NRStv

NRStv অজানা সব জানতে চাই জানাতে চাই

রংপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিবের উপর পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে আজ সন্ধ্যায় পাগলাপীরে শান্তিপূর্ণ...
04/06/2026

রংপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাকিবের উপর পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে আজ সন্ধ্যায় পাগলাপীরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। আয়োজনে- রংপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রংপুর সদর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক / সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রাসেল।
আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির অঙ্গ ও সহোযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

04/06/2026

রংপুর সদরে গরমে তাপদাহের পর সস্তির বৃষ্টি

ক্লোজ করাই কি শাস্তি? পুলিশি জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নকলাম | মতামতরংপুর কোতোয়ালি থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাকি...
04/06/2026

ক্লোজ করাই কি শাস্তি? পুলিশি জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন

কলাম | মতামত

রংপুর কোতোয়ালি থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রাকিবুল ইসলামকে মারধরের অভিযোগে ওসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার বা ‘ক্লোজড’ করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করাই কি প্রকৃত শাস্তি?

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে নির্যাতন, ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, হেফাজতে মৃত্যু কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে তাকে ‘ক্লোজড’, ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ বা অন্যত্র বদলি করা হয়। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে কতজনের চাকরিচ্যুতি হয়েছে? কতজন প্রকৃত অর্থে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেয়েছেন? সেই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর সাধারণ মানুষ খুব কমই পেয়েছে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত কেন অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুলিশই করে? একটি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেই বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিয়েই তদন্ত করানো হয়। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে সন্দেহ তৈরি হয়। অনেকেই মনে করেন, এমন স্পর্শকাতর ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাইরে স্বাধীন তদন্ত সংস্থা, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন বা মানবাধিকার কমিশনের মতো কোনো নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তদন্ত হওয়া উচিত।

রাকিবুল ইসলামের ঘটনাও সেই পুরোনো প্রশ্নগুলোকে সামনে নিয়ে এসেছে। অভিযোগ সত্য হলে একজন নাগরিক থানার ভেতরেই নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। যে জায়গাটি মানুষের নিরাপত্তার শেষ আশ্রয়স্থল হওয়ার কথা, সেই স্থানেই যদি কেউ মারধরের শিকার হন, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপত্তা খুঁজবে?

এখানে আরও একটি বাস্তবতা রয়েছে। রাকিবুল ইসলাম একজন রাজনৈতিক দলের নেতা। তার ওপর হামলার অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে, রাজনৈতিক দল প্রতিবাদ করেছে, প্রশাসনও দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কত সাধারণ মানুষ থানায় গিয়ে হয়রানি, দুর্ব্যবহার কিংবা নির্যাতনের শিকার হন, যাদের ঘটনা কখনো সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয় না? যাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো রাজনৈতিক পরিচয় বা সাংগঠনিক শক্তি নেই?

পুলিশ রাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জবাবদিহিতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো প্রতিষ্ঠানই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

বর্তমান প্রজন্ম পুলিশের প্রতি কী ধারণা নিয়ে বড় হচ্ছে, সেটিও ভাবনার বিষয়। তারা কি পুলিশকে জনগণের বন্ধু ও সেবক হিসেবে দেখছে, নাকি ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে? অতীতের কর্তৃত্ববাদী ও ভয়ভীতিনির্ভর আচরণের সংস্কৃতি কি এখনো বহাল রয়েছে? নাকি পুলিশ বাহিনী সত্যিই জনবান্ধব ও মানবিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে?

রাকিবুল ইসলামের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন কী বলবে, সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে জনগণ শুধু তদন্ত কমিটির রিপোর্ট নয়, দৃশ্যমান ন্যায়বিচার দেখতে চায়। কারণ বিচার শুধু হওয়াই যথেষ্ট নয়, বিচার হয়েছে—এটিও মানুষের কাছে স্পষ্ট হতে হবে।

আজকের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন তাই একটাই—এই ঘটনায় কি সত্যিই দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে, নাকি আগের বহু ঘটনার মতো এটি কেবল প্রশাসনিক রুটিন প্রক্রিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে?

