Qari Ahmadullah Ishaati

  • Home
  • Qari Ahmadullah Ishaati

Qari Ahmadullah Ishaati Islamic quran study and learning.Islamic icon .Quran recitation.quranic tone.tajweed,maqamat,islamic lecture,speech of hadith and Quran .

08/08/2026

(*ইমামতি করে বা শিক্ষকতা করে পারিশ্রমিক গ্রহণ করা*)

(*প্রচারে: M***i Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)


*প্রশ্ন:*

*কিছু কিছু আলেম বলেছেন ইমামতি করে, মাদ্রাসায় পড়িয়ে টাকা নেওয়া জায়েজ নয় এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।*

*প্রশ্নকারীর নাম: আব্দুল হামিদ মোল্লা*

*প্রশ্নকারীর ঠিকানা: কোলাঘাট পূর্বমেডনিপুর*

*উত্তর:*

(*ফতওয়া নং ২১৮*)






ইমামতি করে, মাদরাসায় পড়িয়ে পারিশ্রমিক বা সম্মানি গ্রহণ করা যাবে। এটা মুতাআখিরীন আলেমদের অভিমত। পরিস্থিতির বিবেচনায় এটিই বর্তমান ফতওয়া গ্রাহ্য মত। যারা না জাইয বলছেন, তারা অতিত কালের ফতওয়া বলছেন, যখন ধর্মীয় কর্মরত ব্যক্তিদেরকে বায়তুলমাল বা সরকারি কোষাগার থেকে ভাতা বা সম্মানি দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। এটা বোঝার জন্য নিন্মোক্ত কতিপয় বিষয় জানা যথেষ্ট।
১. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গনিমত থেকে প্রাপ্ত খুমুস তথা পঞ্চমাংশ থেকে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ইবনে আবু ‘উমর (রাহঃ) ... মালিক ইবনে আওস ইবনে হাদছান (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আমি উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, বনু নাযির থেকে হস্তগত সম্পদ হল, আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলকে যে, ‘‘ফায়” প্রদান করেছেন, যার জন্য মুসলিমরা ঘোড়া বা উটে আরোহণ পূর্বক যুদ্ধ করেনি অর্থাৎ বিনা যুদ্ধে যে সম্পদ মুসলিমদের হস্তগত হয়েছিল। এ ছিল বিশেষ করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জন্য। এ থেকে তিনি তাঁর পরিবারের বছরের খোরাক আলাদা করে নিতেন। আর বাদবাকী তিনি ঘোড়া ও অস্ত্র ইত্যাদি আল্লাহর পথে জিহাদের উপকরণ সংগ্রহের জন্য ব্যয় করতেন।

*(জামে' তিরমিযী, হাদীস নং ১৭১৯)*

২.রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তেকালের পর খোলাফায়ে রাশেদীন বাইতুল মাল থেকে ভাতা গ্রহণ করতেন। ইসমাঈল ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ... আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ)-কে খলীফা বানানো হল, তখন তিনি বললেন, আমার কওম জানে যে, আমার উপার্জন আমার পরিবারের ভরণ-পোষণে অপর্যাপ্ত ছিল না। কিন্তু এখন আমি জনগণের কাজে সার্বক্ষণিক ব্যাপৃত হয়ে গেছি। অতএব আবু বকরের পরিবার এই রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে খাদ্য গ্রহণ করবে এবং আবু বকর (রাযিঃ) মুসলিম জনগণের সম্পদের তত্ত্বাবধান করবে।

(*সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২০৭০*)

৩.কুরআনুল কারীম শিক্ষা দানে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত ক্বারীদের জন্য খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগে বাইতুল মাল থেকে সম্মানজনক ভাতা ধার্য হতো।
ওয়াযীন ইবনে আতা বর্ণনা করেন; মদিনা তাইয়্যিবাতে ৩ জন মুআল্লিম (শিক্ষক) ছিলেন, যারা শিশুদেরকে পাঠদান করতেন। হযরত ওমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের প্রত্যেককেই প্রতিমাসে ১৫ দিরহাম করে ভাতা প্রদান করতেন।

(*আল মুহাল্লা খন্ড: ৯/১৫ পৃষ্ঠা*)

(*,মুসান্নাফ ইবনু আবী শাইবাহ ৪/৩৪১, পৃষ্ঠা*)

উপরোক্ত ঘটনাগুলির আলোকে প্রমাণ হয় যে, ইমাম ও কুরআনের শিক্ষকদের ভাতা বা সম্মানী শরীয়ত সম্মত।

*উল্লেখ্য,:* যেসব হাদীসে কুরআনের শিক্ষকরা ছাত্রের কাছ থেকে হাদীয়া গ্রহণ করায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে সেগুলো ব্যাখ্যা সাপেক্ষ।
একটি ব্যাখ্যা হল; বাইতুল মাল থেকে শিক্ষকদের জন্য ভাতা ধার্য করার পরেও তারা যদি ছাত্রদের কাছ থেকে হাদিয়ার নামে কিছু নিয়ে থাকে তাহলে সেটি একই কাজের দুইবার পারিশ্রমিক নেওয়ার মতো হয়ে যায়। বিধায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ; কোন স্কুলের শিক্ষক তার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে যদি বখশিস গ্রহণ করে, প্রধান শিক্ষক এটা শুনলে এটার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবেন। তিনি বলবেন, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আপনাকে বেতন দেওয়ার পরেও ছাত্রদের কাছ থেকে কেন ঘুষ নিচ্ছেন ❓

*واللہ اعلم بالصواب*

*স্বাক্ষরঃ*

(*মুফতী সাইফুল ইসলাম কাসিমী*)

কোন প্রশ্ন থাকিলে দয়া এসএমএস করে জানাতে ভুলবেন না

(*প্রচারে; Qari Ahmadullah Ishaati

আসলি (أصل) বা মূল (সুর) মাক্বামাত—৭টি নাকি ৮টি?ক্বিরাত ও মাক্বামাতের পূর্ববর্তী অনেকক্বুররা বা মাক্বামাত বিশেষজ্ঞের মতে,...
08/08/2026

আসলি (أصل) বা মূল (সুর) মাক্বামাত—৭টি নাকি ৮টি?

