RMTP Project, NDP

RMTP Project, NDP Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RMTP Project, NDP, Dairy Farm, Sirajganj.

The project goal is to sustainably increase the income, food security and nutrition of marginal and small farmers, and micro-entrepreneurs across selected value chains.

আরএমটিপি প্রকল্পের সহযোগিতায় উন্নয়নকৃত মাংস প্রক্রিয়াজাত প্লান্ট “প্রিমিয়াম মিট” শুভ উদ্বোধন।দেশের গবাদিপালন তথা মাংস ও ...
15/12/2025

আরএমটিপি প্রকল্পের সহযোগিতায় উন্নয়নকৃত মাংস প্রক্রিয়াজাত প্লান্ট “প্রিমিয়াম মিট” শুভ উদ্বোধন।

দেশের গবাদিপালন তথা মাংস ও দুধ উৎপাদনের দিক দিয়ে পাবনা সিরাজগঞ্জ এই দুই জেলা এখনো শীর্ষে অবস্থান করছে। এলাকার চাহিদা পূরনের পাসাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলাতে এখানকার দুধ ও মাংস সরবরাহ করা হয়। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল-ইফাদ ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউণ্ডেশন’র আর্থিক সহযোগিতায় রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্টের আওতায় ভেল্যু চেইন শীর্ষক উপ-প্রকল্প “নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার উন্নয়ন” ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম(এনডিপি) পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার ৭ উপজেলার ২৮ টি ইউনিয়নের ২০৩ গ্রামের ২৭৮৩৫ জন খামারি ও ১০০০ উদ্যোক্তা নিয়ে কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উপ-প্রকল্পের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিরাপদ মাংসজাত পণ্য উৎপাদন ও প্রিমিয়াম বাজারে প্রক্রিয়াজাত মাংস পণ্য প্রবেশীধিকারের লক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলায় ২ টি মাংস প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট উন্নয়ন করা হয়েছে।
অদ্য ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী গ্রামে প্রকল্পের সহযোগিতায় উদ্যোক্তা মোঃ ওবায়দুল ইসলামের উদ্যোগে উন্নয়নকৃত “প্রিমিয়াম মিট” নামের মাংস প্রক্রিয়াজাতকরন প্লান্টের উদ্বোধন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম(এনডিপি) এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলাউদ্দিন খান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আরএমটিপি প্রকল্পের ফোকাল পার্সন ও পরিচালক (প্রোগ্রাম এন্ড প্লানিং) ডক্টর এবিএম সাজ্জাদ হোসেন, প্রজেক্ট ম্যানেজার মোঃ মাসুদ মন্ডল ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি মোঃ আব্দুর রহিম, মনিরুজ্জামান সরকার, আব্দুল লতিফ সরকার,আব্দুস ছাত্রার, ফিরোজ আহম্মেদ সহ প্রকল্পের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। নির্বাহী পরিচালক মোঃ আলাউদ্দিন খান বলেন, Òপ্রকল্পের মাধ্যমে মাংস প্রক্রিয়াজাত প্লান্ট উন্নয়নের উদ্দেশ্য এই না যে, এখান থেকে শুধু স্থানীয়ভাবে এই মাংস বিক্রি করা, এর প্রধান কাজ হলো নিরাপদ মাংস উৎপাদনের পাশাপাশি বিভিন্ন কার্টের মাংস প্রিমিয়াম বাজারে প্রবেশ করানো এতে করে উদ্যোক্তা তার পণ্যের যেমন উচ্চ মূল্য পাবে অন্যদিকে খামারি তার উৎপাদিত প্রাণী বিক্রয়ে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হবে”।

"জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ" শীর্ষক কার্যক্রম এর আওতায় এনডিপি - আরএমটিপি প্রকল্পের মোছাঃ রেজিয়া অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনক...
11/12/2025

"জয়িতা অন্বেষনে বাংলাদেশ" শীর্ষক কার্যক্রম এর আওতায় এনডিপি - আরএমটিপি প্রকল্পের মোছাঃ রেজিয়া অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরীতে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় মনোনীত হয়েছেন।

মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের উদ্যোগ প্রদর্শন ও বাজারজাতকরণ মেলা ২০২৫ সিরাজগঞ্জ।
24/11/2025

মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের উদ্যোগ প্রদর্শন ও বাজারজাতকরণ মেলা ২০২৫
সিরাজগঞ্জ।

প্রানি পরিবহন ব্যবসায় সফল সাদ্দাম হোসেনের গল্প।সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার একজন পরিবহন ব্যবসায়ী নাম সাদ্দাম হোসেন । ...
20/11/2025