রাকিবুল ইসলাম ন্যায়বিচার পাবেন কি না, তা এখনও অনিশ্চিত। কিন্তু এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আবারও স্পষ্ট হয়েছে যে, পুলিশি জবাবদিহিতা, স্বাধীন তদন্ত এবং নাগরিক অধিকার সুরক্ষার প্রশ্নে বাংলাদেশের সামনে এখনো অনেক পথ বাকি।
ছাদেকুল ইসলাম রাজু,
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
সদর উপজেলা প্রেসক্লাব,
— কলামটি লেখকের ব্যক্তিগত মতামতের প্রতিফলন।

থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ: ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, মামলার প্রস্তুতিনিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:রংপ...
04/06/2026

থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধরের অভিযোগ: ওসিসহ ৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার, মামলার প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:
রংপুর নগরীর কোতোয়ালি থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজাদ রহমানসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক দল।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল বিষয়টি নিশ্চিত করে। প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন— কোতোয়ালি থানার ওসি আজাদ রহমান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা, ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা, নারী কনস্টেবল লিমা সরেন এবং কনস্টেবল বাসুদেব। তাদের সকলকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৩ জুন) রাতে কোতোয়ালি থানার ভেতরে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব রাকিবুল ইসলামকে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ ওঠে ওসি আজাদ রহমান ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসন অভিযুক্তদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবক দল। এতে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব জাকারিয়া ইসলাম জিম অভিযোগ করেন, থানার ভেতরে একজন রাজনৈতিক নেতার ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।

জহির আলম নয়ন বলেন, “মানুষ নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তার আশায় থানায় যায়। সেখানে যদি একজন রাজনৈতিক নেতাকেই মারধরের শিকার হতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়—সেটি বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।”

তিনি আরও জানান, দলীয় নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে আলোচনা করে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

রংপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং সম্ভাব্য মামলার অগ্রগতির দিকে এখন সবার দৃষ্টি।

প্রেমিক যুগলকে ঘিরে থানায় উত্তেজনা, আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতারংপুর ব্যুরো প্রধান রংপুর নগরীর কোতয়ালী থানার ভেতরে স্বেচ্ছা...
03/06/2026

প্রেমিক যুগলকে ঘিরে থানায় উত্তেজনা, আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

রংপুর ব্যুরো প্রধান

রংপুর নগরীর কোতয়ালী থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে। বুধবার (৩ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

মারধরের শিকার রাকিবুল ইসলাম সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব। তার দাবি, ওসি আজাদ রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে মারধর করেন।

জানা গেছে, সিও বাজার এলাকার এক প্রেমিক যুগল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় আগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। পরে ওই যুগলকে উদ্ধার করে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় আনা হয়। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা থানায় যান। তাদের মধ্যে রাকিবুল ইসলামও ছিলেন।

রাকিবুল ইসলামের অভিযোগ, থানার ভেতরে এক পুলিশ সদস্য উদ্ধার হওয়া যুগলকে মারধর করছিলেন। তিনি এ বিষয়ে আপত্তি জানালে ওসি ও অন্য কয়েকজন পুলিশ সদস্য তার ওপর চড়াও হন এবং মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে থানার কলাপসিবল গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রাকিবুল ইসলামের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তের দাগ দেখা যায়।

তিনি অভিযোগ করেন, নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে রাইফেল ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়া তার দুটি মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন। মারধরের পর পুলিশ সদস্যরা তার শরীরের রক্ত ধুয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান সামু থানায় যান। এরপর আহত রাকিবুল ইসলামকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাত ১১টার দিকে উদ্ধার হওয়া প্রেমিক যুগলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও দাবি করেন, রাকিবুল ইসলামকে পুলিশ সদস্যরা মারধর করেছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোতয়ালী থানার ওসি আজাদ রহমান। তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া যুগলের দুই পরিবারের মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ তা নিয়ন্ত্রণ করে। মারধরের অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো সত্যতা নেই বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ অগ্রযাত্রা প্রতিদিন কে বলেন, এরকম অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুরে বিএনপির এক নেতাকে থানায় আটক রেখে নির্যাতনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে উক্ত ঘটনায় দায়িত্বে থাকা (১) নারী কনস্টেবল লিমা সরেন, (২) ডিউটি অফিসার মেহেরুন্নেসা এবং (৩) সাব-ইন্সপেক্টর মাসুদ রানাকে পুলিশ লাইন্সে রিপোর্ট (ক্লোজ) করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া, পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়ের নির্দেশে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের লক্ষ্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব নরেশ চাকমাকে সভাপতি করে, ডিসি (ক্রাইম) জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান এবং এসি কোতোয়ালী জনাব সুকুমার রায়কে সদস্য করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তদন্ত কমিটি বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কর্তৃপক্ষ
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, রংপুর

মমিনপুরের উন্নয়নে জনগণের পাশে থাকতে চান প্রদীপ চন্দ্র রায়রংপুর প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপুর সদর উপজেলার মমিন...
31/05/2026

