GhughuPakhi

GhughuPakhi Simply stay confident �

🇬🇧 মানুষ কমে যাওয়ায় বিদেশ থেকে নতুন বাসিন্দা চায় যুক্তরাজ্যের এক শহর!জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় অভিবাসী ও শরণার্থীদের স্বাগ...
27/08/2026

🇬🇧 মানুষ কমে যাওয়ায় বিদেশ থেকে নতুন বাসিন্দা চায় যুক্তরাজ্যের এক শহর!

জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় অভিবাসী ও শরণার্থীদের স্বাগত জানাচ্ছে স্কটল্যান্ডের গ্রিনক

স্কটল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলের শহর গ্রিনক (Greenock)-এ একসময় শিল্প ও কর্মসংস্থানের টানে মানুষের ভিড় ছিল। কিন্তু শিল্পের পতন, কম জন্মহার এবং কর্মক্ষম মানুষের অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণে কয়েক দশক ধরে শহর ও আশপাশের Inverclyde এলাকায় জনসংখ্যা কমছে।

এখন সেই প্রবণতা ঠেকাতে স্থানীয় কাউন্সিলের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গা পেয়েছে নতুন বাসিন্দা আকর্ষণ, যার মধ্যে অভিবাসী ও শরণার্থীরাও রয়েছেন।

কেন এমন উদ্যোগ?

Inverclyde একসময় জাহাজ নির্মাণ, বন্দর ও অন্যান্য শিল্পের জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থান কমে যায় এবং অনেক মানুষ অন্য এলাকায় চলে যেতে শুরু করেন।

কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালের পর থেকে Inverclyde প্রায় ২২ হাজার মানুষ হারিয়েছে। বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় ৭৮ হাজারের কাছাকাছি এবং ভবিষ্যতেও জনসংখ্যা কমার আশঙ্কা রয়েছে।

সমস্যাটি শুধু মানুষ কমে যাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। অঞ্চলটির জনসংখ্যা দ্রুত বয়স্কও হয়ে উঠছে। ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা, পরিচর্যা ও অন্যান্য স্থানীয় সেবার চাহিদা বাড়ছে।

অভিবাসন কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে?

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।

Inverclyde-এ স্বাভাবিক জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের কারণে মানুষের সংখ্যা কমলেও অন্য দেশ ও অঞ্চল থেকে মানুষের আগমন সেই ঘাটতি কিছুটা পূরণ করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে Greenock-এ আফ্রিকান অভিবাসী ও শরণার্থীদের একটি নতুন কমিউনিটি গড়ে উঠেছে। স্থানীয় High Street-এ আফ্রিকান খাবারের দোকানও চালু হয়েছে। অনেক নতুন বাসিন্দা Glasgow বা Paisley-তে কাজ কিংবা পড়াশোনা করলেও তুলনামূলক কম আবাসন খরচের কারণে Greenock-এ বসবাস করছেন। কেউ কেউ আবার দক্ষ কর্মী হিসেবে স্পনসরশিপের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে এসে এখানে পরিবার নিয়ে বসতি গড়েছেন।

অর্থাৎ অভিবাসন এখানে শুধু জনসংখ্যার সংখ্যা বাড়ানোর বিষয় নয়। নতুন বাসিন্দারা স্থানীয় ভোক্তা, ব্যবসা, শ্রমবাজার এবং কমিউনিটির অংশ হয়ে উঠছেন।

নতুন বাসিন্দা আকর্ষণে কাউন্সিলের উদ্যোগ

Inverclyde Council-এর ২০২৫-২৮ Repopulation Strategy-তে জনসংখ্যা ধরে রাখা এবং নতুন মানুষকে এলাকায় আকর্ষণ করার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।

এছাড়া ২০২৬ সালে কাউন্সিল নতুন বাসিন্দাদের Inverclyde-এ বসবাসে উৎসাহিত করতে আর্থিক সহায়তার কয়েকটি কর্মসূচিও চালু করেছে।

এর মধ্যে রয়েছে:

