ভক্তি রসনা

ভক্তি রসনা ঈশ্বেরর প্রতি প্রেম ও আরাধনার গভীর স্বাদ গ্রহণ করা,ভক্তির মাধ্যমে আত্মার তৃপ্তি অনুভব করা।
(2)

22/08/2026

সুরের মূর্ছনায় ভাবসমাধি!

21/08/2026

মেধার পূর্ণতা! পারমার্থিক জ্ঞান দেয় জীবনের ঠিকানা!

21/08/2026

হাজার বারেও অতৃপ্ত এক ঐশ্বরিক নাম সংকীর্তন! শ্রবণের সীমানা পার হয়ে আত্মায় বাজে!

21/08/2026

জাগতিক শিক্ষা পেট ভরায়, আর পারমার্থিক শিক্ষা আত্মাকে জাগায়!

বিশেষ সতর্কবার্তা : সনাতন ধর্মে দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর এঁটো খাওয়া কি বিপদ থেকে আনে? জেনে নিন শাস্ত্র ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এ...
20/08/2026

বিশেষ সতর্কবার্তা : সনাতন ধর্মে দাম্পত্য জীবনে স্ত্রীর এঁটো খাওয়া কি বিপদ থেকে আনে?

জেনে নিন শাস্ত্র ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এর মতামত।

জীবনে গভীর ভালোবাসা ও ঘনিষ্ঠতার খাতিরে অনেকেই এক পাত্রে বা স্ত্রীর এঁটো/উচ্ছিষ্ট খাবার খেয়ে থাকেন। আপাতদৃষ্টিতে এটি নিছক রোমাঞ্চকর বা ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ মনে হলেও, শাস্ত্রীয় বিধান ও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে এর পেছনের সত্যটি বেশ চমকপ্রদ ও সচেতনতামূলক।

​শাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি: শুভ নাকি অশুভ?
​১. হিন্দু শাস্ত্র ও মহাভারতের অনুশাসন:
মহাভারতের অনুশাসন পর্বে পিতামহ ভীষ্ম শরশয্যায় শুয়ে পাণ্ডবদের গৃহস্থধর্মের নানা গুরুত্বপূর্ণ নীতি উপদেশ দিয়েছিলেন। ভীষ্ম পিতামহের মতে, একই পাত্রে স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে ভোজন করা বা স্ত্রীর উচ্ছিষ্ট গ্রহণ করা মোটেও শুভ লক্ষণ নয়:

​মোহ ও বুদ্ধিভ্রংশ:
শাস্ত্রে বলা হয়েছে, স্ত্রীর উচ্ছিষ্ট বা একই পাত্রে খাবার খেলে স্বামীর মনে অতিরিক্ত 'কাম' ও 'মোহ' আচ্ছন্ন হয়। এর ফলে পুরুষ তার হিতাহিত জ্ঞান ও সঠিক বিচারবুদ্ধি হারিয়ে ফেলতে পারে।

​পারিবারিক দায়িত্বে অবহেলা:
অতিরিক্ত মোহগ্রস্ততার কারণে ব্যক্তি সামাজিক ও পারিবারিক অন্যান্য দায়িত্ব (যেমন—বাবা-মা বা ভাই-বোনের প্রতি কর্তব্য) ভুলে কেবল স্ত্রীর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে, যা সংসারে অশান্তি ও বিবাদ ডেকে আনে।

​অনাহার বা দরিদ্রতার ভয়:
মহাভারত অনুসারে, ভাইদের সঙ্গে একই থালায় খাবার খাওয়াকে 'অন্ন প্রসাদ' বা অমৃতের সমান বলা হলেও, স্বামী-স্ত্রীর এক থালায় উচ্ছিষ্ট করে খাওয়াকে বিষ বা মদের সমতুল্য গণ্য করা হয়েছে।

​চিকিৎসা বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যঝুঁকি:
কী বলে বিজ্ঞান?
​চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে স্ত্রীর এঁটো বা উচ্ছিষ্ট খাওয়া কোনো অভিশাপ নয়, তবে সতর্ক না থাকলে এতে কিছু স্বাস্থ্যগত বিপদ অবশ্যই দেখা দিতে পারে:

