GhughuPakhi

GhughuPakhi Simply stay confident �

শুধু কাগজ নয়।এটা এক ধরনের শক্তি—যা কৃতজ্ঞতা, ঈমান এবং উদ্দেশ্যের দিকে প্রবাহিত হয়, আর ভয়, অভাবের চিন্তা ও আত্মসন্দেহ ...
08/04/2026

শুধু কাগজ নয়।
এটা এক ধরনের শক্তি—যা কৃতজ্ঞতা, ঈমান এবং উদ্দেশ্যের দিকে প্রবাহিত হয়, আর ভয়, অভাবের চিন্তা ও আত্মসন্দেহ থেকে দূরে সরে যায়।
এখানে এমন ৫টি নিরীহ অভ্যাস আছে, যেগুলো নিঃশব্দে আপনার রিজিক (সম্পদ) নষ্ট করছে—এবং কীভাবে ঠিক করবেন:

১️⃣ “আমি গরিব / আমার টাকা নেই” বলা
এই কথাটা সুযোগের দরজা বন্ধ করে দেয়।
🔁 এর বদলে বলুন:
“আল্লাহই আমার রিযিকদাতা—আমার জন্য বৃদ্ধি লিখে রাখা হয়েছে।”
📖 কুরআন:
“আর যে আল্লাহর উপর ভরসা করে—তিনিই তার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক ৬৫:৩)

২️⃣ সবসময় টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা
দুশ্চিন্তা আসলে ভুল দিকে করা দোয়া—এটা আরও ভয় ডেকে আনে।
🔁 এর বদলে বলুন:
“ইয়া রায্জাক, আপনি কখনো আমাকে নিরাশ করেন না।”
📖 কুরআন:
“আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য বের হওয়ার পথ করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিযিক দেন, যা সে কল্পনাও করে না।” (সূরা আত-তালাক ৬৫:২–৩)

৩️⃣ অন্যদের সাথে নিজের জীবন তুলনা করা
তুলনা আপনার মনে ফিসফিস করে: “আল্লাহ আমাকে ভুলে গেছেন।”
—এই বিশ্বাসই বরকত দূরে সরিয়ে দেয়।
🔁 মনে রাখুন:
“যা আপনার জন্য লেখা, তা আপনার কাছেই আসবে—পুরো পৃথিবী বিরোধিতা করলেও।”
📖 কুরআন:
“তোমরা অন্যদেরকে যা দেওয়া হয়েছে, তা কামনা করো না।” (সূরা আন-নিসা ৪:৩২)

৪️⃣ অকৃতজ্ঞ ভাষা ব্যবহার করা
অভিযোগ বরকত থামিয়ে দেয়, আর শুকর (কৃতজ্ঞতা) তা বাড়িয়ে দেয়।
🔁 অভ্যাস করুন:
“আলহামদুলিল্লাহ—যা আছে তার জন্য, আর যা আসছে তার জন্যও।”
📖 কুরআন:
“তোমরা যদি কৃতজ্ঞ হও, তবে অবশ্যই আমি তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেব।” (সূরা ইবরাহিম ১৪:৭)

৫️⃣ “আমার কিছুই কাজ করে না” বলা
এটা হতাশার দোয়া—যা হৃদয়ের দরজা বন্ধ করে দেয়।
🔁 এর বদলে বলুন:
“আল্লাহর পরিকল্পনা আমার জন্য আমার নিজের চাওয়ার চেয়েও উত্তম।”
📖 কুরআন:
“তোমরা কোনো কিছু অপছন্দ করতে পারো, অথচ তা তোমাদের জন্য ভালো… আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।” (সূরা আল-বাকারা ২:২১৬)

আপনার রিজিক আটকে নেই কারণ আল্লাহ আপনাকে বঞ্চিত করছেন—
বরং মনে হয় আটকে আছে, কারণ আপনার কথা, বিশ্বাস আর মানসিকতা আপনার দোয়ার সাথে মিলছে না।