ক্বিরাত ও মাক্বামাতের পূর্ববর্তী অনেক
ক্বুররা বা মাক্বামাত বিশেষজ্ঞের মতে, আসলি (أصل) মাক্বামাত ৭টি।
কারণ তারা মাক্বাম কুরদ (كرد)-কে স্বতন্ত্র মাক্বাম হিসেবে গণ্য করেন না। বরং তাদের মতে, এটি মাক্বাম বায়াতি (بيات) থেকে উদ্ভূত একটি ফুরু' (فروع) বা শাখা মাক্বাম।

এ কারণেই তারা মূল মাক্বামাত মনে রাখার জন্য "صنع بسحر" (সুনিয়া বিসাহার) বাক্যটি ব্যবহার করতেন।
صُنِعَ بِسِحْرٍ (সুনিয়া বিসাহার) = ৭ আসলি মাক্বাম
ص (স) = صبا_saba
ن (ন) = نهاوند_Nahawand
ع (আ) =عجم_ajam
ب (বি) = بياتي-Bayati
س (সি) = سيكا sikaa
ح (হা) = حجاز Hizaaj
ر (র) = رست_ Rast

অন্যদিকে, আধুনিক অনেক মাক্বামাত বিশেষজ্ঞ মাক্বাম কুরদ-কে একটি স্বতন্ত্র (أصل) মাক্বাম হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাই তাদের মতে, আসলি মাক্বামাতের সংখ্যা ৮টি। এজন্য তারা পূর্বের "صنع بسحر"-এর সঙ্গে একটি ك (কাফ) যোগ করে বলেন—

"صنع بسحرك"
(সু নিআ বি সিহ রিক)

অর্থাৎ—
পূর্ববর্তীদের কিছু সংখ্যক মত: আসলি মাক্বামাত ৭টি।
আধুনিক মত: আসলি মাক্বামাত ৮টি।

"এটি মূলত পরিভাষাগত (اصطلاحي) ও শিক্ষাপদ্ধতিগত মতভেদ। তাই কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে ৭টি বা ৮টি—উভয় গণনাই গ্রহণযোগ্য।"

আর যারা অতিমাত্রায় জ্ঞ্যানী,এবং মাক্বামাতকে বিদ'আত বলে থাকেন, সেই ব্যাপারে আরেকদিন আলোচনা করবো ইনশাআল্লাহ!

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ক্বিরাত ও মাক্বামাতের ইলম সঠিকভাবে বুঝে তা আমল ও শিক্ষায় কাজে লাগানোর তাওফীক দান করুন। আমীন।
Qari Ahmadullah Ishaati

(*ঈজাব-কবুল বিয়েতে আবশ্যক*)(*প্রচারে:Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)*প্রশ্ন:*   *আমি একটি বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলাম এবং বি...
04/08/2026

(*ঈজাব-কবুল বিয়েতে আবশ্যক*)

(*প্রচারে:Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

*প্রশ্ন:*

*আমি একটি বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলাম এবং বিবাহ পড়ানোর মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। আমি লক্ষ্য করলাম প্রথমে ইমাম সাহেব পাত্রী পক্ষ থেকে একজন মানুষকে উকিল হওয়ার কথা বললেন। তারপর ওই উকিল দুলহার কাছ থেকে অনুমতি চাইলেন পাত্রীর কাছে গিয়ে কবুল করানোর জন্য। দুলহা নিজে "ইনশাআল্লাহ যান" বলে মেয়ে পক্ষের উক্ত উকিলকে দুলহানের কাছে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। এরপর উকিল সাহেব ২-৩ জন সাক্ষী সহকারে দুলহানের কাছে যান এবং তার কাছ থেকে কবুলিয়াত নিয়ে ফিরে আসেন। তারপর মজলিসে এসে সেই উকিল সাহেব সকলের সামনে এলান করেন যে, অমুকের কন্যা অমুক, 12000 দেনমোহর সহকারে অমুকের পুত্র অমুককে বিবাহের জন্য রাজি হয়েছে, বলে সাক্ষীগণকে হাত তুলে দেখাতে বলেন। সাক্ষীগণ সহমত পোষণ করেন। এরপর ইমাম সাহেব খুতবা প্রদান করেন এবং দোয়া করে দেন। কিন্তু দুলহার কাছে এসে কোন ধরনের "কবুল হে" বলানো হয়নি। আমার প্রশ্ন যে, উক্ত তরিকায় কি বিবাহ শুদ্ধ হয়ে যাবে❓ যেখানে কেবলমাত্র পাত্রীর কাছ থেকে কবুল পড়ানো হয়েছে কিন্তু পাত্রের কাছ থেকে কোন ধরনের কবুল পড়ানো হয়নি*!

