New twist- নিউ টুইস্ট

New twist- নিউ টুইস্ট হবু মা,নতুন এবং পুরাতন মা/বাবাদের স্বাগতম �
(1)

কি বলেন বন্ধুরা?!ঠিক বললাম তো!?🤔🤔
11/09/2026

কি বলেন বন্ধুরা?!
ঠিক বললাম তো!?🤔🤔

জুম্মা মোবারক
11/09/2026

জুম্মা মোবারক

শুভ সকাল
11/09/2026

শুভ সকাল

10/09/2026

আলুর চিপস

এমন অভিনয় জানা মানুষ কারো জীবনে না আসুক....
10/09/2026

এমন অভিনয় জানা মানুষ কারো জীবনে না আসুক....

09/09/2026

ফেইসবুকে দেখি সবাই চাচা,চাচি,মামা,মামি,খালা,খালু,জেঠা,জেঠি,কাকা,কাকি,জসিম,শাবানা হওয়া শুরু করে দিয়েছে 🙄🤧

শুভ বিকাল
09/09/2026

শুভ বিকাল

আমরা বাবা মায়েরা রাগের মাথায় এই ভুল টা সবসময়ই করি।যদিও পরে আফসোস হয়। কিন্তু আজকে থেকে সবার নিজের সাথে নিজের প্রতিজ্ঞা ক...
08/09/2026

আমরা বাবা মায়েরা রাগের মাথায় এই ভুল টা সবসময়ই করি।যদিও পরে আফসোস হয়। কিন্তু আজকে থেকে সবার নিজের সাথে নিজের প্রতিজ্ঞা করা উচিত যেন আর কোনদিন এমন না হয় নিজের সন্তানের সাথে। ❤️❤️

কি বলেন সবাই?! 🤔🤔

হায়া শেখানোর শুরুটা কিশোর বয়সের জন্য ফেলে রাখা উচিত নয়। কারণ তখন তার ভেতরে অনেক অভ্যাস, ধারণা আর সীমাবোধ ইতিমধ্যেই তৈরি ...
08/09/2026

হায়া শেখানোর শুরুটা কিশোর বয়সের জন্য ফেলে রাখা উচিত নয়। কারণ তখন তার ভেতরে অনেক অভ্যাস, ধারণা আর সীমাবোধ ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে।

ছোটবেলায় সন্তান ঘরে যেভাবে ইচ্ছা দৌড়াচ্ছে, কারও রুমে ঢোকার আগে অনুমতি চাইছে না, পোশাক বা privacy নিয়ে কোনো ধারণা নেই, সালাতের সময় হলে আমরা বলছি, “ও তো এখনো ছোট।” সাত আট বছরেও দ্বীনের অভ্যাসগুলো নিয়মিত করার চেষ্টা করছি না। তারপর হঠাৎ সে যখন কিশোর হয়, ফোন হাতে আসে, বাইরে যাওয়া বাড়ে, নিজের পছন্দ তৈরি হয়, তখন একসঙ্গে বলতে শুরু করি, “এভাবে পোশাক পরবে না, ওর সঙ্গে এভাবে মিশবে না, এটা দেখবে না, সময়মতো সালাত পড়বে, নিজের সীমা বুঝবে।”

সন্তান তখন হয়তো মনে মনে ভাবে, “এতদিন তো কেউ বলেনি। এখন হঠাৎ এত নিয়ম কেন?”

এখানেই আমাদের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বুঝতে হবে। হায়া কোনো বয়সে গিয়ে হঠাৎ চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় নয়। হায়া ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। নিজের শরীরের সম্মান, অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরের সম্মান, কথাবার্তার শালীনতা, চোখের সংযম, পোশাকের সীমা, আল্লাহ আমাকে দেখছেন এই অনুভূতি, এগুলো ছোট ছোট অভ্যাসের মধ্য দিয়েই শিশুর ভেতরে জায়গা করে নেয়।

