Mujahidul Islam Jahid

Mujahidul Islam Jahid Building The African Dreams — a halal, asset-backed investment in 5,000 acres of Ugandan farmland, livestock, & the Upper Nile Pyramid Resort.

Join 750+ investors from 42 countries turning real land into real returns. DM to learn how you can own a share.

02/09/2026

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন — উগান্ডায় জমিটা কি কিনেছেন, নাকি লিজ নিয়েছেন?

সহজ উত্তর — লিজ।

কেন কিনি নাই?

কারন উগান্ডার আইন ব্রিটিশ আইন, অনেকটা আমাদের বাংলাদেশের মতই। ওখানে একজন ফরেনার নিজের নামে জমি কিনতে পারে না। লোকালরা পারে, আমরা পারি না।

আমরা যা পারি — লিজ নিতে। ১ বছর, ৫ বছর, ১০ বছর, ৪৯, ৫০ — সর্বোচ্চ ৯৯ বছর পর্যন্ত।

//.\\

এখন প্রশ্ন আসে — লিজ নেয়া জমি বেচব কিভাবে?

লিজটাই বিক্রি হয়।

আমরা হয়তো ভাবি ৫০০০ একর অনেক বড় জমি। উগান্ডায় গেলে দেখবেন ৫০ হাজার, ১ লাখ, আড়াই লাখ, ৩ লাখ একরের ফার্ম আছে — সবই লিজে নেয়া। আর এই লিজ হাত বদল হয়, দামও বাড়ে।

উদাহরণ দেই আমাদের নিজেদেরই।

পাকওয়াচে — নীল নদের পাশে যেখানে আমাদের পিরামিড রিসোর্ট হবে — ওই জমিটা এক ফরেন কোম্পানি ২২ সালের দিকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ নিয়েছিল। ৩ বছর পরে সে লিজটা ছেড়ে দিতে চায়। আমরা কিনে নিয়েছি, হাতে পেয়েছি প্রায় ৯৬ বছর।

দাম? সে যে দামে নিয়েছিল, তার প্রায় ৪ গুণ।

মানে, লিজের মধ্যেও জমির দাম বাড়ে। ওখানে এটাই নরমাল সিস্টেম।

//.\\

৯৯ বছর পরে কি হবে?

জমিটা যার দখলে থাকে, যে ডেভেলপ করছে — রিনিউ করার রাইট তারই। কোম্পানি গিয়ে চাইলে গভমেন্ট তাকেই দেবে। সে না নিলে তখন আবার মার্কেটে উন্মুক্ত হবে।

আর একটা কথা।

জমিটা আমার ব্যাক্তিগত নামে না — কোম্পানির নামে। কোম্পানিতে এখন ৪ জন ডিরেক্টর, চারজনই ফরেনার, একজনও লোকাল না। এই কারনে কোম্পানিটা ফরেন কোম্পানি।

ডিরেক্টরদের একজন যেদিন লোকাল হবে, কোম্পানিটা লোকাল কোম্পানিতে কনভার্ট হয়ে যাবে। আর লোকাল কোম্পানি লিজের জমিকে ফ্রি হোল্ডে কনভার্ট করে ফেলতে পারে।

ওয়ার্ক পার্মিট নিয়ে ৮-১০ বছর থাকলে সিটিজেনশিপের জন্য এপ্লাই করা যায়।

ইনশাল্লাহ, হয়ে যাবে।

02/09/2026

বিদেশে মাংস সব জায়গায় পাওয়া যায় ।

মিডল ইস্টে উট থেকে শুরু করে সব ধরনের মাংসই পাওয়া যায় ।

অভাব হয় সবজির ।

ক্ষেত থেকে তুলে আনা টাটকা সবজি - এইটার স্বাদ যিনি একবার পেয়েছেন, তিনি জানেন এইটা টাকা দিয়ে কেনা যায় না ।

আমাদের ফার্মে আমরা কচু লাগানো হয়েছে ।

//.\

কচু এসেছে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকে । নিজাম ভাই পাঠাইছেন আমাদের জন্য - নিজাম ভাইকে ধন্যবাদ ।

লাগানোর যায়গাটা নিয়ে একটু ভাবতে হয়েছে ।

আমাদের বোরহোল থেকে অনেক পানি বের হয়ে নামে । সেই পানিটা এমনিতেই মাটিতে চলে যাচ্ছিল ।

