Haarir Khobor

Haarir Khobor Welcome to Haarir Khobor, where the essence of Bengal's culinary legacy comes alive. Let's savor the magic of food together. Home Chef / Cloud Kitchen
(1)

Specializing in Bengali cuisine, lost recipes, and seasonal delights, Haarir Khobor cherishes the tradition without boundaries.

আমার জন্ম ১৯৮৪-তে। তাই ছোটবেলাটা কেটেছে সেই অসামান্য ৮০ আর ৯০-এর দশকের সন্ধিক্ষণে। আজ পেছনে তাকালে মনে হয়, সময়টা কত ধী...
11/08/2026

আমার জন্ম ১৯৮৪-তে। তাই ছোটবেলাটা কেটেছে সেই অসামান্য ৮০ আর ৯০-এর দশকের সন্ধিক্ষণে। আজ পেছনে তাকালে মনে হয়, সময়টা কত ধীরস্থির ছিল! আতিশয্য কম ছিল, অথচ সেই কমের মধ্যেই কী অদ্ভুত এক প্রাচুর্য ছিল। আমরা তখন একটা ভাড়া বাড়িতে থাকতাম। তাকে 1BHK-ও বলা যাবে না। একটা বড় bedroom, ছোট্ট একটা attached Indian toilet; বাড়িতে ঢুকলেই বাঁদিকে একফালি রান্নাঘর আর ডানদিকে একফালি বসার জায়গা—যেখানে বড়জোর দুটো চেয়ার পাতা যাবে। আমাদের শোয়ার ঘরটাতে ছিল দুটো জানলা। জানলার ঠিক ধারেই একটা ডোবার মতো ছোট্ট পুকুর, তার পাশেই বস্তি। সেই বস্তির মানুষগুলোর অনেকেই আশেপাশের মধ্যবিত্ত বাড়িগুলোতে কাজ করতেন। আমাদের জীবন আর তাঁদের জীবন তখন কত স্বাভাবিকভাবেই পাশাপাশি বয়ে যেত। এই বাড়িটার সবচেয়ে সুন্দর জায়গা ছিল দরজা দিয়ে বেরোলেই একরত্তি উঠোন, তারপর বিরাট একটা বাগান। সুপারি, নারকেল, আম, পেয়ারা, সজনে, নিম—কী ছিল না সেখানে! কত রকম ফুলের গাছ। একপাশে একটা handpump কল। বাড়ির সব ভাড়াটেই সেখান থেকে জল নিয়ে নিজেদের কাজ করত। আমার যখন আট মাস বয়স তখন নাকি আমরা ওই বাড়িতে এসেছিলাম। আমার নিজের মনে থাকা সবচেয়ে পুরনো স্মৃতিগুলোর একটা অবশ্যই রোববার গুলোর। রোববার মানেই মাংস। আলু দিয়ে মাংসের ঝোলের গন্ধে সারা বাড়ি ম' ম করত। ঝোল নামার আগেই বাটি করে মা দুটুকরো মাংস আর আলু চেখে দেখতে দিত। এই চেখে দেখার স্বাদ আসল মাংসের থেকেও দ্বিগুণ ভালো। তারপর ঠিক সকাল দশটা বাজলেই আমাদের ঘরের ওই জানলা দুটো মৌমাছির চাকের মতো ভরে যেত। বস্তির লোকজন এসে জানলার ধারে দাঁড়িয়ে Doordarshan-এ B. R. Chopra-র Mahabharat দেখত। আমি তখন চার কি পাঁচ বছর। কী বুঝতাম জানি না। কিন্তু সেই দৃশ্যগুলো আজও আশ্চর্য রকম পরিষ্কার। জানলার ওপারে মানুষের ভিড়। ঘরের মধ্যে Mahabharat-এর আওয়াজ। রবিবার সকাল। একেবারে জমজমাট। '৯১ সালে আমরা চলে এলাম আমাদের East Road-এর বাড়িতে। বাবা নিজের বাড়ি করল। ভাড়া বাড়িটা ছিল তখনকার Santoshpur-এর একেবারে প্রাণভোমরা—মিনিবাস stand-এর কাছে। বাজার, দোকান, বাস, গাড়ি—সব হাতের কাছে। নতুন বাড়িটা ছিল একটু ভেতরে। চারপাশে বাঁশবন, সবুজ, দু-একটা খড়ের চালের বাড়ি। বেশ একটা গ্রাম-গ্রাম পরিবেশ। বর্ষায় বাড়ির সামনে জল জমত। রাস্তা তখনও পাকা হয়নি—মেঠো, এঁদো একটা রাস্তা। কতদিন সকালে উঠে দেখেছি পাশের জমিতে কে যেন বড় বড় গর্ত খুঁড়ে রেখে গেছে। পরে শুনেছি, শিয়াল। সন্ধে নামলেই এলাকা কেমন তাড়াতাড়ি নিঝুম হয়ে যেত। ওই মিশমিশে অন্ধকারে করপোরেশনের টিমটিমে ল্যাম্পপোস্ট হার মানত। খুব চুরিও হত। একবার আমরা ঘরে বসে আছি। বাবা তখন মাঝে মাঝেই JU-এর খাতা দেখতো, সেদিনও তাই। আমি পাশে বসে পড়ছি, মা রান্না করছে। এমন সময় একজন অপরিচিত লোক সাইকেল নিয়ে জানলার কাছে এসে একটা জায়গার ঠিকানা জিজ্ঞেস করল। বাবা খুব স্বাভাবিকভাবেই বুঝিয়ে দিল। লোকটা চলে গেল।
কিছুক্ষণ পর মা পাশের ঘরে গিয়ে দেখল—বিছানার পুরো চাদরটাই নেই! বুঝলাম ওই লোকটা আমাদের কথা বলে কিছুক্ষণের জন্য ব্যস্ত রেখেছিল। আজও ভাবলে অবাক লাগে। আবার এই বাড়িতেই ছিল আমাদের কত ছোট ছোট আনন্দ। টিভিতে চিত্রহার চলছে, হঠাৎ ছবি ঝিকঝিক করছে। ব্যস—বাবা ছুটল ছাদে antenna ঠিক করতে। একটু ঝড় উঠলে, বৃষ্টি পড়লে, বা কাক-শালিক antenna-র ওপর বসে সেটাকে এদিক-ওদিক ঘুরিয়ে দিলে আবার ছবি চলে যেত। এ প্রায় রোজকার ঘটনা। আরেকটা অনবদ্য জিনিস আমাদের বাড়িতে ছিল tape recorder।
মা আমাকে ছোটবেলায় ছোট ছোট আবৃত্তি শেখাত। আমি বলতাম, বাবা সেগুলো tape recorder-এ record করে cassette বানিয়ে রাখত। ওরকম করে মায়ের গান গাওয়ার ক্যাসেটও বানানো ছিল। কত যত্ন করে বাবা সেগুলো রেখে দিত! নতুন বাড়িতে এসেও সেই সব cassette চলেছে কতবার। মা অসম্ভব রবীন্দ্রসঙ্গীত ভালোবাসত। এখনও বাসে। বাড়িতে কত সেসব গানের cassette ছিল! আর tape জড়িয়ে গেলে রবিবারে বাবার সেই tape recorder খুলে cleanser দিয়ে পরিষ্কার করার একটা আলাদা ritual-ই ছিল। আমার মা দারুণ cake বানাত। আমার জন্মদিনে, যেকোনো ছুটিতে প্রতিবছর মা কেক বানাতো। একটা electric oven ছিল আমাদের। মা cake বানালেই গোটা বাড়ি জুড়ে একটা মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত। আর সেই cake mould-এর মাঝখানে একটা লম্বাটে গোল অংশ তৈরি হত— আরেকটা ছোট্ট cake-এর মতো। আমার কাছে সেটাই ছিল আসল attraction। ওটা খাওয়ার আনন্দটাই যেন আলাদা।