আর হায়া শুধু মেয়েদের বিষয় নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “হায়া ঈমানের একটি শাখা।” সহিহ আল বুখারি, ৯; সহিহ মুসলিম, ৩৫। অর্থাৎ ছেলে হোক বা মেয়ে, হায়া তার ঈমানি চরিত্রের অংশ।

তবে এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা আছে। হায়া শেখানো মানে শিশুকে নিজের শরীর নিয়ে লজ্জিত করে তোলা নয়। তার শরীর আল্লাহর দেওয়া আমানত, তাই এর সম্মান আছে, ব্যক্তিগত সীমা আছে, কিছু অংশ অন্যের সামনে প্রকাশ করা যায় না, অন্যের শরীরেরও সম্মান আছে। সন্তান যেন কোনো অনুচিত আচরণ, অস্বস্তিকর স্পর্শ বা তার privacy ভাঙার ঘটনা ঘটলে ভয় বা লজ্জায় চুপ না থাকে। সে যেন জানে, মা বাবাকে বলা যাবে। হায়া তাকে চুপ করিয়ে দেওয়ার শিক্ষা নয়, বরং সম্মানজনক সীমারেখা চিনতে শেখানোর শিক্ষা।

একটি তিন চার বছরের শিশুকে হয়তো “পর্দার ফিকহ” বোঝানো যাবে না। কিন্তু তাকে বলা যায়, কাপড় পরিবর্তনের সময় privacy রাখা ভালো, কারও দরজা বন্ধ থাকলে অনুমতি নিয়ে ঢুকতে হয়, অন্যের শরীর নিয়ে হাসাহাসি করা ঠিক নয়। সুন্দর ভাষা শেখানো যায়, সালাম শেখানো যায়, “মাফ করবেন”, “দয়া করে”, “জাযাকাল্লাহু খাইরান” শেখানো যায়। আর সবচেয়ে বড় শিক্ষা সে পায় আমাদের দেখে। বাবা মায়ের পোশাক, কথা, রাগের সময় আচরণ, পরস্পরের privacy রক্ষা, এগুলোই তার প্রথম পাঠ্যবই।

রাসূলুল্লাহ ﷺ আওরাহ সংরক্ষণের ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। একজন সাহাবি জিজ্ঞেস করলে তিনি নিজের আওরাহ সংরক্ষণ করতে এবং যথাসম্ভব অন্যের দৃষ্টি থেকে তা আড়াল রাখতে বলেছেন। জামে আত তিরমিযি, ২৭৯৪।

এরপর এমন একটা বয়স আসে, যখন শুধু “ভালো ছেলে হও” বা “ভালো মেয়ে হও” বললেই হয় না। অভ্যাস তৈরি করতে হয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ সাত বছর বয়সে সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিতে বলেছেন। দশ বছর বয়সে সালাতের ব্যাপারে আরও দৃঢ়ভাবে শাসনের কথা বলেছেন এবং একই হাদিসে সন্তানদের শোয়ার জায়গা পৃথক করার নির্দেশও এসেছে। সুনান আবি দাউদ, ৪৯৫।

খেয়াল করুন, বালেগ হওয়ার পর প্রথমবার সালাত শেখাতে বলা হয়নি। দায়িত্ব আসার আগেই তাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। যেন সালাত হঠাৎ তার জীবনে চাপিয়ে দেওয়া কোনো নতুন নিয়ম না হয়, বরং ছোটবেলা থেকেই পরিচিত একটি ইবাদত হয়।

তাই সাত বছর বয়সে সালাত মানে শুধু, “নামাজ পড়েছ?” এই প্রশ্ন নয়। ওযু করতে শেখানো, পাশে দাঁড় করানো, ভুল করলে ধৈর্য ধরে ঠিক করা, সময়ের মূল্য শেখানো, সালাতকে punishment না বানিয়ে ঘরের স্বাভাবিক জীবনের অংশ করা। শিশুটি যেন বুঝতে পারে, সালাত এমন কিছু নয় যা মা বাবা রাগ করলে মনে করিয়ে দেন। সালাত আমাদের দিনের অংশ।