আর কচুর পানি লাগে, ধানের মতই ।

কাজেই কচু লাগানো হল বোরহোলের সাইডেই ।

যে পানিটা অপচয় হচ্ছিল, সেই পানি দিয়েই একটা ফসল ।

//.\

লাউ আছে, কুমড়া আছে, পুঁইশাক আছে - এগুলোর ফলন আমরা পাচ্ছি ।

করল্লা, ঢেঁড়স, সিম - সবই লাগানো হয়েছে, মোটামুটি সবই হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ্‌ ।

শুধু কচুটার ই কমতি ছিল । সেটাও হয়ে গেল ।

উগান্ডার মাটিতে, কোন কেমিক্যাল ছাড়া, একদম ন্যাচারালি কচু - ইনশাল্লাহ ।

//.\

আমাদের ফার্মে যারা বেড়াতে আসেন, তাদের বেশিরভাগই প্রবাসী । ইউরোপ, আমেরিকা থেকে আসেন । বিদেশিরাও আসেন ।

মজার ব্যাপারটা কি জানেন ?

কেউ মাংস খেতে চায় না ।

সবাই সবজির খোজ করেন ।

আর সবজি পেলে খাওয়ার সময় প্রচুর খুশি হন ।

মাংস দিয়ে একজন মানুষকে খুশি করা সহজ । কিন্তু এক প্লেট টাটকা পুঁইশাক বা কচু দিয়ে যে খুশিটা হয় - ওইটা টাকা দিয়ে বানানো যায় না ।

//.\

আমরা আসলে এখানে এক টুকরো বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করছি ।

জমি উগান্ডার, রোদ উগান্ডার, পানি উগান্ডার - কিন্তু ক্ষেতের আইলে দাঁড়ালে যেন মনে হয় দেশেই আছি ।

দোয়া করবেন আমাদের জন্য । কাজটা যেন সহজ হয় ।

01/09/2026

সন্ধ্যা নামার পরে আমাদের ফার্মের দায়িত্ব আর রাখালদের হাতে থাকে না ।

বিকেলে দুম্বাগুলোকে শেডে তুলে দিয়ে রাখালরা চলে যায় । এরপর থেকে সকাল পর্যন্ত মাঠ, শেড, বাউন্ডারি — সবকিছুর ভার চলে যায় সোলজারদের হাতে ।

আমাদের ৩ নাম্বার শেডের পাশে কিছুদিন আগে নতুন একটা ঘর তোলা হয়েছে । চারজন সোলজারের জন্য চারটা রুম । জমির একদম বাউন্ডারির শেষ মাথায় ।

এখানে কেন ?

কারন আমাদের বাসা থেকে এই শেডের দূরত্ব ছয়শো থেকে সাতশো মিটার । এত দূর থেকে রাতে এই শেডে কী হচ্ছে সেটা শোনার বা দেখার কোন উপায় নাই । তাই ঘরটা শেডের গায়েই তুলতে হলো ।

//.\

আমাদের কোম্পানিতে এখন মোট ৫ জন সোলজার । তিনজন থাকেন গেটের দিকের ঘরে, দুইজন এখানে ।

অনেকেই জানতে চান — সোলজাররা কি সারারাত জেগে থাকেন ?

রাত একটা-দুইটা পর্যন্ত তারা জেগে থাকেন । পায়চারি করেন, বিভিন্ন জায়গায় যান, কোথাও সন্দেহজনক কিছু মনে হলে দ্রুত সেদিকে যান । এরপর যার যার নির্ধারিত জায়গায় গিয়ে শুয়ে পড়েন ।

কিন্তু আসল কথা হলো — জেগে থাকাটা মূল বিষয় না ।

সোলজার যে আছে, এইটা জানাটাই মূল সিকিউরিটি ।

আশেপাশের মানুষ জানে । দূরের কারামোজংরাও জানে । চোর-ডাকাত যেই হোক, সে জানে এখানে সোলজার আছে । ওয়ার্নিং দেওয়ার পরেও কেউ না দাঁড়ালে সরাসরি গুলি করার অনুমতি তাদের আছে ।

01/09/2026

একটা প্রশ্ন প্রায়ই আসে —

"ভাই, আমার হাতে বেশি টাকা নাই । আমি অল্প অল্প করে শেয়ার নিচ্ছি । আমি কি ফাউন্ডার মেম্বার হতে পারব ?"

