NRStv

NRStv অজানা সব জানতে চাই জানাতে চাই

পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ**রংপুর প্রতিনিধি:** রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পা...
27/08/2026

পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ

**রংপুর প্রতিনিধি:** রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের নবনির্বাচিত এডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কলেজের হলরুমে আয়োজিত পরিচিতি সভার মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক মনোনীত পাকুড়িয়া শরীফ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল গণি। কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বদরুল আলম, অভিভাবক সদস্য সামছুল আলম এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদিন।

জানা যায়, গত ২৪ আগস্ট দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটির অনুমোদন প্রদান করে। এরপর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দায়িত্ব গ্রহণের পর বক্তব্যে এডহক কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল গণি বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও মনোযোগী করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান উন্নয়ন, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের চেতনায় শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য তিনি শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

এদিকে, নতুন এডহক কমিটি গঠনের বিরোধিতা করে এটিকে ‘গোপন কমিটি’ আখ্যা দিয়ে বাতিলের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তারা এ দাবি জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেন হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল ও রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ মোঃ মাসুদ রানা। বক্তারা দাবি করেন, স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত না নিয়ে গঠিত এ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে।

একই দিনে একদিকে এডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ এবং অন্যদিকে কমিটি বাতিলের দাবিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতিবাদ সমাবেশকে ঘিরে পাগলাপীর স্কুল ও কলেজ এলাকায় দিনভর আলোচনা-সমালোচনা চলে।

 # # # পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি নিয়ে বিএনপির প্রতিবাদ, পাল্টা ব্যাখ্যা অধ্যক্ষের**রংপুর প্রতিনিধি:**রংপুর সদর ...
27/08/2026

# # # পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের এডহক কমিটি নিয়ে বিএনপির প্রতিবাদ, পাল্টা ব্যাখ্যা অধ্যক্ষের

**রংপুর প্রতিনিধি:**
রংপুর সদর উপজেলার পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের নবগঠিত এডহক কমিটি নিয়ে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। এডহক কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেন রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

অন্যদিকে, একই দিন দুপুরে পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল গনীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও বরণ করে নেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

প্রতিবাদ সমাবেশে রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ মো. মাসুদ রানা অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান অধ্যক্ষ এডহক কমিটির বিষয়ে কাউকে অবহিত না করে কমিটি গঠন করেছেন। তাঁর দাবি, এভাবে কমিটি গঠন করা ‘ফ্যাসিবাদী কায়দার’ শামিল।

রংপুর সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হাসান জুয়েল বলেন, এডহক কমিটি গোপনে গঠন করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ তাঁর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির নথিপত্রকে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘পকেট কমিটি’ গঠন করেছেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে সমাবেশে কোনো নথি উপস্থাপন করা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।

হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল বলেন, স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষের কাছে গিয়ে এডহক কমিটি কীভাবে গঠন করা হয়েছে, তা জানতে চেয়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষের সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের হেনস্থার ঘটনা ঘটেনি; বরং ঘটনার ভিডিও ফুটেজকে কেন্দ্র করে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পাগলাপীর স্কুল ও কলেজে ব্যবসা-বাণিজ্যের কার্যক্রম বাড়লেও শিক্ষার মান সেই তুলনায় বাড়ছে না। এডহক কমিটি কেন গোপনে গঠন করা হলো—এ প্রশ্নেরও সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হবে বলেও জানান বিএনপির নেতারা।

হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সুরুজ মিয়া বলেন, অভিভাবক সদস্যরা এডহক কমিটির বিষয়ে জানতে অধ্যক্ষের কাছে গেলেও তিনি তাদের কোনো তথ্য দেননি। তাঁর অভিযোগ, কমিটি গঠনের বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে।

# # # অধ্যক্ষের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে পাগলাপীর স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন বলেন, “আজ আমাদের নতুন এডহক কমিটির সভাপতির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এডহক কমিটির বিষয়ে এলাকার বিএনপির নেতাকর্মী, আহ্বায়ক সদস্যসহ কয়েকজন সদস্য আমার কাছে এসে বলেছেন—কমিটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে গঠন হয়নি।”

তিনি বলেন, “আমি বোর্ডের চিঠির আলোকে এবং সাংবিধানিক বিধান ও প্রতিষ্ঠানের ৬৪ ধারা অনুযায়ী নিয়ম মেনেই এডহক কমিটি গঠন করেছি। আজ নতুন এডহক কমিটির অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামীতে এডহক কমিটির পরামর্শক্রমে প্রতিষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা হবে।”