*প্রশ্নকারীর নাম: মহঃ সাহিল খাঁন*

*প্রশ্নকারীর ঠিকানা: কুরিট, আমতা, হাওড়া*

*উত্তর:*

(*ফতওয়া নং ৪৩৭*)

পাত্র-পাত্রী বা তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তির ঈজাব-কবুল আবশ্যক। ঈজাব-কবুল ছাড়া বিয়ে হয়না। প্রশ্নে বর্ণিত ঘটনায় যদি দুলহা উক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিবাহের ওকিল হিসেবে দুলহানের কাছে পাঠিয়ে থাকে আর উক্ত ওকিল সাক্ষীদ্বয়ের উপস্থিতিতে দুলহানের কবুল নিয়ে থাকে *তাহলে বিয়ে শুদ্ধ হয়েছে*।

( *ফাতাওয়া দারুল উলুম: ৭/৫৫ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য* )





(*স্বাক্ষর*)

(*মুফতী: সাইফুল ইসলাম কাসিমী*)

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

(🍇*ইন্টারনেট জগতের গুনাহ: ভয়াবহতা এবং বাঁচার ১২টি আমল:*🍇👇🆗👇)(*প্রচারে:Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)*-----------✴️(পার্ট ...
02/08/2026

(🍇*ইন্টারনেট জগতের গুনাহ: ভয়াবহতা এবং বাঁচার ১২টি আমল:*🍇👇🆗👇)

(*প্রচারে:Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

*-----------✴️(পার্ট :২২)✴️-----------*

💫*গুনাহ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে একটি নেক আমল করে নিবেন:* উল্লেখিতো ১২ টি পদক্ষেপ নেওয়ার পরেও গুনাহ হয়ে যেতে পারে। মাঝে মাঝে হোঁচট খেতে পাতে পারেন। তাহলে সঙ্গে সঙ্গে একটি নেক আমল করে নিবেন। বলতে পারেন, গুনাহটি হয় সাধারণতো গভীর রাতে। তখন কী নেক আমল করবো❓ আমি বলবো, তখনই তো নেক আমল করার ব্যাপক সুযোগ। যেমন, লা ইলাহা ইল্লাহ্ পড়তে পারেন। আধা ঘণ্টা গুনাহ করেছেন, অন্ততো পাঁচ মিনিট হলেও বলুন, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্।

📚হাদীস শরিফে এসেছে, হযরত আবু জর গিফারী (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) রাসুলুল্লাহ *ﷺ* এর কাছে আবেদন করেছিলেন--⤵️

*يا رسولَ اللَّهِ علِّمني شيئًا يقرِّبُني منَ الجنَّةِ ويباعدُني منَ النَّارِ*

ইয়া রাসুলাল্লাহ্! আমাকে এমন কৌশল শিখিয়ে দিন, যা আমাকে জান্নাতের কাছে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে সরিয়ে দিবে।

📘তখন রাসুলুল্লাহ্ *ﷺ* তাকে বলেছেন--⤵️

*إذا عمِلتَ سيِّئةً فأتبِعها حسنةً*

গুনাহ করে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে একটি নেক আমল করে নিবে। আবু জর গিফারী (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ!

*أمنَ الحسَناتِ لا إلَه إلَّا اللَّه ؟*

লা ইলাহা ইল্লাহ-ও কি নেক আমল?/❓

✴️রাসুলুল্লাহ্ *ﷺ* উত্তরে বলেছেন--⤵️

*هيَ أحسَنُ الحسَناتِ*

এটি তো সর্বোত্তম নেক আমল।

(*মুসনাদ আহমাদ হাদীস নং:২১৫২৫)*

*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

(*এক সাথে দুই বোনকে বিয়ে করা*)(*প্রচারে: Ahmadulllah পক্ষ থেকে বার্তা*)(*ফাতাওয়া নং: ৪)**৪র্থ পারার সূরা নিসার ২৩ নং আয়...
30/07/2026

(*এক সাথে দুই বোনকে বিয়ে করা*)

(*প্রচারে: Ahmadulllah পক্ষ থেকে বার্তা*)

(*ফাতাওয়া নং: ৪)*

*৪র্থ পারার সূরা নিসার ২৩ নং আয়াতে* দুই বোনকে একত্রে স্ত্রী রূপে রাখাকে *হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে*।

যদি কোন ব্যক্তি (*এক মায়ের কিংবা এক বাপের) দুই বোনের সাথে আগপিছ করে বিয়ে করে,* অর্থাৎ একই সময় একই ঈজাব-কবূল দ্বারা বিয়ে না করে আলাদা আলাদা সময়ে বিয়ে করে, *তাহলে প্রথমার বিয়ে শুদ্ধ হবে এবং তার গর্ভজাত সন্তান বৈধ বলে বিবেচিত হবে*। আর *দ্বিতীয়ার বিয়ে বাতিল হবে এবং তার গর্ভজাত সন্তান জারজ বলে গণ্য হবে*।

যদি কেউ এরূপ বিবাহ করেই ফেলে আর তারপর দ্বিতীয়া বিবাহিতা মারা যায়, *তাহলে প্রথমার সাথে পুনরায় বিয়ে পড়তে হবে না*। বরং পূর্বের বিয়ে বহাল থাকবে। আর *স্বামীর জন্য এই গোনাহের কাফফারা এটাই* যে, সে নিজের কুকর্ম থেকে তওবা-ইস্তিগফার করবে। এছাড়া অন্য কিছু *কাফফারা দিতে হবে না*। মনে রাখা দরকার যে, কোন কাযী বা ইমাম যদি জেনে শুনে এরূপ বিয়ে পড়িয়ে দেয়, *তাহলে সে গোনাহগার হবে;* তওবা করে নেবে। আর *তার পিছনে নামায পড়া মকরূহ*।

*(ফাতাওয়া দারুল উলুম: ৭/৪৫৩-৪৫৪ পৃষ্ঠা দ্রষ্টব্য)*

*উল্লেখ্য,:* *হযরত আল্লামা আজীজুল হক কাসেমী সাহেব বলেনঃ* দুই বোনকে এক সাথে বিয়ে করা হালাল জেনে বিয়ে করলে ও বিয়ে পড়ালে এবং সহযোগিতা করলে সকলেই *কাফির হবে*। এমতাবস্থায় তওবা করে *নতুন করে কলিমা পড়ে মুসলমান হতে হবে*। উপরন্তু, বিবির সাথে *পুনরায় নিকাহ করতে হবে*।