মমিনপুরের উন্নয়নে জনগণের পাশে থাকতে চান প্রদীপ চন্দ্র রায়
রংপুর প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপুর সদর উপজেলার মমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শ্রী প্রদীপ চন্দ্র রায় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে ব্যাপক জনসংযোগ ও মতবিনিময় কর্মসূচি পালন করেছেন।
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সামাজিক অগ্রগতির বিষয়ে জনগণের মতামত গ্রহণ করেন।
মতবিনিময়কালে শ্রী প্রদীপ চন্দ্র রায় বলেন, “মমিনপুর ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে আমি সবসময় কাজ করতে চাই। সাধারণ মানুষের যে কোনো সমস্যা, সংকট ও প্রয়োজনের মুহূর্তে তাদের পাশে থেকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে একটি আধুনিক, উন্নত ও জনবান্ধব মমিনপুর গড়ে তোলাই তাঁর লক্ষ্য।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, যুবসমাজ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন। তারা ইউনিয়নের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রদীপ চন্দ্র রায়ের আন্তরিকতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রশংসা করেন।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে আয়োজিত এই জনসংযোগ ও মতবিনিময় কর্মসূচিতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শ্রী প্রদীপ চন্দ্র রায় সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেন।



পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সদর উপজেলা প্রেসক্লাবে কোরবানির গোশত বিতরণনিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপু...
30/05/2026

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সদর উপজেলা প্রেসক্লাবে কোরবানির গোশত বিতরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রংপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ক্লাবের সদস্যদের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ মে) দুপুর ১২টায় সদর উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মহিউদ্দিন মখদুমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আব্দুল কাদের। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুব পরিষদের ২ নং হরিদেবপুর ইউনিয়নের নেতা মোঃ মোজাহারুল ইসলামসহ প্রেসক্লাবের সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের সার্বিক উন্নয়ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সাংবাদিকদের কল্যাণমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে সদস্যদের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন মখদুমী বলেন, “প্রতিবারের ন্যায় এবারও আমরা কোরবানির আয়োজন করেছি। প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকের পাশে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও থাকব। সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সাংবাদিকদের জন্য আবাসন সুবিধা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। খলেয়া ইউনিয়নে নির্মাণাধীন আবাসন প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া চন্দনপাট ইউনিয়নে জমি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই প্রেসক্লাব মার্কেট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হবে। এ সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”
প্রধান অতিথি মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, “সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটির সদস্যরা সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক কাজ করে আসছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও তারা সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে সমাজে যুবসমাজের মধ্যে মাদকাসক্তি ও অনলাইন জুয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব সামাজিক ব্যাধি প্রতিরোধে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক যে কোনো কর্মকাণ্ডে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের এ উদ্যোগকে উপস্থিত সদস্যরা সাংবাদিকদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।

রংপুরের লাহীড়িরহাটে গরুর হাটে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি, রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর সদর উপজেলার লাহীড়িরহাট গরুর হাটে গিয়ে এক ব্য...
24/05/2026

রংপুরের লাহীড়িরহাটে গরুর হাটে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি,

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর সদর উপজেলার লাহীড়িরহাট গরুর হাটে গিয়ে এক ব্যক্তির ব্যবহৃত মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। অদ্য ২৪ মে (রবিবার) আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে লাহীড়িরহাট মাঠ সংলগ্ন চন্দনপাট ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাজু মিয়ার গোডাউনের সামনে থেকে লক করা অবস্থায় গাড়িটি চুরি হয়।

ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল মালিক মোঃ আক্তারুল ইসলাম (৪৬) এই ঘটনায় রংপুর কোতয়ালী (সদর) থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ভুক্ত করেছেন। আক্তারুল ইসলাম রংপুর জেলার বদরগঞ্জ থানার শিবপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের পুত্র।

ঘটনার বিবরণ ও জিডি সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুরে আক্তারুল ইসলাম লাহীড়িরহাট মাঠ সংলগ্ন গোডাউনের সামনে নিজের বাজাজ নিউ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলটি তালাবদ্ধ করে রেখে হাটের ভেতরে গরু কেনার জন্য প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর কাজ শেষে হাট থেকে ফিরে এসে দেখেন তাঁর মোটরসাইকেলটি নির্ধারিত স্থানে নেই। পরবর্তীতে আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় ও সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না মেলায় তিনি আইনের শরণাপন্ন হন।

চুরি হওয়া মোটরসাইকেলের বিবরণ: * ব্র্যান্ড ও মডেল: বাজাজ নিউ ডিসকভার ১২৫ সিসি (লাল-কালো রঙ)

এ বিষয়ে কোতয়ালী (সদর) থানা পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেল চুরির বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। গাড়িটি উদ্ধার এবং চোর চক্রকে সনাক্ত করতে পুলিশ ইতিমদ্ধেই তদন্ত ও তৎপরতা শুরু করেছে।

বিশেষ অনুরোধ: কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি উক্ত চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বরের মোটরসাইকেলটির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তবে অবিলম্বে কোতয়ালী (সদর) থানা অথবা মালিকের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে (01781-721475) যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

🚨 গ্রামীণ ব্যাংকের 'লোন অফিসার' সেজে প্রতারণা: রংপুরে ২০ হাজার টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক! 🚨রংপুর সদর কোতোয়ালী থানা এলাকায় স...
24/05/2026