• £400 Relocation Grant: নতুন করে এলাকায় বসতি স্থাপনে স্থানান্তর খরচে সহায়তা।

• £300 Stay and Study Grant: শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণার্থীদের এলাকায় থাকার বিষয়ে উৎসাহিত করা।

• £300 New Scots Support into Work Grant: নতুন Scots ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের কাজ, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানে প্রবেশে সহায়তা।

কাউন্সিলের ঘোষণা অনুযায়ী, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষকে শুধু এলাকায় আসতেই নয়, থেকে যেতে এবং স্থানীয় অর্থনীতির অংশ হতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ©️ InfoBangla

তবে চ্যালেঞ্জও আছে

শুধু নতুন মানুষ এলেই একটি শহরের জনসংখ্যা সংকট পুরোপুরি সমাধান হবে না।

Greenock-এর ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্ন হচ্ছে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতি।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ বলেছেন, শহরে কাজ ও সুযোগ-সুবিধার অভাবের কারণে তরুণদের অন্যত্র চলে যেতে হয়। একই প্রতিবেদনে নতুন অভিবাসীরাও বলেছেন, স্থানীয়ভাবে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হলে আরও মানুষ এখানে আসতে আগ্রহী হতে পারেন।

অর্থাৎ কাউন্সিলের জন্য চ্যালেঞ্জ শুধু “মানুষকে আনা” নয়, “মানুষকে ধরে রাখা”।

Greenock-এর ঘটনা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একসময় কর্মসংস্থানের কারণে বাইরের মানুষ Greenock-এ এসেছিলেন। শিল্পের পতনের পর সেই জনসংখ্যার একটি বড় অংশ অন্যত্র চলে যায়।

এখন পরিস্থিতি বদলেছে।

জনসংখ্যা কমে যাওয়া একটি পুরনো শিল্পনগরী নতুন মানুষ, নতুন কমিউনিটি এবং অভিবাসনের মাধ্যমে আবার প্রাণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে।

এটি যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতির কোনো জাতীয় ঘোষণা নয়। বরং স্থানীয় পর্যায়ে জনসংখ্যা ও অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার একটি কৌশল, যেখানে অভিবাসনকে অন্যতম উপাদান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: Inverclyde Council, Inverclyde Repopulation Strategy 2025-28, Inverclyde Council-এর ২০২৬ সালের ঘোষণা এবং BBC News Scotland-এর প্রতিবেদন।

20/08/2026
19/08/2026
19/08/2026

🍗🍚 Sindhi-Style Chicken Biryani — One Plate Is Never Enough! 🤤🔥

Aromatic rice, juicy chicken and perfectly balanced spices — this Sindhi-style Chicken Biryani is packed with incredible flavour! ❤️

The kind of biryani that fills the whole kitchen with an irresistible aroma and makes everyone ask for seconds! 😍🍽️

Would you try this Sindhi-style biryani? 👇❤️

GhughuPakhir Rannaghor

শুধু কাগজ নয়।এটা এক ধরনের শক্তি—যা কৃতজ্ঞতা, ঈমান এবং উদ্দেশ্যের দিকে প্রবাহিত হয়, আর ভয়, অভাবের চিন্তা ও আত্মসন্দেহ ...
08/04/2026

শুধু কাগজ নয়।
এটা এক ধরনের শক্তি—যা কৃতজ্ঞতা, ঈমান এবং উদ্দেশ্যের দিকে প্রবাহিত হয়, আর ভয়, অভাবের চিন্তা ও আত্মসন্দেহ থেকে দূরে সরে যায়।
এখানে এমন ৫টি নিরীহ অভ্যাস আছে, যেগুলো নিঃশব্দে আপনার রিজিক (সম্পদ) নষ্ট করছে—এবং কীভাবে ঠিক করবেন:

১️⃣ “আমি গরিব / আমার টাকা নেই” বলা
এই কথাটা সুযোগের দরজা বন্ধ করে দেয়।
🔁 এর বদলে বলুন:
“আল্লাহই আমার রিযিকদাতা—আমার জন্য বৃদ্ধি লিখে রাখা হয়েছে।”
📖 কুরআন:
“আর যে আল্লাহর উপর ভরসা করে—তিনিই তার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক ৬৫:৩)