(*নতুন যুগের ফাতাওয়া: ৭২, পৃষ্ঠা*)

*واللہ اعلم بالصواب*

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

(*ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর স্ত্রী কি অন্যত্র বিয়ে করতে পারবে❓*)(*প্রচারে: qari Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)*প্রশ্ন:**এ...
28/07/2026

(*ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর স্ত্রী কি অন্যত্র বিয়ে করতে পারবে❓*)

(*প্রচারে: qari Ahmadullah পক্ষ থেকে বার্তা*)

*প্রশ্ন:*

*একজন জানতে চেয়েছে, স্বামী জেলে ফাসির রায় হয়েছে তার ৩ ছেলে মেয়ে। তিনি ছেলে মেয়ে নিয়ে কষ্টে আছেন। এখন তিনি কি আবার বিয়ে করতে পারবেন অন্য কাউকে❓*

*উত্তর:*

*بسم الله الرحمن الرحيم*

স্বামীর ফাঁসি কার্যকর হবার চার মাস দশদিন ইদ্দত পালন করার পর উক্ত মহিলা অন্যত্র বিয়ে করতে পারবেন। ]

এর আগে স্বামী তালাক না দিলে পারবেন না।

তালাক দিলেও ইদ্দত শেষ হবার পর বিয়ে করতে হবে।

*وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا فَإِذَا بَلَغْنَ أَجَلَهُنَّ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا فَعَلْنَ فِي أَنفُسِهِنَّ بِالْمَعْرُوفِ وَاللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ خَبِيرٌ*

*﴿البقرة: ٢٣٤﴾*

*وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ*

*﴿البقرة: ٢٢٨﴾*

*وَلَا تَعْزِمُوا عُقْدَةَ النِّكَاحِ حَتَّىٰ يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِي أَنفُسِكُمْ فَاحْذَرُوهُ وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ غَفُورٌ حَلِيمٌ*

*﴿البقرة: ٢٣٥﴾*

*لا يجوز للرجل أن يتزوج زوجة غيره، وكذالك المعتدة سواء كانت العدة عن طالق، أو وفاة*

*(الفتاوى الهندية، كِتَابُ النِّكَاحِ وَفِيهِ أَحَدَ عَشَرَ بَابًا، الْبَابُ الثَّالِثُ فِي بَيَانِ الْمُحَرَّمَاتِ وَهِيَ تِسْعَةُ أَقْسَامٍ، الْقِسْمُ السَّادِسُ الْمُحَرَّمَاتُ الَّتِي يَتَعَلَّقُ بِهَا حَقُّ الْغَيْرِ-1/280،)*

*بدائع الصنائع، كتاب النكاح عدم جواز منكوحة الغير-2/547، زكريا،)*

( *البحر الرائق، كتاب النكاح، فصل فى المحرمات-3/108)*

*والله اعلم بالصواب*

*উত্তর লিখনে:*

(*মুফতী:লুৎফুর রহমান ফরায়েজী*)

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

(🍊*ইন্টারনেট জগতের গুনাহ: ভয়াবহতা এবং বাঁচার ১২টি আমল:*🍊👇👇)(*প্রচারে: Ahmad Ahmad  পক্ষ থেকে বার্তা*)*-----------✴️(পার্...
27/07/2026

(🍊*ইন্টারনেট জগতের গুনাহ: ভয়াবহতা এবং বাঁচার ১২টি আমল:*🍊👇👇)

(*প্রচারে: Ahmad Ahmad পক্ষ থেকে বার্তা*)

*-----------✴️(পার্ট :১৮)✴️-----------*

✅*৮) নং আমল: আখেরাতের মোরাকাবা করুন:* মাঝে মধ্যে আখেরাতের মোরাকাবা করবেন। অর্থাৎ, এভাবে চিন্তা করবেন যে, আজ আমি যে গুনাহগুলোতে লিপ্ত, কেয়ামতের দিন তো আল্লাহ্ তা'আলা আমাকে সরাসরি জিজ্ঞেস করবেন যে, বান্দা! এ গুনাহটা কেনো করলি❓ দরজা-জানালা বন্ধ করে দিয়ে তুমি মনে করেছিলে যে, তোমাকে কেউ দেখে নাই। আমিও কি দেখি নাই? তুমি কি মনে করেছ যে, আমার দেখা মাখলুকের চোখের চেয়ে দুর্বল❓ এভাবে আল্লাহ্ তা'আলা যখন সরাসরি প্রশ্ন করবেন।

📚রাসুলুল্লাহ্ *ﷺ* তো বলেছেন--⤵️

*مَا مِنْكُم أَحَدٍ إِلَّا سَيُكَلِّمُهُ رَبُّهُ لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ تُرْجُمَانٌ وَلَا حِجَابٌ يَحْجُبُهُ*

তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সাথে তার রব কথাবার্তা বলবেন না। তার ও তার রবের মাঝে কোনো দোভাষী এবং এমন কোনো পর্দা থাকবে না, যা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।

*(সহীহ বুখারী শরীফ হাদীস নং: ৬৯৩৫)*

🌹চিন্তা করুন, সে দিন তখন আমরা কী উত্তর দিবো❓! সেদিন যদি আল্লাহ্ তা'আলা সরাসরি জিজ্ঞেস করেন, বান্দা! রাতের দুইটা বাজে কেনো তুই অশ্লীলতার ভেতর ডুবে গিয়েছিলি❓ কেনো তুই এমন জিনিসের চর্চা করেছিলি যে, যেখানে পৌত্তলিকতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ প্রেম ও নগ্নতাসহ কতো শতো অপরাধের চর্চা ও শিক্ষা ছিলো❓ তখন আমরা কী উত্তর দিবো❓!