ইসলামে মদ (অ্যালকোহল) পান করা এবং বাড়িতে রাখা—উভয়ই অত্যন্ত বড় গুনাহ বা হারাম। নিচে এর ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ফলাফলগুলো তুলে...
31/03/2026

ইসলামে মদ (অ্যালকোহল) পান করা এবং বাড়িতে রাখা—উভয়ই অত্যন্ত বড় গুনাহ বা হারাম। নিচে এর ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ফলাফলগুলো তুলে ধরা হলো:

১. মদ বাড়িতে রাখা
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, মদ কেনা, বেচা বা বহন করার মতো এটি ঘরে রাখাও নিষিদ্ধ।

অভিশাপ: হাদিস অনুযায়ী, মদের সাথে জড়িত ১০টি শ্রেণির মানুষের ওপর আল্লাহর লানত বা অভিশাপ বর্ষিত হয়। এর মধ্যে যারা মদ বহন করে বা ঘরে জমা রাখে, তারাও অন্তর্ভুক্ত।
বরকত কমে যাওয়া: বলা হয় যে বাড়িতে মদ বা নাপাক বস্তু থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না এবং ঘরের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।

২. মদ পান করার পরিণতি
মদ পান করাকে ইসলামে 'উম্মুল খাবায়েস' বা সকল পাপাচারের মূল বলা হয়েছে। এর পরিণামগুলো হলো:
৪০ দিনের ইবাদত কবুল হয় না: নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মদ পান করে, তার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না।
নোট: এর অর্থ এই নয় যে নামাজ পড়তে হবে না। নামাজ ফরজ হিসেবে পড়তেই হবে, কিন্তু এই সময়টার নামাজের কোনো সওয়াব বা পুরস্কার পাওয়া যায় না।
ঈমানি অবস্থা: হাদিসে আছে, কোনো ব্যক্তি যখন মদ পান করে, তখন সে পূর্ণ মুমিন অবস্থায় থাকে না। অর্থাৎ ওই মুহূর্তে তার ভেতর থেকে ঈমানের নূর চলে যায়।
পরকালীন শাস্তি: যদি কেউ তওবা না করে মারা যায়, তবে পরকালে জান্নাতের পবিত্র পানীয় থেকে সে বঞ্চিত হবে। এছাড়া জাহান্নামিদের শরীর থেকে নিঃসৃত পুঁজ বা রক্ত (তিনাতুল খাবাল) তাদের পান করানো হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
পার্থিব দণ্ড: ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, মুসলিম রাষ্ট্রে মদ পানের শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাতের (৪০ থেকে ৮০টি) বিধান রয়েছে।

৩. শিশুদের ওপর প্রভাব
আপনার যদি সন্তান থাকে, তবে বাড়িতে মদ রাখা তাদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তারা ছোটবেলা থেকেই হারামের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

**তওবার সুযোগ
ইসলামে নিরাশ হওয়ার কোনো জায়গা নেই। যদি কেউ ভুলবশত বা শয়তানের প্ররোচনায় এই পাপ করে ফেলে, তবে সে যদি খাস তওবা (আন্তরিক অনুশোচনা) করে এবং ভবিষ্যতে আর কখনও না করার প্রতিজ্ঞা করে, তবে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তওবা করলে আগের গুনাহ মাফ হয়ে যায়।

মায়ের “না” কোনো অহংকার নয়…এটা তার সন্তানের সুরক্ষা।“ওকে মিষ্টি দিও না।”“দয়া করে ওর মুখে চুমু দিও না।”“ও ঘুমানোর সময় ...
28/03/2026