২️⃣ সবসময় টাকা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা
দুশ্চিন্তা আসলে ভুল দিকে করা দোয়া—এটা আরও ভয় ডেকে আনে।
🔁 এর বদলে বলুন:
“ইয়া রায্জাক, আপনি কখনো আমাকে নিরাশ করেন না।”
📖 কুরআন:
“আর যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য বের হওয়ার পথ করে দেন এবং তাকে এমন জায়গা থেকে রিযিক দেন, যা সে কল্পনাও করে না।” (সূরা আত-তালাক ৬৫:২–৩)

৩️⃣ অন্যদের সাথে নিজের জীবন তুলনা করা
তুলনা আপনার মনে ফিসফিস করে: “আল্লাহ আমাকে ভুলে গেছেন।”
—এই বিশ্বাসই বরকত দূরে সরিয়ে দেয়।
🔁 মনে রাখুন:
“যা আপনার জন্য লেখা, তা আপনার কাছেই আসবে—পুরো পৃথিবী বিরোধিতা করলেও।”
📖 কুরআন:
“তোমরা অন্যদেরকে যা দেওয়া হয়েছে, তা কামনা করো না।” (সূরা আন-নিসা ৪:৩২)

৪️⃣ অকৃতজ্ঞ ভাষা ব্যবহার করা
অভিযোগ বরকত থামিয়ে দেয়, আর শুকর (কৃতজ্ঞতা) তা বাড়িয়ে দেয়।
🔁 অভ্যাস করুন:
“আলহামদুলিল্লাহ—যা আছে তার জন্য, আর যা আসছে তার জন্যও।”
📖 কুরআন:
“তোমরা যদি কৃতজ্ঞ হও, তবে অবশ্যই আমি তোমাদের আরও বাড়িয়ে দেব।” (সূরা ইবরাহিম ১৪:৭)

৫️⃣ “আমার কিছুই কাজ করে না” বলা
এটা হতাশার দোয়া—যা হৃদয়ের দরজা বন্ধ করে দেয়।
🔁 এর বদলে বলুন:
“আল্লাহর পরিকল্পনা আমার জন্য আমার নিজের চাওয়ার চেয়েও উত্তম।”
📖 কুরআন:
“তোমরা কোনো কিছু অপছন্দ করতে পারো, অথচ তা তোমাদের জন্য ভালো… আর আল্লাহ জানেন, তোমরা জানো না।” (সূরা আল-বাকারা ২:২১৬)

আপনার রিজিক আটকে নেই কারণ আল্লাহ আপনাকে বঞ্চিত করছেন—
বরং মনে হয় আটকে আছে, কারণ আপনার কথা, বিশ্বাস আর মানসিকতা আপনার দোয়ার সাথে মিলছে না।

ইসলামে মদ (অ্যালকোহল) পান করা এবং বাড়িতে রাখা—উভয়ই অত্যন্ত বড় গুনাহ বা হারাম। নিচে এর ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ফলাফলগুলো তুলে...
31/03/2026

ইসলামে মদ (অ্যালকোহল) পান করা এবং বাড়িতে রাখা—উভয়ই অত্যন্ত বড় গুনাহ বা হারাম। নিচে এর ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ফলাফলগুলো তুলে ধরা হলো:

১. মদ বাড়িতে রাখা
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, মদ কেনা, বেচা বা বহন করার মতো এটি ঘরে রাখাও নিষিদ্ধ।

অভিশাপ: হাদিস অনুযায়ী, মদের সাথে জড়িত ১০টি শ্রেণির মানুষের ওপর আল্লাহর লানত বা অভিশাপ বর্ষিত হয়। এর মধ্যে যারা মদ বহন করে বা ঘরে জমা রাখে, তারাও অন্তর্ভুক্ত।
বরকত কমে যাওয়া: বলা হয় যে বাড়িতে মদ বা নাপাক বস্তু থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না এবং ঘরের বরকত নষ্ট হয়ে যায়।