উত্তর — অবশ্যই পারবেন ।

//.\

হিসাবটা সহজ ।

আপনি যখন শেয়ার ১০০০ ডলার ছিল তখন ৫ টা নিয়েছেন । এখন আরো কয়টা নিলেন । সামনে যতদিন শেয়ার অ্যাভেইলেবল আছে, নিজের সুবিধা মত নিতে থাকলেন ।

২৫ টা শেয়ার পূর্ণ হলেই আপনি ফাউন্ডার মেম্বার ।

কোন সিরিজ থেকে নিলেন, কত দামে নিলেন — এটা কোন ব্যাপার না । সংখ্যাটা ২৫ হলেই হল ।

//.\

তাহলে আগে নেয়ার বেনিফিট কি ?

কিস্তিতে গেলে আপনার প্রাইস লক হয়ে যাচ্ছে । সামনে দাম বাড়লেও আপনার জন্য ওই সিরিজের শেয়ার বুক করা থাকল ।

আর ২-৩ মাসের মধ্যে পুরো টাকা ক্লিয়ার করতে পারলে সিরিজ প্রাইসেই পেয়ে যাচ্ছেন — কিছুটা ডিসকাউন্ট ।

//.\

কিন্তু এই জায়গাটা একটু মন দিয়ে পড়েন ।

বিনিয়োগে তাড়াহুড়া আমরা কখনোই রেকমেন্ড করি না । নিজেদের জন্যও না, আপনাদের জন্যও না ।

ধরেন আপনার হাতে ১০ লাখ টাকা আছে । আমাদের সাথে হোক, অন্য কোথাও হোক — ২-৩ লাখের বেশি বিনিয়োগ করা আপনার উচিত না ।

বাকি ৭-৮ লাখ নিজের কাছে থাকা দরকার ।

কেন ?

দুর্ঘটনা হতে পারে । অসুস্থ হয়ে যেতে পারেন । ওই সময় টাকাটা কোথা থেকে আসবে ? মানুষের কাছে হাত পাতবেন ?

জমানো টাকার ২০-৩০ পার্সেন্ট — এর বেশি কোথাও দেয়া উচিত না ।

//.\

আমরা ২৫ বছরের প্রজেক্ট করছি । যে মানুষটা ধীরে সুস্থে, সামর্থ্য বুঝে আমাদের সাথে হাঁটবে — সে-ই শেষ পর্যন্ত থাকবে ।

আর যে সব ঢেলে দিয়ে আসবে, প্রথম ধাক্কাতেই সে পড়ে যাবে ।

আমি এমন বিনিয়োগকারী চাই না ।

ভিত আগে, দালান পরে — এটা শুধু জমির জন্য না, মানিব্যাগের জন্যও সত্য ।

আল্লাহ আমাদের সবার রিজিকে বরকত দিন ।

01/09/2026

সত্যি কথা বলতে — কাসাভা লাগানোর বিষয় টা নতুন আমাদের কাছে ।

এই দেশে এসেই প্রথম কাসাভা লাগাচ্ছি আমরা ।

আমাদের কাসাভা লাগানো এখন ও চলমান । অনেকটা লাগানো হয়েছে ।

১০ বস্তা কাটিং আনা হয়েছিল । ৮ বস্তা শেষ, বাকি ২ বস্তা ।

//.\

এখন মজার ব্যাপারটা বলি ।

হিসাবটা করা হয়েছিলো পাকচং ঘাসের মত করে । ঘাসের কাটিং যেভাবে এক এক করে লাগানো হয়, সেভাবে ধরে নিয়েই ১০ বস্তা আনানো হয়েছিল ।

প্লট ৬ একর — আমাদের হিসাবে ১৮ বিঘার মতো জমি ।

এক এক করে লাগালে ১০ বস্তায় প্রায় পুরো প্লটই কাভার হয়ে যেত ।

কিন্তু মাঠে নেমে জানা গেল — কাসাভার কাটিং লাগাতে হয় দুইটা করে ।

তার মানে ৬ একরের বদলে হচ্ছে ৩ একর, একটু বেশি হয়ত ।

বাকিটার জন্য আরো ১০ বস্তা কাটিং লাগবে ।

//.\

এইটাই মাঠের বাস্তবতা ।

কাগজে হিসাব এক রকম, মাটিতে নেমে আরেক রকম ।

খারাপ লাগে ?