তবে প্রতিটি শিশুর বোঝার ক্ষমতা এক নয়। তিন বছর, সাত বছর, দশ বছর মানেই সব বিষয়ে সবার জন্য একরকম fixed syllabus নয়। শিশুর maturity, বোঝার ক্ষমতা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তারবিয়াহ ধীরে ধীরে হবে। তবে সালাতের ক্ষেত্রে সাত ও দশ বছরের নববী নির্দেশ এবং বালেগ হওয়ার পর শরয়ি দায়িত্বের বিষয়টি আলাদা গুরুত্ব রাখে।

বয়স একটু বাড়লে privacy নিয়ে সচেতনতা আরও পরিষ্কার হওয়া দরকার। আশ্চর্যের বিষয় হলো, কুরআন শিশুদের ঘরের privacy নিয়েও শিক্ষা দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা এখনো বালেগ হয়নি তারা তিনটি বিশেষ সময়ে ঘরে প্রবেশের আগে অনুমতি চাইবে: ফজরের আগে, দুপুরের বিশ্রামের সময় এবং ইশার পর। আর বালেগ হয়ে গেলে অন্য প্রাপ্তবয়স্কদের মতো অনুমতি চাইবে। সূরা আন নূর, ২৪:৫৮ থেকে ৫৯।

ভাবুন, ইসলাম একটি শিশুকেও শেখাচ্ছে, দরজা বন্ধ মানে একটি সীমা আছে। অন্যের ব্যক্তিগত সময়ের সম্মান আছে।

এই বয়সে সন্তানকে ধীরে ধীরে রোজার সঙ্গেও পরিচিত করা যায়, তার সামর্থ্য অনুযায়ী। সাহাবিয়ারা তাঁদের শিশুদের আশুরার রোজায় অভ্যস্ত করতেন এবং কষ্ট হলে খেলনা দিয়ে তাদের মন অন্যদিকে রাখতেন। সহিহ আল বুখারি, ১৯৬০। এখান থেকেও আমরা বুঝতে পারি, দ্বীনের অভ্যাস শিশুর ওপর একদিনে চাপিয়ে দেওয়া নয়, বরং ধীরে ধীরে তাকে প্রস্তুত করাও তারবিয়াহর অংশ।

তারপর আসে কিশোর বয়স।

এই সময় শুধু পোশাক বদলায় না। শরীর বদলায়, অনুভূতি বদলায়, বন্ধুত্বের জগত বদলায়, বিপরীত লিঙ্গ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হয়, নিজের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন আসে। আর এখন তার হাতে এমন একটি ফোন থাকে, যার দরজা দিয়ে কয়েক সেকেন্ডেই এমন অনেক কিছু তার সামনে চলে আসে, যা আগে সহজে সামনে আসত না।

এই বয়সে যদি আমরা শুধু বলি, “এটা হারাম, ওটা করো না”, কিন্তু কখনো বুঝিয়ে না বলি কেন, তাহলে সন্তান হয়তো নিয়ম জানবে, কিন্তু সেই সীমার মূল্য বুঝবে না।

তাকে বুঝতে হবে, আল্লাহ পুরুষদেরও দৃষ্টি সংযত করতে বলেছেন এবং নারীদেরও দৃষ্টি সংযত ও পবিত্রতা রক্ষা করতে বলেছেন। সূরা আন নূর, ২৪:৩০ থেকে ৩১। অর্থাৎ হায়ার দায়িত্ব একপাক্ষিক নয়।

তাই ছেলেকে শুধু বলবেন না, “মেয়েদের থেকে দূরে থাকবে।” তাকে শেখান নারীদের সম্মান করতে, দৃষ্টি সংযত রাখতে, কথাবার্তার সীমা বুঝতে। মেয়েকে শুধু বলবেন না, “হিজাব করো।” তাকে বুঝতে সাহায্য করুন, তার মর্যাদা মানুষের attention এর ওপর নির্ভরশীল নয়। দুজনকেই শেখান, inbox, private chat, ছবি, video, follow list, late night scrolling, এগুলোও চরিত্রের বাইরের কোনো জগত নয়। স্ক্রিনের ওপাশেও আল্লাহর সীমা আছে।