# # # সভাপতির বক্তব্য

নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল গনী বলেন, “আমার সভাপতিত্ব নিয়ে কারও মনে কষ্ট হয়ে থাকলে আমি এলাকাবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী ছয় মাসের মধ্যে সবার সঙ্গে কথা বলে সুন্দর একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব। পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা এডহক কমিটির কাজ। এ বিষয় নিয়ে এত বড় ঘটনা ঘটবে, আমি ভাবিনি। আমি মনে করিনি যে আমি সভাপতি হব আর এখানে একটি গণ্ডগোল শুরু হবে। বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই কষ্ট পেয়েছি।”

এদিকে, এডহক কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ এবং অধ্যক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

 # # # পাওনা টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে রেখে পালালেন স্বামী**রংপুর প্রতিনিধি:** রংপুরে পাওনা ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে ...
26/08/2026

# # # পাওনা টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে রেখে পালালেন স্বামী

**রংপুর প্রতিনিধি:** রংপুরে পাওনা ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় স্ত্রীকে এলাকায় রেখে স্বামী পালিয়ে ঢাকায় চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে পাওনা টাকা পরিশোধের চাপ ও পারিবারিক বিরোধের জেরে ওই ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রংপুরের কোতয়ালী (সদর) থানাধীন ৪নং সদ্যপুষ্কুরনী ইউনিয়নের কিশামত মাধবপুর (নদীরপাড়) এলাকার মোছাঃ আনজু আরা বেগম (২৮) এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে মোঃ রবিউল ইসলাম (৩৫) সংসারের অভাব-অনটন ও প্রয়োজনের কথা জানিয়ে আনজু আরা বেগমের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ৭৫ হাজার টাকা নেন। এ টাকা নেওয়ার বিষয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত রয়েছে বলে অভিযোগকারীর দাবি।

পাওনা টাকা ফেরতের জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলে রবিউল ইসলাম টাকা পরিশোধে টালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য স্ত্রী মোছাঃ আতিকা বেগমকে এলাকায় রেখে তিনি ঢাকায় চলে যান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে কাজের মাধ্যমে পাওনা টাকা পরিশোধের চেষ্টা করার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এরই মধ্যে রবিউল ইসলাম বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বর্তমানে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে রবিউল ইসলামের ভাই মোঃ রঞ্জু মিয়া অভিযোগকারীর স্বামী মোঃ মিষ্টার মিয়াকে ফোন করে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। রবিউল ইসলামের কোনো ক্ষতি হলে মিষ্টার মিয়াকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগকারীর দাবি।

অভিযোগকারী তার ও তার স্বামীর নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ ঘটনার তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তবে বিষপানের প্রকৃত কারণসহ অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে।

 # # # মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি, রংপুরে দুইজনের কারাদণ্ডদেশে বিভিন্ন অপরাধ ও সহিংসতার পেছনে মাদকাসক্তির প্রভাব নি...
23/08/2026

# # # মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের দাবি, রংপুরে দুইজনের কারাদণ্ড

দেশে বিভিন্ন অপরাধ ও সহিংসতার পেছনে মাদকাসক্তির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাদক সেবনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চুরি, ছিনতাই, মারামারি, পারিবারিক বিরোধসহ নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সহজে বহন ও পরিবহনযোগ্য হওয়ায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সরকারও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বারবার জানিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন অভিযানে মাদকসেবী ও মাদক বহনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সম্প্রতি রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের শিবেরবাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিচালিত এ অভিযানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তবে এ ধরনের অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক সাজা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, মাদকসেবী ও বহনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা, পরিবারকে সচেতন করা, তরুণদের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

তারা মনে করেন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

 # # # মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ছত্রাক পড়েছে নুর বেকারির হোয়াইট ব্রেডে**রংপুর প্রতিনিধি:**রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর পানবাজ...
21/08/2026

# # # মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ছত্রাক পড়েছে নুর বেকারির হোয়াইট ব্রেডে

**রংপুর প্রতিনিধি:**
রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর পানবাজার এলাকার একটি দোকান থেকে কেনা নুর বেকারির হোয়াইট ব্রেডে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ছত্রাক পড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারী জানান, গত **১৬ আগস্ট ২০২৬** তারিখে উৎপাদিত ওই রুটির প্যাকেটে মেয়াদ **২২ আগস্ট ২০২৬** পর্যন্ত উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু গত **১৯ আগস্ট** হরিদেবপুর পানবাজারের একটি দোকান থেকে রুটিটি কেনার পর বাড়িতে নিয়ে প্যাকেট খুলে দেখা যায়, রুটির বিভিন্ন অংশে ছত্রাক পড়ে গেছে এবং তা খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্যাকেটে মেয়াদ থাকার পরও এ ধরনের নষ্ট রুটি বাজারে বিক্রি হওয়ায় ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি দেখার বা অভিযোগ জানানোর জন্য বেকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো কর্মচারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তির মোবাইল নম্বর দিতে রাজি হননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে রংপুর সদর উপজেলার শিবেরবাজার সংলগ্ন নুর বেকারির কারখানার উৎপাদন পরিবেশ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে নানা অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, কারখানার পরিবেশ ও খাদ্যের মান নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করা হলেও প্রত্যাশিত প্রতিকার পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এর আগেও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কারখানাটি পরিদর্শন করে জরিমানা করেছিলেন। তবে এরপরও খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নুর বেকারির উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা, কাঁচামালের মান, প্যাকেটজাতকরণ এবং বাজারে সরবরাহ করা পণ্যের মান পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

**তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নুর বেকারি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।**

 # রংপুর সদরে নাবালিকা ও বিবাহিত নারীর নিখোঁজ-অপহরণ অভিযোগ বাড়ছে # # # প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি ছাড়ছে অনেকে, উদ্বিগ্ন...
21/08/2026

# রংপুর সদরে নাবালিকা ও বিবাহিত নারীর নিখোঁজ-অপহরণ অভিযোগ বাড়ছে

# # # প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি ছাড়ছে অনেকে, উদ্বিগ্ন পরিবার ও সচেতন মহল

**রংপুর প্রতিনিধি:** রংপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে নাবালিকা ও বিবাহিত নারীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নিয়ে থানায় একাধিক অভিযোগ আসছে। গত এক মাসে প্রায় ৩০ জন নাবালিকা ও বিবাহিত নারীকে নিয়ে অপহরণ বা নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার কথা জানা গেছে। তবে তদন্তে অভিযোগের সবগুলো ঘটনায় অপহরণের সত্যতা মিলছে না। অনেক ক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

রংপুর কোতয়ালী সদর থানা সূত্রে জানা যায়, পরিবারের পক্ষ থেকে নাবালিকা মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে—এমন অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ওই নাবালিকা কোনো তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে চলে গেছে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে।

সম্প্রতি এমনই এক নাবালিকাকে উদ্ধারের পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পুলিশ মেয়েটিকে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর সে আবার বাড়ি থেকে চলে যায়। এ ঘটনায় পরিবার পুনরায় থানায় অভিযোগ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে আইন অনুযায়ী মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে, এক নববধূ পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্বামীর বাসা থেকে স্বামীর চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগও থানায় এসেছে। এ ঘটনাতেও তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমানে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহজলভ্যতার কারণে অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের মধ্যে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। অনেক নাবালিকা পরিবারের অজান্তে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে এবং একপর্যায়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে অপহরণের অভিযোগ করা হলেও তদন্তে অনেক সময় স্বেচ্ছায় চলে যাওয়ার বিষয়টি সামনে আসছে।

এ বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, অল্প বয়সে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং বিভিন্ন কনটেন্টের অনুকরণ শিশু-কিশোরদের আচরণে প্রভাব ফেলছে। পূর্ণ মানসিক পরিপক্বতা অর্জনের আগেই আবেগের বশবর্তী হয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এর ফলে অনেকেই বাড়ি ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে চলে গিয়ে বিয়ের মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। পরবর্তীতে সম্পর্কের নানা জটিলতায় বিচ্ছেদের ঘটনাও ঘটছে।

স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, অনেক অভিভাবক সন্তানকে পড়াশোনার প্রয়োজনে মোবাইল ফোন কিনে দিলেও তার ব্যবহার সম্পর্কে যথেষ্ট নজরদারি করেন না। স্কুল-কলেজের পড়াশোনার কথা বলে মোবাইল ব্যবহার করতে গিয়ে অনেক ছেলে-মেয়ে অপরিচিত বা পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ রাখছে। একপর্যায়ে বন্ধুত্ব থেকে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে এবং তা অনেক ক্ষেত্রে বিয়ে পর্যন্ত গড়াচ্ছে।