প্রানি পরিবহন ব্যবসায় সফল সাদ্দাম হোসেনের গল্প।
সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার একজন পরিবহন ব্যবসায়ী নাম সাদ্দাম হোসেন । তার বাবার আমল থেকেই সে এই ব্যবসার সাথে জড়িত এবং তাদের মোট পরিবহন(ট্রাক) সংখ্যা ছিল ৬ টা । এই ট্রাকগুলোর মাধ্যমে সকল ধরনের মালামাল তারা পরিবহন করত, ব্যবসাও ছিল খুব জমজমাট কিন্তু দিনে দিনে ঐ এলাকায় আরো পরিবহন মালিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পন্যের চাহিদার তুলনায় ট্রাকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তাদের এ ব্যবসা অনেকটা ঝুকির মধ্যে পড়ে যায় ৬ টা ট্রাক থেকে ১ টায় নেমে আসে। পরবর্তীতে ছেলে সাদ্দাম হোসেন ব্যবসার দায়িত্ব গ্রহন করে এবং এলাকা ও এলাকার বাইরের ৭-৮ জন ছাগল ব্যাপারীদের সাথে তার সক্ষতা গড়ে ওঠে। যারা পাবনা সিরাজগঞ্জের প্রায় ১০-১২ টি পশুর হাট থেকে ছাগল,ভেড়া,গাড়ল প্রানি ক্রয় করে থাকে এছাড়া অন্যান্য জেলা বিশেষ করে ঠাকুরগাঁও জেলার বেপারিদের কাছ থেকেও বেশ কিছু ছাগল ঢাকা চট্রগ্রামে পরিবহন করতে থাকে এবং প্রতি সপ্তাহে ৩-৪ টা ট্রিপ এখান থেকে সে পেয়ে থাকে। ট্্রাকে সে সর্বোচ্চ ১৮০-২০০ ছাগল পরিবহন করতে সক্ষম হত এবং এ এলাকা থেকে ঢাকা পর্যন্ত পরিবহনে প্রতি পিচ ছাগলের জন্য ১১০-১২০ টাকা পরিবহন খরচ বাবদ সে প্রতি ট্রিপে গড়ে ১২-১৪ হাজার টাকা ভাড়া গ্রহন করত।
এমতাবস্থায়, ২০২২ সালের শুরুর দিকে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল(ইফাদ) এর অর্থায়নে ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন(পিকেএসএফ)-র সহযোগিতায় এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-এনডিপি জঁৎধষ গরপৎড়বহঃবৎঢ়ৎরংব ঞৎধহংভড়ৎসধঃরড়হ চৎড়লবপঃ-জগঞচ এর আওতায় “নিরাপদ মাংস ও দূগ্ধজাত পন্যের বাজার উন্নয়ন” শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ-প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করে। এই উপ-প্রকল্পের ইন্টারভেনশন-৫(নিরাপদ মাংসের বাজার উন্নয়ন)-র আওতায়- নির্বাচিত পন্য পরিবহনে সহজলভ্যতা ও সাপ্লাই চেইন জোরদারকরনের লক্ষে, “ট্রাকে দ্বিতল বিশিষ্ট তাক তৈরীতে সহায়তা” কার্যক্রম অর্ন্তভুক্ত করে। এতে করে, দূরবর্তী স্থানে ছাগল,ভেড়া ও গাড়ল পরিবহনে দুই স্তর বিশিষ্ট সেলফ বা তাক থাকলে পরিবহনে কার্য দক্ষতা বাড়ে, বেশি সংখ্যক প্রানি একসাথে পরিবহন করা যায়, প্রতিটি প্রাণির জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা দেয়া যায়, প্রানির নিরাপদ পরিবহন নিশ্চিত করে, প্রানি পরিবহনে ধকল কমানো যায় ও পরিবহন খরচ কম হয়। এর মাধ্যমে ব্যাপারী ও খামারি উভয়ই লাভবান হয়।
উক্ত কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত করার জন্য ট্রাক মালিক সাদ্দাম হোসেনের সাথে প্রকল্পের ভেল্যু চেইন ফ্যাসিলিটেটর মোঃ শাহাদৎ হোসেন কার্যক্রমটির আয়-ব্যয়, সুযোগ-সুবিধা ও এর ভবিষ্যৎ ফলাফল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ও তাকে ছাগল ভেড়া পরিবহনের জন্য তার ট্রাকটি দ্বিতল করার জন্য প্রস্তাব করেন এছাড়া প্রকল্পের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদানের বিষয়টিও তাকে অবহিত করেন। সাদ্দাম হোসেন বিষয়টি গভীরভাবে অনুধাবন করেন ও দ্বিতল করার বিষয়ে একমত পোষন করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় একটি ওয়ার্কশপ থেকে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা ব্যয় করে তার ট্রাকে একসাথে প্রায় ৩০০-৩৫০ ছাগল পরিবহনের সক্ষমতা সম্পুর্ন দ্বিতল কেবিন স্থাপন করেন। গত ২১ জুন ২০২২ ইং তারিখ প্রকল্পের পক্ষে জনাব, আবু নাইম মোঃ জোবায়ের খান, উপ-পরিচালক-এনডিপি তাকে ৫০ হাজার টাকার অনুদান চেক হস্তান্তর করেন।
মালিক সাদ্দাম হোসেন ট্রাকটি দ্বিতল করার পর পূর্বের চেয়ে ছাগল প্রতি ভাড়া ১২০ টাকা থেকে কমিয়ে এখন ১০০ টাকায় পরিবহন করছে কিন্তু পরিবহনের ধারন ক্ষমতা বাড়ায় ঢাকার প্রতি ট্রিপে তার ভাড়া ১২/১৪ থেকে বেড়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২০/২২ হাজার টাকা। অন্যদিকে আগের চেয়ে প্রানির নিরাপদ পরিবহনও নিশ্চিত হয়েছে, পরিবহন খরচ কম হওয়ায় ব্যাপারি ও খামারি উভয়-ই লাভবান হচ্ছে, পন্যের যোগানও আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। আরএমটিপি প্রকল্প কর্তৃক উন্নয়নকৃত প্রানি হোটেল বা কালেকশন পয়েন্ট থেকেও সে ছাগল ভেড়া পরিবহন করছে যেখানে প্রকল্পের খামারিরা সরাসরি বা স্থানীয় ব্যাপারির নিকট তাদের পালনকৃত প্রানি ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করছে।
বর্তমানে মালিক সাদ্দাম হোসেন তার প্রানি পরিবহন ব্যবসা জমজমাট ও লাভবান হওয়ায় সে গত সেপ্টেম্বর মাসে ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আরেকটি নতুন দ্বিতল ট্রাক সংযোজন করেছে। এখন তার সপ্তাহের প্রায় প্রত্যেক দিন-ই প্রানি পরিবহন ট্রিপ থাকছে। বর্তমানে দুইটা দ্বিতল ট্রাক থেকে প্রতি মাসে তার গড়ে নীট আয় হচ্ছে প্রায় ৩ লাখ টাকা।
ভবিষ্যতে, তিনি তার পরিবহন ব্যবসায় আরো নতুন ট্রাক সংযোজন করতে চায় যেখানে প্রানির সার্বোক্ষনি পানি সরবরাহ সহ সব ধরনের খাবার থাকবে এবং নিজস্ব কালেকশন পয়েন্ট থাকবে যেখানে ব্যাপারিসহ প্রানিদের নিরাপদ খাবার, থাকার এবং চিকিৎসার সুব্যবস্থা থাকবে।

