23/01/2026
সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামীনের। আলহামদুলিল্লাহ,আরো ২ টা দিন আমরা বন্ধুবর এনায়েত করিমের জন্য গর্বের সহিত অতিক্রম করলাম। আমরা ছিলাম আমি, বন্ধু রিফাত, বন্ধু/বড় ভাই মোস্তফা ( আর.এম,বাংলালিংক)। আমাদের শিক্ষক তোফায়েল স্যার এবং আমার এক চাচা।
হে আল্লাহ,আজকে বিশেষ কারণে আমি সরণ করতেছি আমার মরহুম আব্বা আখতারুজ্জামান কে । যার জীবনযাপন ছিলো খুবই স্বাভাবিক। কিন্তুু উনার কর্মের গুনে সম্পর্ক ছিলো রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তি ও আলেম উলামাদের সঙ্গে। আইনজীবী হিসাবে উনি সেই এরশাদ সাহেবের সময় থেকে সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রাহমান মহোদয়, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত মহোদয় সাহেবের সময় প্রায় পুরোটা সময় জুড়ে উনই সরকারি প্রসিকিউটর হিসাবে যুক্ত ছিলেন। তা সম্ভব হয়েছে উনার সততা,কর্মঠ এবং ন্যায় নীতির জন্য। তাছাড়া উনি শিবগঞ্জ আকবরি জামে মসজিদের ২৩ বছরের মোতোয়াল্লী ছিলেন এবং আব্দুল্লাহ হরিপুরি সাহেব এবং গাছবাড়ি হুজুর সহ অনেক আলেম উলামাদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিলো। সাবেক অর্থমন্ত্রী সাইফুর রহমান মহোদয় গরুর খামারিদের ভালোবাসতেন। আমার আব্বার বেশ বড় খামার ছিলো আমার নামে রাজিব ডেইরি ফার্ম। উনি সিলেট জেলা খামারিদের সভাপতিও ছিলেন। সেই সুবাদে গরুর প্রতি আমার ক্রেইজ থাকায় আমার ও ছোট একটি খামার আছে নাম হচ্ছে আকসা ও আজওয়াদ ডেইরি এন্ড ফেটেনিং খামার। এই সব কিছুই আমার আব্বা সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে পারতেন। আমার আব্বাকে আল্লাহ তায়ালা যেনো বেহেস্ত নসিব করেন - আমিন।
অনেক কিছুই হয়তো বলে ফেললাম এতো কিছু বলার কারন হচ্ছে বৃহস্পতিবার সকালে যখন আমাদের বন্ধু এনায়েত তারেক সাহেবের স্পেশাল সিকিউরিটি বাসসহ ৬টি গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলো তখন আমি ও রিফাতকে বাস থেকে ভিডিও কল দিয়েছিলো। আমি অফিসে ছিলাম কিন্তু তখন থেকেই আমার মাঝে উত্তেজনা কাজ করছিলো কখন দেখা হবে। সন্ধ্যার পর যখন গ্র্যান্ড সিলেট এ হাইসিকিউরিটি গেইট থেকে আমাদের রিসিভ করে ভিতরে ঢুকালো তখন থেকেই দেখলাম দেশি - বিদেশি লিডারদের সঙ্গে এনায়েতর কতটুকো জনপ্রিয়তা। যখন শিলামে জুবায়দা রহমানের বাড়িতে গেলাম তখনও আমরা ওইখানে দায়িত্বশীলতায় ১৫ বছরের পুরাতন এনায়েতকে খুজে পেলাম। সবাই যখন লিডারকে নিয়ে সেল্ফি ও ফটোসেশনে ব্যস্ত তখন এনায়েত ছিলো সম্পুর্ণ ব্যতিক্রমী দায়িত্বে। সে নিজ হাতে খাবার পরিবেশনে ব্যস্ত ছিলো ড্রাইভার, সাংবাদিক, পুলিশসহ,সকল ধরনের সিকিউরিটিদের মধ্যে।
এখানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুব্বাওয়ালা এনায়েতকে খুঁজে পেলাম। যে নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ছুটো ক্যাফেটেরিয়ায় বিক্রির জন্য বাসা থেকে খিচুড়ি বানিয়ে নিয়ে আসত তখনও তার কোনো কাজে লজ্জা বা কার্পণ্য ছিলো না। এতো কিছুর মধ্যে ওর মাথায় ছিলো আমাদের উপস্তিতি কিভাবে জনাব তারেক রমানের সঙ্গে আমাদের সাক্ষাৎ করিয়ে দিবে।
সব শেষে জনাব তারেক রহমানের যাওয়ার সময় স্যার সহ আমাদেরকে হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দিলো। আমার মতো হয়তো হাজারো লোক খুঁজে পাওয়া যাবে কিন্তু হাজারো এনায়েতকে খুজে পাওয়া দুশকর । এ ধরনের লোক ক্ষণজন্মা ।
তাই দেশ গড়ার জন্য এইধরনের ক্ষণজন্মা লোক খুবই জরুরি। এদেরকে যথাযথ সম্মান না করলে এরা দেশে টিকে থাকা অসম্ভব।