মায়ের “না” কোনো অহংকার নয়…
এটা তার সন্তানের সুরক্ষা।
“ওকে মিষ্টি দিও না।”
“দয়া করে ওর মুখে চুমু দিও না।”
“ও ঘুমানোর সময় ফোন দিও না।”
অন্যদের কাছে এগুলো ছোট বিষয় মনে হতে পারে—
কিন্তু একজন মায়ের কাছে
এগুলোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ সে জানে তার সন্তানের অভ্যাস,
তার চাহিদা,
তার সীমাবদ্ধতা…
যেভাবে আর কেউ জানে না।
তবুও কিছু মানুষ হেসে বলে—
“কিছু হবে না।”
“একটু দিলে সমস্যা নেই।”
“আমরা তো আগেও এমন করতাম।”
কিন্তু সত্যটা হলো—
আগে যা স্বাভাবিক ছিল,
সব সময় তা এখন সঠিক নাও হতে পারে।
একজন মা সীমারেখা তৈরি করেন
কাউকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়…
বরং নিজের সন্তানকে রক্ষা করার জন্য।
তার অনুভূতি বা মায়ের ইন্সটিংক্ট
কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই।
তার সিদ্ধান্তেরও বিতর্ক নয়—
প্রয়োজন শুধু একটি জিনিস:
সম্মান। 🤍✨

"তুই ছাড়া আমার আর কে আছে বাবা!"—নিজের জীবনের সব হতাশা আর প্রত্যাশার বোঝা বাচ্চার কাঁধে চাপানো কতটা টক্সিক?.....সংসারে হয়...
28/03/2026

"তুই ছাড়া আমার আর কে আছে বাবা!"—নিজের জীবনের সব হতাশা আর প্রত্যাশার বোঝা বাচ্চার কাঁধে চাপানো কতটা টক্সিক?.....

সংসারে হয়তো অশান্তি চলছে, অথবা নিজের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো নিয়ে আপনি চরম হতাশায় ভুগছেন। দিনশেষে ৬ বা ৭ বছরের ছোট্ট সন্তানকে বুকে জড়িয়ে আপনি হয়তো কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, "আমার জীবনের সব কষ্ট শুধু তোর মুখটার দিকে তাকিয়ে সহ্য করছি রে! তুই ছাড়া এ পৃথিবীতে আমার আপন বলতে আর কেউ নেই।"

শুনতে কথাটি মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের চরম আত্মত্যাগের মতো মনে হলেও, শিশু মনোবিজ্ঞান এটিকে একটি ভয়ংকর মানসিক নির্যাতন বা 'ইমোশনাল অ্যাবিউজ' হিসেবে দেখে। আপনি হয়তো ভালোবাসার জায়গা থেকেই কথাটি বলছেন, কিন্তু এই একটি বাক্যের মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানের ছোট্ট কাঁধে এমন এক বিশাল পাহাড় চাপিয়ে দিচ্ছেন, যার ভারে তার পুরো শৈশবটাই পিষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই অত্যন্ত গভীর এবং সেনসিটিভ আর্টিকেলে আমরা জানবো 'ইমোশনাল এনমেশমেন্ট' (Emotional Enmeshment) সম্পর্কে—কীভাবে বাবা-মায়েরা নিজেদের মানসিক শূন্যতা পূরণের জন্য সন্তানকে হাতিয়ার বানাচ্ছেন এবং এর ফলে বাচ্চার কী ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে।

ইমোশনাল এনমেশমেন্ট বা মানসিক নির্ভরতা কী?
সহজ কথায়, বাবা-মা যখন নিজেদের জীবনের দুঃখ, দাম্পত্য কলহ বা হতাশা সামলাতে না পেরে সন্তানকে নিজেদের 'বেস্ট ফ্রেন্ড' বা 'থেরাপিস্ট' বানিয়ে ফেলেন, তখন তাকে ইমোশনাল এনমেশমেন্ট বলে। এখানে বাবা-মা এবং সন্তানের মধ্যকার সুস্থ বাউন্ডারি বা সীমানাটি পুরোপুরি মুছে যায়। সন্তান তখন আর সন্তান থাকে না, সে হয়ে যায় বাবা-মায়ের মানসিক আশ্রয়দাতা।