না । কারন ভুলটা হয়েছে ৬ একরে, বড় পরিসরে না ।

ছোট করে শুরু করার সুবিধা এটাই — শেখার খরচ কম থাকে ।

প্রতিটা নতুন ফসল আমাদেরকে একটা করে ভুল শেখায়, আর সেই ভুলটাই পরেরবার সফ্ললতার রাস্তা করে দেয় ।

অনেক কিছু শিখছি, আলহামদুলিল্লাহ্‌ ।

31/08/2026

গত বছর ঠিক এই সময়ে এই জায়গাটায় বুট ছাড়া হাঁটা যেত না । কাদা এমন ছিল যে পা বসে যেত ।

এই বছর সেখানে স্লিপার পায়ে দাঁড়িয়ে থাকা যাচ্ছে । মাটি একদম শক্ত ।

অথচ ক্যালেন্ডার বলছে - এখন পুরোদস্তুর রেইন সিজন ।

//.\

এক্সকাভেটরটা অন্য একটা সাইটে ছিল । ফিরে এসেই আমাদের পুকুরের কাজ আবার শুরু হয়েছে - আলহামদুলিল্লাহ্‌ ।

এবার কাজের সময়ও বাড়ানো হয়েছে । আগে দিনে ৮ ঘন্টা কাজ হত, এখন হবে ১৬ ঘন্টা । সকাল থেকে শুরু করে রাত বারোটা পর্যন্ত - দিনে এবং রাতে ।

এক পাশের কাটা শেষ । ওপাশে একটা লাইন বাকি । ওইটুকু কাটা হলেই খনন শেষ, এরপর লেভেলিং এর কাজ ।

খনন শেষ হলে আমরা একটা বড় টেনশন থেকে মুক্ত । এরপর ড্রেনের কানেকশনটা দিয়ে দিলে বড় বৃষ্টিতেই পুকুরে পানি জমবে ইনশাল্লাহ ।

//.\

কিন্তু বৃষ্টিটাই তো হচ্ছে না ।

প্রতিদিন আকাশে মেঘ জমে । এরপর ২০ মিনিট, ৩০ মিনিট, বড়জোর এক ঘন্টা ।

শুকিয়ে যাওয়া মাটিতে এক ঘন্টার বৃষ্টি কোথায় হারিয়ে যায় সেটা বোঝাই যায় না ।

দরকার টানা ২-৩ দিনের বৃষ্টি ।

কেউ ভাবতে পারেন - টানা বৃষ্টি হলে তো কাজের ক্ষতি হবে ?

হবে না । আমাদের এখন সব জায়গাতেই পানি দরকার । মাঠে ঘাস আছে, দুম্বাগুলোকেও নিচে নামিয়ে আনতে হবে না ।

//.\

গত বছর এই সময়ে প্রতিদিন বৃষ্টি হয়েছে । এ বছর কেন হচ্ছে না - আল্লাহ ভালো জানেন ।

চাষবাসে এই একটা জিনিস কখনোই বদলায় না ।

যন্ত্র আনা যায়, শ্রমিক বাড়ানো যায়, কাজের সময় দ্বিগুণ করা যায় ।

কিন্তু বৃষ্টি ?

আমাদের জন্য দোয়া করবেন ।

31/08/2026

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন — ভাই, শেয়ার কতদিন পর্যন্ত পাওয়া যাবে? এই মুহুর্তে হাতে টাকা নাই, একটু সময় নিলে কি পাব?

সহজ উত্তরটাই দেই — যতদিন বিক্রি না হচ্ছে, ততদিন পাচ্ছেন। বিক্রি হয়ে গেলে শেষ।

আমি সুগারকোট করতে চাই না, ফলস আর্জেন্সিও তৈরি করতে চাই না। "আর মাত্র ৩ দিন বাকি!" — এই খেলাটা আমাদের না।

৫ বছরে বিক্রি না হলে ৫ বছর পরেও পাবেন। ৫ দিনে বিক্রি হয়ে গেলে ৫ দিন পরে আর পাবেন না।

সহজ হিসাব।

//.\\

তবে একটা সত্যি কথা বলি।

আগে যখন রিটেইলে একটা দুইটা তিনটা করে শেয়ার বিক্রি করতাম, সাড়া ছিল একরকম। ফাউন্ডার মেম্বার লঞ্চ করার পরে, ২৫ শেয়ারের প্যাকেজটা করার পরে — সাড়া প্রায় ১০ গুন বেড়ে গেছে।

আল্লাহ চাইলে এই বছরের মধ্যেই হয়তো সমস্ত শেয়ার বিক্রি হয়ে যাবে, না হয় বুক হয়ে যাবে।

//.\\

তাহলে যার হাতে এই মুহুর্তে পুরা টাকাটা নাই, সে কি বসে থাকবে?