ভার্মি কম্পোষ্ট উদ্দোক্তা সোহেল রানার সফলতার গল্প।সোহেল রানা (৩৫) গ্রামঃ রাজাপুর, ইউনিয়নঃ রাজাপুর, উপজেলাঃ বেলকুচি, জেলা...
20/11/2025

ভার্মি কম্পোষ্ট উদ্দোক্তা সোহেল রানার সফলতার গল্প।
সোহেল রানা (৩৫) গ্রামঃ রাজাপুর, ইউনিয়নঃ রাজাপুর, উপজেলাঃ বেলকুচি, জেলাঃ সিরাজগঞ্জ। বাবার কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত নিজের ৩ বিঘা ধানের জমি থাকলেও প্রতি বছর বন্যায় নিশ্চিত ভাবে ফসল ঘরে উঠাতে পারে না । ৫ ছেলে মেয়েকে নিয়ে ৮ জনের অভাব অনটনের সংসারে তাদের খুব বেশী শিক্ষায় গড়ে তুলতে পারে নাই। তাই সোহেল রানা যখন মেট্রিক পাস করেছে সংসারের স্বচ্ছলতার জন্য পরপরই তাকে বিদেশে(সৌদিআরব) পারি দিতে হয়েছিল তারপরও ভাগ্যের চাকা ঘুরাতে পারে নাই, ৮ বছর প্রবাসে থাকার পর দেশে চলে এসেছে কিছু টাকা পয়সা যা এনেছিল তা দিয়ে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেছিল, ৩ বছর ব্যবসা করে বাঁকী বরগা পড়ে তাও সেটা চলমান রাখতে পারে নাই। তার এক প্রতিবেশীর সহযোগীতায় কিছু দিন গবাদি প্রানির চিকিৎসার কাজও করেছিল। কিন্তু কোন পেশাতেই সে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে নাই, একরকম অনিশ্চিয়তা আর হতাশার মধ্যে সে দিন অতিবাহিত করছিল। স্বল্প শিক্ষিত হওয়ায় মাঝে মাঝে ফেসবুক ইউটিউব ঘাটাঘাটি করে দেশের বিভিন্ন উদ্দোক্তাদের সফলতার কাহিনী গুলো দেখে নিজে কিছু করার উৎসাহ বোধ করত কিন্তু টাকা পয়সার অভাবে সে বাস্তবে উদ্দোগ নিতে সাহস পাচ্ছিল না। কম পয়সায় কি ধরনের উদ্দোগ গ্রহন করা যায় তার সে একটা উপায় খুঁজে পায়, সেটা হলো স্বল্প খরচে ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদন। ২০১৭ সালে নিজের সর্বশেষ পূঁজি ছিল পাঁচ হাজার টাকা সেটা দিয়ে ৪ টা রিং এবং ২ কেজি কেঁচো ক্রয় করে গরুর গোয়াল ঘরে এ কার্যক্রম শুরু করে, পরবর্তীতে ধাপে ধাপে সে রিং বাড়াতে থাকে এক পর্যায়ে তার রিং-র সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০ টা এবং মাসে উৎপাদন করে দেড় টন সার যা তার এলাকার কিছু কৃষক এবং স্থানীয় বাজারে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে মাসে ২০ -২৫ হাজার টাকা আয় করে এবং পাসের গ্রামে শেড ভাড়া নিয়ে স্থায়ী পিট পদ্ধতিতে ভার্মি কম্পোষ্ট সার উৎপাদন শুরু কওে এভাবে তার ব্যবসা মোটামুটি ভালোভাবেই চলছিল কিন্তু হটাৎ করোনা মহামারি শুরু হওয়ায় তার ব্যবসায় মন্দা অবস্থা দেখা দেয় ফলে ভাড়াকৃত শেডের উৎপাদন বন্ধ কওে দিতে বাধ্য হয়। স্থানীয় বাজাওে সারের চাহিদা কমে যাওয়ায় ব্যবসা অনেকটা হুমকির মধ্যে পড়ে যায়।
২০২২ সালের শুরুতে সহযোগি সংস্থা ইফাদ ও পিকেএসএফ-র আর্থিক সহযোগীতায় এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম(এনডিপি)-র বাস্তবায়নেআরএমটিপি প্রকল্পের আওতায় “ নিরাপদ মাংস ও দূগ্ধজাত পন্যের বাজার উন্নয়ন” এর কার্যক্রম শুরু করে। সোহেল রানাকে একজন উদ্দোক্তা হিসাবে প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হয়। প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদনের উদ্দোক্তা হিসাবে প্রদর্শনীর আওতাভুক্ত করা হয় এবং প্রকল্প কর্তৃক ২৫ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হয়। সে টাকা দিয়ে সে আরো ৬০ টা রিং ক্রয় করে তার ব্যবসা সম্প্রসারনে বিনিয়োগ করে। পরবর্তীতে সে আরো ১৮ টি রিং বিশিষ্ট আরেকটি কম্পোষ্ট সার তৈরীর নতুন সেড তৈরী করেছে। বর্তমানে কম্পোষ্ট উৎপাদনে তার রিং-র সংখ্যা ১২৮ টি।