এখন ভাবি, তখনকার জীবনটায় কত সামান্য জিনিসের মধ্যেই কতখানি excitement ছিল। আমরা কেউ কোনোদিনই বুঝিনা, এইসবই একদিন আমাদের কাছে luxury হয়ে যাবে। সময় এগিয়ে যায়। বাড়ি বদলায়। শহর বদলায়। মানুষ বড় হয়। জিনিসপত্র বদলে যায়। শুধু কিছু কিছু দুপুর, কিছু রবিবার সকাল, কিছু গন্ধ আর কিছু শব্দ—কোথাও একটা জায়গায় ঠিক আগের মতোই থেকে যায়। মাথার ভিতর, মনের ভিতর লেপ্টে থাকে। আজ এই পোস্ট টা করতে করতে হঠাৎ খুব ইচ্ছে করছে সেই পুরনো বাড়িটার দরজা খুলে একবার ঢুকি। দেখি, উঠোনটা এখনও আছে কি না। বাগানের নারকেল গাছটা আছে কি না। দুটো জানলার সামনে দাঁড়ালে এখনও কি সকাল দশটার Mahabharat-এর ভিড়টা চোখে পড়বে? শুনেছি, সে বাড়ি ভেঙে এখন বিরাট অট্টালিকার মতো ফ্ল্যাট তৈরি হয়ে গেছে। সমাজের এই খামখেয়ালি নিয়ম ভাঙার যে কোনো রাস্তাই নেই!