​লালাবাহিত সংক্রমণ (Salivary Transmitted Diseases): মানুষের মুখে কোটি কোটি অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া থাকে। যদি স্ত্রীর মুখে কোনো ইনফেকশন, মাড়ির রোগ বা ক্যাভিটি থাকে, তবে এঁটো খাওয়ার মাধ্যমে তা স্বামীর শরীরেও প্রবেশ করে।

​ভাইরাস বিস্তার:
ফ্লু, সাধারণ সর্দি-কাশি, হেপাটাইটিস-বি কিংবা মুখের ক্ষতের (Herpes) মতো ছোঁয়াচে রোগ উচ্ছিষ্ট খাবার বা লালার মাধ্যমে খুব সহজেই একজন থেকে অন্যজনে ছড়িয়ে পড়ে।
​পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়ার আদান-প্রদান: Helicobacter pylori নামক একধরনের ব্যাকটেরিয়া লালার মাধ্যমে ছড়ায়, যা পরবর্তীতে পাকস্থলীতে আলসার বা গ্যাসের তীব্র সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সংক্ষেপে :
​দাম্পত্য জীবনে ভালোবাসা প্রকাশের অনেক মাধ্যম রয়েছে। তবে শাস্ত্রের নীতিবিধান মেনে চলা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বজায় রাখা—দুই দিক থেকেই সচেতন থেকে খাবার গ্রহণ করাই বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।

20/08/2026

অবিশ্বাস্য ৪ নিরামিষ! পুষ্টির চিন্তা এক নিমেষে শেষ।

ব্রহ্মাণ্ড কাঁপানো তপস্যা! প্রজাপতি দক্ষের কঠিন সাধনার কাছে নতিস্বীকার সৃষ্টিপ্রধান শ্রীহরি​শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের ষষ্ঠ স্...
20/08/2026

ব্রহ্মাণ্ড কাঁপানো তপস্যা!
প্রজাপতি দক্ষের কঠিন সাধনার কাছে নতিস্বীকার সৃষ্টিপ্রধান শ্রীহরি

​শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের ষষ্ঠ স্কন্ধের চতুর্থ অধ্যায়ে (শ্লোক ৩৫-৩৯) বর্ণিত প্রজাপতি দক্ষের এই অলৌকিক ও রোমাঞ্চকর সাধনার ইতিহাস সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
সৃষ্টির প্রারম্ভে যখন মানব জাতি ও অন্যান্য জীবের বংশবৃদ্ধি হচ্ছিল না, তখন পরম পিতা ব্রহ্মার আদেশে প্রজাপতি দক্ষ বিন্দ্য পর্বতের নির্জন কোল ঘেঁষে অবস্থিত অতি পবিত্র 'আঘমর্ষণ' তীর্থে চরম কৃচ্ছ্রসাধনায় নিমগ্ন হন।

​ইন্দ্রিয় সংযম ও পরম রহস্যময় 'হংসগুহ্য স্তোত্র':
​দক্ষ নিজের সমস্ত ইন্দ্রিয়কে সম্পূর্ণ গুটিয়ে নিয়ে কেবল প্রাণায়াম ও কঠোর ধ্যানের মাধ্যমে শ্রীহরির আরাধনা শুরু করেন। তিনি জল ও বায়ু পর্যন্ত ত্যাগ করে এমন এক আত্মনিগ্রহের মধ্য দিয়ে যান, যা ত্রিভুবনে আলোড়ন সৃষ্টি করে। তপস্যায় সিদ্ধি লাভের জন্য তিনি পাঠ করতে থাকেন বেদশাস্ত্রের পরম সংগুপ্ত ও অলৌকিক 'হংসগুহ্য স্তোত্র'। এই স্তোত্রের প্রতিটি উচ্চারিত শব্দের স্পন্দনে কেঁপে উঠেছিল সমগ্র বিষ্ণুলোক!