🌻এভাবে চিন্তা করলেও ইনশাআল্লাহ্ আলোচ্য গুনাহ থেকে মুক্তি লাভ করা আমাদের জন্য সহজ হয়ে যাবে।
*(চলবে ইনশাআল্লাহ্)*

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

(*ইসলামে বহু বিবাহঃ হিকমত ও বিধান*)(*মুফতী:লুৎফুর রহমান ফরায়েজী সাহেব*)ইসলাম একটি স্বভাবজাত দ্বীন। রব্বে কারীম যেহেতু স্...
26/07/2026

(*ইসলামে বহু বিবাহঃ হিকমত ও বিধান*)

(*মুফতী:লুৎফুর রহমান ফরায়েজী সাহেব*)

ইসলাম একটি স্বভাবজাত দ্বীন। রব্বে কারীম যেহেতু স্রষ্টা। তাই তিনি ভালো করেই সৃষ্টির বৈশিষ্ট্য, স্বভাব ও চাহিদা পরিপূর্ণ জানেন। জানেন তার চাহিদা পূর্ণ করার সঠিক পদ্ধতিও।

মানুষের জ্ঞানের পরিধি সীমিত। তাই সে অনেক সময় আল্লাহর প্রজ্ঞাময় সিদ্ধান্ত অনুধাবন করতে অক্ষমতার পরিচয় দেয়। না বুঝে আল্লাহর যৌক্তিক ও যথার্থ বিধানের বিরোধিতা করে থাকে।

এর মাঝে একটি বিধান হল, একাধিক বিবাহ করা।

আশ্চর্যের বিষয় হল, যে পশ্চিমা সমাজ মাথা থেকে পা পর্যন্ত চরিত্রহীনতার অতলে নিমজ্জিত। বৈধ স্ত্রীকে রেখে অবৈধ বহুগামিতা যাদের কাছে কোন দোষণীয় নয়। সেসব নীতিহীন লোকগুলোই ইসলামের একাধিক বিয়ের বৈধতা বিষয়ে আঙ্গুলি তুলে থাকে বেশি।

এর চেয়ে অবাক করা বিষয় কী হতে পারে যে, অবৈধ বহুগামিতাকে স্বাভাবিক ও প্রশ্নাতীত ধরে বৈধ ও নিয়মসিদ্ধ একাধিক বিয়েকে করা হচ্ছে প্রশ্নবিদ্ধ।

অথচ অবৈধ বহুগামিতায় নেই কোন দায়িত্ব ও কর্তব্য। কেবলি জৈবিক চাহিদা পূরণই উদ্দেশ্য। ‘নারীকে ভোগ কর এবং ছুঁড়ে ফেলে দাও’ এ মানসিকতাই হল পশ্চিমা নষ্ট মানসিকতা।

পক্ষান্তরে ইসলামের বহুবিবাহের বিধানে রয়েছে প্রতিটি স্ত্রীর প্রতি অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব, কর্তব্য এবং যিম্মাদারী।

একাধিক বিয়ের কিছু হেকমত



মুমিনের নিকট তাক্বওয়া পরহেযগারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু পুরুষকে আল্লাহ তাআলা যৌন শক্তি অধিক দান করেছেন। এমন ব্যক্তিদের জন্য এক স্ত্রী যথেষ্ঠ নয়।

মহিলাদের বিভিন্ন প্রকার উজর পেশ হয়। যার ফলে স্বামীরা স্ত্রীদের সাথে শারিরীক সম্পর্ক করতে পারে না। যেমন প্রতি মাসে ঋতুস্রাব হয়। অন্ত্বসত্বাকালীন সময়ে শিশু বাচ্চার সাস্থ্য সুরক্ষায় স্বামীকে স্ত্রী থেকে দূরে থাকতে হয়। প্রসবের পর নেফাসের কারণে মাসাধিক সময় সহবাস থেকে বিরত থাকতে হয়।

এছাড়া বয়সের সাথে নারীরা পুরুষের তুলনায় খুব দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ে।

তাই অধিক যৌন শক্তিসম্পন্ন পুরুষদের একাধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি প্রদান করা না হলে উক্ত পুরুষের গোনাহে লিপ্ত হবার প্রবল সম্ভাবনা রয়ে যায়। বাস্তবে এর নজীরও অনেক।



বিবাহের একটি উদ্দেশ্য সন্তানলাভও। পুরুষ একই সময়ে একাধিক স্ত্রীর মাধ্যমে একাধিক সন্তানের বাবা হতে পারে। একাধিক বিবাহের মাধ্যমে বিবাহের উদ্দেশ্য পূর্ণতায় সহায়ক।



একাধিক নারীর প্রতি আসক্তি পুরুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। তাই এটাকে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে সীমিত করাটাই যৌক্তিক।



অনেক সময় স্বামী স্ত্রীর মাঝে মনের মিল থাকে না। কিন্তু সন্তানদের দিকে তাকিয়ে সংসার করে যেতে হয়। তখনো দ্বিতীয় বিয়ে করা ছাড়া গত্যান্তর থাকে না।



প্রথম স্ত্রী অনেক সময় বন্ধ্যা হয়ে থাকে। তখন উক্ত স্ত্রীকে তালাক না দিয়ে উত্তম পদ্ধতি এটাই যে, আরেকটি বিয়ে করে নেয়া। হতে পারে আল্লাহর রহমাতে সন্তানের নেয়ামত অর্জিত হবে।



মেয়েদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া হাদীসের আলোকে এবং বাস্তবতার নিরিখে প্রমাণিত। এছাড়া বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, কিংবা শারিরীক সৌন্দর্য বিষয়ে দোষত্রুটির কারণেও অনেক মেয়ের বিবাহ হয় না।

একাধিক বিবাহের মাধ্যমে এসব মেয়েদেরও একটি আশ্রয়স্থল পাওয়া সম্ভব হয়।

একাধিক বিয়ের অনুমতি না থাকলে এসব নারীদের অনেকেই অভিভাবকহীন কষ্টের জীবন অতিবাহিত করতে হয়।