তাদের মতে, অল্প বয়সে নেওয়া আবেগপ্রবণ সিদ্ধান্তের কারণে অনেক কিশোর-কিশোরীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে। তাই অভিভাবকদের সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি, মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি এবং সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কোনো নাবালিকা নিখোঁজ বা অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া নাবালিকার নিরাপত্তা, বয়স ও আইনগত অবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় বিবেচনা করে বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সচেতন মহলের অভিমত, নাবালিকা ও কিশোর-কিশোরীদের আবেগনির্ভর সিদ্ধান্তের ঝুঁকি কমাতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানের আচরণ, বন্ধু-বান্ধব ও অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে দায়িত্বশীলভাবে খোঁজ রাখা জরুরি।

 # মমিনপুরের প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় ঢাকা কারাগারে, নামের মিল নিয়ে পরিবারের দাবি**রংপুর প্রতিনিধি:**রংপুর সদর উপজেলার...
17/08/2026

# মমিনপুরের প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় ঢাকা কারাগারে, নামের মিল নিয়ে পরিবারের দাবি

**রংপুর প্রতিনিধি:**
রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়নের কৃতী সন্তান প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় বর্তমানে ঢাকার কারাগারে রয়েছেন। পরিবারের দাবি, একই নামের অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে নামের মিলের কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মমিনপুর এলাকায় উদ্বেগ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১৬ আগস্ট দুপুরে ঢাকার একটি ব্যাংকের সামনে থেকে প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায়কে খিলক্ষেত থানা পুলিশ আটক করে। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

স্থানীয়ভাবে পরিচিত প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করছেন। তবে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে তিনি মাঝে মাঝে নিজ এলাকা মমিনপুরে আসতেন। স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষা, ক্রীড়া ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে তিনি সহযোগিতা করতেন এবং অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।

তার পরিবারের দাবি, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের রংপুর সদর উপজেলা শাখার একটি কমিটিতে ‘প্রদীপ রায়’ নামে একজনকে গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের বক্তব্য, ওই কমিটিতে থাকা ব্যক্তি প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় নন। তাদের দাবি, কমিটিতে উল্লেখিত ‘প্রদীপ রায়’ ওই কমিটির সভাপতির বড় ভাই।

পরিবারের আরও অভিযোগ, ওই নামের মিলের ভিত্তিতে প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায়কে সন্দেহ করা হয়েছে। এছাড়া রংপুরের নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে তার ছবি সংযুক্ত করে কিছু তথ্য বা ছবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

পরিবারের সদস্যরা আরও দাবি করেন, প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল না। তাদের ভাষ্য, কমিটিতে থাকা ‘প্রদীপ রায়’ এবং গ্রেপ্তার হওয়া প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় একই ব্যক্তি নন।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। এ কারণে তিনি মাঝে মাঝে এলাকায় এসে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। তবে তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা নির্বাচনী উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা যায়নি।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে স্থানীয় পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছিল এবং তাকে ঘিরে বিরোধ বা ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা রয়েছে। তবে ‘ষড়যন্ত্র’ বা ‘চক্রান্তের’ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায়ের গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মমিনপুরের অনেক বাসিন্দা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে গ্রেপ্তারের প্রকৃত কারণ এবং একই নামের ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে খিলক্ষেত থানা পুলিশের বক্তব্য এবং আদালতের নথিতে প্রকৌশলী প্রদীপ চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, তা জানা গেলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।

16/08/2026

# # # রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন ও ১ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল

রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার **৮২তম জন্মদিন ও ১ম মৃত্যুবার্ষিকী** উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট ২০২৬) রাত ৯টায় রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি **শাহ মো. মাসুদ রানা**। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক **মো. আমজাদ হোসেন**, সাংগঠনিক সম্পাদক **মতিকুর প্রামাণিক**, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক **মো. হারুন অর রশিদ**, হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি **সৈয়দ আব্দুর রাসেল**, হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি **প্রভাষক মো. আশরাফুল খান শান্ত**, খলেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক **জাহাঙ্গীর আলম**, সদর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক **মো. ফিরোজ কবির**, সদর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক **মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব**সহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

দোয়া মাহফিলে প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের কল্যাণ কামনা করা হয়।

এ সময় রংপুর সদর উপজেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

11/08/2026

Address

Ishwerpur,Laherirhate, Rangpur Sadar.
Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NRStv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category