যদি সত্যিই সময়ের একটা reverse gear থাকত -- আমি খুব বেশি পিছনে যেতাম না। শুধু একটা অমন রবিবার সকাল। সকাল দশটা। ব্যস! তারপর আবার ফিরে আসতাম।

নীচে আজকে নিউটাউন থেকে তমালিকার অর্ডার। মেনুতে ছিল --

কাজু বেরেস্তা পোলাও
মোরগ পোলাও
মাটন কালোভুনি
কাতলা রেজালা
ছানার পাতুরি
বেগুন সোহিনী

এরকম খাবার আপনারও যদি খেতে, বা খাওয়াতে ইচ্ছে করে তাহলে আমাকে সরাসরি whatsap এ যোগাযোগ করে নেবেন। আর আমার কিচেন এর সব updates একদম নখদর্পণে রাখতে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলেই সোজা পৌঁছে যাবেন সেই ঠিকানাতেও।

https://whatsapp.com/channel/0029VbD9eYT8fewwOwFwvi2Z

খুব শিগগিরি প্রতিবারের মতো রাখিবন্ধন আর জন্মাষ্টমীর অর্ডার নেওয়া শুরু করব। যারা নিতে ইচ্ছুক, পোস্টগুলো খেয়াল রাখবেন শুধু।

📞 090383 26001

গত শুক্রবারের কথা। বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি। পিকুর স্কুলে যাচ্ছি, একটা কাজ ছিল। ওর নতুন স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটা আমার খুব ভাল...
09/08/2026

গত শুক্রবারের কথা। বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি। পিকুর স্কুলে যাচ্ছি, একটা কাজ ছিল। ওর নতুন স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটা আমার খুব ভালো লাগে। দু’পাশে এত সবুজ --- বৃষ্টিতে সবকিছু যেন ভীষণ সতেজ দেখায়, আরও একটু বেশি সবুজ হয়ে ওঠে। ভেজা রাস্তা, গাছের সারি, গাড়ির জানলায় বৃষ্টির ফোঁটা… মাঝে মাঝে মনে হয়, স্কুলে নয়, যেন একটা long drive-এ বেরিয়েছি। গাড়ি চালাতে চালাতেই মনটা বড্ড ভালো হয়ে যায়। সেদিনও ঠিক তেমনই যাচ্ছিলাম। একটু তাড়ায়েও ছিলাম। বৃষ্টি হওয়া মানেই কলকাতা ক্রমশ অচল হতে থাকে।

একটা signal-এ দাঁড়িয়েছি। পাশের Uber-এ একটা ছোট্ট মেয়ে বসে। আট-দশ বছর হবে। পাশে ওর মা। মেয়েটা জানলার দিকে মুখ করে বসে ছিল। মুখটা দেখে মনে হল, মনটা ভালো নেই। কী হয়েছে জানি না। হয়তো স্কুলে কিছু হয়েছে, হয়তো মা বকেছে, হয়তো নিছকই কোনও ছোট্ট মন খারাপ। ছোটদের মন খারাপের কারণগুলো তো সবসময় বড়দের কাছে পৌঁছয় না। তা যাইহোক, হঠাৎ আমাদের চোখাচোখি হল। আমি ওর দিকে তাকিয়ে হাসলাম। হাত নেড়ে একটা Hi করলাম। বাচ্চাটা একটু চমকে গিয়ে খুব মন দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমি আবারও হাসলাম। পুঁচকেটাও হাসল। তারপর বেশ কিছুক্ষণ আমাদের এই হাসি বিনিময় চলল। কোনও কথা নেই। শুধু চোখাচোখি আর হাসি। এর মধ্যেই signal ছেড়ে দেওয়ার সময় হয়ে গেল। ওদের গাড়িটা একটু আগে বেরিয়ে গেল। আমি গাড়ি চালিয়ে এগোনোর আগেই দেখলাম, মেয়েটা windshield-এর ভেতর দিয়েই আমার দিকে হাত নেড়ে টাটা করছে। আমি-ও হাত নাড়লাম। গাড়ি এগিয়ে যাচ্ছে। আর ও ঘাড় ঘুরিয়ে আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। কী জানি কেন, দৃশ্যটা কিন্তু আমার মনে থেকে গেল। বেশ দাগ কেটে গেলো। হয়তো মেয়েটির কাছে ব্যাপারটা খুব simple ছিল—একজন মহিলা নিজে গাড়ি চালাচ্ছে। সেটাই হয়তো ওর কাছে একটু নতুন, একটু interesting লেগেছিল। হয়তো আমাকে নিয়ে ওর ছোট্ট মনে কোনও গল্পও তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আমার কাছে ওর সেই কয়েক মিনিটের উপস্থিতিটা অন্যরকম। কারণ, আমি তো জানি না ওর মন খারাপটা কীসের জন্য ছিল। জানি না আমাদের সেই ছোট্ট interaction-এর পর ওর মনটা আদৌ ভালোও হয়েছিল কিনা। শুধু এটুকু জানি, একটা অচেনা ছোট্ট মেয়ে, একটা বৃষ্টির সকাল আর একটা traffic signal—এই তিনটে জিনিস মিলে আমার সকালটাকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও একটু অন্যরকম করে দিয়েছিল। জীবনে তো আমরা কত মানুষের পাশ দিয়ে চলে যাই। কেউ আমাদের মনে থাকে না। আমরাও কারও মনে থাকি না। আবার কখনও কখনও, এরকম মাত্র দু' চার মিনিটের জন্য দেখা হওয়া একজন অপরিচিত মানুষও অদ্ভুতভাবে কিরকম মনে থেকে যায়! তাই সেদিন ভাবছিলাম, জীবনে ভালো কিছু করে যাওয়া মানেই যে সবসময় বড় কিছু করা, তা তো নয়। তাই না? এমনকি সবসময় কাউকে কিছু দেওয়ারও দরকার হয় না। ব্যাস, শুধু একটা হাসি। একটা acknowledgement! হয়তো সেটুকুই যথেষ্ট। কারণ কখনও কখনও অজান্তেই, আমাদের খুব সামান্য কোনও আচরণও কারও দিনটাকে একটু অন্যরকম করে তুলতে পারে। ঠিক বললাম কিনা?

