পেতে পারেন, যেভাবে খেতে পারেন..মধুতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যেমন ফ্ল্যাভ...
09/12/2024

শীতে নিয়মিত মধু খেলে যে ৬ রকম উপকার পেতে পারেন, যেভাবে খেতে পারেন..
মধুতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যেমন ফ্ল্যাভনয়েড ও অর্গানিক অ্যাসিড। সেই সঙ্গে ২ শতাংশ আয়রন, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শীত পড়েছে মানেই ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যার শুরু। শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক-- সবার মধ্যেই দেখা দেয় ছোটখাটো অসুস্থতা। এই সময়ে এসব থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে মধু একটি প্রাকৃতিক এবং কার্যকর উপাদান। পুষ্টিগুণ আর উপকারিতার দিক থেকে মধু নিঃসন্দেহে শীর্ষে।

মধুর পুষ্টিগুণ

১০০ গ্রাম মধুতে কী কী রয়েছে?

ক্যালরি: ৩০৪
শর্করা: ৮২ গ্রাম (সুক্রোজ, ফ্রুকটোজ, গ্লুকোজ, মল্টোজ)
ফাইবার: ০.২ গ্রাম
প্রোটিন: ০.৩ গ্রাম
পটাশিয়াম: ৫২ মিলিগ্রাম
সোডিয়াম: ৪ মিলিগ্রাম
এছাড়াও মধুতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যেমন ফ্ল্যাভনয়েড ও অর্গানিক অ্যাসিড। সেই সঙ্গে ২ শতাংশ আয়রন, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
মধুর উপকারিতা

ঠান্ডাজনিত সমস্যায় সমাধান: মধু প্রাকৃতিকভাবে ব্যথানাশক ও জীবাণুনাশক। শীতের সর্দি, কাশি, গলাব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যায় মধু খুব কার্যকর। গলাব্যথায় আদার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে আরাম মেলে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম জলে ১ টেবিল চামচ মধু ও ২ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
কফ ও শ্লেষ্মা দূর করা: তুলসীর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে জমাট বাঁধা কফ পরিষ্কার হয়। আবার খুসখুসে কাশির জন্য আদা, এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, ও গোলমরিচ ফুটিয়ে তাতে মধু মিশিয়ে খেলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
শ্বাসকষ্ট: শীতকালে শ্বাসের কষ্ট কমাতে লিকার চা বা কুসুম গরম জলে মধু মিশিয়ে পান করুন।
রুক্ষ ত্বকের যত্ন: শুষ্ক ত্বক মসৃণ ওকোমল রাখতে অ্যালোভেরার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।
শরীরের ব্যথা কমাতে: শীতকালে অনেকেই শরীরের ব্যথায় ভোগেন। প্রতিদিন নিয়মিত মধু খাওয়ার অভ্যাস শরীরের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
সব মিলিয়ে শীতকালীন সুস্থতায় মধুর ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রাকৃতিক এই উপাদানটি শরীর ও মনকে উষ্ণ রাখে এবং শীতে দেবে সুস্থতার নিশ্চয়তা।

(তথ্যসূত্র: https://www.healthshots.com/healthy-eating/superfoods/raw-honey-for-immunity/)

মধু মধু হলো এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করেএবং মৌচাকে সংরক্ষণ ...
07/12/2024

মধু
মধু হলো এক প্রকারের মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করেএবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। এটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল; এটি সুপেয়। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে এর ব্যবহারে চিনির চেয়ে এর অনেক সুবিধা রয়েছে। এর বিশিষ্ট গন্ধের জন্য অনেকে চিনির চাইতে মধুকেই পছন্দ করে থাকেন। বাংলাদেশের সুন্দরবনের মধু স্বাদ, রং, হালকা সুগন্ধ এবং ঔষধিগুণাবলীর জন্য প্রসিদ্ধ। সুন্দরবনের বেশিরভাগ মধু কেওড়া গাছের ফুল থেকে উৎপন্ন। সুন্দরবনের মাওয়ালী সম্প্রদায়ের লোকেরা মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করে এবং তা বিক্রয় করে জীবন নির্বাহ করে। মধুর অন্য একটি গুণ হলো এটি কখনো নষ্ট হয় না। হাজার বছরেও মধুর গুণাগুণ নষ্ট হয় না।

Address

Shahi Mosque. Chatmohar. Pabna
Pabna
6630

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haatkhola posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share