29/09/2026
কিছুদিন আগে, এক ক্যাম্পাসের এক বোনকে ভাইভা বোর্ডে নিকাব খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল। কিন্তু বোনটি নিকাব খুলতে অস্বীকৃতি জানালে, স্যারেরা তাকে ভাইভায় জিরো মার্কস দেওয়ার হুমকি দেয়।
মুহূর্তের মধ্যেই, ঘটনা টা পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে যায়। আমাদের ক্যাম্পাসে মুসলিম শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৫-৭ হাজার। কিন্তু সেই ঘটনায় আমরা মাত্র ৭-৮ জন স্বশরীরে প্রতিবাদ করেছিলাম। সেদিন সেক্যুলার, হিন্দু কিংবা হিউম্যান রাইটের কোনো কর্মীকে সামান্য মৌখিক প্রতিবাদ টুকুও করতে দেখিনি। বরং, অনেকেই সেই পর্দানশীন বোনকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল!
ঘটনা-২: গতকাল সকালে, এক ছেলে জা*ঙ্গিয়া স্বরুপ ড্রেস পড়ে মেট্রোরেলে উঠতে গেলে, পুলিশ কর্তৃক তাকে বাধা প্রদান করা হয়। এবং ড্রেসকোডের ব্যপারে সতর্ক করা হয়। কারণ, সেখানকার মহিলা যাত্রীদের জন্য বিষয়টা অস্বস্তিকর হতে পারে। (এখানে পুলিশের কনসার্ন টা একদমই যৌক্তিক ছিল।)
কিন্তু উক্ত ঘটনায়, সতর্ককারী সেই নিরপরাধ পুলিশকে 'প্রত্যাহার' করা হয়েছে। এবং সেই জা*ঙ্গিয়ার পক্ষে ডিফেন্স করতে, আগামীকাল সারাদেশে প্রায় ১৬০০ ছেলে-মেয়ে জা*ঙ্গিয়া পড়ে প্রতিবাদ জানানোর আল্টিমেটাম দিয়েছে।
এবার একটু সময় নিয়ে, ঘটনা দুইটা ভিজুয়ালাইজ করুন। এবং আপনার দেশের ৯০% মুসলিমের হিসাব টা মেলানোর চেষ্টা করুন!!