আজকাল কি হয়েছে জানিনা, পোস্ট দিতে একদম ভালো লাগে না। রোজ এত এত অর্ডার বেরোচ্ছে, কিন্তু কোনোকিছুই পোস্ট করতে আর ভাল্লাগছে না। অফুরান ক্লান্তি, সাথে ইচ্ছেরও ঘাটতি হয়েছে বোধহয়।যাইহোক, দু চারদিনের অর্ডার থেকে কয়েকটা বাছাই করা অর্ডার এর ছবি পোস্ট করছি। ছবিতে আছে --

মোতি পোলাও
কাজু বেরেস্তা পোলাও
মোরগ পোলাও
ঘী এর তিনকোনা পরোটা
মাটন কষা
মাটন কালাভুনি
লোটে ঝুড়ি
মৌরলা মাছের চচ্চড়ি
লাউ চিংড়ি
শুক্ত
মোচার পাতুরি
ছানার ডালনা
ধোকার ডালনা
শ্রীলঙ্কান পর্ক
ফিশ চপ
ভেটকি ফিশ ফ্রাই
চিংড়ি মাছের ডিম এর ডেভিল
হাড়িভাঙ্গা মিষ্টি

ব্যাস!! এরকম খাবার আপনারও যদি খেতে, বা খাওয়াতে ইচ্ছে করে তাহলে আমাকে সরাসরি whatsap এ যোগাযোগ করে নেবেন। আর আমার কিচেন এর সব updates একদম নখদর্পণে রাখতে নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করলেই সোজা পৌঁছে যাবেন সেই ঠিকানাতেও।

https://whatsapp.com/channel/0029VbD9eYT8fewwOwFwvi2Z

খুব শিগগিরি প্রতিবারের মতো রাখিবন্ধন আর জন্মাষ্টমীর অর্ডার নেওয়া শুরু করব। যারা নিতে ইচ্ছুক, পোস্টগুলো খেয়াল রাখবেন শুধু।

📞 090383 26001

প্রতি বছরই তালের বড়ার জন্য এত ভালোবাসা পাই, কী যে আনন্দ হয় সে বলে বোঝানো যায় না। যে ভাবে আমাদের বাড়িতে তালের বড়া হয...
06/08/2026

প্রতি বছরই তালের বড়ার জন্য এত ভালোবাসা পাই, কী যে আনন্দ হয় সে বলে বোঝানো যায় না। যে ভাবে আমাদের বাড়িতে তালের বড়া হয়, ঠিক সেই একই ঘরোয়া রেসিপিতে, সেই একই ভাবে আপনাদের জন্যও বানাই। কোনো বিশেষ কৌশল থাকে না, কোনো অভিনবত্ব থাকে না—শুধু বাড়ির সাদামাটা প্রসেসে বানানো ঘরের স্বাদটুকু পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। সেই ভাবনা থেকেই একদিন Haarir Khobor এর উৎপত্তি। সময়ের অভাবে বা কারুর কারুর ক্ষেত্রে হয়তো বানানোর কায়েদা না জানার অভাবে হারিয়ে যেতে পারে এমন সব খাবার বানিয়ে খাওয়াবো সেই ইচ্ছে থেকেই প্রায় 5 বছর আগে শুরু করেছিলাম এই পথ চলা। হাঁড়ির খবরের বৃহত্তর পরিবার হয়ে আপনারাই আমাকে বারবার আরও ভরসা জুগিয়েছেন। আপনাদের প্রতিটি মেসেজ, ফোন, রিভিউ, বারবার রিপিট অর্ডার, এমনকি মানুষ যখন 250/- , 350/- (স্ক্রিনশট এও আছে) ডেলিভারি চার্জ দিয়ে যখন নিতে চান -- দেখে আমি সবসময়ই আপ্লুত হই। তখন মনে হয়, আমার ভিটে বাড়ির রান্নাঘরের, আমার গ্রামের বাড়ির আদুরে দুপুর, আমার ছেলেবেলার স্মৃতিগুলোর একটুকরো স্বাদ যেন আবারও আপনাদের বাড়িতে পৌঁছে দিতে পেরেছি। গত পাঁচ বছর ধরে এই বারংবার ভালোবাসা আর ভরসার জন্য অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এভাবেই পরিবার হয়ে পাশে থাকবেন। ❤️ আপাতত যেটুকু দুদিন যাবত তালের বড়ার রিভিউ পেয়েছি সেই দিয়ে একটা কাঁথা তৈরি করে রাখলাম। সকলের অনুরোধে এই দুদিন বানালাম। জন্মাষ্টমীর অর্ডার এখনও নেওয়া শুরু করি। তখন গোপু দাদার জন্য আরও অনেক প্রসাদি আইটেম থাকবে। আপনারা নিলে আমার whatsapp channel টা join করে রাখবেন। আপডেটস পেতে সুবিধে হবে। কবে কখন অর্ডার নেওয়া শুরু করব, প্রাইস ইত্যাদিও সমস্ত ডিটেইলস ওখানেই শেয়ার করি।