কিছু শেয়ার নিয়ে বাকিটা বুক করে ফেলতে পারেন। মান্থলি প্ল্যানে ১২ মাস পর্যন্ত কিস্তি নিতে পারবেন। মোট টাকাটা ১২ দিয়ে ভাগ করে প্রতি মাসে দিয়ে দিলেন — আপনার শেয়ার রিলিজ হতে থাকল, পারচেস হতে থাকল।

১২ মাস পরে দেখা গেল, আপনার নিজের কনভিনিয়েন্সেই ২৫টা শেয়ার পেইড অফ হয়ে গেছে।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

31/08/2026

আমরা জমিতে কাসাভা লাগাচ্ছি — এর আগে আমরা নিজেরা কখনো কাসাভা লাগাই নি ।

কাসাভা দেখেছি, ফ্রাই করে খেয়েছি, কাঁচাও খেয়েছি । কিন্তু লাগাতে হয় কিভাবে সেটা জানা ছিল না । কয়েকদিন রিসার্চ করে, দেখে, বুঝে - তারপর জমিতে নামা হয়েছে ।

//.\

কাসাভা অনেকটা মিষ্টি আলুর মত - মাটির নিচে হয় ।

লাগানোর নিয়মটা পাকচং ঘাসের মত । গাছের ডাল কেটে কাটিং করে, মাটি ৪-৫ ইঞ্চি খনন করে সেখানে পুঁতে দিতে হয় । এরপর পানি ।

লাইন বাই লাইন, ৩ ফিট দূরত্বে ।

বৃষ্টি হলে ২ সপ্তাহের মধ্যেই কাটিং থেকে কুঁড়ি বের হয়ে ডাল উপরে উঠতে শুরু করবে । আর একটা গাছের নিচে ৫ থেকে ৭ টা পর্যন্ত কাসাভা হয় ।

তবে এটা লম্বা প্রসেস । এখন লাগানো হলো, ফলন পাওয়া যাবে ৯ মাস পরে ।

//.\

এই জমিতে আগে ভুট্টা ছিল । ভুট্টা কালেক্ট করার পরে জমি সমান করে এখন কাসাভা লাগানো হচ্ছে ।

এখানের মানুষ কাসাভা ভালবাসে ভুট্টার মতই । খাওয়ার নিয়মও অনেক - পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে, টুকরা করে রোদে শুকিয়ে, গুঁড়া করে আটার মত সিদ্ধ করে খায় । ডুবো তেলে ফ্রাই করেও খায় । আর কাঁচা খেলে একদম মিষ্টি - কাঁচা মিষ্টি আলুর মত ।

//.\

একটা কথা বলে রাখি - এই কাসাভা আমাদের বাণিজ্যিক ফসল না ।

এটা আমাদের খাওয়ার জন্য । যারা সারাদিন মাঠে কাজ করে, এটা তাদের খাওয়ার জন্য ।

খামার মানে কি শুধু বিক্রির হিসাব ?

যারা রোদে দাঁড়িয়ে জমিটা বানায়, তাদের খাবারটাও ওই জমি থেকেই আসা উচিত ।

৯ মাস পরে কাসাভা যখন উঠবে - আপনাদের দেখাব, ইনশাল্লাহ ।

30/08/2026

নীল নদ ঠিক সামনেই , অথচ নীল নদ দেখা যায় না ।

পিরামিড রিসোর্টের জমিতে ঘাস এত উঁচু হয়ে গেছে যে দাঁড়িয়ে থাকলেও সামনের নীল নদ চোখে পড়ে না । শুধু ডাঙায় না - পানির ভিতরেও ঘাস জমে গেছে ।

রাসেল দেখাচ্ছিল - ডাঙার ঘাস পরিষ্কার হয়ে গেছে , আর ছেলেরা পানিতে নেমে ভিতরের ঘাস কাটছে ।

//.\

কেউ প্রশ্ন করতেই পারেন - রিসোর্টের কাজ শুরু করে আগে ঘাস কাটার দরকার কী ছিল ?

কারন -

রিসোর্টে অতিথি আসলে তিনি কী কেনেন ?