এই 'ভালোবাসা' বাচ্চার মনে কী ভয়ংকর ক্ষতি করছে?
আপনার বলা ওই আবেগপূর্ণ কথাগুলো বাচ্চার মস্তিষ্কে কীভাবে কাজ করে, তা জানলে আপনি শিউরে উঠবেন:

১. শৈশব চুরি হওয়া (Loss of Childhood):
যে বয়সে বাচ্চার শুধু খেলাধুলা এবং নিজের জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সেই বয়সে সে বাবা-মায়ের ইমোশনাল গার্ডিয়ান (Guardian) বা অভিভাবক হয়ে যায়। সে সারাক্ষণ টেনশনে থাকে—"আমি যদি এখন খেলতে যাই, তাহলে মা তো একা বসে কাঁদবে!" অন্য বাচ্চাদের মতো সে স্বাধীনভাবে হাসতে বা বাঁচতে ভুলে যায়। তার নিজের শৈশবটি চিরতরে হারিয়ে যায়।

২. গিল্ট ট্রিপ বা আজীবনের অপরাধবোধ (The Guilt Trap):
বাচ্চারা খুব দ্রুত বুঝে যায় যে, বাবা-মায়ের সুখ বা বেঁচে থাকা সম্পূর্ণ তাদের ওপর নির্ভরশীল। বড় হয়ে এরা যদি পড়াশোনার জন্য বিদেশে যেতে চায় বা নিজের পছন্দে জীবনসঙ্গী বেছে নিতে চায়, তখন তাদের ভেতরে চরম অপরাধবোধ বা গিল্ট কাজ করে। তারা ভাবে, "আমি চলে গেলে মায়ের কী হবে?" নিজেদের সুখ বিসর্জন দিয়ে এরা বাবা-মায়ের কাছেই শেকলবদ্ধ হয়ে থাকে।

৩. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রভাব (Toxic Future Relationships):
যে শিশু ছোটবেলা থেকেই অন্যের মানসিক দায়িত্ব নিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, বড় হয়ে সে নিজের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও 'সেভিয়র কমপ্লেক্স' (Savior Complex)-এ ভোগে। এরা সবসময় এমন পার্টনার বা বন্ধু বেছে নেয়, যারা মানসিকভাবে দুর্বল বা টক্সিক, কারণ তারা মনে করে "অন্যকে উদ্ধার করাই আমার জীবনের একমাত্র কাজ।" নিজেদের জীবনে এরা কখনোই সুখী হতে পারে না।

কীভাবে এই টক্সিক চক্র ভাঙবেন? (প্যারেন্টিং সলিউশন)
আপনার জীবনের দুঃখ বা একাকিত্বের দায় আপনার সন্তানের নয়। তাকে সুস্থভাবে বড় করতে হলে এই মানসিক বাউন্ডারি তৈরি করা খুব জরুরি:

১. বড়দের সমস্যা বড়দের কাছে রাখুন (Adult Problems for Adults):
দাম্পত্য কলহ, আর্থিক অনটন বা শাশুড়ির সাথে ঝগড়ার কথা কখনোই সন্তানের সাথে শেয়ার করবেন না। আপনার যদি কথা বলার মানুষের প্রয়োজন হয়, তবে নিজের বন্ধু, আত্মীয় বা একজন প্রফেশনাল থেরাপিস্টের সাহায্য নিন। বাচ্চার ছোট্ট মস্তিষ্ক বড়দের এই জটিল রাজনীতি বা ইমোশন প্রসেস করার জন্য তৈরি হয়নি।