https://whatsapp.com/channel/0029VbD9eYT8fewwOwFwvi2Z

আমার নম্বর : 090383 26001

16ই আগস্ট, রোববার অন্তর মহলে আগস্ট মাসের বসে খাওয়ার দিন রেখেছি। খুব সুন্দর মেনু এবারে। বেশ কিছু হারানো ফেলে আসা বাঙালি ...
03/08/2026

16ই আগস্ট, রোববার অন্তর মহলে আগস্ট মাসের বসে খাওয়ার দিন রেখেছি। খুব সুন্দর মেনু এবারে। বেশ কিছু হারানো ফেলে আসা বাঙালি রান্নার পদ দিয়ে সাজিয়েছি পুরো আয়োজন, হবে আমার বাড়ির খাবার ঘরেই। যদি ইচ্ছুক থাকেন আমাকে সরাসরি যোগাযোগ করে নেবেন। বুকিং নেওয়া শুরু হয়ে গেছে।

(নীচে ছবিতে চিংড়ির পিঠে)

Lunch: 1.30 pm
Dinner : 7.30 pm
Location : Haarir Khobor

Booking number : 090383 26001

আমার কিচেনের whatsapp channel এর লিংক :
https://whatsapp.com/channel/0029VbD9eYT8fewwOwFwvi2Z

ভাই এর কথা আগেরদিন বলছিলাম। এখন রান্নাবান্না এ সাংঘাতিক ইন্টারেস্ট পেয়েছে। গত রোববার, ফোনে ফোনে চিলি চিকেন, ফ্রাইড রাইস...
03/08/2026

ভাই এর কথা আগেরদিন বলছিলাম। এখন রান্নাবান্না এ সাংঘাতিক ইন্টারেস্ট পেয়েছে। গত রোববার, ফোনে ফোনে চিলি চিকেন, ফ্রাইড রাইস ও রান্না করে ফেললো। কী যে আনন্দ লাগে! কিন্তু তার মধ্যেই আবার রান্না করতে গিয়ে হাত টা ও পুড়িয়েছে। ভিডিও কলে দেখালো। মনটা খারাপ হয়ে গেলো দেখেই। বোধহয় অন্যমনস্ক হয়ে গিয়েছিল, দুধ জ্বাল দিতে দিতে গরম লোহার শিকে হাত বসিয়ে দিয়েছে। ভালোই ফোস্কা পরেছে দেখলাম। ওষুধ টোষুধ দিয়ে এখন একটু ভালো। ভাই টা কলকাতাতে থাকলে কতই না ভালো হতো। কলকাতাতে চাকরির যা অবস্থা তাতে এত স্কিলড ছেলেপুলেরা চাইলেও কেউই কলকাতাতে ফিরে আসতেই পারছে না। কবে যে এর সুরাহা হবে ভগবানই জানেন। মনে মনে সবসময় চাই, অনেক বছর হলো এবার ঘরের ছেলে ঘরে ফিরুক।

নীচে দুটো আলাদা আলাদা অর্ডার। প্রথম টা হাতিবাগান থেকে এক দিদি তার নিজের জন্মদিনে নিজের জন্যই খাবার অর্ডার করেছিলেন।
তিনি নিয়েছিলেন --
শ্রীলঙ্কান পমফ্রেট
ভেটকি পাতুরি
গুড়ের পায়েস
নারকেল দুধের পুডিং
হাড়িভাঙ্গা মিষ্টি
আর পরের টা আমার ছোটবেলার এক বন্ধু পৌলমী অর্ডার দিয়েছিল। ও এখন কাজের সূত্রে বিদেশে থাকে। এখন কলকাতা এসেছে মেয়ের ছুটিতে। বাবা মাকে নিয়ে বাড়িতে একটু খাওয়া দাওয়া। ও যা যা
নিয়েছিল --
ইলিশ পোলাও
চিকেন মালাই কাবাব
আর হাড়িভাঙ্গা মিষ্টি