অনেক সময় সমাজপতি, রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের জন্য একাধিক বিয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়। তাই একাধিক বিয়ের অনুমোদন না থাকলে রাজনৈতিক অনেক সমস্যা ঘনিভূত হতো, যার সমাধান পাওয়া মুশকিল।



একাধিক বিবাহ করা সহজ ও অনুমোদিত হলে যিনা, ব্যভিচার কমে আসবে। এ কারণেই দেখা যায়, যেসব রাষ্ট্রে একাধিক বিবাহ আইনত নিষিদ্ধ, কিংবা একাধিক বিবাহকে খারাপ চোখে দেখা হয়, সেসব রাষ্ট্রে ও সমাজে যিনা ও ব্যভিচার ব্যাপক ও মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।

[ *রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিআ শরহে হুজ্জাতিল্লাহিল বালেগাহ, মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহঃ কৃত:৫/৯৮-৯৯, পৃষ্ঠা*)

(*আলমাসালিহুল আকলিয়্যাহ লিলআহকামিন নক্বলিয়্যাহ, মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহঃ কৃত:১৯৪-২০৩, পৃষ্ঠা*)

( *আলফিক্বহুল ইসলামী ওয়া আদিল্লাতুহু:৭/১৭৩-১৭৬, পৃষ্ঠা*]

উপরোক্ত হেকমত ও অন্যান্য হেকমতের কারণে ইসলাম একাধিক বিবাহের অনুমতি প্রদান করেছে।

*فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ*

*﴿النساء: ٣)*

নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের পছন্দ হয় বিবাহ কর, দুই-দুইজন, তিন-তিনজন, অথবা চার-চারজনকে।

* *[সূরা নিসা:৩]*

(*একাধিক বিয়ের শর্তাবলী*)

একাধিক বিবাহ করা শর্তহীনভাবে ইসলামে বৈধতা দেয়নি। বরং বেশ কিছু শর্ত সাপেক্ষে একাধিক বিবাহের বৈধতা প্রদান করেছে। যেমন-



সকল স্ত্রীদের সাথে বাহ্যিক সকল বিষয়ে সাম্যতা বজায় রাখা আবশ্যক। রাত্রিযাপন, কাপড় চোপড়, বাসস্থান, খাবার দাবার ইত্যাদি বিষয়ে সব স্ত্রীদের সাথে সমান রাখতে হবে। এক্ষেত্রে কারো সাথে কমবেশি করা যাবে না।

[ *ফাতাওয়া শামী:৪/৩৭৮, পৃষ্ঠা*]

যদি ইনসাফ ও সাম্যতা রক্ষা করতে অক্ষম মনে হয়, তাহলে উক্ত ব্যক্তির জন্য একাধিক বিয়ের অনুমতি নেই।

*فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً*

*﴿النساء: ٣)*

অবশ্য যদি আশংকা বোধ কর যে, তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) মধ্যে সুবিচার করতে পারবে না, তবে এক স্ত্রীতে (ক্ষান্ত থাক)।

*[সূরা নিসা-৩]*



একাধিক স্ত্রীর মাঝে এক স্ত্রীর প্রতি অধিক আগ্রহ, আরেক স্ত্রীকে একদম অগ্রাহ্য করা *জায়েজ নেই*।

*وَلَن تَسْتَطِيعُوا أَن تَعْدِلُوا بَيْنَ النِّسَاءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ فَلَا تَمِيلُوا كُلَّ الْمَيْلِ فَتَذَرُوهَا كَالْمُعَلَّقَةِ وَإِن تُصْلِحُوا وَتَتَّقُوا فَإِنَّ اللَّهَ كَانَ غَفُورًا رَّحِيمًا*

*﴿النساء: ١٢٩)*

তোমরা চাইলেও স্ত্রীদের মধ্যে সমান আচরণ করতে সক্ষম হবে না। তবে (কোনও একজনের প্রতি) সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকে পড়ো না, যার ফলে অন্যজনকে মাঝখানে ঝুলন্ত বস্তুর মত ফেলে রাখবে। তোমরা যদি সংশোধন কর ও তাকওয়া অবলম্বন করে চল, তবে (জেনে রেখ), আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

*[সূরা নিসা:১২৯]*

অর্থাৎ মোহাব্বত ও ভালোবাসায় স্ত্রীদের মধ্যে সমতা রক্ষা করা মানুষের সাধ্যাতীত বিষয়। কেননা মনের উপর কোন মানুষের হাত থাকে না। কাজেই এক স্ত্রী অপেক্ষা অন্য স্ত্রীর উপর যদি ভালোবাসা বেশি হয়, সে কারণে আল্লাহ তাআলা পাকরাও করবেন না।

কিন্তু বাহ্যিক আচার-আচরণে সমতা রক্ষা করা জরুরী। অর্থাৎ একজনের কাছে যত রাত থাকবে, অন্যজনের কাছেও তত রাতই থাকতে হবে। একজনকে যে পরিমাণ খরচ দিবে, অন্যজনকেও তাই দিতে হবে। এমনিভাবে একজনের প্রতি আচরণ এমন করবে না, যদ্দরুণ অন্যজনের মনে আঘাত লাগতে পারে এবং সে ধারণা করতে পারে, তাকে বুঝি মাঝখানে লটকে রাখা হয়েছে।

* *[তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন, মুফতী তাকী উসমানী কৃত]*

লটকে রাখা বা ঝুলন্ত অবস্থায় রাখার অর্থ হল, যে স্ত্রীর প্রতি মনের আকর্ষণ কম থাকে তার দাবী পূর্ণ করেও দেয়া হয় না আবার তাকে পরিত্যাগও করা হয় না।

