22/01/2026
বড় বড় দেশের সাথে লবিং এবং কুটনৈতিক চ্যানেল মেইনটেইন করা এক প্রকার যোগ্যতা। এগুলোর জন্য শিক্ষাদীক্ষা লাগে। তাদের সাথে চলাফেরা লাগে, উঠা বসা লাগে। জামায়াত তার শিবিরকে এমনভাবে গড়ে তুলে যাতে তারা লেখাপড়া শেষে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজের মেধার সাক্ষর রাখতে পারে। তারা ডাক্তার হচ্ছে, ইঞ্জিনিয়ার হচ্ছে। দেশ বিদেশে লেখাপড়া করতে যাচ্ছে। তাদের চলাফেরাও বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ে। এবং জামায়াত সব সময় মেধাবী ছেলেপেলেদের শেল্টার দেয়। তাদের পৃষ্টপোষকতা করে। তারাও জামায়াতের হয়ে বিভিন্ন কুটনৈতিক চ্যানেলে অবদান রাখে। এবং জামায়াতের ব্র্যান্ডিং হয় মুলত এদের দিয়েই।
অন্যদিকে বিএনপির লোকজন লেগুনা স্টান্ড, কবর স্থান, টেম্পু স্টান্ড, বাসকাউন্টার, হাটবাজার, রাস্তার পাশের হকার, ময়লার গাড়ি, এলাকার ডিশ ব্যাবসা, পানির ব্যাবসা, বেকারি ব্যাবসা ইত্যাদির নিয়ন্ত্রণ নিয়েই খু্শি। তাহলে আমেরিকার সাথে লবিং করবেটা কে?
তারা ভারতের সাথে লবিং করার একটা রাস্তা পেয়েছে আগের চ্যানেলের মাধ্যমে।।
কিন্তু ভারতের অবস্থাও এখন খারাপ। আমেরিকা ভারতের উপর নাখোশ আছে। আর আমেরিকাই মুলত দুনিয়ার সব দেশ চালায় এই কথা অস্বীকার করার কিছুই নাই। দুনিয়ার প্রায় সব দেশেই আমেরিকার হস্তক্ষেপ আছে। সে আমেরিকাকে হাতে অবশ্যই রাখতে হয়। আর সে কাজটা করার জন্য প্রচুর কুটনৈতিক চ্যানেল লাগে। যাদের শিক্ষা দীক্ষা নাই। মগজে লেগুনা ষ্টান্ড। তারা আর কি কুটনীতি করবে, বলেন??