সবশেষে রইলো ফিডব্যাক। আচ্ছা , 16ই আগস্ট, রোববার কিন্তু Haarir Khobor এর ডাইনিং টেবিল সিরিজ এ অন্তরমহলে আগস্ট মাসের বসে খাওয়ার দিন রেখেছি। খুব সুন্দর মেনু এবারে। বেশ কিছু হারানো ফেলে আসা বাঙালি রান্নার পদ দিয়ে সাজিয়েছি পুরো আয়োজন। যদি ইচ্ছুক থাকেন আমাকে সরাসরি যোগাযোগ করে নেবেন। আমার নম্বর 090383 26001 । লোকেশন আমার বাড়ির ডাইনিং রুম।

অনেক দিন পর আবার পোস্ট করছি। আজকাল নানা কারণেই পোস্ট করা নিয়ে বেশ irregular হয়ে গেছি। তাতে ক্ষতি যদিও আমারই হয়! তবে এ...
30/07/2026

অনেক দিন পর আবার পোস্ট করছি। আজকাল নানা কারণেই পোস্ট করা নিয়ে বেশ irregular হয়ে গেছি। তাতে ক্ষতি যদিও আমারই হয়! তবে এও আলিস্যির আরেক রঙ। তো, যাইহোক, আজ একটা দারুণ গল্পও শেয়ার করব। আমার ভাই তো ব্যাঙ্গালোরে থাকে—এ কথা অনেকেই জানেন। ওর বাড়িতে যিনি রান্না করতেন, তিনি হঠাৎ ই কোনো কারণে গ্রামে ফিরবে বলে কাজ ছেড়ে দিলেন। ভাই আর একজন নতুন রান্নার লোক রাখল। কিন্তু সে রান্না কম, কামাই করে বেশি! ভাইয়ের office hybrid mode-এ, কিন্তু রান্নাবান্নার ব্যাপারে ওর অবস্থা মোটামুটি জল গরম, চা, ম্যাগি, ডিম ভাজা - এই অবধি। ফলে নতুন রান্নার মেয়ে একদিন কামাই করলেই ওর জীবন burger, roll আর বাইরে থেকে order-এর মধ্যেই আটকে যাচ্ছে। কিন্তু এভাবে আর কাঁহাতক চলে! দেখলাম, ছেলেটা এই নিয়ে রীতিমতো anxiety-তে টালমাটাল। তার মধ্যে একদিন chicken কিনে রেখেছে, আর সেদিনই রান্নার মেয়ে কামাই। ফোন করে প্রায় কান্নাকাটি—
“এই chickenটা এখন কী হবে?”

আমি বললাম, “ভিডিও কল on কর। আজ তুইই রান্না করবি।” -- মনে হলো, NASA থেকে rocket launch করার instruction দিচ্ছি।

প্রথমে shortcut method-এ chicken-এ সব মশলা-টসলা মাখিয়ে marinate করালাম। তারপর বললাম, “আলু কাট। জল দিয়ে microwave-এ চার মিনিট দে।”

ওদিকে আমি বলছি—
“এবার কড়াই গরম কর…”
“এবার পেঁয়াজ দে…”
“আরও একটু নাড়…”
“না না, ওইটা এতটা পুড়িয়ে ফেলিস না!”

ও ঠিক পাখি-পড়ার মতো করে সব করতে করতে শেষমেশ যে চিকেন কষা বানাল, সেটা সত্যিই ধুন্ধুমার! দুর্দান্ত রং এসেছে। টেস্ট করে তারপর নিজের রান্না নিজে খেয়ে এমন একটা expression দিলো —যেন পাঁচতারা hotel-এর chef ওকে personally প্রশংসা করেছে! পরের দিন আবার chicken কিনে নিজেই রান্না করেছে। এবার নাকি আরও ভালো হয়েছে। Practice indeed makes perfect.

তারপর শুরু হলো আমার নতুন job profile—
Bangalore-এর remote cooking instructor; গত এক সপ্তাহ ধরে video call-এ ধরে ধরে, মাছের ঝাল, ডিমের ঝোল, ফুলকপি-আলু দিয়ে মাছের ঝোল—সব বানানো শিখিয়েছি। আর যে ভাইটা রান্নার কথা ভাবলেই কিছুদিন আগে anxiety-তে হাঁপিয়ে যাচ্ছিল, সে এখন রীতিমতো রান্না নিয়ে সুপার উৎসাহী!

আজ ফোন করে বলেছে—
“ডাল শিখব। আলুপোস্ত শিখব। চচ্চড়িও।” এই এক সপ্তাহ শেখা সেলিব্রেট করতে রোববার আবার চিলি চিকেন আর ফ্রাইড রাইস শিখবে।

আমি ভাবছি, আর ক’দিন পরে হয়তো ফোন করে বলবে—
“দিদি, আজ একটু শুক্তো আর মোচার ঘন্টের class নেব?”