*[মাআরেফুল কুরআন, মুফতী শফী রহঃ কৃত]*

(*সমতা না বজায় রাখার পরিণতি*)

একাধিক স্ত্রীর মাঝে সমতা বজায় রাখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি এতে অবহেলা করা হয়, তাহলে আখেরাতে এর জন্য কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

*عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏‏ إِذَا كَانَ عِنْدَ الرَّجُلِ امْرَأَتَانِ فَلَمْ يَعْدِلْ بَيْنَهُمَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ سَاقِطٌ*

হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোকের নিকট দু’জন স্ত্রী আছে সে লোক যদি তাদের মাঝে ইনসাফের সঙ্গে সমব্যবহার না করে, তবে সে তার এক পার্শ্ব ভগ্ন অবস্থায় কিয়ামতের দিন উপস্থিত হবে।

* [ *সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং:১১৪১,*)

(*সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং:১৯৬৯]*

এ হাদীস একাধিক বিয়েকারী ব্যক্তিদের জন্য কঠিন সতর্কবার্তা। জযবায় একাধিক বিয়ে করে যারা স্ত্রীদের মাঝে সমতা বজায় রাখে না, এক স্ত্রী পেয়ে আরেক স্ত্রীর হক আদায়ে গরিমসি করে, তাদের ভয়াবহ পরিণাম হবে আখেরাতে।

(*একাধিক বিয়েকে খারাপ মনে করা*)

বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে সমাজ বাস্তবতায় একাধিক বিয়ে করাকে অত্যন্ত খারাপ দৃষ্টিতে দেখা হয়। নোংরা এবং বাজে শব্দে বিষয়টিকে উপস্থাপন করা হয়। যিনি কোন কারণে একাধিক বিয়ে করে থাকেন, তাকে নিয়ে নানা ধরণের কটু মন্তব্য ও সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়।

আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী, এমন কি অনেক ধার্মিক এবং উলামায়ে কেরামকেও এ বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেখা যায়।

অথচ একাধিক বিয়ে করা *কুরআনের আয়াতের আলোকে বৈধ*। যে বিষয় কুরআন বৈধতা দিয়েছে, সেই বিষয়ে কটু মন্তব্য করা কতটা ভয়ানক জিনিস একবার ভাবার ও চিন্তা করার প্রয়োজনও অনেকে অনুভব করেন না।

ফুক্বাহায়ে কেরাম দ্বিতীয় বিবাহকে যারা তিরস্কার করে, তাদের কাফের হয়ে যাবার ফাতওয়া প্রদান করেছেন।

[ *ফাতাওয়ায়ে শামী, জাকারিয়া:৪/১৪১, পৃষ্ঠা*]

তবে যদি কেউ দ্বিতীয় বিয়েটাকে তিরস্কার করছে না, বরং যিনি বিয়ে করেছেন, তার মাঝে ইনসাফ বজায় না রাখার লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ায়, উক্ত ব্যক্তির তিরস্কার করে, তাহলে উক্ত ব্যক্তি কাফের হবে না।

[ *ফাতাওয়া শামী:৪/১৪১, পৃষ্ঠা*]

(*প্রথম স্ত্রীকে খুশি রাখতে দ্বিতীয় বিয়ে না করা উত্তম*)

যদি কোন স্বামী প্রথম স্ত্রী যেন দুঃখিত না হয়, এজন্য দ্বিতীয় বিয়ে করা পরিত্যাগ করে, তাহলে এর জন্য স্বামী সওয়াবের অধিকারী হবে।

[ *ফাতাওয়ায়ে শামী:৪/১৪১, পৃষ্ঠা*]

(*একাধিক বিয়েকারী ব্যক্তি কি সর্বোত্তম❓*)

*বুখারীতে বর্ণিত* একটি হাদীস দিয়ে অনেকে দলীল দিয়ে থাকেন যে, একাধিক বিয়েকারী ব্যক্তি এক বিয়েকারীর চেয়ে উত্তম।

*হাদীসটি হল,:*

*عَنْ ‌سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ: قَالَ لِيَ ابْنُ عَبَّاسٍ: هَلْ تَزَوَّجْتَ؟ قُلْتُ: لَا، قَالَ: فَتَزَوَّجْ؛ فَإِنَّ خَيْرَ هَذِهِ الْأُمَّةِ ‌أَكْثَرُهَا ‌نِسَاءً*

সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র রহঃ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, ইবনে ‘আব্বাস রাঃ আমাকে বললেন, তুমি কি বিয়ে করেছ❓ আমি বললাম, না। তিনি বললেন, বিয়ে কর। কারণ, এই উম্মাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তির অধিক সংখ্যক স্ত্রী ছিল।

[ *সহীহ বুখারী, হাদীস নং:৫০৬৯]*

এক নাম্বার বিষয় হল, এটি সরাসরি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস নয়। বরং আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাঃ এর কথা।

*দ্বিতীয় বিষয় হল,:* আমভাবে একাধিক বিয়েকারীকে এখানে উত্তম বলা হয়নি, বরং মূল বিবাহের প্রতি উৎসাহ প্রদান করতে উম্মতের মধ্যে যিনি সবচে’ শ্রেষ্ঠ তিনি শুধু বিয়েই করেননি, বরং একাধিক বিয়ে করেছেন, সুতরাং বিয়ে করাটা উচিত বলে ইবনে আব্বাস রাঃ বিয়ে করতে উদ্ভুদ্ধ করেছেন।

নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধু একাধিক বিয়ে করার কারণে উত্তম নন, বরং তিনি উত্তম হবার অসংখ্য অগণিত গুণাগুণ তার মাঝে বিদ্যমান ছিল।

