01/01/2025
আজকে আমি জাতি ও উপজাতি নিয়ে লিখবো।
১ম প্রশ্ন হলো জাতি কি? তার উত্তর হলো অসংখ্য উপজাতি মাধ্যমে একটি জাতি সৃষ্টি হয়। আর
২য় প্রশ্ন উপজাতি কি?
উত্তর: কোন একটি বৃহত্তর জাতির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ কে উপজাতি বলে।
আর বাংলাদেশের ভাষায় উপজাতি হলো যাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার , পোশাক আছে তাদেরকে উপজাতি বলে। বিশেষ করে পাহাড়ি আদিবাসীদের বাংলাদেশের উপজাতি বলা হয় । যা সম্পূর্ণ যুক্তি ভুল
কিন্তু
আন্তর্জাতিক যুক্তিবিদ্যার ভাষায় উপজাতি হলো সকল প্রকার মানুষ ও সকল প্রকার পশু-পাখি উপজাতি।এসব উপজাতি প্রাণী জাতির অন্তত ভুক্ত।
আর মানুষকে যদি একটি জাতি ধরা হয়। তাহলে তার উপজাতি হলো বিভিন্ন দেশের মানুষ ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ হলো মানুষ জাতির উপজাতি।
আর যদি বাংলাদেশের সংবিধান এর কথা বলি তাহলে তা হয় আংশিক ভাবে ভুল। কারণ বাংলাদেশের উপজাতি বলতে তাদের বুঝাই যাদের নিজস্ব ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার, পোশাক আছে তাদেরকে উপজাতি বলে। যা যুক্তি নয়। বাংলাদেশ বিভিন্ন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ আছে।
উদাহরণ: মুসলমানদের ভাষা , সংস্কৃতি, খাবার, পোশাক আছে।
হিন্দুদের ও ঠিক একই রকমের ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার, পোশাক আছে।
বৌদ্ধধর্মে ও ঠিক সেম ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার, পোশাক আছে।
খ্রিস্টান ও জোন ধর্মে ও ভাষা, সংস্কৃতি, খাবার, পোশাক আছে।
সে ক্ষেত্রে শুধু পাহাড়ি আদিবাসীদের কেন বলে তারা উপজাতি। কেন সকল দেশে সব মানুষ উপজাতি হবে না। যুক্তিবিদ্যার ভাষায় উপজাতি হলো সকলে। কিন্তু বাংলাদেশে মানুষ তা মানে না।
বাংলাদেশ ৬০% শিক্ষার্থী হলো মানবিক আর ২৫% বিজ্ঞান , ও ১৫ % ব্যাবসায়ী শিক্ষার্থী বা এ বিষয়ে পড়া মানুষ রয়েছে দেশে।মানবিক হলেও যুক্তিবিদ্যার বিষয়টি দেশের ২৫ - ৩০% পর্যন্ত কলেজ গুলোতে আছে। যার কারণে বাকি ৭০-৭৫% শিক্ষার্থী ও শিক্ষিত-অশিক্ষিত দেশে মানুষ জানে না উপজাতি কি? অতীতের সরকার পাহাড়ি আদিবাসীদের উপজাতি বলেছেন । যার কারণে বাংলাদেশের বাকি মানুষ ,ব্লগার ও ইউটিউব বার রা ও উপজাতি কি তা না যেনে মূর্খদের মতো পাহাড়িদের উপজাতি বলে। বাংলাদেশের উপজাতি হলো বাংলাদেশের সকল মানুষ । বাংলাদেশের সকল ধর্মের সম্প্রদায়ের হিন্দু- মুসলিম, বৌদ্ধ- খ্রিস্টান, জোন সম্প্রদায়ের মানুষ হলো উপজাতি।এই উপজাতি মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি জাতি। আর এই জাতির উপজাতি হলো বাংলাদেশের সকল ধর্মের সম্প্রদায়ের মানুষ।