আরএমটিপি প্রকল্পের ৬ জন ক্ষুদ্র উদ্দোক্তা শ্রেনীর খামারির নিকট থেকে চুক্তিভিত্তিক প্রতি মাসে ১৫-১৬ টন গোবর পরিবহনসহ প্রতি কেজি গোবর ১.৫ টাকা দরে ক্রয় করছেন। তার কম্পোষ্ট খামারে উৎপাদন কাজে ৪ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা প্রতিদিন ৩০০ টাকা মজুরীতে চুক্তিভিত্তিক কাজে নিয়োজিত আছেন।
উদ্দোক্তা সোহেল রানার নিকট গোবর সরবরাহকারী সমেসপুর গ্রামের চুক্তিভিত্তিক খামারি মোঃ জুয়েল রানা বলেন, “ভার্মি কম্পোষ্ট প্লান্টে নিয়মিত গোবর সরবরাহ করার ফলে খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক ভাবে অনুসরন করা সহজ হচ্ছে যার প্রেক্ষিতে খামারে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে, ফলে গবাদিপ্রানির রোগবালাই আগের তুলনায় অনেকাংশে কমে গিয়েছে ফলে উৎপাদন খরচ বহুগুনে কমে গিয়েছে অন্যদিকে, গোবর বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব হচ্ছে”।
বর্তমানে তার সার উৎপাদন দেড় টন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে পাঁচ টনে গিয়ে উন্নীত হয়েছে। প্রকল্পের ভ্যালু চেইন ফ্যাসিলিটেটর রন্জু আহম্মেদের সহযোগীতায় সিরাজগঞ্জের একটা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের(ঢাকা বীজ ভান্ডার) সাথে সোহেল রানা উদ্দোগের সংযোগ স্থাপন করে দেয়া হয়। প্রতিমাসে সে সেখানে ২ টন সার বিক্রির একটা স্থায়ী ক্রেতার নিশ্চয়তা পায়। তাছাড়াও দুইজন স্থানীয় সারের ডিলার ও এলাকার কৃষকদের নিকটও প্রতি মাসে প্রতি কেজি ১৫ টাকা দওে সার বিক্রি করে। এছাড়াও প্রতি মাসে কেজি প্রতি ১০০০ টাকা দরে গড়ে ১৫ কেজি কেঁচো সে বিক্রি করে থাকে। বর্তমানে তার বিক্রিত সার এবং কেঁচো থেকে প্রতি মাসে আয় হচ্ছে ৪৫-৫০ হাজার টাকা।
সোহেল রানার ভার্মি কম্পোষ্ট সার ব্যবহারকারি প¦ার্শবর্তী চকমকিমপুর গ্রামের কৃষক মোঃ মাসুদ হোসেন(৩৫) তার অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “২০২০ সাল থেকে আমার জমিতে ভার্মি কম্পোষ্ট সার ব্যবহার করি, এই সার ব্যবহার করার ফলে মাটির পানি ধারন ক্ষমতা, অন্যান্য সারের ব্যবহার উপযোগীতা এবং ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে যার প্রেক্ষিতে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য কৃষকরাও এ সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে”। পূর্বে ভার্মি কম্পোষ্ট ছাড়া তার প্রতি ১০ শতাংশ ধানের জমিতে ১০ কেজি ইউরিয়া, ৫ কেজি টিএসপি, ৫ কেজি, এমওপি ৫ কেজি ও জিপসাম ৫ কেজি হিসাবে ব্যবহার করত যার বাজার মূল্য ৪৬৫ টাকা এবং ফলন হত ৭ মন কিন্তু যখন ভার্মি কম্পোষ্ট ব্যবহার শুরু করল তখন ঐএকই জমিতে ভার্মি কম্পোষ্ট ৩০ কেজি, টিএসপি-২.৫ কেজি, এমওপি ২.৫ কেজি, জিপসাম ২.৫ কেজি যা কিনতে তার খরচ পড়ে ৪৭০ টাকা ফলশ্রুতিতে তার ফলন ৭ মন থেকে বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১০ মন। এই বাড়তি ৩ মন ধানের বাজার মূল্য-৪২০০ টাকা। অন্যদিকে জমিতে ভার্মি কম্পোষ্ট ব্যবহার না করা প¦ার্শবর্তী ইসলামপুর গ্রামের একজন কৃষক নাম এরশাদ আলী(৩৮) জানান, ১০ শতাংশ অর্থ্যাৎ ঐ একই পরিমান জমিতে সে ইউরিয়া-২০ কেজি, টিএসপি-১০ কেজি. এমওপি-১০ কেজি, জিপসাম-১০ কেজি, পটাশ- ৫ কেজি পরিমানে সার ব্যবহার করে যার বাজার মূল্য ৭৬৫ টাকা যার বিপরীতে ফলন পায় ৬ মন।
সোহেল রানা বলেন, “করোনা মহামারিতে পড়ে আমার ব্যবসা প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়েছিল কিন্ত আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন কওে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছি, কোন বড় কোম্পানির নিকট সার বিক্রির নিশ্চয়তা পেলে মাসিক ৫০ টন সার উৎপাদন করার সক্ষমতা আমার আছে”।