সত্যি বলতে কী, ওকে এইভাবে নিজের খাবার নিজে রান্না করতে দেখে আমার ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। মনে হচ্ছে, এটা যেন আমার নিজের একটা ছোট achievement। রান্না যে শুধু খাওয়ানোর কাজ নয়, রান্না একটা দারুণ stress reliever-ও সে কথাও আবার প্রমাণিত হলো। কতটা anxiety নিয়ে শুরু করেছিল, আর এখন নিজের রান্না খেয়ে নিজেই কত খুশি! দিদি হিসেবে আমার আনন্দের সীমা নেই। আমি তো ভাবছি এবার তাহলে Haarir Khobor এর ব্যাঙ্গালোর ইউনিট খুলেই ফেলবো !!! 😄😝

আসলে কি জানেন তো, মানুষের অনেক সময় একটা ছোট্ট push, just একটু উৎসাহ লাগে -- বাকিটা সে নিজেই করে ফেলতে পারে।

নীচে গতকাল এর শুঁটকি পপ আউটের ছবি। সাথে কিছু ফিডব্যাক। এখনও সবার ফিডব্যাক পাইনি। ভর্তাশুটকি আর পাঁচমিশালি সবজি শুঁটকি মিলিয়ে কাল 7 কিলো শুঁটকি রেধেছি। এখনও আমার বাড়ি শুঁটকির গন্ধে ভরে আছে।

আমার বাড়িতে আগস্ট মাসের বসে খাওয়ার তারিখ 16th August, রোববার। অন্তর মহলের চতুর্থ পর্ব -- পুরোনো কিছু ফেলে আসা রান্নার সম্ভার নিয়ে সাজানো থাকবে এই মেনু। আরও ডিটেইলস এর জন্য আমাকে সরাসরি যোগাযোগ করুন পাশে দেওয়া নম্বরে -- 090383 26001

আজ আবার একটা রোববার আর অন্তরমহলে জুলাই মাসের বসে খাওয়ার দিন। সেই উপলক্ষে হয়ে গেলো ডাইন ইন এর 3য় পর্ব। বর্ষা--- অতএব ব...
26/07/2026

আজ আবার একটা রোববার আর অন্তরমহলে জুলাই মাসের বসে খাওয়ার দিন। সেই উপলক্ষে হয়ে গেলো ডাইন ইন এর 3য় পর্ব। বর্ষা--- অতএব বলাই বাহুল্য, ছিল ইলিশ। ইলিশের লেজা থেকে মুড়ো, তেল, ডিম সব কিছু ব্যবহার হয়েছে এখানে সমস্ত পদেই। ইলিশের ঘাড়ে বসে কয়েক ঘণ্টার জন্য অতিথিরা পাড়ি দিয়েছিল ফ্রান্স থেকে বাংলার রান্নাঘরে। নিউটাউন থেকে দুটি আলাদা আলাদা পরিবার, বেহালা থেকে একটি ও বেলেঘাটা থেকে অন্য আরেকটি পরিবার এসেছিলেন। খুব আড্ডা, গপ্পো, খাওয়া দাওয়া করে কেটে গেলো রোববারের সারাটা দুপুর ও সন্ধ্যে। মেনুতে রেখেছিলাম --

ফ্যানা (complimentary welcome drink)
গন্ধরাজ homemade toasts
ইলিশ রো পাতে (একরকমের ফ্রেঞ্চ স্প্রেডের অনুকরণে তৈরি ইলিশ এর ডিম দিয়ে তৈরি স্প্রেড)
ইলিশ মুড়োর গুর তেঁতুল স্লো সিপ
ইলিশ ক্রোকেট (deboned chops)
Traditional সাদা ভাতের সাথে ডাব ইলিশ
ইলিশ লেজের কালো জিরে ঝোল শট
Traditional পুরান ঢাকার ইলিশ পোলাও
পাঁচফোড়ন দই

আগামী আগস্ট মাসের অন্তর মহলের ডাইন ইন ডেটটা খুব শিগগিরি announce করব। এবারের থিম বাংলার হারানো ট্র্যাডিশনাল কিছু রান্না নিয়ে - 'হারানো সুর'।
এইসমস্ত আপডেটস হাতেনাতে পেতে নিচে দেওয়া লিঙ্ক ক্লিক করে জয়েন হয়ে থাকতে পারেন।

https://whatsapp.com/channel/0029VbD9eYT8fewwOwFwvi2Z

আমাকে যোগাযোগ করার নম্বর : 090383 26001
Haarir Khobor

আজ কতদিন হয়ে গেলো, যন্তর মন্তর বৃষ্টিতে সিক্ত, গরমে তেতে পুড়ে ক্লান্ত! সারাদিন ধরে খবরগুলো দেখছি, আর বারবার মনে হচ্ছে—...
23/07/2026