২. মদ পান করার পরিণতি
মদ পান করাকে ইসলামে 'উম্মুল খাবায়েস' বা সকল পাপাচারের মূল বলা হয়েছে। এর পরিণামগুলো হলো:
৪০ দিনের ইবাদত কবুল হয় না: নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মদ পান করে, তার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না।
নোট: এর অর্থ এই নয় যে নামাজ পড়তে হবে না। নামাজ ফরজ হিসেবে পড়তেই হবে, কিন্তু এই সময়টার নামাজের কোনো সওয়াব বা পুরস্কার পাওয়া যায় না।
ঈমানি অবস্থা: হাদিসে আছে, কোনো ব্যক্তি যখন মদ পান করে, তখন সে পূর্ণ মুমিন অবস্থায় থাকে না। অর্থাৎ ওই মুহূর্তে তার ভেতর থেকে ঈমানের নূর চলে যায়।
পরকালীন শাস্তি: যদি কেউ তওবা না করে মারা যায়, তবে পরকালে জান্নাতের পবিত্র পানীয় থেকে সে বঞ্চিত হবে। এছাড়া জাহান্নামিদের শরীর থেকে নিঃসৃত পুঁজ বা রক্ত (তিনাতুল খাবাল) তাদের পান করানো হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
পার্থিব দণ্ড: ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, মুসলিম রাষ্ট্রে মদ পানের শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাতের (৪০ থেকে ৮০টি) বিধান রয়েছে।

৩. শিশুদের ওপর প্রভাব
আপনার যদি সন্তান থাকে, তবে বাড়িতে মদ রাখা তাদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তারা ছোটবেলা থেকেই হারামের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে, যা তাদের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

**তওবার সুযোগ
ইসলামে নিরাশ হওয়ার কোনো জায়গা নেই। যদি কেউ ভুলবশত বা শয়তানের প্ররোচনায় এই পাপ করে ফেলে, তবে সে যদি খাস তওবা (আন্তরিক অনুশোচনা) করে এবং ভবিষ্যতে আর কখনও না করার প্রতিজ্ঞা করে, তবে আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তওবা করলে আগের গুনাহ মাফ হয়ে যায়।

মায়ের “না” কোনো অহংকার নয়…এটা তার সন্তানের সুরক্ষা।“ওকে মিষ্টি দিও না।”“দয়া করে ওর মুখে চুমু দিও না।”“ও ঘুমানোর সময় ...
28/03/2026

মায়ের “না” কোনো অহংকার নয়…
এটা তার সন্তানের সুরক্ষা।
“ওকে মিষ্টি দিও না।”
“দয়া করে ওর মুখে চুমু দিও না।”
“ও ঘুমানোর সময় ফোন দিও না।”
অন্যদের কাছে এগুলো ছোট বিষয় মনে হতে পারে—
কিন্তু একজন মায়ের কাছে
এগুলোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ সে জানে তার সন্তানের অভ্যাস,
তার চাহিদা,
তার সীমাবদ্ধতা…
যেভাবে আর কেউ জানে না।
তবুও কিছু মানুষ হেসে বলে—
“কিছু হবে না।”
“একটু দিলে সমস্যা নেই।”
“আমরা তো আগেও এমন করতাম।”
কিন্তু সত্যটা হলো—
আগে যা স্বাভাবিক ছিল,
সব সময় তা এখন সঠিক নাও হতে পারে।
একজন মা সীমারেখা তৈরি করেন
কাউকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়…
বরং নিজের সন্তানকে রক্ষা করার জন্য।
তার অনুভূতি বা মায়ের ইন্সটিংক্ট
কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই।
তার সিদ্ধান্তেরও বিতর্ক নয়—
প্রয়োজন শুধু একটি জিনিস:
সম্মান। 🤍✨

"তুই ছাড়া আমার আর কে আছে বাবা!"—নিজের জীবনের সব হতাশা আর প্রত্যাশার বোঝা বাচ্চার কাঁধে চাপানো কতটা টক্সিক?.....সংসারে হয়...
28/03/2026

"তুই ছাড়া আমার আর কে আছে বাবা!"—নিজের জীবনের সব হতাশা আর প্রত্যাশার বোঝা বাচ্চার কাঁধে চাপানো কতটা টক্সিক?.....