বর্তমানে তার ব্যবসা সম্প্রসারনের জন্য প্রকল্পের পক্ষ থেকে ফেজবুক পেজ এবং ব্যবসা ব্যবস্থাপনার হিসাব সংরক্ষনের জন্য টালিখাতা ও পেমেন্ট গেটওয়ের জন্য বিকাশ মার্চেন্ট একাউন্ট খুলে দেয়া হয়। ফলে অনলাইনেও সে বেশ কিছু সারের অর্ডার পেয়ে থাকেন ও ব্যবসার হিসাব ব্যবস্থাপনাও তার জন্য খুবই সহজ হয়েছে। বর্তমানে তার ব্যবসায়িক সম্পদের বাজার মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।
তার স্বপ্ন, খামার অনেক বড় হবে, অনেক বেকার ও নারীশ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হবে এবং তার একমাত্র মেয়েকে সে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করবে ও মানুষের কল্যানে নিবেদিত থাকবে।

The story of successful entrepreneur Shaheen.A young man named Shaheen (31) of Paikpara village on the bank of  the Jamu...
10/11/2025

The story of successful entrepreneur Shaheen.
A young man named Shaheen (31) of Paikpara village on the bank of the Jamuna river in Kaliaharipur Union of Sadar Upazila of Sirajganj. Shaheen is the eldest among the 4 children of his parent. With an added pressure on him in the family, he gained graduation as well as spent several days in search of a job but could not succeed there. As he knew computers, he worked for a while as a computer operator in the information service center of the Union Parishad. He was living an unemployed life in a kind of depression. One of his neighbors elder brother who was working in his area as an AI technician, one day suggested him to take 3 months training in cattle rearing from youth development, as per his suggestion he took the training. Then, under the supervision of Upazila Livestock Officer Dr. Haroon Ur Rashid, he began to gain basic knowledge about veterinary services from the field level at the DLS. Later, he started to consolidate his experience by providing livestock management services to some farmers in his neighboring areas. In this way, the people of the area built a trust in his livestock service and gradually his clients started to increase. And after a few days he himself started an animal private chamber called Shaheen Veterinary Medical Hall in Paikpara Bazar, Sirajganj. Later, BRAC has been providing Artificial Insemination services to cattle and black bengal goats in the area after receiving the training from Patuakhali Science and Technology University as an Artificial Insemination service provider. After that he started earning 10/15 thousand a month by providing cattle primary treatment and Artificial Insemination services.
At the beginning of 2022, under the “Rural Micro Enterprise Transformation Project” with the financial support of IFAD and PKSF, the sub-project “Safe meat and dairy products market development” National Development Program-NDP has been implementing the sub project in 24 Unions of 06 Upazilas in Sirajganj Pabna Districts with 24000 farmers and 1000 entrepreneurs. Under this project, Md. Shahin Hossain joined as an LSP and later received 9-day training in 3 phases on livestock technology and business management training from the project. After that the project partner through Empower Social Enterprise Private Sector received training on Khamar Budhu, S Manager, Tali Khata, Farm Management through Sudakkho Apps, Ration Calculator, Vaccination/Deworming, Income Expenditure Calculation, Cow Weight etc.
At present, LSP Shahin providing service about 2000 cattle farmers in 5 unions of Sirajganj Sadar and Belkuchi provide advice on urgent issues related to artificial insemination medical services, deworming, vaccination, goat vaccination, management of farms and providing medical services. About 250 farmers are being provided regular services through Android phones through Khamar Bandhu Apps. Now he is welcomed by the farmers of the area as a farm friend. Now he has been providing advice and services to farmers regularly through online platforms such as Facebook, Twitter, Messenger, etc., on various diseases related to animal treatment and various viruses and bacteria through various social networks. He said, "NDP RMTP project has been playing an important role in my business expansion, development of technical skills and communication with various stakeholders and as LSP of the project, direct involvement of farmers in cattle rearing training, vaccine, deworming campaign activities, on the one hand, as a link with my client. , on the other hand the income of my profession is increasing day by day, in view of which my income has been reduced to around 25/30 thousand taka compared to before.
Currently, He have a cow farm with about 4 cows and 4 calves. To provide ICT services to the farmers, he purchased a smart phone forTk- 2500, besides, his pharmacy has high-quality medicines for farmers worth about Tk-200000 and he purchased a motorcycle to provide services quickly.
In future, he plans to set up a private diagnostic lab to provide better animal services and to process and develop packet meat and milk to ensure safe milk and meat to consumers.