আজ কতদিন হয়ে গেলো, যন্তর মন্তর বৃষ্টিতে সিক্ত, গরমে তেতে পুড়ে ক্লান্ত! সারাদিন ধরে খবরগুলো দেখছি, আর বারবার মনে হচ্ছে—বাড়িতে আমারও তো একটা প্রায় 17 বছরের ছেলে আছে। যদি এমনটা ওর সাথে হতো! ভাগ্যিস...!!! বারবারই ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটা বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়ের মুখেই যেন নিজের সন্তানের মুখই দেখতে পাচ্ছি। তাদের বাবা-মায়ের বুকফাটা অপেক্ষা, অসহায়তা, উৎকণ্ঠা সমস্তটাই যেন ভীষণ ভাবে কল্পনা করতে পারছি; ভিডিও গুলো দেখলে বুক এর ভিতর টা ভারী হয়ে আসছে। উর্দির সম্মান, চেয়ারের সম্মান রাখে না কেউ। দেশের কিশোর কিশোরীরা, আমাদের সন্তানরা কি একদিন এভাবেই হারিয়ে যাবে, তলিয়ে যাবে হতাশার সমুদ্রে? আজ সারাদিন কাজের মধ্যেও মনটা খুব অস্থির ছিল। বারবার মনে হচ্ছিল, এত দূরে বসে তো কিছুই করতে পারব না, তাই নিজের সামর্থ্য মতো Swiggy-র মাধ্যমে যন্তর মন্তরের প্রতিবাদস্থলে থাকা মানুষদের জন্য সামান্য কিছু খাবার পাঠালাম। এই সামান্য খাবার তাদের সংগ্রামকে সহজ করবে না, তাদের যন্ত্রণাও কমাবে না। তবু মনে হলো, এই সময়ে নীরব দর্শক হয়ে থাকার চেয়ে মানবিকতার পাশে সামান্য দাঁড়াতে পারলেও তো অন্তত নিজের মনের শান্তি। প্রতিক্ষণে প্রার্থনা করি, কোনো বাবা-মায়ের যেন আর সন্তানের জন্য এভাবে রাস্তায় দাঁড়াতে না হয়। কোনো সন্তানের জীবন যেন আর এমন অবহেলার কাছে হার না মানে।

নীচে আজকের কিছু অর্ডারের ছবি। মেনু তে সব মিলিয়ে যা যা ছিল --

চিংড়ি মাছের পুর ভরা পটলের দোলমা
নিরামিষ পটলের দোলমা
মাছের ডিমের ডেভিল
ভেটকির ইংলিশ পাতুরি
রেড চিলি ফ্লেক্স মালাই টেংরি
বাসন্তী পোলাও
আমসত্ত্ব পোলাও
কাঁচালঙ্কা মাটন
মাটন কালীভুনি
চিকেন কষা
নারকেলের চপ
ছানার ডালনা
গুড়ের পায়েস
হাড়িভাঙ্গা মিষ্টি

আমার নম্বর নিচে দেওয়া রইলো। কারুর ছোটখাটো পার্টি বা গ্যাদারিং এর জন্য খাবার প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করতে পারেন আমাকে, সরাসরি। আমার কোনো মিনিমাম অর্ডার ভ্যালু নেই।

090383 26001
Haarir Khobor

আপনি কি বুকিং করেছেন? বৃষ্টিতে ইলিশ এবারের থিম  --  অন্তরমহল, the dining table series এর ৩য় অধ্যায়। তাই 26শে জুলাই রোব...
22/07/2026

আপনি কি বুকিং করেছেন? বৃষ্টিতে ইলিশ এবারের থিম -- অন্তরমহল, the dining table series এর ৩য় অধ্যায়। তাই 26শে জুলাই রোববার - ওই দিন আমার বাড়িতে অন্তরমহলের দরজা আপনাদের জন্য খোলা।

Available slots
1.30 pm
7.30 pm (sold out)

Booking whatsapp number 090383 26001

থাকবে ইলিশ মাছের ডিম দিয়ে তৈরি এক অনবদ্য ফ্রেঞ্চ স্প্রেড, বাড়িতে তৈরি গন্ধরাজ টোস্ট, ইলিশ মাছের চপ, traditional ডাব ইলিশ, ইলিশ পোলাও, ইলিশ এর মুরোর কালো জিরে ঝোল, ইলিশের টক, আর একদম শেষে এক অনবদ্য ভাজা-মশলার ভাপা দই। এই মেনু না পরখ করলে, চূড়ান্ত মিস। তাই আর মাত্র কয়েকটি সিট খালি আছে, এখনই বুকিং করুন আপনার জন্য।

Address

Purbadiganta
Kolkata
700075

Opening Hours

Monday 12pm - 8:30pm
Tuesday 12pm - 8:30pm
Wednesday 12pm - 8:30pm
Thursday 12pm - 8:30pm
Friday 12pm - 8:30pm
Saturday 12pm - 8:30pm
Sunday 12pm - 8:30pm

Telephone

+919883033468

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Haarir Khobor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Haarir Khobor:

Shortcuts

Share