সংসারে হয়তো অশান্তি চলছে, অথবা নিজের অপূর্ণ স্বপ্নগুলো নিয়ে আপনি চরম হতাশায় ভুগছেন। দিনশেষে ৬ বা ৭ বছরের ছোট্ট সন্তানকে বুকে জড়িয়ে আপনি হয়তো কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, "আমার জীবনের সব কষ্ট শুধু তোর মুখটার দিকে তাকিয়ে সহ্য করছি রে! তুই ছাড়া এ পৃথিবীতে আমার আপন বলতে আর কেউ নেই।"

শুনতে কথাটি মাতৃত্ব বা পিতৃত্বের চরম আত্মত্যাগের মতো মনে হলেও, শিশু মনোবিজ্ঞান এটিকে একটি ভয়ংকর মানসিক নির্যাতন বা 'ইমোশনাল অ্যাবিউজ' হিসেবে দেখে। আপনি হয়তো ভালোবাসার জায়গা থেকেই কথাটি বলছেন, কিন্তু এই একটি বাক্যের মাধ্যমে আপনি আপনার সন্তানের ছোট্ট কাঁধে এমন এক বিশাল পাহাড় চাপিয়ে দিচ্ছেন, যার ভারে তার পুরো শৈশবটাই পিষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই অত্যন্ত গভীর এবং সেনসিটিভ আর্টিকেলে আমরা জানবো 'ইমোশনাল এনমেশমেন্ট' (Emotional Enmeshment) সম্পর্কে—কীভাবে বাবা-মায়েরা নিজেদের মানসিক শূন্যতা পূরণের জন্য সন্তানকে হাতিয়ার বানাচ্ছেন এবং এর ফলে বাচ্চার কী ভয়ংকর ক্ষতি হচ্ছে।

ইমোশনাল এনমেশমেন্ট বা মানসিক নির্ভরতা কী?
সহজ কথায়, বাবা-মা যখন নিজেদের জীবনের দুঃখ, দাম্পত্য কলহ বা হতাশা সামলাতে না পেরে সন্তানকে নিজেদের 'বেস্ট ফ্রেন্ড' বা 'থেরাপিস্ট' বানিয়ে ফেলেন, তখন তাকে ইমোশনাল এনমেশমেন্ট বলে। এখানে বাবা-মা এবং সন্তানের মধ্যকার সুস্থ বাউন্ডারি বা সীমানাটি পুরোপুরি মুছে যায়। সন্তান তখন আর সন্তান থাকে না, সে হয়ে যায় বাবা-মায়ের মানসিক আশ্রয়দাতা।

এই 'ভালোবাসা' বাচ্চার মনে কী ভয়ংকর ক্ষতি করছে?
আপনার বলা ওই আবেগপূর্ণ কথাগুলো বাচ্চার মস্তিষ্কে কীভাবে কাজ করে, তা জানলে আপনি শিউরে উঠবেন:

১. শৈশব চুরি হওয়া (Loss of Childhood):
যে বয়সে বাচ্চার শুধু খেলাধুলা এবং নিজের জগৎ নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা, সেই বয়সে সে বাবা-মায়ের ইমোশনাল গার্ডিয়ান (Guardian) বা অভিভাবক হয়ে যায়। সে সারাক্ষণ টেনশনে থাকে—"আমি যদি এখন খেলতে যাই, তাহলে মা তো একা বসে কাঁদবে!" অন্য বাচ্চাদের মতো সে স্বাধীনভাবে হাসতে বা বাঁচতে ভুলে যায়। তার নিজের শৈশবটি চিরতরে হারিয়ে যায়।