২. সন্তানকে আপনার 'জীবনের একমাত্র লক্ষ্য' বানাবেন না:
মাতৃত্ব বা পিতৃত্ব আপনার জীবনের একটি সুন্দর অংশ হতে পারে, কিন্তু এটাই যেন আপনার একমাত্র পরিচয় না হয়। নিজের জন্য আলাদা শখ, বন্ধু সার্কেল এবং জগৎ তৈরি করুন। আপনি মানসিকভাবে স্বাধীন থাকলেই আপনার সন্তান স্বাধীনভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে।

৩. নিঃশর্ত ভালোবাসার নিশ্চয়তা দিন:
সন্তানকে বোঝান যে আপনি তাকে ভালোবাসেন ঠিকই, কিন্তু সে আপনার সুখের জন্য দায়ী নয়।

❌ ভুল কথা: "তুই ভালো রেজাল্ট না করলে আমার আর বেঁচে থেকে লাভ কী!"

✅ সঠিক কথা: "আমি তোকে অনেক ভালোবাসি। তুই যেমনই হোস না কেন, আমি নিজের যত্ন নিজেই নিতে পারব।"

পরিশেষে
আপনার সন্তান একটি স্বাধীন পাখি হিসেবে জন্ম নিয়েছে। আপনার জীবনের না-পাওয়া স্বপ্ন, একাকিত্ব বা হতাশার শেকল দিয়ে তাকে নিজের সাথে বেঁধে রাখবেন না। তাকে বাচ্চার মতো বাঁচতে দিন। একজন অসুখী এবং নির্ভরশীল বাবা-মায়ের চেয়ে একজন মানসিকভাবে শক্ত এবং নিজের সীমানা বজায় রাখা অভিভাবকই একটি শিশুর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

22/03/2026

মেয়েদের বলছি বেশি কাজের হবেন না।বেশি পারফেক্ট হইতে যাবেন না।পারফেক্ট হোম,পারফেক্ট রান্না,পারফেক্টভাবে বাচ্চা পালা, এইগুলা করে নিজের শরীর, মন সব ধংস করে কি পাবেন?দিন শেষে শুনতে হবে এই বয়সেই এত রোগ তোমার।
দিন শেষে কিছু মানুষ দেখায় দিবে আপনার অবস্থান। যেসব বাচ্চারা একা একা বড় হয়, বুয়ার হাতের রান্না খেয়ে বড় হয় কিন্তু ভালো থাকে।এত ভালো মা বউ হওয়া লাগবে না। খারাপ পুরুষদের কাছে আপনার ভ্যালু শুন্য। তারা নিজেদের সকল অপূর্ণতা জীবন সঙ্গীর ভেতর খুঁজে বেড়ায়। যে পুরুষ একটা ডিমভাজি করে খেতে পারেনা,এক প্লেট ভাত রান্না করতে পারেনা, সে কখনও নিজের যোগ্যতা নিয়ে চিন্তা করবে না। সে চিন্তা করবে তার স্ত্রী কি পারে আর কি পারে না। তার কাছে কখনো আপনি আপনার রান্নার প্রশংসা পাবেন না, আপনার ঘাম ঝরা খাটনি,আপনার ক্লান্তিময় শরীরের ব্যাথা তার চোখে কখনো পড়বে না। আপনার অসুখ বিসুখে কখনো তার মনে মায়া জন্মাবেনা।আপনার উদাসীন দুপুর, নির্ঘুম রাত তার মনে বিন্দু পরিমাণ দাগ কাটবে না। সংসার আর যাই হোক মায়া ছাড়া হয় না।একি বিছানায় থেকেও দুটি মানুষ দুজনের কাছ থেকে কত দূরে। এই দূরত্ব এক দিনের না যুগের পর যুগ ধরেই চলছে এই মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ,সব ঠিক হয়ে যাওয়ার আপ্রান চেষ্টা । দুনিয়ায় যদি কেউ জাহান্নামের সাধ পেতে চায় সে যেন একটা ভুল মানুষকে বিয়ে করে।
অনেকে বলে না একটা বাচ্চা নাও সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। একটা বাচ্চা হওয়ার পরে কখনো কিছু ঠিক হয় না।কত দম্পত্তির তো কোন বাচ্চাই নেই, কিন্তু ভালোবাসাটা ঠিকঠাক আছে। যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে বাচ্চা,পারফেকশন এইগুলা কোন ম্যাটার করেনা। আপনি আপনার কদর কখনোই ভুল মানুষের কাছে আশা করবেন না। নিজেকে ভালোবাসুন এখনো সময় আছে। মেয়েরা নিজের ভ্যালু নিজেই কমাই ভুল মানুষের কাছে প্রত্যাশা করে।
কত নারী দেখতে ভালো না, সঙ্গীর প্রতি যত্নবান না, ভালো রান্না পারেনা,গুছিয়ে কোন কাজই করতে পারেনা।যদি সংসার ভাঙ্গার রিজন এইগুলা হত / সঙ্গীর অবহেলার কারণ এইগুলোও হত।বেশিরভাগ মেয়েদেরি সংসার টিকতো না।কারন এই যুগে সুন্দর করে গুছিয়ে সংসার করে খুব কম নারী। নারী হয়ে বলছি সংসার করা ২৪ ঘন্টা চাকরি করার চাইতেও কঠিন। আর ভুল মানুষের সংসার করে নরক যন্তনাই পোড়ার মত।