​বৈকুণ্ঠের আসন কম্পন ও শ্রীহরির অলৌকিক প্রাকট্য:

​দক্ষের এই অচলা ভক্তি ও ব্রহ্মাণ্ড কাঁপানো তপস্যার আকুতিতে ভক্তবৎসল ভগবান শ্রীহরি স্থির থাকতে পারেননি। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণের ষষ্ঠ স্কন্ধের চতুর্থ অধ্যায়ের ৩৫ থেকে ৩৯ নম্বর শ্লোকে সেই মহাজাগতিক দর্শনের প্রত্যক্ষ বিবরণ বিদ্যমান:

​গরুড়পৃষ্ঠে অষ্টভূজ শ্রীহরি (শ্লোক ৩৫-৩৬):
শ্রীশুকদেব গোস্বামী মহারাজ পরীক্ষিৎকে বলেন— দক্ষের পরম ভক্তিতে প্রীত হয়ে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীহরি আঘমর্ষণ তীর্থে প্রাদুর্ভূত হন। মহাজাগতিক বাহন গরুড়ের ডানা ঝাপটানোর শব্দে দিশেহারা হয়ে পড়েছিল চারদিক। ভগবান আবির্ভূত হয়েছিলেন তাঁর প্রলম্ব আটটি বিশাল বাহু নিয়ে! তাঁর আটটি হাতে শোভা পাচ্ছিল শঙ্খ, চক্র, অসি (খড়্গ), চর্ম (ঢাল), বাণ, ধনু, পাশ ও গদা।

​পরম ঐশ্বরিক রূপ ও জ্যোতি (শ্লোক ৩৭-৩৮):
প্রভুর পরিধানে ছিল বিদ্যুৎ-প্রভ পীতবাস (পীত বস্ত্র) এবং গাত্রবর্ণ ছিল জলধর নবঘন মেঘের মতো ঘনশ্যামল। তাঁর বক্ষস্থলে ভাস্বর ছিল শ্রীবৎস চিহ্ন ও পরম মূল্যবান কৌস্তুভ মণি। গলদেশ থেকে চরণ পর্যন্ত লম্বিত ছিল সুবাসিত বনমালা। মস্তকে শোভা পাচ্ছিল মহামুকুট, কানে মকরাকৃতি ঝলমলে কুণ্ডল এবং অঙ্গের নানা স্থানে কঙ্কণ, কাঞ্চী (কোমরবন্ধ) ও নূপুরের ধ্বনিতে ধরণী পবিত্র হয়ে উঠেছিল।

​দেবগণের মহামিলন ও দিব্যচক্ষু লাভ (শ্লোক ৩৯):
ত্রিলোকমোহিনী এই রূপ ধারণ করে ভগবান শ্রীহরি যখন নামলেন, তখন তাঁকে পরিবেষ্টন করে ছিলেন দেবর্ষি নারদ, সুনন্দ, নন্দ এবং সমস্ত প্রধান দেবগণ। সিদ্ধ, গন্ধর্ব ও চারণগণ চারদিক থেকে অলৌকিক স্তুতি নিবেদন করছিলেন এবং স্বর্গ থেকে অঝোর ধারায় পুষ্পবৃষ্টি হচ্ছিল। ভগবান শ্রীহরি নিজ কৃপায় দক্ষের ভেতরের সমস্ত অজ্ঞতা ও 'অন্ধত্ব' দূর করে তাঁকে দিব্যচক্ষু দান করেন, যার ফলে দক্ষ পরম জ্যোতিময় প্রভুর চাক্ষুষ দর্শন লাভ করেন।

সারসংক্ষেপ :
​শ্রীহরির এই অভূতপূর্ব প্রাকট্য ও দক্ষকে সৃষ্টিবৃদ্ধির বরদান প্রমাণ করে যে— চরম প্রতিকূলতার মাঝেও হৃদয়ের গভীর থেকে করা একনিষ্ঠ আরাধনা কখনো বিফলে যায় না। সত্যিকারের ভক্তি ও সাধনার কাছে স্বয়ং ব্রহ্মাণ্ডের মালিকও ধরা দিতে বাধ্য হন!

20/08/2026

মিষ্টি মাতাজির মুখে যেন বৈকণ্ঠের সুর!

20/08/2026

মহাভারতের সবচেয়ে অলৌকিক ঘটনা! কেন শেষ হয়নি দ্রৌপদীর শাড়ি?

19/08/2026

আপনি কি ভাবছেন গঙ্গাস্নানেই সব পাপ শেষ? স্বয়ং মা গঙ্গার সন্তান ভিষ্মও কেন পাননি পাপের ক্ষমা?

Address

Assasuni
Satkhira
9400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভক্তি রসনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share