এ হাদীসে যে, নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্দেশ্য, সেটি আরো স্পষ্ট হয় অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত হাদীসের শব্দের দিকে তাকালে। যেমন-

*মুসনাদে আহমাদের ২০৮৪ নং হাদীসে*)

*كَانَ ‌أَكْثَرَهَا ‌نِسَاءً*
পরিস্কার শব্দে كان সহ উক্ত হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া *মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-৫১০৯,* *আলমু’জামুল কাবীর লিততাবারানী, হাদীস নং-১২৩১৩* এর মাঝে একই শব্দে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

তবে একাধিক স্ত্রী থাকলে তিনি সর্বোত্তম ব্যক্তি এমন ব্যাখ্যাও বাতিল নয়।

একাধিক বিয়েকারী যদি শরয়ী সকল শর্ত মেনে বিয়ে করে শরয়ী বিধান অনুপাতে সংসার করে থাকেন, তাহলে তিনি শ্রেষ্ঠ হতে পারবেন। কারণ,

১ তিনি একাধিক পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করছেন।

২ ন্যায়নিষ্ঠতা ও সমতা রক্ষার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হচ্ছেন।

৩ নিজের নফস ও খাহেশাত হেফাজতে অন্যদের তুলনায় অধিক সতর্ক থাকতে পারেন।

ইত্যাদি কারণে একাধিক বিবাহকারী উত্তম হতে পারেন। কিন্তু যদি শরয়ী নীতিমালা পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে না পারেন। তাহলে তিনি কোনভাবেই এক বিয়েকারীর চেয়ে উত্তম হতে পারেন না।

দ্বিতীয় বিবাহ করা, একাধিক বিবাহ করা জরুরী কোন বিষয় নয়। সুন্নত ও নয়।

তবে কুরআন ও হাদীস অনুপাতে শরীয়তে জায়েজ একটি বিষয়। তাই এটাকে মন্দ বলা, সমালোচনা করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

*واللہ اعلم بالصواب*

(*প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati

(🖋️ *সচেতন, ঐক্যবদ্ধ ও আদর্শবান ছাত্রসমাজ জাতির আশা-ভরসা।*)দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও ছাত্রদের ধারাবা...
25/07/2026

(🖋️ *সচেতন, ঐক্যবদ্ধ ও আদর্শবান ছাত্রসমাজ জাতির আশা-ভরসা।*)

দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও ছাত্রদের ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে *কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের* ঘটনা আবারও দেখিয়ে দিল—ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও *ন্যায়সঙ্গত ছাত্রসমাজের কণ্ঠ কখনো* অবহেলিত থাকে না।

তাই আসুন, আমরা জ্ঞান, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও *উত্তম চরিত্রকে ধারণ করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সর্বদা সোচ্চার থাকি। একজন আদর্শ ছাত্র কেবল নিজের ভবিষ্যৎ নয়, জাতির ভবিষ্যৎও গড়ে তোলে।*

*তবে কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়* —সকল সফলতা, পরিবর্তন ও সাহায্য *একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই।* তাই তাঁর ওপর ভরসা রেখে ন্যায়ের পথে অবিচল থাকাই *আমাদের প্রকৃত দায়িত্ব।*

*وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللَّهِ*

*"সাহায্য তো একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই।"*

(*সূরা আলে ইমরান আয়াত নং: ১২৬)*

_________🌹🌹__________
📢 *প্রচারে: Qari Ahmadullah Ishaati পক্ষ থেকে বার্তা*

🌳পথের কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া জান্নাত লাভের একটি সহজ আমল:🌳👇🆗👇🌹(*প্রচারে: Ahmadullah Ishaati পক্ষ থেকে বার্তা*)(💫*রাস্...
19/07/2026

🌳পথের কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া জান্নাত লাভের একটি সহজ আমল:🌳👇🆗👇🌹

(*প্রচারে: Ahmadullah Ishaati পক্ষ থেকে বার্তা*)

(💫*রাস্তায় আবর্জনা ফেলার জন্য রয়েছে কঠিন হুঁশিয়ারি:💫*)

☪মুমিন তো সে, যার কারণে অন্য কেউ কষ্ট পায় না। মুমিন তো সে, যে অন্যের কষ্ট দূর করার চেষ্টা করে। অন্যকে আরাম পৌঁছানোর চিন্তা করে। এমনকি আরেক ভাই যেনো কষ্টের শিকার না হন তার জন্য সে নিজেও কষ্ট করতে প্রস্তুত থাকে। এটি মুমিনের আখলাক এবং ইসলামের শিক্ষা। কিন্তু ইচ্ছা-অনিচ্ছায় অনেকসময় আমাদের থেকেও এমন কাজ হয়ে যায়, যা কখনো মুুমিনের জন্য শোভনীয় নয়। এক্ষেত্রে নবীজী *(সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)* ঘৃণিত একটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন এবং তাকে অভিশাপের কারণ বলেছেন।

📚আবু হুরায়রা (রাদিআল্লাহু তা'আলা 'আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)* বলেন, দুই অভিশাপকারী থেকে তোমরা সতর্ক থাকো! তারা বললেন, আল্লাহর রাসূল! দুই অভিশাপকারী কী❓

📘রাসুলুল্লাহ্ *(সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম)* বললেন--⤵

*الّذِي يَتَخَلّى فِي طَرِيقِ النّاسِ، أَوْ فِي ظِلِّهِمْ.*

যে মানুষের চলাচলের রাস্তায় অথবা তাদের ছায়া গ্রহণের স্থানে পেশাব-পায়খানা করে।

*(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং :২৬৯;)*

(*সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস হাদীস নং:১৪১৫)*

Qari Ahmadullah Ishaati

Address

Mango Point

Telephone

+917584065459

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qari Ahmadullah Ishaati posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Food & Beverage Service?

Share