18/03/2026
লন্ডনের মেয়র সাদিক খান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পক্ষ নিয়ে বলেছেন, ইরা'নের ওপর হা'মলায় যোগ না দেওয়ার বিষয়ে ...
10/03/2026

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পক্ষ নিয়ে বলেছেন, ইরা'নের ওপর হা'মলায় যোগ না দেওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে স্টারমার একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

শনিবার (৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে সাদিক খান জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতাই যুক্তরাজ্যের জন্য মঙ্গলজনক, বিশৃ'ঙ্খলা বা র'ক্ত'পাত কোনো সমা'ধান নয়। তিনি এই সংঘা'তকে একটি ‘ইচ্ছাকৃত যু'দ্ধ’ হিসেবে অভিহিত করে স'ত'র্ক করেন যে এতে জড়িয়ে পড়লে কেবল সাধারণ মানুষের ভো'গা'ন্তি আর অপ্রয়োজনীয় প্রা'ণ'হা'নিই বাড়বে।

সাদিক খান আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এই সামরিক অভি'যানে অংশ নিলে ব্রিটিশ অর্থনী'তির ওপর বি'রূপ প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চা'পে থাকা সাধারণ মানুষের ওপর জ্বালানি তেলের দাম, খাদ্য'মূ'ল্য এবং বন্ধকির কি'স্তির বোঝা আরও বেড়ে যাওয়ার আশ'ঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

রমাদানে অনেকেই বড় বড় আমলের প্ল্যান করেন।কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে— সেই ছোট জিকিরগুলো, যেগুলো জিহ্বায় সহজ, কিন্তু মিযা...
10/03/2026

রমাদানে অনেকেই বড় বড় আমলের প্ল্যান করেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে— সেই ছোট জিকিরগুলো, যেগুলো জিহ্বায় সহজ, কিন্তু মিযানে খুব ভারী।

নবী করিম ﷺ আমাদের এমন কিছু জিকির শিখিয়েছেন, যেগুলো শুধু মুখে বলার কথা না— এগুলো আসলে ভাঙা মনকে দাঁড় করানোর আমল, গুনাহের পর ফিরে আসার রাস্তা, আর আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ঠিক করার সহজ দরজা।

সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, দরূদ, আস্তাগফিরুল্লাহ— হয়তো এই রমাদানে আপনার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন একটা ছোট জিকির থেকেই শুরু হবে।

সব আমল একদিনে হবে না। কিন্তু ১টা জিকির আজ থেকে শুরু হতে পারে।

মনে রাখবেন:
যে জিকির আপনি নিয়মিত করেন, সেটাই একসময় আপনার হৃদয়ের অংশ হয়ে যায়।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করায় দেশটির ...
07/03/2026