রুম কেনে না । সেখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য কেনেন ।

যে মানুষটা হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে নীল নদের পাড়ে আসবে - সে চায় বসে থাকতে , তাকিয়ে থাকতে । তার চোখের সামনে যদি ঘাসের দেয়াল থাকে , তাহলে জমিটা নদের পাড়ে না বাজারের পাশে - দুইটাই সমান কথা ।

এজন্য সীমানা পর্যন্ত পুরোটা পরিষ্কার করা হবে , পানির ভিতরের অংশসহ । যেখান থেকেই তাকান - নদ যেন চোখে পড়ে ।

ডাঙার ঘাস কাটা সহজ । কিন্তু পানিতে নেমে ঘাস কাটা - এটা সহজ কাজ না । ছেলেরা সেই কাজটাই করছে আজকে ।

//.\

দালান তোলার আগের কাজগুলো ছবিতে সুন্দর দেখায় না । ঘাস কাটা , জমি সমান করা , পানিতে নেমে কাদা ঘাটা - এসবের ভিডিও কেউ শেয়ার করে না ।

কিন্তু কাজটা এখান থেকেই শুরু হয় , আলহামদুলিল্লাহ ।

সৌন্দর্য নিজে নিজে আসে না ।
কাউকে না কাউকে আগে গোড়া থেকে শুরু করতে হয় - তারপরে বাকিরা বসে সৌন্দর্য দেখে ।

ইনশাল্লাহ , সেই বসার যায়গাটাই আমরা বানাব ।

30/08/2026

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন — "ভাই, প্রফিটটা আসলে ভাগ হবে কেমন করে ? কোম্পানি কি অর্ধেক রেখে দেবে?"

প্রশ্নটা ন্যায্য। টাকার হিসাব পরিস্কার না হলে মানুষ ঘুমাতে পারে না — আমি নিজেও পারতাম না।

তাই একদম খোলামেলা ভাবেই বলি।

//.\\

আমাদের কোম্পানিতে টোটাল শেয়ার ৩০,০০০ টা।

এর মধ্যে ১৫,০০০ শেয়ার বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত কোম্পানি নিয়েছে।

//.\\

এবার আসল হিসাবটা।

ধরেন, ২৭ সালের ডিসেম্বরে ক্লোজিং হলো। ২৮ এর জানুয়ারিতে অডিট পাবলিশ করলাম — ট্যাক্স আর এক্সপেন্স বাদ দিয়ে যা প্রফিট থাকলো, ওটাকে আমরা ৩০,০০০ ভাগে ভাগ করব।

আপনার যদি ১০ টা শেয়ার থাকে — ৩০,০০০ ভাগের ১০ ভাগ পুরাটাই আপনার।

৫০-৫০ এর কোন প্যাচ নাই। যতগুলা শেয়ার, ততগুলা ভাগ।

//.\\

প্রজেক্ট ক্লোজিং এর বেলায়ও একই নিয়ম।

২০৫০ সালে যখন পুরা প্রজেক্টটা আমরা শেষ করে বিক্রি করে দেব — অ্যাসেট, ব্র্যান্ড ভ্যালু, যা কিছু আছে — তখনও ট্যাক্স আর এক্সপেন্স ক্লিয়ার করার পরে যে মূলধনটা থাকবে, সেটাও ওই ৩০,০০০ ভাগেই ভাগ হবে।

১০ টা শেয়ার মানে ১০ ভাগ। সেই দিনও।

//.\\

বার্ষিক ডিভিডেন্ড নিয়ে অনেকে জিজ্ঞেস করেন — ১৫ পার্সেন্টের বেশি কি আসবে না?

ইনশাল্লাহ আসতে পারে। কিন্তু আমরা মুখে বলব ৫ থেকে ১৫ পার্সেন্টের কথাই।

কারন — আমি "আন্ডার কমিট, ওভার ডেলিভার" এ বেশি কমফোর্টেবল।

আমি যদি ৫ বলে ৭ দেই, আপনি খুশি থাকবেন, আমারও দিতে পেরে ভালো লাগবে, সম্পর্কটা টিকে যাবে বহু বছর।

আর যদি ৭ বলে ৫ দেই? আপনি অসন্তুষ্ট, আর আমি লজ্জার মধ্যে।

লম্বা পথের সঙ্গী বাছতে হয় বিশ্বাস দিয়ে, বড় বড় কথা দিয়ে না।

আল্লাহ সহজ করুক।

Address

Soroti

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mujahidul Islam Jahid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category