কিন্তু এখানে বাবা মায়ের জন্যও একটা কঠিন প্রশ্ন আছে।

আমরা কি সন্তানের কাছ থেকে এমন হায়া চাইছি, যা সে আমাদের মধ্যে দেখে না? আমরা কি তাকে ফোন কমাতে বলি, অথচ সারাক্ষণ নিজেরাই ফোনে থাকি? তাকে শালীন ভাষা শেখাই, কিন্তু রাগলে ঘরে কটু কথা বলি? তাকে সালাতের কথা বলি, কিন্তু সে কখনো আমাদের সময়মতো সালাতের জন্য কাজ থামাতে দেখে না? তাকে privacy শেখাই, অথচ তার ব্যক্তিগত কথাও অন্যদের সামনে বলে দিই?

সন্তান শুধু আমাদের instruction শোনে না। সে আমাদের জীবন observe করে।

তাই হায়ার তারবিয়াহর সবচেয়ে শক্তিশালী পথগুলোর একটি হলো, ঘরে এমন পরিবেশ তৈরি করা যেখানে দ্বীন অস্বাভাবিক কিছু নয়। সালাত স্বাভাবিক। অনুমতি নিয়ে ঘরে ঢোকা স্বাভাবিক। শালীন পোশাক স্বাভাবিক। চোখ ফিরিয়ে নেওয়া স্বাভাবিক। ভুল করলে “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলা স্বাভাবিক। ভালো কিছু ছোট হলেও নিয়মিত করা স্বাভাবিক। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল হলো যা নিয়মিত করা হয়, যদিও তা অল্প হয়। সহিহ আল বুখারি, ৬৪৬৫; সহিহ মুসলিম, ৭৮৩।

তাই সন্তান ছোট হলে তার বয়স অনুযায়ী শেখান। সাত বছর হলে সালাতের অভ্যাসকে গুরুত্ব দিন। বয়স বাড়লে privacy, পোশাক, দৃষ্টি, বন্ধুত্ব, online আচরণ এবং শরয়ি সীমারেখা আরও পরিষ্কার করে দিন। আর কিশোর হলে শুধু আদেশ দেবেন না, তার সঙ্গে কথা বলুন। প্রশ্ন করতে দিন। ভুল করলে এমন পরিবেশ রাখুন যেন সে লুকানোর বদলে আপনার কাছে ফিরতে পারে।

কারণ আমাদের লক্ষ্য শুধু এমন সন্তান নয়, যে মা বাবা সামনে থাকলে “ভালো” থাকে।

আমাদের লক্ষ্য এমন সন্তান, যে একদিন একা থাকবে, সামনে temptation থাকবে, কেউ দেখবে না, ফোন হাতে থাকবে, তবুও তার ভেতর থেকে একটা অনুভূতি তাকে থামাবে:

“আমার মা বাবা এখানে নেই। কিন্তু আল্লাহ আছেন।”

সেদিন বুঝবেন, আপনি শুধু কিছু নিয়ম শেখাননি।

আপনি তার ভেতরে হায়ার একটি বীজ বপন করেছিলেন। আর আল্লাহর তাওফিকে সেটি ধীরে ধীরে চরিত্র হয়ে বড় হয়েছে।

আল্লাহ আমাদের সন্তানদের ঈমান, হায়া, সালাত, উত্তম চরিত্র ও সুস্থ সীমারেখার ওপর বড় করার তাওফিক দিন। আর আমাদের নিজেদেরও এমন উদাহরণ বানান, যাদের দেখে সন্তান দ্বীনকে ভালোবাসতে শেখে। আমিন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

কপিড

08/09/2026

বন্ধুরা আমাকে পরামর্শ দিবেন প্লিজ.
তোমরা কে কীভাবে ফলোওয়ার বাড়াও?
আমার এনগেজমেন্ট আলহামদুলিল্লাহ, কিন্তু ফলোওয়ার বাড়ছে না।

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when New twist- নিউ টুইস্ট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category