🚨 গ্রামীণ ব্যাংকের 'লোন অফিসার' সেজে প্রতারণা: রংপুরে ২০ হাজার টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক! 🚨

রংপুর সদর কোতোয়ালী থানা এলাকায় সহজ শর্তে লোন বা ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক অভিনব প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। নিজেকে গ্রামীণ ব্যাংক পানবাজার শাখার "লোন অফিসার" পরিচয় দিয়ে দুই বোনের কাছ থেকে সঞ্চয় ও ফরম পূরণের নামে মোট ২০,০০০/- টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে এক প্রতারক। এই বিষয়ে ভুক্তভোগী মোছাঃ ফজিলা খাতুন রংপুর কোতোয়ালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

🪪 প্রতারকের পরিচিতি:

নাম: মোঃ দেলোয়ার হোসেন (Md Delawar Hossain)

এনআইডি নম্বর: 7775663854

ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর: 01710714273

এনআইডি অনুযায়ী ঠিকানা: সরকার পাড়া, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়।

অভিযোগ অনুযায়ী বর্তমান অবস্থান: পানবাজার, হরিদেবপুর, রংপুর।

🔍 যেভাবে ঘটলো ঘটনা:
পাগলাপীর ইসলামী ব্যাংকের নিচে ভুক্তভোগীদের সাথে পরিচয় হয় এই প্রতারকের। সে নিজেকে লোন অফিসার দাবি করে ভুক্তভোগীদের বাড়িতে ২ দিন এসে ঋণের ফরমও পূরণ করায়। গত ২০/০৫/২০২৬ তারিখে লোন পাস করিয়ে দেওয়ার নাম করে ফজিলা খাতুন ও তার বোনের কাছ থেকে মোট ২০,০০০ টাকা নিয়ে চলে যায়। পরে পানবাজার গ্রামীণ ব্যাংক শাখায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই নামে কোনো কর্মকর্তা সেখানে নেই এবং এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ।

⚠️ সতর্কতা: আপনার আশেপাশে এই প্রতারককে দেখলে অবিলম্বে নিকটস্থ থানা পুলিশকে জানান অথবা আমাদের ইনবক্স করুন। লোন বা ব্যাংকিং লেনদেনের ক্ষেত্রে সবসময় সরাসরি ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করুন, কোনো দালালের হাতে টাকা দেবেন না।

বিস্তারিত পড়ুন কমেন্ট বক্সে অথবা আমাদের স্ক্রিনে দেওয়া তথ্য ও ছবিতে।

#রংপুর #প্রতারক_সতর্কতা

রংপুরে ধান বাজারে অস্থিরতা, ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বিপাকে কৃষকরংপুর সদর উপজেলা: রংপুর সদরে চলতি মৌসুমে ধান বিক্রিতে ন্যায্...
18/05/2026

রংপুরে ধান বাজারে অস্থিরতা, ন্যায্যমূল্য না পেয়ে বিপাকে কৃষক

রংপুর সদর উপজেলা: রংপুর সদরে চলতি মৌসুমে ধান বিক্রিতে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সরকারি দরে ধান ক্রয়ের উদ্যোগ থাকলেও অনলাইন নিবন্ধন ও আবেদন প্রক্রিয়ায় সার্ভার জটিলতার কারণে অনেক কৃষকই এখনো সেই সুবিধার আওতায় আসতে পারেননি।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত দরে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের কথা থাকলেও প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। ফলে মাঠপর্যায়ে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে আগেভাগেই কম দামে স্থানীয় পাইকারদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধান ঘরে তোলার আগেই অনেকেই বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ একদিকে সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনের খরচ ও ঋণের চাপও তাদের দ্রুত বিক্রির সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে।

সরেজমিনে রংপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি মণ (প্রায় ২৮ কেজি) ধান ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম বলে দাবি করছেন কৃষকরা।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি মন ১৪৪০/- টাকা দরে ধান ক্রয়ের ঘোষণা থাকলেও তা আগামী ২০ মে থেকে শুরু হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা। তবে এই সময় ব্যবধানের কারণে বাজারে বড় ধরনের দামের চাপ তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে স্থানীয় পাইকারি ধান ব্যবসায়ীরা। কৃষকরা যেখানে ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, সেখানে মধ্যস্বত্বভোগীরা তুলনামূলকভাবে কম দামে ধান কিনে বেশি দামে বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করছেন।

ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, দ্রুত অনলাইন নিবন্ধন জটিলতা সমাধান করে অবিলম্বে সরকারি ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু করতে হবে। পাশাপাশি সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সার্ভার সমস্যা সমাধান ও ব্যবস্থাপনা উন্নত হলে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Address

Ishwerpur,Laherirhate, Rangpur Sadar.

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NRStv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Food & Beverage Service?

Share