মডেল খামারি - সোহাগী খাতুন।সোহাগী খাতুন(৩৭) সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিলন্দা গ্রামে তার বাড়ি স্বামী...
10/11/2025

মডেল খামারি - সোহাগী খাতুন।
সোহাগী খাতুন(৩৭) সিরাজগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিলন্দা গ্রামে তার বাড়ি স্বামী- আমির হোসেন(৪৩)একজন ক্ষুদ্রব্যবসায়ী। স্বামী, ছেলে-মেয়ে এবং শ্বাশুড়ীসহ ৬ সদস্যের পরিবার। সম্পদ বলতে নিজের ৫০ শতাংশ আবাদি জমি আর নিজে বাড়িতে ২ টা ষাড় বাছুর পালন করত, বছর শেষে যা বিক্রি করত তাতে খুব একটা লাভের মুখ সে দেখতে পেত না। কারন সারা বছর প্রাণীর খাদ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ করে ডাক্তার আর প্রাণী খাদ্যের দোকানের পাওয়ানা পরিশোধ করার পর হাতে তেমন কিছু থাকত না। কৃষি আবাদ আর ব্যবসা থেকে যে আয় আসে তাতে সংসারের খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ত। ফলে শ্বাশুড়ির চিকিৎসার খরচ মেটানো আর সন্তানদের ভোরণপোষন করা দুস্কর হয়ে পড়ে।
২০২২ সালে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল-ইফাদ ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন-পিকেএসএফ এর সহযোগিতায় রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট-আরএমটিপি এর আওতায় “নিরাপাদ মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার উন্নয়ন” উপ-প্রকল্প ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-এনডিপি এর কার্যক্রম শুরু করে। উপ-প্রকল্প কার্যক্রমে সোহাগী খাতুন খামারি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে, প্রকল্পের মাধ্যমে গবাদি প্রাণীপালন, উন্নত কৃষি চর্চা অনশীলন, লাইভস্টক প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহন করে নিজেকে একজন দক্ষ খামারি হিসেবে গড়ে তোলেন। শুধু তাই নয় সে ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষন নিয়ে তার স্বামীর ঘাসের ব্যবসা পরিচালনায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। এনডিপি ক্ষুদ্র ‍ঋন কর্মসূচি থেকে ২০ হাজার টাকা ঋন গ্রহন করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার খামার সম্প্রসারন করেন এবং গরু মোটাতাজা করনের পাশাপাশি সে খামারে বকনা বাছুর সংযোজন করেন। পরবর্তী বছরেই বকনা গরুটি গাভীতে পরিনত হয় এবং একটা বকনা বাছুরের জন্ম দেয়। তখন থেকেই সকাল এবং বিকাল দিয়ে ১০ লিটার দুধ দহন করে। বর্তমানে সোহাগী খাতুনের খামারে এখন দুইটা গাভী, দুইটা বকনা এবং দুইটা ষাড় গরু রয়েছে এবং প্রতিদিন ২০ লিটার করে দুধ দোহন করছে। গত ২ বছরে সে ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকার ষাড় গরু বিক্রি করেছে। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সে তার খামার এবং স্বামীর ব্যবসার উন্নয়ন করেছে। স্বামী আমির হোসেন ৭০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে ঘাসের চাষ করেছে এবং এর বাইরেও সে অন্যান্য ঘাস চাষীদের নিকট থেকে সে ঘাস সংগ্রহ করে। তার প্রায় ৫০ জন চুক্তিভিত্তিক খামারি রয়েছে যারা নিয়মিত তার নিকট থেকে ক্রয় করে থাকে। এবং খামারিদের ঘাস পরিবহনের জন্য প্রকল্প হতে তাকে একটি ভ্যান গাড়ী ক্রয়ে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এখন তার ব্যবসা আরো সম্প্রসারিত হয়েছে, ৩ বছরে এসে তার ঘাস বিক্রয় বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন হয়েছে। গরু বিক্রির আয় দিয়ে খামারে একদিকে যেমন খামার সম্প্রসারন করছে অন্যদিকে স্বামীর ব্যবসাতেও বিনিয়োগ করে বাড়তি ঘাসের জমি লিজ রেখে খামারিদের চাহিদা অনুযায়ী ঘাস সরবরাহ করছে। সোহাগী তার গাভীর উৎপাদিত ২০ লিটার দুধ তার এলাকায় আরএমটিপি প্রকল্পের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রে নিয়মিত ন্যায্য মুল্যে বিক্রয় করছেন। সোহাগী বলেন “ এহুন আর পুরুষ মানষির সময় লষ্ট করে দুধ নিয়ে বাজারে বসে থাহা লাগে না, এহুন নিজিই কালেকশন সেন্টারে যায়া দুধ দিয়ে আসি”। প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত প্রযুক্তি জ্ঞান সে তার খামারে পরিচিত করছে, নিজ উদ্যোগ থেকে খামারে ঘাস কাটার মেশিন ক্রয় করছে, খাবার খরচ কমাতে নিজেই সাইলেজ তৈরী করে প্রাণীকে খাওয়াচ্ছেন, নিয়মিত কৃমিনাশক ও ভ্যাকসিন প্রদান করছেন। পার্শ্ববর্তী খামারিরা তার অভূতপূর্ন পরিবর্তন দেখে তার খামারে চর্চাকৃত প্রযুক্তিগুলো অনুকরণ করছে।
সোহাগীর স্বপ্ন, ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা এবং তার খামারকে এলাকার একটা মডেল খামার হিসেবে রুপান্তর করবে যেখানে প্রতিদিন ৫০০ লিটার দুধ উৎপাদন করবে ও এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