২. গিল্ট ট্রিপ বা আজীবনের অপরাধবোধ (The Guilt Trap):
বাচ্চারা খুব দ্রুত বুঝে যায় যে, বাবা-মায়ের সুখ বা বেঁচে থাকা সম্পূর্ণ তাদের ওপর নির্ভরশীল। বড় হয়ে এরা যদি পড়াশোনার জন্য বিদেশে যেতে চায় বা নিজের পছন্দে জীবনসঙ্গী বেছে নিতে চায়, তখন তাদের ভেতরে চরম অপরাধবোধ বা গিল্ট কাজ করে। তারা ভাবে, "আমি চলে গেলে মায়ের কী হবে?" নিজেদের সুখ বিসর্জন দিয়ে এরা বাবা-মায়ের কাছেই শেকলবদ্ধ হয়ে থাকে।

৩. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রভাব (Toxic Future Relationships):
যে শিশু ছোটবেলা থেকেই অন্যের মানসিক দায়িত্ব নিতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, বড় হয়ে সে নিজের সম্পর্কের ক্ষেত্রেও 'সেভিয়র কমপ্লেক্স' (Savior Complex)-এ ভোগে। এরা সবসময় এমন পার্টনার বা বন্ধু বেছে নেয়, যারা মানসিকভাবে দুর্বল বা টক্সিক, কারণ তারা মনে করে "অন্যকে উদ্ধার করাই আমার জীবনের একমাত্র কাজ।" নিজেদের জীবনে এরা কখনোই সুখী হতে পারে না।

কীভাবে এই টক্সিক চক্র ভাঙবেন? (প্যারেন্টিং সলিউশন)
আপনার জীবনের দুঃখ বা একাকিত্বের দায় আপনার সন্তানের নয়। তাকে সুস্থভাবে বড় করতে হলে এই মানসিক বাউন্ডারি তৈরি করা খুব জরুরি:

১. বড়দের সমস্যা বড়দের কাছে রাখুন (Adult Problems for Adults):
দাম্পত্য কলহ, আর্থিক অনটন বা শাশুড়ির সাথে ঝগড়ার কথা কখনোই সন্তানের সাথে শেয়ার করবেন না। আপনার যদি কথা বলার মানুষের প্রয়োজন হয়, তবে নিজের বন্ধু, আত্মীয় বা একজন প্রফেশনাল থেরাপিস্টের সাহায্য নিন। বাচ্চার ছোট্ট মস্তিষ্ক বড়দের এই জটিল রাজনীতি বা ইমোশন প্রসেস করার জন্য তৈরি হয়নি।

২. সন্তানকে আপনার 'জীবনের একমাত্র লক্ষ্য' বানাবেন না:
মাতৃত্ব বা পিতৃত্ব আপনার জীবনের একটি সুন্দর অংশ হতে পারে, কিন্তু এটাই যেন আপনার একমাত্র পরিচয় না হয়। নিজের জন্য আলাদা শখ, বন্ধু সার্কেল এবং জগৎ তৈরি করুন। আপনি মানসিকভাবে স্বাধীন থাকলেই আপনার সন্তান স্বাধীনভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে।

৩. নিঃশর্ত ভালোবাসার নিশ্চয়তা দিন:
সন্তানকে বোঝান যে আপনি তাকে ভালোবাসেন ঠিকই, কিন্তু সে আপনার সুখের জন্য দায়ী নয়।

❌ ভুল কথা: "তুই ভালো রেজাল্ট না করলে আমার আর বেঁচে থেকে লাভ কী!"

✅ সঠিক কথা: "আমি তোকে অনেক ভালোবাসি। তুই যেমনই হোস না কেন, আমি নিজের যত্ন নিজেই নিতে পারব।"

পরিশেষে
আপনার সন্তান একটি স্বাধীন পাখি হিসেবে জন্ম নিয়েছে। আপনার জীবনের না-পাওয়া স্বপ্ন, একাকিত্ব বা হতাশার শেকল দিয়ে তাকে নিজের সাথে বেঁধে রাখবেন না। তাকে বাচ্চার মতো বাঁচতে দিন। একজন অসুখী এবং নির্ভরশীল বাবা-মায়ের চেয়ে একজন মানসিকভাবে শক্ত এবং নিজের সীমানা বজায় রাখা অভিভাবকই একটি শিশুর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

