20/05/2026
“মানুষ ভাবে এনজিও মানেই শুধু সুদ… কিন্তু বাস্তবতা এত সহজ না…”
গ্রামের কত মানুষ আছে— হঠাৎ অসুস্থ হলে, মেয়ের বিয়েতে, ছেলের পড়াশোনায়, ছোট একটা ব্যবসা শুরু করতে… সবার আগে কার দরজায় যায়?
এই এনজিওর কাছেই।
যখন জরুরি টাকার প্রয়োজন হয়, তখন কেউ বলে না— “এটা সুদের টাকা, নিবো না…” বরং তখন মনে হয়, “এই টাকাটাই আমার শেষ ভরসা…”
কিন্তু সময় বদলাতে দেরি হয় না।
কিস্তির সময় হলেই, যে মানুষটা একদিন হাসিমুখে টাকা নিয়েছিল, সেই মানুষটাই কখনো কখনো বলে— “সুদখোর এসেছে…” “সুদের চাকরি করে…” “মানুষের রক্ত চুষে খায়…”
আর সমাজের কিছু মানুষ তো এনজিও কর্মীদের এমনভাবে দেখে, যেন তারা মানুষ না… তাদের কোনো সম্মান নেই… কোনো কষ্ট নেই…
কিন্তু কেউ কি একবারও ভাবে— এই মাঠ কর্মীটাও একটা পরিবারের সন্তান? সারাদিন রোদে- বৃষ্টিতে ঘুরে বেড়ানো মানুষটারও ক্লান্তি আছে… অপমান গিলে হাসতে হয়… নিজের সমস্যা লুকিয়ে অন্যের দরজায় যেতে হয়…
বাস্তবতা হলো— সব এনজিও খারাপ না। অনেক অসহায় পরিবার আজ দাঁড়িয়ে আছে শুধু একটা ছোট লোনের কারণে। অনেক মা আজ নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক বাবা দোকান দিয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।
হ্যাঁ, নিয়ম আছে… কিস্তি আছে… চাপও আছে… কিন্তু এই সেবাটাও বাস্তব, যেটা ছাড়া গ্রামের হাজারো মানুষ আজও চলতে পারতো না।
তাই কাউকে “সুদখোর” বলার আগে, একবার অন্তত তার কষ্টটা বোঝার চেষ্টা করুন।
কারণ— যে মানুষটা প্রতিদিন অন্যের দরজায় যায়, সে টাকার জন্য না… সে নিজের দায়িত্ব পালন করার জন্য যায়।
MD ZAHEDUL islam (zs)
RDRS Bangladesh