কাউ কমফোর্ট প্রদর্শনী, চরকালিগঞ্জ, পঞ্চক্রোসি, উল্লাপাড়া,  সিরাজগঞ্জ।
27/10/2025

কাউ কমফোর্ট প্রদর্শনী,
চরকালিগঞ্জ, পঞ্চক্রোসি, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ।

Conducting End line HHs Survey,  Olipur, Ullapara, Sirajganj.
27/10/2025

Conducting End line HHs Survey,
Olipur, Ullapara, Sirajganj.

সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার চরকালিগঞ্জ গ্রামের এনডিপি - আরএমটিপি  প্রকল্পের একজন ছাগল পালনকারী খামারি, নাসিমা খাতু...
27/10/2025

সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার চরকালিগঞ্জ গ্রামের এনডিপি - আরএমটিপি প্রকল্পের একজন ছাগল পালনকারী খামারি, নাসিমা খাতুন একটা ছাগল থেকে গত ৩ বছরে ২,৯০,০০০/= (দুই লক্ষ নব্বই হাজার) বিক্রি করার পরেও বর্তমানে তার ছোট বড় মিলিয়ে ছাগলের সংখ্যা ১৯ টি।

Dr. M. A. Rafiq Sarkar- Managing Director,  Matrix Business Development Ltd and survey team leader Khandaker A Qayum met...
25/10/2025

Dr. M. A. Rafiq Sarkar- Managing Director, Matrix Business Development Ltd and survey team leader Khandaker A Qayum met with entrepreneur Abul Kalam Azad, owner of Meat procceing plant, Mama Vhagney Agro as well as he conducted KII with him.- Shialkol, Sirajganj.

ব্যাংকার থেকে উদ্যোক্তাঃব্যাংকার রাশাদ খান ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল উদ্যোক্তা হওয়ার কিন্তু পরিবারের মোটামুটি সকল সদস্যই...
08/10/2025