22/03/2026

মেয়েদের বলছি বেশি কাজের হবেন না।বেশি পারফেক্ট হইতে যাবেন না।পারফেক্ট হোম,পারফেক্ট রান্না,পারফেক্টভাবে বাচ্চা পালা, এইগুলা করে নিজের শরীর, মন সব ধংস করে কি পাবেন?দিন শেষে শুনতে হবে এই বয়সেই এত রোগ তোমার।
দিন শেষে কিছু মানুষ দেখায় দিবে আপনার অবস্থান। যেসব বাচ্চারা একা একা বড় হয়, বুয়ার হাতের রান্না খেয়ে বড় হয় কিন্তু ভালো থাকে।এত ভালো মা বউ হওয়া লাগবে না। খারাপ পুরুষদের কাছে আপনার ভ্যালু শুন্য। তারা নিজেদের সকল অপূর্ণতা জীবন সঙ্গীর ভেতর খুঁজে বেড়ায়। যে পুরুষ একটা ডিমভাজি করে খেতে পারেনা,এক প্লেট ভাত রান্না করতে পারেনা, সে কখনও নিজের যোগ্যতা নিয়ে চিন্তা করবে না। সে চিন্তা করবে তার স্ত্রী কি পারে আর কি পারে না। তার কাছে কখনো আপনি আপনার রান্নার প্রশংসা পাবেন না, আপনার ঘাম ঝরা খাটনি,আপনার ক্লান্তিময় শরীরের ব্যাথা তার চোখে কখনো পড়বে না। আপনার অসুখ বিসুখে কখনো তার মনে মায়া জন্মাবেনা।আপনার উদাসীন দুপুর, নির্ঘুম রাত তার মনে বিন্দু পরিমাণ দাগ কাটবে না। সংসার আর যাই হোক মায়া ছাড়া হয় না।একি বিছানায় থেকেও দুটি মানুষ দুজনের কাছ থেকে কত দূরে। এই দূরত্ব এক দিনের না যুগের পর যুগ ধরেই চলছে এই মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ,সব ঠিক হয়ে যাওয়ার আপ্রান চেষ্টা । দুনিয়ায় যদি কেউ জাহান্নামের সাধ পেতে চায় সে যেন একটা ভুল মানুষকে বিয়ে করে।
অনেকে বলে না একটা বাচ্চা নাও সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। একটা বাচ্চা হওয়ার পরে কখনো কিছু ঠিক হয় না।কত দম্পত্তির তো কোন বাচ্চাই নেই, কিন্তু ভালোবাসাটা ঠিকঠাক আছে। যেখানে ভালোবাসা আছে সেখানে বাচ্চা,পারফেকশন এইগুলা কোন ম্যাটার করেনা। আপনি আপনার কদর কখনোই ভুল মানুষের কাছে আশা করবেন না। নিজেকে ভালোবাসুন এখনো সময় আছে। মেয়েরা নিজের ভ্যালু নিজেই কমাই ভুল মানুষের কাছে প্রত্যাশা করে।
কত নারী দেখতে ভালো না, সঙ্গীর প্রতি যত্নবান না, ভালো রান্না পারেনা,গুছিয়ে কোন কাজই করতে পারেনা।যদি সংসার ভাঙ্গার রিজন এইগুলা হত / সঙ্গীর অবহেলার কারণ এইগুলোও হত।বেশিরভাগ মেয়েদেরি সংসার টিকতো না।কারন এই যুগে সুন্দর করে গুছিয়ে সংসার করে খুব কম নারী। নারী হয়ে বলছি সংসার করা ২৪ ঘন্টা চাকরি করার চাইতেও কঠিন। আর ভুল মানুষের সংসার করে নরক যন্তনাই পোড়ার মত।

18/03/2026

Address

London
SE185SL

Telephone

+447912324993

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GhughuPakhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GhughuPakhi:

Shortcuts

Share