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করায় দেশটির রাজনীতিতে তীব্র বিত/র্ক সৃষ্টি হয়েছে। তার প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় শর/ণার্থীদের স্থায়ী মর্যাদা বাতি/লসহ আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য সরকারি সহায়তা কমানোর উদ্যোগ রয়েছে। এই ঘোষণার পর ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির অনেক সংসদ সদস্যই প্রকাশ্যে সমালো/চনা করেছেন।

ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থী পরিবারকে যুক্তরাজ্য ছাড়তে সর্বোচ্চ £৪০ হাজার প্রস্তাবলন্ডন, ৪ মার্চ ২০২৬: যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন...
07/03/2026

ব্যর্থ আশ্রয়প্রার্থী পরিবারকে যুক্তরাজ্য ছাড়তে সর্বোচ্চ £৪০ হাজার প্রস্তাব
লন্ডন, ৪ মার্চ ২০২৬: যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হওয়া পরিবারগুলোকে দেশ ছাড়তে উৎসাহিত করতে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত অর্থ দেওয়ার নতুন একটি পাইলট প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার। এ ঘোষণা দেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Shabana Mahmood।
লন্ডনের একটি থিংক ট্যাংক Institute for Public Policy Research (IPPR)-এ দেওয়া বক্তৃতায় তিনি জানান, কোনো পরিবার যদি স্বেচ্ছায় যুক্তরাজ্য ত্যাগে রাজি হয়, তাহলে প্রতি ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত দেওয়া হবে, তবে প্রতি পরিবারে সর্বোচ্চ চারজন পর্যন্ত এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
সরকার জানিয়েছে, প্রস্তাবটি প্রথমে একটি পাইলট কর্মসূচি হিসেবে চালু হবে এবং এতে প্রায় ১৫০টি পরিবার অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, যারা বর্তমানে করদাতাদের অর্থে পরিচালিত আশ্রয়প্রার্থী আবাসনে বসবাস করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, পরিকল্পনাটি সফল হলে প্রায় ২০ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত সরকারি ব্যয় সাশ্রয় হতে পারে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আশ্রয়প্রার্থী আবাসনে তিন সদস্যের একটি পরিবারকে রাখার খরচ বছরে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে। তাই স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য বেশি অর্থ প্রস্তাব করা করদাতাদের জন্য উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় বয়ে আনবে।
তবে প্রস্তাবটি নিয়ে সমালোচনাও উঠেছে। বিরোধী দল Conservative Party-এর শ্যাডো হোম সেক্রেটারি Chris Philp বলেছেন, এটি “ব্রিটিশ করদাতাদের প্রতি অপমান”। অন্যদিকে Reform UK-এর হোম অ্যাফেয়ার্স মুখপাত্র Zia Yusuf দাবি করেন, এই পরিকল্পনা অবৈধভাবে দেশে প্রবেশকারীদের জন্য “পুরস্কার” হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এদিকে শরণার্থী অধিকার নিয়ে কাজ করা জোট Refugee and Migrant Children's Consortium উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, পরিবারগুলোকে মাত্র সাত দিনের মধ্যে এমন একটি জীবন বদলে দেওয়া সিদ্ধান্ত নিতে বলা হচ্ছে, যা নেওয়ার আগে যথেষ্ট আইনি পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ নাও থাকতে পারে। তাদের মতে, সহায়তা বন্ধ করে দিলে অনেক শিশু গৃহহীন হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সরকার জানিয়েছে, যারা স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়বে না তাদের ক্ষেত্রে শিশুসমেত পরিবারগুলোকে মানবিক ও কার্যকর উপায়ে কীভাবে অপসারণ করা যায়—তা নিয়েও পরামর্শ চলছে।

Address

London
SE18 5SL

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GhughuPakhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category