ব্যাংকার থেকে উদ্যোক্তাঃ
ব্যাংকার রাশাদ খান ছোট বেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল উদ্যোক্তা হওয়ার কিন্তু পরিবারের মোটামুটি সকল সদস্যই চাকুরী হওয়ায় প্রথম দিকে শুরু করতে পারে নাই। দেশের খ্যাতনামা বিশ^বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেষ করে ২০১৭ সালে একটা প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে অফিসার পদে চাকরি নেন। এই দুর্মূল্যের বাজারে ব্যাংকে ভালো পজিশনে চাকুরী মানে সোনার হরিণ কিন্তু তার স্বপ্ন তাকে পিছু ডাকা শুরু করে। একটা নিদিষ্ট গন্ডির মধ্যে চাকরীর একঘুয়োমি জীবন তার ভালো লাগে না। সিদ্ধান্ত নিলেন চাকরী ছেড়ে দেবার, ঠিক তাই ২০২৩ সালে চাকরী থেকে অব্যাহতি নিয়ে নিজ শহর সিরাজগঞ্জে চলে আসেন। তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বোনের সাথে পরামর্শ করে নিজেরা একটা গরুর খামার করার উদ্যোগ গ্রহন করেন। নিজের চাকরী হতে জমানো প্রায় ২৫ লাখ টাকা এবং বোনের ২৫ লাখ টাকা মোট ৫০ লক্ষ টাকার তহবিল গঠন করে। শহর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দুরে শিয়ালকোল ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে তাদের পূর্বের ক্রয়কৃত জমির উপর খামারের অবকাঠামো নির্মানের কাজ শুরু করেন। জমির চার পাশ ইটের প্রাচীর দিয়ে ঘিরে পরিকল্পিত উপায়ে প্রায় ৮০ টা প্রাণীর ধারনক্ষমতা সম্পন্ন শেড তৈরী করেন। তাদের খামার “বারাকাহ ক্যাটল এন্ড এগ্রো” নাম দিয়ে প্রথম পর্যায়ে গরু মোটাতাজাকরণ করার উদ্দেশ্যে তারা ১০ টা ষাড় বাছুর ১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করে ৬ মাস পালন করে এবং কোরবানি ঈদের আগে তা ২৩ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে। কিন্তুু শুরুটা ছিল প্রতিকূল অবস্থা, এলাকায় এবং প্রাণীর হাটে ব্যাপারীদের দৌরাত্বের ফলে গরু বিক্রিতে হিমশিম খেতে হয়েছিল। অন্যদিকে কাঁচা ঘাসের স্বল্পতা ও দানাদার খাবারের দাম বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচের হিসাবে বিক্রিতে খুব একটা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছিল না।
এরপর ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ৮ টা মহিষ, ৫ টা বকনা বাছুর এবং ১৫ টা ষাড় বাছুর ক্রয় করেন। এর মধ্যে এনডিপি আরএমটিপি প্রকল্পের মাধ্যমে বেঙ্গল মিট এবং বারাকাহ ক্যাটল এন্ড এগ্রো এর সাথে প্রাণী ক্রয় বিক্রয়ের একটা সমঝোতা চুক্তি করা হয়। পরবর্তীতে ৮ টি ষাড় গরু বেঙ্গল মিটে ৩০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে বেশ মোটা অংকের লাভ করতে সক্ষম হয়েছে।
পরবর্তীতে নিজের ৫ বিঘা জমিতে জারা হাইব্রীড জাতের ঘাসের আবাদ শুরু করে এবং আরএমটিপি প্রকল্পের কারিগরি সহায়তায় ঠাকুরগাঁও জেলার সাইলেজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শুদ্ধ এগ্রো-তে অভিজ্ঞতা বিনিময় সফরের আয়োজন করা হয়। সেখান থেকে লানিং নিয়ে রাশাদ নিজে সাইলেজ উৎপাদন শুরু করে এবং তার খামারের প্রাণীর খাদ্য খরচ কমানোর ক্ষেত্রে সাইলেজ তৈরী বড় ভূমিকা রেখেছে। খাদ্যেও বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ কওে নিজেই মিক্স খাবার প্রস্তুত করছেন। বর্তমানে তার খামারের প্রাণীর খাবার খরচ প্রায় ৩০ শতাংশ কমে এসেছে। খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মান করেছেন এছাড়া খামারের গোবর থেকে ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদন শুরু করেছেন যা নিজের জমিতে ব্যবহার সহ পাশর্^বর্তী অন্যান্য খামারিদের নিকট বিক্রি করছেন। খামার ব্যবস্থাপনা বা প্রাণীর চিকিৎসা, ভ্যাকসিন এবং কৃমিনাশক প্রদানে তিনি মোবাইলে খামারবন্ধু এ্যাপস ব্যবহার কওে খামার পরিচালনা করেন এছাড়া তার খামারের নিজস্ব একটা ডাটাবেজের মাধ্যমে সকল হিসাব নিকাশ পরিচালনা করছেন। অনলাইনে তিনি এ যাবৎ ১৪ টা ষাড় গরু বিক্রি করেছেন এবং বেঙ্গল মিটে গতমাসেও তিনি ৭ টা গরু বিক্রয় করেছেন। খামার যান্ত্রিকীকরণের উদ্দেশ্যে তিনি খামাওে ঘাস ও খড় কাটার মেশিন, গরুর ওজন মাপার মেশিন, সাইলেজ ভ্যাকুয়াম মেশিন, ল্যাকটোমিটার এবং সিলার মেশিন ব্যবহার করেছেন। খামারের উৎপাদিত দুধ শীতলিকরণ করে ঢাকার মার্কেটে বিক্রয় করছেন। তার খামারে ৪ জন শ্রমিক কাজ করছেন। রাশাদ খান বলেন “এখানেও আমার একটা বড় আত্বতৃপ্তির জায়গা যে এখানে ৪ জন ব্যক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হয়েছে। যে পরিমান বিনিয়োগ করা হয়েছে তার লাভক্ষতি হিসাব করার সময় এখনও আসে নাই আমি আশাবাদি দু-এক বছরের মধ্যেই আমার উদ্যোগ থেকে একটা ভালো প্রফিট আসা শুরু করবে।” খামারের একপ্রান্তে ছাগল ভেড়া পালনের জন্য একটা শেড রয়েছে যেখানে ১৩ টা উন্নত জাতের ভেড়া রয়েছে। উপজেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা মাঝে মধ্যেই থেকে তার খামার পরিদর্শনে এসে পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

Address

Sirajganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RMTP Project, NDP posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to RMTP Project, NDP:

Share

Category